Skip to content

“কানার হাতি দেখা এবং জিয়া’র গল্প”: আসিফ নজরুলের লেখার প্রতিক্রিয়া

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



১৯ ডিসেম্বর’১৬ তারিখে দৈনিক ’প্রথম আলো’ পত্রিকায় ‘ব্যাতিক্রমী সেক্টর কমান্ডার’ শিরোনামে কলাম লিখে ‘জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আমার প্রথম লেখা’ শিরোনামে ফেসবুকের নিজস্ব পেজে ওই লিংকটা শেয়ার করেছেন জনাব আসিফ নজরুল সাহেব। আসলে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তুলনা করতে যেয়ে একপক্ষ জিয়াকে বেলুনের ন্যায় ফুলাতে ফুলাতে এমন অবস্থা করেছে যে যেকোন সময় ’ফটাস করে’ ওই বেলুন ফেটে যেতে পারে। জিয়া নামক বেলুনকে ফটাস করে ফেটে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে চতুর লেখক জনাব আসিফ নজরুল সাহেব কলমের মাধ্যমে ওই বেলুনের অতিরিক্ত বাতাস বের করতে উদ্যত হয়েছেন। কিন্তু তার ভক্তকুল বিষয়টা না বুঝতে পেরে তার ওপর অসন্তুষ্ট হওয়ার কারণে ’প্রথম আলো’য় তার অন্যান্য লেখায় পক্ষে অনেক অনেক কমেন্ট পেলেও এই লেখায় মাত্র ১৪ টা কমেন্টের ভেতর পক্ষে পেয়েছেন ১৩ টা। ’স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া; লও লও লও ছালা(ম)’ বলে যারা এতোদিন চিল্লায়ে চিল্লায়ে গলা দিয়ে রক্ত বের করতো তারা লেখক সাহেবের এই লেখা পড়ে বেজায় নাখোশ হয়ে মন্তব্য প্রদানে চুপ থেকেছেন। ’স্বাধীনতার ঘোষক’ বিষয়ে লেখক সাহেব বেলুনের অতিরিক্ত বাতাস (জিয়াই একমাত্র স্বাধীনতার ঘোষক) বের করে মরহুম জিয়াকে ’কয়েক জনের মধ্যে একজন’ স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে বর্ণনা দিয়েছেন। আবার লেখক সাহেব স্বীকার করেছেন যে স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ এবং জিয়া ঘোষনা দিয়েছিলেন ২৭ মার্চ। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস হলে ২৭ মার্চ ঘোষনা দিয়ে জিয়া কিভাবে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ হ’ন? তবে একথা সত্য যে রেডিও-এর কল্যাণে জিয়ার ঘোষনাটি বেশী আলোচিত হয়েছিল। লেখক সাহেবের সঙ্গে একমত যে দশচক্রে ভগবান ভূতের ন্যায় ঘটনাচক্রে ’জিয়াও একজন স্বাধীনতার ঘোষক’। ’ঘটনাচক্রে’ এই জন্য যে ওই সময় সেই জায়গায় জিয়ার চেয়ে সিনিয়র অন্য কোন বাঙালি আর্মি অফিসার থাকলে জিয়ার পরিবর্তে তিনি হতেন স্বাধীনতার ঘোষক।

এবার “কানার হাতি দেখা এবং জিয়া’র গল্প”। চার কানা হাতিকে ৪ রকম দেখেছিল; মূলার মত (হাতির শুড়), কুলার মত (কান), খাম্বার মত (পা) এবং দেয়ালের মত (বডি)। লেখক সাহেব আমাদেরকে কানা বানিয়ে হাতি সমতূল জিয়াকে মূলার মত দেখিয়েছেন। কেমন যেন কিছুই জানে না; সহজ- সরল তুলতুলে ’রাঙা মূল’! কিন্তু আমরা দেখেছি খাম্বা সমতূল জিয়ার পা (পদ); যে পদতলে পিষ্ট হয়ে জীবন দিয়েছেন অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা (খেতাবপ্রাপ্ত সহ), যে পদতলে পিষ্ট হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। তাই মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ঠতায় জিয়ার সৎ নিয়ত প্রশ্নবিদ্ধ। লেখক সাহেবের ঝুলানো মূলার দিকে না তাকিয়ে প্রসঙ্গ ভিন্ন হলেও একটা পয়েন্টে তার সঙ্গে আবারও একমত যে জিয়া ‘একজন ব্যাতিক্রমী সেক্টর কমান্ডার’। কারণ জিয়ার ন্যায় অন্যান্য সেক্টর কমান্ডারদের পদতলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পিষ্ট হয় নাই। অন্যান্য সেক্টর কমান্ডার গণ রাজাকারদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন নাই। তাই জিয়া শুধুমাত্র ‘ব্যাতিক্রমী’ নন; রীতিমত ’৮ম আশ্চর্য’। এ বিষয়ে ফেসবুকে লেখা আমার নোট “জিয়ার ভন্ডামির আদ্যোপান্ত : ৮ম আশ্চর্য-এর আত্মকাহিনী” প্রণিধানযোগ্য।

লেখক সাহেব তার দীর্ঘ লেখার এক জায়গায় ’কূটনৈতিক স্বীকৃতি দানে ভারতের বিলম্বের’ কথা উল্লেখ করেছেন। শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী লেখক সাহেব বা আমার জ্ঞান নিয়ে বসবাস করতেন না। চীনকে মাথায় রেখে কূটনৈতিক স্বীকৃতি দানে বিলম্ব ঘটিয়েছিলেন। ৬ ডিসেম্বর স্বীকৃতি দিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে ভারতের যুদ্ধে অংশগ্রহণ ইন্দিরা গান্ধীর একটা বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত। ৬ ডিসেম্বর মানে পুরোপুরি শীতকাল শুরু এবং ভারত-চীন সীমান্তে বরফ পড়ার কারণে চীনা সেনাবাহিনীর মুভমেন্ট অসম্ভব। চীনের হুমকি অফ। ব্যাস, দাও স্বীকৃতি, করো অ্যাটাক - মাত্র ১০ দিনে বাংলাদেশের বিজয়।

চতুর লেখার মাধ্যমে লেখক সাহেব স্বাধীনতা পরবর্তী জিয়ার মুক্তিযুদ্ধ বিরোধি ভূমিকাকে জায়েজ করতে লিখেছেন “স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে শুধু জিয়া নন, আরও অনেকের কিছু কর্মকান্ড নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা রয়েছে”। তিনি আলোচনার নামে ’সমালোচনা’র কথা বলেছেন। ’আরও অনেকের নামে’ বলতে কে কে তা গোপন রেখে ওই সমালোচকদের পক্ষ নিয়েছেন। তিনি হয়তো শেখ কামালকে জড়িয়ে বঙ্গবন্ধুর নামে সমালোচনাকে উহ্য রেখেছেন। বাল্যকালে জিয়ার আমলে এবং পরবতীতে এরশাদের আমলে মানুষের মুখে শুনতাম, শেখ মুজিব নিজ ছেলেকে কন্ট্রোল করতে পারে নাই বলে আজকে তার এই করুন পরিনতি। সেই আমলে রেডিও-তে ’পরিবার পরিকল্পনা’ ভিত্তিক ’সুখী-সংসার’ অনুষ্ঠান শুনে শুনে এক সময়ে বাল্য জ্ঞানে চিন্তা করলাম, সত্যি তো, বেচারা বঙ্গবন্ধুর অনেক গুলো ছেলে-মেয়ে থাকার কারণে তাঁর ’সুখী-সংসার’ ছিল না; এই কারণে নিশ্চয়ই শেখ কামাল ’লাইনচূত’ হয়েছিলেন। এখন মহান আল্লাহর নিকট বলবো, না জেনে না বুঝে এবং অন্যের প্ররোচনায় মহান নেতা বঙ্গবন্ধু এবং শেখ কামালের নামে এরকম অলীক ভাবনার জন্য আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করবেন। শেখ কামালের নামে ব্যাংক ডাকাতি অপবাদের বিপরীতে সেই দিন শেখ কামালের সঙ্গে থাকা তার বন্ধু সাবেক বিএনপি সরকারের প্রতিমন্ত্রী জনাব ইকবাল মাহমুদ টুকুর নিকট সত্য ঘটনাটি জানার জন্য লেখক সাহেবেকে বিনীত অনুরোধ জানাই। তদ্রুপ খূণী মেজর ডালিমের ’রটিত বউ অপহরণ’ কাহনীটি আসলে ডাহা মিথ্যা কথা এবং সত্য ঘটনা কি তা জানার জন্য মেজর ডালিমের লেখা “যা দেখেছি, যা বুঝেছি এবং যা করেছি” বইটি পড়ার জন্য লেখক সাহেবেকে আবারও অনুরোধ করি। পাপে ছাড়ে না বাপেরে। তাই শেখ কামালের নামে মিথ্যা অপবাদ দেয়ার কারণে তারেক রহমান আজকে পাপে জর্জরিত। শেখ কামালকে পচাতে যেয়ে তারেক রহমান আজকে পচে দূর্গন্ধ।

যারা জিয়াকে উঠাতে যেয়ে বঙ্গবন্ধুকে টেনে নামান, লেখক সাহেবের মাধ্যমে তাদের নিকট প্রশ্ন - বঙ্গবন্ধুকে না হয় সাময়িক অফই রখলাম, তাঁর ডান হাতের সঙ্গে আগে জিয়াকে তুলনা করেন। আচ্ছা বলেনতো, মুক্তিযুদ্ধে কার অবদান বেশী? জিয়াউর রহমান না-কি বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর জননেতা তাজউদ্দিন আহমেদ। দূরদর্শী তাজউদ্দিন আহমেদ মুজিবনগর সরকার গঠন করে মুক্তিযুদ্ধকে একটা সিস্টেমের ভেতর আনয়ন করেন, যে সিস্টেমকে ভিত্তি ধরে ভারত বাংলাদেশের পক্ষে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহন করে এবং মাত্র ১০ দিনে বিজয় সূুচিত হয়। মুজিবনগর সরকার গঠন এবং মুজিবনগর সরকারের পক্ষে ভারত সরাসরি যুদ্ধ অংশগ্রহণ না করলে মুজিবনগর সরকার পূর্ববতী সকল ঘটনাকে বিক্ষিপ্ত ঘটনা বলে পাকিস্তান সব কিছু আবারও কন্ট্রোল করতো। লেখক সাহেবের নিকট একটা প্রশ্ন, মুজিবনগর সরকারের প্রতি বিএনপি নাখোশ কেন? নতুবা বিএনপি সরকারের আমলে ’মুজিবনগর দিবস’ পালন তো দূরের কথা; কোন দিন ’মুজিবনগর সরকার’ বিষয়ে বিএনপি প্রদত্ত একটা বাণীও দেখি নাই। মুজিবনগর সরকার বিষয়ে জামায়ত নাখোশ হওয়া স্বাভাবিক কিন্তু বিএনপি কেন? এই পয়েন্টে কবি (এবং লেখক সাহেব) নিরব!!! তাইতো জামায়ত সৃষ্ট বিএনপি একটা জামায়তি ধোঁকা।

আইএসআই এবং জামায়তি সম্মিলিত ষড়যন্ত্রে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। তাইতো বাংলাদেশের ক্ষমতার ১ম দাবীদার জামায়তি গোলাম আজম। কিন্তু আলোচনার টেবিলে জামায়তি পরামর্শ এরকম - গোলাম আজম যদি ক্ষমতায় বসে তবে আবারও বাংলাদেশ পাকিস্তানিদের দখলে বুঝতে পেরে জনগণের ভেতর বিস্ফোরণ ঘটবে এবং আবারও ভারতকে মোকাবেলা করতে হবে। বরং আইএসআইয়ের চীফ এজেন্ট জিয়াকে ক্ষমতায় বসানো হলে জিয়ার মুক্তিযুদ্ধে ঘোষণার সাইনবোর্ডকে পূজিঁ করে জনগণ এবং ভারতকে বিভ্রান্ত করা যাবে কেমন যেনো মুক্তিযোদ্ধারাই ক্ষমতায় আছে। তাই হিটে গোলাম আজম বাদ এবং জিয়া ইন। তবে এই আলোচনার টেবিলেই জামায়ত পুনর্বাসনে জিয়া প্রতিশ্রুতি দেন এবং আমৃত্যু সেই কাজ করেন। তাই আবারও বলি, জিয়াকে ব্যবহার করে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তিকে দুই ভাগ করে দূর্বল বানাতে জামায়ত সৃষ্ট ‘বিএনপি’ একটা জামায়তি ধোঁকা।

লেখার আগের প্যারায় হিন্টস দেয়া হয়েছে যে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে জিয়া জড়িত এবং এখন ক্লিয়ার করি। তখন জিয়া বাংলাদেশস্থ আইএসআইয়ের চীফ এজেন্ট হিসেবে গোপনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিল এবং আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, আইএসআই ও জামায়তি সম্মিলিত ষড়যন্ত্রে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। তৎকালিন সেনাপ্রধান শফিউল্লাহ সাহেবের বক্তব্যে আরও ক্লিয়ার যে জিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে জড়িত। বত্রিশ নম্বরে খূণীদের দ্বারা আক্রান্ত বঙ্গবন্ধুর টেলিফোন পেয়ে শফিউল্লাহ সাহেব ডেপুটি চীফ জিয়া এবং খালেদ মোশারফ সাহেবকে সেনাপ্রধানের অফিসে আসতে টেলিফোনে কল করেন। খালেদ মোশাররফ সাহেব স্লিপিং গাউন পরা অবস্থায় দ্রুত সেনাপ্রধানের অফিসে আসেন কিন্তু জিয়াও দ্রুত আসেন তবে ক্লিন শেভড এবং আর্মি ড্রেস পরিহিত অবস্থায়। খালেদ মোশাররফ সাহেব স্লিপিং গাউন পরিহিত অর্থ তিনি ঘুম থেকে উঠে আসেন এবং ’জিয়া ক্লিন শেভড ও আর্মি ড্রেস পরিহিত’ অর্থ তিনি না ঘুমিয়ে অন্য কিছু করছিলেন। এই ’অন্য কিছু’টা কি হতে পারে? জিয়া না ঘুমিয়ে ওয়ারলেস মারফত পিছন থেকে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে নেতৃত্ব দেয় এবং মিশন সাকসেস করে ক্লিন শেভড ও আর্মি ড্রেস পরে বঙ্গভবনে খন্দকার মুস্তাকের আমন্ত্রনে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। লেখক সাহেব প্রশ্ন করতে পারেন, খন্দকার মুস্তাক তাহলে কি? মুস্তাক হচ্ছে, পুতুল নেবে গো পুতুল; যেমন ইতিহাসের মীরজাফর।

আরও একটা বিষয় এডিটিং দেয়া হলো যে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে জিয়ার সংশ্লিষ্ঠতা অনেকটা ‘হাতি’র ন্যায়। হাতি বাঁচলেও লাখ টাকা, মরলেও লাখ টাকা। আইএসআইয়ের চীফ এজেন্ট হিসেবে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের মাধ্যমে জিয়া প্রেসিডেন্ট বনে যান কিন্তু খূণীরা ব্যর্থ হলে সকাল বেলাতেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কারণে শফিউল্লাহ আউট এবং জিয়া সেনাপ্রধান নিযুক্ত।

জিয়াকে স্বচক্ষে দেখা ঘটনা বর্ণনা না করলেই নয়। থানা সদরে নির্বাচনী জনসভায় জিয়া ভাষণ দিবেন। বায়না ধরে বাবার সঙ্গে জনসভায় যাওয়ার অনুমতি প্রাপ্ত হই। বক্তৃতা শুরু করে দু’এক কথা বলেই জিয়া বলেন, “তালিয়া বাজান”। এভাবে দু’এক কথা বলেই বার বার তালিয়া বাজাতে বলেন এবং কত বার যে এভাবে তালিয়া বাজাতে বলেছিলেন তা গণনার বাইরে। ওই বয়সে ‘সাপ খেলা এবং লাগ ভেলকি লাগ নজরবন্দী খেলা’ দেখে পূর্বেই তালিয়া বাজানো ঘটনার সঙ্গে পরিচিত। যেমন সাাপুড়ে বলতো, পুলাপান, ’বাজা তালি’ এবং সমানে তালি বাজাতাম। ’কিন্তু ভিন্ন পরিবেশে প্রেসিডেন্ট কেন বার বার তালি বাজাতে বলছে’ সেই বিষয়ে মনে খটকা লাগে এবং বাবাকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করি। জনসভায় হাজির হওয়া লোকজনে বার বার এই তালি বাজানো নিয়ে হাসাহাসি করতে করতে জনসভাটি রীতিমত ঠাট্টা-মসকরার স্থলে পরিণত হয়। সেই বয়সে বুঝতে না পারলেও পরবর্তীতে বূজতে পারি, প্রেসিডেন্ট কেন চালাকি করে বার বার তালি বাজাতে বলেছিলেন। গোয়েন্দাদের নির্দেশ দেয়া ছিল, জনসভার কত পারসেন্ট লোক প্রেসিডেন্টের আহ্বানে সাড়া দিয়ে হাততালি দেন তা গণনার জন্য। এই হিসাবকৃত হাততালির পারসেন্ট গণনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে যে ঢাকা থেকে রেডিও-টিভির মাধ্যমে এই এলাকার নির্বাচনী ফলাফল নিজেদের পক্ষে ঘোষণা করতে হবে কি-না। বাস্তবেও ১৯৯১ সাল থেকে প্রতিটা নির্বাচনে এই এলাকায় নৌকা মার্কা পাশ করলেও জিয়া এবং এরশাদের আমলে রেডিও-টিভির ঘোষণায় আমাদের এলাকায় ’ধানের শীষ’ এবং ’লাঙ্গল’ পাশ করতো।
*** কিছুদিন অনলাইনের বাইরে থাকায় প্রতিক্রিয়া জানাতে একটু দেরী হ’ল।

glqxz9283 sfy39587p07