Skip to content

06DHAKA3147 ঢাকার বাতাসে বিভিন্ন রকম গুজব

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রেফারেন্স আইডি : 06DHAKA3147
তারিখ : ৩১/০৫/২০০৬
বিষয় : ঢাকার বাতাসে বিভিন্ন রকম গুজব ।
শ্রেনী : গোপনীয়।
শ্রেনীকরণ : রাজনৈতিক/অর্থনৈতিক কাউন্সিলর ডি. সি. ম্যাকালাফ।


সারাংশ : গত সপ্তাহের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী নিয়ে ঘটে যাওয়া দাঙ্গা আর রাষ্ট্রপতি আহমেদ এর আকস্মিক অসুস্থতা, এই দুটো ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্বাচন প্রক্রিয়া ঢেলে সাজানোর ষড়যন্ত্রের নানা গুজব দেশব্যাপী আবারো পুর্নজীবিত হল। এগুলোর মধ্যে যেটা সবচেয়ে কম সুদূরপরাহত তা হল, দলকে নির্বাচনের ভরাডুবির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রধান মন্ত্রী বেগম জিয়া নিজেকে রাষ্ট্রপতির পদে আসীন করবেন। রাজনীতির চলমান ধারা নিয়ে যে হতাশা এবং দেশে রাজনীতির যে তীব্র মেরুকরণ, এসব গুজবে তারই প্রতিফলন ঘটেছে। যখন বাংলাদেশীরা মূলত অসামরিক “তৃতীয় শক্তি” কর্তৃক “দুই মহিলা” থেকে দেশকে রক্ষার সিনারিও সম্পর্কে আমাদের মনোভাব আঁচ করার চেষ্টা করে, তখন পরিষ্কার এবং খোলাখুলি ভাবে অগণতান্ত্রিক বা সংবিধান বর্হিভুত যেকোন সমাধান কে প্রত্যাখান করে যাওয়াটাই আমাদের জন্যে অপরিহার্য। (সারাংশ শেষ)

গনতন্ত্রের নায়ক: "এটা ছিল আমার একটা মারাত্মক ভুল"


বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে হাতেগোণা যে কয়জন প্রকৃত নায়ক রয়েছেন, লেফট্যানেন্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) নুরউদ্দীন খান তাঁদের একজন। তিনি ১৯৯০ এ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধান ছিলেন। সেনাপ্রধান হিসাবে তখন অবরুদ্ধ এরশাদকে জনরোষের হাত হতে রক্ষা করতে তিনি অস্বীকার করায় স্বৈরশাসক এরশাদ ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে মুক্ত নির্বাচন দিতে বাধ্য হন। এহেন সাহসী ভুমিকার পরেও এখন যখন তিনি বলেন যে এটি তাঁর একটি ‘মারাত্মক ভুল’ ছিলো, তা চিন্তার উদ্রেক করে। সাম্প্রতিক এক আলাপচারিতায় তিনি আমাদেরকে বলেন এই “দুই মহিলা” দেশের গণতন্ত্রের কী হাল করবেন তা জানলে তিনি নিজেই এক বছর ক্ষমতায় থেকে একটি সাংবিধানিক পরিষদ গঠন করে “সত্যিকারের গণতন্ত্র” চালু করার পরিকল্পনা করতেন যাতে বিএনপি’র খালেদা জিয়া ও আওয়ামী লীগের শেখ হাসিনা ক্ষমতা ও অর্থের লিপ্সায় গণতান্ত্রিক ধ্যান-ধারণা ও প্রতিষ্ঠানসমুহের এহেন ক্ষতি সাধন করতে না পারেন। তিনি স্বর নীচু করে বলেন, আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায় সেরকম ইঙ্গিত দিলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি দীর্ঘ মেয়াদী টেকনোক্র্যাটিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার মেনে নিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ বাধ্য হত। তার সেই সাহসী ভুমিকার ১৬ বৎসর পরে দেশের গণতন্ত্রের এই শোকাবহ হাল দেখে দেশের একজন সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে তিনি কোন উপসম্পাদকীয় রচনা লিখবেন কি না প্রশ্ন করায় তিনি মাথা নেড়ে বলেন, ”সেটা আমার জন্যে খুব বিপজ্জনক হবে।“ সুশীল সমাজের অনেক নেতাই এই “দুই মহিলা” যে গণতন্ত্রের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন, সে ব্যাপারে একমত পোষণ করেন।


বিবাদমান তত্ব

বাংলাদেশে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নতুন কিছু না।
[অপ্রয়োজনীয় বিবেচনা করে বেশ কিছু অংশ বাদ দিয়ে কেবলমাত্র গুরুত্বপুর্ন অংশ অনুবাদ করা হয়েছে]

বেশিরভাগ ষড়যন্ত্র তত্ত্বই জানুয়ারী ২০০৭ এর আসন্ন নির্বাচন এর সাথে সর্ম্পকিত। আওয়ামী লীগ নেতারা এখন তিনটি সম্ভাব্য পরিস্থিতির কথা ভাবছেনঃ


ক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করুক বা না করুক ব্যাপক কারচুপির মাধ্যমে বি এন পি নির্বাচনে জয়লাভ করবে।

খ) সাম্প্রতিক এক বেসরকারী জরিপে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয়ের ইঙ্গিত পেয়ে বিএনপি কয়েক মাস বা আরো বেশী সময়ের জন্য নির্বাচন পিছানোর অজুহাত বের করবে যাতে এর মধ্যে দ্রব্যমূল্য বা শক্তি সংকটের মত রাজনৈতিক সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠা যায়। হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা সাবের হোসেন চৌধুরী আমাদের কাছে তার ধারনার কথা বলতে গিয়ে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দেশে জেএমবির সন্ত্রাসী কার্যকলাপ আবার সহজেই পুনরুত্থিত হতে পারে যা দেশকে আতংকে নিমজ্জিত করে নির্বাচন পেছানোকে অথবা সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তন সাধনকে যৌক্তিকতা দেবে।

গ) রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দীনকে পদত্যাগে বাধ্য করে খালেদা জিয়াকে তার স্থলাভিষিক্ত হবে যাতে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সুনিশ্চিত বিজয়কে ব্যাপক কারচুপির মাধ্যমে প্রতিহত করা বা এই পরিবর্তনের মাধ্যমে সংসদীয় সরকার পদ্ধতিকে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারে পরিবর্তিত করা যায়। অনেকদিন ধরে এরকম গুঞ্জন আছে যে নির্বাচনের পর পরই বেগম জিয়া নিজে রাষ্ট্রপতির পদে আসীন হয়ে তার ছেলের প্রধান মন্ত্রী হবার পথটিকে সুগম করবেন। গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী নিয়ে ঘটে যাওয়া দাঙ্গার পর শেখ হাসিনা প্রকাশ্যেই বলছেন যে, অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি আহমদের সিঙ্গাপুর গমন আসলে একটি ষড়যন্ত্রেরই অংশ বিশেষ, যাতে করে তার অনুপস্থিতিকে কারণ হিসাবে দেখিয়ে বেগম জিয়া নিজে রাষ্ট্রপতি হয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সর্বাধিনায়কের কর্তৃত্ব কাজে লাগিয়ে বিএনপি’র পূনঃনির্বাচন নিশ্চিত করতে পারেন। আওয়ামী লীগ আরও বলে যে বাহ্যত তুচ্ছ একটি কারণ দেখিয়ে ২০০২ সালে বিএনপি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে যেভাবে পদত্যাগে বাধ্য করেছিল, ঠিক সেভাবে রাষ্ট্রপতি আহমেদের স্বাস্থ্যগত অবস্থাকে একটি লোক দেখানো কারণ হিসাবে দেখিয়ে তাকেও পদত্যাগে বাধ্য করতে পারে। এছাড়া গত সপ্তাহে প্রধান মন্ত্রীর সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা সা কা চৌধুরী একটি টি ভি চ্যানেলের সাথে বিস্তারিত সাক্ষাৎকারে সংসদীয় সরকারের বিপক্ষে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের ব্যাপক গুণকীর্তন করেন।(দ্রষ্টব্যঃ চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার সমর্থক। এ ব্যাপারে যুক্তি দেখিয়ে তিনি বলেন যে, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বিকাশের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার অপ্রয়োজনীয়। প্রমাণ হিসাবে ২০০৫ সালের চট্টগ্রামের মেয়র নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ব্যাপক জয়ের প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকর্ষন করে তিনি বলেন যে নির্বাচিত সরকারের অধীনেও বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।)

আওয়ামী লীগ ও ভারত সংক্রান্ত হিসাব-নিকাস ছাড়াও বিএনপি’র নিজস্ব বেশ কিছু ষড়যন্ত্র তত্ত্ব আছে। ১৯শে মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বাবর PolFSNকে বলেন যে সুশীল সমাজের ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ঋনের জনক মুহাম্মদ ইউনুস এবং একটি স্থানীয় এনজিও কর্তৃক আগামী নির্বাচনে “সৎ প্রার্থীদের” পক্ষে প্রচারণার কারণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরয় সবুজ সংকেত পেয়ে বিএনপি সরকার পদত্যাগে বাধ্য হতে পারে। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায় সম্ভবত সরকারের দূর্নীতি এবং দুর্বল শাসন ব্যবস্থায় হতাশ হয়ে ভুলবশত এই সিদ্ধান্তে আসতে পারে যে এদেশে তাদের স্বার্থ রক্ষায় বিএনপি ভিন্ন অন্য দলই বেশী যোগ্যতর হবে কিন্তু বাবরের দাবী বিএনপি, বিশেষ করে যদি হারিস চৌধুরীর মত কিছু চরম অনাকাঙ্খিত ব্যক্তিকে দল থেকে বাদ দেওয়া যায় তাহলে ইসলামী চরমপন্থীদের মোকাবেলায় বিএনপি আওয়ামী লীগের চাইতে বেশি কার্যকর হবে এবং এ ব্যাপারে তাদের বেশি উদ্বুদ্ধ করা যাবে।

আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায় বিশেষ করে মার্কিন সরকারকে জড়িয়েও অনেক গুজব আছে। “তৃতীয় শক্তির” ধারণার প্রবক্তারা প্রায়শই বলছেন যে তাদের সাফল্যের জন্যে মার্কিন সরকারের সমর্থন অতীব গুরুত্বপুর্ণ। কিছু আওয়ামী লীগ নেতা এবং সম্ভবত শেখ হাসিনা নিজেও সন্দেহ পোষণ করেন যে জেএমবির বিরুদ্ধে সফল অভিযানের জন্যে হয়ত মার্কিন সরকার বিএনপিকেই সমর্থন দিচ্ছে আবার কিছু বিএনপি নেতা এবং বিশেষ করে জামায়তে ইসলামী’র সদস্যরা ভাবেন ভারতীয় প্রভাব এবং “মুসলিম বিরোধী” এজেন্ডা শেয়ার করার জন্যে মার্কিন সরকার হয়তো আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিচ্ছে। এসব গুজব ছড়ানোর পিছনের কিছু উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে, মার্কিন সরকারকে প্রভাবিত করে এমন কিছু করিয়ে নেয়া যাতে তাদের স্বার্থরক্ষায় একটা ভারসাম্য রক্ষা হয় কিন্তু এর থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল মার্কিন সরকার যে ইচ্ছা করলেই নির্বাচনে একটা নির্ধারক প্রভাব বিস্তার করতে পারে এমন ধারণা ব্যাপক।

মন্তব্য : [কিছু অংশ অনুবাদে বাদ দেওয়া হয়েছে।]

নির্বাচনের উপর মার্কিন সরকারের প্রভাবকে একটি দুই ধার বিশিষ্ট কুটনৈতিক তলোয়ার মনে করা যেতে পারে। দুই বছর আগেকার পরিস্থিতির সাথে তুলনামূলক বিশ্লেষণে এটি বলা যায় যে, এখন বাংলাদেশে “মুশাররফ” সমাধানের আলোচনা আপেক্ষিকভাবে কম কিন্তু অগণতান্ত্রিক বা সংবিধান-বর্হিভূত (যেমনঃ তৃতীয় শক্তি) যে কোন সমাধানকে সরাসরি প্রত্যাখান করে যাওয়াটাই আমাদের জন্যে অপরিহার্য।

প্রশিকা নামক বৃহৎ এনজিওকে তার কথিত আওয়ামী লীগপন্থী কার্যকলাপে জন্য বিভিন্ন ফ্রন্টে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক হয়রানির শিকার হয়েছে। এনজিওটির কর্নধার কাজী ফারুক মনে করেন যে, আওয়ামী লীগ বিএনপি র তুলনায় সামান্যই কম দেউলিয়া কিন্তু জামায়তে ইসলামীর ঘোর বিরোধী। তিনি স্বীকার করেন যে, কিছু কিছু ষড়যন্ত্রতত্ত্ব যেমন নির্বাচন পেছানো শুনতে অবাস্তব বা কল্পনাপ্রসূত মনে হয় “তবে শেখ মুজিবকে হত্যা করা হবে বা এরশাদ ক্ষমতা দখল করবে এ ধরনের গুজবকেও আমরা কিন্তু এরকম ভিত্তিহীনই ভেবেছিলাম”। কানসাট, ডেমরার উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পর সাম্প্রতিক গার্মেন্ট ফ্যাক্টরী নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনা নিয়ে বিএনপি শঙ্কিত হলেও, বিএনপি’র এই শোচনীয় অবস্থাকে আওয়ামী লীগ তার রাজনৈতিক মুলধন হিসেবে ব্যবহার শুরু করতে না করা পর্যন্ত ঝুঁকি-বিমুখ বিএনপি নির্বাচন পেছানোর মত বেপরোয়া সিদ্ধান্ত নিবে না বলেই আমরা মনে করি। তুলনামূলক ভাবে খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রপতি পদের দিকে অগ্রসর হবার সম্ভাবনার পক্ষে কিছু যুক্তি দেখা যাচ্ছে, বিশেষত তিনি যদি বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন বিরোধী ঐতিহ্য স্মরণে রাখেন আর সাম্প্রতিক ঘটনাবলী যদি তারঁ আত্মবিশ্বাসের ভিত নাড়িয়ে দিয়ে থাকে; তত্ব অনুযায়ী সে ক্ষেত্রে, শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকলে অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রাহমান বা আইন মন্ত্রী মওদুদ আহমেদ প্রধান মন্ত্রী হয়ে যেতে পারেন এবং তারেক রাহমান একটি শক্তিশালী সহায়ক ভুমিকায় থাকবেন, হয়তো উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসাবে।

অনুবাদঃ উদাসী পথিক।
সম্পাদনাঃ কাঠ মোল্লা।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই, তুলনামূলক নতুন গুলি আগে দিলে ভালো লাগতো। smile :) :-)

----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দীর্ঘনিশ্বাসের ইমো।

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনুবাদে বাদ দেওয়া অংশগুলো মন্তব্যে তুলে দিলে ভালো হতো।

...................................................................................

অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনুবাদক ও সম্পাদকের নাম বাদ পড়েছিল। সেগুলো সংযুক্ত করা হল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

smile :) :-)

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।

glqxz9283 sfy39587p07