বাংলায় নাম
তালপাতার সেপাই
পরিচিতি
সদর দরজা
আল জাজিরা যুধাপ্রাধীদের পক্ষে! সহায়তায় দেশী পূলিশ ও ডাক্তার।

যুদ্ধাপরাধী বিচার বাধাগ্রস্ত করতে এবার জামায়াত নতুন কৌশল নিয়েছে। বিরাট অঙ্কের টাকা খরচ করে বিদেশী প্রচার মাধ্যমের সাংবাদিকদের ঢাকা আনতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যেই ‘আলজাজিরা’ টেলিভিশনের এক সাংবাদিক ঢাকায় এসেছেন শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের সাক্ষাতকার নিতে। ওই সাংবাদিক ইতোমধ্যে গোলাম আযমের সাক্ষাতকার নেয়ার দিনক্ষণ ঠিক করে ফেলেছেন। আগামীকাল বুধবার সাক্ষাতকারটি নেয়া হবে। একটি প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা এ খবর নিশ্চিত করেছে।
প্রভাবশালী ওই গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা বলেন, গত কয়েকদিন আগে আলজাজিরা টিভির এক সাংবাদিক ঢাকায় এসেছেন। একটি বিশেষ ‘এ্যাসাইনমেন্টে’ তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। ওই সাংবাদিকের নাম নিকোলাস হক। বাংলাদেশে এসেই তিনি গ্রামীণফোনের একটি সংযোগ নিয়েছেন। সাংবাদিক নিকোলাস কয়েক জামায়াত নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন। জানা গেছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যুক্ত শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার্থে বিশ্ব জনমত পাল্টে দিতে কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। এর মধ্যে শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের সাক্ষাতকারও থাকছে। বিষয়টি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু আলজাজিরার ওই সাংবাদিক গোলাম আযমের সাক্ষাতকার নেয়ার সব ব্যবস্থা করে ফেলেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলে আটক গোলাম আযমের সঙ্গে তিনি এক দফা কথাও বলেছেন। আলজাজিরার ওই সাংবাদিকের এই এ্যাসাইনমেন্টের ব্যাপারে সরকারের ওপর মহলে একটি গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দফতরকেও অভিহিত করা হয়েছে। কিন্তু এ ব্যাপারে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে তা জানা যায়নি।
সূত্র জানিয়েছে, গোলাম আযমের সাক্ষাতকার নেয়ার বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক কর্মকর্তা এবং কিছু পুলিশ সদস্য সহযোগিতা দেবেন এমন খবরও মিলেছে। সরকারের তরফ থেকে আলজাজিরার সাংবাদিককে বাধা দেয়া হলে এই বিচার অসচ্ছ হচ্ছে বলে আরও বেশি অপপ্রচার করা হবে। তখন বিশ্বের আরও কয়েকটি প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যমকে জামায়াত বিরাট অঙ্কের টাকা দিয়ে ঢাকায় নিয়ে আসবে বলে জানা গেছে। আবার গোলাম আযমের সাক্ষাতকার নিতে দিলেও সরকার বিচারের ব্যাপারে গোলাম আযমের মিথ্যা কথা বিশ্ববাসীর কাছে প্রচার হবে। এ নিয়ে সরকার উভয় সঙ্কটে পড়েছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
জানা গেছে, যুদ্ধাপরাধীর বিচার হোক এমন প্রত্যাশা দেশের জনগণ দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে। ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নতুন সরকার তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রæতি অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার ঘোষণা দেয়। তখন বিদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী যুদ্ধাপরাধীদেরও দেশে ফিরিয়ে আনার কথাও বলা হয়। এরপরই যুদ্ধাপরাধী চক্র বিচারপ্রক্রিয়াকে ঠেকানোর জন্য দেশে-বিদেশে নানা ধরনের লবি শুরু করে। যুদ্ধাপরাধীরা সংঘবদ্ধ হয়ে মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাজ্য এমন কী খোদ আমেরিকায় বিভিন্ন পর্যায়ে ‘লবিস্ট’ নিয়োগ করে। এরপর সরকারের বলিষ্ঠ অবস্থানের কারণে ৮ শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়। এই ৮ জনের বিচার কাজ শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই অপরাধীরা মানবতাবিরোধী অপরাধ করলেও ঐতিহাসিক ও প্রতিষ্ঠিত সত্যকেও পাল্টে ফেলার অপচেষ্টা চালাচ্ছে জামায়াত। তরুণ প্রজন্ম যুদ্ধাপরাধীদের আইনের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছে অনেক আগে থেকেই। তারা জাতিকে কলঙ্ক মুক্ত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাতকারে বলেছেন, ২০১২ সালেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ শেষ করা হবে। রাস্তায় বোমা ফাটিয়ে আর বাসে আগুন দিয়ে মানুষ মেরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করা যাবে না। তাই নিশ্চিত ভরসা রাখি, এবার আমাদের প্রত্যাশা পূরণ হবেই। মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত আমাদের গৌরবময় আত্ম-পরিচয়কে নিষ্কলুষ এবং নিষ্কণ্টক করতেই হবে।
যুদ্ধাপরাধীরা কেউ অপরিচিত নয়, অজানা নয় তাদের অমানবিক অপরাধের কথাও। তবু এরা বলে, একাত্তরে কোন অপরাধ তারা করেনি। সেসঙ্গে অচেনা নয় তারাও, যারা যুদ্ধাপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়, রাজনৈতিক পুনর্বাসন দিয়েছে, মুক্তিযুদ্ধ-জয়ী দেশটার মন্ত্রী বানিয়েছে, গাড়িতে-বাড়িতে পতাকা ওড়ানোর অধিকার দিয়ে জাতিকে অপমাণিত করেছে। একসময় এরা বলত, এখন দেশ গড়ার সময়, যুদ্ধাপরাধী খুঁজতে গিয়ে জাতিকে বিভক্ত করা উচিত নয়। কখনো বলেছে, স্বাধীনতা-পরবর্তী সরকার যুদ্ধাপরাধীদের কোন তালিকা করেনি, তাই ওদের খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়, বিচার করাও নয়। এখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হওয়ার পর, ওরা বিচার বিঘিœত-বিলম্বিত করার নানান কায়দা করছে। যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে এক জোটে কাঁধে-কাঁধ মিলিয়েই সহযোগীরাও এখন যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনাল বা বিশেষ আদালতের ত্রæটি-সন্ধান করছে। জামায়াত-বিএনপি জোটনেত্রী বেগম জিয়া এখনো ‘সবিশেষ মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ’ সাজিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন তুলছেন, বঙ্গবন্ধুর সরকারই যুদ্ধাপরাধীদের ‘সাধারণ ক্ষমা’ করেছিলেন, এখন আবার বিচারের কথা উঠছে কেন? এই কথা যে মিথ্যা, তা বেগম জিয়ার অজানা, এমন কথা কেউ বিশ্বাস করে না। তবু তিনি এমন কথাই বলছেন, কারণ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হলে বিএনপি নামক দলটি নিজেদের প্রধান রাজনৈতিক সহযোগী শক্তির উৎসটা হারাবে। শুধু তাই নয়, বিচক্ষন বিএনপি-নেত্রী এ কথাও জানেন, এদের বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর অনিবার্যভাবেই আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের বিচারের দাবি উঠবেই। জামায়াতে ইসলামী ’৭১-এর নরঘাতক ও ধর্ষকদের একটি সংগঠন। বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ¶মার পরেও হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করার অভিযোগে তেত্রিশ হাজার কয়েক শ’ রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস জেলে আটক ছিল। তাদের বিচার চলছিল। এছাড়া কামারুজ্জামান, খালেক মজুমদার একটি হত্যার বিচারে শাস্তিভোগ করছিল ও তাদের অন্যান্য হত্যার বিচার চলছিল। জিয়াউর রহমান ¶মতায় এসে তাদের ছেড়ে দেন। তাই জামায়াতে ইসলামী যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বাংলাদেশে বিচারাধীন ১৯৭২ থেকে। এ কথাই সত্য যে, বাংলাদেশে সংসদে-সংবিধানে-আদালতে কিংবা নির্বাচনী ঘোষণায় কোনদিনই যুদ্ধাপরাধী বিচারের দাবিটি প্রত্যাহৃত কিংবা বাতিল হয়নি।
প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর জামায়াত মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা যে কোন মূল্যে বিচারকে বানচাল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বানচাল অসত্য প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য বিশাল অঙ্কের টাকার বাজেট করেছে বলে খবর মিলেছে। প্রভাবশালী ওই গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টেও এমন কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সত্র
আগেও আলজাজিরা যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে ভ্রান্ত প্রচারনা চালিয়ে ছিল। আমার প্রশ্ন জাগে শুধু আমেনা কেন? যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে কোনো তথ্য কি নিকোলাস হকের কাছে নাই? তাই যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে উনি কোনো কিছু প্রচার করার আগে, ওনার যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে ধারণা সম্পর্কে interview বিশ্ববাশির কাছে প্রচার করা হোক। কি বলেন আপনারা?
- ক্যাটেগরি:
- তালপাতার সেপাই-এর ব্লগ
- মন্তব্য প্রদানের জন্য লগইন অথবা রেজিস্টার করুন
- ৫০৩ বার পঠিত
Twitter-এ প্রকাশ করুন


মন্তব্য
কথা হলো শুধু জনকন্ঠ জানলো কিভাবে??
--------------------------------------------------------
প্রতিটি জীবন্ত দগ্ধ, বাংলাদেশের প্রতিটি
রাজনীতিবিদের গলার ফাস হয়ে ফিরে আসুক।
সরকার কি চুদু? ডরায়েন না।
নতুন প্রজন্ম পুরাটাই পুনরায় যুদ্ধ করতে প্রস্তুত।
____________________
ঘর ছেড়ে ধন খুঁজিস কেন বনে বনে?
এই সব বালছাল প্লান করে কিছু করতে পারবে বলে মনে হয়না।
দ্রুত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যকর হোক।
...................................................
**************************************
বরং দ্বিমত হও আস্থা রাখ দ্বিতীয় বিদ্যায়।
বরং বিক্ষত হও প্রশ্নের পাথরে।
যুদ্ধাপরাধে সরকারের প্রিজন সেলে থাকা বিচারাধীন গো আজমের সাক্ষাৎকারের দিনকাল ঠিক হয়ে গেছে। আর সরকার কিছুই জানে না!!!!! প্রিজন সেলে কে কার সাথে দেখা করবে তা নির্ধারনের দ্বায়িত্বে মগবাজার অফিস নাকি!!???!!
আপনি যেদিন থেকে ব্লগিং শুরু করেছেন, সেদিন থেকে আমি আর কোন সরকারি প্রেস রিলিজ পড়িনা, এক কাজ দুইবার করার মানে হয়না।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
✪✪✪✪✪
লাফাই ঝাপাই,
আকাস বাতাস কাপাই
আমি তালপাতার সেপাই
বিদ্র : দেশ রাজাকার মুক্ত করতে না পারি, ঘৃণা করা ঠেকায় কে?
ডাহা মিছা কখা।।।।।।।। al jazira এমন কাজ করতে পারে না,,,,,,,,, আপনি তো মনে হয় জামাতের দালাল তাছাড়া জামায়াত টাকা দিয়ে আলজাজিরা নিয়া আসছে আপনি জানলেন কি করে???
'''''' Man is mortal.''''''''' so be all people careful.''''''''''''''''''''