বাংলায় নাম
(সিসিফাস)
পরিচিতি
সদর দরজা
সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে ভারতীয় পণ্যবর্জন: পর্ব ১— প্রয়োজনীয় সতর্কতা
লিখেছেনঃ (সিসিফাস) (তারিখঃ শনিবার, ০৪/০২/২০১২ - ২১:২৭)
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতের তাচ্ছিল্যপূর্ণ এবং আগ্রাসী আচরণের প্রতিবাদে ব্লগার ও ফেবু ব্যাবহারকারীরা জেগে উঠেছে। তাদের জেগে উঠার সাথে সহমত জ্ঞাপন করেই এই পোস্টটির অবতারনা। সীমান্ত হত্যা ও অত্যাচার নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের পূঞ্জীভূত ক্ষোভের বিস্ফোরণটি ঘটিয়েছে সাম্প্রতিক বের হওয়া বিএসএফ-কর্তৃক এক গরু-ব্যাবসায়ী অত্যাচারিত হবার ভিডিও চিত্রটি। হঠাত আমাদের জেগে উঠার মানে এমনও নয় যে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বি,এস,এফ এর আগে এইমাত্রার অত্যাচার করেনি বা হঠাত করেই এই সীমান্ত এতটা প্রাণনাশী হয়ে উঠেছে। বরংচ, সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর এই আগ্রাসী আচরণের চর্চাটি অনেক পুরোনো এবং প্রাণহানিকর। বিগত ১০-১২ বছরের পরিসংখ্যান অন্তত তাই বলে—

যদিও মানবাধিকার সংস্থা “অধিকার” [১] থেকে সংগৃহীত এই তথ্যের সাথে ভারতীয় বি,এস,এফ-এর তথ্যের অসামঞ্জস্যতা আছে [২], তবে এই মুহুর্তে সেটা বিবেচ্য নয়। প্রতিনিয়ত যেখানে লাশ পরে, কারণে-অকারণে মানুষ অমানবিক অত্যাচারের শিকার হয়, সেখানে ৫ জন নাকি ১৫ জন এই আলোচনা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়। সত্য হচ্ছে— সেখানে এক জন হলেও লাশ পড়ছে ভারতীয় বি,এস,এফ-এর হাতে, নির্বিচারে অত্যাচার করা হচ্ছে বাংলাদেশীদের উপর। আইনের চোখে অপরাধী তারা, কিন্তু অপরাধীকে ন্যাংটা করে প্রহার কোন আইনের আওতাতেই পড়েনা। আইন বহির্ভূত এসব বর্বরতার কথা ব্যাপকভাবে উঠে এসেছে গার্ডিয়ান ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর রিপোর্টেও [৩]।
[ নোটঃ স্বাধীনতার সাড়ে ৩ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের হঠাত “ইসলামী প্রজানতন্ত্র বাংলাদেশ” হিসেবে উত্থান, সপ্তাহব্যাপী মধুচন্দ্রিমা ও পুণরায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া, এবং ১৯৭৫ এর ক্যু পরবর্তী বাংলাদেশ সরকারগুলোর তীব্র ভারতবিরোধী ও চরম পাকিস্থানপন্থী চিন্তাধারার চাষাবাদ ও পৃষ্ঠপোষকতা, বাংলাদেশ-ভারতের বিদ্যমান সম্পর্কের বৈরীতা অংশে একজন বাংলাদেশী হিসেবে আমাকেও আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়। তবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বৈরীতা তৈরীর পিছে আমাদের দায়, অবদানটুকু বা আত্মসমালোচনার দিকগুলো এই পোস্টের আওতায় পড়েনা। যত বৈরী সম্পর্কই থাকুক শেয়াল-কুকুরের মতন সীমান্তে অনবরত নাগরিকদের প্রাণহানি ও বিচারহীন অত্যাচার মেনে নেওয়া যায়না। ]
সমকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতা:
সীমান্তে বি,এস,এফ-এর হাতে মৃত্যুর বিগত দশ বছরের পরিসংখ্যান তুলে ধরবার পাশাপাশি উপরোক্ত ছবিটি যুক্ত করবার আলাদা একটি উদ্দ্যেশ্য আছে। ব্যাপারটা খোলাশা করা যাক—
"বর্তমান রাজনীতিতে ৪-দলীয় বিরোধী শিবির কট্টর ভারত বিরোধী, তারা সীমান্ত হত্যা ও অত্যচারের বিরুদ্ধে বিশেষ পদক্ষেপ নেবার ক্ষমতা রাখে"— এমন উত্তপ্ত বক্তৃতাবাজি করে ভোক্তা পর্যায়ের এই পণ্যবর্জনের আন্দোলনে ক্ষমতার রাজনীতির ঘোড়া জুড়ে দেবার শঙ্কাটি উঁকি দিচ্ছে মনে। রাজনৈতিক লাভের বশবর্তী হয়ে অনেক সুযোগ সন্ধানীই চাইতে পারেন (বিশেষ করে ছাগুজনপদ, রাজাকারপ্রেমী ছুপাছাগুগণ এবং বর্তমানে তাদের উপর প্রকাশ্যে ছাতাধরে থাকা বিরোধী দল বি,এন,পি) বি,এস,এফ ও ভারতের প্রতি ক্ষুব্ধ বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠির ক্ষোভকে ফুঁসলিয়ে রাজপথে নামিয়ে আনতে। অথচ এসব ছাগুদের উদ্দ্যেশ্য একটাই— রাজপথকে অস্থির করে চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দিয়ে ছাগুদের তাত্ত্বিক আব্বা গোলাম আজম ও অন্যান্য রাজাকার-আলবদরদের জেল থেকে বের করে আনা। আর সেই প্রচেষ্টায় ক্রমাগত ঘি ঢেলে যাচ্ছেন ম্যাডাম জিয়া ও তার নেতা-নেত্রীরা।
ছাগুদের বর্তমান আন্দোলন স্টাইল দেখলে এই শঙ্কা আসলেই অমূলক নয়। এসব বিবেচনায় রেখেই আমাদের রাজনীতিতে ভারতবিরোধী ধারার এই অংশের অতীত কিছু রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মাঝে “উত্তপ্ত ভারতবিরোধীতার” উপস্থিতি নিয়ে সামান্য আলোচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করছি। এতে করে অন্তত এদের ভন্ডামী কিছুটা বোঝা যাবে—
৯০ পরবর্তী বাংলাদেশের বিরোধী দলগুলোর ভারত বিরোধীতা অনেকটা নারকেলের মতন মনে হয় আমার— বাইরে থেকে টোকা দিয়ে প্রচন্ড শক্ত মনে হলেও আসলে ভেতরে ভেতরে যথেষ্ঠ নরম ও শাঁস যুক্ত। উদাহরণ হিসেবে দেখা যেতে পারে “ফেনী পর্যন্ত ভারত হয়ে যাবে” এমন তীব্র ভারত বিরোধী উক্তিকারী রাজনৈতিক জোটের ২০০১ এর নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তী সময়ের কিছু ভারত “বিরোধীতা চর্চার” নমুনা—
১। আমেরিকার ইউনোকল কোম্পানির প্রস্তাবিত ভারতে গ্যাস রফতানী (সিলেট বিবিয়ানা থেকে দিল্লি পর্যন্ত পাইলপাইনে) ইস্যুতে টেক্সাস অস্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এনার্জি ইকোনোমিক্সের প্রতিবেদনে ২০০১ সালে তদানীন্তন চার-দলীয় জোট সরকার সম্মন্ধে মূল্যায়ন [৪]—
(There was some indication ) ইন্ডিকেশান বা আভাস ২০০১ এর নির্বাচনের পরের না আগের (?) সেই তর্কে না গিয়েই এখান থেকে তদানীন্তন সরকারের শুরুর দিককার সময় ভারতের সাথে আপাত “বিরোধহীন” মনোভাবের চরিত্র ফুটে উঠে। এহেন বিরোধহীনতার সম্পর্কই যদি হবে, তবে রাজপথে বা পল্টন ময়দানে অথবা বায়তুল মোকাররম উত্তর-গেটে দাঁড়িয়ে ভারত নিয়ে হেন-করেঙ্গা, তেন-করেঙ্গা টাইপ বক্তৃতাবাজি করে জনগণকে উত্তেজিত করাটা কি আসলেই ভন্ডামীর পর্যায়ে পড়েনা? যাহোক, গ্যাস রফতানীর ইস্যুতে নির্বাচনের পূর্বের অবস্থান বজায় রেখে যথারীতি তদানীন্তন বিরোধী দল শেখ হাসিনার (এই মুহুর্তে সরকারে থেকে আবার শেখ হাসিনা ভারতের বিরুদ্ধে তেমন উচ্চবাচ্য করছেননা) নেতৃত্বে ভারতে গ্যাস রফতানী সংক্রান্ত যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের তীব্র বিরোধীতা করেন—
বিরোধী রাজনৈতিক দলের চাপে সেসময়কার খালেদা সরকার পিছু হটে এবং ভারতের সাথে দীর্ঘদিনের বিদ্যমান অন্যান্য ইস্যুকে বর্ম বানিয়ে গ্যাস রপ্তানীর চিন্তা থেকে সে যাত্রায় সরে আসে। ৯০ পরবর্তী সময়কালে রাজপথে ও মিডিয়ায় বেগম জিয়ার ভারত বিরোধী রাজনীতির সাথে “more favorably disposed” শব্দগুলো আসলেই অত্যান্ত বেমানান।
২। জামাত ও অন্যান্য ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর মোর্চা আপাদ-মস্তক ভারত বিরোধীতায় মোড়া মনে হলেও, ২০০১ সালে সরকার গঠনের পর ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষীয় স্পর্শকাতর ইস্যুতে তাদের অবস্থান সম্পূর্ণ ভিন্ন। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার স্বাক্ষরকৃত (১৯৭২, ১৯৮০ সালের একটি চুক্তির সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে, চুক্তিটি পুণরায় সংশোধিত আকারে স্বাক্ষরিত হয় চারদলীয় জোট সরকারের আমলে। ২০০৬ সালের মার্চ মাসে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার ভারত সফরে গেলে তখন চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়। চুক্তিটি [৫]--

একই খবর প্রেস ইনফরমেশান ব্যুরো, আসামে (ভারত সরকারের অংশ) থেকে প্রকাশিত আর্টিক্যালে [৬]—
অন্তত এটুকু নিশ্চিত যে “পুরো দেশ ভারত হয়ে যাবে” এমন বক্তৃতা করা নেতা-নেত্রী ও তাদের সমমনারা বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান, আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট ও উতপাদনগত বাস্তবতার ভিত্তিতে নীতিগতভাবে এমন অনেক ইস্যুতেই ভারতের সাথে সখ্যতা বজায় রাখেন (বা নিদেন পক্ষে রাখবার অভিনয়টুকুও করেন) যা তাদের রাজপথের “চরম ভারত বিরোধী” রাজনীতির সাথে সুস্পষ্টভাবেই সাংঘর্ষিক।
এবার ফিরে আসি বি,এস,এফ-এর গুলিতে নিহত বাংলাদেশীদের তালিকায়। তালিকা বলছে বি,এস,এফ ২০০০-২০০১ সময়ে ১১৪ জন বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে। ২০০০ এর আগেও হত্যা চলেছে সীমান্তে, প্রচুর ভারত বিরোধী রাজনীতিও হয়েছে সে সমময়। “অর্ধেক দেশ ভারত হয়ে যাবে”, “করদ রাজ্য হবে”— এমন উত্তপ্ত বক্তৃতাবাজির পাশাপাশি সাথে ছিল “মালাউন-ভারত” বিরোধী বাংলাদেশের জিহাদী দলগুলোও। এরাই যখন ক্ষমতায় এলো ২০০১ এ, সব ভারত বিরোধীতা ছাপিয়ে “অন্য বাস্তবতা” জায়গা করে নিল! তাদের রাজপথ কাঁপানো তীব্র “ভারত বিরোধীতা” দিয়ে তারা ২০০১-২০০৬ এর শাসনামলে একটি বছরের জন্যেও বি,এস,এফ-এর নৃশংসতার বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নিতে পারেনি। বরংচ, সব ছাপিয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিকে পূণর্নবায়ন করে ভারত-বাংলাদেশের নিজ নিজ যোগাযোগ ব্যাবস্থা একে-অন্যকে ব্যাবহারের সুবিধা দেবার নীতিগত সিদ্ধান্তটি তারা নিয়েছিল এসময়ই! তাই, সীমান্ত হত্যা নিয়ে সাধারণের মাঝে বিরাজমান ক্ষোভকে পুঁজি করতে রাজপথের “উত্তপ্ত ভারত-বিরোধী বক্তৃতাবাজিতে” আপাতত বিভ্রান্ত হবার কোন সুযোগ নেই।
শেষ কথাঃ
বি,এস,এফ-এর চরম আগ্রাসী আচরণের প্রেক্ষিতে ভারতীয় পণ্য বর্জন ইস্যুতে আমাদের জাগরণকে রাজাকার-আলবদররা যাতে সুযোগ সন্ধানীর মতন তাদের রক্ষাকবচ হিসেবে ব্যাবহার না করতে পারে, আপাতত সেই সতর্কতাটুকু সবাইকে ধারণ করবার অনুরোধ রাখতেই এই পোস্টের মূল উদ্দ্যেশ্য।
[বাংলাদেশ-ভারতের জটিল সম্পর্কে যে কোন সরকারের পক্ষেই শক্ত হওয়া দূরহ এবং পরবর্তী পোস্টে এ সংক্রান্ত বক্তব্য তুলে ধরবার আশা রাখি]
যেহেতু পণ্য বর্জন ব্যাক্তি নিয়ন্ত্রণাধীন চর্চা, নিজেকে সচেতন করে খুব সহজেই আমরা এই কাজটি শুরু করতে পারি। সেক্ষেত্রে আবেগের বশবর্তী হয়ে কোন পথ সমাবেশ, মুক্তাঙ্গনে মিলন বা শাহবাগে মানববন্ধন করার মতন রিস্কি পদক্ষেপ, যা থেকে ছাগুগণেরা এই মুহূর্তে খুব সহজেই লাভবান হতে পারে, তা এড়িয়ে চলাই হয়তো জনসচেতনতা মূলক এই উদ্যোগকে অর্থবহ ভাবে এগিয়ে নিতে পারে। অন্তত, বর্তমান সরকারকে অস্থিতিশীল করে আগামী দু’বছরের আগেই সরকার পরিবর্তন করতে আমাদের ক্ষোভ ও পণ্যবর্জনের সচেতনতাকে যেন কেউ পুঁজি হিসেবে ব্যাবহার করতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করাটাও আমাদের দায়িত্বের মধ্যেই পরে। কারণ, গোলাম আজম ও রাজাকারেরা এখনও দিন গুণছে অস্থিতিশীল সেরকম একটি মুহূর্তের জন্যই...
চলবে...
সূত্রঃ
১। http://in.reuters.com/article/2008/08/24/idINIndia-35156020080824
২। http://www.hrw.org/en/node/94641/section/6
৩। http://www.guardian.co.uk/commentisfree/libertycentral/2011/jan/23/india-bangladesh-border-shoot-to-kill-policy
৪। http://www.beg.utexas.edu/energyecon/newera/case_studies/Gas_Monetization_in_Bangladesh.pdf
৫। http://commerce.nic.in/trade/India_Bangladesh_Trade_Agreement.pdf
৬। http://pibguwahati.nic.in/nemirror-apr2006.pdf
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতের তাচ্ছিল্যপূর্ণ এবং আগ্রাসী আচরণের প্রতিবাদে ব্লগার ও ফেবু ব্যাবহারকারীরা জেগে উঠেছে। তাদের জেগে উঠার সাথে সহমত জ্ঞাপন করেই এই পোস্টটির অবতারনা। সীমান্ত হত্যা ও অত্যাচার নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের পূঞ্জীভূত ক্ষোভের বিস্ফোরণটি ঘটিয়েছে সাম্প্রতিক বের হওয়া বিএসএফ-কর্তৃক এক গরু-ব্যাবসায়ী অত্যাচারিত হবার ভিডিও চিত্রটি। হঠাত আমাদের জেগে উঠার মানে এমনও নয় যে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বি,এস,এফ এর আগে এইমাত্রার অত্যাচার করেনি বা হঠাত করেই এই সীমান্ত এতটা প্রাণনাশী হয়ে উঠেছে। বরংচ, সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর এই আগ্রাসী আচরণের চর্চাটি অনেক পুরোনো এবং প্রাণহানিকর। বিগত ১০-১২ বছরের পরিসংখ্যান অন্তত তাই বলে—

যদিও মানবাধিকার সংস্থা “অধিকার” [১] থেকে সংগৃহীত এই তথ্যের সাথে ভারতীয় বি,এস,এফ-এর তথ্যের অসামঞ্জস্যতা আছে [২], তবে এই মুহুর্তে সেটা বিবেচ্য নয়। প্রতিনিয়ত যেখানে লাশ পরে, কারণে-অকারণে মানুষ অমানবিক অত্যাচারের শিকার হয়, সেখানে ৫ জন নাকি ১৫ জন এই আলোচনা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়। সত্য হচ্ছে— সেখানে এক জন হলেও লাশ পড়ছে ভারতীয় বি,এস,এফ-এর হাতে, নির্বিচারে অত্যাচার করা হচ্ছে বাংলাদেশীদের উপর। আইনের চোখে অপরাধী তারা, কিন্তু অপরাধীকে ন্যাংটা করে প্রহার কোন আইনের আওতাতেই পড়েনা। আইন বহির্ভূত এসব বর্বরতার কথা ব্যাপকভাবে উঠে এসেছে গার্ডিয়ান ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর রিপোর্টেও [৩]।
[ নোটঃ স্বাধীনতার সাড়ে ৩ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের হঠাত “ইসলামী প্রজানতন্ত্র বাংলাদেশ” হিসেবে উত্থান, সপ্তাহব্যাপী মধুচন্দ্রিমা ও পুণরায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া, এবং ১৯৭৫ এর ক্যু পরবর্তী বাংলাদেশ সরকারগুলোর তীব্র ভারতবিরোধী ও চরম পাকিস্থানপন্থী চিন্তাধারার চাষাবাদ ও পৃষ্ঠপোষকতা, বাংলাদেশ-ভারতের বিদ্যমান সম্পর্কের বৈরীতা অংশে একজন বাংলাদেশী হিসেবে আমাকেও আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়। তবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বৈরীতা তৈরীর পিছে আমাদের দায়, অবদানটুকু বা আত্মসমালোচনার দিকগুলো এই পোস্টের আওতায় পড়েনা। যত বৈরী সম্পর্কই থাকুক শেয়াল-কুকুরের মতন সীমান্তে অনবরত নাগরিকদের প্রাণহানি ও বিচারহীন অত্যাচার মেনে নেওয়া যায়না। ]
সমকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতা:
সীমান্তে বি,এস,এফ-এর হাতে মৃত্যুর বিগত দশ বছরের পরিসংখ্যান তুলে ধরবার পাশাপাশি উপরোক্ত ছবিটি যুক্ত করবার আলাদা একটি উদ্দ্যেশ্য আছে। ব্যাপারটা খোলাশা করা যাক—
"বর্তমান রাজনীতিতে ৪-দলীয় বিরোধী শিবির কট্টর ভারত বিরোধী, তারা সীমান্ত হত্যা ও অত্যচারের বিরুদ্ধে বিশেষ পদক্ষেপ নেবার ক্ষমতা রাখে"— এমন উত্তপ্ত বক্তৃতাবাজি করে ভোক্তা পর্যায়ের এই পণ্যবর্জনের আন্দোলনে ক্ষমতার রাজনীতির ঘোড়া জুড়ে দেবার শঙ্কাটি উঁকি দিচ্ছে মনে। রাজনৈতিক লাভের বশবর্তী হয়ে অনেক সুযোগ সন্ধানীই চাইতে পারেন (বিশেষ করে ছাগুজনপদ, রাজাকারপ্রেমী ছুপাছাগুগণ এবং বর্তমানে তাদের উপর প্রকাশ্যে ছাতাধরে থাকা বিরোধী দল বি,এন,পি) বি,এস,এফ ও ভারতের প্রতি ক্ষুব্ধ বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠির ক্ষোভকে ফুঁসলিয়ে রাজপথে নামিয়ে আনতে। অথচ এসব ছাগুদের উদ্দ্যেশ্য একটাই— রাজপথকে অস্থির করে চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দিয়ে ছাগুদের তাত্ত্বিক আব্বা গোলাম আজম ও অন্যান্য রাজাকার-আলবদরদের জেল থেকে বের করে আনা। আর সেই প্রচেষ্টায় ক্রমাগত ঘি ঢেলে যাচ্ছেন ম্যাডাম জিয়া ও তার নেতা-নেত্রীরা।
ছাগুদের বর্তমান আন্দোলন স্টাইল দেখলে এই শঙ্কা আসলেই অমূলক নয়। এসব বিবেচনায় রেখেই আমাদের রাজনীতিতে ভারতবিরোধী ধারার এই অংশের অতীত কিছু রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মাঝে “উত্তপ্ত ভারতবিরোধীতার” উপস্থিতি নিয়ে সামান্য আলোচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করছি। এতে করে অন্তত এদের ভন্ডামী কিছুটা বোঝা যাবে—
৯০ পরবর্তী বাংলাদেশের বিরোধী দলগুলোর ভারত বিরোধীতা অনেকটা নারকেলের মতন মনে হয় আমার— বাইরে থেকে টোকা দিয়ে প্রচন্ড শক্ত মনে হলেও আসলে ভেতরে ভেতরে যথেষ্ঠ নরম ও শাঁস যুক্ত। উদাহরণ হিসেবে দেখা যেতে পারে “ফেনী পর্যন্ত ভারত হয়ে যাবে” এমন তীব্র ভারত বিরোধী উক্তিকারী রাজনৈতিক জোটের ২০০১ এর নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তী সময়ের কিছু ভারত “বিরোধীতা চর্চার” নমুনা—
১। আমেরিকার ইউনোকল কোম্পানির প্রস্তাবিত ভারতে গ্যাস রফতানী (সিলেট বিবিয়ানা থেকে দিল্লি পর্যন্ত পাইলপাইনে) ইস্যুতে টেক্সাস অস্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এনার্জি ইকোনোমিক্সের প্রতিবেদনে ২০০১ সালে তদানীন্তন চার-দলীয় জোট সরকার সম্মন্ধে মূল্যায়ন [৪]—
There was some indication that the new government of Prime Minister Khaleda Zia would be more favorably disposed to natural gas exports to India, and it created a panel in December 2001 to study the issue and recommend a decision.
(There was some indication ) ইন্ডিকেশান বা আভাস ২০০১ এর নির্বাচনের পরের না আগের (?) সেই তর্কে না গিয়েই এখান থেকে তদানীন্তন সরকারের শুরুর দিককার সময় ভারতের সাথে আপাত “বিরোধহীন” মনোভাবের চরিত্র ফুটে উঠে। এহেন বিরোধহীনতার সম্পর্কই যদি হবে, তবে রাজপথে বা পল্টন ময়দানে অথবা বায়তুল মোকাররম উত্তর-গেটে দাঁড়িয়ে ভারত নিয়ে হেন-করেঙ্গা, তেন-করেঙ্গা টাইপ বক্তৃতাবাজি করে জনগণকে উত্তেজিত করাটা কি আসলেই ভন্ডামীর পর্যায়ে পড়েনা? যাহোক, গ্যাস রফতানীর ইস্যুতে নির্বাচনের পূর্বের অবস্থান বজায় রেখে যথারীতি তদানীন্তন বিরোধী দল শেখ হাসিনার (এই মুহুর্তে সরকারে থেকে আবার শেখ হাসিনা ভারতের বিরুদ্ধে তেমন উচ্চবাচ্য করছেননা) নেতৃত্বে ভারতে গ্যাস রফতানী সংক্রান্ত যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের তীব্র বিরোধীতা করেন—
leading the anti-gas sale lobby is the awami league. party chief and former prime minister sheikh hasina wajed has already threatened to launch a movement. joining the brigade is the communist party of bangladesh led by manjul ahsan khan and saidullah choudhury.
বিরোধী রাজনৈতিক দলের চাপে সেসময়কার খালেদা সরকার পিছু হটে এবং ভারতের সাথে দীর্ঘদিনের বিদ্যমান অন্যান্য ইস্যুকে বর্ম বানিয়ে গ্যাস রপ্তানীর চিন্তা থেকে সে যাত্রায় সরে আসে। ৯০ পরবর্তী সময়কালে রাজপথে ও মিডিয়ায় বেগম জিয়ার ভারত বিরোধী রাজনীতির সাথে “more favorably disposed” শব্দগুলো আসলেই অত্যান্ত বেমানান।
২। জামাত ও অন্যান্য ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর মোর্চা আপাদ-মস্তক ভারত বিরোধীতায় মোড়া মনে হলেও, ২০০১ সালে সরকার গঠনের পর ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষীয় স্পর্শকাতর ইস্যুতে তাদের অবস্থান সম্পূর্ণ ভিন্ন। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার স্বাক্ষরকৃত (১৯৭২, ১৯৮০ সালের একটি চুক্তির সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে, চুক্তিটি পুণরায় সংশোধিত আকারে স্বাক্ষরিত হয় চারদলীয় জোট সরকারের আমলে। ২০০৬ সালের মার্চ মাসে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার ভারত সফরে গেলে তখন চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়। চুক্তিটি [৫]--

একই খবর প্রেস ইনফরমেশান ব্যুরো, আসামে (ভারত সরকারের অংশ) থেকে প্রকাশিত আর্টিক্যালে [৬]—
অন্তত এটুকু নিশ্চিত যে “পুরো দেশ ভারত হয়ে যাবে” এমন বক্তৃতা করা নেতা-নেত্রী ও তাদের সমমনারা বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান, আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট ও উতপাদনগত বাস্তবতার ভিত্তিতে নীতিগতভাবে এমন অনেক ইস্যুতেই ভারতের সাথে সখ্যতা বজায় রাখেন (বা নিদেন পক্ষে রাখবার অভিনয়টুকুও করেন) যা তাদের রাজপথের “চরম ভারত বিরোধী” রাজনীতির সাথে সুস্পষ্টভাবেই সাংঘর্ষিক।
এবার ফিরে আসি বি,এস,এফ-এর গুলিতে নিহত বাংলাদেশীদের তালিকায়। তালিকা বলছে বি,এস,এফ ২০০০-২০০১ সময়ে ১১৪ জন বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে। ২০০০ এর আগেও হত্যা চলেছে সীমান্তে, প্রচুর ভারত বিরোধী রাজনীতিও হয়েছে সে সমময়। “অর্ধেক দেশ ভারত হয়ে যাবে”, “করদ রাজ্য হবে”— এমন উত্তপ্ত বক্তৃতাবাজির পাশাপাশি সাথে ছিল “মালাউন-ভারত” বিরোধী বাংলাদেশের জিহাদী দলগুলোও। এরাই যখন ক্ষমতায় এলো ২০০১ এ, সব ভারত বিরোধীতা ছাপিয়ে “অন্য বাস্তবতা” জায়গা করে নিল! তাদের রাজপথ কাঁপানো তীব্র “ভারত বিরোধীতা” দিয়ে তারা ২০০১-২০০৬ এর শাসনামলে একটি বছরের জন্যেও বি,এস,এফ-এর নৃশংসতার বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নিতে পারেনি। বরংচ, সব ছাপিয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিকে পূণর্নবায়ন করে ভারত-বাংলাদেশের নিজ নিজ যোগাযোগ ব্যাবস্থা একে-অন্যকে ব্যাবহারের সুবিধা দেবার নীতিগত সিদ্ধান্তটি তারা নিয়েছিল এসময়ই! তাই, সীমান্ত হত্যা নিয়ে সাধারণের মাঝে বিরাজমান ক্ষোভকে পুঁজি করতে রাজপথের “উত্তপ্ত ভারত-বিরোধী বক্তৃতাবাজিতে” আপাতত বিভ্রান্ত হবার কোন সুযোগ নেই।
শেষ কথাঃ
বি,এস,এফ-এর চরম আগ্রাসী আচরণের প্রেক্ষিতে ভারতীয় পণ্য বর্জন ইস্যুতে আমাদের জাগরণকে রাজাকার-আলবদররা যাতে সুযোগ সন্ধানীর মতন তাদের রক্ষাকবচ হিসেবে ব্যাবহার না করতে পারে, আপাতত সেই সতর্কতাটুকু সবাইকে ধারণ করবার অনুরোধ রাখতেই এই পোস্টের মূল উদ্দ্যেশ্য।
[বাংলাদেশ-ভারতের জটিল সম্পর্কে যে কোন সরকারের পক্ষেই শক্ত হওয়া দূরহ এবং পরবর্তী পোস্টে এ সংক্রান্ত বক্তব্য তুলে ধরবার আশা রাখি]
যেহেতু পণ্য বর্জন ব্যাক্তি নিয়ন্ত্রণাধীন চর্চা, নিজেকে সচেতন করে খুব সহজেই আমরা এই কাজটি শুরু করতে পারি। সেক্ষেত্রে আবেগের বশবর্তী হয়ে কোন পথ সমাবেশ, মুক্তাঙ্গনে মিলন বা শাহবাগে মানববন্ধন করার মতন রিস্কি পদক্ষেপ, যা থেকে ছাগুগণেরা এই মুহূর্তে খুব সহজেই লাভবান হতে পারে, তা এড়িয়ে চলাই হয়তো জনসচেতনতা মূলক এই উদ্যোগকে অর্থবহ ভাবে এগিয়ে নিতে পারে। অন্তত, বর্তমান সরকারকে অস্থিতিশীল করে আগামী দু’বছরের আগেই সরকার পরিবর্তন করতে আমাদের ক্ষোভ ও পণ্যবর্জনের সচেতনতাকে যেন কেউ পুঁজি হিসেবে ব্যাবহার করতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করাটাও আমাদের দায়িত্বের মধ্যেই পরে। কারণ, গোলাম আজম ও রাজাকারেরা এখনও দিন গুণছে অস্থিতিশীল সেরকম একটি মুহূর্তের জন্যই...
চলবে...
সূত্রঃ
১। http://in.reuters.com/article/2008/08/24/idINIndia-35156020080824
২। http://www.hrw.org/en/node/94641/section/6
৩। http://www.guardian.co.uk/commentisfree/libertycentral/2011/jan/23/india-bangladesh-border-shoot-to-kill-policy
৪। http://www.beg.utexas.edu/energyecon/newera/case_studies/Gas_Monetization_in_Bangladesh.pdf
৫। http://commerce.nic.in/trade/India_Bangladesh_Trade_Agreement.pdf
৬। http://pibguwahati.nic.in/nemirror-apr2006.pdf
- ক্যাটেগরি:
- (সিসিফাস)-এর ব্লগ
- মন্তব্য প্রদানের জন্য লগইন অথবা রেজিস্টার করুন
- ১২৪৫ বার পঠিত
Twitter-এ প্রকাশ করুন


মন্তব্য
'ভারতীয় পণ্য বর্জন' শ্লোগানটি ভুল; সঠিক হবে 'দেশি পণ্য ব্যবহার করবো'।
যেহেতু, ভারতীয় খাদ্য ও গাড়ি ব্যতিত বাংলাদেশ চলছে না, এধরণের শ্লোগান শেষে হতাশার ও বিভাজনের সৃস্টি করবে।
সদূরপ্রসারী চিন্তা থেকে আমি আপনার সাথে একমত।
ভারত ও চীন থেকে আমাদের আমদানী ব্যায়ের মোট ১৫ ও ১৭ % করে খরচ হয়। দেশি পণ্যের ব্যাবহার বাড়ানোর আন্দোলনটাই শুরু হওয়া দরকার। যেহেতু প্রত্যেক আন্দোলনই কোন না কোন ভাবে শুরু হয়, তাই এক্ষেত্রে টাইটেলটা এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছেনা। আর বর্তমানের আন্দোলনের একটি সম্ভাব্য অপব্যাবহার সম্মন্ধে সচেতন করবার জন্যই এই পোস্টের অবতারণা।
সব সরকার যেখানে অনেকাংশে ব্যর্থ, ভারতকে একটা মেসেজ দেবার প্রয়োজন আছে জনগণের পক্ষ থেকেই। পাশাপাশি, সীমান্ত হত্যাকে কেন্দ্র করেই কিন্তু আন্দোলনটা শুরু হওয়ার অপেক্ষায় আছে, সেক্ষেত্রে এই মুহূর্তে শুধু ভারতীয় পণ্য বর্জন টাইটেল হিসেবে থাকলে ক্ষতির কিছু দেখিনা।
চলুক (সিসিফাস) ভাই।
সময়োপযোগী দারূন লেখা।
শেয়ার করলাম।
*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।
চলবে, অন্তত আরও এক পর্ব।
ধন্যবাদ উদাসী পথিক ভাই।
দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান চাই আর যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই।
_____________________
ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।
যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই, সাথে দৈনন্দিন সমস্যাগুলোরও সমাধান খোঁজা হোক।
আরেক লাইন যোগ কইরা দেই বর্ডার সমস্যা কিংবা ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক সব কিন্তু দৈনন্দিন সমস্যার মাঝে পড়ে।
_____________________
ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।
আসুন ভারতিয় পণ্য বাবহার করি, রাজাকারদের গালি পারি????????
'''''' Man is mortal.''''''''' so be all people careful.''''''''''''''''''''
কমেন্টের সাইজ দেইখা মনে হয় পোস্ট পইড়া খুব কষ্ট পাইছেন? ভারত বিরোধীতার কিছু উদাহরণ দিলাম, পছন্দ হয় নাই?
সহমত
___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।
জনাব ফারমারকে করা উপরের কমেন্ট আপনার জন্যও
আসলে আন্দোলনটা দীর্ঘ মেয়াদি হওয়া উচিত, স্বনির্ভরতা অর্জন করতে চাইলে পরিকল্পনা মাফিক এগিয়ে যেতে হবে।
ফারমার এবং দ্রোহ,
দেশী পন্য তো আমরা ব্যাবহার করিই, কিন্তু যা দেশে পাওয়া যায় না, সেসব জিনিষ ভারত এবং চীনে সস্তা বলে বাধ্য হয়েই না ব্যাবহার করি। এইসব আলগা কথা বলে লাভ নেই, আমার মতে প্রায় ক্ষেত্রেই এরকম মৃত্যুতে দুঃখ পাওয়ার কিছি নেই। বিএসএফ কিন্তু মানব পাচার কিংবা চোরাচালানের বিরোধী নয়, বরং তারা এটাই চায়। তাদের সাথে দেনা পাওনার হিসাব ঠিক রেখে মদ, গাঁজা, ফেন্সিডিল, মসলা, গরু, আর্মস, নারী, যাই পাচার করুন না কেন, বিএসএফ (এবং বিডিআর ও) এর কোন আপত্তি নেই। কিন্তু গোল বাঁধে তখনই, যখন চোরাকারবারীরা বিএসএফের বখরা ফাঁকি দেয়ার ফন্দি আঁটে। এইসব ফাঁকিবাজী বিএসএফ কঠোর হাতে দমন করতে চায়, দুচারজনকে গুলি না করলে ফাঁকিবাজীর মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।
এই চোরা বানিজ্যে বিএসএফের লাভের পরিমান নেহাত সামান্য নয়, বরং পরিমানটা অকল্পনীয় রকমের বেশী এবং এর ভাগ সবাই পায়। তাই বিএসএফের বিরুদ্ধে কিছুই করা হয় না। এই সমস্যার কিভাবে করবেন, সেটা ভাবুন।
_____________
কবে কোন প্রদোষকালে
এসেছিলে হেথা হে প্রাকৃতজন
এ বিলের জেলেদের জালে
পেয়েছিলে কবে সে রুপকাঞ্চন
সময়োপযোগী দারূন লেখা। নতুন বোধের জন্ম দিয়েছে।
We shall change the world for better future.
@ সাধু সাবধান
ধন্যবাদ আপনাকে।
আমি যতদুর বুঝি ভারতের সাথে নানান সমস্যার ব্যাপারে মতলব্বাজির রাজনীতি এতই জড়িয়ে আছে যে সাধারন মানুষ সমস্যাগুলি নিয়ে আর সেভাবে চিন্তা করে না। কড়া ভারত বিরোধী সেন্টিমেন্টের সফল ব্যাবহারকারী বিএনপির চারদলীয় সরকার ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর ভারতে গ্যাস রফতানীর ব্যাপারে দিওয়ানা হয়ে উঠেছিল, বছরে হাজার কোটি টাকার মূলা দেখানো হচ্ছিল। তখন সাইফুর রহমানের মুখে শোনা যেত সম্পদ মাটির তলায় রেখে দিলে সে সম্পদের কোন মূল্য নেই। জনতার তীব্র আপত্তির মুখে তারা গ্যাস পাচার শুরু করতে পারেনি। বিস্ময়কর হল যে ভারত নিয়ে যারা সবচেয়ে সোচ্চার তারা তখন মুখে কুলুপ এঁটে বসেছিলেন।
আমাদের ভারতীয় বর্জন মানসিক স্বস্থি দেওয়া ছাড়া কতটা সাহায্য করবে তাতে আমার সন্দেহ আছে। আসলে আমরা ভারতের ওপর এমন চরম ভাবে নির্ভরশীল যে পন্য বর্জনের আবেগময় আহবান অবাস্তবও ঠেকতে পারে। যতদুর জানি আমাদের শিল্পের কাঁচামালের বড় সূত্র ভারত। এই পন্য বর্জন কেন্দ্র করে সত্যের সেনানীরা যেন অরাজকতা সৃষ্টি করতে না পারে তা ভাল করে খেয়াল করতে হবে। আমার দৃঢ় সন্দেহ এরা অপেক্ষায় আছে, শুধু মানব বন্ধন বা রাস্তাঘাটে ভাংচুর নয়, আরো বড় অরাজকতা সৃষ্টি করবে। ভারতীয় পণ্য বর্জন করার ধূয়া তুলে শিল্প প্রতিষ্ঠানে হামলা শুরু করতে পারে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভাল প্রচারনা দরকার। আমার মনে হয় পন্য বর্জনের মত আবেগময় আহবানের চাইতে এটা ভাল ফল আনবে। আজকের দিনে কাজটি অনেক সহজ। এই উলং পেটানোর দৃশ্য, ফেলানীর লাশ এসবের ছবি ভিডিও নিয়ে আবেগময় শর্ট ফিল্ম বানিয়ে প্রচার করা যায়। কোন রকম উগ্র বানী ছাড়া বিশ্ব বিবেকের কাছে প্রশ্ন রাখা যায় যে আজকের দিকে শুধু অবৈধভাবে সীমান্ত পার হবার অপরাধে কি মানুষের এমন পরিনতি প্রাপ্য? পশ্চীমা সমাজে এ ধরনের চিত্র ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ফেলবে আমি নিশ্চিত জানি। এর আঁচ ভারতের ওপর লাগতে বাধ্য। তারা আমরা আমাদের দেশে কি করলাম, ক্যাডবেরি চকোলেট কিনলাম না তা নিয়ে তেমন ভাবিত কোনদিনই না।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
কেমনে জানি আলাদা কমেন্ট হয়ে গেছে, পরের কমেন্ট দেখুন।
সীমান্ত সমস্যার বাস্তব সমাধানে না গিয়ে এইটাকে সব সময় সস্তা রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করতে এই দেশের ধর্মীয় ডান আদর্শ ভিত্তিক দলগুলার জুড়ি মেলা ভার
পরবর্তী পর্ব পড়ার অপেক্ষায় রইলাম ।
____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?
সমস্যাটা এখানেই। ফেলানীর চেয়ে ফেলানীর লাশটা বেশী গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতির জন্য। ফেলানীর মতন লাশের উপর দিয়ে হেঁটেই কিন্তু ২০০৬ সালের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ট্রেড-এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়! বেগম জিয়ার তিনদিনের ভারত সফর এবং চুক্তি সম্পাদন।
ধন্যবাদ।
ফারমার ভাইয়ের সাথে একমত।.
.
__________________
অপণা মাংশেঁ হরিণা বৈরী।
ফারমার ভাইকে করা আমার মন্তব্যটি দেখবার অনুরোধ করলাম
ধন্যবাদ।
প্রিয়তে নিলাম,এই মুহুর্তে এই পোস্ট খুব দরকার ছিল। সব জায়গায় শেয়ার করছি।
@এডমিন, এই পোস্টও স্টিকি করেন,খুবই প্রয়োজনীয় পোস্ট।
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ কাঁটা ভাই।
হ
*****************************
তোমার দগ্ধ দেহ
এইবার ঢেকে যাক নবজাত রোদে।
তোমার রক্তে ভিজে পোড়ামাটি ফিরে পাক প্রাণ।
তুমি সেই আগামীর মাঠে
ফলাও দু'হাত ভরে দগদগে আগুনের ধান।
দেশী পণ্য ব্যবহার করব, দেশকে তুলে ধরব
এটাই প্রচারণা হলে ভাল হয়।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে
ফারমার ভাইকে করা মন্তব্যটি দেখুন প্লিজ। পাশাপাশি, আপনার সাথেও সহমত। আন্দোলনটির সদূরপ্রসারী লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশী পণ্য ব্যাবহারের সচেতনতা তৈরীর।
সহমত। ট্রানজিট বাস্তবতার নীতিগত সিদ্ধান্ত কিন্তু বি,এন,পিও নিয়েছিল। অথচ, এটা নিয়ে কিন্তু বাংলাদেশে তেমন কথা-বার্তা নেই!
ভারত বিরোধীতার একটি বড় প্রণোদনা আসে মূলত ভারতীয়রা সাধারণত ফুলহাতা হয়ে থাকে এই ধারণা থেকে। এই মনোভাবটি আমাদের শিক্ষিত সমাজেই বেশী প্রবল। আপনি দেখবেন জামাতের সপক্ষে যে পরিমাণ ব্লগ ও ফেবু প্রচারণা হয় তাতে তাদের মোট ভোট ৪% এর সাথে তুলনা করলে অবিশ্বাস্য মনে হয়। এক ছাগুর একাধিক নিক থাকে, কিন্তু অনেক শিক্ষিত আছে হিডেন ছাগু। এরা সমকালীন রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে অনাগ্রহী কিন্তু সুযোগ পেলেই জামাতের নামে একটা সিল মেরে দেয় এখানে-সেখানে।
যাহোক, হাতাতত্ত্বকে ফলো করে একই মনোভাব পোষণ করে অনেক ভারতীয়রা, যারা মনে করে আমরা হাফহাতা! অর্থনৈতিক ও ভৌগলিক দৃষ্টিকোন থেকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কখনই বিবেচনা করা হয়না, বেশীরভাগ সময়ই এটা করা হয় সাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনা থেকে।
ভেবেছিলা পরবর্তী পোস্টে লিখবে এই কথাটা
যা হোক, বাংলাদেশীরা সীমান্ত হত্যার প্রতিরোধ করে ভারতীয় পণ্য বর্জন করছে-- এটা আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে গেলে এবং প্রচার পেলে ভারত কিছুটা হলেও চাপে পড়বে। ভারত চাইছে এখন পরাশক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ পেতে। এরকম একটি দেশে যখন বিশ্বপর্যায়ে শক্তি প্রদর্শন বা নিজের উপস্থিতি জানান দিতে যাবে, তখন অবশ্যই তাদের আচার-আচরণ আরও বেশী মনিটরিং হবে। বিশেষ করে, মানবাধিকার ইস্যু, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সীমান্ত ব্যাপারগুলো সামনে উঠে আসবেই। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে কিছু ভালমানের রিপোর্টিং করেছে বিদেশী সংস্থাগুলো। তবে আমাদের উচিত হবে তথ্য ও যুক্তি তুলে দিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে ভারতের এসব আগ্রাসী আচরণকে বেশী বেশী তুলে ধরা। অন্তত ইমেজের খাতিরে হলেও তারা তখন তাদের কর্মকান্ড মূল্যায়ন করবার কথা চিন্তা করবে।
খেয়াল করছেন কি না জানিনা-- ছাগুরা এখন হিট এন্ড রান নীতিতে মিছিল-মিটিং করে। এরা পথচারীর মতন চলাফেরা করে, তারপর হুট করে মিছিল করে ভীড়-ভাট্টায় মিশে যায়। আমার মনে হয় ছাগুরা আগামী দুইবছর মাঠ গরম করতে যেকোন ধরণের সুযোগের সদব্যাবহার নিশ্চিত করতে চাইবে।
- এটা অতি সত্য কথা। অনেকেই ছাগু সমস্যা নিয়ে এ ধরনের ভুল (অনেক সময় ধর্মীয় ফেলো ফিলিং এর কারনে ইচ্ছেকৃত) করে স্বাধীনতা বিরোধীদের আন্ডার এষ্টিমেট করে। আমি সম্প্রতি যে সিরিজ শুরু করেছি তাতে এ বিষয়ে কিছু কথা থাকবে। আশা করি কাল পরের পার্ট দেব।
আসলে ভারত বিরোধীতা নিয়ে মূলত দুই ধরনের লোকে সোচ্চার; এক ধরনের লোকে আসলেই দেশপ্রেমের কারনে আরেক ধরনে লোকে ছাগু মানসিকতার কারনে। দুয়ের মাঝে বিভেদ টানা সহজ হয় না, ফলে ক্ষতি হচ্ছে আসলে দেশের। ছাগুদের সবংশে উজাড় করা না গেলে এ ধরনের বিভক্তির আবর্তে জাতি চিরকালই ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
পন্য বর্জন আমার কাছে অনেকটা সাময়িক আবেগময়ী আহবান বলেই মনে হয়েছে। প্র্যাক্টিকেলি খুব ফিজিবল বলে মনে হয় না, যেটুকু করা যাবে তাতে ভারতের বিশাল পুঁজি বাজারের তেমন কিছুই যাবে আসবে না। যে লোকে চিকিতসার জন্য ভারত যাবে তাকে কিভাবে বলব ভাই ভারত যাবেন না, আমাদের দেশেই মান সম্মত চিকিতসা নিন? কোরবান ঈদ আসলে কোরবান দেব না তাও ভারতীয় গরু আমরা আনব না এই ধরনের কথা প্রকাশ্যে কয়জনে বলতে পারবে? চুড়ান্তভাবে পন্য বর্জনের নামে হাস্যকর কিছু হবে নাতো? ছাগুরা এর সুযোগ নেবে নাতো? এখন পর্যন্ত কি দেশ থেকে ভারতীয় চ্যানেলগুলির সাবস্ক্রিপশন বন্ধ করা গেছে? এটা করা গেলেও আমি আশার আলো দেখতে পারি।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
স্টিকি করা হোক।
....................................................................................
আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি
ধন্যবাদ হেটার ভাই।
সঠিক সময়ে সঠিক পোস্ট।আমার কিছু পর্যবেক্ষণ এবং মতামত তুলে ধরি
১.আমার অভিজ্ঞতা বলে - ভারতীয় জনগনের বেশ ভালো একটা অংশ এখনো বাংলাদেশের প্রতি হোস্টাইল নয়,বরং সহানুভূতিশীল।আর একটা অংশ আছে উদাসীন।এর বাইরে একটা অংশ আছে যারা ফ্যানাটিক।আমাদের খেয়াল রাখতে হবে,প্রতিবাদের ওরিয়েন্টেশন এবং ডিরেকশনের ভুলে আমরা যেন এই সহানুভূতিশীল অংশটিকে শত্রু বানিয়ে না ফেলি।বরং আমাদের দাবি যে যৌক্তিক,বিএসএফ যে অপরাধ ( শুধু অন্যায় নয় ) করছে সেটা যেন আমরা এই অংশটিকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে পারি।আর উদাসীন অংশটিকেও সচেতন করে তুলতে পারি।সেজন্য এই পন্য বর্জন আন্দোলনটা হোক একটা শুরু মাত্র।এর পরে যেন এটা হঠাৎ তেতে ওঠা লোহার মত হঠাৎ ঠান্ডা না হয়ে যায় বরং স্ট্র্যাটেজি ঠিক রেখে ভারতীয় এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সমাজকে আমাদের অবস্থানের সাথে একাত্ম করে তোলা সম্ভব হয়।পুরোপুরি সফল না হই,অন্তত একটা চেষ্টা করা যেতেই পারে।এই আন্দোলনটা যেন জামাতি পানি ঘোলা করণের শিকার না হয়।
২.শুধু বিএসএফ নয়,পন্য ( সিরিয়াল,সিনেমা,বই এগুলোও পন্য ) বাজার দখলের একমুখী আগ্রাসন,আনন্দবাজারের বানান নিয়ে ফাতরামি - অরাজনৈতিক বিভিন্ন প্রসঙ্গে দাদাগিরি ফলানোর মানসিকতা - সবকিছুর বিরূদ্ধেই প্রতিবাদ শুরু হোক এখান থেকে।
৩.
এই অংশটির সূত্র ধরে কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক তবে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে কিছু কথা বলি।সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্রলীগের কাজেকর্মে তাদেরকে আধুনিক রাজাকার জাতীয় ট্যাগ লাগানোর একটা প্রবনতা বেশ ভালোরকম দেখা যাচ্ছে।রাজাকার শব্দটির ডাইল্যুশনের প্রচেষ্টাটা বেশ পরিকল্পিত বলে মনে হয়।তরুণদের একটা বড় অংশ ছাত্রলীগ এবং সরকারের বিভিন্ন কাজেকর্মে বিরক্ত এবং হতাশ।লাজেই তাদেরকে বিভ্রান্ত করাটা কঠিন হবে না খুব একটা।ছাত্রলীগে শিবিরের ইনফিলট্রেশনের ব্যাপারটায় বিশ্বাস করারও যথেষ্ট কারণ রয়েছে,আমাদের ক্যাম্পাস দেখা পল্টিবাজিগুলো তার সামান্য প্রমান।এই ইনফিলট্রেশনের দায় ছাত্রলীগ বা আওয়ামীলীগের প্রশাসনের উপর চাপিয়ে দিয়েও বলা যায় - এই ব্যাপারটাতে সতর্ক থাকা দরকার।এই মুহূর্তে এই ডাইল্যুশনটা ভয়ঙ্কর হয়ে ঊঠবে।সামান্যতম বিভ্রান্তিও বড় ধরণের সর্বনাশ ডেকে আনবে।
পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।
*****************************
তোমার দগ্ধ দেহ
এইবার ঢেকে যাক নবজাত রোদে।
তোমার রক্তে ভিজে পোড়ামাটি ফিরে পাক প্রাণ।
তুমি সেই আগামীর মাঠে
ফলাও দু'হাত ভরে দগদগে আগুনের ধান।
শত্রুভাবাপন্ন নয় বরং সহানুভূতিশীল-- এই অবস্থান আমাদের খুব একটা কাজে আসছেনা। বর্তমানে মিডিয়া দিয়ে জনমত প্রভাবিত হয়। সহানুভূতিশীল অংশ যদি যৌক্তিক ভাবে আমাদের সাথে হতে থাকা অবিচারগুলোকে ওডের মিডিয়ায় বিচার-বিশ্লেষণ না করে, তবে সহানুভূতিশীল অবস্থান তেমন একটা অর্থপূর্ণ কোন প্রভাব তৈরী করতে পারবে বলে মনে হয়না। যাহোক, আপনার অবজার্ভেশানের সমর্থনে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরি। আমার এক বন্ধু যাকে সীমান্ত হত্যা নিয়ে কিছু ছবি পাঠিয়েছিলাম, তার উত্তরের অংশ বিশেষ--
কথা সত্য, আপনার অবজার্ভেশান সঠিক। ছাত্রলীগের সমালোচনার সাথে রাজাকার-আলবদরদের মিলিয়ে ফেলতে প্রচারণা চলে আসছে অনেক দিন ধরেই।
অনেক আওয়ামী নেতা আছে যারা বি,এন,পি ও জামাতের সমর্থনে স্থানীয় পর্যায়ের রাজনীতিতে নিজ দলের বিরোধী পক্ষকে পোন্দায়। শত্রুদের জায়গা করে দিয়ে বন্ধু হতে দেওয়াটা সবচেয়ে বড় বোকামী। ছাতলীগ এখন নিজেদের কিছু হালুয়া-রুটি ভোগী নেতা ও শক্রুকে জায়গা করে দেওয়ার সেই বোকামীর বোঝা টানতেছে।
সহমত।এইজন্যই - আমাদের এই প্রতিবাদ যদি এমনভাবে এগোয় যে এই সহানুভূতিশীল অংশটিকে আমরা আমাদের পক্ষে মোটিভেট করতে পারছি সেটা একটা অর্জন হবে আমাদের জন্য।ভারতের টনক নড়াতে এই অংশটাই তখন হয়তো কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।
আর দুই তিনবার এই চেষ্টা করার পরে যদি ব্যর্থতাই একমাত্র অর্জন হয় - সেক্ষেত্রে আর এই অংশটিকে গুরুত্ব দেবার দরকার নেই।তখন অল আউট এটাকই শেষ ভরসা।
*****************************
তোমার দগ্ধ দেহ
এইবার ঢেকে যাক নবজাত রোদে।
তোমার রক্তে ভিজে পোড়ামাটি ফিরে পাক প্রাণ।
তুমি সেই আগামীর মাঠে
ফলাও দু'হাত ভরে দগদগে আগুনের ধান।
এখানে শ্যায়ার করে দিলাম।
https://www.facebook.com/groups/212275112198514/
আপনাকেও যোগ দেয়ার জন্য আমন্ত্রন করছি।
...................................................
**************************************
বরং দ্বিমত হও আস্থা রাখ দ্বিতীয় বিদ্যায়।
বরং বিক্ষত হও প্রশ্নের পাথরে।
ধন্যবাদ আপনাকে। ভিজিট করবো লিঙ্কে।
ফারমার ভাইয়ের সাথে একমত।
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........
পড়বার জন্য ধন্যবাদ।
এই পোস্টটার বড় দরকার ছিল ।
বর্তমান যুগে দেশপ্রেমের জোড়ে হলেও ভারতীয় পণ্য বর্জন করা অসম্ভব ।
প্রায় বাংলাদেশের সব ফুড প্রডাক্টস এর কেমিক্যাল ভারত থেকে আসে । ঔষধের কেমিক্যালস ও । এমনকি সুগন্ধী পর্যন্ত । সুন্দর সুন্দর যে কাঁচের বোতল দেখি আমরা তা ভারত থেকে আমদানী করতে হয় । এটাই বাস্তবতা । আমরা ভারতীয় পণ্য বর্জন করতে পারলেও কাঁচামাল বর্জন করতে পারবো না । তাই এই আন্দোলন নিয়ে ভারত একদমই চিন্তিত হবে না । তাই আমাদের বিকল্প ভাবতে হবে ।
-----------------------
The road to success is always under construction....
রুবেল ভাই, তথ্য গুলা কাজে লাগবে আসলেই। আপনি নিজেইতো কম-বেশী ব্যাবসা লাইনে আছেন। আপনার অভিজ্ঞতা স্মরণে রাখলাম।
আন্তর্জাতিক প্রচারণাটাও প্রয়োজনীয়। যাহোক, আশাকরি পরবর্তীতে আরও আলোচনা হবে এসব নিয়ে।
"দেশি পণ্য ব্যবহার করবো" কথাটা বলা যতো সহজ, প্রয়োগ করে টিকে থাকা ততটাই কঠিন। স্বয়ংসম্পূর্ন হবার চিন্তা, উ: কোরিয়া'র 'জুচে' নীতির মতোই ফলপ্রদ হবে। অর্থনীতির একেবারে স্কুলে পড়া প্রাথমিক জ্ঞান হলো কম্পারেটিভ এডভান্টেজ, প্রত্যেক দেশের কম্পারেটিভ এডভান্টেজ আছে। যে যেটা ভালো পারে সেটা করে তারপর অন্যের সাথে বানিজ্য করাটাই উন্নতির একমাত্র উপায়। বাংলাদেশের জনগনের যে পরিমানে পেয়াজের চাহিদা রয়েছে, আমরা যদি পেয়াজে সয়ংসম্পূর্ন হবার পলিসি নেই তবে আমাদের ধান-চালের সংকট আরো তীব্র হয়ে যাবে। ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে পেয়াজ-রসূন হতে কলকারখানার যন্ত্রপাতি আমদানী করে ভারতপ্রেমের জন্যে নয়, কমদামে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন পন্য হিসেবেই। এসব কিছুতে দেশী পন্য ব্যবহার করার কথা ভাবা চরমতম আকাশকুসুম চিন্তা ছাড়া আর কিছু নয়।
তবে আমি ভারতীয় পন্য বর্জনের প্রতিকী আন্দোলনকে পূর্ন সমর্থন করি। প্রথমত আমাদের দেশে জনগনের ভোক্তা হিসেবে গনতান্ত্রিক শক্তির বহিপ্রকাশের ইতিহাস নেই। কিন্তু শক্তিশালী সিভিক সোসাইটি গড়তে এই শক্তির মোবিলাইজেশন একেবারে ফরজ। দ্বিতীয়ত, বিলাসপন্য, এয়ারটেলের সিম, টিভির চ্যানেল এসব বর্জনের প্রতিকী প্রতিবাদগুলোও ভারতীয় কর্পোরেশন, ভারতীয় মিডিয়া এবং ভারতীয় সরকারের টনক নড়াতে সক্ষম হবে। ভারতীয় সরকার বুঝবে যে অনুগত বাংলাদেশী সরকারই (বিএনপি এবং আওয়ামী) যথেষ্ট নয়, বাংলাদেশের জনগনের গুডউইলও একান্ত প্রয়োজনীয়।
জাতিয়তাবাদী আর জামাতীদের মুখ বন্ধের জন্যে উপরের বছরওয়ারী হিসাবটাই যথেষ্ট।
কথা ঠিক। এজন্যই প্রয়োজন আবেগ সংবরণ করে একটা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার সচেতনতা তৈরী করা। যেমন মনে করেন- শাড়ী, সোয়েটার ও অন্যান্য কাপড়-চোপড়। আমরা কেন ভারতের গুলো পড়োবো? আমাদের দেশে কি ভালমানের কাপড়-চোপড় তৈরী হচ্ছেনা? বিয়ের শাড়ী ভারতীয় না হলে অনেক বিয়েই হয়না! অথবা টিভি চ্যানেল?
বোল্ড করা অংশটি মাথায় রাখতে হবে সবসময়।
স্বার্থবাজ ও আত্মকেন্দ্রিক মানুষেরা যখন স্বঘোষিত সুশীল সমাজ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে সেখান থেকে খুব দ্রুত কিছু আশা করা কঠিন। কার্যকরী সুশীল সমাজ গড়ে তুলে আন্দোলন মোবিলাইজেশন করবার পর্যায়ে যেতে বাংলাদেশের এখনও অনেক সময় লাগবে। অন্তত আমার তাই মনে হয়। আমাদের কোন জাগরণই ফলপ্রসু হয়না--- যেমন, রুমানা ম্যাডাম ইস্যুতে বিবেকের সুড়সুড়ি কমিয়ে কিন্তু আমরা আবার ড্রয়িং বসে আছি পরবর্তী রুমানা ম্যাডামের আগমনের অপেক্ষায়। আর এর মাঝে কিন্তু চড়-থাপ্পর, লাথি-গুতা ঠিকই প্রতিনিয়ত পড়ছে রহিমা-বানেসাদের উপর!
অবশ্যই। যেমন মনে করেন-- এয়ারটেলের ব্যাবসায় যখন লস হবে তার কারণ হিসেবে এয়ারটেল বর্জন একটা অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এধরণের বিজনেস জায়ান্ট যখন লস খাবে তখন তার ইফেক্ট গিয়ে পড়বে ভারত সরকারের নীতিনির্ধাতক পর্যন্ত। হোক না সেটা কম বা বেশী।
আমাদের উচিত হবে বর্জনের তালিকা তৈরী সম্মন্ধে পরিকল্পনা মাফিক এগোনো। পণ্য বর্জনের ব্যাপারে সামনের পোস্টে কিছু লিখবো।
ধন্যবাদ আপনাকে।
(সিসিফাস) @
আমরা ইচ্ছে করলে ভারতীয় পণ্যের দুই ভাগে ভাগ করতে পারি। এক : যে ধরনের পন্য আমরা আমদানী করি। দুই: ভারতের যে সকল পণ্য আমাদের দেশে ব্যবসা করে।
এই ২য় পর্যায়ের পণ্য আমরা ইচ্ছে করলেই বর্জন করতে পারি। এবং করা উচিত। এসব পণ্য বর্জন করলে দেশের লাভই হবে ক্ষতি নয়।
...................................................
**************************************
বরং দ্বিমত হও আস্থা রাখ দ্বিতীয় বিদ্যায়।
বরং বিক্ষত হও প্রশ্নের পাথরে।
চরম পোস্ট
ধন্যবাদ আপনাকে।
ফারমার সাঠে একমত। ভাল পোরজোলোচোনা। চালায়া জান বস।
পড়বার জন্য ধন্যবাদ।
সহমত।
অব্স্য অনেকেই ভারতকে ঘাটাতে চায়না
...........................................
শুধু চেয়ে চেয়ে দেখি............।
আবেগের জোয়ারে না ভেসে সঠিক পরিকল্পনা দিয়ে আমাদের নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। এছাড়া বিকল্প নেই।
স্বাধীনতার ৪০ বছরে বাংলাদেশের রাজনীতিকরা পরিস্থিতি এমনভাবে তৈরি করেছে যে, এখন ঘরে-বাইরে নিত্যব্যবহার্য প্রায় সব জিনিসেরই ইন্ডিয়ান ভার্সন পা্ওয়া যায়। চাল-ডাল, তরিতরকারী, মসলা-পাতি, পেয়াজ-রসুন, কাপড়-চোপড়, সাবান-সোডা, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি সবকিছু। কোনো কোনো দোকানে তিন বা ততোধিক ভার্সনও থাকে। পরবর্তীগুলো চীনা, থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুর থেকে আসা। ইউরোপ-আমেরিকার্ও কিছু কিছু আছে, সংখ্যায় যা অনেক কম। যাই হোক, ইন্ডিয়ান পন্য বর্জন করে নিজেদের তৈরি পন্য ব্যবহার করবো তারও তেমন জোগান নেই। হয়তো আমরা সেই অবস্থায় এখনো যেতে পারিনি। তবে ধরে নেয়া যায় বাংলাদেশের ১৬ কোটি লোকের ব্যবহারের উদ্দেশ্যে সবগুলো প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য গুদামে যত মালামাল বা পন্য মওজুদ রাখা আছে তার অর্ধেকই ইন্ডিয়ান। এটাই আমাদের বাস্তবতা।্আবার শুধু আমাদের দেশই বা বলব কেন, পৃথিবীর এমন কোনো দেশ কি আছে যেখানে ইন্ডিয়ান বা চীনা পণ্য নেই? কারণ একটাই, ইন্ডিয়ান পণ্য দামে সস্তা। কোনো কোনোটি দেশি পণ্যের চেয়েও সস্তা।
তবে, হ্যাঁ, রাজনীতি করতে চাইলে এইটা একটা ইস্যু বানানো যেতে পারে। সীমান্তে অমানবিক অত্যাচার-নির্যাতন চালাচ্ছে বিএসএফ এটা যেমন সত্য তেমনি হঠাৎ ভারত কর্তৃক নিত্যপ্রয়োজনীয় কোনো আমদানী পণ্যের চালান আটকে দিলে পরিস্থিতি কী হয় তা বোধকরি সকলের কাছেই অনুমেয়। আমাদের দারিদ্রতা আমাদেরকে সবকিছু থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে, বেঁধে রেখেছে আষ্ঠেপৃষ্ঠে। যেন পরিত্রাণের লক্ষ্যে চিৎকার পাড়া ছাড়া এখন আর কিছুই করার নেই।
'৭১ পূর্ববর্তী সময়ে এদেশ তো পাকিস্তানই ছিল, আর তা হল ইন্ডিয়ার শক্ত প্রতিদ্বন্ধী। কিন্তু ভারত যখন ফারাক্কা বাঁধ তৈরি করলো তখন পাক শাসকরা তেমন কিছুই করতে পারেনি। ফারাক্কা তো টিপাইমুখের চেয়েও বড় স্থাপনা।
আমার মনে হয় ব্যাপারটা একটু তলিয়ে দেখা দরকার, কেন ভারত বাংলাদেশ একচেটিয়া ব্যবসা করছে আবার সীমান্তে গুলি চালিয়ে মানুষ হত্যা করে, সন্ত্রাস সৃষ্টি করে চলেছে বছরের পর বছর? এসব পরস্পর বিরোধী তৎপরতার কারণ কি? আমাদের রাজনীতিকরা কি আসলে ব্যাপারটা বুঝতে পারছেন নাকি বুঝেন নি?
আমাদের প্রয়োজন শক্ত ও উঁচুমানের ডিপ্লোমেসি। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এসবের চর্চ্চা কি তেমন হচ্ছে? দেশি পণ্য ব্যবহার করবো কিংবা ভারতীয় পণ্য বর্জন করবো - ইত্যাদি করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত 'চোর বাছতে গাঁও উজাড়' হয়ে যাবে না তো?
তবুও আপনার বিবেক থেকে কিছু একটা বের হচ্ছে, নতুন জেনারেশন তো এভাবেই এগিয়ে যাবে; চিন্তার সফলতা আসুক, সেই কামনা রইলো। ধন্যবাদ।
অখন্ড পাকিস্থানের প্রতিবাদ জোরালো ছিলনা বলেই জানি
আমরা অত্যন্ত পরনির্ভর, এটা একটা কারণ। ভৌগলিক বাস্তবতা আর পরনির্ভরতা এসব কিছু মিলিয়ে আমাদের মতামতের গূরুত্ব তেমন একটা নেই। পরবর্তী পোস্টে এসব নিয়ে কিছু লিখবার আশা করছি।
অবস্থা অনেকটা তাই হবে বলে মনে হয়। শক্ত ডিপ্লোমেসি নেওয়া কঠিন যখন আপনি পরনির্ভর দেশের সরকার। কন্ঠ যখন জনগণের ভাত-কাপড়ের নিশ্চয়তায় বন্ধক রাখতে হয় তখন কন্ঠের আওয়াজ জোরালো হয়না। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির দূর্বলতাটা এখানেই।
ধন্যবাদ মূল্যবান মতামতের জন্য।
দেশী পন্য কতক্ষন আমেরিকা-ইউরোপে পাওয়া যাবে!
ভারতীয় পন্য আমদানি নিষিদ্ধ করা হোক এবং অন্য দেশ থেকে শূন্যতা পূর্ন করা হোক যতদিন না দেশে পার্যাপ্ত উদপাদন হয়।
____________________
ঘর ছেড়ে ধন খুঁজিস কেন বনে বনে?
হুট করে আমদানী নিষিদ্ধ করাটা বোকামী হবে। বিকল্প উতস নিশ্চিত করার প্রয়োজন আছে, তা না হলে বাজারে ভোগ্যপণ্যের দাম নিয়ে অসন্তোষ বড় আকার ধারণ করবে।
দেশীপন্য, দেশীশিল্পের দিকে আগ্রহ বাড়াতে হবে। উন্নত দেশে দেখেছি, বেশি দাম দিয়ে হলেও ভাল মানের বিদেশী পন্য থেকে সাধারন মানের দেশী পন্যের প্রতি ক্রেতার আগ্রহ বেশি থাকে। এটা যদি দেশাত্মবোধ এর কারনে হয়ে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে আমাদের দেশের মানুষের ভেতরে দেশাত্মবোধ কম।
~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!
বিএনপির আপাত ভারত বিরোধীতা ক্ষমতায় আসলে কেনো যেনো কার্পেটের তলায় লুকিয়ে ফেলা হয়।আবার বিরোধী দলে আসলে কার্পেটের তলা থেকে ঝাড়ু দিয়ে বের করে সেই ধুলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়। সবার মনে থাকার কথা ৯০ দশকের প্রথম দিক পর্যন্ত বাংলাদেশে ইটালিয়ান "পিয়াজিও বেবি টেক্সি" দাপিয়ে বেড়াতো। বিএনপি ৯১ তে ক্ষমতায় এসে সেই ইটালিয়ান বেবির জায়গায় সারা বাংলাদেশ ভারতীয় "বাজাজ" বেবি টেক্সি দিয়ে ভরিয়ে দেয়। ২০০১ সনে ক্ষমতায় এসে বিএনপি আবারও পুরোনো বাজাজের জায়গায় নতুন বাজাজ সিএনজি টেক্সি দিয়ে বাজার ভরিয়ে দেয়। যদিও তখন উন্নত ইটালিয়ান ফোর স্ট্রোক টেক্সি দিয়ে পরিবর্তিত করা যেত। কিন্তু ব্যা না হুদা, তারেক গং কোটি কোটি টাকা কমিশন নিয়ে ভারতীয় বাজাজের বাজার উম্মুক্ত করে দেয়।১৫০০ সিসি টেক্সি ক্যাবের জায়গায় ৮০০ সিসি মারুতি দিয়ে ট্যাক্সি ক্যাব চালানোর অনুমতি দিয়ে এই সার্ভিসটিকেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। মাহমুদুর রহমান জ্বালানী উপদেস্টা থাকা কালীন ভারতীয় টাটা কে স্টিল মিল করার বিপরীতে ২৫ বছর একই দামে নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের সমস্হ ব্যাবস্হা করে ফেলেছিলেন। সেই চুক্তি থামানো না গেলে আজ বাংলাদেশ জ্বালানি ক্ষেত্রে কি ভয়াবহ পরিস্হিতিতে পড়ত, তা ভাবলেও শিহরিত হতে হয়।
--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।
ভারতীয় সি,এন,জি নিয়ে আমাদের নাজমূল হুদা আর যুবরাজ যা দেখিয়েছিল, তা দূর্দান্ত ভারতবিরোধীতার উদাহরণ
ধন্যবাদ।
দূর্দান্ত পোষ্ট। শেয়ার করলাম
_________________________________________________________________________________
ঢিল মারি তোর টিনের চালে...
ধন্যবাদ মৌচাকে ঢিল।
ভারতীয় পণ্য তো একদিনেই বর্জণ করা যাবে না। তবে যত দ্রুত সম্ভব আমরা যেসব ভারতীয় পণ্যের উপর নির্ভরশীল তার বিকল্প পণ্য খুঁজে নিতে হবে। সম্ভব হলে শুধু দেশি পণ্য কিনতে হবে। দেশি পণ্য না পাওয়া গেলে মূল্যমান অনুযায়ী অন্য দেশি পণ্য কেনা যায় কিন্তু সেখানে যেন কোন পাকি পণ্য না থাকে।
-----------------------------------------------------
আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...
সহমত।
ধন্যবাদ দেবা ভাই।
দেশের নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল (NCTB) বই এখন ভারত হতে ছাপিয়ে আনা হচ্ছে,দেশের ৩০ ভাগ গরুর মাংস ও চামড়ার যোগান ভারতীয় গরুর উপর নির্ভরশীল,দেশের ৭০ ভাগ পিয়াজের চাহিদা পূরণ করে ভারতীয় পিয়াজ,দেশের সবকটিই বহুজাতিক কোম্পানি (UniLiver,RecitBenkiser,GlaxoSmitKline etc) প্রকারান্তরে ভারত নিয়ন্ত্রীত।
সর্বোপরি দেশের সরকার প্রধান'ও তার নিরাপত্তা ও সার্বিক নীতিনির্ধারনে ভারতের অনুগ্রহ প্রার্থী
http://www.thehindu.com/news/the-india-cables/article1574326.ece
এই সার্বিক বাস্তবতায় ভারতীয় পণ্য বর্জনের আহবান জানানো নির্মম রসিকতা ও ভাড়ামো ছাড়া আর কিছুই না ।।।
ইন্টারনেটের বহুল ব্যবহারের কারনে এখন খুব সহজে বিকল্প মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষ জেনে ফেলছে, দেখে ফেলছে অনেক কিছু, ফলে তার প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। সমাজে নানান বঞ্চনা, হতাশা রয়েছে এবং বেকারত্তের মত সমস্যা বেড়ে চলেছে। বিদেশে কর্ম সংস্থান স্থবির। সেয়ার বাজারের মোহ কেটে গেছে। জিনিসপত্রের দাম নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। ফলে প্রতিক্তিয়া ঘটছে, বিভিন্ন ইস্যূতে মানুষ প্রতিক্রিয়া করছে। যে প্রতিক্রিয়াগুলি সরকারের বা রাজনৈ্তিক দল গুলির করার কথা তারা সেটা করছেনা। ফলে কিছু একটা করার তাগিদ থেকে জনগন এগিয়ে আসছে।
সাম্প্রদায়িক লোকজন এর থেকে ফয়দা লুটতে চাইবে। খুব স্বাভাবিক, কিন্তু কমন ইস্যু জাতিয়তাবাদের জায়গা থেকে যতখন তারা ভারতীয় পন্য বর্জনের কাজ করে যাবে ততখন কোন সমস্যা না কারন তারা আমার আপনার মতই বাংলাদেশের নাগরিক।
জনগনকে জানানো বা উব্দুদ্ধ করার জন্য পথসভা, মানববন্ধন, এসব হতে পারে, আমি কোন সমস্যা দেখি না। বিচার যাতে বাঁধাপ্রাপ্ত না হয় সে জন্য ফিসফিস করে কথা বলতে সেটা আমি মনে করিনা।
অন্যায়ের প্রতিবাদ ফিসফিস করে হয় না, এটা জোর গলায়ই করতে হবে। কতগুলি অপ্রাধীর বিচার চলছে, বিচার চলবে, ৩% জনসমর্থন নিয়ে জামাত যদি বিচার বানচাল করতে পারে তবে আমাদের আত্মহত্যা করা উচিৎ।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
উত্তর ভুল জায়গায় হয়ে গেছে। নীচে দেখুন প্লিজ।
লেখার সাথে সহমত । অনেকেই মন্তব্যে প্রায় সবকিছুই বলে দিয়েছেন, তারপরও এই লাইনটা যোগ করি কোনভাবেই যেন এই আন্দোলনের ফসল জামাত-বিএনপির ঘরে না যায় সে ব্যাপারে আমাদের অবশ্যই অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে ।
ধন্যবাদ আপনাকে। আন্দোলনের উদ্দ্যেশ্য যদি হয় রাজপথ গরম তবে সেই আন্দোলনের উদ্দ্যেশ্য ব্যাহত হবে এই আশঙ্কাবোধ অবশ্যই যৌক্তিক।
বেকারত্ব বা বিদেশে কর্মসংস্থান-- এসব সমস্যা সরকারিভিত্তিক নয়, এর সাথে আনুসংগিক অন্যান্য অনেক কিছু জড়িত। কর্মসংস্থানের সঙ্কট শুরু হয় মূলত বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় থেকে। পাশাপাশি, মধ্যপ্রাচ্যের সাথে "ঐতিহ্যগতভাবে" আওয়ামী সরকারের দূরত্ব কাজ করবে এটা জেনেই আপনাকে সমস্যা নিয়ে চিন্তা করতে হবে। যাহোক, রেমিট্যান্স প্রবাহ এরপরো বাড়ছে, তবে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত এবং এটা শুধু বাংলাদেশের একার ব্যার্থতা নয় এখানে বৈশ্বিক বাস্তবতাও জড়িত।
আন্দোলন চলবে, চলছে এসব ইস্যুতে। শেয়ার মার্কেটের ক্ষতিগ্রস্থরা ভাংচুর করছেন, মাঝে মাঝে হরতালও ডাকছেন আবার তা প্রত্যাহারও করছেন। কিন্তু সেসবই রাজনৈতিক কোন ইস্যু ভিত্তিক অবস্থান নয়।
যে দেশে রাজপথে ভারত বিরোধীতা একটা শৈল্পিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেখানে আমরা যারা সীমান্তে ভারতের আগ্রাসী আচরণের প্রতিবাদে প্রতিকী একটি কর্মসূচী করতে চাই তারা রাজনীতির তথাকথিত ভারত বিরোধী অংশকে সুযোগ করে না দিতে সতর্ক থাকতে চাই (ভারতবিরধীদের কিছু বিরোধীতার নমুনা দিয়েও দেখানো হলো)।
আপনি বা আপনার মতন অন্যরা না চাইতে পারেন, তবে সতর্ক থাকলে এই আন্দোলন ক্ষতিগ্রস্থ হবে এমনটা মনে করার কোন কারণ নেই। ভারতীয় টিভি-চ্যানেল ব্যাবহার বন্ধ করতে সমাবেশ বা মিছিল-মিটিং-এর দরকার আছে বলে মনে করিনা-- ব্যাক্তি পর্যায়ের সচেতনতা তৈরী অনেক পন্থা আছে। যেমন- আপনি ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীদের মধ্যেই এই সচেতনতাটুকু তৈরী করলেন, যা তাদের পরিবারের মধ্যে ছড়িয়ে দিল প্রত্যেকে। আপনি কোয়াবকে অনুরোধ করলেন একদিনের জন্য ভারতীয় সব চ্যানেলকে বর্জন করতে এবং প্রত্যেকটা চ্যানেল খুললেই শুধু অনুরোধ থাকতে পারে "সীমান্ত বাংলাদেশীদের হত্যার প্রতিকী প্রতিবাদে আজ আমরা ভারতীয় চ্যানেল বর্জন করছি" ।
এসব পদক্ষেপগুলোকে হাইলাইট করে কিছু নিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে সংবাদ-প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে থাকুক এবং সেখান এসব কথা প্রকাশ করবার মতন মানুষেরাও এই আন্দোলনে শরীক আছেন বলেই মনে করি। কিছু হইলেই বাংলাদেশে কয়েকটা মিছিল-পথসভা আর মানববন্ধন প্রসব করেই "সব হয়ে গেছে" বলে মনে করা ধাঁচের আন্দোলন দিয়ে সুদূরপ্রসারী কোন সফলতা আসবে বলে মনে হয়না। বরংচ, ধান্দাবাজদের লাভবান হবার সম্ভাবনা থেকে যায়।
তাত্ত্বিকভাবে খুবই সুন্দর কথা, তবে ব্যাবহারিক জীবনের সাথে একে মেলানো কঠিন। ইবলিশও আল্লাহর সৃষ্টি, তাই বলে ইবলিশের সাথে সহবাস করাটা যৌক্তিক ও জায়েজ হয়ে যায়না।
জামাত-ছাগুরা তাদের মতন পণ্যবর্জন করুক, এই অধিকারটুকু তাদের আছে। আমার কিন্তু আবার ভারতীয় পণ্য বর্জনের পাশাপাশি জামাতকেও বর্জনের অধিকার কাছে। ভারতীয় পণ্যবর্জনের সচেতনতা বা ক্ষোভ-- এটাকে যেন জামাতী-ছাগুরা ম্যানুপুলেট করতে না পারে সেই সতর্কটুকু নিশ্চিত করাও আমি নিজের দায়িত্ব বলেই মনে করি। এখানে জামাতীদের প্রতিবাদের অধিকার হরণ করার কথা বলা হয়নি, এখানে বলা হচ্ছে আমি যেন রাজপথে ও অনলাইনে জামাতীদের প্রতিবাদের সহযাত্রী না হই বা সহযাত্রী হবার সম্ভাবনা তৈরী করে না দেই, সেই সচেতনতাটুকু নিশ্চিত করা। যাহোক, ইদানীং জামাত-শিবির এস,এম,এস করেও মিছিলকারীদের সংগঠিত করে হুটহাট করে মিছিল বের করে, ভাংচুর করে। অতঃপর তারা ভাংচুরের কারণে ভীত-সন্ত্রস্থ মানুষদের মাঝে মিশে যায়।
এর মাধ্যমে পণ্য বর্জনের আন্দোলন ক্ষতিগ্রস্থ হবে, এটা আমি মনে করিনা। আপনার হাতে থাকা একটি রীমোর্টের চাপেই আপনার টিভি চ্যানেলটা বন্ধ হতে পারে-- এটা একজন জামাতীও যেমন করতে পারে, একজন আমি বাঙ্গাল বা (সিসিফাস)ও করতে পারেন। আর সেজন্য প্রয়োজনীয় সচেতনতা তৈরীর জন্য জামাতী, আমিবাঙ্গাল বা (সিসিফাস)-এর কাঁধে-কাঁধ রেখে রাজপথ কাপানোর প্রয়োজন পড়েনা। অনেক বেশী কার্যকরী উপায় আছে "পথসভা-মানববন্ধন বা মিছিল-মিটিং ছাড়া। সেসব পন্থা খুঁজে দেখাটাই যৌক্তিক বলে মনে করি আমি।
আপনার বিস্তারিত উত্তরের জন্য ধন্যবাদ।
উপরের প্যারার সাথে আমার আংশিক দ্বীমত আছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের ভূমিকা আছে এবং সেটা মূখ্য। পাওয়ার সেক্টরে যা কিছু করা যেত তা ঠিক ঠিক ভাবে সরকার করেনি। কুইক রেন্টাল- ব্যাক্তিগত তহবিলের জন্য সুখপ্রদ বিধায় অন্য কিছু করা হয়নি। এগুলির আয়ু তিন থেকে পাঁচ বছর। অর্থাৎ এই সরকার যেখানে থেকে শুরু করেছিল , মেয়াদ শেষে তারা বিদ্যুতের অবস্থা তাদের শুরুর সময়র মত রেখে যাবে। পাওয়ারের অভাবে বহু দেশি বিনীয়োগ বন্ধ আছে। অবকাঠামোর উন্নয়ন ছাড়া বৈ্দেশিক বিনীয়োগ আসবেনা। পাওয়ার এর অন্যতম।
পশ্চিমের ভরা যৌবনেও আমাদের উত্তরবঙ্গে মঙ্গা হত, তাই পশ্চিমের মন্দার সাথে আমাদের অর্থনীতির যোগ খুবই সিমীত। তবে অযুহাত হিসাবে এটা অতুলনীয়।
রেমিটেন্সের অকাল বন্য খুব সহজ ইকুয়েসন। শেয়ার বাজারের লুট হওয়া টাকাটা ডলারে কনভার্ট করাতে ডলারের ক্রাইসিস হয়, বেড়ে যায় ডলারের দাম। এখন সেই টাকা রেমিটেন্স আকারে সাদা হয়ে দেশে প্রবেশ করছে।
এসব কথা বলার কারন ছিল, জনমনের সামগ্রিক হতাশা বুঝাতে। একটা বিপুল যুব সমাজ মহাজোটকে ভোট দিয়েছিল, তাদের মোহমুক্তি বোঝাতে। এই সময়ে বিএসএফের অমানবিকতা এবং নিজের চোখে দেখা, ফলাফল তাই অন্য বারের চেয়ে আলাদা রূপ নিয়েছে। ভারতীয় পন্য বর্জনের তাগিদ তাই উঠে এসেছে।
ছাগুরা ঘোলা জলে মাছ মারতে চাইবে। আমি ফেইস বুকে বহু পরিচিত জনকে কিছু ফেইক ছবি প্রচার করতে দেখেছি বিএসএফ এর অত্যাচার নিয়ে। প্রতিটাতে বাঁধা দিয়েছি। তারা ভুল বুঝতে পেরেছে।
ছাগুদের সাথে একযোগে অন্দোলনের প্রশ্ন উঠেনা। তবে কথা ঐটাই যা আপনিও বলেছেন, তাদেরও নিজেদের মত এই ইস্যুতে আন্দোলনের অধিকার আছে।
মোটকথা এই ইস্যুতে একটা জাতীয় ঐক্যমত দরকার। তাহলে টিপাইমুখের ব্যপারেও জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে একটা অবস্থান নেয়া যাবে। অন্তর্জাতিক ইস্যুতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নাই।
ব্যাপারটা মোটেও ছাগুদের সাথে ঐক্য না, বরং জাতীয় ঐক্য থেকে ছিটকে যাবার ভয়ে সবাই সমবেত হতে বাধ্য হওয়ার ব্যাপার।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
চলুক-----
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট। -রবীন্দ্রনাথ
পড়বার জন্য ধন্যবাদ।
BSF(bastard Security Force) সীমান্তে যে হত্যাকান্ড ঘটায় ,ভারতের মিডিয়া ও সুশিল সমাজ সেই খুনি সন্ত্রাসি বিএসএফ কে রক্ষা করার চেষ্টা করে। ভারতের সাথে আমাদের আর সুসম্পর্ক হওয়ার সম্ভবনা নাই, আমরা একদিনে ভারতীয় পন্যের আগ্রাসন থেকে বের হতে পারবনা, তবে চেষ্টা করলে এইটা কমানো যায়, আমাদের প্রথম প্রায়রিটি হবে দেশীয় পন্য ব্যাবহার করা,যেসব ক্ষেত্রে দেশীয় পন্য না থাকে বিকল্প হিসেবে ভারত ও পাকিস্তান বাদে অন্য কোনো দেশের পন্য ব্যাবহার করা, আমরা ভারতীয় পন্য বর্জন করলে হয়ত ভারতের অর্থনীতিতে কোনো প্রভাব পরবে না কিন্তু আমরা একটা মানসিক শান্তি পাব।
আজকে জহির রায়হানের মত পরিচালকের অভাব অনুভব করছি, জহির রায়হান থাকলে ভারতের এই বর্বর আচরন আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে তুলে ধরতে পারত।
-------------------------------------
রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি
বাংলাদেশের নাম
মুক্তি ছাড়া তুচ্ছ মোদের
এই জীবনের দাম।।
সুচিন্তিত মতামত। তবে বিকল্প উতস থেকে আমদানী যেন দাম বাড়িয়ে না দেয় সেটাও বিবেচনায় রাখতে হবে। আবার আমাদের চিন্তাচেতনারও পরিবর্তন দরকার--
বিয়ের সময় অনেককেই দেখি ভারতীয় শাড়ীর জন্য হা-হুতাশ করতে, কিন্তু আমাদের বাংলাদেশী শাড়ীর কি বিয়ের শাড়ী হবার যোগ্যতা নেই? এখানে উতপাদন কোন সমস্যা নয়, সমস্যা হচ্ছে ভোক্তা পর্যায়ের মানসিকতা।
দেখা যাক এই সচেতনতা আদৌ আসে কি না।
'''''' Man is mortal.''''''''' so be all people careful.''''''''''''''''''''
বস, আপনের আসল নিক কোনটা?
কাডল পাতা রেখে আলুপোড়া খাইতে আসছেন
-------------------------------------
রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি
বাংলাদেশের নাম
মুক্তি ছাড়া তুচ্ছ মোদের
এই জীবনের দাম।।
সময়োপযোগী পোষ্ট, আগেই শেয়ার করেছি। পরের পর্বের অপেক্ষায়।
--------------------------------------------------------------------------------------------
যেসকল বিএনপি সমর্থক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান, তারা একটু গু খাইয়া আসেন।
ধন্যবাদ বাউল ভাই। আপনারে ব্লগে দেখি কম, ব্যাস্ত বেশী মনে হয়?
দারুন লেখা।
ধন্যবাদ, ধন্যবাদ
পড়বার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনার লেখা সময় উপযোগী।
--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........
স্বদেশি পণ্য, কিনে হও ধন্য।
ক্রমেই এধরণের চর্চায় অভ্যাস্ত হতে হবে।
ধন্যবাদ
------------
অকিঞ্চন
banglaydebu.blogspot.com
ধন্যবাদ আপনাকে।