Skip to content

বেলী ফুলের মালা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



হিজল সেই অনেকক্ষণ ধরে শাহবাগের ফুলের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে। আজ তমার জন্মদিন, দুজনে এ উপলক্ষে সারাদিন একসাথে সময় কাটাবে। অফিস থেকে দুজনে ছুটি নিয়েছে। ক্যাম্পাস ছাড়ার পর সেভাবে আর ক্যাম্পাসে ঘোরাঘুরি, আড্ডা মারা হয় না, সময় হয়ে ওঠে না। আগের দিনগুলো খুব মিস করে তারা।

তমার উত্তরা থেকে আসতে আর কত দেরী লাগে! নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় ৪০ মিনিট পর তমাকে হন্তদন্ত হয়ে শাহবাগের ব্যস্ত রাস্তা পার হতে দেখা যায়। দেখে হিজলের ভয় লেগে উঠে। কখন না জানি আবার গাড়ি চাপা পড়ে মেয়েটা, এতো তাড়াহুড়ো করছে কেন মেয়েটা! আরে সাবধানে! দেখে একাধারে রাগ আর আশংকা হয় হিজলের।

অপেক্ষা করার ফাঁকেই একটা বেলী ফুলের মালা কিনেছিল হিজল। তমা এসেই এক্সকিউজ শুরু করে, আর বলো না মহাখালীর ওখানটায় এমন জ্যামে পড়েছিলাম! ইচ্ছে করেই ফোন দেইনি তোমাকে। থাকো না একটু অপেক্ষা করে, এমন করে তো কতকাল দুজন দুজনের জন্য অপেক্ষা করি না। কেবলি ব্যস্ততা। ভাল্লাগে না এই ছাতার জীবন। হিজল কিছু না বলে মুচকি হেসে মালাটি তমার হাতে দেয়, সেই সাথে জানায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

খুশীতে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়ে তমা! বেলী ফুল তার খুবই পছন্দ। একটু পর পর নাকের কাছে নিয়ে বেলীর মৌ মৌ করা ঘ্রাণটা শুকতে তমার খুব ভাল লাগে। হিজল সেটা জানে এবং বিশেষ দিনটিতে মনে রেখেছে, এটা তমার খুবই ভাল লাগে। স্নিগ্ধ হাসির মুগ্ধ কৃতজ্ঞ দৃষ্টিতে সে হিজলের দিকে তাকায়।

চলো হন্টন শুরু করি, আজ সারাদিন তারা হেঁটে হেঁটে তাদের প্রিয় জায়গাগুলো ঘুরবে। রাস্তা পার হয়ে জাদুঘরের সামনে থেকে শুরু হলো হাঁটা এবং গল্প করা। একসময়ে চারুকলার সামনে আসে, চলো ভিতরটা একবার ঘুরে আসি। চারুকলার মাঝখানের ঐ পানিবিহীন পুকুরটায় তমার সবসময় বিস্ময়। ওখানে গেলেই সে গর্তপুকুরটার সামনে কিছুক্ষণ দাঁড়াবে। ক্যাম্পাসে পড়াকালীন অবস্থায় ঘোর বর্ষাতে এসেও দেখে গেছিল, নাহ পানি নেই। কর্তৃপক্ষ এখানকার পানি পাম্প করে সরিয়ে দিতে একটুও গাফলতি করে না। এরপর আরো কিছু ভাস্কর্য দেখা হলো। গোলটেবিলের চারপাশে কিছু বাচ্চা বসে আছে, আর একজন শিক্ষক তাদের পড়াচ্ছেন, দেখেই হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়লো দুজন। এটা খুব বেশিদিন আগের না, আগে ছিল না। কেউ কেউ ছবি আঁকছেন, তমা পিছন থেকে কাছে গিয়ে একটু উঁকি দিয়ে দেখে আসলো। আরো ভিতরে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরির পর বেরিয়ে আসলো তারা। এরপর নাট্যতত্ত্ব বিভাগ পার হয়ে টিএসসি এলো, তবে এখন ভিতরে ঢুকলো না। রাস্তা পার হয়ে রোকেয়া হলের সামনে দিয়ে হেঁটে চললো। এক সময়ে ভিসি স্যারের হোয়াইট হাউজের সামনে আসলো, এখানটায় বিশাল বিশাল কড়ই গাছ দিয়ে এমনভাবে ছাউনি দেয়া যে খুব ভাল লাগে। আগের মতো অনেক অনেক কৃষ্ণচূড়া চোখে পড়লো না এখন।

নানারকমের গল্প করছে তারা, অফিসের গল্প, আগেকার বন্ধুবান্ধবদের কথা, পরিবারের লোকজনদের কথা, নিজেদের ভবিষ্যত চিন্তাভাবনা, বিয়েটা কবে করবে সেটারও সময় মিলিয়ে নেবার চেষ্টা করছে।

একসময়ে ফুলার রোডের রাস্তা ধরে এগোচ্ছে, উদয়ন স্কুলের সামনে মায়েদের চাদর বিছিয়ে অপেক্ষা, কেউ কেউ গল্প করছেন, কেউ কেউ কাঁটা দিয়ে উল বুনছেন, কেউ সূচিকর্ম করছেন। এসব মায়েদের দেখে তমার একই সাথে সমবেদনা জাগে, আবার বিরক্তও লাগে। বাচ্চাদের স্কুলে দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতে কাঁহাতক ভাল লাগে! এ মায়েদের কি কষ্ট! একটু একটু পা ব্যাথা হয়ে আসছে তমার। একসময়ে ক্যাম্পাসে থাকতে এরকম মাঝে মাঝেই তারা হন্টন প্রজেক্ট হাতে নিতো, মজাই লাগতো হাঁটতে হাঁটতে গল্প করতে, চারপাশের মানুষ দেখতে, মাঝে মাঝে ফুচকা, চানাচুর, ঝালমুড়ি, ভেলপুরি, কদবেল, আমড়া কিনে খেতে।

ওহ, ভাল কথা মনে পড়েছে! তমার এখন পেঁয়াজ-টমেটো মাখানো চানাচুর খেতে ইচ্ছে করছে। স্কুলের সামনে থেকে দুই প্যাকেট কিনে নিল তারা। সামনের দিকে এগোতে থাকলো। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের সামনে এসে আগের মতো ছোট মাথামূর্তিগুলো গোণা শুরু করলো। আজ পর্যন্ত কখনোই তমা ঠিকভাবে গুণে শেষ করতে পারলো না, সবগুলো মুখ চিনতেও পারেনি। দুই তিনজনে মিলে গুণলে সবসময়ে হিসেবে গরমিল হবেই হবে। কিছুক্ষণ গোণাগুণি করার পর এবার অপু দশ-বিশ করছে কোনদিকে যাবে? ডানে পলাশীর দিকে নাকি বাঁয়ে শহীদ মিনারের দিকে? দুজনে ঠিক করলো 'নিরবে' খাবে, তাহলে বাঁয়ে যাওয়াই ভাল।

সেমত এগিয়ে চললো শহীদ মিনারের দিকে। সেখানে গিয়ে কিছুক্ষণ বসলো দুজনে, জিরিয়ে নিল। হাঁপিয়ে উঠেছিল বেশ, সেই শাহবাগ থেকে একটানা হেঁটে এসেছে!

প্রায় দুটো বেজে গেছে। দুজনে একটা রিকশা নিয়ে 'নিরবে' খেতে গেল। বাসায় কখনো এতো আয়োজন করে ভর্তা বানানো হয় না, এতো সময় কই আজকালকার শহুরে বাসাগুলোতে? তাই এখানকার বাহারী ভর্তা দুজনেই মজা করে খেল। খাওয়া দাওয়া শেষে আবার ফিরতি রিকশায় কার্জন হলের সামনে চলে এলো। সেখানে রিকশা ছেড়ে দিয়ে ভেতরটা কিছুক্ষণ ঘুরে আসলো। টং-এর দোকান থেকে চা নিয়ে শহীদুল্লাহ হলের পুকুর পাড়ে ঘাসের উপর বসে কিছুটা সময় কাটালো দুজন। হিজল গল্প করতে লাগলো একসময়ে এই পুকুরে বন্ধুরা মিলে কত ভাবে কিভাবে দাপাদাপি করেছে, কাকে চেপে ধরে ডুবিয়ে পানি খাইয়েছে, কোন ছেলেটা সাঁতরাতে গিয়ে ডুবে মরে গেছে, কেউ টের পায়নি। আজ সব স্মৃতিরা মাথায় ভিড় করেছে। অনর্গল বলে যাচ্ছিল হিজল। মনে পড়লো দুজনের এই পুকুর পাড়ে ডেকে এনেই হিজল তমাকে ভালোবাসি বলেছিল, তমা তো প্রথমে শুনে রেগে টং!! কড়কড়ে দৃষ্টিতে হিজলের দিকে তাকিয়ে দিলো একটা বকা! তারপর হন হন করে হেঁটে চলে গেছিল। মাসখানেক পর তমার কেন জানি মনে হলো কাজটা ভুল করেছে, সেও আসলে হিজলকে পছন্দ করে, সেদিনের ওর হঠাৎ করে বলাটাতে সে হকচকিয়ে গেছিল, অনুমান করতে পারেনি চট করে হিজল তাকে এরকম কিছু বলে বসবে। তাই একদিন হিজলের ডিপার্টমেন্টে এসে তাকে স্যরি বলে গেছিল। হিজলের তখন অবশ্য খুব অভিমান হয়েছিল, মুখ ফিরিয়ে রেখেছিল তমার কাছ থেকে, তুমি কি মেয়ে? এতো অহংকার কেন তোমার? এরপর মাঝে মাঝে কার্জন হলের রাস্তাটাতে চলার পথে দেখা হলেই তমা এগিয়ে গিয়ে হিজলের কুশলাদি জানতে চাইতো। এমন করে করে কখন যে হিজলের সব অভিমান ধুয়ে মুছে গেছে সে নিজেও টের পায়নি। কখন যে দুটি মন বাঁধা পড়ে গেছে সেটা হিজল-তমা কেউই বুঝি টের পায়নি বা পেয়েছে। সেই থেকে শুরু হয়েছে পাশাপাশি চলা যা আজো শেষ হয়নি।

কত বছর হলো? উমমম পাঁচ বছর? হুম, সেরকম কাছাকাছি সময়ই বয়ে গেছে। দুজন দুজনকে বেশ ভালো বোঝে। এখনো তেমন কোন ঝগড়া তাদের মাঝে হয়নি। মাঝে মাঝে হিজল কিছু ওলট পালট আচরণ করে যেটা দেখে তমার ভীষন রাগ হয়। চট করে সে রিয়েক্ট করে না, পরে এমনভাবে কথা শুনিয়ে দেয় যে হিজলের আর সাহস হয় না ঐরকম কিছু করতে। তমার এই নিরব রাগকে হিজল আসলেই ভয় করে, সমীহও করে। তমার সত্যিই অনেক ধৈর্য, যেকোন পরিস্থিতি ঠান্ডা মাথায় সামলাতে তার জুড়ি নেই। দুজনের সম্পর্কে এরকম একটা বৈশিষ্ট্য ভালই কাজে দেয়।

বিকেল হয়ে এসেছে। তমা বললো, চলো উঠি। টিএসসির দিকে যাই, কবিতা আবৃত্তির হয়তো কোন আসর থাকতে পারে, একটু আবৃত্তি শুনে আসি। হঠাৎ মনে পড়লো তমার প্রথম প্রেমে পড়ার কাহিনী। সে প্রেমে পড়েছিল শিমুল মোস্তফার। smile :) :-) ভরাট কন্ঠের আবৃত্তি শুনতে শুনতেই তার প্রেমে পড়া। যেই না টিএসসিটে একদিন শিমুল মোস্তফাকে দেখলো, অমনি তার মুখ শুকিয়ে গেল! এতো সুন্দর কন্ঠের মানুষটা দেখতে এতো পঁচা কেন, চেহারাটা আরেকটু সুন্দর হলে কি হতো! হা হা হা। তমার তরুণী মন শ্যামলা, দেখতে মোটামুটি ভাল, মিষ্টি নিরীহ হাসির ছেলেদের প্রতি আকৃষ্ট হতো। হিজল অনেকটা সেরকম, তমার অনেক ভাল লাগে। মাঝে মাঝে হিজলের চোখ ফাঁকি দিয়ে তমা মুগ্ধ নয়নে হিজলকে চুপি চুপি দেখতে থাকে।

এটমিক এনার্জির গেট পার হয়ে, বাংলা একডেমি পার হয়ে টিএসসির সামনে আসে, একটু মাথা বের করে দেখে সেন্ট্রাল লাইব্রেরীর পাশে স্টেজ টাঙানো, সেখান থেকে মাইকে আবৃত্তির আওয়াজ কানে আসে তমার। হিজলকে বলে, চলো সেখানে যাই। রাস্তা পার হয়ে লাইব্রেরীর গেট দিয়ে ঢুকে পেছনের দিকে দুটো চেয়ারে বসে তারা, সপ্তাহব্যাপী স্বরচিত কবিতা পাঠের আসর বসেছে। তমা চোখ বন্ধ করে আবৃত্তি শুনতে থাকে, তাকিয়ে থেকে শুনতে চাইলে কন্ঠের আবেদনটা তার ঠিক কানে বাজে না। তাই চোখ বন্ধ করে শোনা। শুনটে শুনতে কোন এক কল্পলোকে হারিয়ে যায় তমা। একেক কবিতার একেক বক্তব্য, একেক আবেদন। তন্ময় হয়ে পড়ে, আবেশিত হয় তমা। হঠাৎ পাশ থেকে একটু খোঁচা লাগে, তমা চমকে উঠে চোখ মেলে তাকায়। আবছা অন্ধকারে হিজল তাকিয়ে হাসছে। কি ম্যাডাম, বাড়ি যাবেন না? আমাকে ভুলে গেছেন? কোন সাড়া শব্দ নেই। সেই যে কখন চোখ বুজেছেন? ঘুমিয়ে পড়েন নাই তো? smile :) :-)

তমার সলজ্জ অপ্রস্তুত হাসি। আরে না ঘুমাই নাই। আবৃত্তি শুনছিলাম। হ্যাঁ, তোমার কথা একটু ভুলে ছিলাম, স্যরি ফর দ্যাট। সবসময়ে তোমার কথা মনে রাখটে হবে নাকি, হু? আমার কি আর খেয়ে দেয়ে কোন কাজ নেই? নিজস্ব জগত নেই? কপট রাগ দেখিয়ে বলে তমা।

হয়েছে হয়েছে, আমি পাশে না থাকলেই বোঝা যাবে কার কতো নিজস্ব জগত, আর কে কত একা থাকতে পারে? আর ভাব দেখাতে হবে না, ঝগড়াও করতে হবে না। কে আগ বাড়িয়ে বাড়িয়ে আমি ভাল আছি না কেমন আছি জিগ্যেস করতো? আমি তো প্রেম নিবেদন করে প্রত্যাখাত হয়ে চুপ করেই ছিলাম। কাউকে কি বলেছিলাম, এসো আমার সাথে প্রেম করো, আমাকে ভালোবাসো। বয়েই গেছে আমার। বাঁকা বাঁকা ঠোঁটে হিজল বলে চলে।

কিছুক্ষণ শুনে তমার হো হো হাসি, ওরে আমার অভিমানী বন্ধুরে! ক্ষেপেছে। খিলখিল করে হেসে গড়িয়ে পড়ে তমা হিজলের কাঁধে। আশেপাশের মানুষ অবাক হয়ে তাদের দিকে ঘাড় ঘুরে তাকায়। সেটা টের পেয়ে দুজনে তটস্থ হয়, গলার স্বর নামিয়ে নেয়। হিজলের কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলে তমা, লাভ ইউ বালক!

দুজনে ধীরে ধীরে বাড়ির পথে পা বাড়ায়।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আহারে আহারে!!!!! কই গেল সে সব দিন Sad Sad

______________________________________
নিজেকে কখনও একা ভাবতে নেই......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেসব দিনগুলো হারায়ে গেছে বহুদিন। Sad Sad


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাহ্ সুন্দর

‍‍‌‍‍‍‍**********
স্বপ্নের কারিগর


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ যুথী আপু। smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বেশ লিখেছেন।

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বেশ বলেছেন। smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শিমুল মোস্তফার চেহারা কেন এত পচা হল smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমিও তো তাই বলি। তমাকে সমবেদনা। Laughing out loud


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মিষ্ট মধুর ভালবাসার গল্প।
ভাল হয়েছে।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমি ঘরে ফিরবো, কিন্তু ফিরতে গিয়ে দেখলাম আমি বাড়ি ফিরেছি। আমার ঘরে ফেরা আর হল না...(সংগৃহীত)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ প্রত্যয়। smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কেনরে বুইন, হগ্গলরে ভাই আপু ডাকতেছেন! আর আমারে খালি নামে!! Sad Sad

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমি ঘরে ফিরবো, কিন্তু ফিরতে গিয়ে দেখলাম আমি বাড়ি ফিরেছি। আমার ঘরে ফেরা আর হল না...(সংগৃহীত)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাহ!

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ পথিক ভাই। smile :) :-)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Tongue Tongue


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বেশ!!


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বেশ ভাল smile :) :-)

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
" যারা পাকিস্তানের সাথে রিকন্সিলিয়েশন এর ধুয়া তোলে , থুথু ছিটাই সেসব বেজন্মাদের মুখে "

glqxz9283 sfy39587p07