Skip to content

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জাগো ফাউন্ডেশন নিয়ে কেন এত ক্ষোভ?



উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানরা একটি সংগঠন করেছে, শিশুদের স্কুলের জন্য বা দুর্যোগে সহায়তার জন্য রাস্তায় একটি ফুল বিক্রি করছে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকায়; এ ধরণের ফান্ড কালেকশন ছাড়াও মূলত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সহযোগিতায় সমাজসেবা করছে, এতে আপত্তি কেন আসবে এমন প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। তাদের স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে মাদকসেবীর ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটি মেয়ের একটু কথা (ত্রয়োদশ অংশ)

আমাদের গর্ভে জন্মানো কুকুর
একদিন ছিঁড়েখুঁড়ে খাবে খোদ আমাদের
বলেই বুঝি আমরা মা, মায়ের জাত!
ক্ষমা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গিয়ে পরে আবারো ক্ষমা করে দিই তোমাদের

বারবার।।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রেমোন্মাদিনী

সেই রাত্রি থেকে আমি পাগল হয়ে গেলাম। ঠিক কীসের অভাবে অমন পাগল হলাম, তা আমি নিজেই জানিনা। ভালোবাসা, প্রাচুর্য, সংসার? সবইতো আছে আমার। তবে কীসের অমোঘ টানে শরীরে বান ডাকছে আমার? শরীর!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোচিং এর ক্ষতি এবং অন্যান্য

(১)

তানিম এবারে পঞ্চম শ্রেণিতে উঠেছে। বছরের প্রথম থেকেই বাবা-মায়ের
পরিকল্পনা অনেক। কোন কোচিং ভালো, কোনখানে ভালো পড়াশুনা করানো হয়, তার
খোঁজ করে রেখেছেন তানিমের বাবা, তামিউর রহমান। বছরের শুরু থেকেই বেশ
তোড়জোড় নিয়ে কোচিং করতে ব্যাস্ত ছিল তানিম। অথচ অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় তার
ফলাফল তেমন আশানুরূপ হয় নি। বাবা-মায়ের চিন্তা আরো বেড়ে যায়! এত গুলো
কোচিং-প্রাইভেট দিয়েও সন্তানের এমন রেজাল্ট হলে, বাবা-মায়ের মন খারাপ
হওয়াও স্বাভাবিক। এবিষয়ে স্কুলের শিক্ষকের সাথে কথা বলেন তামিউর রহমান।
শ্রেণি শিক্ষক জিজ্ঞাসা করেন, তানিম বাসায় কতক্ষণ পড়াশুনা করে? তামিউর
রহমান বলেন, বাসায় তো সেরকম পড়ে না, সে তো সারাদিন কোচিং নিয়েই ব্যাস্ত।
শ্রেণি শিক্ষক তখনি তামিউর রহমানের মনের ধারণা বদলিয়ে দেন। বলেন, সারাদিন
যতগুলো কোচিং করে সে সময় নষ্ট করেছে, সে সময় যদি বাসায় পড়তো, তবে আজ তার
এরূপ ফলাফল হত না। তামিউর রহমান পরে নিজের ভুল বুঝতে পারেন। তানিমকে
সেদিন থেকেই কোচিং বাদ দিয়ে বাসায়-স্কুলে পড়াশুনা করার নির্দেশ দেন।
তানিমের রেজাল্ট ধীরে ধীরে ভালো হতে শুরু করে। এখন তানিম শুধু পড়াশুনার
মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই। সে তার প্রতিভা বিকশিত করছে, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায়
অংশ নিচ্ছে, পুরুষ্কার পাচ্ছে।

(২)

বাংলাদেশের পেক্ষাপটে, কোচিং বাণিজ্য অত্যন্ত লাভজনক একটি পেশা। এই
পেশাতে কোনো বিনিয়োগ লাগে না। শুধু লাগে বুদ্ধি, প্রতারণার জাল। প্রথম
প্রথম ফ্রি পড়িয়ে বেশ নামডাক কামিয়ে তারা তাদের বাণিজ্যকে স্বর্গ বানিয়ে
ফেলে। অধিকাংশ বাবা-মায়ের মতে, কোচিং এ গেলে তাদের ছেলে-মেয়ে সুশিক্ষিত
হবে, অধিক জানবে, পরীক্ষায় ভালো করবে। ছেলে-মেয়েরাও বাধ্য হয়ে কোচিং যায়,
পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করে ঠিকই, কিন্তু তারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গড়ে
উঠে না, তারা জ্ঞানার্জন করতে সক্ষম হয়ে উঠে না, তারা সাহিত্যজগৎ নামক
আনন্দদায়ক একটি জগত ছেড়ে পুরোপুরি যান্ত্রিক একটি অবস্থায় চলে আসে। প্রায়
প্রতিটি কোচিং সেন্টার নোট প্রদান করে, এই নোট শিক্ষার্থীরা গিলে মুখস্থ
করে পরীক্ষা দেয়। আবার কখনও কখনও বোর্ড প্রশ্ন ফাঁসের পেছনে এসব কোচিং
সেন্টারগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোচিং
সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে কোনোরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না, ফলে এরূপ
নেতিবাচকঅবস্থা আরো বৃদ্ধি পায়। সৃজনশীল এই জগতে, এই শিক্ষা পদ্ধতিতে যখন
একজন শিক্ষার্থী নিজের মেধা অনুযায়ী, নিজের জ্ঞান অনুযায়ী প্রশ্নের উত্তর
লিখবে, ঠিক তখনি কোনো কোনো শিক্ষক তাদের নোট দিয়ে বলছেন, এর বাহিরে লিখলে
তোমাদের নাম্বার কাটা! আবার কোনো কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা
স্কুলে পড়ায় না, আবার তাদের কাছে কোচিং না করলে ঠিকভাবে নাম্বার দেয় না।
এই যদি হয় বাস্তবতা, তবে কোচিং বিহীন শিক্ষাব্যবস্থা কতদিনে আমরা অর্জন
করবো?

(৩)

গতকাল রংপুরের একটি নামীদামী স্কুলে ক্যামেরা নিয়ে ঢুকলাম। আমি সাংবাদিক,
এই পরিচয় পেয়ে অনেক মহিলা নিজেদের হ্যান্ডব্যাগ থেকে মেকাপবক্স বের করে
রূপচর্চা করা শুরু করে দিলো। কিছুক্ষণপর যখন স্কুল ছুটি দিল, একেএকে
শিক্ষার্থীরা বেড়িয়ে আসছে। আমি তাদের একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম, সাতজন বীর
শ্রেষ্ঠের নাম বলো? সে মাত্র দুই জনের নাম বলেই থেমে যায়। আশেপাশের
কয়েকজনকে জিজ্ঞাসা করেও সঠিক ভাবে সাতটি নাম পাওয়া যায় নি। অথচ তারা ছিল
দশম শ্রেণি, কেউ নবম শ্রেণির ছাত্র। অভিভাবকরাও ধীরেধীরে দূরে সরে যেতে
থাকলেন, অনেকে চোখ বড় বড় করে আমার দিকেও তাকালেন, যেন তাদের আমি কোনো
শিশুকে ভুলভাল প্রশ্ন করছি। এটাই বাস্তবতা, অথচ আমি যদি তাদের বলতাম, কোন
কোচিং এ পড়? তারা ঠিকই একটা নাম বলে দিত। যদি বলতাম, বর্তমান বিশ্বের
জনপ্রিয় পপ তারকা কে? তবে জবাবটা যে একদম সঠিক দিত, তা আমি প্রত্যক্ষ
করেছি। যদি বই থেকে কোনো প্রশ্ন ধরতাম, তবেও উত্তর সঠিক আসতো, কেননা
তাদের সেটা বোঝা লাগে না, মুখস্থই আছে। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাস, সোনালি
পাতাগুলো আজ মুছে যাচ্ছে। এটার পেছনে অবশ্যই কোচিং এর একটা দোষ আছেই।
সারাদিন ধরে একজন শিক্ষার্থী কোচিং করছে, সে বাসায় এসে মুক্তিযুদ্ধের বই
পড়ে না। সে মোবাইল হাতে নিয়ে গান বাজায়, কখনও ফেসবুক কিংবা অন্যকিছু। তবে
ব্যতিক্রম আছেই, যদিও সেটা খুবই কম। অন্তত এখনো আমার চোখে ধরা দেয় নি।

(৪)

অনেক শিক্ষার্থী আছে এমন, স্কুলে কখনও কথা না বলে থাকতে পারে না। শিক্ষক
পড়াচ্ছেন, আর সে ডিস্টার্ব করেই যাচ্ছে। কিন্তু তাকে শাসন করার অধিকার
শিক্ষকের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছে। আমরা মানি, কিছুকিছু শিক্ষক ছাত্রকে
খুব নির্যাতন করেন। কিন্তু আপনারা কি ভেবে দেখেছেন, শাসনের অভাবে
ছাত্র-ছাত্রীরা বেয়াড়া হয়ে যাচ্ছে? এছাড়া ডিস্টার্বের ফলে স্কুলে
পড়াশুনার পরিবেশ শুধু নষ্টই হয় নি, বরং নোংরাও হয়েছে। যদি আজ শিক্ষকদের
শাসনের বিধান থাকতো, তবে হয়তো অনেক শিক্ষার্থীই কোচিং বিমুখ হয়ে উঠত।
কেননা স্কুলে পড়ার সুন্দর একটা পরিবেশ সৃষ্টি হত। আপনারা শিক্ষককে বেধে
রাখবেন, শাসনের অধিকার দেবেন না, আর এসি রুমে বসে স্বপ্ন দেখবেন যে,
একদিন সেই শিক্ষার্থীরা সুন্দর দেশ গড়বে, তা কি কাল্পনিক নয়? যে সব
শিক্ষার্থী ক্লাসে ডিস্টার্ব করে, তারা কোচিং এ সেরূপ আচরণ করে না। কেননা
কোচিং এ শাসন হয়, প্রচুর টাকা যায়। সেটা স্কুলে চালু করলে ক্ষতি কিসের।
আমরা তো আইন করতেই পারি, অন্যায় করলে শাস্তি হবে। কিন্তু সেটা স্বাভাবিক
শাস্তি। অস্বাভাবিক যাতে না হয়, সেটা দেখা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।
কর্তৃপক্ষকে সঠিকভাবে নজরদারী রেখে যদি অন্যায় করার জন্য শাস্তির বিধান
আবার চালু করা হয়, তবে আমি আশাকরি এদেশের শিক্ষার্থীরা অন্তত কোচিং বিমুখ
হবে, স্কুলে পড়াশুনা করবে, দেশ ও জাতির সত্যিকারের সম্পদে রুপান্তরিত
হবে।




ফাতিন ইসরাক,
শিশু সাংবাদিক।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নো প্রবলেম ,গুডবাই!

কাজরী,এই দিকে চেয়ে দেখো
ভেতরে কেমন সুনসান আমার
নিরব শুন্যতা মেপে আজ অব্দি
সাঁই সাঁই করে প্রৌঢ় চিল।
ঠিক আমার ঠোঁটের দিকে চেয়ে দেখো
সিগ্রেট চাপানো নীল রং খেয়ে ফেলছে জখমগুলো
জানো তো, এক কা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইন্দো-পাক উত্তেজনা ও বাঙ্গালীর বেহায়াপনা

কাস্মির ইসুতে ভারত-পাকিস্তান সিমান্তে উত্তেজনা কোন নুতন কিছু নয়।
>রাশিয়ার নিজেদের ক্ষমতা প্রদরশনের উদ্দেশ্য নিয়ে পাকিস্তানের সাথে সামরিক মহড়া দেয়া,
>সুযোগ পেলে ভারতকে ছেড়ে কথা কইবেনা সেটা বুঝিয়ে দ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এ কলঙ্ক ও লজ্জার দায় আমাদেরও, আর এ থেকে মুক্তির লড়াইয়ের দায়ও আমাদেরই:

‘…দশটি বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি এই সোনার বাংলাদেশের জন্য। আজ দেশ তার পারিশ্রমিক হিসাবে দিয়েছে মৃত্যুদন্ড। একদিন এই দেশের মাটি কথা বলবে। ইতিহাস পুনরাবৃত্তি হয়।’
-ব্রিগেডিয়ার মহসীন উদ্দিন আহমেদ, বীর

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বেলাশেষের খেলায়

নাটকের দ্বিতীয় অঙ্ক।

আমাদের যাত্রার দ্বিতীয় দিন।রাতটা ভাল কাটেনি,সন্ধ্যায় খাওয়া দাওয়ার আয়োজনওটা বেশ একটু ঝামেলার।হোটেলে পৌঁছানোর পর দেখি চারপাশটা ঝিমিয়ে পড়া,ঘুমপরীর মন্ত্রের আওতায় সারা পৃথ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গ্রন্থালোচনাঃ Mru - Hill People on the Border of Bangladesh

ম্রু [অন্যান্য নাম সমূহ ম্রো, মুরং, মারুচা ইত্যাদি। তবে 'ম্রুং' নয়, ম্রুং, ম্রুন, ব্রোং, রিয়াং এসব নাম আরেকটি ভিন্ন সম্প্রদায়ের] আদিবাসী বাচ্চাদের শিক্ষার জন্য করা পাওমাঙ প্রজেক্টের কথা শিল্পী অর্ণবের কল্যাণে অনেকেই শুনেছেন হয়তো। বান্দরবানের চম্পাঝিরি পাহাড়ে সেই স্কুল।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যার বিয়ে তার খবর নাই পাড়াপড়শির ঘুম নাই...

যেভাবে জরিপ শুরু হইছে মনে হচ্ছে সমস্যাটা ভারত পাকিস্তানের নয় সমস্যাটা বাংলাদেশের !

বাংলাদেশের কিছু মানুষ এই বিষয় নিয়ে যত আলোচনা করছে ক্ষোদ ভারত পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ ও

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07