বাংলায় নাম
বিভা
পরিচিতি
সদর দরজা
আয়না দেখা শত্রু
প্রতিবার নিঃশ্বাষের সাথে গন্ধটা শরীরের গভীর থেকে গভীরে ঢুকে যাচ্ছে। হালকা মিষ্টি কিন্তু তীক্ষ্ণ শীতল গন্ধটা দেহ মনে প্রশান্তির পরশ বুলাচ্ছে। এত চিৎকার করছে কেন,পাখিগুলার কি মাথা নষ্ট হয়ে গেছে? আমি কোথায়,গন্ধটাই বা কিসের? ভাবনাটা আসতেই চোখ মেলে তাকালাম। পুর্ব দিগন্তের আলো-ছায়ার খেলা দেখে বুঝলাম সন্ধ্যা হতে আর বেশিক্ষণ বাকি নাই। প্রতিদিন ভাবি কাল স্কুল থেকে এসে আর ঘুমাবো না। সে কথা ভাবনাতেই শেষ। গন্ধটা শিউলি ফুলের। এই গাছে বারো মাস-ই ফুল ফোটে। আষাঢ়ের শুরু হলেও বৃষ্টি এখনও শুরু হয় নাই।
পিছনের বারান্দাতে ড্রেসিং টেবিল,আলনা,২টা বুক সেলফের পার্টিশন দিয়ে আমি আমার পড়ার রুম বানাইছি। রুম টাকে আমার অনেক আপন লাগে। ফুলের গন্ধ, চাঁদের আলো-আধারী, অন্ধাকারের গন্ধ নেশা,ভোরের শিশির ভেজা ফসলের মাঠ,সুর্য সব পাই এখান থেকে। ওফ্ বজ্জাতটা আবার ঝগড়া শুরু করেছে। আজ যে তোকে আমি কি করব! বিড়ালটা জ্বলন্ত চোখে তাকিয়ে আছে। থাবা বসানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। শব্দ হতেই আমার দিকে ফিরে তাকালো। কিরে কি খবর? তুই কি ভুলে গেছিস আমি কি বলেছিলাম। ঝাড়ি খেয়ে পায়ের কাছে এসে নরম সুরে ম্যা-এ্যা-ও ম্যা-এ্যা-ও শুরু করে দিল। সরতো তোকে আদর করার সময় নাই,ওর ঝগড়া আগে থামাই। ড্রেসিং টেবিলের আয়নাটা কাল একটা ওড়না দিয়ে ঢাকা। নিচের প্রান্তে ওড়নাটা উচু হয়ে আছে লোশন,কসমেটিকের জন্য। আজ ওখানে ঢুকে বসে ঝগড়া করছে। ওড়নার নিচে হাত ঢুকায়ে আস্তে করে ধরে বের করে আনলাম দোয়েলটা কে। ওর মাথা ঠোটে রক্তে মাখানো। শরীরের অর্ধেক পশম আগেই ঝড়ে গেছে। মাথার চামড়া ছুলে রক্ত বের হচ্ছে।
মা রান্না করছে সুফিয়ানের মা তরকারি কাটছে।
আমি - মা এই টা তো মরার মত অবস্থা। পশম গুলাতো আগেই ঝরে গেছে এখন তো মাথা দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে। মলম দিয়েছি। ড্রেসিং টেবিলের ওড়না গ্লু দিয়ে আটকাই দিছি। যাতে আর যেতে না পারে। ঝগড়া করার জন্যতো ও খাওয়া ও বন্ধ করে দিয়েছে। ঘুমানোর সময় পার কাছের জানালাটা খুলে শুয়েছিলাম। আর ও ঠিকই খুজে খুজে ঢুকেছে।
কিছুক্ষন চুপচাপ বসে থেকে-
আস্তে আস্তে ওঠে হাটলাম উঠানের দিকে। পাখিটার পিছে আরও সময় দিতাম কিন্তু আমার মাথাতে ঘুরপাক খাচ্ছে শরিফার কথা। যেভাবেই হোক আজ একবার যেতে হবে ওর সাথে দেখা করতে। ঘটনা সত্যি মিথ্যা যাই হোক। এতে তো শরিফার কোন দোষ নাই। মিথ্যা হলে প্রতিবাদ করা দরকার। আর সত্যি হলেও তো ও কোন অন্যায় করেনি। নিজের ভাল লাগা মন্দলাগার কথা বলা কোন পাপ বা অন্যায় না। আর আমি যতদুর জানি তাতে এই ঘটনা মিথ্যা। অথচ এই ব্যাপারটা নিয়ে পুরা গ্রামের মানুষ কি নোংরা কথা বলা শুরু করেছে। যে যা বলে বলুক তার জন্য মরার কথা কেন চিন্তা করল। ও নাকি ব্রীজের উপর থেকে লাফ দিয়েছিল। ভাবতে ভাবতে ডাঙ্গার (ফসলের মাঠকে ডাঙ্গা বলে) দিকে আগাচ্ছি। ডাঙা দিয়ে গেলে তাড়াতাড়ি হবে। মা জানলে শুধুই ক্যাচাল হবে। আমার চিন্তা-ধারা মাকে লুকায়ে যাব। তাই ভাব মারছি শুধু শুধু-ই ঘুরা-ঘুরি করছি। এইসব ভাবছি আর গুটি গুটি পায়ে আগাচ্ছি। এমন সময় শুনি।
সুফিয়ানের মা বলতেছে মাকে- আস্তে আস্তে ডাঙ্গার দিকে যাচ্ছে। ও ডাঙ্গায় যেয়ে তারপর এক দৌড়ে চলে যায় হিন্দুপাড়ার দিকে। ওখান থেকে শরিফাদের বাড়ি যায়। ওরে আমি সেদিন দেখি গাছ বেয়ে ছাদে ওঠতেছে। আগে একদিন দেখলাম নুরজাহানের মেজ ছেলের সাথে র্্যাকেট খেলতেছে। এইগুলা করে কিছু বলেন না কেন। মেয়ে মানুষ থাকবে ঘরের ভিতর। লাফা-লাফি করা,ঘুরে বেরানো এখন বন্ধ করা দরকার।
মা- এই এদিকে আসো।
আমি-কি মা?
মা-তুমি শোন নাই শরীফার ঘটনা। এরপর আর যেন না দেখি ঐ মেয়ে সাথে মিশতে।
আমি- আরে আমি যাচ্ছিলাম এই দোয়েলটা কে রাখতে। হাসি মুখে বললাম ঠিকই কিন্তু মন খারাপ মিজাজ খারাপে রুপ নিল।
আমি রাতের খাবার টা সন্ধ্যায় খেয়ে নেই। খাচ্ছি এমন সময় শুনলাম দোয়েলটা আবার চিৎকার করতেছে। মা বলতেছে ঢুকছে কোথা দিয়ে। মন মিজাজ খুব খারাপ তাই ঝাজ্বালো উত্তর জানি না কোন জায়গা দিয়ে ঢুকছে, মরুক হারামজাদা। খাওয়া শেষ করে মার সাথে কিছুক্ষন তর্ক করে, পড়ার টেবিলে আসতেছি হঠাৎ মনে পড়ল কিরে দোয়েলটা কই ঝগড়া তো শুনা যায় না। ও মনে হয় মাঝের রুমের আয়নাতে ঝগড়া করেতেছিল। রুমে গিয়ে দেখি ফ্লোরে পড়ে আছে।
ড্রেসিং টেবিলের অপর পাশে চাল, ক্ষুদ, ডাল, ময়দা এই সব রাখা। মাঝে মাঝেই দেখি কিছু দোয়েল, চড়ুই এসে চাল খাচ্ছে।
আমি-মা পাখিতে তো ভালই ডাইনিং রুম বানাইছে তোমার চালের ড্রামকে। চারপাশে এত খাবার থাকতে ওরা তোমার চাল খায় কেন?
মা-মনে হয় ডিম পারবে। ডিম পারার আগে শরীর ভারি হয়ে যায় তাই কাছাকাছি যা পাচ্ছে তাই খাচ্ছে আরে বাবা ওরা কয়টা খাবে খাক। ভালই চলছিল ওরা আসে খায় চলে যায়। হঠাৎ একদিন শুনি পাখি ঘরের ভিতর চিৎকার করতেছে। ভাবলাম খাওয়া নিয়ে নিজেদের ভিতর লাগছে। গিয়ে দেখি না। ড্রেসিং টেবিলে উপর দাড়ায়ে, আয়না দেখা ওর প্রতিবিলম্বের সাথে ঝগড়া করতেছে একটা দোয়েল। সেই শুরু, তারপর থেকে করেই যাচ্ছে। ঝগড়া করতে করতে লোম ঝড়ে যাচ্ছে তবুও ও ক্লান্ত হয় না। আয়নাতে দেখা শত্রুকে ও শেষ করবেই করবে। ও যখন প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য উড়ে এসে ঝাপায়ে পড়তে চায়, আয়নার জন ও উড়াল দেয় এইটা দেখে দোয়েলটা আরও বেশি রাগ,শক্তি নিয়ে ঝাপায়ে পড়ে। কোন ভাবেই ঠেকানো যাচ্ছিল না। আয়না কাপড় দিয়ে ঢেকে দিলাম কাজ হল না। দরজা বন্ধ করলাম তো জানালা দিয়ে আসে। পিছনের বারান্দার সব জানালা দরজা বন্ধ করলাম। তারপরও সামনে দিয়ে ঘুরে ঢুকা শুরু করল।
পুরুষের কথা না হয় বাদ দিলাম। আমার মা মেয়ে হয়ে আমার চাওয়াটা অন্য একটা মেয়ের বিপদের সময় তার মানসিক অবস্থা বুঝল না। এ আমার বিশ্বাষ হয় না। আবার বিশ্বাষ হয় কারন এরা যে মানুষ তাই-ই এরা জানেনা। এরা শুধু জানে ধর্মের এবং সমাজের দোহাই দিয়ে পুরুষ দ্বারা শোষন-শাসীত হতে। ভাল, ভদ্র মেয়ের সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য নিজেদেরকে বন্চিত করতে অবহেলা করতে চাওয়া-পাওয়া গুলাকে হত্যা করতে।ময়লা ন্যাকড়া শুধু দুর্গন্ধ ছড়ায় তাই মাটি চাপা দেয়। মনটাও সংসারে অশান্তি টানে তাই ন্যাকড়ার সাথে মনটাকে ও মাটি চাপা দিতে জানে। হাসতে হবে মেপে, চলতে হবে সাত পাত্তায় নিজেকে ঢেকে। ঘর হচ্ছে মেয়েদের জগৎ। খেলাধুলা সে আবার কি? মেয়েরা পাতিলে জিয়ানো মাছ। যখন খুশি তুলে কেটে-কুটে রান্না করে খাবে। এইটা করা যাবে না। মেয়ে মানুষের আবার বন্ধু-বান্ধবী কিসের। মেয়েদের আবার নিজেদের পছন্দ কি? পুরুষরা আছে না তারা যা বলবে তাই হবে। আমার পরিচয় আমি একটা মেয়ে! আমি সাইকেল চালালে নাজায়েজ কাজ করা হয়। পুরুষের বলা মিথ্যার প্রতিবাদ করলে পাপ হয়। তাদের গড়া রীতি-নীতির বাহিরে গেলে সমাজে তাদের মান-সম্মান থাকে না। আমাকে দেখে কোন পুরুষের মনস্কামনা জাগলে আমি জেনা কারী। মেয়েরা শুধু পুরুষের ভোগের আর সেবার জন্য। কার বাজে প্রস্তাবে রাজি না হয়ে প্রতিবাদ করলেও মেয়ে অপরধী। ঘরে মেয়েকে মার কাছে শুনতে হয়" এত মেয়ে থাকতে তোকে কেন প্রস্তাব দিল? তুই খারাপ"। মেয়ে হয়ে জন্মা নেয়ার যন্ত্রনা, জন্ম থেকে পাওয়া অবহেলা, বঞ্চনা জমানো সব ব্যাথা বুক ভেঙ্গে বেড় হতে চাইছে।
দোয়েলটা মরে প্রমান করল। আমরা মেয়েরা-ই আমাদের শত্রু। আয়না দেখা প্রতিবিলম্বকে শত্রু ভেবে ঝগড়া করি। হেমন্তের গানটা মাথার ভিতর ঘুর পাক খাওয়া শুরু হল।
এর বাইরে জগৎ আছে তোমরা মান না।
মা এবং অন্য মেয়েরা যা সহজে মেনে নেয় আমি কেন তা পারি না? আমার মনের অনেক প্রশ্নের উত্তর পেলাম।আমরা মেয়েরা নিজেরাই জানি না কোনটা হাসি কোনটা ব্যাথা। অশান্ত মনটা কে বললাম মন তুমি শান্ত হও। আজ থেকে আমি খারাপ মেয়ে হব। যা আমার পাওনা তা আদায় করে নিব। আমি জানি কোনটা আমার ব্যাথা কোনটা হাসি।
সকালে দোয়েলটাকে মাটি দিয়ে শান্ত ভাবে মাকে বললাম মা আমি শরিফাদের বাড়ি যাচ্ছি। মাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে ঘুরে হাটা শুরু করলাম আর মনে মনে বললাম আমি ভাল মেয়ে হব না।
- ক্যাটেগরি:
- বিভা-এর ব্লগ
- মন্তব্য প্রদানের জন্য লগইন অথবা রেজিস্টার করুন
- ১৫৭ বার পঠিত
Twitter-এ প্রকাশ করুন


মন্তব্য
বিপ্লবী মন।
হু
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট। -রবীন্দ্রনাথ
চাচা আমার সাথে একটু যোগাযোগ করেন।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট। -রবীন্দ্রনাথ
খারাপ না।
____________________
ঘর ছেড়ে ধন খুঁজিস কেন বনে বনে?
কি খারাপ না?
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট। -রবীন্দ্রনাথ
আমাদের সমাজের পাবলিক ভালো-খারাপের পারসেপশন নিয়ে ব্যাপক জল ঘোলা করে। ধূমপান করার চাইতে শিবির করা ভাল বিবেচনা করা হয়, সার্তে-মোপাসাঁ-কাম্যু পড়া ছেলের চাইতে টেক্সটবুক মুখস্থ করে পাশ করা অন্তঃসারশূণ্য ছেলেকে "ভাল ছেলে" ট্যাগ দেয়া হয়
___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।
তাহলে তো আমি ভাল ছেলে।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট। -রবীন্দ্রনাথ
সুন্দর।
**********
স্বপ্নের কারিগর
ধন্যবাদ।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট। -রবীন্দ্রনাথ
বিদ্রোহী তোমাকে লাল সালাম...
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে
লাল সালাম। হা হা হা
আমি আমার পরিবারের জন্য বিপদজনক।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট। -রবীন্দ্রনাথ
থিমটা সুন্দর ------- কিন্তু পাখিটার জন্য কষ্ট হচ্ছে যে !!!
ও মরে আমর অন্তরের চোখ খুলে দিল। দিদি ভাই ঘটনা কিন্তু সত্যি।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট। -রবীন্দ্রনাথ
~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!
এত কষ্ট কই রাখব। আমি কষ্ট পাই তাও চলে কবিরা কষ্ট পাক তা চাই না। কবিরা আমাদের জাতীয় সম্পদ।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট। -রবীন্দ্রনাথ
সবাই মানুষ হবে কবে?
_____________________
ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।
হয়ত কোন দিনও না
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট। -রবীন্দ্রনাথ
_____________________
ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।
মনে প্রানে চাই আপনার আশা পুরন হক। যদি ও তা হবার নয়। বিশ বছর আগেও পদ্মার গর্জনে দু-পাড়ের মানুষ রাতে ঘুমাতে পারত না। এখন এপাড়ের মোরগের ডাকে ওপারের মানুষের ঘুম ভাঙ্গে।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট। -রবীন্দ্রনাথ
নদী-নারী-প্রকৃতি সব কি মরে হয়ে যাবে?
বেঁচে থাকবে কংকাল-মরা গাছ আর বৈচিত্রহীন প্রকৃতি।
_____________________
ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।
নদী মরে গেছে। আর নারী এত সহজে মরবে না। এদের প্রান কৈ মাছের চেয়েও শক্ত। প্রকৃতি যত বিরুপই হোক এরা বেঁচে থাকবে নরকংকাল জন্মানো জন্য।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট। -রবীন্দ্রনাথ