Skip to content

দশম জাতীয় নির্বাচনে যারা ভোট না দিবে, তারা অনেক বড় ভুল করবেন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুষুপ্ত পাঠক সাহেব নাগরিক ব্লগে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন যে-আমাকে নাকি আমার ব্লগ থেকে ব্যন করা হয়েছে। তার কথা যে সঠিক নয়, এবং তিনি যে মিথ্যা বলেন ও আমাকে যে আমার ব্লগ থেকে ব্যান করা হয় নি, তার জানান দিতেই এই পোষ্ট দিয়ে আবার লেখা শুরু করলাম। আমার আজকের লেখাটি ধর্ম নিয়ে নয়। আমার আজকের লেখাটি দশম জাতীয় নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের ভোট দেওয়া বা না দেওয়ার সিদ্ধান্তে করণীয় বিষয় নিয়ে।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা ভোট দিবে না বা ভোট বর্জন করবে তারা ভোট পরবর্তী সময়ে চরম দুরবস্থার স্বীকার হবেন।কারণ- আওয়ামী রাজনিতিবীদরা মুখে যে যায় বলুক না কেন, আগামীকালের নির্বাচনের পরে গঠিত সরকার পূর্ণ পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকবে। কোন অবস্থাতেই বিরোধীদল তা রোধ করতে পারবে না। বরং এই নির্বাচনে অংশগ্রহন না করা বিরোধী দল সমুহ আগামীতে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। তাই সাধারণ জনগনের উচিৎ হবে যে-বিরোধী দলের ডাকে সাড়া না দিয়ে স্বতস্ফুর্ত ভাবে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করা। তাতে তারা সরকারের সু-নজরে থাকতে পারবে।

সম্মানীত পাঠক-

এই মুহুর্তে আওয়ামী লীগ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে যে-৫ তারিখের নির্বাচনের পরে, ২৪ জানুয়ারীর পরে সমঝোতার মাধ্যমে পূণঃনির্বাচন হতে পারে। তবে আপনারা নিশ্চিৎ জেনে রাখুন যে-অাগামীকালের নির্বাচনের পরে গঠিত সরকার পাঁচ বছরের একদিন আগেও ক্ষমতা ছাড়বে না বা নির্বাচন দিবে না। কারণ- বিরোধীদল কোন ভাবেই দশম জাতীয় নির্বাচনে গঠিত সরকারকে পূণঃনির্বাচন করাতে বাধ্য করার মত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে না। আগামীকালের নির্বাচনের পরে গঠিত সরকার, বিগত দুইমাসে যারা বোমা হামলা ও সন্ত্রাস করেছে ও যারা তাদের সন্ত্রসী কাজে মদদ যুগিয়েছে ও যারা পৃষ্ঠপোষকতা করেছে, তাদের সবাইকেই স্ব-মূলে উৎপাটন করবে।

ইতি মধ্যেই প্রশাসন সকল সন্ত্রাসী, মদদ দাতা ও পৃষ্ঠ পোষকের তালিকা তৈরী করে ফেলেছেন। নির্বাচন পরবর্তি সময়ে তাদের বিচারের সম্মুখীন করার পাশাপাশি ক্রস ফায়ারের মাধ্যমে পূর্ব বাংলা কমনেষ্ট ও জনযুদ্ধের লোক জনকে যেভাবে শেষ করেছিল, ঠিক সে ভাবেই এদেরকে শেষ করে দেবে।

এই দেশে জামায়াত বলে কোন দল বা দলের কোন সাপোর্টার থাকতে দেবে না। তাদেরকে একেবারে নিশ্চিহ্ন করে দেবে। আর ইতিমধ্যেই বিএনপিও যুদ্ধাপরাধী দল হিসাবে চিহ্নিত হয়ে গেছে। তাই আগামীতে বিএনপি ভেঙ্গে কয়েক টুকরা হয়ে যাবে। তার এক টুকরা হবে নতুন নামে জামায়াত নির্ভর দল, এক টুকরা হবে নতুন নামে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল ও এক টুকরা থাকবে খালেদার হুকুম তামিলকারী মূল দল। আর বর্তমান বিএনপি জামায়াত এর যে নিরোপেক্ষ ভাসমান সমর্থক আছে তারা আওয়ামী উন্নয়নের কারণে প্রায় সকলেই আওয়ামী সাপোর্টার হয়ে যাবে। তখন বিএনপির যে অংশটি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল হবে তারাও ১৪ দলের সাথে জোট করবে। বর্তমানেও তারা গোপনে গোপনে ১৪ দলের সাথেই আছে। কারণ- তারাও জানে যে, দশম জাতীয় নির্বচনে গঠিত সরকার পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকবে। তাই এখন থেকে তাদের সাথে না থাকলে আগামী পাঁচ বছর কোন রকম সরকারী সুযোগ সুবিধা পাবে না। তাই তারাও এই নির্বাচনে পরোক্ষভাবে অংশ গ্রহন করবে।

তখন বিএনপি ও জামায়াত দলে মোট ২০ থেকে ২৫ ভাগ জনগণ থাকবে। এই ২০-২৫ ভাগ জনগণ দিয়ে আওয়ামী জোটের সাথে টিকে থাকতে পারবে না। তখন যারা এই নির্বাচনে ভোট বর্জন করেছিল এরুপ সাধারণ জনগণ কিছুটা অবহেলার স্বীকার হবেন। তাই আমি একজন সাধারণ ভোটার হিসাবে, সকল ভোটারদিগকে বলবো যে-যারা রাজনিতিকে রুটি রুজির মাধ্যম হিসাবে মনে না করেন, তারা ভোট বর্জনের মত বোকাম না করে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করুন। আশা করি আগামীতে আরও শান্তিতে থাকতে পারবেন।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আস্তিক হলো তারাই- যারা বিশ্বাস করে আল্লাহর অস্তিত্ব আছে। আল্লাহ দেহধারী, তাকে দেখা যায় ও তাকে ধরা যায়।
নাস্তিক হলো তারা- যারা মনে করে আল্লাহ নিরাকার, তাকে দেখা ও ধরা যায় না।
আর যারা বিশ্বাস করে স্রষ্টা নাই, তারা মূলতঃ ভণ্ড। সেরু পাগলার বাণী।।

সত্য সহায়। গুরুজী।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই আপনি পারেনও। ...

--------------------------------------------------------

আয়না বসায়ছি মোর কলবের ভিতর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আউল বাউল সাহেব-

না পেরে কি আর উপায় আছে।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিয়োজিত, সেই ইসলাম ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন।

আর-যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্ব অ-শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিয়োজিত, সেই অ-ইসলাম ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। সেরু পাগলার বাণী।।

সত্য সহায়। গুরুজী।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

apni muloto ekjon shia somproday er lok. apnader shia der moddhei abar onek group ache. jemon keo mone kore kholifa Ali hossen nobi, abar keo mone kore kholifa Alir sathe beimani korechilo prothom diker kholifara, keo abar bole Ali e ALLAH (NAUJUBILLAH) , keo abar bole kholifa Alir moddhe emon onek kisu chilo ja nobir moddheo chilo na, apni shia der moddhe kon motobader seta agay clear koren. onek kotha ache apnar sathe


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হাসিব হায়াত সাহেব-

আমি বা আমরা বিশ্বাস করি যে- রাসুল বলেছিলেন,

আনা মাদিনাতুল এলম ওয়া আলিউন বাবুহা। যার বাংলা অর্থ- আমি জ্ঞানের শহর, আলি তার দরজা। আলিকে আমরা নবি বা নবির থেকে বেশি জানে তা বিশ্বাস করি না।

তবে শীয়া রা কিন্তু বায়াতে বিশ্বাসী নয়। আর আমরা কিন্তু বায়াতে বিশ্বাসী। এবং বায়াতের মাধ্যমেই গুরু পরাম্পরায় কোরআন জানা, বুঝা ও মানার চেষ্টা করি। শীয়া হলো তারা- যারা নবির পরেই আলীকে মান্য করে কিন্তু বায়াতে বিশ্বাস করে না। আর আমরা হলাম রাসুলের পরে আলিকেই ইসলামের খলিফা মান্য করি ও বায়াতের মাধ্যমেই ইসলামের জ্ঞান জানা যাবে তা নিশ্চিৎ ভাবে বিশ্বাস করি।

আমরা মৌলবাদী, শীয়া নই।

—————————————————————————————————————————————————————————————————
যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিয়োজিত, সেই ইসলাম ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন।

আর-যাহার চিন্তা বাক্য ও কর্ম নিজের, সমাজের, দেশের তথা বিশ্ব অ-শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিয়োজিত, সেই অ-ইসলাম ধর্মের লোক। তা সে যে সম্প্রদায়েরই হউক না কেন। সেরু পাগলার বাণী।।

সত্য সহায়। গুরুজী।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আওয়ামী সরকারের বয়স প্রায় চার বছর হতে চললো। বাঁকি সময়ও তারা পার করবে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আওয়ামী সরকারের বয়স প্রায় চার বছর হতে চললো। বাঁকি সময়ও তারা পার করবে।

glqxz9283 sfy39587p07