বাংলায় নাম
শনিবারের চিঠি
পরিচিতি
সদর দরজা
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন: মহাকাব্যের প্রথম স্বর্গ
লিখেছেনঃ শনিবারের চিঠি (তারিখঃ শুক্রবার, ১৭/০২/২০১২ - ০৪:৩৬)
ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত
সমাবেশের পর এক বিরাট শিক্ষার্থী মিছিল সচিবালয়ের সম্মুখে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। সেখানে কৃষিমন্ত্রী মহাম্মদ আফজল শিক্ষার্থীদের সামনে বক্তৃতা করেন এবঙ তাদের আন্দোলনে সমর্থন করেন। এরপর মিছিল প্রাদেশিক মন্ত্রী নূরুল আমিন, হামিদুল হক চৌধুরী এবঙ প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীনের বাসভবনেও গমন করে এবঙ বাঙলার প্রতি মৌখিক সমর্থন ও প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে লিখিত আশ্বাস আদায় করে। মিছিল ‘মর্নিং নিউজ’ পত্রিকা অফিসের সামনেও বিক্ষোভ করে।
করাচীতে পাকিস্তানের প্রথম শিক্ষা সম্মেলনে রাষ্ট্রভাষা বিষয়ক প্রস্তাবটির প্রতিই সর্বসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছিলো। ফলে সম্মেলন শেষে কী কী সুপারিশ গৃহীত হলো তার দিকে শিক্ষার্থীদের খুব কমই আগ্রহ দেখা যায়। প্রকারান্তরে উক্ত সম্মেলনেই পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিক্রিয়াপন্থী করার প্রয়াসে ব্রিটিশ ধাঁচের শিক্ষাব্যবস্থার মূল কাঠামো ঠিক রেখে তাকে তথাকথিত ইসলামিকরণের প্রয়াস চালানো হয়। সুপারিশসমূহ ছিলো নিম্নোক্ত ধাঁচের- [২]
ভাষাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক আন্দোলনের সূত্রপাত
তথ্যসূত্র
৫ ফাল্গুন, ১৪১৮
উৎসর্গ: তাঁদের জন্যে, যাঁদের হাতে ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে।
এ কথা নিঃসন্দেহে স্বীকার্য যে- বিশ শতকের বাঙলা ও বাঙালির ইতিহাসের প্রধানতম ঘটনা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন। কিন্তু এ অর্জন এক অনন্য মহাকাব্য, যার পেছনে রয়েছে হাজার বছরের ইতিহাস। এ ইতিহাসগুলো তৈরি করেছে বাঙালিরা এবঙ বাঙালির সাথে একাত্ম সুহৃদরা। ১৯৪৭ সালের দ্বি-জাতিতত্ত্বের পর বাঙালির জাতীয়তাবাদের আন্দোলন মোড় নেয়।
একথা মানতেই হবে যে- বিশ শতকের আন্দোলন সঙগ্রামে বাঙালির প্রধান নিয়ামক ছিলো ছাত্ররা এবঙ ছাত্ররাই। যদিও উনিশ শতকের গোড়া থেকেই আধুনিক বাঙালির যাত্রা শুরু, তথাপি উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে ছাত্ররা একটি শক্তি হিসেবে বাঙলার সমাজে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস এবঙ বাঙালির মুক্তির ইতিহাস একই ধারায় বইতে থাকে। ‘কালের যাত্রার ধ্বনি’ সুরে সুর মিলিয়ে ‘সাতকোটি বাঙালিকে দাবায় রাখতে পারবা না’ কণ্ঠের সাথে মিলিত হয়, তৈরি করে এক মহিমান্বিত এপিক।
একথা মানতেই হবে যে- বিশ শতকের আন্দোলন সঙগ্রামে বাঙালির প্রধান নিয়ামক ছিলো ছাত্ররা এবঙ ছাত্ররাই। যদিও উনিশ শতকের গোড়া থেকেই আধুনিক বাঙালির যাত্রা শুরু, তথাপি উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে ছাত্ররা একটি শক্তি হিসেবে বাঙলার সমাজে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস এবঙ বাঙালির মুক্তির ইতিহাস একই ধারায় বইতে থাকে। ‘কালের যাত্রার ধ্বনি’ সুরে সুর মিলিয়ে ‘সাতকোটি বাঙালিকে দাবায় রাখতে পারবা না’ কণ্ঠের সাথে মিলিত হয়, তৈরি করে এক মহিমান্বিত এপিক।
ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত
পাকিস্তান জন্মের মাত্র তিন মাস পরে (ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে) তৎকালীন রাজধানী করাচীতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পাকিস্তানের তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ফজলুর রহমানের ভাষায় এই শিক্ষা সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিলো-
To create an elete that will determine the quality of new civilization. [১]
এতে পূর্ববাঙলা সরকারের মন্ত্রী হাবিবুল্লাহ বাহার ও আবদুল হামিদ যোগদান করেন। শিক্ষা সম্মেলনে উর্দূকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার জন্যে একটি সর্বসম্মত প্রস্তাব গৃহীত হয়। এই সঙবাদ ৬ ডিসেম্বর ঢাকার ‘মর্নিং নিউজ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হলে ঢাকা শহরের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রদের মধ্যে তীব্র বিক্ষোভ সঞ্চারিত হয়। বিক্ষোভের মাত্রা এমনই ছিলো যে, ঐদিনই দুপুর দুইটার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা ইন্টারমেডিয়েট কলেজ, জগন্নাথ ইন্টারমেডিয়েট কলেজ ও অন্যান্য কলেজসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এক প্রতিবাদসভা করে। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক তমদ্দুন মজলিশের (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর তমদ্দুন মজলিশ নামে একটি সাঙস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গঠিত হয়। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে এই প্রতিষ্ঠান প্রথমে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে) সম্পাদক জনাব আবুল কাসেম। বক্তৃতা করেন মুনীর চৌধুরী, এ. কে. এম আহসান প্রমুখ এবঙ প্রস্তাব পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-সঙসদের সহ-সভাপতি ফরিদ আহমদ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে- রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এটাই সর্বপ্রথম সাধারণ ছাত্রসভা।
সমাবেশের পর এক বিরাট শিক্ষার্থী মিছিল সচিবালয়ের সম্মুখে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। সেখানে কৃষিমন্ত্রী মহাম্মদ আফজল শিক্ষার্থীদের সামনে বক্তৃতা করেন এবঙ তাদের আন্দোলনে সমর্থন করেন। এরপর মিছিল প্রাদেশিক মন্ত্রী নূরুল আমিন, হামিদুল হক চৌধুরী এবঙ প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীনের বাসভবনেও গমন করে এবঙ বাঙলার প্রতি মৌখিক সমর্থন ও প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে লিখিত আশ্বাস আদায় করে। মিছিল ‘মর্নিং নিউজ’ পত্রিকা অফিসের সামনেও বিক্ষোভ করে।
করাচীতে পাকিস্তানের প্রথম শিক্ষা সম্মেলনে রাষ্ট্রভাষা বিষয়ক প্রস্তাবটির প্রতিই সর্বসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছিলো। ফলে সম্মেলন শেষে কী কী সুপারিশ গৃহীত হলো তার দিকে শিক্ষার্থীদের খুব কমই আগ্রহ দেখা যায়। প্রকারান্তরে উক্ত সম্মেলনেই পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিক্রিয়াপন্থী করার প্রয়াসে ব্রিটিশ ধাঁচের শিক্ষাব্যবস্থার মূল কাঠামো ঠিক রেখে তাকে তথাকথিত ইসলামিকরণের প্রয়াস চালানো হয়। সুপারিশসমূহ ছিলো নিম্নোক্ত ধাঁচের- [২]
১. সৌভ্রাতৃত্ববোধ, সহনশীলতা ও ন্যায়বিচারের প্রতিফলন ঘটিয়ে শিক্ষাব্যবস্থার ইসলামিকরণ করা হবে।
২. স্কুল-কলেজে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে
৩. স্কুলে উর্দূ বাধ্যতামূলক পড়ানো হবে
৪. প্রাথমিক শিক্ষাকে পাঁচ বছর পর্যন্ত বাধ্যতামূলক করে তা ধীরে ধীরে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত করা হবে
৫. মাদ্রাসা শিক্ষাকে সাধারণ শিক্ষার সাথে যুক্ত করে দেয়া হবে
৬. কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটানো হবে
ভাষাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক আন্দোলনের সূত্রপাত
ইতিহাস পাঠ করলে জানা যায়- ভাষা প্রশ্নকে নিছক আন্দোলন সঙগ্রামের মধ্যে না রেখে তাকে একটি রাজনৈতিক আন্দোলনের মর্যাদায় উন্নীত করার ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বরঙ শিক্ষার্থীরাই অধিকতর যোগ্য ভূমিকা পালন করেছিলো। এ সম্পর্কে তৎকালীন ছাত্রনেতা মোহাম্মদ তোয়াহার বক্তব্য প্রণিধানযোগ্য-
১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের সাথ সাথেই ভাষার প্রশ্নটি উচ্চারিত হয়। .. ..ভাষা সম্পর্কে আমাদের বুদ্ধিজীবীসমাজ তেমন চিন্তা করতেন না। .. .. বাংলা রাষ্ট্রভাষা হবে- এটা কোনোদিন কারো মাথায় ঢোকেনি। বুদ্ধিজীবী মহলে খানিকটা এ বিষয়ে চিন্তাভাবনা হত, তবে এটাকে রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিবর্তিত করে ঢাকার ছাত্রসমাজ [৩]
১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন করাচীতে শুরু হয়। অধিবেশনে পূর্ব বাঙলার অন্যতম প্রতিনিধি ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা বিষয়ে একটি সঙশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেন। প্রস্তাবটি ছিলো, উর্দূ-ইঙরেজীর সঙ্গে বাঙলাকেও গণ-পরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহার করা হোক। ২৫ ফেব্রুয়ারিতে সঙশোধনী প্রস্তাবটির ওপর আলোচনা শুরু হলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান বলেন-
পাকিস্তানের অধিবাসীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করা এবং একটি সাধারণ ভাষার দ্বারা ঐক্যসূত্র স্থাপনের প্রচেষ্টা হইতে মুসলমানদের বিচ্ছিন্ন করাই এই প্রস্তাবের উদ্দেশ্য। [৪]
গণপরিষদে এই প্রস্তাব তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করে এবঙ অবস্থাটা এমন দাঁড়ায় যে, পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সকল মুসলমান সদস্য প্রস্তাবের বিরোধীতা ও নিন্দা করেন। অন্যদিকে যে কয়জন হিন্দু সদস্য পরিষদের সভ্য ছিলেন তাঁরা ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে সমর্থন করেন। বিষয়টা শেষ পর্যন্ত সাম্প্রদায়িকতায় পৌঁছেই শেষ হয়নি, পূর্ব বাঙলার প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীন সদম্ভে ঘোষণা করে বলেন যে-
পূর্ব বাংলার অধিকাংশ অধিবাসীরই এই মনোভাব যে একমাত্র উর্দূকেই রাষ্ট্রভাষা রূপে গ্রহণ করা যাইতে পারে। [৫]
কিন্তু গণপরিষদে কঙগ্রেস দলের সম্পাদক রাজকুমার চক্রবর্তী সঙশোধনী প্রস্তাব সমর্থন করে বলেন যে-
উর্দূ পাকিস্তানের কোন প্রদেশেরই কথ্য ভাষা নয়। তা হচ্ছে পশ্চিম পাকিস্তানের উপরতলার কিছু সংখ্যক মানুষের ভাষা।.. ..বাংলাকে আমরা দুই অংশের সাধারণ ভাষা করার জন্যে কোন চাপ দিচ্ছি না। আমরা শুধু চাই পরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে বাংলারও স্বীকৃতি। [৬]
গণপরিষদের মুসলিম লীগ দলীয় বাঙালি সদস্যরা বাঙলাকে পরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার বিরুদ্ধে ভোট দেয়ার খবর ঢাকায় এসে পৌঁছলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। মুসলিম লীগ দলীয় সদস্যদের এই আচরণের বিরুদ্ধে ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্র ধর্মঘট পালিত হয়। এ বিষয়কে উপলক্ষ করে একটি প্রত্যক্ষ আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২ মার্চ ফজলুল হক হলে পূর্ববাঙলার সাঙস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে ছিলেন-
ক. কামরুদ্দিন আহমদ
খ. রণেশ দাশগুপ্ত
গ. অজিতগুহ (প্রগতিশীল লেখক সংঘ)
ঘ. আবুল কাসেম (তমদ্দুন মজলিশ)
ঙ. নঈমুদ্দীন আহমদ
চ. তফাজ্জল আলী (পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ)
ছ. মোহাম্মদ তোয়াহা (গণতান্ত্রিক যুবলীগ)
জ. শহীদুল্লাহ কায়সার (ছাত্র ফেডারেশন)
ঝ. সরদার ফজলুল করিম
ঞ. তাজউদ্দীন আহমদ
এ সভায় সভাপতিত্ব করেছিলেন কামরুদ্দিন আহমদ। এই সভায় ভাষা আন্দোলনকে সুষ্ঠু ও সাঙগঠনিক রূপ দেবার জন্যে ‘রাষ্ট্রভাষা সঙগ্রাম পরিষদ’ [৭] নামে সর্বদলীয় একটি সঙগঠন গঠিত হয়। কমিটির আহবায়ক মনোনীত হন জনাব শামসুল আলম। কমিটিতে প্রত্যেক সঙগঠন থেকে দুইজন করে প্রতিনিধি নেয়া হলেও তমদ্দুন মজলিশের আবুল কাসেম সাম্প্রদায়িকতার প্রশ্ন তুলে প্রগতিশীল লেখক সংঘের প্রতিনিধি (আসলে কমিউনিস্ট প্রভাবিত বলে) অজিতগুহকে কমিটিতে রাখার বিরোধিতা করেন এবঙ সফলও হন। রাষ্ট্রভাষা সঙগ্রাম পরিষদ ঐদিন এক প্রস্তাবে সারা পূর্ব বাঙলায় ১১ মার্চ সাধারণ ধর্মঘটের একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
এভাবেই রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দিয়ে বেগবান করা হয়, যদিও লিখিত অঙশে তার খুব সামান্যই ধরা পড়েছে। পরবর্তী পর্বে রাজনৈতিক আন্দোলনের সূত্রে ভাষা আন্দোলনের সামগ্রিকতা সম্বন্ধে আলোচনা করা হবে।
তথ্যসূত্র
[১] Fazlur Rahman, New Education in Making New Pakistan (cassell and Co. Ltd. London, 1953) p. 7
[২] Pakistan. Ministry of the Interior (Education Division, Proceedings of the Pakistan Educational Conference held at Karachi from 27th Nov to 1st Dec. 1947) p. 38-39
[৩] একুশে সংকলন, ১৯৮১: স্মৃতিচারণ, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৮৭
[৪], [৫] নওবেলাল, ৪ মার্চ, ১৯৪৮
[৬] আনন্দবাজার পত্রিকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮
[৭] এর পূর্বে ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসেই আরেকবার প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়েছিলো। এটা গঠিত হয়েছিলো তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঞা তার আহবায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন।
[২] Pakistan. Ministry of the Interior (Education Division, Proceedings of the Pakistan Educational Conference held at Karachi from 27th Nov to 1st Dec. 1947) p. 38-39
[৩] একুশে সংকলন, ১৯৮১: স্মৃতিচারণ, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৮৭
[৪], [৫] নওবেলাল, ৪ মার্চ, ১৯৪৮
[৬] আনন্দবাজার পত্রিকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮
[৭] এর পূর্বে ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসেই আরেকবার প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়েছিলো। এটা গঠিত হয়েছিলো তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঞা তার আহবায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন।
৫ ফাল্গুন, ১৪১৮
- ক্যাটেগরি:
- শনিবারের চিঠি-এর ব্লগ
- মন্তব্য প্রদানের জন্য লগইন অথবা রেজিস্টার করুন
- ৫১৮ বার পঠিত
Twitter-এ প্রকাশ করুন


মন্তব্য
এক টুকরো টাইপো!
অট : ং এর স্থলে ঙ এর ব্যবহার বড্ড বেশী বাজে লাগে। আমার মনে হয় ব্যক্তিবিশেষকে ফলো না করে বাংলা একাডেমী প্রণীত নিয়মাবলী মেনে লেখাই ভাল।
-------------------------
সর্বংসহা ধরিত্রী মাঝে মাঝে হিংস্র হয়ে ওঠে
বাঙালি আবার জেগেছে জামাত-শিবিরকে রুখতে ...
জয় বাংলা।
ধন্যবাদ পাপীকে। আমি টাইপোটা ঠিক করে দিয়েছি।
দেখেন বস, “বাঙলা একাডেমি” কে আমরা যে দয়া করে “বাংলা একাডেমী” বলি এটাই এদের সাতপুরুষের ভাগ্য। এদের ইনিস্টিটিউশনের বানানটাও ভুল। আবার দেখেন এরা যে ব্যাকরণিক নিয়মে ‘শ্রেণী’কে ‘শ্রেণি’ করলো, কাছাকাছি নিয়মে ‘হিশেব’ ‘জিনিশ’ ইত্যাদি পরিবর্তন করলো না। আমি ব্যক্তিবিশেষকে ফলো করি না। ‘সংসার’কে ‘সঙসার’ আর কেউ লিখতেন না, আমি লিখি- এর কারণও আছে। দেবা ভাইও কারণটা জানতে চেয়েছেন, উদাসী পথিক দাও জানতে চেয়েছেন, আপনিও- কিন্তু বস, একটু সময় দেন। আমি কারণগুলো কম্পাইল করতেছি। আমি তো ভাষাতত্ত্বের শিক্ষার্থী না, ভাষাতত্ত্বের অতো বইও নাই, লাইব্রেরি থেকে নোটগুলো নিচ্ছি। একটু সময় লাগছে, এই যা।
অনেক ধন্যবাদ ও শ্রদ্ধা আপনার জন্যে।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
আপনার প্রতি পোষ্টেই কেউ না কেউ এই বিষয়ে জানতে চাচ্ছে। আমারো আগ্রহ বাড়ছে
তাড়াতাড়ি করেন
_________________________________________________________________________________
ঢিল মারি তোর টিনের চালে...
মৌচাকে ঢিল
এই সিরিজটা পর্যন্ত ধৈর্য্য ধরতে হবে ভাই। আমি আনাড়ি মানুষ- এইটুকু দয়া চাই।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
প্রশংসনীয় লেখা - অনেক অজানা বিষয় জানলাম।
______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'
ধন্যবাদ পাভেল ভাই। কৃতজ্ঞতা জানবেন।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
ছাত্রদের ভুমিকা ছিল 'অতি বিপ্লবী'।
“অতি বিপ্লবী” শব্দটার অর্থ বুঝি, কিন্তু আপনার বক্তব্যের সুরটা ধরতে পারছি না। একটু যদি ব্যাখ্যা্ করতেন দয়া করে।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
নতুন দেশের নীতি-নির্ধারক যারা ছিলেন, কারো রাস্ট্র চালানোর পুর্ব অভিগ্গতা( স্যরি) ছিল না; ফলে, তারাও জানতো না যে বাংলার লোকদের 'রিএ্যাকশন' কি হবে।
ফলাফল হতো, বাংলাদেশে উর্দু চালু হতো না; ছাত্ররা বিষয়টাকে 'ক্রিটক্যাল' পয়েন্টে নিয়ে যায়; ফলে, প্রাণহানি ঘটে।
আঙ্কেল, বোল্ড অঙশটুকুর সাথে একমত, তবে তাদের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার অভিজ্ঞতা ছিলো। তাই ভাষার প্রশ্নকেও প্রথমে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প দিয়েই আচ্ছাদনের চেষ্টা চলেছিলো। আমার মনে হয়, শিক্ষার্থীরা আন্দোলন না করলে এটা কোনোভাবেই একটি রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ লাভ করতে পারতো না।
উল্টোটাও হতে পারতো মনে হয়। কেউ রক্ত দিলো না, কোনো ক্রিটিক্যাল সিচুয়েশন হলো না, ফলশ্রুতিতে ষাট বছর পর আমি শনিবারের চিঠি লিখতাম- We could speak in Bengali, if they stood in the then period.
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
বহুল তথ্য সমৃদ্ধ পোষ্ট।
--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........
ধন্যবাদ জিনিয়াস ভাই।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
কৃতজ্ঞতা বেকা ভাই।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
এবং প্রিয়তে
_________________________________________________________________________________
ঢিল মারি তোর টিনের চালে...
অনেক ধন্যবাদ ও নিরন্তর শুভ কামনা
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
ধন্যবাদ
পরে মন্তব্য করতেছি
======================
শিশু অপরাধ করে না ভুল করে
ধন্যবাদ। অনুদা
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
পড়লাম।
_____________________
ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।
দেখলাম।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।
কৃতজ্ঞতা জানবেন।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
অ ট ঃ তাজউদ্দীন কে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে লেখা তার কন্যার বইটির নাম এবং বইমেলাতে কোথায়/ কোন স্টল এ পাওয়া যাবে জানাবেন দয়া করে ।
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
" যারা পাকিস্তানের সাথে রিকন্সিলিয়েশন এর ধুয়া তোলে , থুথু ছিটাই সেসব বেজন্মাদের মুখে "
মেইল দিয়েছি কিন্তু। একটা রিপ্লায় দিয়েন। কারণ ওয়ার্ড ফাইলে করা।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
ঠিক আছে , ধন্যবাদ
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
" যারা পাকিস্তানের সাথে রিকন্সিলিয়েশন এর ধুয়া তোলে , থুথু ছিটাই সেসব বেজন্মাদের মুখে "
শুরুটা চমৎকার হয়েছে ভাই। আর পেইজ ফরমেটিং বেশ দৃষ্টিনন্দন। প্রাসঙ্গিক একটা লেখা পড়েছিলাম বদরুদ্দিন উমর সাহেবের বেশ কিছুদিন আগে, সেটা নিচে লিংকায়িত করে দেয়া হল -
অথবা
ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভেলকিবাজি
অনেক ধন্যবাদ যাত্রীকে। কৃতজ্ঞতা ।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
দারুন একটা লেখা
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........
করিম ভাইকে ধন্যবাদ।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
দারুন পোস্ট!!
অ,ট,: ং বনাম ঙ পোস্টের অপেক্ষায়!!
-----------------------------------------------------
আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...
এই সিরিজ এর পরই দিবো দেবা ভাই।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
না- সামনের পর্বগুলোতে আরও অনেকেই আসবেন। সবচেয়ে বড়ো কথা এরপর আমি তাদের পরিচয় তুলে ধরার চেষ্টা করবো।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
সাথে আছি। চলুক।
রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সদস্য কি এই কজনই ছিলেন। উনাদের ব্যাপারে আর বিস্তারিত জানতে চাই।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
আপনার জন্য শুভ-কামনা। এ নিয়ে বিস্তর এবং ব্যপক লেখালেখি হয়েছে। কামনা করবো আপনারটা যেনো গতানুগতিক না হয়। রষ্ট্রভাষা আন্দোলনে ছাত্রদের ভূমিকা এত ব্যপক এবং বিস্তৃত যে এর বাইরে এই আন্দোলনে যারা সত্যিকার নিয়ামক শক্তি হিসেবে ভূমিকা পালন বরেছেন তারা খুব একটা জাজ্বল্যমান নন।তারপেরেও এ বিষয়ে তৎকালীন ছাত্র সমাজকে যারা প্রভাবিত করতে পেরেছিলেন এবং যারা অন্ততঃ তখনকার সময়ে স্বমহিমায় উজ্জল ছিলেন আপনার মহাকাব্যে তাদের নাম এবং সত্যিকার ভূমিকার পরিচয় পাওয়া যাবেতো ? তাহলে কিন্ত একটা কাজের মতো কাজ হবে।বিশেষ করে শ্রমজীবি অনেক মানুষ ওতপ্রোত ভাবে এই আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন। এছাড়া অনেক মহান নেতা তৎকালীন পটভূমিতে নবাগত বা তেমন প্রভাবশালী না হবার দরুণ রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে তেমন ভূমিকা রাখতে পারেননি কিন্ত পরবর্তীতে তাদের ভূমিকাকে বিশাল বড় করে দেখানো হয়েছে । এই ধরণের অপপ্রচার ঐ সমস্ত মহান নেতাদের ছোট করে দেখানোরই একটি চক্রান্ত। আশা করি আপনার লেখায় সত্য কথাগুলো তুলে ধরবেন । কারণ ইতিহাসের পাতে কোন বিকৃত বা অসত্য তথ্য টিকে থাকতে পারেনা। অর্ধসত্যকে পুরোপুরি সত্য বানানো অবশ্য আমাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট। যাহোক- ধন্যবাদ।
আমি চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
লেখায় পাঁচতারা। এ দেশের জন্ম থেকেই ধর্মের নামে নানান স্থায়ী ক্ষত করার চেষ্টা হয়েছে।
ভাষা আন্দোলনের কিছু আনসাং হিরো আছে যাদের সামনে আনা জরুরী। যেমন ধীরেন্দ্রনাথের কথা বিশেষ দাবী রাখে। ওনাকে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকেই পুত্র সমেত ভয়াবহ নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
উনার কথা কে বলবেন?? উনি তো ফুল হাতা!!
এমনি আরেক শহীদ বীরযোদ্ধাকে বীর শ্রেষ্ঠ খেতাব দিয়েও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তার দোষও ছিল সে ফুল হাতা!!
নাকি ভুল কইলাম??
-----------------------------------------------------
আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...
নাহ, ঠিকই বলছেন।
আমার কাছেও খবর আছে যে কেবলমাত্র ধ্মাধম ধর্মের হবার কারনেও অনেক বীর যোদ্ধার মূল্যায়ন হয় নাই।
আশা করি শনিবার মিয়া অন্তত ধীরেন্দ্রনাথকে নিয়ে একটি পূর্ন লেখা লিখবে। ধমাধমদের নিয়া আপাতত লেখার দরকার নাই।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
ধমাধম এর পূর্ণযাত্রা কবে শুরু??
আমারে পোস্ট দিবেন না??
-----------------------------------------------------
আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...
@আদিল মাহমুদ, সব মাথার উপ্রে দিয়া যাইতাছে গা ক্যা?
ফুল হাতা, ধমাধম এর মানে কি?
------------
অকিঞ্চন
banglaydebu.blogspot.com
আমি চেষ্টা করবো। অবশ্যই চেষ্টা করবো।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
ধীরেন্দ্রনাথের বসতবাড়ির এখনকার হাল।
ভাষাসংগ্রামী শহীদ ধীরেন্দ্রনাথের স্মৃতি হারিয়ে যাচ্ছে
*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।
আহা রে আমার দেশ।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
-----------------------------------------------------
আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...
অনেক ধন্যবাদ ।
আপনার জন্যেও শুভ কামনা।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
কবি আমার
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
নতুন করে কিছু বলার নেই।
~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!
ধন্যবাদ। এই ভাষা আন্দোলন থেকেই জাতীয়তাবাদের আন্দোলনগুলো সূচিত হয়।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
চমৎকার ধ্রুপদী লেখা। তৎকালীন ছাত্রসমাজের অবদান অনস্বীকার্য।
আমাদের আবেগ, ভালবাসা, কষ্ট, হাহাকার, সুখ, দুঃখ, স্বপ্ন, ঘৃণা, কান্না, প্রতিটি মুহুর্ত, প্রতিটি ক্ষণ, প্রতিটি অনুভূতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলা ভাষা। বাংলা ভাষা ছাড়া আমাদের আবেগ, ভালবাসা, কান্না, ঘৃণা, হাহাকার, সুখ, দুঃখ সবকিছু ম্লান হয়ে যায়। বাংলা ছাড়া আমাদের ভালবাসা প্রাণ পায় না, দুঃখগুলো জমাট বেঁধে যায়, ঘৃণা স্তুপ হয়ে যায়। তাই আবেগ অনুভূতিগুলো সজীব করতে প্রাণখুলে হাসতে, গাইতে, চলতে, ফিরতে আমাদের চাই মায়ের ভাষা, বাংলা ভাষা। পৃথিবীর আলো গায়ে মেখে পরম মমতায় যে শিশুটি তার মাকে ভালবেসে গলা জড়িয়ে ধরবে, সে কি অন্যের ভাষায় তার মাকে ডাকবে? সেই ভালবাসাতে কি তৃপ্তি হয়?
যে ভাষার সঙ্গে আমাদের সর্বস্ব জড়িয়ে আছে, সেই ভাষাকে বর্বর পাকিস্তানী কেড়ে নিতে চেয়েছিল। আমাদের শেকড়কে উপড়ে ফেলতে চেয়েছিল। আর তাই নাড়ীর টানে বাংলা ভাষাকে মায়ের ভাষাকে টিকিয়ে রাখতে বাংলার দামাল ছেলেরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে। রক্তে লাল হয়েছে রাজপথ। ভাষার জন্য যুদ্ধ করার, রক্ত দেয়ার এমন ইতিহাস পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি আর নেই। এই ইতিহাসের পথ ধরে বাঙালি পৌঁছে যায় স্বাধীনতা আন্দোলন ও রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে।
পরম শ্রদ্ধা ও লাল সালাম ভাষা সৈনিকগনের প্রতি।
----------------------------
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়
দারুণ লেখা....সরাসরি প্রিয়তে নিলাম।
.
~ "I am the way, the truth, the life" - Horus ~
চমৎকার বিশ্লেষণ।
লেখায় পাঁচ তারা
অ.ট- বাঙলা শব্দটি প্রাচীন কোন গ্রন্থে প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়?
ঙ এবং ং এর মধ্যে পার্থক্য কি?
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে
রাষ্ট্রভাষা নিয়ে ঢাকাতে জিন্নাহর ভাষণ-- যারাই উর্দুর বিপক্ষে তারা পাকিস্থানের শত্রু।
; এই ইস্যুতে আরও লেখা চলুক।
লেখা কি এক পর্বেই শেষ? তাহলে "মাইনাস"
অনেকদিন ধরে আমার মাথায় ঘুরা একটা প্রশ্ন এখন কিছু কিছু করে ক্লিয়ার হচ্ছে।
আমার কথা পুর্ব বঙ্গের বাঙ্গালীরা মুসলিম বঙ্গ চেয়েছিল, তাই তাদের আন্দোলনে বঙ্গভঙ্গ হয়েছে। ভঙ্গ বঙ্গ নিয়ে পাকিস্তান হয়েছে। এটাও তাদের চাওয়ার মধ্যেই কারন তারা আলাদা মুসলিম ভুমি চেয়েছিল। যখন তা পেল তখন পাকিস্তান থেকে আলাদা হল। এটা আমার কাছে আশ্চর্য লাগত যদিও বাংলাদেশের জন্মের কারন স্কুলের ইতিহাস বইতে পেয়েছিলাম তবুও মনকে বুঝাতে পারছিলাম না যে বাংলাদেশ হওয়ার কথা ছিল না কিন্তু হইছে। কারন অধীকাংশ বাংলাদেশী পাকিস্তানকে যথেষ্ঠ ভালবাসে।
বঙ্গকে ভঙ্গ করা পুরোটাই সাম্প্রদায়ীক রাজনৈতিক নেতাদের কারনে হয়েছে। এবং তারা উর্দুকেও মেনে নিচ্ছিল। ইতিহাস পাঠ্যবইয়ে পড়েছি পুর্ব্বঙ্গের মুসলমানরা আলাদা ভুমি চাইতেছে, আসলে চাইছে রাজনৈতিক নেতারা। রাজনৈতিক নেতাদের সব কথা যদি আসলেই যদি সাধারন মানুষ চাইত তাইলে উর্দুকেও তারা মেনে নিত।
কোন কারনে যদি জনগনের মধ্যে এই ম্যসেজ না আসত যে তাদের উর্দুতে কথা বলতে হবে তাইলে বাংলাদেশের জন্মও হত না।
বঙ্গভঙ্গকে আমি এখনো বাংলার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় কলঙ্ক ও নোংরা মানিসিকতা মনে করি।
------------
অকিঞ্চন
banglaydebu.blogspot.com
বঙ্গভঙ্গ এবং বঙ্গভঙ্গ রদ সম্পর্কে আপনার মত কি? এ দুটোর জন্য কারা দায়ী?
আপনি কি দুই বাঙলা পুনরায় এক করার পক্ষে?
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে
এদুটো প্রশ্ন অবান্তর এখানে। আমি কি চাই না চাই তাতে কিছু যায় আসে না। আমার আলোচনার মূল বিষয় ছিল বাংলাদেশের জন্ম হওয়ার কোন কারনই ছিল না, কারন রাজনৈতিক নেতারা পাকিস্তানের সাথেই ছিল। বাংলাদেশে পাকিস্তানকে সাপোর্ট করার মানুষের কোন অভাব নাই। আমি অনেক অনেক ভাল মানুষকেও পাকিস্তানের ব্যপারে নীরব থাকতে দেখেছি। প্রাসঙ্গীক বিষয়ে আসেন।
------------
অকিঞ্চন
banglaydebu.blogspot.com
ভাই আমি নতুন ব্লগার, এই মাত্র রেজিস্ট্রেশন করলাম, আমাকে একটু হেল্প করবেন দয়া করে , আমি কেন ব্লগ লিখতে পারতেছিনা ? আমার হোম পেজে দেখাচ্ছে এই পাতা টি উন্মুক্ত নয়, এর মানে কি ?
আমাকে ফেসবুকে সাবস্ক্রাইব করুনঃ http://www.facebook.com/Josephite.10
কয়েকদিন ওয়েটান..
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে
জর্জ অল্ড্রিন ঘোষ রেজি করবার পর একটা ফিরতি মেইল পাবেন ওইটাতে কনফারম কিল্লক না করলে লিখতে পারবেন না এই মেইলা অনেক সময় স্বারপম বক্স এ চলে যায় ওইটাখানেও চেক করুন
আর ব্লগে পোস্ট দিতে চাইলে নেভিগেশন অপশনে লিখুন অপশনটাতে যান ।
____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?
শনিবারের চিঠি লেখায় কয়েকটা ঘাটতি নিয়ে কথা বলতে চাই সঙগ্রামে, সঙবাদ , সাঙস্কৃতিক বরঙ এইভাবে ং বয়কট করার আপ্রাণ প্রচেষ্টা এবং নতুন বানান কায়দা সবার উপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা দীর্ঘমেয়াদে সুখকর ফলাফল বয়ে আনবে না । একজন পাঠক হিসাবে আমার আপনার লেখা পড়তে গিয়ে অর্ধেক মনোযোগ ওদিকেই চলে যায় আমি নিশ্চিত আমার মতো অনেক পাঠকেরও একই অবস্থা হয়েছে। বাংলাদেশ সংবাদ সংগ্রাম এইগুলা বহুল প্রচলিত ছোটবেলা হতে এইভাবেই দেখে আসছি এর বিপরীত কিছু পূর্ণবয়স্ক মস্তিষ্ক গ্রহন করতে রাজী না ।
এই কয়েকটা লাইনের পড়েই কেমন সবকিছু ফাস্ট ফরোওয়ারড হয়ে গেল ভাষা আন্দোলনের টাইমে চলে গেল । কিন্তু দ্বিজাতি তত্ত্ব বা ১৯৪৭ সালের পরবর্তী কয়েকটা বছর আসলেই কি কম গুরুপ্তপূর্ণ ? যারা কয়েক বছর আগেও মুখমে বিড়ি হাতমে পান লড়ঙে লেঙে পাকিশ্তান বলে স্লোগান দিয়েছে বাঙালীর পরিচয় বাদ দিয়ে হিন্দু মুসলিম হয়ে একে অন্যের গলা কেটেছে তারাই কেন হঠাৎ করে ঊর্দু বিরোধী হয়ে গেল ? কিভাবে শেখ মুজিবের মতো ব্যক্তি যিনি বাম আন্দোলন কিংবা কোন প্রকার প্রগতিশীল আন্দোলন করতেন না বরং ছিলেন মুসলিমলীগ পাকিস্তান আন্দোলনের একনিষ্ঠ কর্মি পরবর্তীতে বাঙালী জাতিয়াবাদি আন্দোলনের অন্যতম নেতাতে পরিণত হলেন ?
যে তাজউদ্দীন আহমেদ ৪৭ এর পূর্বে তার হিন্দু বন্ধুদের সাথে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে তর্কবিতর্ক করতেন তিনিই কিভাবে একে ধ্বংস করে দেওয়ার অন্যতম কারিগর হলেন ?
কি এমন মনসতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটেছিল কি ঘটনা তাদের প্রভাবিত করেছিল এইগুলা নিয়েই ধারাবাহিক আলোচনা করতে করতে মনে হয় ৫২ তে আসলে ভালো হয় নতুন প্রজন্মের জন্য সুবিধা হয়
লাস্টে ছোট আরেকটা ভুল নিয়ে কথা বলতে চাই ভাষা আন্দোলনের বিভাগে যে ইংলিশ কোট দিয়েছেন সেইখানে
elete বানান খানা ঠিক করে elite করুন ।
আপনার পরবর্তী লেখার জন্য জন্য অপেক্ষায় থেকে আপাতত বিদায় নিলাম ।
____________________________________
একটা টাইম মেশিন দরকার ছিল, কেউ কি ধার দিবেন ?
আজাদ মাস্টার- এইটা কিন্তু অনেক আগেই বয়কট, মানে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় হতেই। আমি চাপিয়ে দেবার চেষ্টা করছি না। আমি কেবল যুক্তি ও ব্যাকরণে এবঙ ভাষাবিজ্ঞানে অস্তিত্বহীন (বাঙলা ভাষার ক্ষেত্রে) একটি বর্ণ লিখবো না- এই আমার সিদ্ধান্ত। বিশদ ব্যাখ্যা আমি দেবো। কিন্তু এই সিরিজটা শেষ করি।
মাস্টার- ১৯৪৭ এর ১৫ আগস্ট পাকিস্তান তৈরি হয়, আমি সাতচল্লিশ এর ডিসেম্বর হতে শুরু করেছি। এরপর ১৯৪৮। ঠিক ফাস্ট ফরোয়ার্ড নয়, তবে আপনি যেহেতু বললেন- আমি চেষ্টা করবো, সাতচল্লিশের প্রেক্ষাপটটা, অন্য কোনো এক লেখায় নিয়ে আসতে। সেখানে ৪৬ এর দাঙ্গাটাও আসবে। আপতত, এর পরবর্তী ঘটনা পরম্পরাই লিখবো।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
এইটা নিয়ে লিখতে হলে যে পরিমাণ পড়াশুনা করতে হবে- আপাতত সেইটা আমার নাই। বিষয়টা মনস্তাত্ত্বিক- তাই সে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। তবে ধন্যবাদ, ধরিয়ে দেবার জন্যে- আমি এইটা নিয়ে চেষ্টা করবো।
।
বস, এই বানানটা নিয়ে আমিও ভাবছি। কিন্তু উদ্বৃতিটা Fazlur Rahman এর New Education in Making New Pakistan গ্রন্থ থেকে নেয়া। আমি চেক করেছি। এটাই লেখা আছে। এখন উদ্বৃতি যেহেতু, তাই চেইঞ্জ করি নাই।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
দারুন লিখেছেন দাদা। পড়ে বড়ো আনন্দ পেলুম। তথ্যবহুল লেখা। আপনাকে ধন্যবাদ না দিলে বড়ো অন্যায় হয়ে যাবে যে।
ধন্যবাদ।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
ভাষার প্রশ্নে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের অবদান আমাদের ইতিহাসে অনেকটাই অবহেলিত রয়ে গেছে।পাকিস্হান সৃস্টির পর ভাষার ব্যাপারে বারবার উর্দুর উপর জোর দেয়া হচ্ছিল। সরদার ফজলুল করিম তার স্মৃতিকথায় এই নিস্মৃতিচারন করেন-
" করাচীতে ন্যাশনাল এ্যাসেম্বলিতে রাস্ট্রভাষার ব্যাপারে আলাপ আলোচোনা চলছিল।এ্যাসেম্বলিতে সদস্যরা কোন কোন ভাষায় বক্তৃতা দিতে পারবে তা এ্যাসেম্বলির রুলস এ্যান্ড রেগুলেশানের মধ্যে লেখা থাকে। সেখানে লেখা ছিল, মেম্বারস মে স্পিক ইন উর্দু এ্যান্ড ইন ইংলিশ।
ধীরেন দত্ত কুমিল্লা কোর্টের একজন বড় উকিল ছিলেন। তিনি এ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্টকে উদ্দেশ করে বললেন: " স্যার আই হ্যাভ এন হাম্বল সাবমিশন। পাকিস্হানের মানি অর্ডার ফর্মে যদি শুধু উর্দু আর ইংরেজী ব্যবহার করা হয় তবে ইস্ট বেংগলের কৃষকেরা কীভাবে এই ফর্ম ব্যবহার করবে? ধরা যাক কৃষকের ছেলে স্কুলে পড়ে। সেই ছেলে বাবার কাছে টাকা চেয়ে চিঠি লিখেছে। বাবা তাকে মানিঅর্ডার করবে। এই কৃষক ফাদার কিভাবে মানিঅর্ডার ফর্মটি ব্যবহার করতে পারবে? এসব কথা অবশ্য ইংরেজীতেই হচ্ছিল।মানিঅর্ডারের ব্যাকগ্রাউন্ডটা দিয়ে তিনি বললেন, আই হাম্বলি সাবমিট, ইন দ্যা রিজলিউশান, দি মেম্বারস মে স্পিক আইদার উর্দু অর ইংলিশ, টু এ্যাড অ্যানাদার ওয়ার্ড দ্যাট দি মেম্বারস মে স্পিক আইদার উর্দু অর ইংলিশ অ বেঙ্গলি।' দয়াট ওয়াজ দি সাবমিশন অব ধীরেন্দ্র নাথ দ্ত্ত । কিন্তু তার সেই বিনীত দাবিটাকে দমন করা হল। লিয়াকত আলী খান ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে ভয় দেখাল এই বলে যে "তুমি প্রভিন্সিয়ালজম প্রিচ করছো, এটা চলবে না।"
সেই সে কাল: কিছু স্মৃতি কিছু কথা: সরদার ফজলুল করিম।
সেই প্রথম এ্যাসেম্বলিতে কেউ একজন বাংলা ভাষার পক্ষে কথা বলেছিল।
--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।
ধন্যবাদ রৈলো প্রিয় চারবাকের জন্যে।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
**********************************************
"Do not make any decisions when you are angry And never make any promises when you are happy."
ধন্যবাদ।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
লেখা ভাল হৈছে শনি, পরের পর্বের অপেক্ষায়। আর আজাদ মাস্টারের সাথে একমত ৪৭ থেকে ৫২ সময়টাতো লম্বা।
***********************************************************************
"এহনবি জিন্দা আছি, মৌতের হোগায় লাথথি দিয়া
মৌত তক সহি সালামত জিন্দা থাকবার চাই"
ধন্যবাদ হাদা দাদা। আজাদ মাস্টারের উত্তরটা দিছি।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
শনিদার লেখা খুব ভাল লাগে।
ভাষার মাসে এমন চমৎকার লেখা দিক নির্দেশনা মূলক।
লেখায়
সরাসরি প্রিয়তে।
--------------------------------------------------------------------------------------------
যেসকল বিএনপি সমর্থক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান, তারা একটু গু খাইয়া আসেন।
আগে
তারপর পড়া শুরু করলাম।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট। -রবীন্দ্রনাথ