Skip to content

আসিফ নজরুলকে চিনতে পড়ুন শাহরিয়ার কবিরের "জাহানারা ইমামের শেষ দিনগুলি" (১৯৯৫)

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি



গত কিছুদিন ধরে আসিফ নজরুল বিষয়ে অনেক পড়লাম, ছাগুদের তার জন্য মায়াকান্না তো বোধগম্য, তবে নব্য সুশীলদের কিছু মন্তব্য দেখে স্তম্ভিত হয়েছি। আসিফ নজরুল সাইদীকে যুদ্ধাপরাধী নয় দাবী করার পরেও তার কোন দোষ এরা দেখতে পায়না।

আমার এক বন্ধুর ফেসবুকে একজন লিখেছে-

আসিফ নজরুলের দোষটা কি সেটা জানতে পারলে ভাল হত। আমার জানা মতে উনি খারাপ কিছু করেন নাই


উত্তরে বললাম-

আপনি যদি জামাত ঘরানার লোক হন তাহলে আমার উত্তরের পরবর্তী অংশ না পড়লেও চলবে আর যদি তা না হন এবং এত কিছুর পরেও আসিফ নজরুল কি করেছে তা না জানাটা যদি আপনার নির্দোষ অজ্ঞতা হয় তাহলে পড়ুতে থাকুন।

আসিফ নজরুলের ইতিহাসটা অনেক পুরনো- ইনি ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিতে থেকেই গোপনে জামাতের দালালি করতেন- করতেন তথ্য ও দলিল পাচার জামাতের কাছে। তার সেই বিশ্বাস ঘাতকতার কারণে জাহানারা ইমাম তার ক্যানসারের চিকিৎসা অসম্পূর্ণ রেখে ইউ এস এ থেকে দেশে ফিরে যান এবং অল্প কিছুদিন পরেই মৃত্যুবরণ করেন- এই জাতির জন্য ঐ সময়ে আম্মার মৃত্যুটা অনেক বড় একটা ক্ষতি ছিল।

যাই হোক চিপ নজরুলের ইতিহাস জানতে চাইলে পড়ুন নিচের লেখাগুলো_

http://ukbdnews.com/opencomments/48702-2012-01-03-02-05-20.html

http://www.sachalayatan.com/hasan_murshed/34172

http://unmochon.net/node/1288



তার উত্তরে ঐ লোক বলেছে-

আমি কোন ঘরানার মানুষ সেটা আপনি আমার আশ পাশের কারো কাছ থেকে জেনে নেবেন।
তবে আমি আপনার লিংকগুলো পড়েছি। কনভিন্সড হতে পারিনি। একপেশে লেখা মনে হয়েছে।
আর ওয়েব লিংক পড়ে কারো সম্বন্ধে ধারণা নেয়াটা মনে হয় ঠিক হবে না।
আমি দেশেই থাকি-ঢাবি আমার খুবি কাছে-যদি ভুল জেনে থাকি তাহলে নিজেকে শুধরে নেব।
ধন্যবাদ।

ও আচ্ছা...
আপনি কোন ঘরানার মানুষ? একটু বললে ভাল হত।



আমার আর উত্তর দেয়ার রুচি হয়নি।


অমি রহমান পিয়াল ভাই তার ফেসবুকে লিখেছিলেন-

আসিফ নজরুল ইস্যুতে আমার ব্যক্তিগত মত হচ্ছে সে যা বলছে একই কথা নিজামী,মুজাহিদ,জামাত এমনকি খালেদাও বলছে। উল্লিখিত লোকজন প্রো-পাকিস্তানী এবং স্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান। এটা প্রমাণিত সত্য। কিন্তু যে লোকটা ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির মতো সংগঠনে একটা গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে মিছিল করছে আমাদের পাশে, সে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের মতো প্রতিষ্ঠানকে সাইনবোর্ড বানিয়ে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মতো ঘৃণ্য একজনকে নিরপরাধ বলে সনদ দেয়- সেটা বিশ্বাসঘাতকতা। সুহৃদ সেজে পিঠে ছুরি মারা সবসময়ই ঘৃণ্য অপরাধ এবং এটা তো সত্যি প্রতিবিপ্লবীদের ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়াটাও সবসময় চরম। আসিফের রুম পোড়ানো, দরজায় তালা কিংবা বহিষ্কারের দাবিটা সে তূলনায় যথেষ্টই মৃদূ প্রতিবাদ। এর বিরুদ্ধে যারা ইনিয়েবিনিয়ে মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা কিংবা গণতন্ত্র ও আইনী অধিকার জাতীয় ফাকিং বুলশিট জুড়ে দেন, তারা বেসিকালি গোলাম আযমের গ্রেফতারও সহ্য করতে পারেন না একই মানসিকতায়। শুধু মুখে বলতে পারেন না সুশীল মুখোশটা জুতোপেটায় খুলে যাবে বলে। যার প্রেক্ষিতে এত কিছু সেই মুক্তিযুদ্ধটা কোনো অহিংস প্রতিবাদ ছিলো না। ভায়োলেন্সের চরমসব উদাহরণ যার পরতে পরতে, হত্যা-ধর্ষণ-লাশ দিয়ে যে ইতিহাসের প্রতিটি বর্ণ লেখা হয়েছে, তার পক্ষে গলা উচালে সেটা মিনমিনে শোনানোর কথা নয়।তাই এসব মাদারফাকারদের বলি- চুপ। একদম চুপ।...............



অসাধারণ বিশ্লেষণ করেছিলেন নিঝুম মজুমদারও। এই সুশীলদের অনেকেই হয়তো সেগুলো পড়েছেন। না পড়ে থাকলে উপরের লিঙ্কগুলোতে গিয়ে পড়ে নেবেন আর ওই ভদ্রলোকের মত তারপরেও বলতে পারেন যে কনভিন্সড হতে পারলাম না। কেউ কেউ এরপরও উটপাখি হবেন আমি জানি।


এত কিছু শুনেও, পড়েও মন ভরছে না সুশীলদের তাই আমি অপেক্ষায় ছিলাম একটা বইয়ের কিছু অংশের। আজই পেয়ে গেলাম হাতে। অবশ্য এর পরেও কোন কোন দুর্জনের ছলের অভাব হবেনা।


আসিফ নজরুলের আসল চেহারাটা বের হয়ে আসবে শাহরিয়ার কবির ভাইয়ের "জাহানারা ইমামের শেষ দিনগুলি"র (১৯৯৫) অংশ বিশেষ পড়লে- যেখানে তিনি বিশদ লিখেছেন কিভাবে জাহানারা ইমাম এবং ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করেছিল আসিফ নজরুল এবং কিভাবে সেই কারণে ডাক্তারের কঠিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তিনি চিকিৎসার মাঝ পথে দেশে ফিরে আসেন মৃত্যুকে বরণ করে নিতে। কিভাবে তাঁকে ভেঙ্গে দিয়েছিল এই চিপ নজরুল।






পড়তে ও ডাউনলোড করতে পারেন এই লিঙ্ক থেকে-


জাহানারা ইমামের শেষ দিনগুলি অধ্যায় ৭


পুরো বইটি অনলাইনে পাওয়া যাবে এখানে।



বইয়ের অধ্যায়টি পড়তে পড়তে কেঁদে ফেলেছিলাম। জাহানারা ইমাম হয়ত আরও কিছুদিন বেঁচে থাকতেন- যদি চিকিৎসা ফেলে ঐভাবে ঐ বেঈমান লোকটার জন্য ফিরে না আসতেন দেশে। এই লোকটা আম্মাকে কাঁদিয়েছিল। নিজের স্বার্থের জন্য ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ হাতে নিয়েও সে তা করেনি এবং সময়মত কাউকে জানায়নি যে সে ঐ কাজ করতে পারবেনা।





বইয়ের কিছু অংশ তুলে দিলাম নিচে-


"আসিফ লিখেছে, ওর মা ওর ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের কথা ভেবে ওকে এসব কাজে জড়াতে নিষেধ করেছেন। গণ আদালতের পর ও না কি বাবা মাকে বলেছিল, এসব কাজ আর করবে না। জাহানারা ইমামের চিঠি ওর মার হাতে পড়েছে। মা ওকে কসম খাইয়েছেন এ কাজ না করতে। মা'র কাছে দেয়া কসমের জন্য ও এ কাজ করতে পারবে না।"



"ও বলল, 'আমার কমনওয়েলথ স্কলারশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। ডিপার্টম্যান্টের চেয়ারম্যান বলেছেন, এসব কাজের সাথে যুক্ত থাকলে আমি স্কলারশিপ পাবো না। "



"ওকে বললাম, 'তুমি মিথ্যে কথা কেন বলেছিলে? আম্মা কখনও তোমাকে এসব কাগজ আমাকে দেখাতে বারণ করেননি। আর আম্মাকে এরকম চিঠি লেখাও উচিৎ হয়নি।।'

আসিফ বলল, 'শাহরিয়ার ভাই, আপনার মত সাহস আমার নেই। আমি ক্যারিয়ারের কথা ভাবি। আপনাকে তখন এগুলো দেখালে আপনি রাগ করতেন। আপনার কথা আমি ফেলতে পারতাম না। আমি ভয় পেয়েছিলাম। এবার স্কলারশিপ হাতছাড়া হলে আবার কবে পাব তার কোন ঠিক নেই। আমি আম্মার কাছে ক্ষমা চাইবো।"



"জাহানারা ইমামকে বললাম, 'আসিফ আপনার কাছে মাপ চাইতে আসবে।'
তিনি ক্ষুব্ধ গলায় বললেন, 'ওর মতো ছেলের মুখ আমি দেখতে চাই না। ওকে বারণ করে দিবি আমার বাসায় যেন না আসে।"



এবার আসি আসিফ নজরুলের সাইদী কে নিয়ে বাংলাভিশনে বক্তব্য প্রসঙ্গে। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবেই বলেছেন যে সাইদী যুদ্ধাপরাধে জড়িত নন। যখন এটা নিয়ে প্রতিবাদে মুখর মানুষ তখন তিনি আবার পত্রিকাতে বলছেন যে তিনি কখনও ঐ কথা বলেন নি। ঐটা নাকি রঙ চড়িয়ে বলেছে সংবাদপত্রওয়ালারা।


দেখুন তাহলে এই ভিডিওতে কি বলছেন তিনি-



See video





তিনি বলছেন- "ঐ সময় যে আপনার বিভিন্ন বাহিনী গঠন করা হয়েছিল সেটার সাথে জামাতের শীর্ষস্থানীয় কিছু লিডার জড়িত ছিল। এখন অনেক তরুণ লিডার আছে যারা ঐ সময় আপনার অবশ্যই জড়িত ছিল না। কিন্তু যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে (যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য) তাদের সম্পর্কে তো আপনার একমাত্র দেলওয়ার হোসেন সাইদী ছাড়া আমার জানামতে আর কি, বাকী সবারই আপনার যতটুকু আমি পড়াশুনা করেছি, ইনভল্ভম্যান্ট ছিল (যুদ্ধাপরাধে)।"

তাছাড়া কালেরকন্ঠের রিপোর্ট মোতাবেক গ্রেফতারকৃত জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে যুদ্ধাপরাধের বিচার ঠেকানোর পরিকল্পনা সংবলিত নথি অনুসারে আমরা জানি-

জামায়াতের 'নিজস্ব' বিশিষ্টজনদের তালিকায় আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ নজরুল।



এছাড়াও পড়তে পারেন এই লেখাটি- ভাব্বার বিষয় নয় কি এটা?

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আর্মেনীয় গণহত্যা শুরু হয়েছিল প্রায় ২৫০ জন বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও হত্যাকে কেন্দ্র করে। গণহত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন তখনকার অটোমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তালাত পাশা। সেই গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া আর্মেনীয় সঘোমন তেহলিরিয়ান ১৯২১ সালে জার্মানির বার্লিনে দিনের আলোয় জনসমক্ষে তালাত পাশাকে খুন করে প্রতিশোধ নিয়েছিলেন। অসংখ্য সাক্ষী থাকা সত্ত্বেও বিচারকেরা সঘোমন তেহলিরিয়ানকে মুক্তি দিয়েছিলেন। কা...রণ তিনি এমন একজনকে খুন করেছেন যিনি ১৫ লাখ মানুষকে খুনের আদেশ দিয়েছিলেন। আদালত পর্যন্ত আইনের উর্ধ্বে উঠে গিয়ে একটি গনহত্যার পক্ষে, লাখ লাখ মানুষের আবেগের পক্ষেই রায় দিয়েছিলো অথচ আদালত চাইলেই সঘোমনকে ফাসিঁতে ঝুলাতে পারতো।
সুতরাং, আসিফ নজরুল ছাগলটাকে ইস্যু করে যারা মানবাধিকার রক্ষায় কোমর বেধেঁ মাঠে নেমেছে, তাদের কাছ থেকে যথাযথ দুরত্ব বজায় রাখাই শ্রেয়। মানবাধিকারের ধোয়াঁ তুলে তারা গোআ'র গ্রেপ্তারকেও ভাল চোখে না, এমনকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও তাদের কাম্য নয়। পাবলিকের জুতার পেটার ভয়ে সেসব শুধু জনসমক্ষে বলতে পারে না।
---------------------------------------------------------------------

-----------------------------------------------------------------------------------------
"আজ আমি অক্ষুন্নের বোধে বোদ্ধা...
...জীবনের নির্লিপ্ততার ক্ষোভে ক্ষুদ্ধ...!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভিডিওটি দেখলেই বুঝা যায় এরপর আসিফ নজরুল আরও কিছু বলেছিলেন, সেটা কি ছিল?
টকশোতে কথার মাঝখানে বিনা নোটিশে বিজ্ঞাপন বিরতি হয়না। হয়তো পরের কথাতেই উত্থাপিত অভিযোগের জবাব ছিল!
"সাইদী যুদ্ধাপরাধী নয়" একথাতো আসিফ নজরুল বলেন নি।
উনি যেটা বলেছেন, "--- যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়ছে, তাদের সম্পর্কে তো আপনার একমাত্র
দেলোয়ার হসেন সাইদী ছাড়া, আমার জানামতে আরকি, বাকি সবারই আপনার, যতটুকু আমি পড়াশুনা করেছি, ইনভল্বমেন্ট ছিল"।
সাইদীর যুদ্ধাপরাধ সম্পর্কে আসিফ নজরুলের জানা বা পড়াশুনার সীমাবদ্ধতা হয়তো আছে।
কেউ কি সব যুদ্ধাপরাধীর সম্পর্কে সব সত্য জানেন ? জানা সম্ভব কি ?
জানা থাকলে আর তদন্তের দরকার কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জামাত শিবিরের কুকর্মের ব্যাপারে যারা সুশীলতা মারায় তাদের জন্য শুধুই ঘৃণা।

আর আচিপ নজরুলের মত দুমুখো সাপগুলো অরিজিনাল জামাত শিবিরের চেয়েও ভয়ংকর অনেক সময়।

.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সব মিথ্যা প্রপাগান্ডার জবাব আসিফ নজরুল পুর্বেই দিয়ে রেখেছে। জানতে চাইলে পড়ুন।
“যে বিচার করতেই হবে” ১৬/১২/২০১১, প্রথম আলো।
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-12-16/news/209047


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সব মিথ্যা প্রপাগান্ডার জবাব আসিফ নজরুল পুর্বেই দিয়ে রেখেছে। জানতে চাইলে পড়ুন।
“যে বিচার করতেই হবে” ১৬/১২/২০১১, প্রথম আলো।
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-12-16/news/209047


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ব্লগে চোখ না রেখেই চিন্তা করছিলাম আপনাকে এই নিয়ে একটা পোষ্ট দেওয়ার অনুরোধ করব। একটু পরেই দেখি আপনি ইতিমধ্যে পোষ্ট করেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ।

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনারে মাইনাস।খুব বাজে একটা সময়ে পোস্টটা দিলেন।অনেক কিছু বলা দরকার ছিল,অনেক গালাগালি দেওয়া দরকার ছিল,অনেক রাগ,ক্ষোভের আগুন উগলে দেওয়ার দরকার ছিল,সময়ের অভাবে বেশি কিছু বলতে পারছি না।শুধু এইটুকু বলি শুয়োর আর শেয়ালের নষ্ট সঙ্গমে জন্ম নেয়া এইসব জ্ঞানপাপী,আসিফ নজরুল এবং তার মত অন্যরা,যারা রাজাকারদের শেল্টার হিসেবে কাজ করেছে - করে,মুক্তিযুদ্ধ যাদের কাছে শুধুই উপরে ওঠার সিঁড়ি,ট্রেড অফ করার উপযুক্ত আইটেম - এই দেশের মাটি যেন তাদের জীবাশ্মও ধারণ না করে।এই পবিত্র মাটিতে দাঁড়িয়ে যে মহাপাপ এরা করছে এর উপযুক্ত শাস্তি এরা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে বেড়াক - প্রতিটি বাঙ্গালীর বুকে জ্বলে থাকা ঘৃণার তীব্র আগুন এদের ছারখার করে যাক আজীবন।

ছাগলের চামড়ায় ঢাকা এইসব নেকড়েদের লাথি,উষ্টা দিয়ে খেদানোর সময় এসেছে।

*****************************
তোমার দগ্ধ দেহ
এইবার ঢেকে যাক নবজাত রোদে।
তোমার রক্তে ভিজে পোড়ামাটি ফিরে পাক প্রাণ।
তুমি সেই আগামীর মাঠে
ফলাও দু'হাত ভরে দগদগে আগুনের ধান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাল বলেছেন

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুব সত্যি বলেছেন। অনেক ধন্যবাদ।

অসময়ে লেখার জন্য দুঃখিত।
ফিরে এসে আবার মন্তব্য করতে পারেন।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

৯০ এর দশকের শুরুতে আসিফ নজরুলের লেখার সাথে পরিচয়, মুগ্ধ হয়ে তার বাস্তবধর্মী উপন্যাস পড়তাম। খুবই প্রতিশ্রুতিবান উদারমনা একজন তরুন লেখক হিসেবে সবাই দেখতাম।

সেই লোকের যে কালক্রমে এই বিবর্তন হবে কে ধারনা করতে পারত তখন।

------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসিফ নজরুল সাইদীকে যুদ্ধাপরাধী নয় দাবী করার পরেও তার কোন দোষ এরা দেখতে পায়না। আমার এক বন্ধুর ফেসবুকে একজন লিখেছে-

আসিফ নজরুলের দোষটা কি সেটা জানতে পারলে ভাল হত। আমার জানা মতে উনি খারাপ কিছু করেন নাই

দলীয় একপেশে টাইপের ট্রাইবুনাল, প্রসিকিউটর, বিচারকের অধীনে সোকল্ড মানবতারে অপরাধে বিচার হচ্ছে সাঈদীর, এখন পর্যন্ত ১২-১৩ জনের মত সাক্ষ্য দিয়েছে, এর মাঝে লীগু সাংসদও ছিল। সব গুলো সাক্ষ্যির অবস্থা লেজে-গোবরে, লীগু সাংসদ কোন অভিযোগই দাড় করায় নাই, উল্টো অমুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধার সনদ প্রদান ব্যাবসার দায়ভার নিল। আছে এই খবর আপনার কাছে? যদি বলেন সাক্ষ্যিদের খবর জানা নাই আপনার, তাহলে কিসের সচেতন আপনি আর কিসেরইবা বিচার চান? কিসের ভিত্তিতে সাঈদীকে যুদ্ধাপরাধী বলছেন যাকিনা শেখ মুজিবও করে নাই? আওয়ামী লীগ এখন মাস-হিস্টেরিয়াতে আক্রান্ত, আর তাহলো প্রচন্ড ঘৃনা প্রকাশ। যে যত বেশী ঘৃনা প্রকাশ করতে পারছে সে তত নিজেকে সফল মনে করছে, অনেকটা উত্তর কোরিয়ানদের লাফিয় লাফিয়ে কান্নার মত। এই জন্য আওয়ামী লীগের চেয়ে বড় আওয়ামীলীগার,এমন কি মুজিবের চেয়েও বড় আওয়ামীলীগার হওয়ার প্রবনতা দেখা যাচ্ছে লীগুদের মাঝে। যা বিপজ্জনক।
আসামী পক্ষের জেরার মাধ্যমে অসত্য অভিযোগ গুলোর যখন কোন ভিত্তি পাওয়া যাচ্ছেনা তখন আমারও প্রশ্ন, আসিফ নজরুলের দোষটা কি এতটাই অসহনীয় ছিল যে তার অফিসে হামলা ও অগ্নি সংযোগের মত্য জঘন্য কাজকে সরবে সমর্থন দিয়ে আপনার সেন্চুরি মারতে হলো? ধিক্!
এই লোকটা আম্মাকে কাঁদিয়েছিল।

শাহরিয়ার শিষ্য হলেতো অবস্থা যা হবার তাই হবে- জাহানারা ঈমাম->শহীদ জননী->আম্মা-> এর পর হয়তো মম্মি ডাকবেন? আরো সচেতনতার প্রয়োজন বোধ করি একজন শিক্ষকের জন্য। শাহরিয়ার হচ্ছে প্রচন্ড ধূর্ত প্রকৃতির, এর চেয়ে বেশী এখন আর বলতে চাই না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাঈদী সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি?

জাহানারা ইমামের যুদ্ধপরাধী বিষয়ক কার্যক্রমকেও কি ভাবে দেখেন?

------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাঈদী সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি?

জাহানারা ইমামের যুদ্ধপরাধী বিষয়ক কার্যক্রমকেও কি ভাবে দেখেন?

এখন পর্যন্ত ভাল। রাজনৈতিক ছাড়া কিছুই না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Laughing out loud

ভাল কথা বলেছেন। '৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক যে কোন ঘটনাই রাজনৈতিক।

সাঈদী আসলে আওয়ামী লীগের জন্য বিরাট হুমকি ছিল, তাকে এভাবে রাজনৈতিক ভাবে ষড়যন্ত্র মূলক মামলায় না ফাঁসালে আওয়ামী লীগ আর সামনের কোনবার ক্ষমতায় আসার চিন্তাই করতে পারত না। সাঈদীর জনপ্রিয়তা আওয়ামী লীগ শেখ মুজিব এরা কোনদিন পাবে না জেনেই এমন করছে।

------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ আসিফ

(এই পোষ্টে সুশীল এবং ছাগুদের মন্তব্য অবাঞ্ছিত)।


তারপরেও অবাঞ্ছিত কমেন্ট করেছেন।


আসিফ নজরুলের দোষটা কি এতটাই অসহনীয় ছিল যে তার অফিসে হামলা ও অগ্নি সংযোগের মত্য জঘন্য কাজকে সরবে সমর্থন দিয়ে আপনার সেন্চুরি মারতে হলো?


আমি পোষ্টে কোথাও কি ঐ ঘটনার উল্লেখ করেছি?

শাহরিয়ার হচ্ছে প্রচন্ড ধূর্ত প্রকৃতির, এর চেয়ে বেশী এখন আর বলতে চাই না।



আপনাকে কে বলতে বলেছে? উনি কেমন তা আমি খুব ভালো করেই জানি।
আমার পোষ্টে আপনার মন্তব্য অপ্রয়োজনীয়। আপনি অন্য কোথাও গিয়ে ম্যাঁ ম্যাঁ করেন।
আপনার জন্য সবচেয়ে ভাল জায়গা সোনার বাংলাদেশ ব্লগ- সেখানে ভাত পাবেন।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

(এই পোষ্টে সুশীল এবং ছাগুদের মন্তব্য অবাঞ্ছিত)।


আপনি আমাকে টেগ দেয়ার কে? অভদ্র হবেন না।
আমি পোষ্টে কোথাও কি ঐ ঘটনার উল্লেখ করেছি?

হ্যাঁ করেছেন, পিয়ালের উদ্ধৃতিকে সমর্থন দিয়ে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শাহরিয়ার শিষ্য হলেতো অবস্থা যা হবার তাই হবে- জাহানারা ঈমাম->শহীদ জননী->আম্মা-> এর পর হয়তো মম্মি ডাকবেন?


ওয়েট কর আসিফ।এই ব্লগে তোর দিন রাত কীভাবে হারাম করা হয় তাকায়া তকায়া দেখ তুই।

*****************************
তোমার দগ্ধ দেহ
এইবার ঢেকে যাক নবজাত রোদে।
তোমার রক্তে ভিজে পোড়ামাটি ফিরে পাক প্রাণ।
তুমি সেই আগামীর মাঠে
ফলাও দু'হাত ভরে দগদগে আগুনের ধান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসিফ নজা জামাতের কেনা কুকুর; ওকে ঢাকা ইউনিভার্সিটির থেকে বের করা হোক।
কুকুরের নাম থেকে 'নজরুল' শব্দটা বাদ দিয়ে কুকুরকে 'আসিফ নজা' ডাকুন


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আছে বলেই ঐ 'আসিফ নজা' কে কুকুরের মত পেটাতে পাড়ছি না।
কিন্তু ওকে আর সময় দেওয়া উচিত হবে না।

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাহলে ভাংচুর আর অগ্নি সংযোগ করাটা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকেই হয়েছে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসিফ নজা (কপিরাইটঃ ফারমার ভাই) যা করেছে তা শুধু রাজকার কিংবা যাদের অনেক লোভ তারাই করতে পারে। সে রাজনৈতিক কিংবা আদর্শিক রাজাকারেরও অধম! কারন তারা হয়তো তাদের পঁচা-গলা আদর্শ কায়েম করতে চায় আর এই হারামজাদা তার নিজের ক্যারিয়ার কিংবা টাকা-পয়সার লোভে অনেক মিথ্যা বলবে-বন্ধু'র ভেক ধরবে। তারে জুতা মারা উচিত!!

_____________________

ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসিফ নজা বিক্রয় হয়ে গেছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুব ভালো পোষ্ট। পুরো বৈটার জন্য ওয়েট মারলাম।

শাহিরিয়ার কবিরের কিছু কিছু কাজ আমার কাছে অতি নাটুকেপনা মনে হয়, তবে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি ও যুদ্ধপরাধীদের বিচারের প্রতি তার ডেডিকেসন এর জন্য ওসব ধর্তব্যে আনি না।

আসিফ নজরুলের বির্বতনে টাকার খেলা আছে নিশ্চিত। হয়তো ঘাদানি'র সাথে জোশে পড়ে যোগ দিয়েছিলো, কিন্তু সেটা ধারন করার মত ঋদ্ধ ছিলো না সে। তাই নিজ স্বার্থের কারনে ভোল পাল্টে ফেলেছে। নেক্সট বিএনপি সরকার গঠন করলে গিরগিটিটার কোন ভার্সিটির ভিসি নিদেন পক্ষে পিএসসির মেম্বার হওয়া নিশ্চিত।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শাহিরিয়ার কবিরের কিছু কিছু কাজ আমার কাছে অতি নাটুকেপনা মনে হয়, তবে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি ও যুদ্ধপরাধীদের বিচারের প্রতি তার ডেডিকেসন এর জন্য ওসব ধর্তব্যে আনি না।

নাটুকেপনা যার চরিত্র তার প্রতি আস্থা না করাই ভাল।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

তাইলে কি আস্থা আসিফ নজা'র উপর রাখুম?

-------------------------------------------------------------------------------------------------------
রাজাকার ইস্যুতে মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ মলিকিউল, পুরো বইটা এখন অনলাইনে পাওয়া যাবে এখানে

অথবা এখান থেকেও নিতে পারেন

অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দলীয় একপেশে টাইপের ট্রাইবুনাল, প্রসিকিউটর, বিচারকের অধীনে সোকল্ড মানবতারে অপরাধে বিচার হচ্ছে সাঈদীর,


ওই আসিফ কুত্তার বাচ্চা - সোকল্ড মানে কি???

--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সোকল্ড মানে হচ্ছে কোন অভিযোগেরই সত্যতা নেই। তোমার বাপ শাহরিয়াররে গিয়া সাক্ষি দিতে কও।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দুই একটা নমুনা দেও তো সোনামনি

*****************************
তোমার দগ্ধ দেহ
এইবার ঢেকে যাক নবজাত রোদে।
তোমার রক্তে ভিজে পোড়ামাটি ফিরে পাক প্রাণ।
তুমি সেই আগামীর মাঠে
ফলাও দু'হাত ভরে দগদগে আগুনের ধান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সোকল্ড মানে হচ্ছে কোন অভিযোগেরই সত্যতা নেই।



আপ্নের জন্মপরিচয় নিয়ে আপনি শিওর তো? মানে ধরেন, কে আপনার বাপ, গো আ, নিজামী, মুজাহিদ, নাকি পুরা মজলিশে সুরা, এটা জানেন তো ঠিকমত? smile :) :-)

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপ্নের জন্মপরিচয় নিয়ে আপনি শিওর তো? মানে ধরেন, কে আপনার বাপ, গো আ, নিজামী, মুজাহিদ, নাকি পুরা মজলিশে সুরা, এটা জানেন তো ঠিকমত?


আরে কোনটা ওর বাপ সেইটা জানেনা এই জন্যই







জামাত=জারজ।

""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট। -রবীন্দ্রনাথ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

now we know asif nazrul double crossed with jahanara imam.
we should dig the dirt and i am sure we have enough evidence
to dump asif in a dumpster.
thank you farzana . you deserve a high five for your post .


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই আসিফ কি আসিফ নজরুলের নিক ?

*****************************
তোমার দগ্ধ দেহ
এইবার ঢেকে যাক নবজাত রোদে।
তোমার রক্তে ভিজে পোড়ামাটি ফিরে পাক প্রাণ।
তুমি সেই আগামীর মাঠে
ফলাও দু'হাত ভরে দগদগে আগুনের ধান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফারজানা আপু, পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ, পোস্ট যথাস্থানে পৌছে দেওয়া হয়েছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসিফ নজরুল মনে হচ্ছে, আবু আসিফ নজরুল?

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সম্প্রতি সে বলে বেড়াচ্ছে যে সে সাইদী যুদ্ধাপরাধী নয় একথা সে বলে নাই- ঐটা নাকি রঙ চড়িয়ে বলেছে সংবাদপত্রওয়ালারা


তাহলে এই ভিডিওতে তিনি কি বলছিলেন?



See video





তিনি বলছেন- "যাদের কে গ্রেফতার করা হয়েছে (যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য) তাদের মধ্যে একমাত্র দেলোয়ার হোসেন সাইদী ছাড়া বাকি সবারই ইনভলভম্যান্ট ছিল (যুদ্ধাপরাধে)"

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যাদের কে গ্রেফতার করা হয়েছে (যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য) তাদের মধ্যে একমাত্র দেলোয়ার হোসেন সাইদী ছাড়া বাকি সবারই ইনভলভম্যান্ট ছিল (যুদ্ধাপরাধে)
ব্রাকেটের ভেতরের অংশগুলো বাদ দিলে এই কথাটাকে নানাভাবে টুইস্ট করা যায়। 'ইনভল্ভমেন্ট' ভালো কাজেও হতে পারে, মন্দ কাজেও। Wink
যেমন, গোলাম আযম একাত্তরে মানুষের জীবন রক্ষার কাজে ইনভল্ভড ছিলো! নিজামি শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজে ইনভল্ভড ছিলো। সাইদী ছোট্ট খোকা কিছু বুঝতো না, তাই দুর্ভাগ্যক্রমে এসব ভালো কাজেও ইনভল্ভড হতে পারে নাই, খারাপ কাজে (নাউজুবিল্লাহ আস্তাগফিরুল্লা) ইনভল্ভ হওয়ার তো প্রশ্নই আসে না!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভিডিওটি দেখলেই বুঝা যায় এরপর আসিফ নজরুল আরও কিছু বলেছিলেন, সেটা কি ছিল?
টকশোতে কথার মাঝখানে বিনা নোটিশে বিজ্ঞাপন বিরতি হয়না। হয়তো পরের কথাতেই উত্থাপিত অভিযোগের জবাব ছিল!
"সাইদী যুদ্ধাপরাধী নয়" একথাতো আসিফ নজরুল বলেন নি।
উনি যেটা বলেছেন, "--- যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়ছে, তাদের সম্পর্কে তো আপনার একমাত্র
দেলোয়ার হসেন সাইদী ছাড়া, আমার জানামতে আরকি, বাকি সবারই আপনার, যতটুকু আমি পড়াশুনা করেছি, ইনভল্বমেন্ট ছিল"।
সাইদীর যুদ্ধাপরাধ সম্পর্কে আসিফ নজরুলের জানা বা পড়াশুনার সীমাবদ্ধতা হয়তো আছে।
কেউ কি সব যুদ্ধাপরাধীর সম্পর্কে সব সত্য জানেন ? জানা সম্ভব কি ?
জানা থাকলে আর তদন্তের দরকার কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটাও পড়ে দেখতে পারেন- ভাব্বার বিষয়

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্যালুট। গ্রেইট স্যালুট টু দ্যা রাইটার।

..................................................................

মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশের এনজিও মিডিয়া পরথর আলু স্টার আচিপ ন্যাজা একজন চুশিল। তার সাথে আপোনারা চুশিল ভ্যবহ্যার করুন। জয় দালাল সমাজের জয়। আমিন...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মানি টকস, যেখানে পেমেন্ট সেখানে আসিফ নজরুলের মতন তেলাপোকা

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চিটাগাং একজন স্বনামধন্য ধনাঢ্য ব্যাবসায়ী আসিফ এর ফোন নাম্বার চেয়েছেন।আমি বললাম উনার ফোন নাম্বার দিয়ে কি করবেন।
উনি জবাবে বললেন, ইউ নো,জেন্টেলম্যান মানিটকস।আফটারঅল আই এ্যাম বেটার দ্যান এনি রাজাকার। ইউ ফুল ইয়ং পিউপুল ক্যান নট আন্ডারস্ট্যান্ড ভ্যলুয়েশন অব মানি, বাট আই এম সিউর আসিফ ক্যান।
ওয়াহ ওয়াহ আসিফের ব্যাবসা তো দেখি রমরমা।

সভ্যতার শেকলে বাঁধা অসভ্য প্রলয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এটা একটা চমৎকার তথ্যবহুল পোস্ট হয়েছে। দেখা যাচ্ছে এই লোক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনেক আগে থেকেই জামাতের ফেভারে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া জামাতের কাছ থেকে উদ্ধার করা কাগজপত্রেও দেখা যাচ্ছে সে ঘাতকদলের কাছের লোক। (নিচের কালের দৈনিক কালের কন্ঠের খবর দ্রষ্টব্য)

আমি জানি আপনি কোন পরামর্শ চান নাই তবু যেচে একটা পরামর্শ দিতে আগ্রহী হলাম। যদি উপরে কমেন্টে দেয়া ইউটিউব ভিডিওটা এবং নিচের কালের কন্ঠের খবরের লিংকটা মূল পোষ্ট দিয়ে দেন তাহলে পোষ্ট আরও সমৃদ্ধ হবে। ধন্যবাদ।

------------------------------------------------------------




কালের কন্ঠ ২৭ আগস্ট ২০১০ তারিখে জামাতের ঢাকা মহানগরী আমির রফিকুল ইসলামের গ্রেফতারের একটি খবর দেয়। তাকে ধরার সময় তার কাছ থেকে নানা কাগজপত্র জব্দ করে পুলিশ। উদ্ধার করা নথি অনুসারে জামাতের 'নিজস্ব' বিশিষ্টজনদের তালিকায় আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ নজরুল, কমরেড সাইফুল হক ও ফরহাদ মজহার।

মূল খবর:


যুদ্ধাপরাধের বিচার ঠেকাতে জামায়াতের ১১ কৌশল!তিন দিনের রিমান্ডে রফিকুল: - মাসুদ কার্জন


যুদ্ধাপরাধের বিচার কার্যক্রম ব্যাহত করতে বিশেষ গোপন পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে জামায়াত ইসলামী। এ লক্ষ্যে 'বেসরকারি পর্যায়ের যুদ্ধাপরাধ অনুসন্ধান কমিটি' ব্যানারে একটি কমিটি গঠনের পাশাপাশি ১১ দফার কর্মপরিকল্পনা সাজিয়ে কাজও শুরু করেছে তারা। মুুক্তিযুদ্ধে জোরালো ভূমিকা রেখেছিলেন কিন্তু এখন মহাজোট সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নয়, এরকম কয়েকজন ডাকসাইটে রাজনৈতিক নেতাকে ব্যানারে ভেড়ানোর চেষ্টা তাদের অন্যতম লক্ষ্য। এসব নেতার একটি তালিকা তৈরি করে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার গ্রেপ্তার অভিযানের সময় জামায়াত মহানগর আমির রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে এ-সংক্রান্ত কাগজপত্র জব্দ করেছে পুলিশ। জামায়াতের এই নেতা নেপথ্যে থেকে কথিত এই কমিটির সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করছিলেন বলেও পুলিশ দাবি করেছে। রফিকুল ইসলামকে রমনা থানায় দায়েরকৃত ফারুক হত্যা মামলায় গতকাল বৃহস্পতিবার তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার মনিরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানান, জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে যুদ্ধাপরাধের বিচার ঠেকানোর পরিকল্পনা সংবলিত কিছু কাগজপত্র পাওয়া গেছে। তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

১১ দফা কী কী :


উদ্ধারকৃত কাগজপত্র অনুসারে ১১ দফা কর্মপরিল্পনার মধ্যে প্রথমেই বলা হয়েছে, জামায়াত তাদের নিজের মতো করে তথ্য-প্রমাণসহ ৭৭ যুদ্ধাপরাধীর একটি তালিকা তৈরি করবে। আওয়ামী লীগ, মহাজোটের শরিক কোনো দল বা বামপন্থী দলগুলোর মধ্য থেকে নেতাদের খুঁজে বের করে এ তালিকা করা হবে। এসব নেতার মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা গণমাধ্যমে প্রকাশের পাশাপাশি প্রচারপত্র তৈরি করে জনসাধারণের মধ্যে বিলি করা হবে। যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে মন্ত্রীদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের ওপর ভিডিও রিপোর্ট তৈরি করে তা প্রচার করা হবে।

এ ছাড়া যুদ্ধাপরাধের বিচার ইস্যু নিয়ে ঘন ঘন সেমিনার করা হবে। যারা সরাসরি জামায়াতের রাজনীতি করেন না এরকম বিশিষ্টজনদের এসব সেমিনার বা আলোচনায় হাজির করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশ নিলেও কোনো কারণে এখন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহজোট সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো নয়_এরকম ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের সঙ্গে সুসম্পর্ক করে সেমিনারে টানতে হবে। এ ক্ষেত্রে জামায়াতের লক্ষ্য হচ্ছে_বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ও শাহাজাহান সিরাজ। উদ্ধার করা নথি অনুসারে জামায়াতের 'নিজস্ব' বিশিষ্টজনদের তালিকায় আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ নজরুল, কমরেড সাইফুল হক ও ফরহাদ মজহার। সেমিনারে দেওয়া তাঁদের বক্তব্য ধারণ করে বুকলেট ও ভিসিডি তৈরি করে ব্যাপকভাবে প্রচারের ব্যবস্থা করার কথা রয়েছে কর্মপরিকল্পনায়।

জামায়াতের গোপন পরিকল্পনায় বলা হয়, বর্তমানে যাঁদের যুদ্ধাপরাধী বলা হচ্ছে, তাঁদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে অনেকের ছবি আছে_ যেগুলো বিভিন্ন সভা-সেমিনার থেকে ধারণা করা। এসব ছবির মধ্যে আছে স্বাধীনতার আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে গোলাম আযম, বিভিন্ন সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে নিজামী, মুজাহিদের সঙ্গে রাশেদ খান মেনন, জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের আন্দোলনের ভিডিও বা স্থিরচিত্র, ইসলামী ঐক্যজোটের (একাংশ) চেয়ারম্যান মিজবাউর রহমানের সঙ্গে নিজামীর ছবি। এসব ছবি বা ভিডিও সংগ্রহ করে তা প্রচারপত্র ও ভিডিও আকারে তৈরি করে তা বিলি করার কথা রয়েছে কর্মপরিকল্পনায়। রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে পাওয়া নথিতে আরো বলা হয়, বর্তমান আওয়ামী লীগের যেসব নেতা যুদ্ধাপরাধ ইস্যু নিয়ে 'অতিউৎসাহ' দেখাচ্ছেন, তাঁদের তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে প্রচার করতে হবে।


রিমান্ডে রফিকুল :

আমাদের আদালত প্রতিবেদক জানান, জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলামকে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করে ফারুক হত্যা মামলায় সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক জিয়া উজ জামান। শুনানি শেষে ঢাকার তিন নম্বর অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. আলী হোসাইন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা নাকচ করে দেন। এ ছাড়া উত্তরা থানায় ১৯ এপ্রিল দায়েরকৃত রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

২৭ জুন বিএনপির ডাকা হরতালের আগের রাতে গাড়িতে আগুন দেওয়া হলে পথচারী ফারুক গুরুতর অগি্নদগ্ধ হয়ে পড়ে মারা যান। এ ঘটনায় রমনা থানায় হত্যা মামলা করা হয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@যাত্রী, কালের কন্ঠের এই রিপোর্টও আমার কাছে আছে। একবার ভেবেছিলাম ভিডিওটা দেই লেখাতে আবার কি মনে করে দেইনি। এখন দিয়ে দিচ্ছি।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুশীলরাই বাংলাদেশের প্রধান শত্রু।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসিফের মতো ছাগুদের প্রকােশ্য গুলি করে মারা উচিত। এরা দেশের প্রধান শত্রু

mmt


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসিফ নজা কে সরাইলের কুত্তা দয়ে ঁঁদানো হোক!!

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসিফ নজা কে সরাইলের কুত্তা দয়ে ঁঁদানো হোক!!



ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বাংলাদেশের প্রধান মূর্খদের চেনার সহজ উপায় টেলিভিশনে কোনো আলোচনা অনুষ্ঠান দেখা। ওই মূর্খগুলিতে উপস্থাপকটি হচ্ছেন মূর্খশিরোমণি।

--হুমায়ুন আজাদ, প্রবচনগুচ্ছ-৫৩।


Star Star Star Star Star


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই রকম চাছাছোলা সত্য কথা তার পক্ষেই সম্ভব।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাঈদীর বিরুদ্ধে যারা সাক্ষী দিতে আসছে তারা নাকি একের পর এক অসুস্থ হয়ে পড়ছে? ঘটনা কী? কেউ জানেন কিছু...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সাঈদীর বিরুদ্ধে যারা সাক্ষী দিতে আসছে তারা নাকি একের পর এক অসুস্থ হয়ে পড়ছে? ঘটনা কী? কেউ জানেন কিছু...


*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জানেন না? আল্লাহ আমি জানি তো। তিনি আল্লাহ'র ওলি (নাউজুবিল্লাহ) কিনা।
তার অভিশাপে এই দেশ একদিন রাজাকার আলবদরদের যথার্থ বিচার ও শাস্তির মধ্য দিয়ে অভিশাপমুক্ত হবে।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

খুব ভাল কাজ আপু।

- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -
"ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে,
মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে।

তাথৈ তাথৈ থৈ দ্রিমী দ্রিমী দং দং
ভূত পিশাচ নাচে যোগিনী সঙ্গে।

দানব দলনী হয়ে উন্মাদিনী,
আর কি দানব থাকিবে বঙ্গে।।"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসিফ নজরুলতো দেখি অনেক পুরান পাপী। এইটারে সাইদীর সাথে একই শূঁলে চড়ান উচিৎ।

.
~ ‎"I am the way, the truth, the life" - Horus ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দারুণ বলেছেন। সাইদী যেহেতু পেয়ারের লোক আসিফের একসাথে তাদেরকে হানিমুনে পাঠানো উচিত।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিন্পি সরকার গণআদালত গঠনের জন্য জাহানারা ইমাম, আহমদ শরীফ, শামসুর রহমানদের বিরুদ্ধে যে মামলা দেয়, আসিফ নজরুলও সেই মামলার আসামী ছিল। অন্য সব আসামী রাষ্ট্র কতৃক নিগৃহীত হলেও আসিফ নজরুল দিব্যি ঢাবির শিক্ষক হয় এবং কমনওয়েলথ স্কলারশীপ নিয়ে লন্ডন চলে যায়। তার ঢাবিতে নিয়োগ হইছিল জামাতী ভিসি এরশাদুল বারীর হাতে। অঙ্ক মিলানো কঠিন কিছুনা।

সাইদী-নিজামীর পক্ষ নিয়া আসিফ নজরুল ঢাবির শহীদ ছাত্র-শিক্ষক-কর্মচারীদের রক্তের সাথে বেইমানী করেছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বলা যায়না এইভাবে তাবেদারী করতে করতে আরও কি হয় সে- হয়ত ঢাবি'র ভিসি হয়ে যাবে বিম্পি আমলে। এইজন্যই ঠেকানো জরুরী।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শুধু এইটুকু বলি শুয়োর আর শেয়ালের নষ্ট সঙ্গমে জন্ম নেয়া এইসব জ্ঞানপাপী,আসিফ নজরুল এবং তার মত অন্যরা,যারা রাজাকারদের শেল্টার হিসেবে কাজ করেছে - করে,মুক্তিযুদ্ধ যাদের কাছে শুধুই উপরে ওঠার সিঁড়ি,ট্রেড অফ করার উপযুক্ত আইটেম - এই দেশের মাটি যেন তাদের জীবাশ্মও ধারণ না করে।
[কপিরাইটঃ প্রীতম]


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এইসব সুশীলদের মায়রে বাপ Angry Angry Angry Angry
পোষ্টে Star Star Star Star Star এন্ড শেয়ারড


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসিফ নজরুলতো দেখি অনেক পুরান পাপী। এইটারে সাইদীর সাথে একই শূঁলে চড়ান উচিৎ।


----------------------------------

দেখা হবে বন্ধু, পশুরের ঘোলাজলে, বাতসের নোনতা গন্ধে, কেওড়ার বনে আর ছৈলার ফুলে ..........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিঝুম মজুমদারকে অত বিশ্বাশ করার কিছু নেই। এই লোক আওয়ামিলীগের অতি ঘোরতর সমোলোচক ছিল।ইনিই প্রচুর আওয়ামি নেতাদের ভেতরের অজানা কাহিনী প্রকাশ করেছেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল শেখ সেলিমের বেয়াই রাজাকার মুসা বিন শমশের কাহানী।এই ব্লগ থেকেও কট্ট্রর আওয়ামীলীগারদের সাথে প্রচন্ড বাক বিতন্ডা করেই বিদায় নিয়েছিলেন তিনি। আচমকা গত এক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে তার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন তিনি।আমারব্লগের অন্যান্য কট্টর আওয়ামীলীগারদের সহবস্থানে চলে এসেছেন তিনি।তার পরিবর্তন দেখে অনেকটা আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের আজ বিএনপি তো কাল আওয়ামিলীগ মার্কা দলবদলের কথা বিশেষ ভাবে মনে পড়ে যায়।

যুদ্ধপরাধি বিচার ইস্যুতে যদি কেউ চরম প্রতিক্রিয়াশীল ভুমিকায় নিজেকে দেখতে চায়, সেটা তার একান্তই নিজস্ব ব্যাপার। আবার কেউ যদি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়াটাকে বেশী গুরুত্ব দিতে চায়, তবে সেটাকেও বিবেচনায় রাখতে হবে। আসিফ নজরুলের ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু নবীন টিচারের সাথে কথা হয়েছে, যারা দেশের প্রচলিত ধারার রাজনীতির বিপক্ষে। তারা প্রত্যেকেই বলেছেন যে আসিফ একজন আইনজীবির ভুমিকায় নিজের বক্তব্য রেখেছেন।আইন দেখে সাক্ষী ,সাবুদ ,এভিডেন্স।এসবের পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি তার বক্তব্য রেখেছেন। আর কিছু নয়।ডঃ কামাল হোসেনও এর কাছাকাছি বক্তব্যই দিয়েছে্ন।আবেগের জোয়ারে সবাইকেই যে আইনকে তোয়াক্কা না করার মানসিকতা দেখাতে হবে এমনটাতো হতে পারে না।

বর্তমান সরকার প্রতিক্রিয়াশীল মনোভাব প্রত্যাহার করে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু বিচার করলেইতো ল্যাঠা চুকে যায়।৭১ এর ঘৃন্য অপরাধীদের ফাশিই সবাই চায়।তবে অনেকে চায় তা সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুদ্ধাপরাধের ইস্যূতে আওয়ামী বি এন পি সবটিরে চুদি! নিঝুম মজুমদাদের আগাগোড়া জানি, লেকচার মারার দরকার নাই এইখানে! দূরে গিয়ে মর! আওয়ামীলীগ অকাম করলে গালাগালী করা হবে ভালো কাজ করলে প্রশংসা ও করা হবে। যুদ্ধাপরাধ জাতীয় ইস্যূ এইখানে যেই মাদারচোদ অন্য কিছু ঢুকানোর চেষ্টা করবে তারেই গদামের উপর রাখা হবে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্যালুট ফারজানা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একমত হইলুম।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দাড়কাক ভাইজান, সবার আগে নিজের উপর বিশ্বাস রাখাটা সবচেয়ে বেশি জরুরী।
আপনার নিজের উপর বিশ্বাস আছে তো?

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জ্বি আপুমনি, নিজের ওপড় পুর্ন বিশ্বাষ আছে।হাসিনা, খালেদা, নিজামি, গোলাম আজম নামধারী কোন কুলাঙ্গারের কাছ থেকেই বিশ্বাশ, চেতনা ধার করে চলি না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিজের উপরে বিশ্বাস আছে প্রমাণ করতে আপনাকে লীগের পাউ চাটতে হবে .... শাহরিয়ারের মতোন মালুর কাছা ধরা পাব্লিকের বই পড়ে তার প্রতিটি লাইন বিশ্বাস করতে হবে ..... পারবেন?

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিজের উপরে বিশ্বাস আছে প্রমাণ করতে আপনাকে লীগের পাউ চাটতে হবে .... শাহরিয়ারের মতোন মালুর কাছা ধরা পাব্লিকের বই পড়ে তার প্রতিটি লাইন বিশ্বাস করতে হবে ..... পারবেন?


ক্যামনে কী?? বুঝায় বলো।


-----------------------------------------------------

আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গত ফখরুদ্দিনের সময় শুনেছিলাম শাহরিয়ার নাকি ভারতীয় দালাল ...তার বাসায় এবং তিনি নিজেও ভারতে গিয়ে ভারতীয় স্বার্থ রক্ষার কাজে জড়িত .... হাছা মিছা জানি না ..........

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শাহরিয়ার কবির অনন্ত কাল থেকেই ভারতীয় দালাল।
বাংলাদেশ তার হাতের মুঠিতে থাকে- উনি এই পর্যন্ত অনেকবার দেশকে বেচেছেন।
বেচতেই থাকবেন। আমাদেরসহই বেচবেন- কারণ এইটা জলের মত সহজ কাজ তো।
শাহরিয়ার কবিরের মত ক্ষমতাশালী মানুষ তো আর ধরিত্রীতে নাই- যিনি কিনা ৯ মাস যুদ্ধে অর্জিত একটা গোটা দেশ একাই বিক্রি করে দিতে পারেন। ভারতের কাছে দেশ বেচে আর ভারতের স্বার্থ রক্ষা করতে করতে উনি জীবনে যে কত কিছুর মালিক হয়েছেন জানেন তো? তার লিষ্ট আছে তো আপনার কাছে?

এত দিনে আমার বোধোহয় হল। আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ!
নেক্স টাইম উনার সাথে দেখা হলে পদধূলি নিয়ে নেয়া অবশ্য কর্তব্য, কি বলেন?

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিছু মনে করবেন না .... যারা অন্যের বিচার দাবী করে, তাদেরকে স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ আচরণ করতে হয় ...অন্তত আমি সেটাও বিশ্বাস করি। এই ছবি টা দেখুন
এখানে শাহরিয়ার কবির কাদের সাথে বসে আছেন

আর এই লিঙ্কে দেখুন এই বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান পরিষদের কর্মকান্ড। সুতরাং কোন গাছের গোড়া কোথায়, কিছুটা হলেও আঁচ করতে পারবেন। গোয়াজম যেভাবে পাকিস্তানের প্রবুত্ব মেনে নিতে মড়িয়া এবং সেই সাথে ঘৃণিত, এই শাহরিয়ার গনো ভারতীয় প্রভুত্ব মেনে নিতে মড়িয়া ..... http://www.bhbcuc-usa.org/latest_news/Meeting%20with%20the%20Indian%20Foreign%20Minister%20in%202006%20in%20NY%28news_08-10-08%29.html

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মাধুকরী, আপনাকে তো উত্তর দিয়েই দিয়েছি।
আমি আপনার প্রতিভায় তো বরাবরই মুগ্ধ।

এইখানে ইনাদের সাথে বসে শাহরিয়ার কবির দেশ বেচার দলিলে সাক্ষর করলেন।
এইটা আবিষ্কার করে আপনি নিশ্চয়ই আর্কিমিডিস, নিউটন বা কলম্বাসের মত খুশি!

যে দেশ শাহরিয়ার কবির বেচে দিল সে দেশে আপনি এখনও কেমন করে থাকেন সেটাই প্রশ্ন।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার খুশির বিষয় নয় এটা .... এদের শেকড় কোথায় সেটাই বোঝাতে চেয়েছি .... আসিফ নজরুল খুব খারাপ, কিন্তু শাহরিয়ার কবির খুববি্ই ভালো মানুষ ......

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কোন এক বন্ধুর ফেবু-ওয়ালে নিরপেক্ষ বিশ্লেষক ইস্যুতে আসিফ নজরুলের নাম দেখে বলেছিলাম, এইটা হইলো "চুতিয়া আসিফ ওরফ জামাতী ছাগু ইবনে ছুপা-বি,এন,পি"

"চুতিয়া আসিফ ওরফ জামাতী ছাগু ইবনে ছুপা-বি,এন,পি" একটা মারাত্মক পর্যায়ের গোল আলু। প্রত্যেকেরই রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতে পারে, কিন্তু নিরপেক্ষতার ভেক ধরে দলবাজী ও ছাগবাজি করে এই "চুতিয়া আসিফ ওরফ জামাতী ছাগু ইবনে ছুপা-বি,এন,পি"

ধন্যবাদ আপনার পোস্টের জন্য।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ইহা একটি রম্য রচনা, সকল চরিত্র কাল্পনিক, আশা করি পড়ে আনন্দ পাবেন। আমি নতুন ব্লগার তাই পোস্ট করতে পারছিনা বলে মন্তব্যে দিতে হল।

দৈনিক উটপাখিকে দেয়া অ্যাডভোকেট ড. গিরগিটি বর্ণবাদী সুশীলের বিশেষ সাক্ষাৎকার
http://on.fb.me/wZcHqp

---
জানার কোন শেষ নাই,
জানার মাঝেই আনন্দ তাই,
অন্যকে জানালে আরো বেশি আনন্দ পাই,
আমাকে কেউ জানালে ধন্যবাদ ভাই,
আরো জানতে চাই, জানাতে চাই,
যা জেনেছি তা ছড়িয়ে দিতে চাই,
এভাবেই বাড়বে জ্ঞানের পরিধি ভাই,
আজীবন জ্ঞান অর্জন করে যেতে চাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পোষ্ট করতে পারছেন না মানে কি?

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নতুন ব্লগ পোস্ট করতে পারছিলাম না, এখন পেরেছি। রেস্ট্রিকটেড এরিয়া দেখাচ্ছিল, কোন টেকনিক্যাল সমস্যা ছিল হয়ত। যাই হোক, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এরকম তথ্যবহুল আর বিশ্লেষণধর্মী একটি লেখার জন্য। আমি নতুন লেখক, অনুগ্রহ করে আমার এই লেখাটি পড়লে খুশি হব, জানিনা কতটা ভাল হয়েছে। ভাল না লাগলে মন্তব্য করবেন অবশ্যই।

http://www.amarblog.com/%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%A6%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81/posts/142469

---
জানার কোন শেষ নাই,
জানার মাঝেই আনন্দ তাই,
অন্যকে জানালে আরো বেশি আনন্দ পাই,
আমাকে কেউ জানালে ধন্যবাদ ভাই,
আরো জানতে চাই, জানাতে চাই,
যা জেনেছি তা ছড়িয়ে দিতে চাই,
এভাবেই বাড়বে জ্ঞানের পরিধি ভাই,
আজীবন জ্ঞান অর্জন করে যেতে চাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসিফ নজরুল অনেক আগেই পচা শুরু করছিল , এখন গন্ধ বের হওয়া শুরু করছে । ওরে ফরমালিনে ঠিকমতো চুবানো হয় নাই, ওর মতো ট্যালেন্টরে শুধু মাত্র ফরমালিনের খরচ বাঁচানোর জন্য বিনা চিকিৎসায় পচায় ফেলানর জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবী করছি ।

হিজিবিজি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রাজাকারদের সাথে সুশীলদেরো বিচার চাই

------------------------------------------------------------------------------------------------
তপস্যা নমিত্ত-
হাস্য/লাস্য/তৃষ্য/ঈর্ষা/শৈশ্য/শিষ্য/শ্লািঘ্য/হাস্তি/স্ব্যস্ত্যয়ণ/বৈশ্য
চৈতণ্য চ্যাবণ প্রাস-
নৈবচ নৈবচ


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধন্যবাদ আপু, সময়োপযুগী লেখারটার জন্য। আসিফ নজরুলের চেহারা উম্মোচনের জন্য শাহরিয়ার কবিরের লেখাটার বিশেষ বিশেষ অংশগুলো আলাদা ভাবে দিয়ে খুবই ভাল করেছেন। তবে শারিয়ার কবিরের এ কথাটা দিলেন না কেন? "তার সংগে সম্পর্কের অবনতি হওয়া সত্বেও আসিফ নজরুল তদন্ত কমিশনের খসড়া রিপোর্ট প্রণয়নের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সহায়তা করেছিল"।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এ কথাটা দিলেতো মূল লেখার উদ্দেশ্য ই বাতিল হয়ে যাবে তাই দেননি।
তবে আপনি লেখকের বাড়া ভাতে ছাই দিয়ে দিলেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দীর্ঘদিনের ব্লগিং অভিজ্ঞতা থেকে একটা উপাদেয় ঘটনা লক্ষ্য করেছি। স্থান-কাল-ব্লগ নির্বিশেষে যখনই কেউ জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে অথবা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে পোষ্ট করেছে, সেখানে মন্তব্যকারীদের ভীড়ে অনন্তঃ একটা হলেও ছাগু বা ছাগবান্ধব থাকবেই থাকবে। ৪ বছরের ফেসবুক অভিজ্ঞতায়ও একই ব্যাপার খেলায় করা যায়। যখনই কেউ জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে অথবা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে বক্তব্য প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিয়েছে, সেখানে মন্তব্যকারীদের ভীড়ে এক বাএকাধিক ছাগু বা ছাগবান্ধব থাকবেই থাকবে। বলা যায়, এটা অনেকটা অঘোষিত সূত্র! ইদানিং এই ব্যাপারটার আধিক্য প্রকটভাবে ধরা পড়ছে। ভার্চুয়াল জগতে যেমন করে তারা লেজ বের করে ফেলে, ঠিক তেমনি করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার পর, বিশেষ করে গোলাম আযমের গ্রেপ্তারের পর, বাস্তব জীবনেও তাদের ল্যাজ একযোগে বেরিয়ে পড়তে শুরু করেছে। কেউ কেউ সরাসরি বিচার প্রক্রিয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিতে গিয়ে লেজ করে ফেলছে আবার কেউবা আসিফ নজরুল-ফরহাদ মাযহারের মত পাতি বুদ্ধিবেশ্যাদের পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে লেজ বের করে ফেলছে। ঘটনা যাই হোক না কেন, লেজটা আর ঠিক লুকানো থাকছে না। জায়গামত-সময়মত ঠিকই বেরিয়ে যাচ্ছে। ইনডিড, দ্যাট ইজ রিয়েলি হার্ড থিং টু হাইড!

তবে এত কথায় না গিয়ে আপাততঃ একটা সমীকরণে আসা যায়- যারা মানবাধিকারের ধোঁয়া তুলে আসিফ নজুর সাফাই গাইতেছে তারা অতি অবশ্যই এটেনশন হোর এবং / অথবা ছাগবান্ধব। এদের মুখোশ বেরিয়ে গেছে, সুতরাং এদের আসল মুখটা চিনে রাখুন। কারন সুযোগ বুঝে এরাই একসময় পল্টি দিবে। যুদ্ধাপরাধীর বিচারের পর এরাই লাভের গুড়ের দাবী তুলবে!


সুহৃদ সেজে পিঠে ছুরি মারা এক জিনিস আর গোড়া থেকেই জামাত ভক্ত হ্ওয়া আরেক জিনিস। আসিফ নজরুল ছিলেন ১৯৯২ সালে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি কর্তৃক আয়োজিত গনআদালতের অন্যতম আহ্ববায়ক। তিনি যদি প্রথম থেকেই জামাত সর্মথক থাকতো, তাহলে হয়তো প্রতিক্রিয়ার মাত্রাটা এত জোরালো হতো না। জামাতী নেতারা দেশের সাথে যেমন গাদ্দারি করেছে, তেমনি আসিফ নজরুল শহীদ জননী জাহানারা ঈমাম এবং গনমানুষের যুদ্ধাপরাধী বিচারের চেতনার সাথে বেঈমানী করেছেন। সুতরাং, গাদ্দার আসিফ নজরুলের অবশ্যই আরো কঠোরতম শাস্তি কামনা করি। এখন নির্বোধ নাস্তিক আসিফ মহিউদ্দিনের মত নারীবাদিতার ভেক ধরা ভন্ড সুশীলরা বলতে পারেন আসিফকে না আক্রমন করে তাকে আইনের আ্ওতায় এনে শাস্তি দেয়া যেতে পারে, মামলা করা যেতে পারে ইত্যাদি ব্লা ব্লা ব্লা। তাহলে আমার বক্তব্য হলো, দুঃখিত, এতটা সুশীল এখনো হতে পারিনি। এবং এই ব্যর্থতার জন্য আমি মোটেই অনুতপ্ত নই বরং আনন্দিত। কারন, আমি এটা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি যে, চিহ্নিত শত্রুদের বধ করার আগে বন্ধুর মুখোশধারী শত্রুদের বধ করাটা বেশী প্রয়োজনীয়।

-----------------------------------------------------------------------------------------
"আজ আমি অক্ষুন্নের বোধে বোদ্ধা...
...জীবনের নির্লিপ্ততার ক্ষোভে ক্ষুদ্ধ...!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চিহ্নিত শত্রুদের বধ করার আগে বন্ধুর মুখোশধারী শত্রুদের বধ করাটা বেশী প্রয়োজনীয়।


সহমত

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসিফ নজা বুদ্ধিবেশ্যা, তার বেশ্যাগিরি দেখে অবাক হওয়ার কিছু নাই। তবে যারা তার আসল চেহারা জানেনা তাদের জন্য অবশ্যই আসিফের বক্তব্য অবাক হওয়ার মতোই। আসিফের আসল চেহারা দেখানোর জন্য লেখকের প্রতি কৃতজ্ঞতা।

--------------------------------------------------------------------------------------------
যেসকল বিএনপি সমর্থক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান, তারা একটু গু খাইয়া আসেন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসিফের লেঞ্জা আগেই ছিল এখন সব টুকু বেড়িয়েছে এই আর কি

**************************************************************************
আমার রাজ্যে আমিই রাজা, লোভী মনের তারনায় মাঝে মাঝে মনে হয় পুরা দুনিয়াটা বর্গা নিই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আসিফ নজরুলকে চিনতে শুধু শাহারিয়ার কবিরের বইটা পড়লে সাধারন পাঠক বিভ্রান্ত হতে পারেন।
তাই পাঠককে আমি আসিফ নজরুলের লেখা “যুদ্বাপরাধীর বিচার, জাহানারা ইমামের চিঠি” বইটি পাশাপাশি পড়ার আনুরোধ করছি। বইটির প্রকাশ ২০০৯ সালে হলেও লেখাটির প্রথম প্রকাশ ২০০২সালে প্রথম আলো পত্রিকার ইদসংখ্যা ম্যাগাজিনে। উল্লেখ্য পত্রিকায় প্রকাশিত উক্ত লেখায় উল্লেখিত তথ্যাদি সম্পর্কে কেঊ ঐ সময়ে কোন ভিন্নমত বা আপত্তি ছাপাননি।
শাহারিয়ার কবিরের বইটি স্মৃতিশক্তির উপর নির্ভর করে লেখা, আসিফ নুজরুলের বইটি জাহানারা ইমামের স্বহস্তে লেখা চিঠির ভিত্তিতে লেখা। স্মৃতির তুলনায় লেখা চিঠির গ্রহনযোগ্যতা অনেক বেশী।
তাছাড়া শাহারিয়ার কবির ভারতীয় দালাল হিসাবে সুপরিচিত, আর আসিফ নজরুল একজন সুশিক্ষিত, সৎ , নির্ভিক, দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসাবে সকলের আস্থা আর্জন করেছেন। সচেতন পাঠকদের আরো সচেতন থাকার আনুরোধ জানাচ্ছি।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

@ কবির সরকার,

শাহরিয়ার কবির অনন্ত কাল থেকেই ভারতীয় দালাল। বাংলাদেশ তার হাতের মুঠিতে থাকে- উনি এই পর্যন্ত অনেকবার দেশকে বেচেছেন। বেচতেই থাকবেন। আমাদেরসহই বেচবেন- কারণ এইটা জলের মত সহজ কাজ তো। শাহরিয়ার কবিরের মত ক্ষমতাশালী মানুষ তো আর ধরিত্রীতে নাই- যিনি কিনা ৯ মাস যুদ্ধে অর্জিত একটা গোটা দেশ একাই বিক্রি করে দিতে পারেন। ভারতের কাছে দেশ বেচে আর ভারতের স্বার্থ রক্ষা করতে করতে উনি জীবনে যে কত কিছুর মালিক হয়েছেন জানেন তো? তার লিষ্ট আছে তো আপনার কাছে?

২০০৯ সালের একুশে বইমেলাতে আসিফ নজরুল ( যার প্রকৃত নাম মোঃ নজরুল ইসলাম) “অন্যপ্রকাশ” থেকে একটি বই প্রকাশ করে। বইটির নাম হচ্ছে, “ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারঃ জাহানারা ইমামের চিঠি”- এই বইয়ের ৪৭ পৃষ্ঠায় আসিফ স্বীকার করে যে সে পি এইচ ডি'র অফার পেয়েছে বলেই জাহানারা ইমামকে যে যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে রিপোর্ট লিখবে বলে কথা দিয়েছিলো, সেটি আর সে লিখবে না। এই পৃষ্ঠায় তার কথা সে নিজেই লিখেছে- "পরদিন ভোরের আলো ফুটতেই তাঁকে চিঠি লিখে জানিয়ে দেই, রিপোর্ট আমি লিখব না। হ্যাঁ, স্কলারশিপের জন্যই।" সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে শাহরিয়ার কবীরের বইয়ের কথা আর আসিফের কথা হুবহু মিলে যাচ্ছে।



আপনি বলেছেন-

স্মৃতির তুলনায় লেখা চিঠির গ্রহনযোগ্যতা অনেক বেশী।



অপেক্ষা করুন, আশা করি অতি শীঘ্র আপনার জন্য চিপ নজরুল যে চিঠিগুলো ঐ বইতে ছাপায়নি সেগুলো নিয়ে হাজির হব।


আসিফ নজরুল একজন সুশিক্ষিত, সৎ , নির্ভিক, দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসাবে সকলের আস্থা আর্জন করেছেন।



তো আপনার সুশিক্ষিত, সৎ মানুষটি ভিডিওতে সাইদী যুদ্ধাপরাধী নয় যে বলল সেই বিষয়ে আপনার মতামত কি?


ঠিক সময়ে আপনার মত মানুষদের লেজ বের হয়ে আসে। এইখানে পরবর্তীতে লেজ না দেখানোর পরামর্শ রইল।

........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভিডিওটি দেখলেই বুঝা যায় এরপর আসিফ নজরুল আরও কিছু বলেছিলেন, সেটা কি ছিল?
টকশোতে কথার মাঝখানে বিনা নোটিশে বিজ্ঞাপন বিরতি হয়না। হয়তো পরের কথাতেই উত্থাপিত অভিযোগের জবাব ছিল!
"সাইদী যুদ্ধাপরাধী নয়" একথাতো আসিফ নজরুল বলেন নি।
উনি যেটা বলেছেন, "--- যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়ছে, তাদের সম্পর্কে তো আপনার একমাত্র
দেলোয়ার হসেন সাইদী ছাড়া, আমার জানামতে আরকি, বাকি সবারই আপনার, যতটুকু আমি পড়াশুনা করেছি, ইনভল্বমেন্ট ছিল"।
সাইদীর যুদ্ধাপরাধ সম্পর্কে আসিফ নজরুলের জানা বা পড়াশুনার সীমাবদ্ধতা হয়তো আছে।
কেউ কি সব যুদ্ধাপরাধীর সম্পর্কে সব সত্য জানেন ? জানা সম্ভব কি ?
জানা থাকলে আর তদন্তের দরকার কি?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কুত্তার বাচ্চা আসিফ নজরুল জামাতিগো আমির হইবার চাহে। ভালা করিয়া প্যাদানি আর ডিম থেরাপি দিতে হইবেক।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যে বিচার করতেই হবে আসিফ নজরুল জাহানারা ইমাম মারা যান ২৬ জুন ১৯৯৪ সালে। মরণব্যাধি ক্যানসারের যাতনা নিয়ে তিনি সারা দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। এই বিচার দেখে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি তাঁর। তিনি মারা যাওয়ার কিছুদিন আগ থেকে বরং এই দাবিতে শামিল কিছু রাজনৈতিক দল পিছুটান দেওয়া শুরু করে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি প্রায় বিলীন হতে থাকে পরের প্রায় এক যুগ। বাংলাদেশের মানুষকে নিষ্ঠুর কিছু দৃশ্য দেখতে হয় এ সময়ে। যুদ্ধাপরাধী হিসেবে ব্যাপকভাবে অভিযুক্ত জামায়াতের নেতা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ মন্ত্রী হন ২০০১ সালে গঠিত বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে। যে বাংলাদেশ সৃষ্টির বিরোধিতা করেছিলেন, সেই দেশের পতাকা উড়িয়ে পাঁচ বছর তাঁরা ঘুরে বেড়ান রাজকীয়ভাবে। ১৯৭১ সালে স্বজনহারা পরিবারের মনে কেমন কষ্ট লেগেছিল তখন! আমার শুধু মাঝেমধ্যে মনে হতো, ভালো হয়েছে, জাহানারা ইমামকে দেখতে হয়নি এসব দৃশ্য। তিনি মারা যাওয়ার দিন ট্রাকে করে তাঁর মৃতদেহ নেওয়া হচ্ছিল মিরপুরে। সেখান থেকে অশ্রুসজল চোখে তাকিয়ে দেখি, সংসদ চত্বরের দেয়ালে লেখা ‘হৈ হৈ রৈ রৈ জাহানারা ইমাম গেলি কই!’ যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মন্ত্রী হওয়ার সময়ে বেঁচে থাকলে না জানি আরও কত অপমান সইতে হতো তাঁকে! সেই অপরাধীদের বিচার শুরু হলো অবশেষে, আমি কেন লিখি না কিছু? কিছু ঘনিষ্ঠজন এ নিয়ে অনুযোগ করেন আমার কাছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আগের আওয়ামী লীগ আমলে লিখেছি, এমনকি বিগত বিএনপি সরকারের আমলে প্রথম আলোতেই লিখেছি। তাহলে এখন কেন লিখছি না? আমার শুধু মনে হতো, বিচার তো হচ্ছেই, অনেকে এখন লিখছেন। টিভির দর্শক পত্রিকার পাঠকের চেয়ে বেশি, টেলিভিশন টক শোতে এ সরকারের আমলে বহুবার এই বিচারের উদ্যোগকে সমর্থন করেছি। এসব ভেবে লেখার প্রয়োজন অনুভব করিনি সেভাবে। কিন্তু বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের একটি বক্তব্যের পর কিছুদিন ধরে মনে হচ্ছে, এ নিয়ে লেখার প্রয়োজন আছে। ব্যারিস্টার মওদুদ সম্প্রতি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের দাবি করেছেন। মানুষের সমালোচনা দেখেই হয়তো বিএনপির পক্ষ থেকে পরে তা আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তাঁর এই দাবির কথা অনেকের পক্ষে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। বিশেষ করে, আমার মতো ব্যক্তিদের, যাঁরা আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিচারের কথা বলেন, আওয়ামী লীগ আদৌ আগামী নির্বাচনের আগে এই বিচার শেষ করবে কি না, সে নিয়ে সন্দেহের কথা বলেন। আমাদের স্পষ্ট করে বলা প্রয়োজন, এসব কথা বলার মানে এই নয় যে আমরা বিচারের প্রয়োজন সামান্যতমও অস্বীকার করছি। বরং অত্যন্ত জোরালোভাবে বলা প্রয়োজন, এই বিচার হতেই হবে এবং তা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, ততই ভালো। ২. মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশে বহু ভালো গ্রন্থ রচিত হয়েছে। এর মধ্যে খুব কম গ্রন্থ রয়েছে, যেখানে রাজাকার-আলবদর-আলশামস বাহিনীর অমানুষিক কর্মকাণ্ডের বিবরণ নেই। একাত্তরে এত বেশি খুন, ধর্ষণ, লুটতরাজ কখনোই সংঘটিত হতো না, যদি বাংলাদেশের মাটিতে জন্ম নিয়ে এসব বাহিনীর মানুষগুলো বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ না করত, রক্তলোলুপ পাকিস্তানি বাহিনীকে উসকে না দিত, তাদের সর্বতোভাবে সহায়তা না করত। পৃথিবীর কোনো দেশে, কোনো আইনে এ ধরনের যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষমা করার বিধান নেই। শুধু কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া নয়, কেবল ক্ষুদ্র কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়, এসব অপরাধের বিচার করতে হয় ঐতিহাসিক অন্যায়কে চিহ্নিত করার জন্য, জাতির ইতিহাসের কলঙ্ক মোচনের জন্য, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জাতিগত দায়বদ্ধতা পালনের জন্য। দেশের জন্য যাঁরা অকাতরে প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের হত্যাকারীদের শাস্তির বিধান করতে না পারলে জাতি হিসেবে আমাদের আত্মসম্মান, মর্যাদাবোধ ও অহংকারই বা থাকে কোথায়। দয়াপরবশ হয়ে বঙ্গবন্ধু দালাল আইনে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের ক্ষমা করেছিলেন। কিন্তু খুন, ধর্ষণ, ধ্বংসযজ্ঞে লিপ্ত মানুষকে তিনি কখনো ক্ষমা করেননি। তাদের বিচারের জন্য তিনি ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন নামের একটি আইন প্রণয়ন করেছিলেন। আইনে পাকিস্তানি বাহিনীর সহায়ক বাহিনীগুলোর সদস্য হিসেবে একাত্তরের হত্যাযজ্ঞে জড়িত রাজাকার ও আলবদর বাহিনীর সদস্যদের বিচারের বিধান রয়েছে। প্রায় ৩৮ বছর পর ১৯৭৩ সালের আইনটির অধীনে বিচারের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। এই বিচারের ঘোষণা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল, নির্বাচনী ওয়াদাতে উচ্চারিত হয়েছিল। এই বিচার বন্ধের দাবি করার কোনো নৈতিক অধিকার অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেই। ১৯৭৩ সালের আইনটির কিছু দুর্বলতার সমালোচনা দেশে-বিদেশে হয়েছে। এর সুযোগে বিএনপির কোনো নেতা বা অন্য কেউ বিচার বন্ধের দাবি করলে তা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করা ছাড়া আর কিছু নয়। সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কারণে উদ্ভূত মানুষের অসন্তোষ ব্যবহার করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ঐতিহাসিক দায়কে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করাও কোনোভাবেই সমর্থনীয় নয়। বর্তমান সরকার সবচেয়ে ভালো যে কয়েকটি কাজ করেছে, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এই বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ এবং বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন। এই উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় দুর্বলতা এবং ভুলত্রুটি থাকলে তা বলার অধিকার যে কারও থাকতে পারে। কিন্তু এসব গঠনমূলক সমালোচনার সুযোগে ট্রাইব্যুনাল বিলোপ করার বিভ্রান্তিমূলক দাবি যারা করবে, তাদের রুখে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের সবাইকে অবশ্যই পালন করতে হবে। ৩. আইনশাস্ত্রে যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা বা মানবতাবিরোধী অপরাধ আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত। এই স্বীকৃতির মানে হচ্ছে, অপরাধগুলোর বিচার সংশ্লিষ্ট দেশ করতে অসমর্থ বা অনিচ্ছুক হলে অন্য কোনো দেশও বিচারটি করতে পারে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এই বিচার নিশ্চিত করার জন্য রোম সংবিধি অনুসারে ২০০২ সালে নেদারল্যান্ডে একটি স্থায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গঠন করা হয়েছে। শেখ হাসিনার প্রথম সরকার এই সংবিধিতে স্বাক্ষর করেছিল, বর্তমান সরকার এটি অনুসমর্থন করেছে। ফলে এই বিচার করা বাংলাদেশের জন্য একটি আন্তর্জাতিক দায়িত্বে পরিণত হয়েছে। তবে রোম সংবিধির পক্ষ হওয়াতে ১৯৭৩ সালের আইনটি যুগোপযোগী করার আবশ্যকতাও সৃষ্টি হয়েছে। ১৯৭৩ সালে আইনটি করা হয়েছিল সমসাময়িক আন্তর্জাতিক আইনের মানদণ্ডে, সে সময়ের বিশ্বখ্যাত আইনজীবীদের সহায়তা নিয়ে। তখনকার প্রেক্ষাপটে এই আইন ছিল উৎকৃষ্ট একটি আইন। কিন্তু গত কয়েক দশকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের নীতি, পদ্ধতি ও প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন এসেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের বেশির ভাগ পরিবর্তন অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আইনগত অধিকার বৃদ্ধি করেছে মূলত ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করার কথা বলে। বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে আইনটির সংস্কার করে এসব পরিবর্তনের সবকিছু আইনটিতে ধারণ করতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেসব প্রভুরাষ্ট্র আমাদের এসব পরিবর্তনের উপদেশ দিয়ে বেড়াচ্ছে, তারা নিজেরাই আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে গুরুতর অপরাধের বিচার করে না। কিন্তু বাংলাদেশ সেসব রাষ্ট্রের মতো শক্তি, বিত্ত ও ক্ষমতার অধিকারী নয়। ফলে আন্তর্জাতিক মানদন্ড যতটুকু পালন করা বিচারের কাজে অন্তরায় সৃষ্টি করবে না, তা মেনে ১৯৭৩ সালের আইনটির সংস্কার করলে তা ভালো হতো। আমি কয়েকটি ব্যাখ্যা দিচ্ছি এখানে। যেমন, রোম সংবিধি অনুসারে মানবতাবিরোধী অপরাধের শর্ত হচ্ছে অপরাধটি পরিকল্পনামাফিক ও ব্যাপক (সিস্টেম্যাটিক অ্যান্ড ওয়াইডস্প্রেড) হতে হবে। আমাদের ১৯৭৩ সালের আইনে এই সংজ্ঞা গ্রহণ করলে অসুবিধা কোথায়? ১৯৭১ সালে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী গঠন করে, রীতিমতো বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়ে স্বাধীনতাকামী সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। কাজেই এটি অবশ্যই পরিকল্পনামাফিক হয়েছিল। আবার বহুসংখ্যক মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল বলে এটি অবশ্যই ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ছিল। কাজেই রোম স্ট্যাটিউটের এই সংজ্ঞা গ্রহণ করলে যাদের আমরা মানবতাবিরোধী অপরাধী হিসেবে জানি, তাদের বিচারে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে না। আবার রোম সংবিধিতে অপরাধীর বয়স নির্ধারণ করে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিদের অপরাধের দায় থেকে রেহাই দেওয়া হয়েছে। এই বিধান আমরা গ্রহণ করলে অসুবিধা কী? সরকার যাদের মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার করেছে, তাদের কেউই ১৯৭১ সালে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছিল না। তাহলে এ ধরনের আইনগত সংস্কার করলে সমস্যা কোথায়? যেসব সংস্কার করলে ক্ষতি নেই, তা করে সরকার বিশ্বব্যাপী এই বিচারের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াতে পারত। শাদ, সিয়েরা লিয়ন, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়াসহ অধিকাংশ দেশে এসব অপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক আইনের মানদণ্ড অনুসরণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের ১৯৭৩ সালের আইনটি বহুলাংশে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ধারণ করেছে। বিচারের ক্ষতি না করে এটি আরেকটু উন্নত করলে এই বিচার নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ কমে যেত। আমাদের মনে রাখতে হবে, আমেরিকান বার অ্যাসোসিয়েশন এই আইন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল নিজেদের রিসার্চ থেকে এবং হয়তো যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষের লবিংয়ের কারণে। এসব প্রশ্ন তোলার সুযোগ অনেকাংশে সংকুচিত করার সুযোগ থাকলে তা করা উচিত বলে আমি মনে করি। ৪. বিচার নিয়ে অন্যান্য সমালোচনা আরও যৌক্তিক। ট্রাইব্যুনালের সরকারপক্ষের আইনজীবী ও তদন্তকারী দলগুলোর সক্ষমতা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। এদের অবশ্যই আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন ছিল। আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন বিশেষজ্ঞদের আইনজীবীদের দলে কিংবা বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিষয়ে সুদীর্ঘকাল ধরে গবেষণা করছেন যাঁরা, তাঁদের তদন্তদলে রাখলে কোনো সমস্যা হতো কি? বর্তমান ভবন পুরোপুরি খালি করে সেখানে একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা খুব দুষ্কর কি? বিচার কবে শেষ হবে, কোনো মন্ত্রী কর্তৃক এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট বক্তব্য দিয়ে বিচারকাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ উসকে দেওয়ার প্রয়োজন আছে কি? বিরোধী দলের সব কর্মসূচিকে ঢালাওভাবে বিচার বন্ধের ষড়যন্ত্র হিসেবে অভিহিত করা সঠিক হচ্ছে কি? এসব প্রশ্ন সরকার যদি নির্মোহভাবে বিবেচনা করে, তাহলে তা বিচারের জন্য সহায়ক হবে। সরকারকে এ ধরনের গঠনমূলক পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের পালন করতে হবে। আর যাঁরা বিচারের ঢালাও ও অযৌক্তিক সমালোচনা করেন, কিংবা বিচারকাজ বন্ধের স্বপ্ন দেখেন, তাঁদের সম্পর্কে আমাদের সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে। আমরা সেবাদানকারী সরকারি প্রতিষ্ঠানের কিছু সমালোচনা সবসময় করি। তার মানে এই নয়, এসব প্রতিষ্ঠান আমরা তুলে দিতে বলি! যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল আরও অনেক মহিমান্বিত প্রতিষ্ঠান। আমরা একে আরও শক্তিশালী বা আরও উন্নত করার কথা বলতে পারি, এর বিলোপের কথা নয়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হচ্ছে রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। স্বাধীনতার প্রায় ৪০ বছর পরও যদি এই বিচার সুসম্পন্ন না হয়, তাহলে এর গ্লানি অনন্তকাল ধরে আমাদের বহন করতে হবে। আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্লগ টা পডে মনে হল এই লেখাটা আসিফ নজরুল লেখেন নাই, অন্য একজন, হয়তো নাসিরুদ্দিন ইউসুফ লিখেছেন, কি বলেন বন্ধুরা?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রামায়ন পুরাটা পড়লেন,এখন কইতেছেন সীতা কার বাপ ? Shock

'তুই অফ যা,মুখ দিয়া গন্ধ আইতেছে"

----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যে বিচার করতেই হবে


ড. আসিফ নজরুল




http://www.sonarbangladesh.com/article.php?ID=7599

খাইছে আচিপ নজ্রুল এর সোনা ব্লগে একাউন্ট আছে নাকি?

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিন্তু বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের একটি বক্তব্যের পর কিছুদিন ধরে মনে হচ্ছে, এ নিয়ে লেখার প্রয়োজন আছে। ব্যারিস্টার মওদুদ সম্প্রতি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের দাবি করেছেন।


পড়লাম। অতি উপাদেয় খাপো মাচূ ব্যালেন্সিং টাইপ একটা লেখা হইছে।

বুঝলাম না। মৌদুধ এর বক্তব্যের পর আচিপ শুয়োরের বাচ্চার মনে হইছে কিছু লেখা দরকার অথচ গোলাপী মেঠাম যে দীর্ঘদিন ধইরা লাগাতার সেইম কথাই কইয়া যাইতাছে খুলে আম, খুল্লাম খুল্লা, সেইডা তার চোখ/কান এড়াইয়া যায় কেমনে এইডা বুঝলাম না।

এইসব বালছাল দিয়া মানুষ ভুলবো বইলা মনে হয়না। একবার ল্যাঞ্জা বাইর হইয়া গেলে সেইডারে সাইজ করা প্রায় অসম্ভব।

অতি উচ্চ মানের খা-দা হওয়ার সকল লক্ষন এইটার মধ্যে বিদ্যমান, দেখা যাইতাছে।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রিয়তে এবং শেয়ার দিলাম।

----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে

glqxz9283 sfy39587p07