Skip to content

স্রিতিফুল

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জীবনের ৬০ নম্বর বছরটি হতে আর মাত্র কয়েকটা ঘণ্টা বাকি|হাতে সিগারেত।মুখে ধুয়া।উপরে রাতের এই খোলা আকাস্কে,আজ বরই ভালো লাগছে।কিভাবে ৬০টি বছর পেরিয়ে গেল,এটা ভাবতেই অবাক হচ্ছেন মিঃ ফারিও।তার ছন্নছাড়া জীবনের একমাত্র প্রাপ্তী,কয়েকটা সিগারেটের প্যাকেট আর মনের সুখে হাওয়ায় ধুয়া উড়ানো ছারা,আর কিছুই খুজে পাচ্ছছছেন।জীবনে যা ঘতেছে,সবই এখন কষ্ট মাখানো স্রিতি।হয়ত সুখ মাখানো স্রিতিও রয়েছে।কিন্তু সে গুলোতো মনে পড়ছেনা।

মেয়েঃ লাগবে?
আমি আমার বা দিকে তাকালাম।দেখলাম,তার সারাটা শরীর ভিজে গেছে।ভেজা আর এক রঙা গোলাপি রঙের পুরনো হওয়া পাতলা শাড়ীতে,ব্লাউস আর তার শরীরটার বেশ স্পর্শকাতর জায়গা গুলো প্রায় স্পষ্ট।যেন একটা গোলাপের ওপরের কিছু পাপড়ি,আরও কিছু পাপড়ির উপর নুয়ে পরেছে।আমি কোন উত্তর না দিয়ে আবার সিগারেট খেতে লাগ্লাম।ব্যাপারটা বুঝতে আমার কষ্ট হল না।শে আর কিছু বলল না।দাড়িয়ে ছিল।আমি একটু পর উঠে দাড়িয়ে তার মুখের উপর ধুয়াটা ছেড়ে,জিজ্ঞেস করলাম...
“কি বললে?”
সে তার হাত উঁচিয়ে আমায় একটা ছেড়া প্যাকেো(যৌন কাজে ব্যাবহার করা হয়,এমন একটি বস্তুর খোসা) দেখালো।আমি বুঝতে পারলাম যে,সে যেই কাজের জন্নে আমায় বলছে,সেই কাজের “ক” ও সে এখনো শেখেনী।এরপর আরেকটি সিগারেটে আগুন দিতে দিতে জিজ্ঞেস করলাম...
“কত?”
সে আমার ব্যাবহারে সম্ভবত কষ্ট পেয়েছে।কারন তার উত্তর ছিল...
“ইছছা।না দিলে,নাই।
আমিঃনা দিলে নাই?
এটা বলা মাত্রই সে চলে যাওয়া শুরু করল।রাগ আর লজ্জা দুটোই তাকে হার মানিয়ে দিছছিল।আমি তাকে তার মুখ লুকানোর চেষ্টা বেরথ করে দিয়ে করে দিয়ে,তাকে ডাকলাম।বললাম...
“এই শুনো,১০০ টাকা”
সে হেটেই যাচ্ছিলো।আমি আবার বললাম...
“৫০০ টাকা”
তবুও হেটেই জাছছিল।এবার বললাম..।
টাকা লাগবেনা?
সে থেমে দারাল।আমি তাকে ছাওনির ভেতর ডাকলাম।সে আসলো।
আমিঃটাকা লাগবে না?
সে কিছু বলল না।লজ্জায় তার চোখ বন্ধ করা ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না।সে বুঝতে পেরেছিল জে,তার এই কাজের জননে,সে ভুল মানুষের কাছে এশেছে।কিন্তু কেন জানি সে বারবার আমার দিকে তাকাচ্ছিল আর চোখ নামিয়ে ফেলছিল।বুঝতে পেরেছিলাম যে,সে এই কাজে একেবারেই নতুন।
আমিঃআচ্ছা চল।
তাকে আমার বাড়ি নিয়ে এলাম।দারোয়ান জিজ্ঞেস করল...
“সির,এই মাইয়া কেডা?আগেতো আপনারে কোন মাইয়ার লগে দেখি নাই!”
আমার একটু রাগ হচ্ছিলো।আমি রাঙিয়ে তার দিকে তাকাতেই,দারোয়ান বলল...
“আচ্ছা যান যান”
আমার সাথে কেউ থাকত না।আমার কোন পরিবার ছিল না।আমি বাবা মায়ের দ্বিতীয় সন্তান।আমরা ৪টি ভায়ের বাকি তিঞ্জন,তারা তাদের মত করে জীবন গড়ে নিয়েছে।আমি তখন বিয়ে করিনি।বাবা মা ছিল না বলে,বিয়ের বিষয়ে তেমন ভাবে কেউ চাপ দিত না।আমি তখন একা ছিলাম।একদম একা।এবং কাউকে জীবন সঙ্গী করার ইচ্ছাও ছিল না।
এরপর মেয়েটিকে রুমে আনার পর তাকে বাথরুম দেখিয়ে দিলাম।আর যা খাবার ছিল,সেইটা তার জননে রেখে বাহিরে গেলাম।প্রায় ৩০ মিনিট পর রুমে এলাম।রুমে আসার পর দেখতে পেলাম মেয়েটি ঘুমিয়ে পরেছে।তার গায়ে আমার একটা টি-শার্ট ও তার নিজেরই কাপড় (শাড়ীর নিচে পরিহিত কাপর)।আমি দেখতে পেলাম তার মাথার সামনে একটা সাদা কাগজে লিখা রয়েছে...
“অনেকক্ষণ অপেক্ষা করছিলাম।ঘুমিয়ে পরলে ডেকে তুলবেন।”
বুঝতে পারছিলাম,তার খুব ঘুম পাছছে।আমি চেয়ার টান দিয়ে তার সামনে বসলাম।সে চেয়ারের আওয়াজ পেয়ে হুড়মুড় করে জেগে উঠল।
আমিঃউঠলে কেন?ঘুমাও।
মেয়েঃঢং করছেন কেন?যেটার জননে এখানে নিয়ে এসেছেন,সেইটা করুননা!আমার তাড়া আছে।
আমিঃহা।তাইতো করছি।তুমি ঘুমাউ আর আমি তুমায় দেখি।এ জননেই তুমায় এখানে নিয়ে এসেছি।
মেয়েঃতাহলে আমি জাই।আমার ঘুমানোর সময় নেই।
এই বলতে বলতেই মেয়েটি টি-শার্ট খুলে,ভেজা শাড়ীটাই পড়তে লাগলো।আর আমি সাথে সাথে ওদিক ফিরে গেলাম।কয়েকটা সেকেন্ডের জননে,তার খোলা শরীরটা আমার সামনে উপস্থিত হয়েছিল।মুহূর্তেই মাথার সব চিন্তা দমে দিয়ে একটা দৃশ্য আর একটা মেয়ে,রুইহার কথাই মাথায় এঁটে বসেছিল।সে অবাক হয়ে কিছুক্ষন আমার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল।শাড়ি পরা শেষ করে এবার বলল...
“আমি গেলাম”

চলবে...

glqxz9283 sfy39587p07