জিব্রাইল (আঃ)-এর সাথে স্বাধীনতা তুমির প্রথম সাক্ষাত।
লিখেছেন: স্বাধীনতা তুমি
গত ১১ই আগস্টের দিবাগত রাতের মধ্যাহ্ন পার হয়ে ১২ই আগস্টের রাতের প্রথম প্রহর তখন শুরু হয়ে গেছে। আমি কম্পিউটা বন্ধ করে বিছানায় ঘুমাতে গেলাম। কিছুক্ষনের মধ্যেই ঘুম চলে আসে। হঠাৎই মনে হলো আমি বোধ হয় স্বপ্নে দেখছি, এক নূরানী চেহারার এক লোক এসে আমাকে বলছে,
“আস-সালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লা।” আমি এর উত্তরে বললাম,
“ওয়ালাইকুম আস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।” তিনি আমাকে আবার বললেন,
“হে স্বাধীনতা তুমি, প্রথমে আমি আমার পরিচয় আপনাকে দান করছি, আমি জিব্রাইল (আঃ)। আমি আল্লাহর তরফ থেকে তাঁর কিছু সু-সংবাদ বহন করে নিয়ে আপনার নিকট এসেছি। আল্লাহ আপনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে এবং আপনার নামের যথার্থতা প্রমানের জন্যে তিনি আপনার উপর কিছু দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। সেই সু-সংবাদ পৌছানোর জন্যে তিনি আমাকে তাঁর দূত হিসাবে আপনার নিকট প্রেরণ করেছেন।” তার এই কথাগুলো শুনে যেন আমার গায়ের লোমগুলো একেবারে খাড়া হয়ে উঠলো। আমি ভয়ে ভীষন ভীত হয়ে পড়লাম, প্রায় কম্পমান। আমার নিজের কাছেই যেন সব কিছুকে অবিশ্বাস্য ঘটনা বলে মনে হতে লাগলো। তাই আমি আমার নিজ হাতে নিজে চিমটি কেটে দেখার চেষ্টা করলাম। কিন্তু কোন অনুভূতি না পেয়ে যেন আশ্বস্ত হলাম এই যে, এটা বাস্তব কোন ঘটনা না, আমি স্বপ্ন দেখছি। অতএব ঘাবড়াবার বা ভীত হবার কোন কিছু নেই। জিব্রাইল আমার এই অবস্থা দেখে সে বুঝতে পেরেছেন যে আমি বিষয়টা সম্পর্কে আশ্বস্ত হয়েছি যে এটা কোরন সত্যি কোন ঘটনা নয়, এটা একটা স্বপ্ন মাত্র, তাই এটা অবিশ্বাস্য ঘটনা। তখন সে আমাকে বললেন,
“হে স্বাধীনতা তুমি, আপনি হয়তো আমার উপস্থিতি নিয়ে ভীষন সংশযের মধ্যে আছেন? আপনি ভাবছেন আপনি স্বপ্নের মধ্যে আছেন, অর্থাৎ স্বপ্ন দেখছেন? হ্যা এখন পর্যন্ত আপনি স্বপ্নই দেখছিলেন। তবে আপনার মধ্যে যেন কোন সংশয় না থাকে সে জন্যে আমি আপনাকে অনুরোধ করছি আপনি ঘুম থেকে জাগ্রত হোন। দেখবেন এটা অবিশ্বাস্য কোন ঘটনা না। আমি আল্লাহর তরফ থেকে তাঁর দূত হিসাবে তাঁর কিছু বারতা নিয়ে এসেছি। যেহেতু স্বপ্নের মধ্যে আপনাকে বললে আপনার কাছে সম্পূর্ণ বিষয়টা সংশয় হিসাবে গ্রহনযোগ্যতা পেতে পারে, সেহেতু আপনাকে স্বপ্নে নয় জাগ্রত অবস্থাতেই বর্ণনা করতে চাই। আপনি নিদ্রা ভঙ্গ করে জাগ্রত হোন।” জিব্রাইলের এই কথা শেষ হতেই দেখি আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল। জিব্রাইল আবার বললো,
“হে স্বাধীনতা তুমি এবার আপনি আপনার দেহের যে কোন অংশে চিমটি কেটে দেখেন যে আপনি চিমটির ব্যথা অনুভব করছেন কিনা এবং সঠিক ভাবে আশ্বস্ত হোন আপনি জাগ্রত হয়েছেন কিনা।” জিব্রাইলের কথা শুনে আমি তাই করলাম। জোরে একটা চিমটি কাটলাম আমার ডান হাত দিয়ে বাম হাতের পিঠে এবং আমি ভীষন ব্যথা অনুভব করলাম। বুঝতে পারলাম আমি এখন জেগে আছি। এবার আমার ভয়ে আবার যেন লোমগুলো কাটা দিয়ে উঠলো। কারণ জিব্রাইল আমার কাছে আসবে কেন? জিব্রাইল তো আর কখনই পৃথিবীতে আসার কথা নয়। কারণ জিব্রাইল শুধু আল্লাহর বার্তা নিয়ে তাঁর নির্বাচিত প্রতিনিধির নিকট সেই বার্তা পৌঁছায়ে দিয়ে থাকেন। যেহেতু মোহাম্মদই আল্লাহর মনোনীত শেষ প্রতিনিধি ছিলেন সেহেতু জিব্রাইল আর কখনও কোন বর্তা নিয়ে এই পৃথিবীতে কোন মানুষের কাছে আসার কথা নয়। তাহলে জিব্রাইল কেন আমার কাছে এসেছে? আমি অত্যন্ত ভীত স্বরে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম,
“তুমি যে জিব্রাইল তার প্রমান কি? কারণ আমার জানা মতে জিব্রাইল আর কখনই পৃথিবীতে আসবে না। কারণ মোহাম্মদই আল্লাহর শেষ প্রতিনিধি ছিলেন। কোরআনে এমনই নির্দেশনা দেয়া আছে। আর আল্লাহর মনোনিত প্রতিনিধিগণ ছাড়া আল্লাহর কোন বার্তা আল্লাহ কারও নিকট পাঠান না। আর আল্লাহর বার্তা ছাড়া জিব্রাইল কখনই পৃথিবীতে আসেন না। তুমি কি ভাবে প্রমাণ দেবে যে তুমিই জিব্রাইল?” আমার কথা শুনে জিব্রাইল মৃদু হেসে বললেন,
“হে স্বাধীনতা তুমি, আমি আপনাকে আশ্বস্ত করছি যে আমি আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় সকল ফেরেস্তাদের প্রধান নেতা জিব্রাইল (আঃ)। জানি আপনি আমাকে ততক্ষন বিশ্বাস করবেন না যতক্ষন না আমি আপনাকে আলিঙ্গন করি। আসুন, আমারা উভয় উভয়কে আলিঙ্গন করি।” এই বলে সে আমাকে জড়িয়ে ধরে। সে যখন আমাকে জড়িয়ে ধরে সাথে সাথে আমার চারিদিকে এক অপরূপ আলোক বলয়ের সৃষ্টি হয়। সেই মন্ত্রমুগ্ধকর আলোক বলয় আমাকে চারিদিক দিয়ে ঘিরে আমাকে এক সুখকর আনন্দের অনুভূতি দিতে থাকে। কিছক্ষনের মধ্যে এই অপরূপ অনুভূতির অনুভব আমাকে স্বর্গীয় অনুভূতির অনুভবকে স্মরণ করিয়ে দিতে লাগলো। মনে হলো আমি যেন এক মায়াবী জালে আচ্ছাদিত হয়ে পড়েছি। আমার স্মৃতি শক্তির মধ্যে কেমন যেন একটা পরিবর্তন ঘটছে। আমি বর্তমান থেকে অতীতের অনেক বিষয়কে যেন মুহুর্তের মধ্যে দর্শন করতে লাগলাম। সেই আদম (আঃ) সময় থেকে শুরু করে মোহাম্মদ (সঃ) এর সময় পর্যন্ত সব বিষয়কে যেন আমার স্মরণ শক্তির মধ্যে পশ্চাৎ প্রসারণ করে সব ঘটনাকে দেখানো হলো। কিভাবে তারা নবুয়ত পেয়েছিল এবং নবুয়তকালীন তারা কি ভাবে তা পালন করেছিল এবং আল্লাহর বাণী কিভাবে প্রচার করেছিল সবই যেন দেখতে পেলাম। জিব্রাইল আমাকে আরও জোরে চেপে ধরে বলতে লাগলো,
“হে স্বাধীনতা তুমি বলুন, আপনি একাগ্র চিত্তে আল্লাহকে স্মরণ করুন। আপনি আমার মধ্যে আল্লাহর পাঠানো বার্তা শুনতে পাবেন। আপনি দুনিয়াদারীর সমস্ত কিছুকে সাময়িক ভাবে ভুলে শুধু আল্লাহর স্মরণে নিজেকে নিমগ্ন করুন।” আমি জিব্রাইলের কথা শুনে তার কথা মত সব কিছুকে ভুলে শুধু আল্লাহর উপর আমার ভাবনাকে স্থির করলাম। কিন্তু আমি যেন কিছু বুঝতে পারছিলাম না। তাই আমি জিব্রাইলকে জিজ্ঞাসা করলাম,
“হে জিব্রাইল আমি তো তোমার কথা অনুসাকে আমার ভাবনাকে শুধু আল্লাহর প্রতি নির্দিষ্ট করেছি, কিন্তু কৈ আমি তো তাঁর কোন বাণী শুনতে পারছি না যে?” আমার কথা শুনে জিব্রাইল আমাকে আরও জোরে চেপে ধরে। এতে করে যেন আমার দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হয় প্রায়। তাই আবারও আমি জিব্রাইলকে বললাম,
“জিব্রাইল, একি করছো আমাকে এতো জোরে চেপে ধরছো কেন? আমার তো দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে? আমি তো মরে যাব, আমাকে ছেড়ে দেও।” আমার কথা শুনে জিব্রাইল আমাকে বলতে লাগলো,
“হে স্বাধীনতা তুমি, আমি আপনাকে বলেছি যে আপনি শুধু আপনার ভাবনাকে আল্লাহকে স্মরণ করে তাঁর প্রতি স্থির করে রাখুন। অন্য সব চিন্তা থেকে আপনার ভাবনাকে সরিয়ে নিন। আপনি কি করছেন, আমার কথা কেন মানছেন না। অনুগ্রহ করে আমার কথা মান্য করুন। এতে আপনার জন্যেই ভাল, আপনি আল্লাহর পাঠানো বার্তাগুলি শুনতে পারবেন। আপনি কিছূনের জন্যে সব ভুলে যান।” আমি জিব্রাইলের কথা শুনে আবারও আমার ভাবনাকে শুধু আল্লাহর প্রতি স্মরণ করে স্থির করলাম এবং অপেক্ষা করতে থাকলাম আল্লাহর বার্তা শুনার জন্যে। বেশ কিছুন পর আমার দৃষ্টির সম্মুখে বিশাল এক আলোকছটা এসে পড়লো এবং আমাকে সব কিছু ভুলায়ে মায়মন্ত্রের মত এক অনুভুতি দ্বারা অচ্ছাদিত করে ফেললো। ধিরে ধিরে বেশ গুরুগম্ভীর কণ্ঠে বহুদূর থেকে কথা ভেসে আসতে লাগলো। কতটুকু সময় ধরে এই বাক্যালাপ হলো তা বলতে পারবো না। তবে আল্লাহর বর্তা আসা শেষ হতেই জিব্রাইল আমাকে ছেড়ে দেয়। আমি আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসি। এবার জিব্রাইল আমাকে বললো,
“হে স্বাধীনতা তুমি, এখন তো আপনার বিশ্বাস হলো যে আমি আসলেই জিব্রাইল (আঃ)?” আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম,
“হে জিব্রাইল আমি যে আল্লাহর তরফ থেকে যে নির্দেশনাগুলো পেলাম আমি তা মানুষের কাছে কিভাবে প্রচার করবো? তারা তো আমার কথা বিশ্বাস করবে না। কারণ তারা সকলেই জানে যে মোহাম্মদ (সঃ)-ই সর্বশেষ আল্লাহর প্রতিনিধি। তারা তো কেউ আমার কথা বিশ্বাস করবে না।” আমার কথা শুনে জিব্রাইল আমাকে বললো,
“হে স্বাধীনতা তুমি, এটা কোন বিষয়ই না, কারণ মোহাম্মদ (সঃ) সহ আল্লাহর অন্যান্য প্রতিনিধিরাও যখন আল্লাহর বর্তা নিয়ে হাজির হয়েছিল তখনও এইরূপ হয়েছিল। কেউ তাঁদেরও কথা বিশ্বাস করতে চাইনি। বরং তঁদেরকে অবিশ্বাস করে তাঁদের উপর বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার করেছিল। তবে এবার তেমন কিছুই হবে না। আল্লাহ আপনাকে স্বয়ং রক্ষা করার প্রতিশ্রতি দিয়েছেন। অবশ্যই আল্লাহ আপনাকে নির্দেশনা দিয়েছেন, কিভাবে তার প্রচার করবেন?” আমি বললাম,
“হ্যা আমাকে তিনি সব নির্দেশনাই দিয়েছেন।” এবার জিব্রাইল আমাকে শেষ বিদায় জানিয়ে বলে,
“হে স্বাধীনতা তুমি, তাহলে তো আপনার আর কোনই চিন্তা নেই। আপনি আপনার কাজ চলিয়ে যান। এবার আমাকে অনুমতি দিন, আমি চলে যেতে চাই। আবার আল্লাহর তরফ থেকে নুতন কোন বার্তা আপনার নিকট প্রেরণের অনুমতি পেলে আবার আপনার সামনে হাজির হব। আল্লাহ হাফিজ।” এই বলে সে চেখের নিমিশেই অদৃশ্য হয়ে গেল। সে চলে যাবার পরে আমি আবার আল্লাহর তরফ থেকে পাওয়া বার্তাগুলো পুনরায় আবার স্মরণ করতে লাগলাম।






এইগুলা কি টাইপ কথাবার্তা………..
নবীজি ছাতু (আঃ) এর রওজা মুবারক দর্শনের অপেকষায় বেচেইন হইলাম! (H)
আচ্ছা? গ্যাব্রিয়েল কি পুং লিঙ্গ, না মহিলা?
আবার আজাইরা প্যাচাল শুরু করছে….স্বাধীনতা তুমি নতুন ধর্ম প্রচারের ইচ্ছা থাকলে করেন…ইসলাম ধর্মে লগি দিতাছেন ক্যান……..আপনার কাছে ওহি আসছে ভালো কথা…চ্যালেন্জ ন্যান…প্রচারে নাইমা পড়েন..আমাগো ইমপ্রোভাইজ করেন………
আরিফুর রহমান ১৫/০৮/০৮ ৪:২৪ অপরাহ্ন
নকীব, গ্যাব্রিয়েল ইসলামের বাপের সম্পত্তি না! এই বালিকা প্রায়ই বিভিন্ন ধর্ম উদ্ভাবকের কল্পনায় ধরা দিয়া থাকেন।
কুমারীমাতার পুত্রের আবিষ্কৃত দর্ম খেরেস্তানিতেও উহার আলাপ রহিয়াছে! ….
আম্গোর ছাতু (আঃ) যদি ‘ছাগলাম’ নামে নতুন দর্ম আবিষ্কারের চেষ্টা করে, তাইলে তারে দুষ না দিয়া উৎসাহ দেয়া উচিত!
সুতরাং খৈয়াল কৈরা! (H)
নকীব ১৫/০৮/০৮ ৪:৩০ অপরাহ্ন
সেইটাই তো বলতেছি…দাওয়াত দেয়া শুরু করেন…. আপনাগো ছাতু (আঃ) ‘ছাগলাম’ ধর্ম ব্যাখ্যা কইরা একটা পুষ্ট দেন..
আরিফুর রহমান ১৫/০৮/০৮ ৪:৫৭ অপরাহ্ন
আসলে আগে ছাতু মরতে হবে ! সে না মরলে তার আবিষ্কৃত আবজাবগুলাতো কম্পাইল করা যাবে না, তাই না!
তারও কয়েকশো বছর পরে, যখন সাক্ষী দেয়ার মতো কেউ থাকবে না তখন ‘ছাতুরান’ নতুন করে লেখা হবে। সেইটাই হবে ‘অবিকৃত’ ‘ছাতু-র আল্লা’ বা ছাতুল্লা’র ঐশি ওহী…
তার পরে যদি ছাগলাম ধর্মে যথেষ্ট পরিমান দমনপীড়নের অনুমোদন থাকে, এবং প্রচুর মেয়েলোক ভোগ করার ফাঁকফোকর থাকে.. তখন নাহয় খলিফা হওনের চেষ্টা করন যাইবেক! (H)
আরিফুর রহমান ১৫/০৮/০৮ ৫:১০ অপরাহ্ন
তুমার মৃগীরুগ আছে তো? নাইলে কিন্তু প্রপার (সাঃ) হইতে পারবা না?
তা কৈলানা যে? ছামুয়ারে বেন খাইলা কি আকাম কৈরা? (H)
ভাই এটা পড়ে দেখুনঃ http://www.bbc.co.uk/health/conditions/mental_health/disorders_schiz1.shtml
ছাতু, তুমি ছামোয়ারে বেন খাইলা কেন?
ভাইঙ্গা ক্ও তো!
আমাগের জানতে মঞ্চায়! (H)
আরিফুর রহমান ১৫/০৮/০৮ ৭:৪৭ অপরাহ্ন
কি বিষয়, এই বেফারে ছাতু এরম রহস্যজনক নীরব কেন!!
বড়ই সন্দেহযুক্ত কতা!
আপনাকে একটা প্রশ্ন করি, আশা করি সততার সাথে সঠিক উত্তর দিবেন। নো অফেন্স, আমি সত্যি জানতে চাই । উত্তর না দিতে চাইলে বলবেন, “বলতে চাই না”, কিন্তু দয়াকরে কথা ঘুরাবেন না, প্লিজ।
আপনি কি কাদিয়ানী ?
আফলাতুন ১৫/০৮/০৮ ৬:৩২ অপরাহ্ন
কাদিয়ানী না । তিনি বাংলায়ানী । নতুন ভ্যরাইটি
হায় আল্লাহ! আমি তো বিশ্বাসই করতে পারছি না, বাংলার বুকে একজন রাসূলের আবির্ভাব! কি সৌভাগ্য বাঙ্গালী জাতির। আজ এমন শোকের দিনে আল্লাহ তুমি এ কি নিয়ামাত ভেজলা!
শুকুর আল-হামদুলিল্লাহ! ইয়া স্বাতু (আঃ) রাসূল ছালা-মালাইকা…
এইটা কেমুন ছাগলীপনা। স্বাতুর দেখি আর দেখা নাই।
ট্র্যাকব্যাকঃ
আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে মন্তব্য করার জন্য!
আমার মেনু
স্বাধীনতা তুমি
এই পর্যন্ত 149 টি ব্লগ লিখেছেন
প্রিয় পোস্ট
কোন পোস্ট প্রিয় তালিকায় যোগ করা হয়নি।
1 জন ব্যবহারকারি এই পেইজটি পড়ছেন!
1 জন অতিথি
সদস্যরা হলেনঃ