আমার কন্ঠ রুদ্ধ করুন
লিখেছেন: সুমিত
কিছু দিন আগে ড্যানিশ পত্রিকায় হযরত মুহাম্মদ কে নিয়ে একটি কার্টুন ছাপা হয়। তাতে সমগ্র ইসলামিক বিশ্বে আগুন ধরে যায়। সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশেও শুরু হয় জ্বালাও পোরাও, ভাংচুর। কার্টুন যারা একছে তাদের মৃত্যু কামনা করা হয়। আরব বিশ্বে কিছু মানুষ এর শাস্তি ও হয় কার্টুন গুলি প্রকাশ করার জন্য। এবং সবশেষে কার্টুন যারা একেছে তাদের খুন করার পরিকল্পনা ও করে হয়। ড্যানিশ পুলিশ তাদের ধরে ফেলায় ব্যাপার টা খুন পর্যন্ত গরায়নি।
এই ঘটনা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এই ঘটনা ছোট বড় আকারে আগেও হয়েছে এবং পরেও হয়েছে। এখনো হচ্ছে।
আমাদের দেশ এ এই রকম ঘটনা ঘটে “মুহাম্মদ বিড়াল” কার্টুন নিয়ে। আলপিন এর এই কার্টুনটি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় হয় এবং অবশেষে আমাদের পুলিশ ঐ কার্টুনিস্টকে জেলে পুরে। ড্যানিশ কার্টুন যদিও ইসলাম সম্পর্কে নেতিবাচক ভাব প্রকাশ করে। “মুহাম্মদ বিড়াল” কার্টুন কিন্তু তাও করেনি। এই কার্টুন টি ছিলো নিছক কৌতুক।
এমন কোন কার্টুন কই আকা সম্ভব যাতে নাস্তিকরা দল বেধে মিছিল এ নামবে। ভাংচুর করবে, গারি পুরাবে। কেন এটা সম্ভব না?
কোরান এবং অন্যান্য ধর্ম গ্রন্থগুলিতে নাস্তিকদের দুস্চরিত্র, আসৎ মিথ্যাবাদি বলা হয়েছে। জগৎ এর নিকৃষ্টতম গালি জুটেছে তাদের ভাগ্যে। কোন রকম প্রমান বা কারন ছারাই তা করে হয়েছে। তাতে কিন্তু কারো আতে ঘা লাগেনি। নাস্তিকদের কাউকে কি দেখেছেন নাস্তিক-অনুভূতি নিয়ে কান্নাকাটি করতে?
আথচ ধর্ম সমর্কে সত্য নেতিবাচক কথাও যখন কেউ বলে তখন আমরা কি চিত্র দেখি তা তো সকলেই যানেন।
আমাকে অনেক সময় অনেকেই বলেছে “আপনি নাস্তিক ভালো কথা। আপনি সেটা প্রচার করে মুসলিম দের পথ ভ্রষ্ট করতে পারেন না।”
আথভ যুগ যুগ ধরে ইসলামিক মানুষ ইসলাম প্রচার করছে। তাদের প্রচার এ কেন কোন দোষ খুজে পাওয়া যায় না। আমি কি পারব এই দেশে নাস্তিকতা প্রচার করে মেইনস্ট্রীম এ কিছু লিখতে। সব মুসলমান রা ধর্মানুভূতি-ধর্মানুভূতি করে শোরগোল শুরু করবে। আমার গর্দান যাবে।
এই দ্বৈত-নীতির কারন কি?
একজন বলেছিল “With or without religion, you would have good people doing good things and evil people doing evil things. But for good people to do evil things, that takes religion.”






মাথা সামলে ভাই । গর্দানটা গেলে শেষে আর কিছুই করতে পার্বেন না । এখন তো তাও ইন্টারনেটে লিখতে পার্তাছেন ।
লেখেন দেখি ইচ্ছা মত। দেখি কে কি করে? এত ভয় পান কেন?
কথা শুধু একটাই, প্রকাশটা সহনশীল করুন। ধর্ম মানতে বা না মানতে, কোনটাতেই ক্যাচাল ভালো লাগে না। বিশ্বাসটা তো আপেক্ষিক আর ব্যক্তিনির্ভর। সব মানুষ শিক্ষিত হলে ভালো খারাপটা এমনিতেই বের করতে পারবে। ধর্মে থেকেও বা না থেকেও।
যারা অনেক কষ্টে জয়ী হয়েছে, তাদের এত সহজে নাকচ করে দিলে মানবে কেন? আপনার এত কষ্টে পাওয়া বিশ্বাসটা কেউ চেন্জ করতে বল্লেই কি করবেন? মানবেন?
যুক্তি দিয়ে প্রকাশ করুন, মানুষের বিশ্বাসকে সম্মান করে। আপনি সত্য হলে জয় আপনারই হবে।
iqramrtn ১২/১০/০৮ ৪:৪৩ অপরাহ্ন
অলমোস্ট একমত । তবে বিশ্বাসকে সম্মান করার ব্যাপারটায় না ।
মলিকিউল ১২/১০/০৮ ৪:৫০ অপরাহ্ন
বিশ্বাস কে বিশ্বাস করতে বলিনি, সম্মান করতে বলেছি। তাও যদি না পারেন তাহলে ধর্মব্যবসায়ীদের ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের সুযোগ দিবেন। আরো কিছু মানুষ নতুন করে ধর্মান্ধ হবে। লাভ কি?
লিপু ১২/১০/০৮ ৬:৪৮ অপরাহ্ন
ঠিক তাই।
সুমিত ১২/১০/০৮ ৪:৫৬ অপরাহ্ন
প্রকাশ সহনশীল করার চেয়ে, প্রকাশ যারা পড়বে তাদের সহনশীল হওয়াই কি যৌক্তিক নয়?
“যারা অনেক কষ্টে জয়ী হয়েছে” তারা মানবে না ভালো কথা। কিন্তু তাই বলে আমাকে মারতে আসাও তো ঠিক না।
একটা উদাহরন দেই। আমাদের “মুহাম্মদ বিড়াল” কার্টুন এর চেয়ে অনেক বেশি নেতিবাচক কার্টুন জেসাস কে নিয়ে ইউরোপ আমেরিকাতে ছাপা হয় এবং হচ্ছে।
খৃষ্টানরা কি প্রতিশোধ হিসেবে মানুষ খুন করে? খৃষ্টানরা দল বেধে নাস্তিক হয়ে যাচ্ছে না। কিন্তু খুনা খুনি ভাংচুর ও করছে না।
আপনার কথা ঠিক হলে হুমায়ুন আজাদ কে কোপানো হত না। আর “মুহাম্মদ বিড়াল” কার্টুন এর কার্টুনিস্ট কে জেলে পুরা হত না।
অগনিত আরো উদাহরন আছে।
মলিকিউল ১২/১০/০৮ ৫:২০ অপরাহ্ন
হাসলাম। উদাহরন দেইঃ আপনি আমাকে খুব খারাপ গালি দেবেন, আমার পরিবারের সবাইকে নিয়ে উল্টা-পাল্টা নোংরা কথা বলবেন, আর আমি কি সহনশীল হবো? কি আজব কথা! রাগলে কি আমার দোষ হবে? যে বলবে সে কি ধোয়া-তুলসি পাতা!
এক হাতে তালি বাজে না, নিজে সহনশীল হোন, নিজের প্রকাশকে সহনশীল করুন। তাহলেই একি সহনশীলতা আশা করতে পারবেন অন্যের কাছ থেকে।
ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রাক্বাল্লে এর নবী আর অনুসারীরাও অনেক কষ্ট করেছেন। জয়ী হয়েছেন। তারা বিশ্বাস করতেন তারা সত্য পথে আছেন। সত্য কিন্তু অনেক ত্যাগ করেই প্রতিষ্ঠিত করতে হয়। আপনি সত্য পথে থাকলে ভয় পান কেন? আপনারা সত্যের জন্য জীবনে ত্যাগ করলেই না পরবর্তী প্রজন্ম সত্যের পথে আসবে। হুমায়ুন আজাদকে সেই সত্যের পথে একজন শহীদ ধরে এগিয়ে যান।
আপনি নাস্তিকতার পক্ষে বলছেন নাকি তুলনামুলক ধর্মতত্ত্বের দিকে যাচ্ছেন তা আপনিই ভালো বলতে পারবেন। তবে খৃস্টানরা কি করে, কিভাবে কন্ঠ রুদ্ধ করে সেটা একটু মাথা ঘামালেই টের পাবেন। বোকা মুসলিমরা তো আবেগের প্রকাশ ঘটিয়ে বলে দেয় সে কি করতে চায়। হয়ে যায় ফ্যানাটিক।
আমি আর এক পোষ্টে কমেন্ট করেছিলাম, নাস্তিকতার একটা সীমাবদ্ধতা হলো এটা এক ধর্মকে নীচে নামাতে গিয়ে আর একটাকে উপরে তোলে, তাই শ্রোতার কানে সেই বাণীটা নাস্তিকতার না হয়ে অন্য ধর্মের পক্ষে প্রপাগান্ডা হিসেবে শোনায়।
মোহাম্মদ বিড়ালের কার্টুনটা ধর্মের মোড়কে তৎকালীন সরকারকে ঝামেলায় ফেলার চেষ্টা। ওটা আসলে ধর্মের কোন ইস্যু, নাকি পলিটিক্যাল কিছু সেটা বিচার করার যথেষ্ঠ বুদ্ধি আপনার আছে বলেই আমার ধারনা।
সুমিত ১২/১০/০৮ ৭:১৩ অপরাহ্ন
খারাপ গালি আর ইসলাম এর সমালচনা কে এক কাতার এ ফেলতে পারেন না। কেউ যদি বলে ইসলাম স্প্রেড করেছে তরবারির শক্তিতে, সাথে সাথে আশে পাশ থেকে নানান আক্রমন (ফিজিক্যাল) ছুটে আসবে। ব্যাপারটা নিয়ে যৌক্তিক তর্ক হোক তাতে আমার কোন আপত্তি নেই, কিন্তু ফিজিক্যাল যে আক্রমন আসে তা সভ্যতার মধ্যে পরে না। আর সমালচনাটি গালাগালির মত pointless ও না। সমালচনার একটা স্পেসিফিক পারপাস আছে।
গালাগালি কে সাপোর্ট করি না। কাউকে personal গালাগালি করিও না। এবং গালাগালি কোন পারপাস সার্ভ করে না।
তারচেয়ে ও বড় কথা হল কোরান এ অধার্মিক দের বহু গালাগালি দেয়া আছে। কোন নাস্তিক কি ইসলামিস্ট দের মত আচরন করে?
তারা কি করেছে তা আজকের সমাজে irrelevant. কারন তাদের সময় মানুষ বাক-স্বাধীনতা চিনত না। ঐ সময়ে এখন ফিরে যাওয়া যায় না। তাদের সমাজ অসভ্য ছিলো বলে আমরাও অসভ্য হব তা তো হয় না।
নাস্তিকরা কি করে তাদের মিশন (সেরকম কিছু থাকলে) পরিচালনা করবে সেটা অন্য ইস্যু। আমার পয়েন্ট হল এই – যে হুমায়ুন আজাদ কে যে শুধু মাত্র মত প্রকাশ করার জন্য ফিজিক্যাল আক্রমন করে হল সেটা ইসলামিস্ট দের আসহনশীলতা এবং বর্বরতাই প্রকাশ করে। এবং সভ্য সমাজ এ এমনটি হওয়া উচিৎ নয়।
মলিকিউল ১২/১০/০৮ ৭:৪২ অপরাহ্ন
ইসলামের প্রতিষ্ঠায় কষ্টের কথা বলেছি ঐ সময়ে ফিরে যেতে না। একটা সিম্বলিক হিসেবে। এটা সব ক্ষেত্রেই সত্য। যে কোন মতবাদকে প্রতিষ্ঠিত করতে অনেক সংগ্রাম করতে হয়, সেটাই বুঝিয়েছি।
কষ্ট যে একটু করতে হবেই রে ভাই। এত সহজে একটা প্রতিষ্ঠিত মতকে বাতিল করতে চাইবেন, আর সেটার কারনে ওঠা ঝড়ের ঝাপটা সইবেন না! তাই কি হয়!
সভ্য সমাজে কি ইরাকটা কিভাবে আসে?
আফগানিস্তান?
বসনিয়া?
এগুলো অপ্রাসংগিক অবশ্য। তবে সভ্য সমাজের নাম শুনলে অনেক কিছুই চোখের সামনে আসে তো। তখন চোখে ঠুলি বাধা মানুষ গুলোর সভ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। ইসলামিস্টরা এখানেও বর্বর আর অসভ্য কিনা!
খৃস্টানদের সহনশীলতা আর সভ্যতার কথা আরো বলেন, শুনি। নাস্তিকতা যখন পশ্চিমা ফ্যাশন তখন এইসব নিয়ে চিন্তার আর প্রয়োজন মনে করিনা।
সুমিত ১২/১০/০৮ ৭:৫৫ অপরাহ্ন
আমার তাতে কোন আপত্তি নাই। as long as ঝড়ের ঝাপটা টা মৌখিক/ তার্কিক । physical attack এখন আর কাম্য না। সভ্যতার মধ্যে এখন আর সেটা পড়ে না।
খৃস্টানরা বর্তমানে অবশ্যই এই দিক দিয়ে ইসলামিস্ট দের চেয়ে অনেক বেশি সভ্য। আগে তারা মানুষ এর কন্ঠ রুদ্ধ করেনি তা বলছি না। তারা খউব ভালো তাও বল্ছি না। কিন্তু বাক স্বাধীনতার ব্যাপার এ বর্তমানে তাদের respect মুসলিম দের চেয়ে বেশি। আর এই সহজ সত্যের উল্লেখ করা অর্থ পশ্চিমা দের গুনগান করা না।
যুগ যুগ ধরে মানুষ তার ধমীয় বিশ্বাস লালন করে আসছে। য়ুক্তিহীন ভাবে আপনার
নিজের আবিশ্বাস টাকে অপরের উপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যায় নয় কি । সৃষ্টি কতা কে বিশ্বাস করা না করা আপনার একান্ত ব্যাক্তিগত । আমাকে আপনার পছন্দ হতেও পারে
]নাও পারে সেটা আপনার দৃষ্টিভঙির ব্যাপার, তাই বলে কিটিসিজোম করার অধিকার
আপনার নেই । নাস্তিক য়ারা তারা বলে আমরা ধমে বিশ্বাস করি না কিন্তু সব থেকে
মজার ব্যাপার হচ্ছে নাস্তিকতাও একটি ধম’ ।
আপনি কখনু কোন ধম’গ্রন্হ পড়েছেন বলে মনে হয় না । আপনাদের মতো নাস্তিক য়ারা
তারা সব সময় মিথ্যা মনগড়া কথা বলে সাধারন মানুষকে হিপনোটাইস করে মিথ্যা
বাহবা নিতে চায় । পবিত্র কোরান কেন কোন ধম’গ্রন্হেই নাস্তিকদের দুঃচরিত্র বা
মিথ্যাবাদি বলা হয় নাই ।
সুমিত ১২/১০/০৮ ৭:১৭ অপরাহ্ন
“কিটিসিজোম” করার অধিকার কেন নাই জানতে পারি?
কোরান এ বহু স্থান এ অবিশ্বাসী দের গালি দেয়া হয়েছে। প্রমান চাইলে দিতে পারি।
বাকি সব আফটপিক….. মনতব্য করলাম না।
ভাই, আমার কিছু করার আছে কি না? থাকলে আওয়াজ দিয়েন।
আপনি লিখুন। তবে সব সমাজেই ভিন্নমত প্রকাশের ক্ষেত্রে সমালোচনা সইতে হয়েছে। মানুষ প্রথার বাইরে সহজে যেতে চায় না। তাই লেখার ক্ষেত্রে কৌশলী হওয়া ভাল। ধন্যবাদ।
নাস্তিকরা এত যুক্তিহীন হয় আমার জানা ছিল না।
মলিকিউল ১২/১০/০৮ ৬:৫২ অপরাহ্ন
জবাব দেয় না গো স্বাতু ভাই। কি সব কয়! হে যা ইচ্ছা তাই কইবো, আর সহনশীল আমাদের হইতে হইবো! আমরা কিছু করতে পারতাম না।
সত্য প্রতিষ্ঠার এত ব্রীড়া! ত্যাগটা কইরা দেখাতে হবে যে। নাইলে হেগো কমিটমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। এইটা বুঝে না। আর না বুইঝাই আমার গায়ে ফুলের টোকা লাগলো কেন তা নিয়ে তর্ক শুরু হবে।
সুমিত ১২/১০/০৮ ৭:১৯ অপরাহ্ন
জবাব দিয়েছি…. কাজ ছিল তাই দেরি হয়েছে। এখন আবার কাজ এ যাই। ফিরে এসে আরো জবাব দিব।
স্বাধীনতা তুমি ১২/১০/০৮ ৮:০৪ অপরাহ্ন
@মলিকুল
সে আমি দেখছি। তবে আমিও দুদিন ধরে বিপদে আছি, আমার ব্লগের পেজ ওপেন হচ্ছে না ঠিক মত। অন্যান্য পেজ ঠিকই ওপেন হচ্ছে। ফলে আমিও ব্লগে রেগুলার হতে পারছিনা। চালিয়ে যান আমি ফাঁকে ফুকে দেখছি।
আপনাকে নাস্তিকতার পক্ষে নামতে হলে ওই ধরনে মনবল আপনার থাকতে হবে। আপনার কি তা আছে? আপনি কি মনে হয় পারবেন গুনে গুনে ১০০ মানুষকে আপনার পক্ষে টানটে যারা এখনো নাস্তিক না? যদি পারেন আপনাকে আমি বাহাবা দিব এবং আমিও নাস্তিক হিসাবে আপনার ১০১ তম সদস্য হব।
জনাব, আমার আগের মন্ত্ব্যব্য টি দয়াকরে ডিলিট করে দিন।
সুমিত ১২/১০/০৮ ৭:৫৭ অপরাহ্ন
কি ধরনের মনোবল? তলয়ার নিয়ে ইসলামিস্টদের সাথে কোপাকুপি করার মনোবল? সেটা কিন্তু মনোবল না, সেটা শুধু বল (শারিরিক বল)।
I’m disappointed. নাস্তিক, আস্তিক- দুই পহ্মই এখানে দোষী। কেউই এখানে সহনশীলতা দেখাচ্ছেনা। আমি আমার বক্তব্যে যাচ্ছি।
বিস্বাস করেন আর নাই করেন, theism and atheism are complimentary. নাস্তিক্যবাদ কে দিয়ে আমরা প্রভুহীন দুনিয়ার দুর্বস্থা দেখতে পারি। সুমিত ভাই, আপনি kindly লাইন, আয়াত, সুরাহ দিয়ে নাস্তিকদেরকে দেয়া গালি গুলো উল্লেখ করুন। আমি যতদুর জানি, Quran কাউকেই গালি দেয় নি। নাস্তিকদের কে ভদ্রভাবে পথভ্রষ্ট বলা হয়েছে। এইখানেই “গালাগালি”র প্রসঙ্গ শেষ।
ভাই, ইসলাম যদি তরবারির জোড়ে প্রকাশ পেত, ভারতবর্ষ এখন একটি মুসলিম রাষ্ট্র হত। আমার নাস্তিক বাবা(he is as successful as you can get)কে আমি দেখছি। তাকে দেখে অনেক conclusion পেয়েছি, যার মধ্যে একটি হল- নাস্তিক্যবাদ হল স্বেচ্ছাচারিতার একটি ভদ্র প্রতিশব্দ। যার খোদা নাই, তার আইন কে ভয় করার কোন কারণ নাই। ধরে নিলাম খোদা নাই। এখন আমি আপনাকে আমার সাথে একমত না হওয়ার জন্য খুন করতে পারি(হুমায়ূন আজাদ স্যারের সাথে যা হয়েছিল)। আমার তো খোদা নাই, আমি কাকে ভয় করব? নীতিবান হয়েই বা আমার লাভ কি? আমার সাথে দেশ এর হোমড়াচোমড়া ব্যক্তিরা আছে, “আইন” এর হাত থেকে আমি সুরক্ষিত। আপনি যদি বলেন যে একদিন আমাকে পস্তাতে হবে, তাহলে আপনি পরোক্ষভাবে একটি অদৃশ্য শক্তির দোহাই দিচ্ছেন। সেক্ষেত্রে আমরা ন্যায়গতভাবেই বলতে পারি আপনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন।
আমি কিন্তু ইসলামকে রক্ষা করার চেস্টা করিনি। নাস্তিকতা আর পশ্চিমা বিস্বের প্রতি অন্ধ বিস্বাস আগে দূর করতে হবে, তারপর ধর্ম নিয়ে চিল্লাব। আর তাছারা বুঋাই যাচ্ছে ইসলাম সম্পর্কে আপনার জ্ঞানের দৌ্র কত দূর। Anti-Islam বই আর নাস্তিকদের ব্যবহার করে ফতোয়া না দিয়ে Quran কে strictly analyse করে তারপর ধর্মের উপর ঝাল ঝারুন।
Lastly, যীশুকে নিয়ে মশকরা করার পর আমাদের প্রতিবাদ করার দরকার ছিল যা আমরা করি নি, we’re sincerely sorry for that. কিন্তু খ্রীস্টানরা যাঁকে পূজা করে, তাকে নিয়ে মশকরা করল কেন? Will you still call them theists in the true sense?
স্বাধীনতা তুমি ১২/১০/০৮ ১২:৩১ পুর্বাহ্ন
এ কি যুক্তি দিলেন ভাই সহনশীলতার কিছুই বুঝলাম না।
ইসলামে নাস্তিক্যবাদের কোন স্থান নাই। সেটা পরিস্কার লেখা আছে। সবচেয়ে মজার ব্যপার হল। অামাদের দেশের সংবিধানে ও নাস্তিক্যবাদের স্থান নাই। কারণ সংবিধানে বলা আছে এক আল্লাহ্র প্রতি আস্থা । এতে যারা আল্লাহ্র প্রতি বিশ্বাস নাই তারা এদেশের সংবিধানের কোন নাগরিক না। এমন কি হিন্দু খীস্টান পযর্ন্ত বাতিল হয়ে যায়।
আর হিন্দুর বর্ণ প্রথা , আর মুঘলদের জিজিয়া কররে অত্যাচারে এদেশে অনেকে হিন্দু থেকে মুসলমান হয়েছে। অনেকে রাজত্ব রক্ষার জন্য মুসলমান হয়েছে। অনেকে হিন্দু জমিদারদের হাত থেকে বাচার জন্য মুঘলদের সহানুভূতি অর্জনের জন্য মুসলমান হয়েছে। অনেকে পীর ফকিারের আস্তানায় যেতে যেতে মুসলমান হয়ে গেছে।
স্বাধীনতা তুমি ১২/১০/০৮ ১২:৩৩ পুর্বাহ্ন
“কারণ সংবিধানে বলা আছে এক আল্লাহ্র প্রতি আস্থা ।”
এটা কি সত্যি সংবিধানে আছে? একটু কোট করতে পারেন?
সুমিত ১২/১০/০৮ ১০:৩২ পুর্বাহ্ন
http://www.pmo.gov.bd/constitution/part1.htm
আমাকে একটা জিনিষ একটু পরিষ্কার করে বলুন। আপনি নাস্তিক ভাল কথা কিন্তু সেজন্য আপনাকে অন্য ধর্মগুলোর ছিদ্রান্বেসন করতে হবে কেন? সেক্ষেত্রে নিজেকে নাস্তিক না বলে ধর্মবিদ্বেষী বলে পরিচয় দিন। আপনি যদি সত্যিই নাস্তিক্যবাদে আকৃষ্ট করতে চান সেক্ষেত্রে নাস্তিকতার ভাল দিকগুলো তুলে ধরুন, ঈশ্বরে অবিশ্বাস করে আপনি কিভাবে উপকৃত হচ্ছেন সেটা ব্যখ্যা করুন। অন্য ধর্মে কি সমস্যা আছে সেটা তাদেরকেই ব্যখ্যা করতে দিন। কেউ ভুল বা কুযুক্তি দিলে তার প্রতিবাদ করুন কিন্তু আগ বাড়িয়ে ঝগড়া করার প্রয়োজনটা কি? এর ফলে নাস্তিকতার কোন মহত্ব প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে?
স্বাধীনতা তুমি ১২/১০/০৮ ১২:৩৬ পুর্বাহ্ন
উনাকে জিজ্ঞাসা কনুন, নাস্তিক্যবাদের সঙজ্ঞাটা কি?
সুমিত ১২/১০/০৮ ১০:৩৬ পুর্বাহ্ন
নাস্তিক্যবাদের সঙজ্ঞার সাথে এই পোষ্ট এর টপিক এর কোন সম্পর্ক নাই। এই পোস্ট এর টপিক সহনশীলতা। তার পর ও সঙজ্ঞা চাইলে গুগল এ একটা সার্চ দেন পেয়ে যাবেন
সুমিত ১২/১০/০৮ ১১:১০ পুর্বাহ্ন
এর উত্তর মূল পোষ্ট এ দেয়া আছে
যারা নাস্তিক তারা খুব জ্ঞানী হয়…..তারা সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে খেলতে ভালোবাসে….খুব সুন্দর ভাষায় উস্কানীমূলক কথা বার্তা বলে….একটা নিরীহ মানুষকে ধর্মীয় ফ্যানাটিক বানায় দেয় ..তাকে উপহাস করে…….পুরাটাই একটা আতেলীয় খেল….নিজেরা খুব মহান সাইজা থাকে………….সাধারন মানুষের জন্য সত্যিকার পজেটিভ কিছু এটাতে নেই….ক্রিটিসিজম/ব্যঙ্গ ছাড়া….
স্বাধীনতা তুমি ১২/১০/০৮ ১:২১ পুর্বাহ্ন
কাক মাথা গুঁজে রেখে ভাবে ওরে কেউ দেখতে পারছে না। এরাও তেমন কাকের মত চালাক।
পবিত্র কোরান এর কোন আয়াতে নাস্তিকেদের গালি
দেওয়া হয়েছে জানালে খুশি হব । কোন ধমে’ই
নাস্তিকদের গালি দেওয়া হয় নাই, বলা হয়েছে ধম’হীনদের
থেকে দুরে থাকার জন্য । ভাই ধম’ সমন্ধে পড়াশুনা করেন
তা হলে অনেক কিছু জানতে পারবেন। ধমে’র অপব্যাখা
করে তসলিমা নাসরিনদের দলভুক্ত না হওয়াই ভাল ।
সুমিত ১২/১০/০৮ ১১:০৭ পুর্বাহ্ন
আয়াত ৮-৪২,৪৮-২৬,২৯-৬৮
Necray ১২/১০/০৮ ২:৪৩ অপরাহ্ন
সূরার নাম বলুন
সুমিত ১২/১০/০৮ ৩:৩৯ অপরাহ্ন
প্রথম অংক টি সুরা ২য় অংক টি আয়াত। : দেয়া উচিৎ ছিল। ভুলে – দিয়েছি
Necray ১২/১০/০৮ ৭:৪৪ অপরাহ্ন
আয়াতগুলো check করলাম। আমি যদি সঠিক আয়াতগুলো দেখে থাকি, তাহলে আমি নির্ভয়ে বলতে পারি আপনার ধারণা ভুল। আপনি যদি মনে করে থাকেন যে “কাফের” শব্দটি একটি গালি, তাহলে জেনে রাখুন- কাফের একটি গোষ্ঠীর নাম ছাড়া কিছুই নয়। শরিয়াহ্ এর ভাষ্যে কাফের হল “অবিশ্বাসী” শব্দটির প্রতিশব্দ। এটি কোন গালি নয়।
সুমিত ১২/১০/০৮ ৪:৩৭ অপরাহ্ন
আমার ভূল..
প্রথম টা ৮:৪২ না হয়ে হবে ৮০:৪২ গালি টা হল Wicked.
same গালি আছে ৮:৩৭ এ।
৪৮:২৬ এর গালি হল zealot
২৯:৬৮ এর গালি হল unjust
Necray ১২/১০/০৮ ৩:৫৭ অপরাহ্ন
৮০:৪২
“ফাজারাহ” or evildoers বলতে কাফিরদের বুঝানো হয়নি, criminal দের বুঝানো হয়েছে। kafir ও criminal এক নয়।
৮:৩৭
ইসলামিক ভাষায় আপনি একজন বিশ্বাসী কে ভাল না বলে কি একজন অবিশ্বাসীকে ভাল বলবেন? আপনি যদি কোরানকে নিরপেক্ষ মনোভাব নিয়ে পাঠ করেন, তাহলে wicked শব্দটাকে এখানে আপত্তিকর মনে হবেনা(নাস্তিক হিসেবে পড়লে সুধু এটি নয়, পুরো বইটিই আপত্তিকর মনে ঠেকবে)। এরপর আপনি কোরানকে বিশ্বাস করবেন কিনা, সেটা আপনার ব্যাপার।
৪৮:২৬
নাস্তিকরা আস্তিকদের মতই নিজ মতবাদে অটল, কিছুতেই অন্যের মত সহ্য করবেনা।সেক্ষেত্রে শব্দটি কীভাবে আপত্তিকর? Doubters নামক এক দল মানুষ আছে যারা “সত্য-সন্ধানী”। তাদের ক্ষেত্রে এ শব্দ খাটেনা। এ সম্পর্কে জানতে John Humphyrs এর In God we doubt” গ্রন্থটি পড়ুন।
২৯:৬৮
আমি “unjust” শব্দটি খুজে পাইনি, এখানে খালি কাফিরদের পরিনতির কথা বলা আছে। তাদেরকে কাফির ছারা অন্য কোন শব্দ দিয়ে বিশেষিত করেনি।
আল্লাহ মানুষ এর সাথে মানুষ এর মতই আচরণ করবে, এটাই স্বাভাবিক। আপনি কি কোনও শিশুর সাথে দেশের অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা করবেন? আল্লাহ যা সত্য তা বলেছে, এরপর তাকে অমান্য করলে তার wicked, zealot ব্যাবহার করার “অধিকার” আছে। কোরানকে মিথ্যে প্রমাণ করতে চাইলে আল্লাহকে assume করে কোরান পাঠ করতে হবে। If you start with a negative outlook, you’ll go nowhere and that’s an unspoken truth.
ভাই আপনারা পারেনও!!! আর কত্ত ভাল্লাগে ধর্ম-অধর্ম নিয়া চিল্লাইতে!!? পৃথিবীতে ধর্মের প্রবর্তন হয়েছে মানুষের জীবনে guideline হিসেবে। এখন সময় বদলেছে, সময়ের সাথে মানুষের জীবনধারাও বদলেছে, মানুষের চিন্তাধারার pattern-ও বদলেছে। বর্তমানে মানুষ অনেক বেশি প্রশ্নের উত্তর জানে তাই স্বাভাবিকভাবেই তার চিরাচরিত অনেক বিশ্বাসেরই ভীত নড়ে যাচ্ছে। এটাই কী স্বাভাবিক নয়!? আমারত মনে হয় এসবের ফলে আমাদের সহনশীলতা কয়েক হাজারগুন বেড়ে যাওয়ার কথা, পরিবর্তনকে সহজভাবে গ্রহন করার কথা, মনের বিশালতা বেড়ে যাওয়ার কথা।
তাই আসুন সবাই মিলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াই। অন্যায়কে ধর্ম কিংবা অধর্মের দাড়িপাল্লায় না বিচার করে অন্যায় হিসেবেই বিচার করি।
সুমিত ১২/১০/০৮ ১১:৫৮ পুর্বাহ্ন
আমি ধর্ম আধর্ম নিয়া “চিল্লাইতে”ছিলাম না। বরং বাক-স্বাধিনতার প্রতি ইসলামিস্টদের respect এর অভাব এবং তাদের স্পর্ষ কাতরতার কথা আমার মূল পোষ্ট এ বলছিলাম।
এছাড়া বাকি কথার সাথে আমি একমত
কল্পলোক ১২/১০/০৮ ৮:৫৪ অপরাহ্ন
চমৎকার বলেছেন। একমত
আমাদের আসলেই নবীজির দু’টো কার্টুনের ব্যাপারে জ্বালাও-পোড়াও করা উচিত হয়নি, শান্তিপুর্ণ প্রতিবাদ সর্বোত্তম। কিন্তু মুসলিমদেরকেই দোষারোপ করা উচিত হয় নাই, কার্টুনিস্টেরও এরকম জঘন্য কাজ করার জন্য দোষ আছে। গরু-ছাগলও জানে নবীজি আমাদের কাছে কিরকম। এরকম উস্কানিমুলক কাজ-কর্ম কোন সভ্য লোক করে না।
বেড়াল এর নাম এর আগে “মোহাম্মদ” যুক্ত করার উদ্দেশ্য আমাদের মুসলিমদের কাছে বেশ পরিস্কার। এরকম ঝুকিপুর্ণ রসিকতা করা থেকে নাস্তিকদের বিরত থাকতে হবে। জিঘাংসাকে এভাবে কামনা করলে জিঘাংসা কখনই পিছু ছারবেনা।
সুমিত ১২/১০/০৮ ৩:৪৫ অপরাহ্ন
মজার ব্যাপার হল মুসলিম ছাড়া আর কেয় এই রুপ “জিঘাংসা” দেখায় না। যদিও সবাই কে নিয়েই কার্টুন আছে।
Necray ১২/১০/০৮ ৭:৩৩ অপরাহ্ন
কারণ ইসলামই একমাত্র ধর্ম যার অনুসারিরা এখনও আস্তিক রয়ে গেছে। আজকের হিন্দু-খ্রীস্টানরা বেশীরভাগই নাস্তিক, রাম-যীশু কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র আঁকলে তাদের কিছু যায় আসে না।
তাছারা আমি যীশু আর মোহাম্মদ ছাড়া অন্য কোনও ধর্মীয় চরিত্রকে ব্যঙ্গ করতে দেখিনি, not even Moses(the prophet of the much hated Jews)। রাজনীতিবিদদের নিয়ে করা হয়, কিন্তু সেটা স্বাভাবিক।
সুমিত ১২/১০/০৮ ৪:২৫ অপরাহ্ন
সত্যি নাকি? খ্রীস্টান কিনতু শুধু ইউরোপ এ না আমেরিকা ও মিডল ইসট এও আছে। বাইবেল বেলট এর কথা শুনেছেন? গ্রীস এ যে এখন ও খ্রীস্টান থিওক্র্যাসি আছে তা জানেন? তারা নাস্তিক?
Necray ১২/১০/০৮ ৩:০৪ অপরাহ্ন
গ্রীস এ কি ইউরোপ-আমেরিকা থেকে বেশী লোক আছে? Middle East এর খ্রীষ্টান্দের সংখ্যা কি ইউরোপ-আমেরিকা থেকে বেশী? তাছাড়া আমেরিকার সিংহভাগ খ্রীষ্টান উত্তরাধিকার সুত্রে খ্রীষ্টান। তাঁরা আসলে সব নাস্তিক। আমেরিকায় বসবাস্কারী সবার কাছ থেকেই এই তথ্য পেয়েছি। তাছাড়া আমেরিকান চলচ্চিত্রের দিকে তাকালেই বুঝা যায় তারা কি বিশ্বাস করে
ওই অল্প পরিমানের ধার্মিক লোকজন কি করেছে, সেটা দিয়ে কোন সিদ্ধান্তে আসা যায় না। চলচ্চিত্রে কিংবা ব্যঙ্গচিত্রে যীশু কে নিয়ে মশকরা করলে আমি ব্যথিত হই, তাহলে আমার কথা কেউ বলেনা কেন? ডঃ জ়াকির নায়েকের সাথে কেউ কেন ফলাও করে বিতর্কে যায় না? তিনি বিশ্বের সব শ্রেণীর মানুষকে তাঁর সাথে ইসলামের যথার্থতা নিয়ে যুক্তি তর্ক করতে নিমন্ত্রন করেছেন, সবাই তাঁকে ignore করছে কেন? World Media এর ব্যাপারে এত অনাগ্রহ কেন?
আপনি আমার দেখা প্রথম নাস্তিক না। আমার দেখা সব নাস্তিকের বক্তব্য হচ্ছে- “আস্তিক মানেই উগ্র- মুসলিম-খ্রীষ্টান কোন বিভেদ নাই”। Hitchens নামক জনৈক নাস্তিক ব্যক্তিও তাঁর God is not great গ্রন্থে তাই বলেছেন। আপনার কথামত বিশ্বে আস্তিকরা যদি এখনও সংখ্যাগরিস্ঠ হয়, তাহলে নাস্তিকদের সব বই-পত্র নিয়ে এখন হিংস্র প্রতিক্রিয়া দেখা যেত। আমরা তো জানি আস্তি্করা উগ্র, তাই না?
সুমিত ১২/১০/০৮ ৩:৩০ অপরাহ্ন
জানি না। থাকতেও পারে না ও থাকতে পারে। কথা সেখানে না। তারা এট ধর্ম প্রান হয়েও কার্টুন নিয়ে আন্দলোন ভাংচুর করে না কেন?
উত্তরাধিকার সুত্রে খ্রীষ্টান হলেই নাস্তিক হতে হয় নাকি? মসলমান রাও তো বেশির ভাগ উত্তরাধিকার সুত্রে মুসলমান। তারা কি?
আমেরিকাতে আসলে খ্রীষ্টান উগ্রতা আছে এবং ভালো ভাবেই আছে।
http://en.wikipedia.org/wiki/Bible_belt
“ব্যথিত” হইতে পারেন কিন্তু আন্দলোন ভাংচুর করেন না। কাউকে জেলে ও ঢুকতে হয় না, শুধু এদেশে না, সমগ্র বিশ্বে। মুহাম্মদ কে নিয়ে কার্টুন এর ক্ষেত্রে যা হয়, শুধু এদেশে না, সমগ্র বিশ্বে। মুহাম্মদ কে নিয়ে কার্টুন এর ক্ষেত্রে ও যদি শুধু “ব্যথিত” হইতেন তাইলে আমি আর কিছু বলতাম না।
Necray ১২/১০/০৮ ৪:২০ অপরাহ্ন
করেনা জানলেন কেমনে? spotlight এ সবসময় মুসলিম্রাই থাকে। আমারেও কোন একদিন t.v. তে দেখবেন, “amarblog.com এ Necray নামক জনৈক মৌলবাদি ধর্মীয় ত্রাস ছড়াচ্ছে”
আর তাছাড়া ইসলাম বলে নাই মোহাম্মদকে ব্যঙ্গ করলে মারামারি করতে হবে। কাফেররা সারাজীবন এই কাজ করবে। মুসলিমদের শান্তিপুর্ণভাবে প্রতিবাদ করা উচিত ছিল, তারা করেনি। এটার জন্য ইসলাম এর দোষ নাই। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ব্যর্থতার জন্য আপনাকে আমি দোষারোপ করতে পারি না।
আমি আক্ষরিক অর্থে কথাটি বুঝাইনি। আমি বলতে চেয়েছি তারা নামে খ্রীষ্টান, কামে নয়। পৃথীবির ৯০% মুসলিম ৬০% খাটি। The remaining 30% may seem small but it does matter. ধর্মকে আস্তিক নাস্তিক নির্বিশেষে সবাই ধর্ষন করছে।
Black Belt যদি এতই গুরুত্তপুর্ণ হত, আমেরিকার মিডিয়া সারা বিশ্বকে এ ব্যাপারে জানাচ্ছেনা কেন? আমি গুহায় থাকি না, তাই প্রচার হয়ে থাকলে আমি অবশ্যি জানতাম। wiki check করেছি, Black Belt এর আকার মোটেই বড় নয়। যৌন স্বাধীনতা থাকলে যেমন সমকামীতা থাকবে, ধর্ম থাকলে religious extremism ও থাকবে। বেয়াদপ শিশুকে না বকে বাবা-মাকে বকবেন না।
Pankha
ট্র্যাকব্যাকঃ
আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে মন্তব্য করার জন্য!
আমার মেনু
সুমিত
এই পর্যন্ত 4 টি ব্লগ লিখেছেন
প্রিয় পোস্ট
1 জন ব্যবহারকারি এই পেইজটি পড়ছেন!
1 জন অতিথি
সদস্যরা হলেনঃ