বাংলায় নাম
এম সরোয়ার হোসেন
পরিচিতি
সদর দরজা
মানবতার মুখোশে গুয়েতেমালা ও টাসকিগিতে সিফিলিস টেস্ট!
সম্প্রতি গুয়েতেমালার সিফিলিস টেস্টের খবর বিশ্ব মানবতাকে হতবাক করেছে। ঘটনাটি ৬৪ বছর আগে ঘটলেও ফাঁস হয় গত বছরের শেষের নাগাদ ( এ বিষয়ে বিস্তারিত রিসার্চ পেপার এখানে )। এসব ঘটনা প্রথম দিকে সাধারণত ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বলে উড়িয়ে দেয়া হয়। আমেরিকার টাসকিগির (Tuskegee) সিফিলিস টেস্টের ব্যাপারটিকেও একসময় ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বা মিথ বলা হতো। গুয়েতেমালায় ১৯৪৬-১৯৪৮ সালে আমেরিকান সরকারের অর্থে পরিচালিত গবেষণায় পতিতাদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে মিথ্যা ও মানবতার মুখোশে সিফিলিসের জীবাণু তাদের দেহে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। প্রায় ৭০০ জন মানুষর দেহে সিফিলিসের জীবাণু দিয়ে সংক্রমিত করা হয়। এদের মধ্যে মানসিক প্রতিবন্ধীও ছিল।
জীবাণুর সংক্রমণ বিস্তারে সিফিলিস সংক্রমিত পতিতাদেরকে জেলখানার কয়েদী ও সৈনিকদের সাথে যৌনকার্যে প্ররোচিত করা হয়। এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য ছিল সিফিলিসের বিরুদ্ধে এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা। টাসকিগির সিফিলিস স্টাডির পুরাতন কাগজ-পত্র ঘাঁটতে গিয়ে গুয়েতেমালার খবরটি লাইম লাইটে আসে। বর্ণ-বিদ্বেষ ও এথিকস-এ বিশেষজ্ঞ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ওবামা তাৎক্ষণিকভাবে নিন্দা জানান ও গুয়েতেমালার প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন ( বিস্তারিত ) । এর ফলে খবরটি বিশ্বের আনাচে-কানাচে পৌঁছে যায়। যারা এসব বিষয়ে ওয়াকিবহাল নন তাদের মনে বিষয়টি চরমভাবে রেখাপাত করেছে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে এ ধরণের মানবতা বিরোধী কর্মকান্ড যুগ যুগ ধরে চলেছে; এমনকি এখনো চলছে। গরীব দেশের গবীর মানুষগুলোই এসব নির্মমতার শিকার হয়। গুয়েতেমালার স্টাডিতে টাসকিগি গবেষকও জড়িত ছিলেন। এটাও ছিল টাসকিগি স্টাডির অংশ।
টাসকিগি সিফিলিস স্টাডি
বিংশ শতাব্দীর চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে সবচেয়ে কুখ্যাত কালো অধ্যায় রচিত হয়েছে আমেরিকার টাসকিগি সিফিলিস স্টাডিকে কেন্দ্র করে। [ সুত্র ] দীর্ঘ ৪০ বছর মানবতাকে তাচ্ছিল্য ও উপহাস করে কৃষ্ণাঙ্গদের (Black) উপর এই পরীক্ষাটি চলানো হয়। বিনামূল্যে চিকিৎসা-সেবা এবং খাবারের লোভ দেখিয়ে লিফলেটের মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ৬০০ জন গরীব কৃষ্ণাঙ্গদের সিফিলিস গবেষণাতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এদের মধ্যে ৩৯৯ জন সিফিলিস আক্রান্ত এবং ২০১ জন ছিলেন সিফিলিসমুক্ত। ১৯৪৭ থেকে সিফিলিস চিকিৎসায় পেনিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার শুরু হয়। কিন্তু চিকিৎসা ছাড়া সিফিলিস রোগীর গতি-প্রকৃতি প্রত্যক্ষ করাই (Natural progression of untreated syphilis patient) ছিল টাসকিগির গবেষণার অন্যতম বিষয়বস্তু। এই লক্ষ্যে হত-দরিদ্র্য কৃষ্ণাঙ্গ রোগীদেরকে ঔষধ দেয়ার নাম করে প্লাসিবো (Placebo) দেয়া হয়। বাস্তবে এতে সিফিলিসের কোন ঔষধ ছিল না কিন্তু রোগীরা তা ঔষধ মনে করে সেবন করত। এই প্রতারণার কারণে রোগীরা যুগ যুগ ধরে সিফিলিস রোগের ভয়ানক মর্ম-যন্ত্রনা ভোগ করেন ( সিফিলিসে আক্রান্ত মানুষের বিভৎস ছবি )। শুধু তাই নয়, বিনা চিকিৎসার কারণে সিফিলিস আক্রান্ত স্বামী থেকে ৪০ জন স্ত্রী এবং ১৯ জন গর্ভজাত বাচ্চাদের দেহে জীবাণু সংক্রামিত হয় (Congenital Shypillis)। চল্লিশ বছরের এই গবেষণাতে ১২৮ জন রোগী মারা যায়। মানবতার নির্মম পরিহাস এই যে, যারা মারা গেছেন তাদের অনেকে হয়তবা জানেনই না তারা বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন!
টাসকিগি স্টাডির সাথে বৈজ্ঞানিক বর্ণবাদের যোগসূত্রতা
ইতিহাসবিদদের মতে এটা বর্ণবাদের সাথে সম্পর্কযুক্ত। এটা কি সায়েন্টিফিক রেসিজম (Scientific racism) বা বর্ণবাদ কিনা তা নিয়ে এখনও গবেষণা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা যথাসম্ভব চেষ্টা করছেন যাতে এটা বিজ্ঞানের সাথে জড়িত না হয়, কেননা এতে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের হয়ে যেতে পারে। এ বিষয়ে সর্বশেষ অক্সফোর্ড এর Journal of Medical History’র গবেষণাপত্র অনুসারে টাসকিগির সিফিলিস স্টাডিকে সায়েন্টিক বর্ণবাদের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী আমেরিকা-ইউরোপে কালোদের অবস্থান সাদাদের চেয়ে নীচে। যদিও ডারউইনের জন্মের আগে থেকেই সমাজে বর্ণবাদ প্রতিষ্ঠিত ছিল তথাপি তার বিবর্তনবাদ তত্ত্ব এটাকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দেয়। বিশ শতকের প্রথম দিকে বিজ্ঞানীরা মনে করতেন সিফিলিস জীবাণুর স্নায়ুতন্ত্রে সংক্রমণের (নিউরোসিফিলিস) ক্ষেত্রে বর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এবং কালোদের ক্ষেত্রে এটা বেশী দেখা যায়। এই পর্যবেক্ষণকে ঐ সময়ের বিজ্ঞানীরা কৃষ্ণাঙ্গদের আদি প্রকৃতির মস্তিষ্ক (Rudimentary brain) গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করতেন। টাসকিগি স্টাডিতে তাদের এই হাইপোথিসিসকে টেস্ট করার জন্য এক্সপেরিমেন্ট ডিজাইন করা হয়। নিউরোসিফিলিস সাধারণত দেখা যায় সিফিলিস সংক্রমণের ১০-২০ বছর পর। টাসকিগির স্টাডি দীর্ঘ মেয়াদী হওয়ায় এ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাওয়ার কথা। জার্নালের ভাষায় -
The examination in this paper of the concept of a racially determined resistance to syphilis in the nervous system establishes such a link. Discussion of nervous resistance to syphilis appeared in the medical literature in the early twentieth century as a conjecture about the natural inferiority of blacks. White physicians used the concept to interpret racial differences in neurosyphilis as evidence of the rudimentary development of the brain. A small community of African American physicians joined other national experts in syphilis who chose to explain apparent racial differences through alternate mechanisms. But the scientific advisors to the Tuskegee Syphilis Study favored the concept of a racial resistance to neurosyphilis and steered the early design of the study to help to elucidate it. The Tuskegee Syphilis Study was an examination of untreated syphilis, but it also became a demonstration of a putative racial characteristic of syphilis long considered evidence of the natural inferiority of blacks. An examination of the concept of racial nervous resistance and its influence on the research in Macon County helps to define the influence of scientific racism on this notorious medical study.
টাসকিগির স্টাডি সমসাময়িক সময়ে সায়েন্টিফিক রেসিজম আমেরিকায় বেশ বেগবান ছিল, কেননা উনিশ শতকের শুরুর দিক হতে ৬০’র দশক পর্যন্ত আমেরিকাতে ইউজেনিক্স (Eugenics) মুভমেন্ট সমাজে গ্রহণযোগতা লাভ করে। ইউজেনিক্স হচ্ছে সোসাল ডারউইনিজমের ব্যবহারিক রূপ। এটা প্রচার ও প্রসারে শত শত বিজ্ঞানীসহ চার্চও অন্তর্ভূক্ত ছিল। আমেরিকার কোল্ড স্প্রিং হার্বর ল্যাব (Cold Spring Harbor Laboratory) থেকে ইউজেনিক্সের সূচনা হয়। ডারউইনের হাফ কাজিন স্যার ফান্সিস গ্যালটন ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ইউজেনিক্স মতবাদ প্রবর্তন করেন ( বিস্তারিত )। পরবর্তীতে নোবেল বিজয়ী বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও তথ্য প্রযুক্তি বিপ্লবের অন্যতম কর্ণধার বলে খ্যাত উইলিয়াম শোকলে ( William Shockley ) ইউজেনিক্স মুভমেন্টে গভীরভাবে জড়িত হন এবং এটাকেই তিনি জীবনের সবচেয়ে মহৎ কর্ম হিসেবে মনে করতেন। কৃষ্ণাঙ্গরা বিবর্তন অনুযায়ী কম বুদ্ধিসম্পন্ন। তাই তাদের বংশবৃদ্ধি রোধ করার জন্য আমেরিকাতে জোর করে বন্ধ্যাকরণ প্রোগ্রামও চালু করা হয় (ভিডিও দেখুন)। সেই ইউজেনিক্স মতবাদে দীক্ষিত হয়ে বিজ্ঞানীরা কৃষ্ণাঙ্গদের গিনিপিগের মতো গণ্য করত।
প্রসঙ্গত, ১৯১৩ থেকে ১৯৫১ পর্যন্ত আমেরিকার San Quentin জেলখানার প্রধান শৈল্য চিকিৎসক Dr. Leo Stanley মানুষের অণ্ডকোষ (Testicle) প্রতিস্থাপন নিয়ে বিভিন্ন ধরণের পরীক্ষা করেন। সদ্য ফাঁসি হওয়া কয়েদীদের অণ্ডকোষ তিনি জীবিত কয়েদীদের অণ্ডকোষ ফেলে দিয়ে তা প্রতিস্থাপন করার চেষ্টা করতেন। এমনকি ছাগল, ভেড়া ও শুকরের অণ্ডকোষ জীবিত কয়েদীদের দেহে প্রতিস্থাপনের চেষ্টা করেন। তার মতে ক্রিমিনাল (সাধারণত কৃষ্ণাঙ্গরা) কর্মকাণ্ড বায়োলজিক্যাল (অর্থাৎ জীন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত)। তার রিসার্চের উদ্দেশ্য ছিল অনুপযুক্তদের (Unfit) বংশধারা চিরতরে রহিত করা। (বিস্তারিত জানতে পড়ুন- Unethical human experimentation in the United States )
গাইনোকোলজির জনক বলে খ্যাত আমেরিকান বিজ্ঞানী জেমস মেরিয়ন সিম্পস ( James Marion Sims ) আফ্রিকান ক্রীতদাসীদেরকে অচেতনমূলক প্রক্রিয়া (Anesthesia) ছাড়াই অপারেশন করতেন, কেননা সে সময়কার শ্বেতাংগ ডাক্তাদের ধারণা অনুযায়ী কালো মানুষেরা ব্যথা অনুভব করে না! তিনি এমনকি এক দাসীকে ৩০ বার চেতন অবস্থায় অপারেশন করেছিলেন [ সূত্র ]! বাচ্চাদের ট্রিসমাস-এর কারণ অনুসন্ধানার্থে নিজস্ব তত্ত্ব প্রমাণ করার জন্য ক্রীতদাসীর বাচ্চার মাথার খুলি মুচির সুঁচ দিয়ে অপসরণ করেছিলেন [ সূত্র ]!
বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে ইউজেনিক্স অপ-বিজ্ঞান হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু বিবর্তনবাদের আলোকে কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি এখনো অনেকে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেন। পলিটিক্যাল কারণে অনেকে এটা মুখ ফুটে বলা থেকে বিরত থাকেন। কিন্তু বিখ্যাত বিজ্ঞানী ডিএনএ’র আবিষ্কারক জেমস ওয়াটসন জনসমক্ষে সাহসিকতার সাথে বলে ফেলেছেন যে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী কৃষ্ণাঙ্গদের বুদ্ধিমত্তা কম (অক্টবর ১৪, ২০০৭) [ সূত্র ]। তাই সমাজের পলিসিও সেই আলোকেই করা উচিত। তার এই মন্তব্যের জন্য Cold Spring Harbor Laboratory’র ডিরেক্টর পদ থেকে তাঁকে বাধ্যতামূলক অপসারণ করা হয় [ সূত্র ]। আমাদের স্মরণ রাখা উচিত যে জেমস ওয়াটসন বিবর্তনবাদ তত্ত্ব সম্পর্কে অজ্ঞ নন! তাঁর ভাষায়-
"inherently gloomy about the prospect of Africa" because "all our social policies are based on the fact that their intelligence is the same as ours – whereas all the testing says not really".
তাঁর রচিত বইয়ে তিনি লিখেন-
"There is no firm reason to anticipate that the intellectual capacities of peoples geographically separated in their evolution should prove to have evolved identically," he writes. "Our wanting to reserve equal powers of reason as some universal heritage of humanity will not be enough to make it so." [ সূত্র ]
টাসকিগি স্টাডির মাধ্যমে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের চরম অমানবিক বিষয়টি প্রকটভাবে উন্মোচিত হয়। এর ফলশ্রুতিতে বিশ্ব জুড়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণার রীতিনীতি ও নৈতিকতায় আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়। উন্নত বিশ্বে শিক্ষা ও অতিরিক্ত গণসচেতনতার কারণে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বা গণস্বাস্থ্য গবেষণা করা অত্যন্ত দূরহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এজন্য উন্নত দেশগুলোর রিসার্চ প্রতিষ্ঠান ও ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীগুলো গরীব দেশগুলোর (মূলত আফ্রিকা ও এশিয়ার) গরীব মানুষকে গিনিপিগ হিসেবে ব্যবহার করে। ১৯৯০ সালের এক সমীক্ষায় দেখা যায় বিদেশের মাটিতে আমেরিকার ২৭১টি ড্রাগ বা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালিত হয়। কিন্তু আশ্চার্যজনকভাবে তা বেড়ে ৬,৪৮৫- এ দাঁড়িয়েছে (বিস্তারিত জানতে পড়ুন- Deadly Medicine ) অর্থাৎ অন্যদেশে আমেরিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বেড়েছে ২০০০%! আমাদের দেশেও অগোচরে বা প্রকাশ্যে উন্নত বিশ্বের অনেক ড্রাগ বা ভ্যাক্সিন ট্রায়াল পরিচালিত হচ্ছে। এক সমীক্ষা অনুসারে দেখা যায় বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭৬টি ক্লিনিক্যাল বা ড্রাগ ট্রায়াল হয়েছে। গরীব মানুষকে চিকিৎসা সেবার প্রলোভন দেখিয়ে সহজেই জনস্বাস্থ্য গবেষণায় কাজে লাগানো হয়। তাই আমাদের অশিক্ষা ও অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে গণসেবার নামে কেউ যেন প্রতারিত না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। মানবতার মাপকাঠিতে ধনী ও গরীরের মাঝে ব্যবধান করা চরম অনৈতিকতারই বহিঃপ্রকাশ।
নোট- লেখাটি সায়েন্টিফিক বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- ক্যাটেগরি:
- এম সরোয়ার হোসেন-এর ব্লগ
- ১২৩০ বার পঠিত
Twitter-এ প্রকাশ করুন



মন্তব্য
সকলকে উটের মুত রোগ নিবারনের চেসটা করা উচিত। মার্কিনীরা যে কেন গবেষনা করে আমি বুঝিনা
## এরকম বক্তব্য দেয়া ব্যক্তি ঠিক কি ধরণের মুসলিম বলে আপনি মনে করেন ?
___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।
অপ্রাসংগিক মন্তব্য করবেন না প্লিজ! পোষ্টে বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করুন। ধন্যবাদ।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
পোস্টে হাজার তারা এবং সরাসরি প্রিয়তে।
এবার আমার অফটপিক প্রশ্নের উত্তর পেলে ভাল লাগত।
___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।
.
পোষ্টে লিঙ্ক দেয়া আছে এবং এ বিষয়ে জার্নালের সারাংশও পোষ্টে আছে। পড়ে মন্তব্য করুন।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
সরোয়ারের কি সিফিলিস আচে?
....................................................................................
আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি
এটা কোত্থেকে পেলেন?
ডারউইন কি কোথাও বলেছেন? বিবর্তনবাদের বিজ্ঞানীরা কি কোথাও বলেছেন? ডারউইন কি "সোশাল ডারউইনিস্ট" ছিলেন?
কালোরা সাদাদের থেকে ইনফেরিয়র এটা অনেকেই তথ্য উপাত্ত দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে (যেমন সাদাদের খুলির মাপ কালোদের থেকে বড়, ইত্যাদি), আবার বিজ্ঞানীরাই (বিবর্তনবাদীরাই) তার প্রতিবাদ করেছে, তথ্য-পরীক্ষার অসারতা প্রমাণ করেছে। এ নিয়ে Stephen J. Gould-এর একটা বই আছে The Mismeasure of Man নামে, পড়ে দেখতে পারেন। আপনি জানেন নিশ্চয়ই যে Gould একজন বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানী (এবং আস্তিক)।
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
পোষ্ট না পড়লে এমনি হয়!
পোষ্টে ভিডিও দেয়া আছে দুটি। জার্নালের সারাংশ দেয়া আছে। নিজে বুশ হয়ে এটি জানেন না, আপনার নামের সাথে বেমানান!
এখানে অনেক তথ্য আছে, যদি সত্য জানতে তবে পড়তে পারেন।
http://en.wikipedia.org/wiki/Eugenics
পোষ্টে ঊইলিয়াম শোকলের ভিডিও দেখতে পারেন।
নোবেল বিজয়ী জেমস ওয়াটসন মন্তব্যগুলো পোষ্টে দেয়া আছে। আবার দিলাম-
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
আপনার লিঙ্ক দেওয়া পেপারে কোথাও বিবর্তনবাদের কথা নাই।
আপনার ইউজেনিক্স-এর লিঙ্কে লেখা আছেঃ
আরো বলা হচ্ছেঃ
এ ধরনের কথাই আরো কয়েকবার আছে।
আপনার পোস্টে আছে সোশাল ডারউইনিজমের কথা।
সোশাল ডারউনিজম একটা স্পেসিফিক তত্ত্ব। আর আপনার বক্তব্য জেনারেলাইজড বিবর্তনবাদ সম্পর্কে। এবং সাদা-কালোদের তুলনা সম্পর্কে।
তা ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ তত্ত্ব যদি তা-ই বলে, তাহলে Gould-এর মত বিবর্তনবাদী জীববিজ্ঞানী তার উলটা কথা বলে কেন?
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
হিটলারের কর্মকান্ডে, জনগন এবং অনেক বিজ্ঞানীর ধাতানি খেয়ে ওই কথা এখন বলতে বাধ্য হচ্ছে-
At its pre-war height, the movement often pursued pseudoscientific notions of racial supremacy and purity
আমেরিকাতে যুদ্ধের পরেই ইউজেনিক্স মুভমেন্ট বেশী বেগবান ছিল। নোবেল বিজয়ী জেমস ওয়াটসন, উইলিয়াম শোকলেরা কি বিবর্তনবাদে অজ্ঞ?
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
ওই লিঙ্ক তো আপনিই দেখতে বললেন, এখন আবার সেটার 'ভুল' ব্যাখ্যা করতে এসেছেন। আপনি নিজে কি আগে পড়ে দেখেননি?
আমেরিকাতে যুদ্ধের পরেই ইউজেনিক্স মুভমেন্ট বেশী বেগবান ছিল।
ছিল, তা এখন কী হয়েছে? ইউজেনিক্স ডাস্টবিনে গেছে না বিবর্তনবাদ গেছে?
আর ওয়াটসন বিবর্তনবাদ সম্পর্কে অজ্ঞ কি না সে প্রশ্ন আসছে কেন?
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
সরোয়ার সাহেব,
আপনার দেওয়া ভিডিও জার্নালে বেশ কিছু তথ্য আছে। এসব তথ্য বা আপনার কোট করা অংশ কিভাবে কাঠমোল্লা ভাই এর প্রশ্নের দেয় ঠিক বুঝলাম না।
"ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী আমেরিকা-ইউরোপে কালোদের অবস্থান সাদাদের চেয়ে নীচে" - এটা বিবর্তনবাদের আলোকে ঠিক কিভাবে জবাব দেওয়া হল? বিবর্তনবাদ সম্পর্কিত কোন সায়েন্টিফিক জার্নালে এমন কিছু প্রকাশিত হয়েছে? কিংবা বই তে? উল্টাটাও প্রকাশ হয়েছে বলে কাঠমোল্লা ভাই বলছেন।
উইলিয়াম শকলি কি বিবর্তনবাদ বিষয়ক কোন বিজ্ঞানী? আমার জানামতে তিনি ইলেক্ট্রনিক্স বিশেষজ্ঞ। একজন ইলেক্ট্রনিক্স বিশেষজ্ঞ ব্যাক্তিগতভাবে কি মনে করেন তাতে কি জীববিজ্ঞানের কিছু প্রমান হয়? আর ওনার তত্ত্ব কি মূলধারার বিজ্ঞানীরা গ্রহন করেছেন যে ওনাকে এ ব্যাপারে রেফারেন্স মানা যায়? দেখা তো যায় উলটো।
ইউজেনিসিস কি ইউরোপ আমেরিকায় স্বীকৃত কোন তত্ত্ব যা তারা পালন করে? http://en.wikipedia.org/wiki/Eugenics এই রেফারেন্স ঠিক কি প্রমান করে? আমেরিকান ইউরোপিয়ানরা কালোদের সাদাদের থেকে নিম্ন শ্রেনীর মনে করে এটা প্রমান করে দেয়?
ইউরোপ আমেরিকায় বিবর্তনবাদের প্রসার যেমন দিনে দিনে বেড়েছে তেমনি রেসিজমও কমেছে। রেসিজম সে সমাজে কি চোখে দেখা হয় তাতো আপনিই ওয়াটসন সাহেবের মত হাই প্রোফাইল নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানীর পরিনতি দিয়ে দেখালেন। যাকে এমন অপমান করে বর্জন করা হল তার বক্তব্য খুব ভাল রেফারেন্স? বিজ্ঞানের অনেক তত্ত্বের মতই বিবর্তনবাদও কেউ কেউ কু-উদ্দেশ্যে ব্যাবহার করতে পারে, এতে অবাক হবার এমন কিছু নেই। বিবর্তনবাদ বিজ্ঞানের বিষয়, ধর্ম বা কোন রাষ্ট্রীয় মতবাদ নয়।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
হাহাহা। তারমানে সে কি কিছুই বুঝেন না? আপনি, হোরাস ও কাঠমোল্লারাও বায়োলজিতে বিশেষজ্ঞ নন। কিন্তু মন্তব্যে কি তা বুঝা যায়?
মানুষ আগের চেয়ে অনেক সচেতন। এতে বিবর্তনবাদের কোন ভূমিকা নেই। মানুষ তার অধিকার আদায়ের জন্য বিজ্ঞান বা বিবর্তনবাদের এখন আর ধার ধারে না। আগে বিবর্তনবাদের কারণে অনেক কিছু হয়েছে। কালোদের উপর অনেক নির্মম অত্যাচার হয়েছে। কালোদেরকে ইনফেরিওর ভাবত ডারইউনের বিবর্তনবাদ তত্ত্বের অনেক আগে থেকেই। কিন্ত বিবর্তনবাদতত্ত্ব এটাকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দিয়েছিল। মানুষ এ থেকে শিক্ষা নিয়েছে। টাসকিগির ঘটনাতেও সায়েন্টিফিক রেসিজম ভূমিকা রেখেছিল তা আমার পোষ্টের ২০১১ সালের পাবলিকেশনে বলা আছে!
ডারইউনবাদীরা ইউকেজনিক্স বা ব্ল্যাক ইস্যুতে জমের মত ডরায়, যেমনিভাবে রাজাকাররা ডিসেম্বর মাস বা যুদ্ধপরাধীর বিচারের কথা শুনলে ভয় পায়! এর নমুনা ডকিন্স ওয়েবসাইটে দেখা যেতে পারে-
What's so wrong with Eugenics?
আপনার সাথে আলোচনা করা আমার কোন ইচ্ছা নেই। আপনি আপনার বিশ্বাস নিয়ে থাকেন। মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
আমার রসবোধ দিন দিন কমে যাচ্ছে।
উইলিয়াম শকলি বিবর্তন বিষয়ক বিজ্ঞানী কিনা এই প্রশ্নে আপনি একেবারে হেসে গড়িয়ে পড়লেন কেন বুঝলাম না। হোরাস, কাঠমোল্লারা জীব বিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞ নন বলেই কোন ঘোর পাগলেও তাদের জ্ঞানগর্ভ আলোচনা রেফারেন্স হিসেবে ব্যাবহার করবে না। তারা মতামত দেন ব্লগে, সম্পূর্ন নন-একাডেমিক পারস্পেক্টিভে যার রেফারেন্স হিসেবে কোন গুরুত্ব নেই। এটা মানেন কিংবা বোঝেন?
উইলিয়াম শকলির বিবর্তনবাদ কিংবা জীববিজ্ঞানে কি কি অবদান আছে?
তার যে বক্তব্য বর্জনীয় হয়েছে তা রেফারেন্স হিসেবে কিভাবে ব্যাবহার করা যেতে পারে? উনি জীববিজ্ঞানীও সেটা না ধরলেও বুঝতাম যদি তার বক্তব্য মূলধারার বিজ্ঞানীরা গ্রহন করেছেন। তা কি হয়েছে? পিক এন্ড চুজ পদ্ধুতিতে কি কিছু প্রমান হয়?
এবার আপনার হাসির কারন জানতে পারি?
রেসিজম নানান ফর্মে বিশ্বের সব যায়গাতেই কম বেশী আছে। কোথাও বর্ণ, কোথাও ধর্ম। আমেরিকা ইউরোপে বর্ণজনিত সমস্যা ডারউইনের আমলের বহু আগ থেকেই ছিল। এটা তো মানেন। আপনার কথানুযায়ী বিবর্তনবাদের অপব্যাবহারের চেষ্টা হয়েছে, তা মানা যায়। তবে সেই চেষ্টার ফলাফল কি? যারা চেষ্টা করে তাদের গার্বেজে ছুড়ে ফেলা হয়।
৫০ বছর আগ থেকে এখনকার ইউরোপ আমেরিকায় কি রেসিজম কমেছে নাকি বেড়েছে? বিবর্তনবাদ বর্জনের কারনেই তেমন হয়েছে? পরিষ্কার জবাব দেন।
নাকি আপনার কাছে বর্তমান ইউরোপ/আমেরিকা বড় নয়, ৬০ বছর আগেই ইউরোপ আমেরিকাই আসল?
আমার সাথে আপনার আলোচনার ইচ্ছে না থাকারই কথা। নিজের মত হাসতে থাকেন। তাতে কোন আপত্তি করব না।
শেষ প্রশ্ন, আরব দেশে যে আমাদের বাংগালী ভাই ব্রাদারদের অনেকে শুনি খোলাখুলি মিসকিন ডাকে, পাকিস্তানীরা আমাকে কালা বাংগালী বলেছে - এসবের সাথে বিবর্তনবাদের সম্পর্ক কেমন?
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
এম সরোয়ার হোসেন @
কেন আদিল ভাইয়ের সাথে আলোচনা চালানোর হ্যাডম নাই? আলোচনা করতে না চাইলে পোষ্ট দিসেন কেন?
_________________________________________________________________________________
ঢিল মারি তোর টিনের চালে...
আমিও কিছু বুঝলাম না উনি আমার ওপর রাগ করলেন কেন।
আমি প্রশ্ন করছিলাম উনি ওনার মত জবাব দিচ্ছিলেন, রাগের প্রশ্ন আসলে আমারই করার কথা। উনিই আমার কথায় হেসে গড়িয়ে পড়েছেন যদিও তাতে আমি হাসির কি আছে বুঝতে পারিনি।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
আদিল ভাই এসব দেখে আমার মনে হতেই পারে পোষ্টদাতা যেকোনো ভাবে হোক পোষ্টটা দিয়েছেন কিন্তু বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করতে সক্ষম না। সেকারনেই উনি ভাগতে চাচ্ছেন। এমনটা ভাবা কি আমার পক্ষে স্বাভাবিক না?
_________________________________________________________________________________
ঢিল মারি তোর টিনের চালে...
মানুষ যখন নিরপেক্ষভাবেক প্রাপ্ত যুক্তি প্রমানের ভিত্তিতে কিছু বিশ্বাস করে আর কোনভাবে সেটার ভুল পাওয়া যায় তাহলে তা গ্রহন করতে পারে।
কিন্তু সে যদি আগে থেকেই কিছু ধরে নিয়ে তা প্রমানের জন্য যুক্তি প্রমান দাঁড় করায় তাহলে তা সংশোধনের মানসিকতা থাকে না। তখন সে লাইক মাইন্ডেড ছাড়া আর কোন মতামত গ্রহন করতে পারে না। তার বক্তব্যের কিছু ফাঁক পাওয়া গেলেই বেহুদা খেপে ওঠে।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
কৃষ্ণাঙ্গরা বিবর্তন অনুযায়ী কম বুদ্ধিসম্পন্ন। তাই তাদের বংশবৃদ্ধি রোধ করার জন্য আমেরিকাতে জোর করে বন্ধ্যাকরণ প্রোগ্রামও চালু করা হয় (ভিডিও দেখুন)। সেই ইউজেনিক্স মতবাদে দীক্ষিত হয়ে বিজ্ঞানীরা কৃষ্ণাঙ্গদের গিনিপিগের মতো গণ্য করত।
বিবর্তনবাদীদের 'মানবতা' ?
সাংঘাতিক পোস্ট !
জানতামই না বিশ্বমানবতার মুখোশে আড়ালের এত ষড়যণ্ত্রের কথা, এরকম আরো লিখুন।
অ: ট: আচ্ছা এই মাসে ব্লগার ব্লক অপশন চালু হওয়ার কথা ছিল না ? এটা খুবই জরুরি কারণ এখানে ম্যানিয়াক টাইপের কিছু সাইকো আছে যাদের কাজ হল বিভিন্ন পোস্টে গিয়ে অপ্রাসঙ্গিক আর ফালতু টাইপের কমেন্ট করে আসা এগুলো আধাপাগল টাইপের মানুষ। নিজেদের অসুস্থ পাগলামিকে এরা মনে করে উচ্চমানের স্যাটায়ার। ব্লগটার বারোটা বাজাচ্ছে এরাই।কাজেই ব্লগার ব্লক অপশন চালু হওয়া মাত্রই এদের ব্লক করে দিন আপাততঃ ফুললি ইগনোর করুন। পাগলদের সাথে লাগতে যাবেন না।
অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্যের জবাব দেয়ারই দরকার নেই পুরোপুরি ইগনোর করে যান।
_________________________________________
বঙ্গবন্ধু হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি আমাদের গৌরব।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এজাতীয় একটা পোষ্ট লিখতে অনেকদিন পড়াশুনা করতে হয়। দিলাম ব্লগে, আর গালি শুরু করে দিল!
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
@ সৈকত আহসান,
ব্লগ থেকে কিভাবে তাড়ানো যায়, তার জন্য পাগলের মত চেষ্টা করা হচ্ছে। ভাবছি ওদেরকে না হয় জিতিয়ে দেই।
আপনাকে সদালাপের সুস্থ পরিবেশে আসার জন্য আমন্ত্রন রইল।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
এই অসুস্থ পরিবেশে আসার কারণ কি তাইলে?
আগেই কয়ে দিলাম ব্লগ আমার না, জানি এই কথা কইবা, তোমার কথার প্রেক্ষিতে জিগাইলাম আর কি।
....................................................................................
আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি
গুয়াতেমালায় সিফিলিস টেস্টের কথা দিয়ে শুরু করে বিবর্তন তত্ব, সোসাল ডারউইনিজম, ইউজেনিক্সে গিয়া ঠেকছেন। রচনা শুধু গরুরটা শিখছেন? নদীর রচনায় জোর করে গরুরন বিবরণ দেয়া শুরু করছেন!! গুয়াতেমালায় কি বিবর্তন তত্বের নামে সিফিলিসের টেস্ট হইছিলো। কই সেরকম কিছু তো পাইলাম না।
ইউজেনিক্স বা সোস্যাল ডারউইনিজমের সাথে বিবর্তন তত্বের সম্পর্ক নাই এটা নিজেই বলেছেন। আপনার কথা "বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে ইউজেনিক্স অপ-বিজ্ঞান হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। " আবার টাসকিগির সাথে ইউজেনিক্সের মিলানোর চেষ্টা করছেন। ইউজেনিক্স ছিলো জেনেটিক কম্পোজিশন ইমপ্রুভমেন্ট আর সিফিলিস টেস্ট করা হয়েছিলো আপনার ভাষায় "এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য ছিল সিফিলিসের বিরুদ্ধে এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করা।" দুইটা জিনিষ এক হয় কেমনে? গরুকে টাইনা নদীতে নামনোর চেষ্টা বন্ধ করেন।
এরকম আবালীয় তত্ব কোথায় পাইছেন? বিবর্তন তত্ব পছন্দ করেন না ভালো কথা তবে এরকম মিথ্যাচার করার মানে কি। বিবর্তন তত্ব অনুযায়ী আদৌ যদি কোন শ্রেণী বিভাগ থাকত তবে কালোরা সাদাদের উপরেই থাকত। কারণ সব মানুষ আফ্রিকান কালো মানুষ থেকেই এসেছে।
.
~ "I am the way, the truth, the life" - Horus ~
হয়রান বাই ছবি না দিয়ে দুয়েকটা কথা বললে ভালো লাগত। দিলে শান্তি পাইতাম।
.
~ "I am the way, the truth, the life" - Horus ~
কালার ব্লাইন্ডরা রঙের পার্থক্য বুঝে না!
আদনান আপনাকে ধন্যবাদ।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
সারোয়ার, আমি কালার-ব্লাইন্ড হতেই পারি। সবই আল্লাহ তালার ইচ্ছা। তিনি নিশ্চয়ই বিবেচনা করেই কাউকে কালার ব্লাইন্ড বানান। তার বিবেচনা বোধ নিয়ে হাসি ঠাট্টা করাটা কি উচিত? তিনি আপনার উপর নারাজ হবেন, তওবা করেন।
এখন দেখি আল্লাহ আপনাকে বিবর্তন বোঝার মত কিছু ঘিলু দিছে নাকি? আমার ধারণা যেটুকু আছে সেটা বিবর্তন বোঝার জন্য যথেষ্ঠ না। আচ্ছা বলেনতো এই ছবিটাতে একটা সিরিয়াস 'ফ্ল' বা ভুল আছে, সেটা কি? যদি বলতে পারেন তবে বুঝব যে আপনি বিবর্তন সম্পর্কে একেবারে গো-মূর্খ না। কিছু আইডিয়া রাখেন।
.
~ "I am the way, the truth, the life" - Horus ~
আদনান ভাই এই ছবি ডারউইন সাহেব একেছেন?
_________________________________________________________________________________
ঢিল মারি তোর টিনের চালে...
ঐ একটা এম্বেডেড লাইন ঢুকানোর জন্য বিশাল রচনার অবতারণা। একটা ন্যাক্কারজনক ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তার সাথে বিবর্তনবাদকে জুড়ে দেওয়া।
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
@কাঠ মোল্লা,
স্যালুট ফর ইওর বুল্স আই!!!!!!!!!!!!!!!!
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
@ হোরাস,
কালোদেরকে যে কেন ছোট মনে করা হতো তার উওর পোষ্টেই আছে। পোষ্ট থেকে নেয়া-
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
আপনি সিরিয়াসলি বুদ্ধি প্রতিবন্ধি কিনা সেটা নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে!! আপনি নিজেই পোস্টে বলেছেন, ""বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে ইউজেনিক্স অপ-বিজ্ঞান হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।" আবার "ইউজেনিক্সের সাথে কালোদের সম্পর্ক জানতে-" লিঙ্ক দিচ্ছেন। যে জিনিষ ভুল প্রমাণিত হয়েছে সেটা নিয়ে এখন লাফালাফি করার মানে কি?
আদিল মাহমুদের এ সম্পর্কেও উপরে বলেছেন।
.
~ "I am the way, the truth, the life" - Horus ~
সরোয়ার সাহেব আপনেরে কাঠমোল্লা ভাই রে উইলিয়াম শকলি, জেমস ওয়াটসনের মর্যাদা দিছেন।
আপনারাও বিবর্তনবাদ সম্পর্কে কিছু বলেন, আমি রেফারেন্স হিসাবে লাগায় দিব।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
http://en.wikipedia.org/wiki/On_the_Origin_of_Species
@-আদনান-, দু'টো লাইন পড়ে কপি-পেস্ট না করে পুরোটা পড়ে আগে সমঝে নেন।
Race বলতে এখানে মানুষের race (আমরা যে অর্থে শব্দটা এখন ব্যবহার করি) বুঝানো হয়নি।
উদাহরণ স্বরূপ, Darwin লিখেছে, "the several races, for instance, of the cabbage"
বাঁধাকপির বিভিন্ন রেস।
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
@কাঠ মোল্লা,
ডারউইন এই কথা বলেছেন? বাঁধাকপির বিভিন্ন রেস একে অপরের সাথে প্রতিযোগীতা করে ফেভার্ড-টা টিকে থাকে নাকি
হ্যাঁ, ডারউইন তা-ই বলেছেন, সেটা না বুঝেই আপনি বিজ্ঞের মত তার বইয়ের নাম তুলে দিয়েছেন, এখন অজ্ঞের মত হাসতে থাকেন। হাসা শেষ হলে ঘটে কিছু থাকলে বইটে পড়ে দেখেন। তারপর দেখেন মানুষকে পড়ানোর মত মন্তব্য করতে পারেন কি না।
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
কাঠ মোল্লার কাছে আমি না হয় অজ্ঞই হলাম। কী আর করা। তবে তিনটা সহজ প্রশ্নের জবাব দেনঃ
১। ডারউইন কিছু বলা মানেই সেটা সত্য হয়ে যায় কিনা?
২। আপনি নিজে কখনো ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন কিনা। করে থাকলে কিছু প্রমাণ দেখান।
৩। ডারউইন কোথায় বাঁধাকপির বিভিন্ন রেস এর মধ্যে প্রতিযোগীতা করে ফেভার্ড-টা টিকে থাকার কথা বলেছেন সেখানে থেকে সরাসরি কোট করেন।
এইখানে ফেভারড রেস হচ্ছে হোমো সেপিয়েন্স। আর আনফেভারড হচ্ছে হোমো নিয়ান্ডার্থাল, হোমো অস্ট্রালিপিথেকাস, ইত্যাদি ইত্যাদি। সব প্রাণীরই এখন যারা টিকে আছে তারা ফেভারড আর যারা টিকে নাই তারা আনফেভারড। ডারউইন রেস বলতে সাদা কালো বুঝায় নাই। বিবর্তনের বিরুদ্ধে এতগুলা সিরিজ লিখাও এটা বুঝেন নাই এখনও।
ফেভারড শব্দটা নিয়ে ত্যানা পেচাইতে পারেন।.. প্রকৃতি কিভাবে ফেভার করে?
.
~ "I am the way, the truth, the life" - Horus ~
ডারউইন রেস বলতে সাদা কালো বুঝিয়েছেন - এই কথা কোথাও বলা হয়নি। অন্ধের মতো একটা কিছু ধরে নিয়ে জবাব দিলেই তো হলো না। রেস বলতে যেমন সাদা-কালো বুঝাতে পারে তেমনি আবার ইউরোপিয়ান-আফ্রিকানও বুঝানো হতে পারে। তাতে কি কোন পার্থক্য আছে?
ডারউইনের সময় হোমো নিয়ান্ডার্থাল বা হোমো অস্ট্রালিপিথেকাস এর মতো কোন রেস ছিল না। তাদের অস্তিত্ব থেকে থাকলেও তারা অনেক আগেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এমনকি যদি ধরেও নেয়া হয় যে তারা বিলুপ্ত হয়নি সেক্ষেত্রে ডারউইন তার নিচের বক্তব্যের দ্বারা কি বুঝিয়েছেন ব্যাখা করেনঃ
জীবন সংগ্রামে ফেভার্ড রেসকে কে ও কিভাবে প্রিজার্ভ করবে।
টিকে থাকা মানেই ফেভার্ড আর টিকে না থাকা মানেই আনফেভার্ড? ধরা যাক দশ জন অশিক্ষিত দুর্বিত্ত একটি গ্রামের সকল শিক্ষিত-অশিক্ষিত মানুষকে হত্যা করে টিকে থাকলো। সেক্ষেত্রে সেই দুর্বিত্তদেরকে ফেভার্ড বলা যাবে কিনা?
তো সারোয়ারের সাদা-কালো রেসিজমের বক্তব্য ডিফেন্ড করে আপনি রেফারেন্স দিলেন কিসের আশায়? আপনার দেয়া উপরের ছবিটা কি প্রমাণের উদ্দেশ্যে? ফাইজলামি করেন!! উপরে ছবির নিচে সারোয়ারের জন্য একটা প্রশ্ন আছে, সেটা আপনার কাছেও করলাম যেহেতু ছবিটা আপনি দিয়েছেন। তার পর আপনার সাথে আলোচনায় যাব। তানাহলে সময় নস্ট করতে আমি ইচ্ছুক না।
.
~ "I am the way, the truth, the life" - Horus ~
সরোয়ার সাহেবের সমস্যা হচ্ছে একটা সত্যের সাথে অন্যকিছু মিশিয়ে পরিবেশন করা। এইটুকু সত্য যে আমেরিকা সিফিলিস নিয়ে গুয়েতেমালাতে অনৈতিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছে।
বাকীটুকু আবার হেলেমেটের ভিতরে ঢুকে নাই।
------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম
আমেরিকার গোপন পরীক্ষা নিয়ে তো কোন বিতর্ক নেই। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের প্রেসিডেন্ট গুয়াতেমালার মত দেশের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।
তবে ওনার লেখা পড়লে মনে হওয়া খুবই স্বাভাবিক যে মূল পয়েন্ট হল বিবর্তনবাদ কত ভয়াবহ তা প্রমান করা। এ জন্য উনি কিছু লোকজনের রেফারেন্স হাজির করেছেন যাদের সেসব বক্তব্যের কারনে তাদের বর্জন করা হয়েছে। ৬০ বছর আগের আমেরিকায় কালোদের সাথে কি ব্যাবহার করা হত সেটা এখন ইতিহাসের অংশ।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
আমি সেই কথাটাই আসলে ইঙ্গিত করতে চেষ্টা করেছিলাম। যারা সত্যের সাথে মিথ্যা মিশিয়ে পরিবেশন করে তারা আসলে বেশি বিপদজনক।
------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম
কালকে কোন এক পোস্টে সে কমেন্টে বলছে এই পোস্ট নাকি বাংলাদেশে কোন এক সাইন্স জার্নাল/পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে। কি ভয়াবহ কথা।
.
~ "I am the way, the truth, the life" - Horus ~
@ কেমিকেল আলী,
আপনার জবাব এখানে আছে। সায়েন্টিফিক রেসিজমের পক্ষে তথ্য হাজির করা হয়েছে ২০১১ সালের জার্নালে। এটা পোষ্টেই ছিল। অন্যকে মিথ্যাবাদী বলার আগে আয়নাতে নিজের চেহারাও দেখা উচিত!
The Tuskegee Syphilis Study and the Scientific Concept of Racial Nervous Resistance
Abstract
In 1932, the U.S. Public Health Service began a study of untreated syphilis among black men in Macon County, Alabama. This project, later known as the Tuskegee Syphilis Study, became one of the most notorious ventures of twentieth-century medicine. Much has been written on it. Historians have suggested that scientific racism strongly influenced the study. But specific links between earlier racial science and the scientific conduct of the study have remained unexplored. The examination in this paper of the concept of a racially determined resistance to syphilis in the nervous system establishes such a link. Discussion of nervous resistance to syphilis appeared in the medical literature in the early twentieth century as a conjecture about the natural inferiority of blacks. White physicians used the concept to interpret racial differences in neurosyphilis as evidence of the rudimentary development of the brain. A small community of African American physicians joined other national experts in syphilis who chose to explain apparent racial differences through alternate mechanisms. But the scientific advisors to the Tuskegee Syphilis Study favored the concept of a racial resistance to neurosyphilis and steered the early design of the study to help to elucidate it. The Tuskegee Syphilis Study was an examination of untreated syphilis, but it also became a demonstration of a putative racial characteristic of syphilis long considered evidence of the natural inferiority of blacks. An examination of the concept of racial nervous resistance and its influence on the research in Macon County helps to define the influence of scientific racism on this notorious medical study.
http://jhmas.oxfordjournals.org/content/early/2011/02/11/jhmas.jrr003
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
সর্বজনাব সরোয়ার হোসেন,
সব জার্নালে প্রকাশিত সবকিছুই ধ্রুব সত্য বলে ধরে নেবার কোন সুযোগ নাই। আমারদেশ, সংগ্রাম আর আমাদের সময়ের পত্রিকার মত জার্নালও আছে। আপনি যে আর্টিকেলের রেফারেন্স দিলেন তার ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর কি একবারও যাচাই করেছেন? এই জার্নাল ১৯৪৭ সাল থেকে প্রকাশিত হয়ে যার ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর মাত্র 0.893। মানে কি দাড়ালো? মানে হল এই ৭০ বছরে তাদের ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর ১ ও হয় নাই । হিসাবটা খুবই সহজ আর সরল। এইটা অনেকটাই আমাদের সময়ের অনলাইন ভার্সনের কমেন্টের মত। যার যা খুশি পাবলিশ করে। এইটা নিয়ে এত খুশি বা আপ্লুত হবার সুযোগ নাই।
পক্ষান্তরে অন্য একটা জার্নালের কথাই বলি। এইটা মাত্র ১২ বছরে এর ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর 5.250। বিশ্বাস না হলে লিংকে গিয়ে দেখে আসুন।
এইবার বলেন কি বুঝলেন?
------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম
কেমিকেল,
ওনার আর্টিকেলের ইম্প্যাক্ট ফ্যাক্টর যাই হোক, বিষয় নিয়ে তেমন দ্বি-মত নেই। এখানে মূল ক্যাঁচাল সেটা না যা উনি সেই জার্নাল থেকে কোট করেছেন। কালোদের আগেকার দিনে রেসিয়াল সুপ্রিমেসির কারনে বৈজ্ঞানিক গবেষনায় অমানবিক ভাবে ব্যাবহার করা হয়ে থাকতেই পারে। তাতে দ্বি-মত করে কে? তেমনি পশ্চীমা সমাজ থেকে বর্ণবাদী রেসিজম অনেক কমে গেলেও এখনো কেউ কেউ তেমন মতবাদ প্রকাশ করে, তার ফলও পায়। এইটুকুতে ক্যাঁচাল নাই।
মূল ক্যাঁচাল হচ্ছে "ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী আমেরিকা-ইউরোপে কালোদের অবস্থান সাদাদের চেয়ে নীচে" এই কথা নিয়ে। এর সাথে ওপরের কথার সম্পর্ক নেই।
উনি এই তথ্য ব্যাক আপ করতে পারছেন না কোন জার্নালে বা একাডেমিক লেভেলে প্রকাশিত কোন ডকুমেন্ট দিয়ে। একবার ডেকে আনছেন শকলি সাহেবকে যিনি ইলেজট্রনিক্সে নোবেল জয়ী, আবার আনেন ওয়াটসনকে যাদের এ বিষয়ে বক্তব্য গার্বেজে নিক্ষিপ্ত হয়েছে বলে তিনিই জানাচ্ছেন। সাথে সাথে ইউজেনিক্সের জুজু দেখাচ্ছেন, ভাবখানা যে বিবর্তনবাদের কারনেই ইউজেনিক্স ইউরোপ আমেরিকায় সম্পূর্ন স্বীকৃতর এবং এর দ্বারা কালোদের ওপর ডঃ মিংগেলের কায়দায় নানান রকম নির্যাতন করা হচ্ছে।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
সহমত।
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
ভাই, জার্নালের জ্ঞান জেনে ভাল লাগল! জানেন তো ইঞ্জিনিয়ারিং বা টেকনোলজি ফিল্ডের অনেক জার্নালে ইমপ্যক্ট ফ্যাক্টর আরো অনেক কম। তারমানে ঐ জার্নাল্গুলো কি গার্বেজ হয়ে গেল?
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
বিজ্ঞানীদের মধ্যে বর্ণবাদ আছে, এবং তাঁরা কেউ কেউ বিজ্ঞানের তত্ত্ব দিয়ে তা জাস্টিফাই করার চেষ্টা করে, সেটা আমিও উল্লেখ করেছি। সেটা নিয়ে বিতর্ক নাই। কিন্তু আপনার উদ্ধৃতি দিয়ে কী তা বোঝায়? আপনার উদ্ধৃতি ঠিক হলে বিবর্তনবাদী সবাইকে বলতে হবে কালরা সাদাদের চেয়ে নিকৃষ্ট। অথচ ডারউইনবাদীরাই বলে বিভিন্ন রেসের মধ্যে পার্থক্য ততটা নাই, যতটা আছে বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে।
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
"Eugenics is the self-direction of human evolution": Logo from the Second International Eugenics Conference, 1921, depicting it as a tree which unites a variety of different fields.[1]
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
যা পছন্দ করেন না তা নিয়ে না লিখাই ভালো আর নেহাতই যদি লিখতে ইচ্ছা করে তবে একটু ভালো করে পড়ে লিখুন।
তবে আপনার এই কথা আমার খুব পছন্দ হয়েছে " আপনাকে সদালাপের সুস্থ পরিবেশে আসার জন্য আমন্ত্রন রইল। "
আমি যতটুকু জানি যেখানে আপনাদের পছন্দের বিষয় (অ)ধর্ম নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করা হয় সেখানে আপনাদের না থাকতে উৎসাহিত করা হয়েছে, তাহলে আপনি এইখানে কি করছেন? নাকি নিজে কষ্ট করে হাসি-ঠাট্টা করতে পারছেন না বলে কৌশলে অন্যকে দিয়ে করিয়ে নিচ্ছেন।
____________________________________________________________________
Beautiful words aren't always truthful and truthful words aren't always beautiful..
ডারইউনিজম যে আপনাদের কাছে ধর্মের মত তা জানা ছিল না। আপনার ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত হানলে দুঃখিত। আমি বিজ্ঞান ও মানবতাবাদ তুলে ধরতেই পোষ্ট দিয়েছি।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
ডারইউনিজম যে আপনাদের কাছে ধর্মের মত তা জানা ছিল না। আপনার ধর্মীয় অনুভূতি আঘাত হানলে দুঃখিত।
এই ব্রেন নিয়ে বিজ্ঞান বুঝতে আসছেন ? ডারইউনিজম হচ্ছে ধর্ম ?
কোথায় যেন পড়েছিলাম মনে নাই আমি আমার মত করে বলি,
"ডারইউনিজম যদি ধর্ম হয় তবে বাগান না করাও একটা শখ, ফুটবল না খেলাও একটা খেলা, মনিটরের অফ বাটনও একটা চেনেল।"
দুঃখিত শব্দটা ভুল জায়গায় পড়ছে, যত্ন করে নিজের কাছে রাখুন। এই শব্দটার ইউজ আপনাদেরকে ভবিষ্যতে আরো অনেক বার করতে হতে পারে।
____________________________________________________________________
Beautiful words aren't always truthful and truthful words aren't always beautiful..
পোস্ট ভাল হইছে তবে ছবিখানা প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে নিলে ভাল হয়। পোস্ট পড়ানোর জন্য মানুষেরে জোর করার দরকার নেই।
আপনাকে লেখা পড়াতে কি কেউ জোর করেনি। ধন্যবাদ।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
@এম সরোয়ার হোসেন, প্রথম পাতায় ওরকম একটি ছবি খারাপ দেখাচ্ছিল তাই বলেছি। এমনিতে আপনার পোস্ট উৎসাহ নিয়েই পড়েছি। কারো কথায় ব্লগ ছারবেন না আশাকরি।
ভয়ংকর কথা। মানুষকে ইচ্ছামত গিনিপিগ বানিয়ে গবেষণা!!!
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
স্বপ্নগুলি খুঁজে বেড়াই
পথ হারানোর পথ ধরে...
সারওয়ার সাহেব, আমি মূর্খ মানুষ বিজ্ঞান বুঝিনা হাইপোথিসিসও বুঝিনা। শুধু বুঝি কেমন করে মানুষের ডাল ভাতের সমস্যার সমাধাণ হয়।
আপানারা বৈজ্ঞানিক মানুষ তাদের চিন্তা ভাবনা আমাদের মত আম পাব্লিকের মত নয় তাইতো আপনারা গবেষণা ধর্মী প্রবন্ধ নিবন্ধ লিখেন আর তা সাধারণকে জানাতে ব্লগে ব্লগে তা পোস্ট করেন। যাতে জ্ঞানের বিকাশ ঘটে এবং তার জন্য সুষ্ট আলোচনা প্রতি আলোচনা হবে এই আশা থাকে। তবে আমার ব্লগের আপনার বর্তমান পোস্ট গুলোতে যে ভাবে কুপাকুপি শুরু হয়েছে তাতে আপনার পেরেশানী বেড়ে যাবে। কি দরকার ভাই শুধু শুধু নিজে খেয়ে বনে মোষ তাড়াবার! সেখানে আপনার কষ্টের স্বীকৃতি মিলবেনা বরং মিলবে বিড়ম্ভনা সেখানে পোস্ট করার কি দরকার আছে। এক কাজ করেন এই পোস্টটি তোলেন নিন, এবং আপনার যত পোস্ট আছে এই ব্লগে সব তোলেন নিন।
বাংলা ভার্চুয়াল জগতে এখন ব্লগের কমতি কি আছে! আল্লাহ তো বলেছেন এক দরজা বন্ধ হলে হাজার দরজা খোলে যাবে। এখানে পোস্ট করে নিজের আয়ু কমাবার কি কোন দরকার আছে কি?
ভালো থাকবেন।
============================================================================
জয় হোক সত্যের! জয় হোক মানবতার!!!
রামনা্রায়ণের রাম চিঠি http://www.amarblog.com/munim/posts/134846
মুনিম ভাই,
আপনার পরামর্শটি নিয়ে সিরিয়াসলি ভাবছি। আলোচনা হতে পারত। শুরুতেই এক গ্রুপ উদ্দেশ্যমূলকভাবে গালি দিয়ে ক্ষেত্রে তৈরী করল। আরেক গ্রুপ আলোচনায় বসল! উদ্দেশ্য এখানে পরিস্কার। আলোচনার মুড নষ্ট করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য।
বিষয়টি অত্যন্ত মানবিক যেটা বিজ্ঞানের মুখোশে হয়েছে এবং এতে রেসিজমের প্রত্যক্ষ ভূমিকা আছে। এক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরাই বড় ভূমিকা রেখেছে। অবিজ্ঞানী হলে ভিন্ন কথা ছিল। এটাই ছিল আমার পোষ্টের মূল বিষয়বস্তু। বিজ্ঞানের নামে যারা ডারউইনিজমকে ধর্মের মত মানে, তাদের আঁতে ঘা লাগবেই। এই টাসকিগির ঘটনাকে যেসমস্ত সমাজবাদী ফাঁস করেছে, তারা মানবতাবাদের জলন্ত উদাহরণ। এত কিছু আলোচনার ফলে বিশ্বে এখন বিজ্ঞানীদের নৈতিকতা বিষয়ে অনেক সতর্ক হতে হয়। এখন গবেষণার কাজে ছোট মাছকে মারতেও সার্টিফিকেট নিতে হয়! তাছাড়া পেপার পাবলিশ হবে না।
রেসিজমের সাথে বিবর্তনাবাদ তত্ত্ব ওতোপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। ডারইউন কখনো রেসিস্ট ছিল না। কিন্ত তার তত্ত্ব ব্যবহার করে তারই কাজিন স্যার ফ্রান্সিস গ্যালটন ইউজেনিক্সের মত সায়েন্টিফিক রেসিজম নামে মতবাদ চালু করেছিল। তাতে হাজার হাজার বিজ্ঞানী এই মতবাদ প্রচারে কাজ করে গেছেন। এখনো অনেক বিজ্ঞানী সেই রকম ধারণা পোষণ করেন। কিন্তু পাবলিক ও চাকুরী হারানো ভয়ে চুপ থাকেন। আমি জেমস ওয়াটসনকে তার সতসাহসের জন্য স্যালুট জানাই।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
@ এম সরোয়ার হোসেন
আপনার পরামর্শটি নিয়ে সিরিয়াসলি ভাবছি।
এইটা একটা বিষয় হইলো যে সিরিয়াসলি ভাববেন ? আপনি অবশ্যই এইখানে লিখবেন। আরে ভাই সব মানুষকি এক ?কেউ এপ্রেশিয়েট করবে,কেউ যুক্তি দিয়ে খন্ডন করবে, কেউ আবার খারাপ করে বলবে। আমরা ফ্রিলি কথা বলবো বলেই না আমারব্লগে আসিরে ভাই। জাস্ট টেক ইট ইজি। কিন্তু ব্লগ ছাড়ার কথা মাথায় আনবেন না।
আমাদের গ্রামে একটা কথা প্রচলিত আছে যে, " কিচেনে আপনি যতই সতর্ক থাকেন না কেন পাতিলে পাতিলে ঠোকাঠুকি কিন্তু লাগবেই "
কে কি বলবে জানি না তবে আমার রিকোয়েষ্ট এইখান থেকে যাওয়ার কথা ভাববেন না, প্লিজ।
____________________________________________________________________
Beautiful words aren't always truthful and truthful words aren't always beautiful..
আমিও একমত। ওনার ব্লগ ছেড়ে যাবার মত কিছু হয়েছে বলে মনে হয় না। এটা ঠিক যে প্রথমে কেউ কেউ অপ্রাংগিক মন্তব্য করেছে। তাদের ইগ্নোর করাই যায়। খোলা ব্লগে এমন অনেক সময়ই হয়।
কিন্তু ওনার সাথে সিরিয়াস আলোচনাও হয়েছে, এতে ওনার বিরক্ত হয়ে ব্লগ ত্যাগ করার মত কিছু দেখি না। ওনাকে প্রশ্ন করা হয়েছে, উনি জবাব দিয়েছেন ওনার মত; পালটা প্রশ্ন চলেছে...এভাবেই তো আলোচনা হয়।
আশা করি সরোয়ার সাহেব ব্লগ ছাড়বেন না, তাতে বিশেষ করে আমি আরো বিপদে পড়ব কারন ওনার একটি লেখার পরিপ্রেক্ষিতে আমি একটি লেখা লিখে শেষ করে এনেছি, সময়ের অভাবে ফিনিশিং দিতে পারছি না। আর দুয়েকদিন পরেই আশা করি পোষ্ট দেব।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
সরোয়ার ভাই, রাগ করে আগে যে কথা গুলো বলেছি সে গুলোকে ইগ্নোর করবেন প্লিজ!!! আমি এর জন্য বলেছিলাম যে- কাল না পরশু বুড়ো শালিকের পোস্টে একজন কমেন্ট করেছিলেন আপ্নার এই ধরণের পোস্ট দেওয়ার পিছনে আপ্নারা অন্য উদ্দেশ্য দিয়ে থাকেন। কারণ যেহেতু আপনারা ইসলাম নিয়ে লিখে থাকেন তাই আপনারা ইসলাম ছাড়া কিছু লিখলে এর মধ্যে অন্য কিন্তু খুজে পান।
যাক ভাই আমার কথাকে সিরিয়াসলী নিবেন না। আমি দেখতে পাচ্ছি এই ব্লগে আপনার লেখাকে ভাল পান অনেকেই আছেন। কাজেই আমার কথার উপর বিবেচনা না করে অন্যদের কথা মতো আপনি ব্লগে লেখে যান।
ধন্যবাদ।
============================================================================
জয় হোক সত্যের! জয় হোক মানবতার!!!
রামনা্রায়ণের রাম চিঠি http://www.amarblog.com/munim/posts/134846
মুনিম ভাই,
আমি অন্যের কথায় কোন সিদ্ধান্ত নেই না। আমার সিদ্ধান্ত আমিই নিবো। এতে আপনার মন্তব্যের কোন প্রভাব পড়বে না। ভাল থাকেন।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
মাল্টি নিক নিয়ে এই এক মসিবত হয়েছে, মন্তব্য নীচে দিচ্ছি আবার।
@মুনিম, স্পষ্ট করে নাম উল্লেখ করে বললে অসুবিধা ছিল না। উদ্দেশ্য নিয়ে আমি তো আগে কিছু বলিনি, উনি উদ্দেশ্য সাধনের পর (সেটা পূর্ব পরিকল্পিত নাও হতে পারে) আমি উল্লেখ করেছি, কাজেই উদ্দেশ্য বা 'অন্য কিছু খুঁজে পাওয়া'র প্রশ্ন আসছে না। তবে এই পোস্টের উদ্দেশ্য খুঁজে পেয়েছি এবং তা অন্য মন্তব্যে উল্লেখও করেছি। খোদা হাফেজ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
@ মুনিম
কেনরে ভাই আপনার চুলকাচ্ছে কিসে?
গুয়েতেমালায় ১৯৪৬-১৯৪৮ সালে আমেরিকান সরকারের অর্থে পরিচালিত গবেষণায় পতিতাদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে মিথ্যা ও মানবতার মুখোশে সিফিলিসের জীবাণু তাদের দেহে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। প্রায় ৭০০ জন মানুষর দেহে সিফিলিসের জীবাণু দিয়ে সংক্রমিত করা হয়। এদের মধ্যে মানসিক প্রতিবন্ধীও ছিল।
এইটাত আমার জানা ছিলো না। ওনার এই লেখার কারনে জানলাম। এই কথা যদি সত্যি হয় তবে অবশ্যই এইটা একটা ভালো ইনফরমেশন। মিয়া ফালতু বুদ্ধি দেয়া থেকে দূরে থাকেন।
____________________________________________________________________
Beautiful words aren't always truthful and truthful words aren't always beautiful..
মুনিম @ সবাই তো দেখলাম আলোচনা করছে। কোপাকুপি কে কই করলো?
_________________________________________________________________________________
ঢিল মারি তোর টিনের চালে...
সরোয়ার সাহেবকে এরকম সত্যি কথা প্রকৃত বন্ধু ছাড়া কেউ বলবেনা। আমার ব্লগ ওপেন ফোরাম, তাই মতলববাজির জন্য এখানে বিশেষায়িত মেধার দরকার। অনেকের অবশ্য নিজের সম্পর্কে মাত্রাতিরিক্ত উচ্চ ধারনা থাকে। নিজেকে সেই বিশেষায়িত শ্রেনীর বলে মনে হয়। কিন্তু সরোয়ার সাহেব সেটা নন। সদালাপে ভক্ত কূল পরিবেষ্টিত থেকে থেকে লাগাতার প্রসংশা পেয়ে নিজের সম্পর্কে এই জাতীয় ভ্রান্ত ধারন গড়ে উঠাটা আমূলক নয়। তো তার এখন বোঝা উচিত আমার ব্লগ অনেক কঠিন জায়গা। কারন শুধু ভক্তকূল থাকেনা।
যৌতুক বিষয়ক পোস্টে যৌতুকের ব্যাপক বিস্তৃতির সাথে ১৯৭০ এর যোগসূত্র স্থাপনের অপচেষ্টা করে ধারা খাবার পরে উনার বোঝা উচিত ছিল। কিন্তু উনি নিজের প্রতি মোহ ত্যাগ করতে পারছেন না। আরেকটা চেষ্টা নিলেন এবং এবারেও কট। বর্নবাদের চিত্র তুলে ডারুইনবাদের উপরে দায় চাপান। এক ঢিলে দুই পাখি।
যারা ধরছেন তাদের উপরে মহা বিরক্ত তিনি, অবশ্য হবারো কথা।
যাক আমরাও সরোয়ার সাহেবের ব্লগীয় জীবনের দীর্ঘায়ু কামনা করি এবং এ ব্যাপারে মুনিম সাহেবের পরামর্শ মত ভক্ত পরিবেষ্টিত নিরাপদ জায়গায় ব্লগিং একটি ভাল অপসন হতে পারে।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
চমৎকার বলেছেন
তালগাছ আপনাকেই দিয়ে দিলাম!
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
আপনি হয়ত লক্ষ করেননি, কদিন থেকে আপনি কি পরিমান গড়াগড়ি করে যাচ্ছেন। এটা অনেক ক্ষেত্রে ফিটনেসে সাহায্য করে। চোখ টিপির ইমোটাও ভাল, ওটাও কিছু কিছু পরিস্থিতী মোকাবেলায় সাহায্য করে। চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
একটি ভালো লেখা হল আলোকবর্তিকা সম। যার আলোকে জ্ঞানের পথে চলা যায়।
সারোয়ার ভাই,
আপনার চমৎকার এবং তথ্য সমৃদ্ধ লেখার জন্য ধন্যবাদ। আমি অন্যকোন বাংলা ব্লগের সদস্য নই এবং তেমন পড়াও হয়না।
আপনার প্রতি আমার অনুরোধ আমার ব্লগে আপনি লেখা চালিয়ে যাবেন।
যারা আপনাকে আঘাত করে, আপনি তাদের ক্ষমা এবং ভালবাসা ছড়িয়ে দিন।
আমরা এখানে জ্ঞানের চর্চা চাই। আলোচনা-সমালোচনা হতে পারে, কিন্তু বিদ্বেষ চাই না।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে
@ শেখের পো,
আমুতে আপনি ও আপনার মত কয়েকজন মানুষের অনুপ্রেরণার জন্য লিখে থাকি। সারাদিন অফিসের গুরু দায়িত্ব (সিংগাপুরে জব ঠিকিয়ে রাখাও বেশ কষ্টকর) পালন করে রাতে না ঘুমিয়ে ব্লগের জন্য লেখা তৈরী করি (এখন রাত ২টা ২১ মিনিট)। এতে পরিবারের সদস্যদেরও যথেষ্ট ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। লেখা দেয়ার সাথে সাথে শুরু হয় গালি। ব্লগের জন্য আমার কষ্টার্জিত সন্মান আর কত বিকিয়ে দিতে পারব, বলেন। এখানে তো পারিশ্রমিক নেই। শুধু বিবেকের তাড়ণায় লেখি। এভাবে বেশীদিন থাকলে শুধু মেধার অপচয় হবে। এতে মনে হয় দেশেরই ক্ষতি হবে। দেশের কাছে অনেক ঋনী। এই ঋন শোধ করতেও শক্তি সঞ্চয় রাখতে হবে। অনেক আশা নিয়ে এখানে এসেছিলাম। এমন কিছু লোককে দেশে চিনিয়ে দিতাম যাদের দেশপ্রেমের কাছে আমরা অনেক ঋনী। তারা নিরবে দেশ সেবা করে যাচ্ছেন, অথচ আমরা তাদের নামই শুনিনি। আমার বিশ্বাস এতে আমু ব্লগে ভাবমূর্তি বাড়ত। যাই হোক, আমরা যেকোন জায়গায় থাকি না কেন, লেখা-লেখিতে থাকলে সাক্ষাত হবেই।
আপনার অনুপ্রেরণা পাথেয় হয়ে থাকবে। ভাল থাকবেন।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
তা হলে খারাইল কি ?
বিবর্তনবাদ সকল নষ্টামির কারন?
সরওয়ার সাহেব "তাড়ানোর " চেষ্টা কেন হবে ? আমার মনে হয় একটা দারুন যুক্তির টক্কর হলো আপনাদের মধ্যে আর আমরা অনেক কিছু জানলাম এটা কি কম প্রাপ্তি
তবে আপনার বা আদিল এবং কাঠ মোল্লা র বিতর্কের ফলে সৃষ্ট মত টা পেলে ভালো লাগত
বিবর্তনবাদ তত্ত্ব বিজ্ঞানেরই অংশ। কিন্তু এটাকে যখন কোন ভাবধার প্রসারে ব্যবহার করার হয়, তখন সমস্যা তৈরী হয়; আর এতে ভূক্তভোগী হয় নিরীহ বা দূর্বল প্রকৃতির মানুষেরাই। প্রকৃত মানবতাবাদীরা যদি সচেতন না থাকে, তবে কট্টর নাস্তিক মৌলবাদীরা বিবর্তনবাদের খোলসে ভাবধারা প্রচার করে এবং এতে দূর্বিষহ নেমে আসতে বাধ্য। এজন্যই হিটলারের রেসতত্ত্ব ও ইউজেনিক্স মুভমেন্ট মানব ইতিহাসে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। আপনাকে ধন্যবাদ।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
পোস্টটা পড়ে ভয়ে, ঘৃণায় গা রি রি করছে! মানুষ এতটা নৃশংস হয় কীভাবে?
না জানি ক্যান্সার, এইডস এসবের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য কী কী হচ্ছে!
আপনার কথা ঠিক। আসলেই তলে তলে অনেক কিছু হয়, এমনকি বিজ্ঞানের নামেও হয় যার বেশীরভাগই হয়ত আমরা জানি না।
তবে এটাও মনে রাখতে হবে যে মানবতার সংজ্ঞাও সময়ের সাথে সাথে বদলাচ্ছে; এটাই সভ্যতার অগ্রগতি। মাত্র ৫০ বছর আগেও আমেরিকার অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে কালোদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল।।। তখন এসব কেউ অমানবিক ভাবত না।
৫০০ বা হাজার বছর পরের মানুষ হয়ত আমাদের সময়কার কসাইখানায় কিভাবে পশু জবাই করা হয় তার ছবি ভিডিও দেখে শিউরে উঠবে, ছি ছি করবে।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
বাংলাদেশেই ডিপো-প্রোভেরা নামের এক জন্মনিয়ন্ত্রণ ইঞ্জেকশন চালু করা নিয়ে খুব বিতর্ক হয়েছিল। কিছু এনজিও প্রতিবাদ করেছিল এই বলে যে ওষুধ কর্তৃপক্ষ ট্রায়ালের জন্য বাংলাদেশের মহিলাদের। গিনিপিগ হিসাবে ব্যবহার করতে চাচ্ছে। আফ্রিকার কিছু দেশে ক্লিনিকাল ট্রায়াল হয়েছিল। ভারতেও এ নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। বহুদিন পর্যন্ত যুক্ত্রাষ্ট্রে ওষধুটি যুক্ত্রাষ্ট্রে বাজারজাত করার অনুমোদন পায়নি এর ক্ষতিকর সাইড এফেক্টের জন্য। বলা হয় নিজের দেশেই যদি অনুমোদিত না হয় তাহলে তৃতীয় বিশ্বে ওষুধটি চালানো যাবে না, এই বিবেচনায় FDA শেষ পর্যন্ত অনুমোদন দেয়।
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
যারা করার তারা এখনও করে তবে বেশিরভাগ মানুষে করে না কারণ খেতে তো হয়। একবার একজন সাউথ এ্যাফ্রিকানের সাথে বাংলাদেশের কাঁচাবাজারে গিয়েছিলাম মাংস কিনতে, তো কসাইয়ের দোকানে উল্টো করে ঝু্লন্ত খাসি দেখে তার মূর্চ্ছা যাবার দশা ! আমি বললাম, কি হল ? সে বলল আমাদের ওখানে আমরা প্রাণী জবাই করতে দেখিই না স্টোরে গিয়ে ফ্রোজেন মাংস নিয়ে আসি। যাহোক তাকে বাইরে রেখেই মাংস কিনতে হল।
পশু জবাইটা হাজার হাজার বছর ধরে চলছে এখনো চলছে ও চলতে থাকবে। ধর্মীয় ব্যাপারটা তো আছেই, খাদ্যের প্রয়োজনও আছে যেটা উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। জবাই করে হোক আর গুলি করেই হোক।
ব্যাপারটা নিতান্তই উদাহরন হিসেবে বলেছিলাম। মূল কথা হল মানবতার সংজ্ঞা দিনে দিনে বদলায়, এটাই সভ্যতার অবদান। মাত্র ২৫০ বছর আগেও বিশ্বের বহু যায়গায়, এমনকি ৫০ বছর আগেও কোথাও কোথাও ক্রীতদাস প্রথা আইন সংগত ছিল। তাতে অমানবিকতা তারা ভাবত না।
আপনি এখনো চিন্তা করতে পারছেন না সামনের ৫০০-১০০০ বছর পরের পৃথিবী। ঠিক কতদিনে ঘটবে জানি না, এমনকি ঘটবেই সে নিশ্চয়তাও দিতে পারি না ঠিক। তবে ঘটার সম্ভাবনা আছে, ভালভাবেই আছে। কারন? কারন আর্টিফিশিয়াল ফুড দিন দিন বাজার করে নিচ্ছে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারনে এর বিকল্প তেমন নেই। আগামী দিনে কলকারখানায় কৃত্রিমভাবে মাংসও প্রস্তুত হতে পারে এমন ভাবা এখনো অচিন্ত্যনীয় মনে হলেও মনে রাখবেন যে ৫০০ বছর আগের মানুষও চিন্তা করতে পারত না যে এখনকার মানুষ নিজের ইচ্ছেমত ও প্রয়োযনমত উদ্ভিদ/প্রানীর কৃত্রিম প্রজাতি জেনেটিক্যালি প্রস্তুত করতে পারে।
আমি নিজে এক ধরনের ভেজি মিট কিনে খাই যা বলে না দিলে হয়ত বুঝতেও পারবেন না যে এটা মুরগী নয়। এর কি আরো উন্নতি দিনে দিনে হবে না? অবশ্যই হবে। একই সাথে মানবতাবোধও উন্নত হবে।
শুধুমাত্র কসাইখানায় কিভাবে পশু জবাই হয় তা দেখে অনেকে এখানে ভেজিটেরিয়ান হয়ে যায়। কেউ কেউ এমনকি ডেয়ারী ফার্মে কিভাবে গরুর দুধ সংগ্রহ করা হয় তা দেখেও দুধ পান ছেড়ে দেয়।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
ক্রীতদাস প্রথার এখন 'বিবর্তন' ঘটেছে বর্তমানে হাজার গুণ বেশি ভয়াবহ। সিন্ডিকেট করে পূঁজিপতিরা জিম্মি করে রেখে গোটা সাধারণ জনতাকে ক্রীতদাস বানিয়ে রেখেছে যুগের পর যুগ ধরে। তারা প্রতিদিন লুটে নিয়ে যাচ্ছে প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে সবকিছু থেকে তাদের লুটের ভাগ পুরো বাজারটা নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে। ইচ্ছামত যখন খুশি বাড়ায়-কমায়( বাড়ায় কমায় বললাম বটে তবে বাংলাদেশে একবার দাম বাড়লে আর সহজে কমে না) তেল,ময়দা,চাল, পেঁয়াজ এককথায় যেটা থেকে খুশি, যত খুশি লুটো আরামসে অল ইন দা ফ্যামিলি, ঐ কয়েকজনে মিলেই খাবে, এরা হল নবযুগের সামন্তপ্রভু, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো প্রসাদ পেয়ে নেতাকর্মীরা চাকরি-সাপ্লাই অর্ডার ইত্যাদি পেয়ে চুপ এবং খুশি থাকে। রাজনৈতিক দলগুলোর 'খেলাধূলা-লুটপাট-স্বেচ্ছাচারিতা' এর কাছে ক্রীতদাস সাধারণ জনতা। এছাড়া আছে 'প্রশাসন' এর প্রভুত্ব।
ওই জন্যই বললাম 'বিবর্তিত' জবাই বা গুলি করে হোক মাংস খেতে হবে, খেতেই হবে। ক্রীতদাস প্রথাও থাকবে, তবে বিবর্তিত আকৃতিতে। সভ্য হয়েও হয়নি মানুষ, শোষণ-বন্চণা-নিপীড়নের ধারাবাহিকতা চলছেই, কে জানে চলবে আরো কত শতাব্দি ধরে।
সে হিসেবে চিন্তা করলে সভ্যতার তেমন কোন উন্নতি ঘটছে না। ঘটবেও না।
আপনার মত জানি না, তবে আমি ব্যাক্তিগতভাবে আপনার ভাষায় বর্ননাকৃত বর্তমান যুগের ক্রীতদাস ষ্ট্যাটাসে অনেক সুখী; অপশন থাকলেও টাইম মেশিনে করে ২০০ বছর আগের দুনিয়ায় ফেরত যেতাম না যেখানে আমাকে হাতে পায়ে শেকল পরিয়ে বিক্রি করা যেতে পারে। কিংবা ২০০০ বছর আগে যখন আমাকে কোন সম্রাটের মৃতদেহ পাহারা দেবার জন্য তার লাশের সাথে জ্যান্ত কবর দেওয়া হত।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
অন্ধকার এখনো গাঢ় বহু চরাচরে।
ফায়ারফক্সের আরেক ট্যাবে পড়ছিলাম এক ভয়ানক কাহিনী লিংক দিচ্ছি পড়ে দেখেন।
http://www.houseofrefuge-india.org/sleeping_goddess.html
প্রতিবছর ভারতে হাজার হাজার মেয়েকে মন্দিরের দেবীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়, এরপর তাদের তাদের পেশা হিসেবে বেছে নেয় পতিতাবৃত্তিকে, সারাজীবনের জন্য।
উলিগাম্মা মন্দিরের শুভ্র খিলানগুলোর মধ্যদিয়ে ভারতের থুঙ্গাবাদ্রা নদীর দিকে এগোচ্ছিল দুরগাম্মা নামের মেয়েটি, কি যেন এক আশ্চর্য গর্বের সাথে! আজকে মেয়েটির বিয়ের দিন। তার আত্মীয়স্বজন পাড়াপ্রতিবেশীর দৃষ্টি নিবদ্ধ ছিল ১২ বছর বয়সী এই মেয়েটির দিকে।
থুঙ্গাবাদ্রা নদীটির সেতুর নীচে একজন পুরোহিত দুরাগাম্মার পরিবারের অর্ঘ্য হিসেবে আনা ছাগলটি গ্রহণ করল। খড়গের দ্রুত আঘাতে সে পাঁঠাটি মন্দিরের দেবী উলিগাম্মার উদ্দেশ্যে বলি দিল। বলির রক্ত মিশে যেতে লাগল থুঙ্গাবাদ্রায়, যেখানে স্নান করছিল শত শত ভক্তরা।
দুরগাম্মার আত্মীয়ারা তার শরীরে চন্দন মেখে নদীতে গোসল করাল। এরপর যখন তাকে একটি সাদা শাড়ি পরিয়ে আনা হল, সে শুনছিল উঁচুশ্রেণীর পুরোহিতের কন্ঠস্বর, যার সংস্কৃত মন্ত্রপাঠ উপস্থিত কারোর বোধগম্য ছিল না। যখন তার মন্ত্রপাঠ শেষ হল, মন্দিরের পুরোহিত দুরাগাম্মার মাথায় হলুদবাটা মিশ্রিত পানি ঢেলে দিল।
দুরগাম্মা এরপর মন্দিরের ভেতরে গেল যেখানে একজন পুরোহিত তার গলায় একটি লালসাদা পুতিঁগাথা গেরুয়া রঙের সুতা পরিয়ে দিল। নির্দিষ্ট কোন পুরুষ আসেনি সেই অনুষ্ঠানে, দুরাগাম্মাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে। এর বদলে দুরাগাম্মাকে বিয়ে দেয়া হয়েছে মন্দিরের দেবীর সাথে, এবং তার গোটা জীবন এরপর অতিবাহিত হবে দেবদাসী হিসেবে, সে হবে একজন মন্দিরগণিকা। মন্দিরের পুরোহিতের মতে আজকে দেবী উলিগাম্মার আত্মা দুরাগাম্মার ভেতরে প্রবেশ করেছে। এবং তার পরবর্তী জীবনে, যখন মন্দিরের পুরোহিত কিংবা অন্যান্য পুরুষরা তার সাথে রাত কাটাবে, তারা তো দুরাগাম্মা নয় বরং দেবীটির সাথেই যেন রাত্রিযাপন করবে। দেবীর নির্দেশ এই যেন তার সাথে রাত্রিযাপন করা পুরুষটি সন্তুষ্ট হয়।
শুদ্র পরিবারের কমবয়সী বালিকাদের দেবদাসী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এক কর্ণাটকেই রয়েছে এক লক্ষ দেবদাসী, যেখানে দেবদাসীদের এই রীতিটি পালিত হয় ভারতের ছয়টি শহরে। ভারতে শুদ্রদের নেই কোন সম্মান। দেবদাসী হিসেবে নিজের কচি মেয়েটিকে শুদ্র পরিবার মন্দিরের লোলচর্ম ব্রাহ্মণটির নিকট সমর্পিত করে, তার এই কথায় আশ্বস্ত হয়ে যে তার খাহেশ মেটালে শুদ্রটি পরজন্মে ব্রাহ্মণ হয়ে জন্মাবে।
আগের ঘটনায় ফিরে আসি।
অনুষ্ঠানের পর দুরগাম্মার জন্য একজন শয্যাসঙ্গী অপেক্ষমান ছিল। তার বাবা হুলিগাপ্পা যখন তার ছোট মেয়েটিকে নির্দেশনা দিচ্ছিল
সে ভয় পেয়েছিল। তার বাবা তাকে বকা দিয়েছিল এই বলে যে লোকটি দুরগাম্মাকে উপহার হিসেবে দিয়েছে রূপার আংটি, নাকের নোলক, হাতের বালা, কানের দুল, এবং পরনের শাড়িকাপড়। সে লোকটিই হাতে যাচ্ছে দুরগাম্মার সাথে প্রথম রাত্রিযাপন করা ব্যক্তি। এর বদলে মন্দিরের পুরোহিতকে উক্ত শয্যাসঙ্গীর তরফ থেকে কিছু অর্থ প্রদান করা হয়েছে, এবং দুরগাম্মার পরিবারকে দেয়া হয়েছে যাতায়াতের খরচ।
পরের দুইটি বছর দুরগাম্মার সাথে রাত কাটাল লোকটি। তারপর একদিন কিছু না বলে, দুরগাম্মার বাবার বাড়ি থেকে বিদায় নিল সে। এরপর দুরগাম্মার বাবা তার মেয়ের জন্য ২০টির মত শয্যাসঙ্গী যোগাড় করেছে। তাদের স্থায়িত্ব ছিল এক সপ্তাহ থেকে দুই বছর।
যখন আমি দেখি বাচ্চাকে কোলে নিয়ে কোন মেয়ে তার স্বামীর সাথে হেঁটে যাচ্ছে, তখনি আমার মনে পড়ে আমার কথা, আমার জীবন, আমার ভবিষ্যৎ। যখন আমার মনের ভিতরে বিষয়গুলো আঘাত করে, তখন কেন জানি আমার কান্না বোধ হয়, বলছিল দুরগাম্মা। ২৫ বছর বয়স হওয়ার কারণে যাকে বিবেচনা করা হতো দেবদাসী হিসেবে অনুপযুক্ত।
দক্ষিণ ভারতে অতীতে যখন বর্বর হিন্দুরাজত্ব কায়েম ছিল, তখন দেবদাসীদের খরচ বহন করতো রাজারা। কিন্তু পরবর্তীতে মুসলিমরা দক্ষিণভারতে সভ্যতার আলো নিয়ে আসলে বন্ধ হয়ে যায় দেবদাসীদের দেয়া রাজকীয় ভাতা। তারপরও ব্রাহ্মণরা এই জঘন্য রীতিটি টিকিয়ে রাখল। কিন্তু দেবদাসীদের উপার্জনের জন্য তখন গ্রহণ করতে হলো মন্দিরের পুরোহিত বাদে অন্যদের দেহ।
অনুবাদটি আমার নয় ব্লগার কম্বলের
http://www.prothom-aloblog.com/posts/28/137892
কত অন্ধকার যে এখনো রয়ে গেছে কতখানে
আপনি মনে হয় বর্তমান যুগ খারাপ প্রমান করেই ছাড়বেন। বুঝতে পারছেন না যে সভ্যতার হিসেবে সবই আপেক্ষিক।
অন্ধকারের এখনো অনেক কিছুই আছে। আপনি ওপরে যা বললেন তা নিয়ে ভারতেই নির্মিত একটি হিন্দী সিনেমা দেখেছিলাম, নাম মায়া। এই প্রথাকে দেবদাসিনী, যোগিণী এসব বলা হয়। এ নিয়ে মুক্তমনায় একাধিকবার আলোচনা করেছি।
ধর্মের নামে চলে আসা কুসংস্কার/কুপ্রথা থেকে বের হওয়া অপেক্ষাকৃত শক্ত; ভারত সরকার এই কুপ্রথা বহু আগে আইন করে নিষিদ্ধ করলেও এখনো বছরে প্রায় হাজার দশেক হয় বলে ধারনা করা হয়। আগের দিনের তূলনায় এই কুপ্রথার প্রকোপ অনেক কমেছে, এটা আধুনিক সভ্যতারই উন্নতির কারনে হয়েছে। একদিন পুরোই বন্ধ হবে বলেও আশা করা যায়। কারন সেখানকার ধর্মগুরুরা এসব কুপ্রথা বন্ধ আইনের বিরুদ্ধে ধর্ম গেল ধর্ম গেল বলে রাস্তায় নামে না।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
নাহ এই মূহুর্তে আলোচনার তেমন আগ্রহ নেই। অনেকদিন পর এলাম কথায় কথায় কিছু ভালমন্দ শেয়ার করা এই আর কি। এখন আর আগের মত জ্ঞানগর্ভ আলোচনার পরিবেশ এখানে নেই, সেই মনও নেই।
কেন যেন আগ্রহও হয় না আজকাল। কেমন যেন মন খারাপ করা নিরানন্দ পরিবেশ।
ভাল থাকেন।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
ভাগ্যিস! ধান, শাক ইত্যাদি কাটার সময় তাদের জীবন উইড়া যাওনের ব্যাপারটা মাইনষে দেখতে পায় না!
নাইলে তো এগুলা খাওনও এক সময় বন্ধ হইয়া যাইতো!!!
হা হা হা, দারুণ বলেছেন !
ব্যাপারটার কটাক্ষ করে বললেও সত্যতা আছে।
মানুষ শুনলে এক রকম প্রতিক্রিয়া হয় আর নিজের চোখে দেখলে সম্পূর্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া হতে পারে।
গাছেরও প্রান আছে, বেড়ালেরো প্রান আছে। আপনি যত সহজে নিজের বাড়ির আংগিনায় জন্ম নেওয়া বুনো ঝোপ কাটতে পারবেন তত সহজে কি বাড়িতে ঢুকে পড়া বেড়াল মেরে ফেলতে পারবেন? সূস্থ মাথার মানুষ হলে পারার কথা না।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
আমি কার্যোপলক্ষে একবার কিছুদিনের জন্য বাইরে গিয়েছিলাম, যখন বাড়ি ফিরে এলাম দেখি রঙের কাজ চলছে ৭/৮ জন মিস্ত্রী কাজ করছে। পরে অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম মাটি থেকে ৪ তলা পর্যন্ত উঠে যাওয়া পুরনো বিশাল ফুলগাছটার বিরাট অংশ তারা দোতলার ব্যালকনি রঙ করার তুচ্ছ অজুহাতে কেটে ফেলেছে ! পুরো বিল্ডিংয়ের সামনের অংশটা পুরো ঢেকে থাকত ফুলের চাদরে। কত বছর লাগে এরকম একটা গাছ এতখানি বড় হতে ! ভীষন ক্ষুদ্ধ হয়ে তীব্র ভর্ৎসনাসহ পত্রপাঠ পুরো টিমটাকে বিদায় করে দিলাম। নতুন টিম লাগিয়ে দিলাম।
পরে বর্ষায় আবার তরতর করে প্রাণবন্ত গাছটা নতুন পত্রপল্লবে আগের মতই ছাদ ছুঁয়ে মেরুন আর সাদা ফুলের চাদরে ঝুলতে শুরু করল। মুগ্ধ বিস্ময়ে আনন্দে নীরবে আপ্লুত হলাম। এত দ্রুত রিকভার করবে ভাবতেই পারিনি।
তেমন হতেই পারে। সুন্দর ফুলের গাছ, ফলের গাছ কাটা পড়লে খারাপ লাগবেই।
এর সাথে আমার উদাহরনের কি মিল আছে?
এ পর্যন্ত কোন মানুষকে শুনেছেন যে ধান আলূ পেয়ারা কমলা গাছ ব্যাথা পায় বলে তারা নিরামিশ ত্যাগ করে মাংসাশী হয়ে গেছে? উল্টাটাই ভুরি ভুরি ঘটে। কারন তূলনামূলকভাবে একটি প্রানীর প্রানহরন বা ব্যাথা পাওয়া উদ্ভিদের প্রান হরন বা ব্যাথা পাওয়ার থেকে অনেক বেশী আবেদন সৃষ্টি করে।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
আপনার এই কমেন্টের পর খেয়াল করলাম ভাল করে আপনার কমেন্টটাই পড়িনি। আবার পড়লাম, মনে পড়ে গেল সম্ভবতঃ জুয়েল আইচের নাকি সত্যজিৎ রায়ের কার একটা স্মৃতিকথায় এক জাপানি ভোজসভায় বিলাসিতা করে জ্যান্ত বাঁদরের মস্তিষ্ক খাওয়ার কাহিনী। খুব টাইট করে চেপেচুপে ঢোকানো একটা ছোট বাঁদর একটা জগের মত পাত্রে ঢোকানো। ঢাকনিটার নীচে বানরটার মাথা তাও খুব টাইট সংকীর্ণভাবে, শুধু মাথার তালুর কিছুটা ঢাকনি খুললে পাওয়া যায়। একটু ভারী চামচ না ছোট হাতুড়ি দু'হাতে নেয়া হল এবং ঢাকনা খুলে মাথার তালুটার খুলি ভাঙ্গা হতে লাগল। কিছুটা নারকেলের মতো ভেঙ্গেই চিমটে দিয়ে ভাঙ্গা খুলির হাড়ের টুকরোগুলো সরিয়ে চামচ দিয়ে মহাতৃ্প্তির সাথে খাওয়া হতে লাগল তাজা মগজ। হতভাগ্য জীবিত বাঁদরটা এমন টাইটলি ওই ছোট জগটার মধ্যে পোরা যে খুলি ভাঙ্গার সময় সামান্যতম আওয়াজও শোনা যায় নি।
অর্থাৎ জগের ভেতর নীরবে তীব্র যণ্ত্রণাময় মৃত্যুর পাশাপাশি ওপরে মানবচোয়ালের রসনার তৃপ্তির বৈপরিত্যময় পরিবেশে শুরু হয়ে গেছে জীবনের উল্লাস।
খাদ্যের মৃত্যু ও খাদকের পরিতৃপ্তি, পরিপুষ্টি।
এই রকম বহু উদাহরন জানি। এগুলি এখন আর খুব সাধারন নয়।
নানান রকম মৃত্যু দৃশ্য নিয়ে একটি মুভি সেট ছিল আমার, মেন হয় ফেসে অফ ডেথ নামের। এক সময় ফেলে দিয়েছি। সেখানে এটি ছিল, রেষ্টুরেন্টে ওয়েটার এসে গর্ত করা টেবিলে জ্যান্ত বাঁদর ভরে দিয়ে যায়, তারপর তার মাথা হাতুড়ীর বাড়ি দিয়ে ভাংগা হয়। আর বলা যাবে না।
এই জাতীয় খাদ্য ভক্ষনের বর্ননা অমানবিকই বলতে হবে, আরো ১০০ বছর পরের মানুষ শুধু অমানবিকই বলবে না, বলবে বর্বর।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
ভবিষ্যতে কি হবে তার প্রেডিকশন করা খুবই সহজ যার যা মনে আসে একটা বলে দিলেই হল, এখনি তো প্রমাণ করতে পারছে না কেউ যেহেতু ভবিষ্যতের ব্যাপার। জানামতে মহানবী(সাঃ)ই একমাত্র মানুষ যাঁর কোন ভবিষ্যতবাণী আজ পর্যন্ত মিথ্যা হয়নি, হাজার বছর পরেও না।
যাক সে প্রসঙ্গে আর গেলাম না দেবদাসী প্রসঙ্গে একটু বলি। ১০০ বা ২০০ বছর পর অমানবিক বলবে না কি বলবে সেটা ভবিষ্যতের ব্যাপার। বর্তমানে ওপরে যা দেখলাম সেটা শিশু নির্যাতনই বলবেন নিঃসন্দেহে সবাই।
কিন্তু মানবিকতার পাইকারী আড়ত পাশ্চাত্যে কি হচ্ছে ? লক্ষ লক্ষ কিশোরী, বালিকা এবং নারীশিশুকে যৌনদাসীতে পরিণত করা হচ্ছে মূল্যহীন গারবেজ হুকারে শেষ হয়ে গণউচ্ছিষ্ট বানানো হচ্ছে। এসবই নারীস্বাধীনতার উচ্চকিত পন্ডিত প্রবক্তাদের মানবিকতার আখ্যান। নারীর মূল্য কত বেশি থেকে বেশি দ্রুত কমানো যায় তারই প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে আজ। হাতে সামান্য কয়েকটা টাকা ধরিয়ে দিয়ে তাদের অপরিণত যৌনাঙ্গ, পায়ুপথ এমনকি মুখগহ্বরটিকে পর্যন্ত যথেচ্ছ গণব্যবহারে নষ্ট, ক্লিষ্ট রোগাক্রান্ত করা হচ্ছে। অবাধ যৌনতার নামে তৈরি হয়েছে নরকের বহু নতুন স্তর এই ধরাধামে।
ব্যাভিচার,সমকাম,বহুকাম,অজাচার এমনকি পশুকামও আজ স্বাভাবিক বৃত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, 'বুদ্ধিজীবিগণ' এসবের সমর্থনে 'যুক্তি' দিয়ে ব্লগ ফাটিয়ে ফেলছেন। সেই ঢেউ এসে পড়েছে আমাদের এখানেও। আজ এসব ফ্যাশন,বাহাদুরি প্রজন্মের। প্রায় প্রতিটি আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠছে নতুন নতুন পতিতালয় ভাসমান ও বহুরুপী বহুমুখীগুলো তো আছেই। পাল্লা দিয়ে চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়ছে এসবের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত ভয়ানক সব রোগ-মাদক-হত্যা-অপহরণ-চাঁদাবাজিসহ আরো হাজারো অপরাধ।
আপনি ১০০ বছরের কথা বললেন ? আর ১০/২০ বছরেই নরকে পরিণত হতে পারে বাংলাদেশ, যদি আমরা এখনি সতর্ক না হই।
শরীফ সাহেব,
আপনার ধারনা পশ্চীমে বা প্রাচ্যে আগেকার দিনে আপনি যেসব সমস্যার কথা বললেন সেগুলি ছিল না? এ সবই আধুনিক সভ্যাতার অবদান?
বা আগে ছিল, কিন্তু মাত্রা অনেক কম? সেক্ষেত্রে তেমন কোন তূলনামূলক ষ্ট্যাটিস্টিক্স কি আছে?
সোজা কথায় বলেন তো, আপনাকে যদি হাজার বছর আগেকার যুগে ফেরত যাবার অপশন দেওয়া হয় আপনি চলে যাবেন?
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
@ শালিক, আহমেদ শরীফ
পড়া ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
পোসট মুছে দিসে
এবার কয়দিনের জন্য ব্যান করে কে জানে?
আপনার পোস্ট মুছে দেবার জন্য তীব্র প্রতিবাদ জানালাম!
আর আপনাকে ব্যান করার কোন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করিনা।
ও ভাল কথা বাঁশ আপনার কাছে রেখে দেন ভুল যায়গায় ব্যবহার করে মূল্যবান বাঁশের অপচয় করবেন না। কারণ যখন সত্যিকার ছাগু পাবেন তখন হয়তো বাঁশ খুজে পাবেন না।
আমি আমার আমুর পোস্ট গুলো ডিলেট করতে শুরু করে দিয়েছি, এর মধ্যে ৫০/৬০টি ডিলেট হয়ে গেছে। বাকি গুলো হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। তাই আমার পিছনে বাঁশ উচু করা আপনার ডিউটি অচিরে শেষ হয়ে যাবে। হেপী ব্লগীং !!!
============================================================================
জয় হোক সত্যের! জয় হোক মানবতার!!!
রামনা্রায়ণের রাম চিঠি http://www.amarblog.com/munim/posts/134846
@মুনিম, আপনিই বা যাচ্ছেন কেন? এখন তো কেউ আপনাকে তেমন কিছু বলছে না। আইজুদ্দিন্ও আগের পোস্টে আপনাকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলছিল। এতদিন আপনাকে নিয়ে ক্যাচলে রয়ে গেলেন আর এখন ক্যাচাল শেষে যাবেন এটা ঠিক না।
অনেক কিছু জানলাম। এরকম আরো লেখার অনুরোধ থাকবে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বলো বীর! বলো উন্নত মম শির!
শির নেহারি আমারই-
নতশির ঐ শিখর হিমাদ্রির!
" বিবর্তনবাদ তত্ত্ব বিজ্ঞানেরই অংশ" -- "ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী আমেরিকা-ইউরোপে কালোদের অবস্থান সাদাদের চেয়ে নীচে" আমি কনফিউজড!
সারোয়ার সাহেব, বিজ্ঞান সম্মত বিবর্তন তত্বের কোন অংশ অনুসারে কালোদের অবস্থান সাদাদের নীচে? আপনার বিজ্ঞান সম্মত বিবর্তন বাদটি সম্পর্কে একটু জানাবেন কি? মানুষের উৎপত্তি সম্পর্কে এই বৈজ্ঞানিক বিবর্তনবাদ কি বলে?
বিবর্তন বাদের সোজাকথা যে অধিকতর অ্যাডাপ্টিভ প্রজাতি এবং পপুলেশনগুলির পরবর্তী প্রজন্মগুলিতে তাদের বংশগতিকে প্রবাহিত করার সম্ভাবনা বেশী। বংশরেখে যাওয়ার সফলতাই বিবর্তনের লটারীতে জেতা। সুতারাং বিবর্তনবাদ অনুসারে মানুষের অবস্থান তেলাপোকার নীচে, কারন এক মিলিয়ন বছর পরে মানুষের বর্তমান ফর্মে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।
@ পাঠক,
হোরাস, কাঠমোল্লা ও আদিল মাহমুদরা একটি প্রশ্ন নিয়ে পুরো পোষ্টে ত্যানা প্যাঁচিয়েছেন-
লেলিনরহমানও প্রায় একই বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। তিনি বলেন-
মজার বিষয় হচ্ছে পোষ্টে এ সম্পর্কে বিস্তর আলোচনা করা হয়েছে। টাসকিগির বা গুয়েতেমালার ঘটনা ঘটে ১৯৩০-১৯৭০ পর্যন্ত যা ৪০ বছর ব্যাপী বিস্তৃত ছিল। সেই আলোকেই সবকিছুর ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পোষ্টে থেকে হুবহু উঠিয়ে দিলাম-
সাদা-কালোর বিষয়টি আরো ক্লিয়ার করা হয়েছে পোষ্টের শেষের দিকে। দেখুন-
এ থেকে স্পষ্ট প্রতিয়মান হচ্ছে যে আদিল মাহমুদ ও তার অনুসারীরা পোষ্টটি ঠিকমত পড়েননি। আরো হাস্যকর হচ্ছে যে, এই পোষ্টে আদিল মাহমুদ মিডিল ইস্ট ও পাকিস্তান নামক অতি কমন ও সস্তা ইস্যু জুড়ে দিয়েছেন! সন্মানিত পাঠক, বিষয়টি আপনেরাই বিবেচনা করুন। ধন্যবাদ।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
যাক, অবশেষে আপনার অফিশিয়াল বক্তব্য পাওয়া গেছে।
"ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী আমেরিকা-ইউরোপে কালোদের অবস্থান সাদাদের চেয়ে নীচে।"
- এই বক্তব্যের সমর্থনে বার বার যে বিরাট রেফারেন্স জুড়ছেন তাতে অবশ্যই কিছু সাদা গবেষকের বর্নবাদী মনোভাবের কথা আছে। এতে তো কেউই দ্বি-মত করেনি। মুশকিল হল একে ব্যাবহার করে যে আপনি একেবারে জেনারেলাইজড করে ইউরোপ আমেরিকাতেই ডারউইনবাদের কারনে কালোরা সাদাদের নীচে সিদ্ধান্ত টেনে দিলেন এই তথ্য আপনার এই জার্নালে কোথায় আছে? সেটা আপনি কোথা থেকে পেলেন আমরা তো বার বারই তা জানতে চাচ্ছি এবং আপনি সেই একই জিনিস উপহার দিয়ে যাচ্ছেন।
সোজাসুজি বলেন যে ""ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী আমেরিকা-ইউরোপে কালোদের অবস্থান সাদাদের চেয়ে নীচে।" - এই কথাটা আপনার অক্সফোর্ড জার্নাল রেফারেন্সে আছে, কি নেই?
যদি না থাকে, তাহলে এটা শুধু আপনার নিজের মতামত হয় তো পরিষ্কার বলেন। অনর্থক সবার সময় নষ্ট করবেন না। এর দায় বিবর্তনবাদের ওপর চাপাবেন না। চাপাতে হলে বিবর্তনবাদ ঘটিত বৈজ্ঞানিক কোন গবেষনাপত্রে এমন কথা আছে দেখান।
সাদারা কালোদের থেকে জাতি হিসেবে সুপিরিয়র এমন ধারনা এখনো বেশ কিছু সাদা লোকই গোপনে পোষন করে। তাদের নানান রকমের গোপন হোয়াইট হোয়াইট সুপ্রেমেসী গ্রুপও আছে, যেমন ৬০ দশকের কুখ্যাত কেকেকে। এসবের সাথে যারা জড়িত তারা বিবর্তনবাদের আলোকেই এমন চরমপন্থী হয়েছে বলে কখনো শুনিনি। কিছু বিজ্ঞানীও এই মানসিকতার থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। প্রশ্ন হল মূলধারার ইউরোপিয়ান বা আমেরিকা বিবর্তনবাদী বৈজ্ঞানিকেরা কি এসব সমর্থন করে? আপনার কথা শুনলে মনে হয় করে, এবং তাও আবার ডারুইনবাদের আলোকে। উদ্ভট তথ্য। কাঠমোল্লা ভাই গুল্ড এর বই রেফার করে বলেছেন যে আপনার ধারনা ঠিক নয়। এ ব্যাপারে আপনার ভাষ্য কি?
বার বারই এমন এক লোকের এমন এক ভাষ্য রেফারেন্স হিসেবে আনছেন যার ভাষ্যের কারনে সে নিজেই চরমভাবে তিরষ্কৃত হয়েছে নিজেই খবর দিয়েছেন। যেই ভাষ্য মূলধারার বিজ্ঞানীরা গ্রহন তো দূরের কথা, তীব্র ঘৃনার সাথে প্রত্যাখান করেছে তাকে আপনি রেফারেন্স হাজির করছেন। একাডেমিক লেভেলের গবেষনা বটে।
মনে মনে কে কি ধারনা করে তা দিয়ে খুব বেশী যায় আসে? মনের খবর আনতে তো তাহলে সকলের মনের ভেতর ঢুকতে হবে।
আপনি মনে হল রেসিজমে বেশ গবেষনা করেছেন, তাই জানতে চেয়েছিলাম যে আরব বা পাকিস্তানের রেসিজমের সাথে বিবর্তনবাদের সম্পর্ক আছে কিনা। এতে রাগ করার কি হল? হ্যা, না, কিংবা জানি না বলে দিলেই তো হয়।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
যে ওয়াটসনের কথা তিনি বার বার রেফারেন্স হিসাবে টানছেন (যিনি তাঁর বর্ণবাদী ও সমকাম বিরোধী মনোভাবের জন্য ব্যাপকভাবে নিন্দিত হয়েছেন), তিনি নিজেই বলেছেনঃ
এম সারোয়ার হোসেন সাহেবের দেওয়া রেফারেন্স থেকেই উদ্ধৃতিটা দিলাম।
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
একেই বলে ঠেলার নাম বাবাজী! পাবলিকের মাইর (রূপক অর্থে) বলে কথা! তাহলে জেমস ওয়াটসন অপ-বিজ্ঞানীতে পরিনত হলো, তাই না?
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
ঠ্যালাটা কারা দিল? এ্যান্টি সোশাল এ্যান্টি ডারউইনিস্টরা?
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
সরোয়ার সাহেব,
আপনার হাসির মানে বোঝা খুবই মুশকিল হয়ে গেছে।
there is no scientific basis for such a belief. এ কথা কার দাবী সত্য প্রমান করে?
আপনি বিজ্ঞান জগতের সাথে জড়িত হলেও ভুলে যাচ্ছেন যে কেউ যদি বিজ্ঞানের নামে নিজের রেসিজম তত্ত্ব চালিয়ে দেয় তাহলে তিনি যত বড় হাই প্রোফাইল বিজ্ঞানী বা নোবেল বিজয়ীই হন না কেন তার সেই তত্ত্ব অপবিজ্ঞান বলেই বিবেচিত হবে।
বিজ্ঞান জগত বর্তমান দিয়ে এক্ষেত্রে বিবেচনা করে, অতীতে কি করেছেন তা গৌণ।
আচ্ছা, ওয়াটসন সাহেবের দাবী যদি সঠিকই হয়ে থাকে, মানে তাকে যদি অন্যায় ভাবে ধিক্কার জানানো হয়ে থাকে, পদচ্যূত করা হয়ে থাকে তাহলে তিনি এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কি ব্যাবস্থা নিয়েছেন?
উনি যদি বিবর্তনবাদের ভিত্তিতেই সেই কথা বলে থাকেন তাহলে তিনি চ্যালেঞ্জ করেছেন কিনা? নাকি পলিটিক্যাল কারেক্টনেসের ভয়ে তিনি চুপচাপ আছেন? তিনি চ্যালেঞ্জ করলে তাকে র্যাব পুলিশ দিয়ে ডলা দেওয়া হবে?
পশ্চীমে একটা ঝাড়ুদারকেও অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হলে সে আইনের আশ্রয় নিতে পারে, এবং বহু ক্ষেত্রে এমন হয়।
ওয়াটসন সাহেবের মত হাই প্রোফাইল বিজ্ঞানী ব্যাতিক্রম? আসল কারন তো ওয়াটসন সাহেব নিজের স্বীকার করেছেন যে তিনি যা বলেছেন তার সাথে বিজ্ঞানের কোনই সম্পর্ক নেই, তাই না? ভুল তারই।
নাহলে তো তার বলার কথা যে আমি যা বলেছি তা বিবর্তনবাদের ওপর ভিত্তি করেই বলেছি, পারলে ভুল প্রমান কর।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
@আদিল মাহমুদ,
যখন আমি জন্মাই, তখন আমি কালো ,
যখন আমি বড় হই, তখন আমি কালো ,
রোদের মধ্যে আমি যখন যাই, তখন আমি কালো ,
যখন আমি অসুস্থ তখনো আমি কালো,
যখন আমি মারা যাই, তখনও আমি কালো ।
এবং আপনি,
আপনি যখন জন্ম নিয়েছ তখন আপনি গোলাপী,
যখন বড় হন তখন আপনি সাদা,
যখন আপনি ঠাণ্ডা তখন আপনি নীল,
যখন আপনি অসুস্থ তখন আপনি আকাশী,
যখন আপনি মারা যাবেন তখন আপনি সবুজ
কিন্তু আপনি আমাকে রঙ্গিন বলে ডাকেন
– Malcom X
আমি যেখানে এই কবিতাটি প্রথম পড়েছিলাম, সেখানে বলাছিল লেখক অজানা। কিন্তু অনলাইনে সার্চ দিয়ে পেলাম মেলকম এক্স এর নাম। জানি না কোনটা সত্য।
কৃতজ্ঞতাঃ http://kelvincastelino.blogspot.com/2011/02/when-im-born-im-black.html
::::::Freedom is the right of all sentient beings, Remember this: You may lose your faith in us, but never in yourselves..-Optimus Prime:::
কবিতা সুন্দর।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
কবিতার মানে কি? বুঝছেন, আমি তো বুঝি নাই। আমেরিকায় কালোদের প্রতি রেসিজমের উত্থানের কারণ হইল বিবর্তন বাদ, এই রকম কিছু বলা হইছে নাকি কবিতায়?
.
~ "I am the way, the truth, the life" - Horus ~
@হোরাস ভাই,
মনে হয় বলা হয়েছে সাদাদের ব্যাপারে বিবর্তনবাদ প্রযোজ্য কারণ জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি তাঁদের গাত্রবর্ণের বিবর্তন ঘটে
অবশ্য এইরকম বিবর্তন উপমহাদেশেও মনে হয় একই। স্ট্রিক্টলি স্পিকিং কবিতাটা বর্তমান প্রেক্ষাপটে পশ্চিমে রেসিস্ট বলেই
গণ্য হবার কথা।
@ ফুয়াদ,
ধন্যবাদ।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
অনেক তথ্যবহুল ও পরিশ্রমী লেখা। রেসিজম কি রকম মারাত্বক না হলে এই ধরনের ট্রায়াল করা সম্ভব, ভাবতেই গায়ে কাটা দেয়। অনেক অজানা সামনে আনার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাতেই হয়, তবে রেসিজমের সাথে বিবর্তনবাদের মিশেল ঘটাতে গিয়ে আপনার উদ্ভট উর্বর মস্তিস্কের ছবিটাও দেখিয়ে ফেলেছেন। যারা এই ধরনের পরীক্ষা করেছেন তারা বিবর্তনবাদের দ্বারা অনুপ্রানিত হয়ে করেছেন না স্রেফ রেসিজম থেকে করেছেন সেটা বোঝার জন্য এতো এতো জার্নাল ঘাটার দরকার নেই। তথ্যে ও পরিশ্রমে পোষ্টটি যত না ইন্টারেষ্টিং, আপনার ত্বত্তে সেটা তারচেয়ে বেশী ধুনফুন মানে ফালতু।
--------------------------------------------------------------------------------------------
যেসকল বিএনপি সমর্থক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান, তারা একটু গু খাইয়া আসেন।
আপনিই ঠিক, জেমস ওয়াটসন ও জার্নালগুলো আসলেই ধুনফুন মানে ফালতু!
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
হা হা হা! আমি আপনার ত্বত্তের কথা কইছি 'ফালতু', আপ্নে কি জেমস ওয়াটসন?
জেমস ওয়াটসনের এই বক্তব্যের মানে কি এই দাঁড়ায় যে বিবর্তবাদের উপর ভিত্তি করেই গুয়েতেমালা ও টাসকিগিতে সিফিলিস টেস্ট হইছিলো?--------------------------------------------------------------------------------------------
যেসকল বিএনপি সমর্থক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান, তারা একটু গু খাইয়া আসেন।
আমি নতুন কোন তত্ত্ব দেয়নি। এসব তথ্য অনেকেরই অজানা।
জেমস ওয়াটসনের সাথে টাসকিগির ঘটনার সম্পর্ক নেই। আপনিও স্বীকার করে নিয়েছেন টাসগিকির ঘটনাতে রেসিজম জড়িত। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- রেসিজমের সাথে কি ডারইউনিয়ান বিবর্তনবাদের কোন সম্পর্ক নেই? সায়েন্টিফিক রেসিজম তাহলে কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হল? এর উত্তর নীচে বিবিসির ডকুমেন্টারীতে পাওয়া যেতে পারে।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
যে ওয়াটসনের কথা বার বার রেফারেন্স হিসাবে টানা হচ্ছে (যিনি তাঁর বর্ণবাদী ও সমকাম বিরোধী মনোভাবের জন্য ব্যাপকভাবে নিন্দিত হয়েছেন), তিনি নিজেই বলেছেনঃ
"I can certainly understand why people, reading those words, have reacted in the ways they have.
"To all those who have drawn the inference from my words that Africa, as a continent, is somehow genetically inferior, I can only apologise unreservedly.
"That is not what I meant. More importantly from my point of view, there is no scientific basis for such a belief."
এম সারোয়ার হোসেন সাহেবের দেওয়া রেফারেন্স থেকেই উদ্ধৃতিটা দিলাম।
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
একেই বলে ঠেলার নাম বাবাজী! পাবলিকের মাইর (রূপক অর্থে) বলে কথা! তাহলে জেমস ওয়াটসন অপ-বিজ্ঞানীতে পরিনত হলো, তাই না? smile
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
এই ক্ষেত্রে ওয়াটসন হল হয়ত, জানি না তাঁর রিট্র্যাকশন কতটা আন্তরিক।। তবে বিবর্তনবাদ অপবিজ্ঞানে পরিণত হয়নি, এটুকু বলা যায়।
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
বিবর্তনবাদ অপবিজ্ঞানে পরিণত হয়েছে কিনা এই প্রশ্ন/চেষ্টা তো মনে হয় এই পোস্টের কোথাও আসেনি। তাহলে এই কথা বলার মানে কি! ব্যাপারটা পাগলের সুখ মনে মনে ধরণের কিছু একটা হয়ে গেল কিনা!
@সাধারণ পাঠক
যারা সায়েন্টিফিক রেসিজম সম্পর্কে জানতে চান তারা বিসিসি ডকুমেন্টারী দেখতে পারেন। ডারউইনের আগে থেকেই সমাজে রেসিজম চালু ছিল, কিন্তু এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ছিল না। ডারউইন নিজে দাস প্রথার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। কিন্তু তাঁর অরিজিন অব স্পিসিস রেসিজমকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দেয়।! এটার প্রমান দেখতে পারেন বিবিসি'র ভিডিওতে (নীচের ভিডিওটি ৫৮ মিনিটের। শুধুমাত্র মাঝের ২৮-৩০ মিনিট, অর্থাৎ ২ মিনিট দেখলেই বুঝা যাবে)। মানুষের বিবর্তনের প্রমাণ হিসেবে মাথার খুলির যথেচ্ছা ব্যবহার বৈজ্ঞানিক জার্নাল ও জনপ্রিয় মিডিয়াতে দেখা যায়। শুধুমাত্র আংশিক মাথার খুলীর উপর ভিত্তি করেও মানুষের বিবর্তন ব্যাখ্যা করা হয়। এই মাথার খুলীর ব্যবহার সায়েন্টিফিক রেইসজমে অনেক বড় ভূমিকা রেখেছিল। বিবিসি'র ভিডিওতে সব জানা যাবে। এই বিবর্তনবাদের দোহাই দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার এবোরিজিনালদেরকে কিভাবে অত্যাচার করা হয়েছে ভিডিওতে পাওয়া যাবে। হাজার হাজার বিজ্ঞানীরা এসবকাজে জড়িত ছিল।
At least in England and Germany, the direction this interpretation would take was undoubtedly influenced by Darwin's (1859) publication of The Origin of Species and the subsequent work of Huxley (1864) and Haeckel (1868) on the origin of Homo sapiens and racial variation. One of the central themes to emerge from this combined research effort was that the homeland of the genus Homo was in Africa, from which people had eventually spread and colonised the world.
বিস্তারিত জানতে পড়ুন-
Human origins and antiquity in Australia: an historical perspective
http://www-personal.une.edu.au/~pbrown3/AusOrigins.html
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
মানুষের খুলি নিয়ে গবেষণার কথা আমিও প্রথম দিকের মন্তব্যে উল্লেখ করেছি। এবং সে সব গবেষণার ত্রুটি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে (আদর্শবাদ কিংবা পলিটিকাল কারেক্টনেস থেকে না) বৈজ্ঞানিকরা, এবং বিবর্তনবাদী বৈজ্ঞানিকরাই, চিহ্নিত করেছেন, রিজেক্ট করেছেন। এত আগে যাবার প্রয়োজন কি? এই ৯০-এর দশকেও তো আরেমিকায় 'বেল কার্ভ' নিয়ে কম হৈ চৈ হল না। সে সব গবেষণা, তত্ত্ব, আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। বিবর্তনবাদ কি হয়েছে?
কাজেই আপনার বক্তব্য "ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী আমেরিকা-ইউরোপে কালোদের অবস্থান সাদাদের চেয়ে নীচে" কতটুকু সঠিক?
ধরা যাক কেউ কোন এক অপবিজ্ঞানী কোন বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব 'ক' ব্যবহার করে কোন ত্রুটিপূর্ণ সিদ্ধান্ত 'খ'তে উপনীত হল, এবং সেই সিদ্ধান্ত সাধারণভাবে গৃহিত হল না, তারপরেও কি বলা যাবে 'ক' তত্ত্ব অনুযায়ী 'খ' হয়?
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
@কাঠমোল্লা
বিবিসি ডকুমেন্টারীর মাত্র ২ মিনিট দেখলে এরকম প্রশ্ন করার আগে অনেকবার ভাবতে হতো।
@ পাঠক,
বিবিসি ডকুমেন্টারীর ৩০ মিনিট থেকে শেষ পর্যন্ত ডারউইনিয়ান ইভুলেশন নিয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়েছে। এমনকি ভারত উপমহাদেশে ইংরেজ রেসিয়াল বিজ্ঞানীরা দূর্ভিক্ষ সৃষ্টি করে ন্যাচারাল সিলেক্টশনও বাস্তবায়নে চেষ্টা করেছে। এই ভিডিওটা অনেকের জন্য চিন্তার রাজ্য খুলে দিতে পারে। This is a must see documentary in life. Just believe me.
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
আপনি একটু ভেবে প্রশ্নটার উত্তর দেন না।, এটা দেখেন ওটা দেখেন না বলে 'হ্যাঁ' বা 'না' বললেই তো হয়।
প্রশ্নটার নেতিবাচক শব্দগুলো বাদ দিয়ে যদি একটু পালটে দেই তাহলেও চলে,
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
"সাইন্টিফিক রেসিজম" বলে বলে এর সাথে বিবর্তন শব্দটা লাগিয়ে দিয়ে সরোয়ার প্রমান করতে চাচ্ছে যে বিবর্তন থিওরী অনুযায়ীই এই "সাইন্টিফিক রেসিজম" শুরু হয়েছে।
প্রথমত, সাইন্টিফিক রেসিজম হচ্ছে একটা ছদ্মবিজ্ঞান। লোকজন নিজের ধারনাকে কোন প্রমান, যুক্তি ছাড়াই বিজ্ঞান বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে সেটাকে ছদ্মবিজ্ঞান বলে। যেমন জ্যোতিষবিদ্যা, হাত দেখা, পাথর ইত্যাদি। তেমনি বর্নবাদ ও বিবর্তনবাদের ফসল বলাটাও একটা ছদ্ম বিজ্ঞান।
দ্বিতীয়ত, সাইন্টিফিক রেসিজম এর ধারনার শুরু হয় ১৮ শতকের শুরুতে, যেখানে ডারউইন বিবর্তন এর ধারনা প্রকাশ করেন ১৯ শতকের মধ্যভাগের ও পরে। ১৮৫৯ সালে ডারউইন তার বিবর্তনবাদ এর ধারনা প্রদান করেন। তাহলে তার আগে কি হাওয়া থেকে "সাইন্টিফিক রেসিজম" এর ধারনা আসে?
নাহ, সাইন্টিফিক রেসিজম এর ভিত্তি হচ্ছে ইউরোপীয়ান দের ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে। তাদের ধারনা অনুযায়ী অ্যাডাম এবং ইভ ছিলো শেতাঙ্গ। অন্য জাতি গুলো তাই আসল মানুষ নয়, অথবা শেতাঙ্গ হতে নীচু স্তরের মানুষ। কারো কারো ধারনা ছিলো যে এরা আসলে অ্যাডাম আর ইভের বংশধরদের কিছু বিকৃত রূপ।
এরপর ১৮৭০ এর পর বিবর্তনবাদ যুক্তি এবং প্রমান দ্বারা প্রতিষ্ঠা পাওয়া শুরু করলে এরপর এইসব লোক তখন বিবর্তনবাদ দিয়ে নিজেদের ধারনা প্রমান করার চেষ্টা করে। কিন্তু ডারউইন নিজেই বিবর্তনবাদ থেকে ভিন্ন ভিন্ন জাতির মানুষের মাঝে শ্রেষ্ঠতম বা শ্রেয়তর জাতির ধারনা নাকচ করে দেন।
এরপর অনেকদিন ভাবে বর্নবাদীরা নিজেদের এই জাত্যাভিমান আর বিদ্বেষ কে বিজ্ঞানসম্মত প্রমান করতে চেষ্টা চালায়, কিন্তু শোচনীয় ভাবে ব্যর্থ হয়। তারা কোনভাবেই শুধু বিবর্তনবাদ দিয়ে কেন, অন্য কোন ভাবেই তা প্রমান করতে পারেনি। বরং বিবর্তনবাদ ই এইসব ধারনাকে নাকচ করে দিয়েছ।
এরপরেও অনেকেই এই বর্নবাদের দায় ভার বিবর্তনের উপর চাপাতে চায়। তাদের আসলে বুঝা উচিত যে এইভাবে যুক্তি দিতে গেলে দেখা যায় যে আসল কালপ্রিট হচ্ছে আব্রাহামিক ধর্ম গুলো, অর্থাৎ জুডিও-ক্রিশ্চিয়ান-ইসলাম ধর্ম, আর বিজ্ঞান হচ্ছে এদের ঔষধ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নাস্তিকদের দাঁত ভেঙ্গে দেয়া হোক, যেন তারা ঈদের সেমাই না খেতে পারে। ( রাইট টু কপিঃ ডঃ আইজুদ্দিন)
বিবিসি'র ভিডিওটা শিক্ষনীয় হতে পারে। সবার মুখে সবকিছু মানায় না। ফুটপাতের হাতুড়ে ডাক্তাররাও নিজেদেরকে মহাজ্ঞানী ভাবে!
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
@সরোয়ার,
পুরো লেখা ছেড়ে মাত্র এক লাইনকে পুঁজি করে এত ত্যানা পেঁচানি মন্তব্যের আলাদা আলাদা জবাব দিয়ে সময় নষ্ট না করে এই সময়ে বরং আরেকটি ভাল লেখা তৈরী করা যেত। আর যারা এখানে ত্যানা পেঁচাচ্ছে তাদের পীয়ার-রিভিউড বৈজ্ঞানিক জার্নালে কোন পেপার নাই, বিজ্ঞানেও কোন অবদান নাই। ফলে এদের সাথে এন্ডলেস বিতর্কে না জড়িয়ে যুক্তি-তথ্য উপস্থাপন করে বিচারের ভার সচেতন পাঠকদের উপর ছেড়ে দেয়াই ভাল।
আপনাকে ধন্যবাদ।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
খুবই ভাল বুদ্ধি দিয়েছেন, এখানে অযথা সময় নষ্ট না করে সদালাপের পিয়ার রিভিউড জার্নালে পাবলিশ করাই ভাল। সেখানে পিয়াররা তাদের কাজ করবে, অর্থাৎ পিঠ চাপড়াবে, জার্নালে যে রকম করা হয়। আপনি তো আবার ওখানকার বিবর্তন বিষয়ক সর্বাধিক রচনা লেখক পিয়ার।
এই পোস্টের উদ্দেশ্য ওই একটা লাইন বলা। ঐ লাইন না থাকলে আমিও পোস্টে বাহবা দিতাম, বাকি অংশ নিয়ে এখনো দিই। আমি ঐ এক লাইনেই ফোকাসড। কিন্ত প্যাঁচানো ত্যানার মধ্যে আমার ছোট প্রশ্নের জবাব মেলেনি।
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
আমারব্লগ থেকে আপাতত বিরতি নিচ্ছি। এজন্য মন্তব্যের অপশন বন্ধ রাখা হলো। দুঃখিত।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।