আমাকে যেন এ ভাবে স্বর্গের সিঁড়িতে পা রাখতে না হয় তার নিশ্চয়তা কেউ দিবেন কি?
লিখেছেন: সুন্দর সমর
বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ পরিচালক ৫০ বছর বয়সী প্রশান্ত কুমারকে অভিনন্দন। হাতের কাছে থাকলে উপহারও দিতাম। মর্গে ৩০ ঘন্টা কাটানোর পর মর্ত্যলোকে ফিরে আসার ঘটনা নেহাৎই বিরল। তবে তার এই পুনঃজন্মের পেছনে অলৌকিক ঘটনার বদলে লৌকিক বিভ্রান্তিই দায়ী। দুঘর্টনার কারণে ফুসফুসে ময়লা জমায় তিনি কোমায় চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে মৃত বলে ভ্রম করেছিলেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের জরুরী বিভাগের চিকিৎসকরা। এবং তাকে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিলো মর্গে। তার সন্ধানে এসেছিলেন যে আত্মীয় তিনি চিকিৎসক না হলে এই বিভ্রান্তি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হত না। প্রাণ থাকতেই প্রশান্ত কুমারকে চিতায় চাপতে হত হয়ত।
কিন্তু এই ঘটনা কি ইংগিত দেয় না এর আগে এমন বিভ্রাট ঘটিয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল সহ যাবতীয় মেডিক্যাল কলেজ তথা হাসপাতালের চিকিৎসকরা? এ জাতীয় ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে তার লক্ষ্যে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে তা কিন্তু এখন আমরা জানতে পারিনি। এটাই আমাদের দুর্ভাগ্য। কে জানে দুঘর্টনা কবলিত অচেতন আমাকেও একদিন প্রাণ থাকতেই মর্গে প্রেরণ করবেন কোনো জরুরী বিভাগ কর্মরত চিকিৎসক। আর সেখান থেকে ‘জীবিত’ অবস্থায় হয় স্বর্গের সিড়িতে পা রাখব আমি। পিছে পড়ে রবে হতভাগী স্ত্রী এবং সন্তানরা। এবং অনেক ব্লগার বন্ধু সহ বন্ধু পরিজন। কিন্তু আমাকে যেন এ ভাবে স্বর্গের সিঁড়িতে পা রাখতে না হয় তার নিশ্চয়তা কেউ দিবেন কি?






আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে মন্তব্য করার জন্য!