Skip to content

শাবিপ্রবিতে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধীতাকারীদের রুখে দাঁড়ান

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



তখন মনে হয় ক্লাস সেভেন কিংবা এইটে পড়ি। পত্রিকা খুললেই দেখতাম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নামকরণ আন্দোলন চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিল্ডিং-এর নামকরণ কয়েকজন জাতীয় বীরের, বুদ্ধিজীবী, কবি, সাহিত্যিকদের নামে করার প্রতিবাদে তৎকালীন ছাগুরা আন্দোলনে নেমেছে। বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীরা বিশাল সেশনজটে পরতে যাচ্ছে। শেষপর্যন্ত ছাগুদেরই জয় হল। আজো একযুগ পরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিল্ডিংগুলো নামপরিচয়হীন। গতবছর কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ সাস্টিয়ানের রক্ত পানি করা পরিশ্রমের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্রে “চেতনা’৭১” নামক ভাস্কর্য স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। তারপরেও অনেক চেষ্টা হয়েছে এটিকে ভেঙ্গে ফেলার। জানিনা এটাকে কতদিন টিকিয়ে রাখা যাবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে এবার আরেকটি মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে যেটা আমাদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। বরাবরের মত এবারও একটি বিশেষ মহল এই ভাস্কর্য স্থাপন না করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। এই মহলটিই একযুগ পূর্বে বিশ্ববিদ্যালের বিল্ডিংগুলোর নামকরণ করতে দেয়নি। এখন তার সাথে যুক্ত হয়েছে বর্তমান প্রজন্মের ছাগুরা যারা ফেসবুকে এই ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে।

ছাগুরা যেসব যু্ক্তি দেখায় তার মধ্যে একটা প্রধান যুক্তি হল ইসলাম ভাস্কর্য নির্মাণে অনুমতি দেয়না। সিলেটের মানুষজন বেশ সহজ-সরল। তাদেরকে ধর্ম দিয়ে ব্রেইনওয়াশ করাটা তাই খুব সহজ। আমার জানামতে ইসলামে যে ধরণের ভাস্কর্য নির্মাণে নিষেধ আছে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য সেটার আওতায় পড়েনা। মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য কোন দেবদেবীর মুর্তি নয়, এটা একটা দেশের সংস্কৃতির প্রতীক, আর্কিটেকচারাল হেরিটেজ। আমার জানামতে ইসলাম শুধু পৌত্তলিকদের মুর্তির বিরুদ্ধেই নিষেধ করেছে, আর্কিটেকচারারল হেরিটেজের উপরে না। যদি তাই হত তাহলে সংযুক্ত আরব আমিরাত পৃথিবীর সর্বোচ্চ অট্টালিকা বুর্জ খলিফা নির্মাণ করতে পারতনা। বিশ্বের সকল মুসলিমপ্রধান দেশেই আর্কিটেকচারাল হেরিটেজ নির্মাণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে, যদি সত্যিই ইসলামে বাধা থাকত তাহলে এসব দেশে কখনোই কোন সুন্দর শৈল্পিক অট্টালিকা নির্মিত হতনা। আর হ্যাঁ, সিলেটের হযরত শাহজালাল (রঃ) -এর মাজারও কিন্তু একটি আর্কিটেকচারাল হেরিটেজ। তাহলে ছাগুরা কেন ইসলামের দোহাই দিয়ে ভাস্কর্য বানাতে নিষেধ করছে?

কারণটা খুব সিম্পল। এই ছাগুরাই একাত্তরে কোরান শরিফ পুড়িয়েছে। এই ছাগুরাই ইসলামের দোহাই দিয়ে একাত্তরে মানুষ মেরেছে, ”গনিমতের মাল” ট্যাগ দিয়ে ধর্ষন করেছে। ছাত্রশিবিরের কর্মীরা এর আগেও কোরান অবমাননা করেছে। মতিউর রহমান নিজামীকে নবীর সাথে তুলনা করা হয়েছে (তখন কোন মুসলিমকে এটার প্রতিবাদে রাস্তায় নামতে দেখিনি)। এরাই বলে শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধার্পণ করা ”শিরক”। আর সাম্প্রতিক সময়ে ছাগুরা যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে পবিত্র কাবা শরিফের ইমামকেও অপমানিত করেছে! এরাই প্রকৃতপক্ষে ইসলামকে অবমাননা করে, এরাই ধর্মের নামে ব্যবসা করে। অথচ কোনদিন ধর্ম অবমাননার দায়ে কোন মুসলমানকে ছাগুদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে দেখিনি। কেন দেখিনি?

কারণ, বাঙালী মুসলমানরা চরমপন্থী না, কিন্তু ছাগুরা তাদের ফায়দা হাসিলের জন্য মুসলমানদের ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগিয়ে তাদেরকে ভায়োলেন্ট হতে বাধ্য করে (রামুর ঘটনা)। যেহেতু কলকাঠিটা ছাগুরাই নাড়ায় তাই যখন তাদের স্বার্থ হাসিলের প্রয়োজন হয় তখনই তারা সহজ-সরল মুসলমানদের ব্রেইনওয়াশ করে ভায়োলেন্ট বানায়, আর যখন নিজেরা ইসলামের অবমাননা করে তখন গর্তে লুকায় যার কারণে তাদের অপকর্মটা লোকচক্ষুর আড়ালেই থেকে যায়। এই যে সারা বিশ্বে মুসলমানদের সন্ত্রাসী ট্যাগ দেয়া হয় এর জন্য দায়ী তো এইসব ছাগুরাই, এরাই ইসলামের নামে সন্ত্রাস করে ইসলামের সন্মানটা নষ্ট করেছে। এই যে দেলওয়ার হোসেন সাইদি নামক চরিত্রহীন, খুনী, ধর্ষক কিভাবে দিনের পর দিন ওয়াজ করে মানুষকে ধোঁকা দিয়েছে তা তো আমরা সবাই জানি। যারা ভাস্কর্য নির্মাণের বিরুদ্ধে তারাও এইসব ম্যানিয়াক দ্বারা ব্রেইনওয়াশড।

তাই যারা কনফিউশনে আছেন, আপনারা ছাগুদের কথায় বিভ্রান্তে হবেননা। ইসলামে কোথাও বলা নেই যে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য বানানো যাবেনা। দেশপ্রেম ইমানের অঙ্গ যদি বিশ্বাস করে থাকেন তাহলে দেশপ্রেমের প্রতীকস্বরূপ কোন স্থাপনা নির্মাণেও কোন সমস্যা হবার কথা না। আর সবাইকে বিশেষকরে সাস্টিয়ানদের বলছি, ফেসবুকে কিংবা সামনাসামনি যাদেরকেই দেখবেন ভাস্কর্য নির্মাণের বিরোধীতা করছে, তাদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করুন, ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে ডিলিট এবং ব্লক করুন। মনে রাখবেন, When you stay neutral between good and evil, you indeed support evil. ছাগুদের প্রতিরোধ করুন, মাঠে ময়দানে, রাজপথে, ফেসবুকে, ব্লগে সবখানে। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গৌরব আমাদের অহংকার, আর এটাকে যারা অবমাননা করে তারা সবাই রাজাকার। একবার রাজাকার মানেই চিরকাল রাজাকার। এদেরকে আজীবন ঘৃণা করুন, বর্জন করুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছাগুদের জন্যে ঘৃণা ছাড়া আর কিছুই বরাদ্দ নেই ।

সাসটিয়ান রা রুখে দাঁড়ান প্রাণপণে

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
" যারা পাকিস্তানের সাথে রিকন্সিলিয়েশন এর ধুয়া তোলে , থুথু ছিটাই সেসব বেজন্মাদের মুখে "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক ছাগুদের জন্য শুধুই ঘৃণা রইলো।
অরূপদা ধনবাদ আপনি অনেক কিছুই তুলে ধরেছেন।
শেয়ার্ড।

.........................................
ধর্মান্ধ এবং রাজাকার মুক্ত দেশ চাই
.....................................


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ মহুয়া।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি




লিংক :
http://www.sylhetbarta.com/newsdetail/detail/37/3056

-
একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়। -হুমায়ুন আজাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিছু বলার ভাষা নাই আমার। এদের মধ্যে দুইজনের ক্লাস করার গ্লানি সহ্য করতে হয়েছে আমাকে। Sad

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাথে আছি এবং শেয়ার্ড।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ অনি’দা, আপনি সবসময়ই সাথে আছেন, থাকবেন।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এ নিয়ে আমরা মাঠে নামছি খুব শিগগিরই। যে কোন মূল্যে শাবি'তে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য হবে; হবেই!

বিষয়টি নিয়ে আমার ফেসবুকের স্ট্যাটাস ফেসবুকের স্ট্যাটাস এখানে শেয়ার করছি।

পাপী নই তাই ওমূখো হই না ফি-দিন। জগতের সব ধর্ম উপাসনাগৃহ আজকাল ভর্তি হয়ে যাচ্ছে পাপীদের দ্বারা। তাই প্রার্থনালয়ে মানুষের ভিড় বাড়ছে ক্রমশ! অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় পাপী বাড়ছে তাই পূর্নার্থীদেরও ভিড়! কথাগুলো অনেক কঠিন হলেও বাস্তবতাকে অস্বীকার করি কিভাবে? যে ঈমাম সাহেব একদা লণ্ডনী বাড়িতে যেতেন না মদের (হারাম রোজগার) টাকায় আয় বলে। আজকাল দেখি সবার আগেই সে বাড়িতে তাদের আনাগোনা। যেহেতু আমার বাড়ি সিলেট তাই একেবারে বাস্তব যা; তাই বলা।

সেই ছোটবেলায় শুনেছিলাম কোন প্রাণী-মানুষের ছবিসহ কোন কিছু থাকলে নাকি নামাজ হয় না। অথচ কি অবাক করা ব্যাপার আজকাল ঈমাম সাহেবরা ছবিওয়ালা টাকা পকেটে নিয়ে দিব্যি নামাজ পড়িয়ে যাচ্ছেন। মানুষের ছবিসহ পাসপোর্ট নিয়ে হজ্জ করে আসছেন অবলীলায়; সেখানে নামাজ আর ইবাদতের কোন সমস্যা হচ্ছে না। তবে কি ধরে নেবো, ইবাদত-বন্দেগিসহ সবকিছুতেই আপনা সুবিধা স্থান করে নিয়েছে তাদের নিজেদের খেয়াল খুশীমত।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (SUST) মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সম্বলিত ভাস্কর্য নির্মাণ নিয়ে আবারো নগ্ন এক খেলায় মেতে ওঠেছে সেখানকার মৌলবাদী সংগঠন ও মানুষেরা। যারা স্বার্থের কারণে সব করতে রাজি, যারা নিজেদের খেয়াল-খুশিতে ধর্মীয় রীতিনীতি গড়ে-ভাঙে তারাই এর হোতা। তাদের দাবি এই ভাস্কর্য নাকি মূর্তি! মহান মুক্তিযুদ্ধের কোন স্মৃতিবাহি কোন কিছু নির্মাণকে তারা প্রতিষ্ঠা করতে দিতে চায় না বলে আবারো মেতে ওঠেছে স্বার্থখেলায়। প্রতিক্রিয়াশীলদের এই বিরোধিতাকে যে কোন মূল্যে রুখতে হবে।

ব্যক্তি আমি মনে করি মুক্তিযুদ্ধের এসব ইতিহাসকে আমরা বিভিন্নভাবে সংরক্ষণ করতে পারি যার একটি ভাস্কর্য নির্মাণ। শাবি প্রশাসন যে পদক্ষেপ নিয়েছে তাকে সাধুবাদ জানিয়ে আমাদের উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং নৈতিক সমর্থন অব্যাহত রাখা। এতে করে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মগুলো অন্তত তার ইতিহাস জানতে পারে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে। ভাস্কর্য নির্মাণের মাধ্যমে ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে লালন করা চলে আসছে সেই আদিকাল থেকেই যখন মানুষের মনের ভাব প্রকাশের জন্য ব্যবহার করত চিত্রকলা আর ভাস্কর্যের রূপ। দিন বদলালেও ইতিহাসের সেই নিদর্শন ও ধারা অব্যাহত আছে কালে-কালে এং দেশে-দেশে।

শাবি'র মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য নির্মাণের যারা বিরোধিতা করেন তারা প্রায় সবাইই আদর্শ ভাবেন আরব দেশগুলোকে। সৌদি আরবসহ আরবের অন্যান্য দেশগুলোতেও এই ভাস্কর্য তার উপস্থিতি জানান দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখযোগ্যভাবে। এমনকি আজকের যারা আমাদের দেশের ভাস্কর্য নির্মাণ বিরোধিতাকারী তাদের অনেকেই মাহফিলে যে "নাত" পাঠ করেন তার অনেকটাই লেখা পারস্যের কবি শেখ সাদীর। সেই শেখ সাদীর মাজার আছে আজকের ইরানে এবং সেখানে তাঁর মাজারের সামনেই রয়েছে একটি মর্মর পাথরের ভাস্কর্য। কঠোর ইসলামী অনুশাসনের দেশ ইরানের গোলেস্থান স্কয়ারে আছে শেখ সাদির আরেকটি ভাস্কর্য। সেখানে তবে ধর্ম অবমাননা হয় নি! আফসোস!

ভাস্কর্য যেখানে ইসলামের এবং আরব দেশগুলোর ইসলামি আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক হয় নি সেখানে আমাদের এখানে কেন হবে? সারা বিশ্বে যেহেতু একই ইসলাম তবে কেন এসব "অতি ইসলামী" মানুষের এত বিরোধিতা? মোদ্দা কথা, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে কোন স্থাপনা-ভাস্কর্য হবে সেখানেই তাদের বিরোধিতা- সেটা প্রমাণিত।

শাবি প্রশাসন যে উদ্যোগ নিয়েছে তা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ধারণ করে। ব্যক্তি আমি বিশ্বাসঘাতকদের দলে নাম লিখাইনি বলে এই চেতনায় ধারণ করি। স্বভাবত এই ভাস্কর্যের পক্ষে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ কবির ভাই। আপনার সাথে পুরোপুরি একমত। তবে ছাগুরা অলরেডি ফিল্ডে আছে, আর তাদের কাছে প্রচুর জাল হাদিসও আছে। কথা হচ্ছে আমরা কতটা প্রস্তুত। আগেরবার হেরে গেছি এবার আর হারতে চাইনা। ভাস্কর্য হবেই হবে। প্রয়োজনে জীবন দিয়ে দেব।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধর্ম এবং ধর্মান্ধতা যেহেতু এক জিনিস না সেই হিসেবে আমাদেরকে প্রস্তুত থাকতে হবে। আমাদের মূল শক্তি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। এখানেই আমরা এগিয়ে তাদের থেকে। ভাস্কর্য যেহেতু কোন ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক নয় সেহেতু কোন জাল কাহিনী এখানে এসে কাজে দেবে না।

সৌদি আরবকে যদি তারা সব মনে করে থাকে তাহলে দেখা যাবে সেখানেও আছে অনেক অনেক ভাস্কর্য। দেখুন তাঁর কয়েকটি:

উটের ভাস্কর্য , সৌদি আরব


ঘোড়ার ভাস্কর্য। The Hungry Horses Sculpture। সৌদি আরবের জেদ্দার ঘোড়া ভাস্কর্য।


মানুষের মুষ্টিবদ্ধ হাতের ভাস্কর্য The Fist is a very well known sculpture of Jeddah, Saudi Arabia. It was created by the French artist Cesar and is made of bronze


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেটাই, আমি পোস্টে এগুলোর কথাই বলেছি। কোন মুসলিম দেশই ধর্মের দোহাই দিয়ে ভাস্কর্য বানানো বন্ধ রাখেনি। তাহলে আমরা কেন ধর্মের দোহাই দিয়ে এসব করছি? কারণ, ছাগুরা সাধারণ মানুষকে তাদের বানানো ধর্মকথা শোনায় আর নিজেদের ফায়দা হাসিল করে।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

৫১ টা দালালকে ভালো ভাবে চিনে রাখা দরকার। দেশে গুরুতর পরিস্থিতি হলে এরাই সবার আগে ছুরি বসাবে।

এ আগুন ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে।

*****************************
আমার কিছু গল্প ছিল।
বুকের পাঁজর খাঁমচে ধরে আটকে থাকা শ্বাসের মত গল্পগুলো
বলার ছিল।
সময় হবে?
এক চিমটি সূর্য মাখা একটা দু'টো বিকেল হবে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সহমত। বিগত সরকারের আমলে এরা আমাদের যথেষ্ট ভুগিয়েছে। এখনো ক্যাম্পাসে তাদের প্রচুর পাওয়ার। ক্ষমতায় গেলে যে কি করবে কে জানে।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছাগু সম্প্রদায়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল, যেকোনোভাবে যেকোনো কাজে এরা সুনিপুন দক্ষতার সাথে ইসলামের একটা চিকন যোগসুত্র তৈরী করে "অন্ধ" এবং মূর্খ মুসলিমদের বিভ্রান্ত করে ।
মাথায় ৩-৪ গ্রাম ঘিলু থাকলেও ওসব যোগসুত্র যে ১০০ শতাংশ ভুয়া সেটাও ধরে ফেলা যায় ।
কিন্তু আফসোস ! মহান আল্লাহ মুসলমান সম্প্রদায়ের মাথায় ঘিলু দেয়ার ব্যাপারে কিছুটা কৃপণতা দেখিয়েছেন ।
সেটা তিনি পুষিয়ে দিয়েছেন "ধর্মান্ধতা" নামক জিনিসটি দ্বারা ।

সময় থাকতে এদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে , নাইলে অদূর ভবিষ্যতে বিপদ আছে ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সহমত মামুন। মূল্যবান মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছাগুকূলের মুখগহ্বরে হেগে দিলাম

______________________________________________________________________
স্বাক্ষরঃ দিশাহারা লালে লাল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আজীবন ঘৃণা চালু থাকবে।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লবনের চামুচের দুই তিন চামুচ ঘিলু নিয়া ইউনির টিচার কেম্নে হয়, এইটাই মাথায় ঢুকেনা

................................................................................................
আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য।
তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে,
আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসলে আমাদের যে শিক্ষাব্যবস্থা তাতে মুখস্ত করতে পারলেই যে কেউ ভার্সিটির টিচার হইতে পারে। এইটার জন্য ঘিলুরই প্রয়োজন নাই।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

> নেতা নয়, নীতি চাই,
পীরসাহেবে চরমোনাই!

> চরমোনাই পীর দিচ্ছে ডাক,
সিলেটবাসী জাগরে জাগ!

> নাস্তিকদের আস্তানা
ভেঙ্গে দাও, গুড়িয়ে দাও!

> শাহজালালের তলোয়ার,
গর্জে উঠুক আরেকবার!

পরশুদিন মদিনা মার্কেট পয়েন্টে হালিম খাইতে খাইতে স্লোগান শুনতেছিলাম আর মাথায় যে প্রশ্নগুলা ঘুরপাক খাচ্ছিলো-
১। চরমোনাই পীরের নীতি কি?
২। সিলেটের মাটিতে কোন মূর্তি (মূর্তি আর প্রতিমার পার্থক্য জানে তারা?) থাকবে না। নতুন ভাস্কর্য্য (তাদের ভাষায় মূর্তি) তৈরি নিয়ে তাদের এত চুলকানি। অথচ চেতনা '৭১ যে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে শাবিপ্রবিতে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, সেটা তাহলে কি?
৩। নাস্তিকদের আস্তানা বলতে কি কবি এখানে শাবিপ্রবিকে বুঝিয়েছেন???
৪। বন্দুক গর্জায়, কিন্তু তলোয়ার গর্জায় কেমনে? হযরত শাহজালালের (রাঃ) নাম ভাঙ্গায় সিলেটের মানুষদের একই বাজারে আর কতবার বিক্রি করা হবে?


এরকম একটা স্ট্যাটাস আপডেট দেওয়ার পর সাস্টেরই জনৈক ফিজিক্স পড়ুয়া আবাল আমারে সুন্দরভাবে ইংরেজি মাইরা ত্যানা-পেচাইন্না আলাপ জমানোর চেষ্টা করছিলো এবং পদে পদে ওরে উশটা খাওয়ানো হইছে নিচে তুইলা দিলাম-

মিস্টার আজাইরা
Building sculpture is haram.dont support it.think about akhirat when u will be questioned about it.
Friday at 5:59pm via mobile · Like

Joos Monkeyfied building sclpture is haram when you worship it.but this one is not for worshipping which most of the people do not understand. If u believe in Allah and that faith is strong enough, nothing else can contaminate that believe.but if u use ur religion for political purposes, thats a sin for sure, and the questions u will face for such act will be harder as u will be using the name of Allah for ur personal gain. i think i have made myslf clear.
Friday at 6:37pm via mobile · Like

মিস্টার আজাইরা
@অকর্মণ্য,sclupture you worship or not is haram.i rea it in quran,u may also look at quran.
Friday at 8:55pm · Like

অকর্মণ্যঃ quote it please
Friday at 9:43pm · Like

অকর্মণ্যঃ and if u quote from quran, i think quran also prohibited drawing any living thing's picture and thus photography is haram in the same logic. now plz explain why are using a profile picture in ur fb profile? ain't u commiting a haram deed intentionally?
Friday at 9:53pm · Like

মিস্টার আজাইরা
Photo is haram.i admit it bro.but making sculpture and remembering them watching it and giving flowers in it is like worshiping it is nearer to shirk.in quran i read faraons used to build sculpture so they will live for ever.u know quran is big book i can not quote from it right now.u search in the last suras u will get that.
Friday at 10:13pm · Like

অকর্মণ্যঃ আপনাকে যখন ইংরেজিতে বুঝাতে পারলামই না ব্যাপারটা, সোজা বাংলায় বলি।

কেউ যখন ভাস্কর্য্যে ফুল দেয়, তখন সে স্মৃতিচারণ করে, শ্রদ্ধা জানায়। ভাস্কর্য্যকে পূজা করে না বা তাকে সৃষ্টিকর্তা মনে করে প্রার্থনা করে না। তাই এটা কিভাবে শিরক হয় তা আমার কোনভাবেই বোধগম্য হচ্ছেনা। আল্লাহতায়ালা আমাদের মত বোকা না যে বুঝেও না বুঝার ভান করবেন। উনি জানেন কার অন্তরে কি আছে এবং সে অনুসারেই তার ভাল-মন্দ বিচার করবেন। আর শিরকের কথা যখন আসলোই তখন আমি বলব শিরক হয় যখন মানুষ মাজার জিয়ারত করতে যায়। মাজারে সিজদা দেয়, বুক চাপড়ায় কান্না করে মানত করে। আল্লাহকে পাওয়ার জন্য কোন মাধ্যমের প্রয়োজন হয়না। বান্দার সাথে আল্লাহর সরাসরি সম্পর্ক। আর এই সম্পর্ক তৈরি/ পোক্ত করার জন্য যাদের প্রয়োজন ছিল, আল্লাহতাআলা তাদের নবুয়ত দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এখন আল্লাহকে পাওয়ার নাম করে যারা মাজার, পীরের আস্তানা খুলে বসেছে চরমোনাই, দেওয়ানবাগীদের মত, মানুষের আল্লাহর উপর বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে ধান্ধা করছে, রাজনীতি করছে, তারাই সরাসরি শিরক করছে। ওদের বিরুদ্ধে কথা বলেন না কেন? একটা ভাস্কর্য্য আপনার বা আপনার ঈমানের যে ক্ষতি করছে তার চেয়ে ১০০গুণ বেশি ক্ষতি করছে মাজার ব্যবসা, পীরের মুরিদ হওয়া এসব ব্যবসা। আপনি তো ভার্সিটি পড়া শিক্ষিত মানুষ। চিন্তা করে দেখেন না কখনো এসব? নাকি যার কাছে যা শুনেন তা-ই বিশ্বাস করেন? আপনার মত শিক্ষিত মানুষই যদি চিন্তা করে কথা না বলেন, তাহলে আর কিছু বলার নাই। পারলে আগে বড় ভন্ডামী আর শিরক থামান, তারপর ভাস্কর্য্য নিয়ে কথা বলবেন। আমার যা বলার, তার চেয়ে অনেক বেশি বলে ফেলেছি। এরপর আর আলোচনা বাড়ানোর কোন প্রয়োজন দেখছি না। ভাল থাকবেন।
Friday at 10:57pm · Edited · Like

মিস্টার আজাইরা
our prophet prohibited it,as a good muslim we should obey his guidance to go to jannat.isnt his prohition enough for us.we dont need sculpture to remember our prophet so it should be applicable for evrything.
Saturday at 12:40am · Like

অকর্মণ্যঃ bhai re... tor moto ujbuker sathe j etokkhn kotha chalaisi dhoirjo dhoira kono gali na dia,vallagtese na? gali na khaile vallagtese na??? prophet (sm) sculpture banaite na korse,kintu majare gia sezda deoa jayez kore gese monehoy??? arekta ajaira cmmnt korbi to bap-ma tuila gail khabi boila dilam...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কি আর কইতাম, মাথার ভিতরে মগজের বদলে চাইদি হুজুরের মাল ভরা থাকলে এইরকমই উত্তর পাইবেন এদের কাস থেকে।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সহমত জানালাম। ছাগুদের এইসব বানোয়াট কাহিনী এই দেশের সাধারণ মানুষদেরকে বিভ্রান্ত করে। কিন্তু এদের নিজেদের মানুষরা যখন কোন বেশরিয়তি কাজ করে ধরা খায় তখন এদের হুল্লোর পরে যায় সেটা মিথ্যা প্রমানে। ছাগুদের দিন রাত গদামের উপর রাখা হোক। উপরে দেয়া ছবিটা যদি প্রস্তাবিত ভাস্কর্যের ছবি হয়ে থাকে তাহলে এখানে ধর্ম টেনে আনা কেন ছাগুদের??? এখানে পরিষ্কার মায়ের কাছ থেকে সন্তানের আশির্বাদ নেয়া দেখানো হয়েছে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য। মায়ের পায়ের নিচে না সন্তানের বেহেস্ত!!!..আর মাতৃভূমি বাচাতে যুদ্ধে যাওয়াত ঈমানের অঙ্গ!! ছাগুগুলো মনে হয় মাথা দিয়ে প্রাকৃতিক কাজ সারে!!! গবেট একেকটা ছাগুর দল!!

______________________________________________________
আমি অপার হয়ে বসে আছি-
ওহে দয়াময়।
.................
জয় বাংলা, বাংলার জয়।

http://www.facebook.com/BottolarUkeel


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুব সুন্দর বলেছেন উকিল ভাই, অসংখ্য ধন্যবাদ।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছাগুদের জাতীয় ভাবে অমুসলিম ঘোষনা করা হউক । ভাস্কর্য হচ্ছে হবে

-----------------------------------------------------------------------------------------------
"লাখ শহীদ ডাক পাঠাল, সব সাথীদের খবর দে, সারা পৃথিবী ঘেরাও করে রাজাকারদের কবর দে"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কি যে বলেন, ক্ষমতায় আসলে এরাই আপনারে মুরতাদ ঘোষনা কইরা কল্লা ফালায় দিবে। ভাস্কর্য নির্মাণ কবে শুরু হবে তা এখনো জানা যায়নি।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যে কোন মূল্যে ছাগুদের প্রতিরোধ করা হোক।

=========================================================
স্মৃতি ঝলমল সুনীল মাঠের কাছে আমার অনেক ঋণ আছে......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রতিরোধ করা হোক \m/

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

When you stay neutral between good and evil, you indeed support evil.


Star Star Star Star

______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ পাভেল ভাই।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এদের ফাঁসি কবে হবে?
ঘুমাইতে পারি না শান্তিমত।

EtO


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হবে, হতেই হবে, তা না হলে আমরা কলংকমুক্ত হবনা।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সকল ছাগু খাপো দের পুটকি দিয়া সাড়ে সাত বাই দেড় ইঞ্চি বাঁশ ঢুকায়া দেওয়া হোক । যেখানে জামাতি খাপো সেইখানেই গদাম । আর যে সকল শিক্ষক ( পড়ূন ছাগু ) এই ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে তাগো মুখে মুতে দিলাম ।

-------------------------------------------------------------

রাজাকারদের ফাঁসি চাই ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সহমত জানালাম।

===============================
তার আঁখি দুটি ছলছল মৃদু হাসি বদন খানায়
দেখলে যায় রে চেনা।
মহা ভাবের মানুষ হয় যে জনা ......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শাবিপ্রবি কোন মসজিদ মাদ্রাসা নয় যে এখানে কোন ভাস্কর্য থাকতে পারবে না। এখনই এদের যে চেহারা দেখা যাচ্ছে আগামীতে এরা দেশকে আফগানিস্তান বানিয়ে ছাড়বে। এখনই সময় এদের রুখবার।

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চারবাক ভাই, আপনার কথাটা আমি কপি করতে চাই। খুব ভাল বলেছেন এবং সুন্দর যুক্তি দেখিয়েছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ওই শিক্ষক গুলা যারা মনে করে মুর্তি বানানো হইতাসে তারা সবগুলান বুদ্ধি প্রতিবন্ধি কারন সিলেট দেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত তাইলে সেইখানে যখন সবচেয়ে বড় গুনাহ হয় মাজারে গিয়া মানত করে মাথা ঠেকায় আল্লারে থুইয়া কবরের পুজায় ব্যস্ত তখন তাদের ঈমানী জোস কই যায়, নাকি সবাই মাসিক ভাগিদার বইলা মুখ বন্ধ, যত ঈমান মুর্তি বানানো নিয়ে স্বাধিনতার শ ও তারা জানেনা আর ওই মুতি কি পুজার জন্য বানানো হইসেরে গাধা গুলা কিন্তু তাদের সামনেই শিরক হচ্ছে সেই ব্যপারে সকলে চুপ, শালার মুানাফিক গুলা সবগুলারে মেশিনের উপর রাখা উচিৎ।

"Religion becomes a hollow shell of its former self when ritual remains and thoughtful reflection disappears." Nouman Ali Khan


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মতামতের জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু ছাগুরা যুক্তি দেখায় যে পূজার জন্য হোক বা না হোক, ভাস্কর্য মানেই হারাম। তখন আর কিছু বলার থাকেনা।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যারা বিরোধিতা করছে এরা নিশ্চয়ই জ্ঞানপাপী । আর ৫১ জনের জন্য শুধুই ঘৃণা ।

" মুক্তি এখনো আসে নি, বিপ্লব অপেক্ষমাণ "

" মুক্তি এখনো আসে নি, বিপ্লব অপেক্ষমাণ "


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হ্যাঁ, শুধুই ঘৃণা, সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছাগলে ভরে যাচ্ছে চারদিক,সে তুলনায় রাখাল নাই Sad

___________
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Sad Sad Sad

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হুম এমন ভাবে অনেক কিছু কয় যেমন ছবি তোলা হারাম আবার হজ্জে যাইতে কিন্তু ঠিকই ছবি তুলছে , পাসপোর্টে , কাবার সামনে, মক্কায় মদিনায়, আসলে কি কাজের জন্য সেটা করা হচ্ছে সেটাই আসল বিষয়, ওরা যদি মক্কার কাবা ঘরে মোহাম্মদ (সঃ) এর মুর্তি ভাংগার প্রসংগ আনে তবে বলতে হয় সে গুলো ভাংগার কারন মুর্তি গুলোকে ওরা এক একটি খোদা মনতো তাই এছারা মোহাম্মদ (সঃ) অন্য কোন মুর্তি ভাংগার নিদেশ দেন নাই যতদূর জানি

আর মুর্তি হারাম হচ্ছে পুজার বা মুর্তিকে খোদার আসনে বসানোর কারনে ঠিক সেই রকম যেমন মাজারে বাবার কাছে চায় খোদার কাছে নয়, এইখানে সেই স্তম্ন কি সেই উদ্দেশ্যে বানানো হচ্ছে নিশ্চই নয়? তাই ওরা কি এই হাদিস জানে না যে রাসূল ﷺ বলেন, "প্রত্যেকটি আমল(কর্ম) নিয়তের উপর নির্ভরশীল বা সকল কাজের ফলাফল নিয়ত অনুযায়ী পাবে।" (বুখারী ও মুসলিম)

"Religion becomes a hollow shell of its former self when ritual remains and thoughtful reflection disappears." Nouman Ali Khan


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইগুলা তাদেরকে বললে আপনারে নাস্তিক ট্যাগ দিবে। Laughing out loud তারা বলবে আপনি ইসলাম সম্পর্কে সঠিক জানেননা।
যাই হোক, আপনার মন্তব্যগুলো ভাল লেগেছে, কপি করার অনুমতি চাই।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার ব্লগে কোন কপিরাইট নাই জ্ঞানের কোন কপিরাইট হয় না বলে বিশ্বাস করি তাই যতটুকু ইচ্ছে যেখানে ইচ্ছা প্রয়োগ করুন।

"Religion becomes a hollow shell of its former self when ritual remains and thoughtful reflection disappears." Nouman Ali Khan


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছাগুকুলকে যতই রাজপ্রাসাদে রাখা হোক ম্যা ম্যা করবেই। আমরা যতই তাদের বুঝাই তাদের ক্ষীণ মস্তিস্কে সেটা ঢুকবে না। কাঠাল পাতা বেশী করে দেন, মুখ বন্ধ থাকবে।

======================
শিশু অপরাধ করে না ভুল করে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুগ যুগ ধরে কাঠালপাতা খাওয়াতেসি, তারপরেও তাদের পোষায় না। আর এখন তো আর কাঠালপাতাতেও কাজ হয়না। এখন তাদের নতুন দাবি, ময়না পাখি, টিয়া পাখি, পান, টেবিল, মেশিন, লইট্ট্যা ফিস। Laughing out loud

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এদেরকে আজীবন ঘৃণা।

‘আমার চোখে পুরুষ দ্বারা নির্যাতিত প্রতিটি নারী এক একটা শামূক।কেউ খোলসের ভেতর নির্জীব জীবন কাটায় আবার কেউ খোলসের ভেতরেই পচেঁ মরে।আমি তাদের কথা বলতে এসেছি'।

Shamuk


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রুখে দিতে হবে সকল সাম্প্রদায়িক শক্তিকে।
====================

আমি আমার ভেতরে প্রতিনিয়ত বংশবৃদ্ধি করছি
যেমনটি করে থাকে অকোষী জীব হাইড্রা ।
বিলুপ্ততা ঠেকানোর কিংবা টিকে থাকার লক্ষ্যে নয়
নশ্বরতা আবিস্কারের লক্ষ্যে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধর্মান্ধতার বহিপ্রকাশ

----------------

২০১২ তে বাংলাদেশের মেয়েদের নিরাপত্তা খুঁজতে হচ্ছে।
আফসুস! - অনিমেষ রহমান


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যে মুর্তি পুজার জন্য নয় তা স্থাপনে বাধা কেন?
তবে যারা বাধা দিচ্ছেন তারা সবাই সিলেটের বাসিন্দা। তাদের দাবি হল এখানে নাকি মুর্তি নয়, সৃতিসৌধ হওয়ার কথা ছিল। সিলেটে তারা কোন প্রকার মুর্তি স্থাপন করতে দেবেন। শরীরের সে রক্ত বিন্দু থাকা পর্যন্ত নাকি তারা সংগ্রাম চালিয়ে জাবেন। তা নিয়ে হয়ত আবার কোন রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষের অপেক্ষা করছে।।
মাঝ থেকে কয়েকটা জীবন চলে যাবে অকারণে। আর সেশন জটে পরবে হাজার শিক্ষার্থী যারা তার জন্য দায়ী না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তবে যারা বাধা দিচ্ছেন তারা সবাই সিলেটের বাসিন্দা।

ভুল। সিলেটের সাধারণ ধর্মপ্রাণ লোকজন ধর্মান্ধ না, জঙ্গিও না। তারা খুবই জেন্টলম্যান, তারা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করেনা। তাদেরকে উস্কে দিচ্ছে ধর্মব্যবসায়ীরা আর তারা এসব ব্যবসায়ীর হাতে বন্দি। সাধারণ জনগণ ভাস্কর্যের পক্ষেই। তারা সকল প্রকার অন্ধবিশ্বাস আর ধর্মান্ধতার বিপক্ষে। শুধু সিলেটে ছাগুদের সংখ্যা্টা একটু বেশি বলেই তারা নিশ্চুপ। ছাগুদের মুখের উপর কথা বলার মত সাহস পায়না সাধারণ জনগণ কারণ ছাগুরা এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ, তাই বাইরে থেকে দেখে মনে হতে পারে সিলেটের সব মানুষই ছাগু যা সম্পূর্ণই একটা ভুল ধারণা। আমি সিলেটের বাসিন্দা আমি খুব ভাল করে জানি সিলেটিরা কতটা টলারেন্ট ধর্মীয় ব্যাপারে। দেশের অনেক জায়গাতেই সাধারণ মুসলিমরা অন্য ধর্মের মন্দির/মুর্তি ভাঙচুর করে এরকম রেকর্ড আছে, কিন্তু সিলেটের ইতিহাসে এরকম কোন রেকর্ড নেই। থাকলেও সেটা ছাগুদের কাজ। সাধারণ সিলেটিদের না।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ অরূপ পাল রতন কে। একটি সমযাপযোগী বিষয় সামনে নিয়ে আসার জন্য।
কিন্তু আমি আজকে তাজ্জব হয়ে গেছি, এই প্রাসঙ্গিক... সুশান্ত দা কে আক্রমণ করে এক ছাগুর ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখে। সেখানে খুব কুরুচি পূর্ণ শব্দের ব্যবহার হয়েছে।
জানি না, শেষ পর্যন্ত কী হবে, তবে বিশেষ করে আপনাদের অনুরোধ করছি আপনারা যারা জনপ্রিয় ব্লগার রয়েছেন তারা এই বিষয়টা নিয়ে নিয়মিত লিখুন, প্রয়োজনে ইভেন্ট করুন। প্রতিহত করুন পরাজিত অপশক্তির মনবাসনা কে।
ধন্যবাদ।

________________________

দ্বাবি একটাই যুদ্ধাপরাধীদের ফাসি চাই।
___________________
@সুলতান মির্জা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একজন তো লিখছে জামাত-বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আমারে দেশেই ঢুকতে দিবে না smile :) :-)

-
একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়। -হুমায়ুন আজাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এরা এইসব ফাপর দিয়াই মানুষকে দাবিয়ে রাখতে চায়। পিয়াল ভাইকেও ফোনে হুমকি দিসে। যারা সামনাসামনি আসার সাহস রাখেনা, ফেসবুকে, ফোনে থ্রেট দিয়ে বেড়ায় তাদের গাটস কেমন তা আর বোঝার বাকি নেই কারো।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুশান্ত দা, পরশু দিন পিয়াল ভাই ফোন দিয়েছিল, কথা বললাম বিভিন্ন বিষয়ে, উনি মনে চট্টগ্রামে ছিলেন ওই সময়, আমি বলেছি ঢাকা এসে ফোন দিবেন। তাছাড়া আমার আবার ছাগু খেলনের সময় নাইক্কা।
বাই দ্যা ওয়ে, সুশান্ত দা, ওদের ক্ষমতা এখনো দূর আকাশের তারা। অবশ্যই আপনি আমার চেয়ে ভাল জানেন। এইগুলো কানে নিয়েন না।
ধন্যবাদ।

________________________

দ্বাবি একটাই যুদ্ধাপরাধীদের ফাসি চাই।
___________________
@সুলতান মির্জা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ সুলতান মির্জা, আপনার মূল্যবান মতামতের জন্য।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছাগুগো সবসময় গণপুন্দানীর উপর রাখতে হবে ।

When you play with gentlemen, you play like a gentleman. But when you play with bastards, make sure you play like a bigger bastard. Otherwise you will lose. smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এক্সাক্টলি।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।

glqxz9283 sfy39587p07