Skip to content

কোয়ান্টাম জগতেও সরাসরি পর্যবেক্ষণ সম্ভব! – পদার্থবিজ্ঞান নোবেল ২০১২

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

২০১২ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়েছে সার্জে হারোশে (Serge Haroche) ও ডেভিড ওয়াইনল্যান্ড (David J. Wineland)-কে তাদের “স্বতন্ত্র কোয়ান্টাম সিস্টেমের পরিমাপ ও দক্ষতাসহকারে ব্যবহারের যুগান্তকারী পরীক্ষামূলক পদ্ধতির জন্য (for ground-breaking experimental methods that enable measuring and manipulation of individual quantum systems)”।

হারোশে এবং ওয়াইনল্যান্ড দেখিয়েছেন যে একটি ফোটন কিংবা একটি আয়ন বা চার্জযুক্ত কণাকে (এক্ষেত্রে তারা বেরিলিয়াম পরমাণু ব্যবহার করেছেন) বাইরের পরিবেশ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক করে রেখে তাদের কোয়ান্টাম ধর্ম নষ্ট না করেই সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব যা এতদিন পর্যন্ত অসম্ভব ভাবা হত। এটি অসম্ভব ভাবা হত এজন্য যে কোন কণাকে পর্যবেক্ষণ করা মাত্রই সেটি ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। কারণ, এতদিন একটি একক ফোটন কণাকে পৃথক করে রাখা সম্ভব হয়নি যা এই দুই বিজ্ঞানী করে দেখিয়েছেন। তারা একটি নিদিষ্ট সময় পর্যন্ত (এক সেকেন্ডের দশ ভাগের একভাগ) একটি ফোটনকে সম্পূর্ণ পৃথকভাবে রাখতে সক্ষম হয়েছেন এবং সেটি পর্যবেক্ষণ করেছেন ফোটনটিকে ধ্বংস না করেই। এটি করা সম্ভব হয়েছে উচ্চ প্রতিফলন ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি আয়নার মাঝখানে ফোটনটিকে রেখে, যেখানে ফোটনটি আয়না দুটোর মাঝ বারবার প্রতিফলিত হতে থাকে যা সাধারণ আয়না দ্বারা করা সম্ভব নয়, কারণ সাধারণ আয়নাতে প্রতিফলনের চাইতে প্রতিসরণ বেশি হয় আর তাই একটি একক ফোটনকে ধরে রাখা মুশকিল। আর একক আয়নকেও পৃথকভাবে আটকে রাখা অসম্ভব কারণ তার জন্য এটিকে খুব কম শক্তিস্তরে রাখতে হবে। কিন্তু বিজ্ঞানীদ্বয় এরকম একটি একক আয়নকে দুটো চুম্বকক্ষেত্রের মাঝে নিয়ন্ত্রিত লেজার রশ্মি দ্বারা আটকে রাখতে এবং পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন। কাজেই কোয়ান্টাম জগতে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যায়না, একথা বলার দিন শেষ। এখন কোয়ান্টাম জগতেও পৃথক পৃথকভাবে একটি একক কণাকে সম্পূর্ণরূপে আলাদা করে আটকে রাখা যায় এবং সেটাকে ধ্বংস না করেই পর্যবেক্ষণ করা যায়। এটি নিঃসন্দেহে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের জন্য একটি অভূতপূর্ব সাফল্য। এর ফলশ্রুতিতে আমরা ভবিষ্যতে পেতে পারি কোয়ান্টাম কম্পিউটার এবং আরো নিখুঁত ঘড়ি ও সময় মাপার কৌশল। এ আবিষ্কার নিঃসন্দেহে এক নবযুগ সূচনা করল কারণ এ আবিষ্কারের ফলে বর্তমানে ইলেকট্রনিক্স চালিত কম্পিউটারের যুগের সমাপ্তি ঘটবে। কোয়ান্টাম কম্পিউটারগুলো এখনকার কম্পিউটারগুলোর তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত হিসাব-নিকাশে সক্ষম হবে।

প্রধাণত তিনটি কারণে এ আবিষ্কার যুগান্তকারী এবং গুরুত্বপূর্ণ,

১। এ আবিষ্কারের ফলে দীর্ঘদিন ধরে কোয়ান্টাম বলবিদ্যার উপর আরোপিত বদনাম (পর্যবেক্ষণের অযোগ্যতা) ঘুচে গেল এবং শ্রোডিঞ্জারের বিড়াল (Schrödinger's cat) সমস্যার সমাধান হল।

২। এর ফলে আমরা আরো একশ বছর এগিয়ে গেলাম, কারণ আগামী শতাব্দির শুরুতেই আমরা কোয়ান্টাম কম্পিউটার পেতে যাচ্ছি যা এখনকার ইলেকট্রনিক বর্তনী চালিত কম্পিউটারগুলোকে প্রতিস্থাপিত করে এক নতুন কম্পিউটিং যুগের সূচনা করবে।

৩। আরো নিখুঁত ও সূক্ষ্ম ঘড়ি আবিষ্কার হবে যা দ্বারা আরো নিখুঁত জিপিএস সিস্টেম চালু করা সম্ভব হবে এবং সময় সংকোচন ও প্রসারণ বিষয়ক গবেষণাগুলো আরো ভালভাবে করা সম্ভব হবে অর্থ্যাৎ আমরা এখনকার চাইতে আরো সূক্ষ্ম ও নিখুঁতভাবে সময় পরিমাপ করতে পারব।

একটি একক আয়নকে একটি ফাঁদের মধ্যে রেখে নিয়ন্ত্রণ করা:


একটি আয়নকে বাইরের পরিবেশ তথা বায়ু, তাপ ও বিকিরণ থেকে সম্পূর্ণরূপে আলাদা করে একটি চুম্বকক্ষেত্র দ্বারা বেষ্টিত করে রাখা হয় যাতে এটি সেখান থেকে বের হতে না পারে। তারপর এর উপর খুবই নিয়ন্ত্রিত উপায়ে লেজার রশ্মি নিক্ষেপ করে একে সর্বনিম্ন শক্তিস্তরে নিয়ে আসা হয় যাতে এর উপর পর্যবেক্ষণ চালানো সম্ভব হয়। এর শক্তি কমানো হয় এ কারণে যে, উচ্চশক্তিতে একটি আধান খুব বেশি উত্তেজিত থাকে এবং তাকে নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায় এবং এ অবস্থায় তাকে পর্যবেক্ষণ করতে গেলে তা আরো শক্তি শোষণ করে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় অথবা বিক্ষিপ্ত হয়, ফলে পুরো প্রকল্পটিই বৃথা যায়। ডেভিড ওয়াইনল্যান্ডের কৃতিত্ব এখানেই যে তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে লেজার রশ্মি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আয়নটির শক্তি এমনভাবে কমিয়ে আনতে সক্ষম হন যে এটাকে অনেকটা একজন চিত্রশিল্পীর কাজের সাথে তুলনা করা যায়। একজন নিখুঁত ও দক্ষ শিল্পীর মতই তিনি এ পদ্ধতিটি উদ্ভাবন করেছেন এবং তা কাজে লাগিয়ে তিনি একটি আধানকে চৌম্বকক্ষেত্রের ফাঁদের মাঝে আটকে রেখে ইচ্ছেমত পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন ঠিক যেন সার্কাসের রিং মাস্টার! আধানটি তিনি যেভাবে নাচিয়েছেন ঠিক সেভাবেই নেচেছে একদম সার্কাসের বাধ্য পশুর মত।

একটি একক ফোটনকে একটি ফাঁদের মধ্যে রেখে নিয়ন্ত্রণ করা:


সাধারনত একটি একক ফোটনকে আলাদা করে রাখা সম্ভব হয়না কারণ একটি ফোটন শূন্যস্থানে 3x10^8 m/s গতিতে ছুটে চলে, বাধা দিলে এটি শোষিত হয়, আটকে রাখার চেষ্টা করলে চোখের পলকেই বিলীন হয়ে যায়। একে আটকে রাখার একটিই উপায় আর সেটি হল একে এমন দুটি আয়নার মাঝে রাখা যাতে দুটি আয়নার দেয়ালে বারবার প্রতিফলিত হয়ে একটি নির্দিষ্ট সময় আয়নাদুটোর মাঝে অবস্থান করতে পারে। এজন্য চাই বিশেষ ক্ষমতার আয়না যেগুলো অতি উচ্চ প্রতিফলন ক্ষমতা সম্পন্ন হবে। আমরা সাধারণত যেসব আয়না দৈনন্দিন জীবনে দেখে থাকি সেগুলোর প্রতিফলন ক্ষমতা খুবই কম, মাত্র ৪০%, বাকি আলো প্রতিসরিত ও শোষিত হয়। কাজেই এধরনের সাধারণ দুটি আয়নার মাঝে একটি ফোটনকে আটকে রাখার চেষ্টা অনেকটা কাঁচের ঘরে একটি চিতাবাঘকে আটকে রাখার মতই! কিন্তু আমরা যদি এমন একটি আয়নার মাঝে ফোটনটিকে রাখি যেটার প্রতিফলন ক্ষমতা প্রায় ৯৯% তাহলে ফোটনটি সহজে আয়নাটি দ্বারা শোষিত হতে পারবে না বরং দুটি আয়নায় বারবার প্রতিফলিত হতে থাকবে এবং বেশকিছু সময় এরকমভাবে আয়না দুটোর মাঝে অবস্থান করবে এবং ওই সময়ের মাঝেই ফোটনটিকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

সার্জে হারোশে ঠিক এরকম একটি সিস্টেম উদ্ভাবন করেন প্যারিসের একটি গবেষণাগারে। তিনি প্রায় তিন সেন্টিমিটার ব্যবধানে দুটো গোলীয় তলবিশিষ্ট অতিপরিবাহী (Superconductor) বস্তু দ্বারা এবং অতিমাত্রায় শীতল (প্রায় পরমশূন্যের কাছাকাছি তাপমাত্রা) দুটো আয়না স্থাপন করেন। এই অতিপরিবাহী আয়নাদুটো পৃথিবীর সবচাইতে উজ্জ্বল (world’s shiniest) আয়না অর্থ্যাৎ তারা এতটাই প্রতিফলন ক্ষমতার অধিকারী যে একটি ফোটন আয়নাটিতে ধাক্কা খেয়ে সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসবে এবং অপরপাশের আয়নাটিতে আবারও ধাক্কা খেয়ে আবার পূর্বের আয়নাটিতে এসে ধাক্কা খাবে এবং এভাবে বারবার আয়নাদুটোর মাঝে ধাক্কা খেতে থাকবে প্রায় এক সেকেন্ডের দশ ভাগের একভাগ সময়ের মাঝে এবং এরপর এটি পুরোপুরি শোষিত হবে। এর মানে হল ওই সময়ের মাঝে ফোটনটি প্রায় ৪০,০০০ কিমি দূরত্ব ভ্রমণ করে ফেলবে যা সমগ্র পৃথিবী একবার ঘুরে আসার সমান!

যে সময়টুকু ফোটনটি ফাঁদে আটক থাকে ওই সময়ের মাঝে এর উপর নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো যায়। হারোশে বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত একটি রিডবার্গ (Rydberg atom) পরমাণু ফাঁদটির ভিতর দিয়ে ছুঁড়ে দেন। এ পরমাণুটি যখন ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসবে তখন তার দশায় পরিবর্ত ঘটবে যা ফাঁদটির ভিতরে ফোটন কণিকাটির বন্দি অস্তিত্বের জানান দেয়। এভাবে তিনি রিডবার্গ পরমাণু দ্বারা ফোটনটিকে ধ্বংস না করেই সেটিকে পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম হন। এভাবে তিনি ইচ্ছামত রিডবার্গ পরমাণু নিক্ষেপ করে ফাঁদের ভেতরের ফোটনের সংখ্যা গণনা করতে পারেন ঠিক যেমন একটি শিশু মার্বেল গুণতে পারে।

শ্রোডিঞ্জারের বিড়াল:


শ্রোডিঞ্জারের বিড়াল এমন একটি তত্ত্বীয় কল্পন যা এতদিন যাবৎ কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প (Hypothesis) হিসেবে স্থান পেয়ে এসেছে। এর প্রবক্তা অস্ট্রিয়ান পদার্থবিজ্ঞানী আরউইন শ্রোডিঞ্জার ( Erwin Schrödinger )। এর মূল বক্তব্য হল একটি ফোটনকে আলাদাভাবে আটকে রেখে তাকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয় কারণ পর্যবেক্ষণ করা মাত্রই ফোটনটি ধ্বংস হয়ে যাবে। এজন্য শ্রোডিঞ্জার একটি বিড়ালের উদাহরণ দেন। ধরা যাক, একটি বিড়ালকে বাইরের পরিবেশ থেকে সম্পূর্ণরূপে পৃথক করে একটি বাক্সে বন্দি করা হল এবং বাক্সের ভিতর এক বোতল বিষাক্ত সায়ানাইড রাখা হল যা কিনা বাক্সের ভেতরে রাখা একটি তেজস্ক্রিয় পদার্থের বিকিরণ ক্ষয় (Radioactive decay) শুরু হবার সাথে সাথে মুক্ত হবে এবং বিড়ালটি তাৎক্ষণিকভাবে মারা যাবে। তেজস্ক্রিয় ক্ষয় প্রক্রিয়াটি কোয়ান্টাম বলবিদ্যার নিয়ম দ্বারা শাসিত এবং এর ফলে তেজস্ক্রিয় পদার্থটি সম্ভাব্য দুটি অবস্থায় থাকতে পারে, "ক্ষয়প্রাপ্ত" এবং "ক্ষয়প্রাপ্ত নয়" (decayed and not yet decayed)। তার মানে এই যে বিড়ালটিরও সম্ভাব্য দুটি দশা, "মৃত" অথবা "জীবিত"। এখন যদি বাক্সের ভেতর উঁকি দেয়ার চেষ্টা করা হয় তাহলে বিড়ালের জীবন বিপন্ন হবার সম্ভাবনা দেখা দেয়, কারণ তেজস্ক্রিয় পদার্থটির কোয়ান্টাম অবস্থা এতটাই স্পর্শকাতর যে সামান্য হেরফের হলে তা ক্ষয় হওয়া শুরু করবে অর্থ্যাৎ বিড়ালটি মারা যেতে পারে শুধুমাত্র পর্যবেক্ষণের বিন্দুমাত্র প্রচেষ্টা করা মাত্রই!




নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীদ্বয় উভয়েই যে পরীক্ষা দুটো চালান (যা উপরে বর্ণনা করা হয়েছে) তা এই শ্রোডিঞ্জারের বিড়ালের মতই, যেখানে বিড়ালের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে ফোটন আর আয়ন। সেখানেও বিড়ালটির মতই দুটো সম্ভাব্য ফলাফল বিদ্যমান, হয় ফোটনটি "ধ্বংসপ্রাপ্ত" অথবা "ধ্বংসপ্রাপ্ত নয়"। কিন্তু আগেই বলেছি তারা সফলভাবে ফোটন/আয়নটিকে পর্যবেক্ষণ করেছেন এদেরকে ধ্বংস না করেই যেখানে শ্রোডিঞ্জারের মতে তা সম্ভব নয়। এর ফলে নিঃসন্দেহেই কোয়ান্টাম বলবিদ্যার দীর্ঘদিনের এক বিতর্কের অবসান ঘটলো।

মানবকল্যাণে এ আবিষ্কারের ব্যবহার- কোয়ান্টাম কম্পিউটার ও নতুন ঘড়ি:

এখন প্রশ্ন আসতেই পারে যে এই আবিষ্কার আমাদের কি কাজে লাগবে। এই আবিষ্কারের ফলে ভবিষ্যতে কোয়ান্টাম কম্পিউটার নির্মিত হবে যা এখনকার কম্পিউটারগুলোর তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত হিসাব-নিকাশ করতে সক্ষম এবং এর ফলে তথ্য-প্রযুক্তি তথা সম্পূর্ণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতেই আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। বিংশ শতাব্দির শুরুর দিকে সাধারণ ভ্যাকুয়াম টিউব চালিত কম্পিউটার এবং পরবর্তীতে ট্রানজিস্টর ও মাক্রোপ্রসেসর চালিত কম্পিউটার যেমন সভ্যতার গতিপ্রকৃতিই পাল্টে দিয়েছিল, কোয়ান্টাম কম্পিউটারও ঠিক তেমনি মানব সভ্যতার গতিপথ আরো একবার পাল্টে দেবে এবং সূচনা করবে এক নতুন অধ্যায়ের।

এই আবিষ্কারের আরেকটি সফল প্রয়োগ ঘটানো যাবে এখনকার চাইতে আরো একশগুণ বেশি নিখুঁত ঘড়ি নির্মাণে। এই ঘড়িগুলো হবে আলোক ঘড়ি (optical clocks)। বর্তমানে আমরা সিজিয়াম পরমাণুর কম্পন ব্যবহার করে সময় পরিমাপ করে থাকি এবং এগুলোকে বলা হয় সিজিয়াম ঘড়ি (Caesium clocks)। অপটিক ঘড়িগুলো এত বেশি সূক্ষ্ম ও নিখুঁতরূপে সময় পরিমাপ করতে সক্ষম হবে যে যদি ঠিক বিগ ব্যাং-এর সময় একটি অপটিক ঘড়ি চালু করা হত তাহলে তা বর্তমান সময়ে এসে মাত্র ৫ সেকেন্ড ধীর হত! অর্থ্যাৎ এর সূক্ষ্মতার ক্ষমতা প্রায় 10^7!

তথ্যসূত্র:
http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/physics/laureates/2012/press.html
http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/physics/laureates/2012/popular.html

বিজ্ঞানীদ্বয়ের জীবনী:


সার্জে হারোশে
http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/physics/laureates/2012/haroche.html
http://en.wikipedia.org/wiki/Serge_Haroche


ডেভিড ওয়াইনল্যান্ড
http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/physics/laureates/2012/wineland.html
http://en.wikipedia.org/wiki/David_J._Wineland


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখন আমরা একটি সিঙ্গেল মৌলিক কণাকে কিংবা একটি সিঙ্গেল আয়নকে আলাদা করে রাখতে পারি এবং ইচ্ছামত সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারি তাদের কোয়ান্টাম গুণাবলী নষ্ট না করেই! "কোয়ান্টাম মেকানিক্স একটা আজগুবি জিনিস, এইটাতে কোনকিছু অবজার্ভ করা যায়না,..." এইসব কাঁঠালপাতার দিন শেষ, ক্রিয়েশনিস্টরা মুড়ি খাও!

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অপূর্ব আবিষ্কার, শুভেচ্ছা বিগ্যানীদ্বয় কে--------


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গুড পোস্ট। মাথা ঠান্ডা অবস্থায় আবার পড়বো।

-
একবার রাজাকার মানে চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়। -হুমায়ুন আজাদ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক অনেক ধন্যবাদ সুশান্তদা। অনেকদিন পরে লিখতে বসছি, তাই প্রচুর টাইপো। ঠিক করে দিচ্ছি। smile :) :-)

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিছু কিছু মানুষের মাথা যে কত এগিয়ে- ভাবাই যায় না। আমরা হয়তো দেখে যাবো না, কিন্তু কোয়ান্টাম কম্পিউটার একদিন রাজত্ব করবে।

অনেক ধন্যবাদ পোস্টটির জন্য।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমরা হয়তো দেখে যাবো না, কিন্তু কোয়ান্টাম কম্পিউটার একদিন রাজত্ব করবে।


গত বছর প্রথম কোয়ানটাম কম্পুটার কিনেছে 'লকহিড', নির্মাতা 'ডি-ওয়েভ'।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গত বছর প্রথম কোয়ানটাম কম্পুটার কিনেছে 'লকহিড', নির্মাতা 'ডি-ওয়েভ'।

ক্যামনে কি, ফারমার ভাই? স্যাটায়ার করলেন নাকি? Shock

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

১০ মিলিয়ন ডলারে ১ম কম্প্্যুটার বিক্রয় হয়ে গেছে; সয়াটায়ার ফয়াটায়ার নেই!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

থ্যাংকস ফারমার ভাই, নিউজটা খেয়াল করিনি আগে, তবে ওইটা ঠিক কোয়ান্টাম কম্পিউটার না যেটার কথা এইখানে বলা হয়েছে, তবে খুব কাছাকাছি। ওরা যেটা করেছে সেটা বেসিক্যালি কোয়ান্টাম এ্যানিলিং কম্পিউটার (quantum annealing) বা রুদ্ধতাপীয় কোয়ান্টাম কম্পিউটার (adiabatic quantum computer)। এটা একটু অন্যভাবে কাজ করে তবে কিছু কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রিন্সিপল এপ্লাই করে। এখানে যেধরনের কোয়ান্টাম কম্পিউটারের কথা দুই বিজ্ঞানী বলেছেন সেগুলো আক্ষরিক অর্থেই কোয়ান্টাম, মানে ট্রানজিস্টরের পরিবর্তে ফান্ডামেন্টাল পার্টিক্যাল বা ফোটন ব্যবহার করা হবে। সেটি এখনো পরীক্ষাধীন আছে। ডি-ওয়েভের কম্পিউটারটি আসলেই কোয়ান্টাম কিনা সেটি নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। তবে এটাকে প্রিজেনারেশন কোয়ান্টাম কম্পিউটার বলতে আমার আপত্তি নাই।

http://spectrum.ieee.org/computing/hardware/loser-dwave-does-not-quantum-compute
http://en.wikipedia.org/wiki/Quantum_annealing
http://www.technologyreview.com/news/429429/the-cia-and-jeff-bezos-bet-on-quantum-computing/

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তবে এটাকে প্রিজেনারেশন কোয়ান্টাম কম্পিউটার বলতে আমার আপত্তি নাই।


এসব ব্যপারে 'আমার' যোগ করা ঠিক হচ্ছে না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটা আমার নিজস্ব ধারণা। তবে ডি-ওয়েভ যতই দাবি করুক, তাদের আবিষ্কার এখনো কোয়ান্টাম কম্পিউটার হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি। আগেও বলেছি বিষয়টা নিয়ে বিতর্ক আছে।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাত ১২ টা থেকে ২.৩০ পর্যন্ত শুধু আপনার এই পোষ্ট টাই পরলাম, যত লিংক দিয়েছেন সব।
অসাধারন। অসাধারন পোষ্ট।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আরো পোষ্ট চাই ।
অপেক্ষায় রইলাম।

# Satyajit Das #
# Powered by MacOSX Lion #


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার অনুপ্রেরণার জন্য। আশা করি আরো পোস্ট দিতে পারব।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিছু মনে করবেন না , কোয়ান্টাম জগৎ তেমন একটা বুঝি না। বর্তমানে কোয়ান্টাম নিয়ে একটি বই পড়ছি , যতটুকু বুঝলাম নাস্তিকতার দিন শেষ। আপনি বলছেন উল্টো কথা। একটু কি ব্যাখ্যা করবেন , ক্রিয়েশনিস্টরা কেন মুড়ি খাবে? ক্রিয়েশনিস্টরা কি দাবী করেছিল "এইটাতে কোনকিছু অবজার্ভ করা যায়না"? অবজার্ভ করা বা না করার সাথে ক্রিয়েশনের কি সম্পর্ক? আমি তো জানি কোয়ান্টাম ফিজিক্স মতে একই সাথে কোন কণার অবস্থান ও বেগ একি সাথে সঠিক পরিমাপ করা যায় না।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বর্তমানে কোয়ান্টাম নিয়ে একটি বই পড়ছি , যতটুকু বুঝলাম নাস্তিকতার দিন শেষ।



হাসতেই আছি, আগুন জায়গামতন লাগছে রে...

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দেখা যাচ্ছে দুজন বিজ্ঞানী স্বতন্ত্রভাবে গবেষনা করে আলাদা আলাদাভাবে সাফল্য পেয়েছেন। পরীক্ষার যে পদ্ধতি আপনি বর্ননা করেছেন, অর্থাৎ ফোটন কণাকে অবরুদ্ধ করে সেটাকে পর্যবেক্ষন করা, সে পদ্ধতিটি অনুসরন করেছেন সার্জে হারোশে। অপরপক্ষে ডেভিড ওয়াইনল্যান্ড অনুসরন করেছেন সম্পূর্ন বিপরীত পদ্ধতি, তিনি চার্জড আয়নকে অবরুদ্ধ করেছেন এবং আলোর সাহায্যে তা পর্যবেক্ষন করেছেন। এই পদ্ধতিটি বর্ননা করে পৃথক একটি পোষ্ট হতে পারে।
আর একটি কথা- নোবেল পুরস্কার পাক বা না পাক, এই আবিস্কার তো শুধু কোয়ান্টাম বিজ্ঞানীদের জন্যই নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্যই একটি মাইলফলক। তাঁরা এটি প্রকাশ করেছেন নিশ্চই আরো আগে, মানবজাতির জন্য এত গুরুত্বপূর্ন একটি অর্জনের বিষয়ে এতদিন সবাই নির্বাক থেকেছে কেন?

_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাদের পুরো টেকনিক্যাল পেপারগুলো এখনো পাবলিশড হয়নি। পেপারগুলো পেলে পোস্ট করব। পদ্ধতিগুলো পুরোপুরি বর্ণনা করতে গেলে সেটি সাধারণ পাঠকদের উপযোগী থাকবে বলে মনে হয়না, তাই আমি খুব সংক্ষেপে লিখেছি, আর অনেককিছু স্কিপ করে গেছি। তবে আপাতত কাজ চালানোর জন্য ছবিগুলো ফলো করলে পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে মোটামুটি একটি ধারণা পাওয়া যেতে পারে। যেমন, আমি এখানে উল্লেখ করিনি, পুরো এক্সপেরিমেন্টটি করা হয়েছে রুদ্ধতাপীয় (Adiabatic) ভাবে। আগে এসব প্রক্রিয়া বেশ দুঃসাধ্য ছিল, কিন্তু এই দুই বিজ্ঞানীর গবেষণা দেখে মনে হয়েছে এখনকার এক্সপেরিমেন্টগুলো অনেক নিখুঁত পরিবেশে করা হয়, যেমন ধরুন, ফোটনের এক্সপেরিমেন্টটি, এখানে তারা প্রায় পরমশূন্য তাপমাত্রায় পরীক্ষাটি করেছেন যা এতদিন আমরা বইপত্রে পড়ে এসেছি প্রায় অসম্ভব ও ব্যয়বহুল। আপনি চাইলে আমরা আলোচনার মাধ্যমে ডিটেলস এ্যানালাইসিস করতে পারি কারণ কিছু কিছু বিষয়ে আমারও কনফিউশন আছে।

আয়নকে বন্দি করার মত দক্ষতা বিজ্ঞানীরা আরো আগেই অর্জন করেছেন, খুব সম্ভব বিংশ শতাব্দির শেষের দিকেই। তবে ফোটনকে বন্দি করার বিষয়টা আমার জানা ছিল না, আমি প্রায় সারপ্রাইজড হয়েছি বিষয়টাতে। কারণ, এরকম একটি চিন্তা আমি বহুবার মনে মনে করেছি যে কোন আবদ্ধ বাক্সের ভিতরে একটি ফোটনকে কিভাবে আটকে রাখা যেতে পারে। কিন্তু আমি ব্যর্থ হয়েছি কারণ সুপারকনডাক্টরের বিষয়টি মাথায় আসেনি। আমার চিন্তা কলাপস করেছে যখনই ভেবেছি যে, কোন বাক্সের দেয়ালই আদর্শ শ্বেতবস্তু (White body) হতে পারেনা, তাই ফোটনকে আটকে রাখা সম্ভব নয়। কিন্তু প্রযুক্তি যে এত এগিয়েছে জানতাম না, সার্জে হারোশে এই প্রায় আদর্শ শ্বেতবস্তুই ব্যবহার করেছেন এবং ফোটনকে বন্দি করতে পেরেছেন। এর জন্য সুপারকন্ডাকটিভ মিরর নির্মাতাকেও পুরস্কৃত করা উচিৎ!

আর এই বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছিল। আসলে আমরা জ্ঞান বিজ্ঞানের খবরাখবর আর কতটুকুই বা রাখি বলুন। কোথায় কোন গাছের কান্ডে কোন “অলৌকিক লেখা” পাওয়া গেছে সেটা নিয়ে ফেসবুকে শেয়ার আর লাইক দেয়ায় ব্যস্ত থাকি! যার কারণে এসব গবেষণার ফলাফল খুব বেশি স্প্রেডও হয়না, আমরাও বঞ্চিত হই। আর হ্যাঁ, আপনি ঠিকই বলেছেন এটি অবশ্যই "A giant leap for mankind" বলার দাবি রাখে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পুরোপুরি বর্ণনা করতে গেলে সেটি সাধারণ পাঠকদের উপযোগী থাকবে বলে মনে হয়না,


এ ব্লগে আপনার থেকে 'সাধারণ' কেহ আমার চোখে পড়েনি!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Shock

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রিয়তে, পরে পড়তে হবে।

বহুতদিন পর দেখলাম আপনেরে। আছেন কেমুন?

------------------------------------------------------------
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটাদূর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ, কবি নীরব, আমি ভালই আছি, একটু ব্যস্ত ছিলাম তাই আসা হয়নি, আশা করি এখন থেকে নিয়মিতই পাবেন।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিজ্ঞান মন্যস্ক সুন্দর লেখাটির জন্য ধন্যবাদ লেখককে smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ। smile :) :-)

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এত কিছু বুঝি না Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud

===================================================================
যেখানে পাইবে ছাগু আর বাদাম

চলিবে নিশ্চিত উপর্যপরি গদাম...............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Sad
আমার কষ্ট বৃথা গেল!

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কয়েকবার পড়লাম, তবে ফোটন কণার মতই বারবার মাথা থেকে উবে যাচ্ছে smile :) :-)
চমৎকার পোস্ট। Star Star Star Star Star

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ পড়ার জন্য। এরপরে আরো সহজ করার চেষ্টা করব। smile :) :-)

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ঠান্ডা মাথায় আবার পড়তে হবে। আমার জন্য এই লেখা পাওয়ার রিডিং কম্ম নয়।

__________________________________
শোনহে অর্বাচিন, জীবন অর্থহীন.............


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ। বোঝাই যাচ্ছে আমার কষ্ট বৃথা গেছে, সহজ করে লিখতে পারিনি। Laughing out loud

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-)

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেকদিন পর একটা সেরকম লেখা পড়লাম।প্রিয়তে রাখলাম পড়ে আরও পড়বো



-------------------------------------------------
তুমি আমার জলস্থলের মাদুর থেকে নামো
তুমি বাংলার ছাড়ো।

------------------------------------------------------
সব মানুষেরই কিছু না কিছু অক্ষমতা থাকে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার প্রশংসার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। smile :) :-)

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্ট টা তাড়াহুড়া করে পড়লাম। বুঝতে সমস্যা হচ্ছে, কিছু জায়গায় ঘোলা লাগছে। একটু সময় নিয়ে ধীরে সুস্থে পড়তে হবে, তার আগে হুট করে মন্তব্য করা উচিত হবেনা।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নাস্তিকদের দাঁত ভেঙ্গে দেয়া হোক, যেন তারা ঈদের সেমাই না খেতে পারে। ( রাইট টু কপিঃ ডঃ আইজুদ্দিন)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার ওয়ালে দুইটা পিডিএফ লিংক দিসিলাম। ওইখান থেকে সামারাইজ করে লিখেছি।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোস্টের জন্য লেখককে ধন্যবাদ আর পোস্টটা স্টিকি করায় আমারব্লগকে ধন্যবাদ। আমারব্লগের চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন আসতেছে দেখে আরও ভাল লাগতেছে। বিজ্ঞানের অন্য শাখাগুলির নোবেল বিজয়ীদের সম্পর্কেও জানতে চাই।

সপ্তাহ তিনেক আগে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর উপর একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম। গবেষকরা প্রাথমিক লেভেলে অলরেডি সাফল্য অর্জন করে ফেলেছেন।

A research team led by Australian engineers has created the first working quantum bit based on a single atom in silicon, opening the way to ultra-powerful quantum computers of the future.

In a landmark paper published September 19 in the journal Nature, the team describes how it was able to both read and write information using the spin, or magnetic orientation, of an electron bound to a single phosphorus atom embedded in a silicon chip.

For the first time, we have demonstrated the ability to represent and manipulate data on the spin to form a quantum bit, or 'qubit', the basic unit of data for a quantum computer," says Scientia Professor Andrew Dzurak. "This really is the key advance towards realising a silicon quantum computer based on single atoms."

তার মানে আমাদের আসলে খুব বেশীদিন অপেক্ষা করতে হবে না।

.
~ ‎"মুক্তি আসুক যুক্তির পথে" - অভিজিৎ রায় ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাহলে তো জীবদ্দশায় ব্যবহার করে যাবো। ফারমার আংকেলের দেওয়া দামে তো আর ব্যবহার সম্ভব না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

২০৬০ পর্যন্ত যদি বাঁচেন তাহলে দেখে যেতে পারবেন। ফার্মার ভাই যেটার কথা বলেছেন ওটা আসলে পুরোপুরি কোয়ান্টাম না, তবে কাছাকাছি বা প্রিস্টেজে আছে (অনেকটা চার্লস ব্যাবেজের এ্যানালাইটিক্যাল মেশিনের মত, ওটা ছিল এখনকার ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের প্রিজেনারেশন)। ওটা সত্যিকারের কোয়ান্টাম লেভেলে যেতে হলে আরো বছর পঞ্ঝাশেক লাগবে, আর দাম সাধারণ মানুষের নাগালে আসতে আসতে আরো পঞ্চাশ বছর।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য ধন্যবাদ। আসলে ব্লগ কর্তৃপক্ষকে দোষ দিয়ে লাভ নেই, আমারব্লগে বিজ্ঞান বিষয়ে লেখালেখি খুবই কম হয়, স্টিকি করার জন্য পোস্ট পেলে তো!

এইবছর এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানের মৌলিক তিনটি শাখায় যে নোবেলগুলো দেয়া হয়েছে তা আক্ষরিক অর্থেই মানব সভ্যতার জন্য একটা জায়ান্ট লিপ। যেমন, চিকিৎসাবিজ্ঞানে যে নোবেল টা দিল, স্টেম সেল নাকি এখন রিভার্সিবলি গ্রো করবে, মানে এডাল্ট সেলকে পুনরায় প্রিম্যাচিউর সেলে কনভার্ট করা যাবে। এর ফলে ভবিষ্যতে ক্লোন করা, কৃত্রিম অঙ্গ সংস্থাপন ছেলেখেলায় পরিনত হবে। নোবেলের ওয়েবসাইটে দেখলাম যে এই আবিষ্কার নাকি এতটাই যুগান্তকারী যে আমাদের বায়োলজি ও মেডিক্যালের বইগুলো নাকি নতুন করে লিখতে হবে কারণ এই আবিষ্কার নাকি জীববিজ্ঞানের প্রচলিত ধ্যান-ধারণাই পাল্টে দিয়েছে।

রসায়নেও খুব গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী একটি আবিষ্কার হয়েছে। যে জি-প্রোটিনের কথা বলা হচ্ছে এটি নাকি আমাদের কোষের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিস এবং এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে চিকিৎসাবিজ্ঞান অনেক এগিয়ে যাবে।

লিংকটির জন্য ধন্যবাদ। কোয়ান্টাম কম্পিউটার সম্পর্কে আমার ধারণা এখনো ক্লিয়ার না পুরোপুরি। তবে এই শতাব্দির শেষের দিকে কিংবা আগামী শতাব্দির শুরুর দিকেই সম্ভবত এগুলো কমার্সিয়ালি আসা শুরু করবে।

------------------
ন্যায় এবং অন্যায়, দুইটার মধ্যে মাঝামাঝি কোন অবস্থান বলে কিছু নাই। মাঝামাঝি থাকা মানেই অন্যায়কে সাপোর্ট করা। নদীর দুইপারের যেকোন একপারেই আপনাকে থাকতে হবে, মাঝামাঝি থাকতে চাইলে হয় ডুবে যাবেন, অথবা ভাসতে ভাসতে যেকোন একপারেই আবার ভিড়বেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমারব্লগের শুরু থেকেই আমি এখানে ব্লগিং করি। smile :) :-)

.
~ ‎"মুক্তি আসুক যুক্তির পথে" - অভিজিৎ রায় ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এধরনের লেখা আরো বেশি বেশি দরকার এখানে।
অনেক ধন্যবাদ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাল্লাগসে

========================================================================================

আহ শয়তান
তুমি মোর রন্ধ্রে রন্ধ্রে দিয়াছো গরল
প্রতি নিঃশ্বাসে বিষবাষ্প
আর
তোমার দন্ত-নখরে সৃষ্ট, উল্লসিত মৃত্যুর গান
আহ শয়তান, বাহ শয়তান

glqxz9283 sfy39587p07