বাংলায় নাম
জর্জ অল্ড্রিন ঘোষ
পরিচিতি
সদর দরজা
আসুন জানি নতুন কিছু তথ্যঃ আমার ব্যাক্তি গত অভিজ্ঞতা এবং AK 47 Rifle, M1 Grand Rifle, Mossin Nagat Rifle এর গল্প
Kalashnikov assault rifle, এটা অন্য ভাবে পশ্চিমে Ak-47 (Avtomat Kalashnikova 47, Kalashnikov automatic rifle, model of 1947) নামেও পরিচিত। AK নাম টি দেয়া হয় কারণ এর সাইজ ছোট এবং এটি সহজে বহন করা যায়। Ak 47 রাইফেলটি দুনিয়ার সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত এবং সবচেয়ে বেশি বিক্রিত আগ্নেয়াস্ত্র । এটা আবিস্কৃত হবার পরপরই অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করে এর কারন মূলত একটা এর ওজন এবং এর গুলি ছোড়ার দ্রুততা সেই সময়ের সব আগ্নেয়াস্ত্র কে হার মানাতো। মজার কথা শুনবেন ? আমাদের দেশ বাংলাদেশেও এক ৪৭ এর চাইনিজ কম্বিনেশন এখনো ব্যবহার করা হয়। ওহ আচ্ছা, আগেই বলে নেয়া ভালো আমি অনেক দিন আগে টি টি তে একটা একে ৪৭ রাইফেলের পোস্ট দেখেছিলাম। কিন্তু তখন এই গুলা নিয়া এত মাথা ঘামাই নাই। এখন ঘামাইতেছি। বলা বাহুল্য আমি ঐ টি টি এর পোস্ট মারি নাই। নিজে এখন গুগোল ঘাইট্যা বের কইর্যা যা বুঝলাম তাই লিখতে আছি। ওহ আচ্ছা কামের কথায় আসি তাহলে, একে ৪৭ রাইফেলটি প্রথম তৈরি করা শুরু করে রাশিয়া ১৯৪২ সালে, কারণ ২য় বিশ্ব যুদ্ধ চলাকালে জার্মানরা Mkb. 42(
নামক একটি কারবাইন রাইফেল প্রস্তুত করা শুরু করে যা সেই সময়ে রাশিয়ান সৈন্যদের জন্য রীতি মত মৃত্যুর পরোয়ানা বলে পরিচিত। তাই সেই মৃত্যুর পরোয়ানা কে হার মানাতে রাশিয়া প্রস্তুত করলো তাদের চেয়েও আরো যুগান্তকারী এক নতুন রাইফেল যার নাম একে ৪৭। সেই সময় রাশিয়ানদের আগ্নেয়াস্ত্র বলতে তেমন ভালো কোন অস্ত্র ছিলনা। সেই সময় যদিও ইউ এস মেরিন সৈন্যরা M1 Grand Carbine রাইফেল ব্যবহার করতো এবং জাপানী সৈন্যরা অন্য দিকে তাদের প্রাইমারী বা মূখ্য অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করতো M38 Ariska Rifle. এই এম ৩৮ রাইফেলটি যদিও তেমন যুগান্তকারী কোন অস্ত্র ছিলো না যার কারণে জাপানী সৈন্যদের কে পদে পদে ধরা খেতে হয়েছে, কারণ এতে গুলি বের হতো একটা একটা করে এবং প্রতিটা ম্যাগাজিনে থাকতো কেবল মাত্র পাঁচটা গুলি, তাই ঘন ঘন রিলোড করতে হতো। অন্য দিকে ইউ এস মেরিন ফোর্স M1 কারবাইন রাইফেল ব্যবহার করতো যার একটি ম্যাগাজিনে পনেরোটা গুলি থাকতো। তার মানে তাদের কে বার বার রিলোড করতে হতো না। যেখানে ইউ এস মেরিন ফোর্সের লোকেরা একবার রিলোড করে পনেরোটা গুলি ছুড়তো সেখানে পনেরোটা গুলি ছোড়া জন্য জাপানীদের কে ৩ বার রিলোড করতে হতো যার ফলে গুলির তীব্রতা ইউ এস মেরিন ফোর্সের বেশি হত এবং তারা খুব তাড়াতাড়ি কভার হারাতো। এবং তাড়াতাড়ি মারা পরত। আর একটি মজার আগ্নেয়াস্ত্র হলো থমসন রাইফেল বা Tommy Gun এই টমি গান আমার খুবই প্রিয় একটি আগ্নেয়াস্ত্র। যদিও বাস্তবে আমার M38 Ariska Rifle, M1 Grand Rifle এবং Beretta Model 38 এই আগ্নেয়াস্ত্র গুলো চালানোর সৌভাগ্য হয়েছে।
আমার মতে আমি টমি গান কেই সব চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেবো। এতে গুলি থাকতো পঞ্চাশটা যদিও দূরপাল্লার জন্য এই টমি গান নয়। এটি কাছাকাছি কোন লক্ষ কে ভেদ করার জন্য উত্তম। আবার যদি দুরপাল্লার আগ্নেয়াস্ত্র এর কথা বলেন তাহলে M1 Grand Rifle এর তুলনা হয় না, আর যদি এর সাথে কাস্টমাইজড টেলিস্কোপিক লেন্স লাগিয়ে নিতে পারেন তাহলে তো আর কোন কথা নাই
কিন্তু দূর পাল্লার যে কোন লক্ষ ভেদ করতে প্রথমেই বাতাসের গতি বেগ লক্ষ করুন কেননা বাতাসের গতি বেশি থাকলে আপনার গুলি কখনই লক্ষ ভেদ হবে নাহ এবং আপনি লক্ষ ভ্রষ্ট হবেন এবং শীকার আপনার অবস্থান টের পেয়ে যাবে এবং যার অর্থ তার গুলিতে আপনাকে প্রান হারাতে হবে
একটা গুলি ছোড়ার সময় সেই সময় অনেক কিছুকেই লক্ষ করতে হতো কেননা একবার লক্ষ ভ্রষ্ট হওয়ার মানেই সাক্ষাত মৃত্যু। সেই সময় জাপানীরা নাম্বু টাইপ ১৪ (Nambu Type 14) নামক আর একটি পিস্তল ব্যবহার করতো। এটি কেবল মাত্র অফিসারদেরই দেয়া হত। এই নাম্বু পিস্তল প্রথমে ১৯০৯ এ প্রস্তুত শুরু হয় কিন্ত তখন এর কেবল মাত্র টাইপ ৪ এর সংস্করন ছিল। এর পর যখন ১৯২০ এর দিকে নাম্বু টাইপ ১৪ উতপাদিত হল তখন এটি ১৯০৯ এর সেমি অটোমেটিক পিস্তলের চেয়ে অনেক বেশি ভালো এবং টেকশই হলো। যদিও এর গুলি ভরা নিয়ে এবং রিলোড করা নিয়ে ছিল নানা জটিলতা কেননা সেই সময় রিলোড করার সময় এর পিস্টন টি প্রচন্ড জোর দিয়ে টানতে হত এবং এতে যথেষ্ট সময় অপচয় হতো। নাম্বু এর গুলি দূর পাল্লার ছিলো নাহ। এবং এটি
ততকালীন ইউ এস মেরিন ফোর্সের ব্যবহৃত Glock অথবা Bretta এর কোনটারই সমকামী ছিলো নাহ। ওহ আচ্ছা আর একটা কথা বলি সেই সময় জার্মানরা তাদের প্রাইমারী রাইফেল হিসাবে ব্যবহার করতো MP40 Bar Rifle,আমার পচনদের এটিই একমাত্র জার্মান রাইফেল। এটি যদি কেউ ইউজ করে থাকেন তাহলে বুঝতে পারবেন। আমি ইউ এস মেরিন ফোর্সের ট্রেনিং এ এইটা ২বার চালিয়েছি। আর ওখানে যদি কেউ যান তাহলে M1 Grand, M38 Ariska, Mossin Nagat Rifle একবার হলেও ধরে দেখবেন। Mossin Nagat এটি ২য় বিশ্ব যুদ্ধে দূর পাল্লার স্নাইপার রাইফেল হিসাবে রাশিয়ান মিত্র বাহিনী ব্যবহার করে
এদের মধ্যে এম ওয়ান গ্রান্ড রাইফেল টি অনেক ভারি কিন্তু সুদর্শন
এটি নিখুত গুলি ছোড়ে এবং কোন রকম ভুল ট্রুটি না হলে সহজেই লক্ষ্য ভেদ করে। ভাই অনেক খন বক বক করলাম। রাত অনেক হয়ে গেছে। আমি এখন ঘুমাবো। প্রায় এখন ৪টা ৪০ বাজতে চলছে। আমি এত খন যা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম তা একান্তই আমার ব্যাক্তি গত অভিজ্ঞতা। একটু গুগোল এর সাহা্য্য নিয়েছি কেননা আমার ঐ রাইফেল গুলোর কোন টা কোন দেশ কখন ব্যবহার করেছে তা তো হুট হাট করে বলে দেয়া যায় নাহ। তাহলে হুদা কামে বেজ্জতি হইতে হবে।
যা হোক তাহলে আজকের মত আমি জর্জ অল্ড্রিন ঘোষ (George Aldrin Ghosh) বিদায় নিচ্ছি। ধন্যবাদ। আমি নতুন লেখক। আমার পোস্টে মন্তব্য করতে ভুলবেন নাহ। আমার লেখা ভালো লাগলে আমাকে ফেসবুকে সাবস্ক্রাইব করুন।
ফেসবুকঃ http://www.facebook.com/Josephite.1০
- ক্যাটেগরি:
- জর্জ অল্ড্রিন ঘোষ-এর ব্লগ
- মন্তব্য প্রদানের জন্য লগইন অথবা রেজিস্টার করুন
- ১৬৮ বার পঠিত
Twitter-এ প্রকাশ করুন


মন্তব্য
প্রচারেই প্রসার
...........................................
শুধু চেয়ে চেয়ে দেখি............।
দেখবেনই তো, কষ্ট করে রাত জেগে লিখলাম। চোখ আছে তো দেখার জন্যই ভাই। আগে এই সব তথ্য জানতেন কি ?
আমাকে ফেসবুকে সাবস্ক্রাইব করুনঃ http://www.facebook.com/Josephite.10
পিস্তলও সমকামী বা উভকামী বা বিপরীতগামী হয়?? কি তামশা!
-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।
ভাই এখানে সমকামী বলতে বুঝানো হয়েছে অন্য কিছু। আপনি এই সমকামী আর উভকামীর পিছে লাগছেন কেন
আমাকে ফেসবুকে সাবস্ক্রাইব করুনঃ http://www.facebook.com/Josephite.10
শব্দটা হবে 'সমকক্ষ'।
এই কাম মানে 'কাজ' না। শব্দ ইচ্ছামত ইউজ করলেই হয় না।
-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।
ভাই অস্ত্রশস্ত্র সম্পর্কে আপনারা জ্ঞান খুবই সীমিত এবং ভুলভ্রান্তিতে ভরা। MP40 রাইফেল নয়, সাবমেশিন গান। রাইফেল, অ্যাসল্ট রাইফেল আর সাবমেশিনগানের পার্থক্য যেকোনো সৈন্যের জানার কথা। জার্মান আর্মীর প্রধান রাইফেল ১৯০০ থেকে ১৯৪৫ পর্যন্ত ছিলো মাউজার Karabiner 98k। আর তৎকালীন ইউ এস মেরিন ফোর্সের Glock ব্যবহার করার প্রশ্নই আসে না, অস্ট্রিয়ান গ্লক কম্পানী পিস্তল তৈরী শুরু করে ২য় মহা্যুদ্ধের অনেক পরে।
ব্লগে নিয়ম আছে এক লেখকের এক পোষ্ট প্রথম পাতা থেকে সরে না গেলে আর পোষ্ট দেওয়া যায় না।
আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমে দিয়ে যাওয়া পোষ্টগুলি কিন্তু নাই হয়ে যেতে পারে যে কোন সময়।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই