Skip to content

ভাষার বিবর্তন

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রযুক্তি আমাদের ভাষাকে বিবর্তিত করছে খুব দ্রুত, প্রথম দিকে রোমান হরফে বাংলা উচ্চারণ লিখে বাতচিতের অনুভবটুকু এখনও স্পষ্ট মনে আছে। কিছুটা বিড়ম্বনা হতো মেনে নিচ্ছি, বাংলা শব্দের যে ছবি এবং অনুভব আমার মাথায় রোমান হরফে সে অনুভব কিংবা ছবি কখনও কখনও ভুল সংবেদও দিতো। যে পাঠক তারও অনভ্যস্ততা কিছুটা জটিলতাও তৈরি করতো।

পাঠ, অনুভব এবং উপলব্ধির মন:স্তাত্ত্বিক অভিঘাত নিয়ে আলোচনা করতে যাওয়াটাই বোকামি। সুতরাং রোমান হরফে বাংলা অনুভব আদান প্রদানের যুগ শেষ হয়েছিলো বাংলালাইভ আসবার পরে। কোলকাতার কেউ হয়তো বাংলা লাইভের জন্য আলাদা কিবোর্ড বানিয়েছিলেন, সেখানে রোমান হরফ টাইপ করে বাংলা লেখা যেতো, কিছুটা করিগরী ছিলো, অভ্যস্ত হতে বেশ কিছুদিন লাগলেও বাংলা লাইভ ওয়েবসাইটের একটাই সমস্যা ছিলো সেখানে শুধু চিঠি লেখা যেতো। এর মাঝে ইমেজ হিসেবে টাইপ করার একটা সফটওয়্যারও কেউ বানিয়ে ছিলো, তবে ইন্সট্যান্ট ম্যাসেঞ্জারের সাথে খাপ খাওয়া এবং সরাসরি ব্যবহার করা যায় এমন একটা সফটওয়্যারের অভাব বাংলা ভাষায় ছিলো।

বিজয়ের কিবোর্ড মুখস্ত করে টাইপ করার অভিজ্ঞতা আমার জন্য সুখকর ছিলো না, তার চেয়ে ফোনেটিকে রোমান হরফে বাংলা লেখা আমার জন্য সস্তিদায়ক ছিলো, অভ্র আসবার পর সেসব জটিলতা কমেছে। অভ্রের সন্ধান পাওয়ার আগেই অবশ্য বাংলা কম্যুনিটি ব্লগে ফোনেটিক সংযুক্ত হয়েছিলো। অবশ্য তখন আমার তেমন যোগাযোগের প্রয়োজন ছিলো না। গান আদান প্রদান, সুর করা কিংবা অন্যান্য কাজ ভয়েস ময়াসেঞ্জারে করা যেতো বলে দুই দেশে থেকে সঙ্গীতচর্চা কিংবা সুর করার কোনো ব্যাঘাত হয় নি, দিব্যি অস্ট্রেলিয়া আর জার্মানিতে থাকা বন্ধুর সাথে গানের সুর নিয়ে আলোচনা হয়েছে, গীটারের টিউন মেলানোর বাইরে আদতে অন্য কোনো সংকট থাকে না এ সময়ে।

বাংলাদেশে মোবাইলের অবাধ বিস্তার ঘটবার পরেও আমার মোবাইল ছিলো না, অনেক পরে যখন পিয়াল ভাইয়ের কল্যানে একটি মোবাইল সেট পেলাম, সেটাতে কখনও ম্যাসেজ লিখেছি বলে মনে পরছে না। সে মোবাইল সেট হারানোর পর অন্য এক বন্ধু আরও একটা মোবাইল উপহার দিয়েছিলো, আমার মোবাইলে ম্যাসেজ লেখার অভিজ্ঞতা সেই সেটেই। সেখানে এক ধরণের সীমাবদ্ধতা ছিলো, মাত্র ১৪০টা সংকেত লেখা যেতো। পথ চলতি কোনো কবিতার অংশ মাথায় আসলে তিনবার দুই চেপে এ বি সি করে রোমান হরফে কবিতা লেখার যন্ত্রনা অনেক কিন্তু প্রায় অনভ্যস্ত কবি হিসেবে খাতা কলমে কবিতা লিখে রাখাটা চলতিপথে সব সময় সম্ভব হতো না।

অবশ্য ১৪০ ক্যারেক্টারে কবিতা লিখতে যাওয়ার এক ধরণের আনন্দ আছে, শমিত দা টুইটারে যাওয়ার পর তাকে বলেছিলাম কথাটা। তিনিও বললেন আমি তো এখন ১৪০ ক্যারেক্টারেই লিখছি কবিতা। ভাষাটাকে যতটা সম্ভব সংক্ষিপ্ত করে অনুভব প্রকাশ করতে পারার ভেতরে এক ধরণের সম্পাদকীয় মুন্সিয়ানা আছে। যদিও এইসব কবিতার অনেকগুলোই রোমান ক্যারেক্টারে ২৭০ পর্যন্ত গিয়েছে-( স্পেসও এক ধরণের ক্যারেক্টার এটা টাইপ করটে গিয়ে বুঝেছি, প্রতিবার টাইপ করার সময় আর কয়টা ক্যারেক্টার বাকী সেটাও উপরে থাকতো, সে অনুযায়ী শব্দ বাছাই করে কবিতা লেখার ভেতরে এক ধরণের চ্যালেঞ্জ ছিলো) এত কিছুর পর সংক্ষিপ্ত এসএমএস তরিকা শেখা হয় নি। কেএমএন আদতে কেমন, এফএলএনজি আদতে ফিলিং এইসব বুঝতে কিছুটা কসরত করতে হয়েছে। সবগুলো যে এখন বুঝি সে দাবিও করবো না।

ইন্সট্যান্ট ম্যাসেঞ্জারে এলওএল, এলএমএও এইসব শব্দের অর্থ জিজ্ঞাসা করে কিঞ্চিৎ ভ্রুকোচকানির মুখোমুখি হয়েছিলাম। এইভাবে শব্দের আদ্যাক্ষর দিয়ে বাক্য গঠনের ধারণার সাথে পরিচিতি ছিলো না। আমার সব সময়ই বিস্তর খেলিয়ে বলার অভ্যাস ছিলো। এখন সবার হাতে হাতে মোবাইল, সবাই দিনে রাতে চ্যাটে অভ্যস্ত। তাই পথচলতি তরুণ যখন অবাক মুখভঙ্গি করে বলে ওএমজি তখন বুঝতে পারি আদতে বাক্যটা ও মাই গড। ম্যাসেঞ্জারের টুকরো স্ক্রীনের ভাষাটাও আমাদের মুখে চলে আসছে।

যখন কেউ হাসিমুখে লোল লোল লোল বলতে থাকে তখন বিষয়টা ভীষণ রকম হাস্যকর হয়ে গেলেও কেনো যে উচ্চস্বরে না হেসে লোল লোল করছে সেটা বোধগম্য হয় না। প্রাযুক্তিক অভ্যস্ততা আমাদের সে রকমই অনুভবশূণ্য করে দেয়। বাংলা ব্লগে হাহাপগে, হাহাপেদি এইসব বাক্যসংকোচন কয়েকজন উঠতি ব্লগারের কণ্ঠে শুনেছি এবারের বইমেলায়। আমাদের ভেতরেও একই ধরণের প্রবনতা জন্ম নিচ্ছে। ভাষার বিবর্তন শব্দের অদ্যাক্ষর উচ্চারণে এসে থামবে ভবিষ্যতে। হয়তো ছেলে বাইরে থেকে এসে বলবে আভাখা- আমি ভাত খাবো। কিন্তু আভখা যে শুধু এই অর্থেই ব্যবহৃত হতে হবে এমনতো না। ভবিষ্যতে যখন শাকসব্জি বিক্রেতারাও ফেসবুক আর ব্লগে অভ্যস্ত হবে তারাও শাকের আঁটিতে লিখবে আভাখা- আমাকে ভেজে খাও।

আমার মতো অতীতপন্থী মানুষজন এখন নেই, প্রায় অধিকাংশ মানুষই আমার দিকে একটু কেমন চোখে তাকিয়ে বলে - আপনার মোবাইল নেই? না কি আপনি নাম্বারটা আমাদের দিতে চাচ্ছেন না। বাসে উঠলেই দেখি সহযাত্রী মোবাইলের স্ক্রীনে মনোযোগ আটকে বসে আছে, কিপ্যাডে খুব দ্রুত আঙ্গুল ঘুরছে, আড়াই ইঞ্চি পরিসরে দু হাতের আঙ্গুল ছুটছে দ্রুত। তারা এসএমএস করছে, পড়ছে, ফেসবুক আর টুইটারে ঘুরছে হয়তো, অন্য কারো মোবাইল স্ক্রীনে উঁকি দিয়ে তাদের কাজ কারবার দেখবার অসভ্যতা করি নি বলে জানি না কারা কি করছে।

কিন্তু এর প্রভাবটুকু আমাদের ভাষা ব্যবহারকে প্রভাবিত করছে। আমার পরিচিত দুইজন কম্পিউটারের কিবোর্ড আর ফেসবুকের ৬৫০০০ ক্যারেক্টার লেখার সুযোগ পেয়েও আদতে এসএমএসের মতো সংক্ষিপ্ত ভাবে স্ট্যাটাস দিচ্ছে। কারণটা বুঝলাম না, বুঝলাম এখন এইসব বড় শব্দ লেখার আগ্রহ কারো নেই।

মোবাইল না থাকায় আমি আনন্দিত একদিক থেকে, থাকলেই হয়তো বিভিন্ন জন বিভিন্ন সময়ে ময়াসেজ পাঠাতো, সে ম্যাসেজের পাঠোদ্ধার করতে আমাকে আরও অনেক বেশী শ্রম দিতে হতো। এভাবেই কথ্য ভাষার সাথে লিখিত ভাষার ব্যবধার বাড়তে থাকে। অনলাইনে পরিচিত এক বন্ধু থাকতো ফ্লোরিডাতে, সে একদিন বললো এখানে শীত নেই। আমি বললাম আমার তো গরমই ভালো লাগে। শীতে আমার ভাবনাও জমে যায়।
সে বললো দেখো শীত গরমের চেয়ে ভালো, তুমি গরমে কাপড় খুলতে খুলতে হয়তো সব খুলে ফেলতে পারো কিন্তু তারপরও গরম লাগবে। কিন্তু শীতে তুমি যত পারো কাপড় গায়ে দিয়ে শীত ঠেকাতে পারবা। সে হাইস্কুল পাশ করেছিলো। ক্লদজ( যা আসলে দ-এর কোমল উচ্চারণে ক্ল'জ হয়ে দাঁড়ায়) লিখতে গিয়ে লিখলো ক্লোজ। ইউ ক্যান পুট অন মোর এন্ড মোর ক্লোজ বাক্যটার অর্থ জানতে চাওয়ার পর বুঝলাম আসলে কখনও কাউকে এভাবে ক্লোদজ লিখতে হয় নি তার। ভাষা জানা এবং শব্দের বানান জানাটা এক নয়। কালো সংগীতকার কিংবা দুর্দশাগ্রস্ত মেক্সিকান তরুণেরা দেয়ালে- গানে ভুল বানানে( কিংবা আমরা যে বানানে শব্দগুলোকে দেখে অভ্যস্ত ) কিংবা ভিন্ন বানানে লিখছে, তাতেও এইসব গানের বোধগম্যতা চলে যাচ্ছে না। সেইসব নাগরিক শব্দাবলী কিংবা পথচলতি মানুষদের ভাষার ব্যবহার এবং রাজনীতি নিয়ে একজন একটা গবেষণাগ্রন্থও লিখেছেন, ভাষা শেষ পর্যন্ত রাজনীতির চৌহদ্দিতেই ঘুরাঘুরি করে।

আমাদের এখানে এসএমএস রোমান বাংলা লেখা মানুষেরা পরবর্তীতে বাংলা বানানের প্রচলিত রীতি না মেনেই নিজেদের ভেতরে এক ধরণের যোগাযোগ তৈরি করতে পারবেন, সে ভাষা আমাদের পীড়িত করবে, আমরা উশখুশ করবো, আমরা শুদ্ধ বানানে বাংলা শব্দ লিখি বলে আত্মশ্লাঘা অনুভব করবো, আমরা তাদের উপদেশ দিবো আমাদের মতো শুদ্ধ বাংলা লিখতে। হাইকোর্ট আনিসুজ্জামানকে পণ্ডিত মেনে এমন একটাদায়িত্বই দিয়েছেন। আমাদের ভাষাবিকৃতির প্রধানতম লক্ষ্য এই ধরণের বিচ্যুতিগুলো কমিয়ে ভাষার প্রামাণ্যকরণ। এক ধরণের মাণ ভাষা তৈরির উদ্যোগ নেওয়াটা প্রয়োজনীয়, ভাষাপরিকল্পনাও গুরুত্বপূর্ণ, তবে ভাষাপরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ সেসব দেশেই যেখানে অনেক ধরণের ভিন্ন ভিন্ন ভাষাগোষ্ঠী বিদ্যমান। ইন্দোনেশিয়ায় সফল ভাবে ভাষা পরিকল্পনা প্রয়োগ করে সকল দ্বীপের জন্য এক ধরণের প্রমিত ভাষারীতি প্রচলন সম্ভব হয়েছে, পাকিস্তানে সরকারী হস্তক্ষেপে ভাষার প্রামাণ্যকরণের উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে, সরকারী হস্তক্ষেপের ফলে ইন্দোনেশিয়ায় যা সফল হলো তা কেনো পাকিস্তানে ব্যর্থ হলো এ বিষয়েও একজন একটি গবেষণা গ্রন্থ লিখেছেন, আইরিশ ভাষার ক্ষেত্রে গলিক ভাষাকে হটিয়ে ইংরেজীর আগ্রাসনের বিরোধীতা করে আইরিশ জাত্যাভিমানী কয়েকজন রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু করেছিলেন, তারা গলিক পুন:প্রচলণে আগ্রহী ছিলেন, কিন্তু দেখা গেলো গত ৫০০ বছরের আগ্রাসনে আইরিশ মানুষদের অনভ্যস্ততা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে তারা আর গলিক কিংবা গ্যালিক ভাষায় অভ্যস্ত হতে আগ্রহী নয়। জাতীয়তাবাদী উন্মাদনায় আইরিশ লোকজন ইংল্যান্ডের অপরাপর অঞ্চলের লোকজনের সাথে দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ করলেও তাদের গ্যালিক কিংবা গলিক প্রীতি জন্মায় নি।

যেকোনো ধরণের মাণভাষা নির্ধারণ যে ভাষায় অভ্যস্ত মানুষদের অন্যান্য মানুষদের তুলনায় অধিকতর যোগ্য করে তুলতে পারে, একটি প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে এমন পরিস্থিতি এক ধরণের অসমতা তৈরি করে। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারীর দুপুর ৩টার আগ পর্যন্ত বাঙালী রাজনীতিবিদগণ মূলত এই রাষ্ট্রনির্মিত অসমতার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই করছিলেন। বাংলা সংস্কৃতির প্রতি তাদের মোহ ছিলো না তেমন। তারা পাকিস্তানের রাষ্ট্র সংস্কৃতি নির্মানে আগ্রহী ছিলেন, তারা পুর্ব পাকিস্তান কিংবা পূর্ব বাংলায় পশ্চিম বঙ্গের তুলনায় পৃথক এক ধরণের ভাষিক সংস্কৃতি নির্মাণের প্রচেষ্টাও করছিলেন। যদি খাজা নাজিমুদ্দিন কিংবা জিন্নাহ এসে উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা করবার দাবি ন জানাতেন তাহলে হয়তো আমরা এত দিনে বাংলা ভাষার অক্ষরগুলোকে উর্দু কিংবা আরবি হরফে লিখতেও অভ্যস্ত হয়ে যেতাম, যেভাবে মৈথিলী ভাষা শিবিরে শিবিরে ঘুরে কিঞ্চিৎ বিবর্তিত হয়ে পার্সী হরফে স্থিতু হয়ে উর্দুতে পরিণত হয়েছে তেমনই পরিণতি হতো বাংলার। তা হয় নি কারণ পূর্ব বাংলার শিক্ষিত কিংবা স্বল্প শিক্ষিত, নব্য শিক্ষিত যুবকেরা মনে করেছিলো এরপরে কেন্দ্রে তাদের চাকুরীর সুযোগ আয় উন্নতির পথটা সংকুচিত হবে। [ আব্দুল হক যখন এ বিষয়ে প্রবন্ধ লিখেছেন সময়টা ১৯৪৮ এর প্রথম দিক, তমুদ্দিন মজলিস তাদের পুস্তিকায় এই দাবিটিকে সংস্কৃতির চেয়ে অধিকতর গুরুত্ব দিয়েছিলো]

বিষয়টি যখন প্রতিযোগিতার তখন শুদ্ধ বাংলা বলতে পারা মানুষজন অপরাপর অশুদ্ধ বাংলা ভাষী মানুষদের তুলনায় কিংবা অপরাপর গ্রাম্য মানুষদের তুলনায় নিজেকে একটু বেশী কেষ্টু-বিষ্টু ভাববে। এই মনে হওয়া, উচ্চমন্যতা ও হীনমন্যতার রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও থাকবে। ঔদার্য -অনৌদার্য্য মিলেমিশে এক ধরণের স্থিতি অবস্থা আসবে কোনো এক সময়। আঞ্চলিক ভাষাকে হেনেস্তা করার প্রবনতা তখন আরও তীব্র হবে। তখন কেউ কেউ আঞ্চলিক ভাষা ও ভাষিক বিভেদ ভুলে যাওয়ার সৎ পরামর্শ দিয়ে আদিবাসীদের সাংস্কৃতিক অধিকারের পক্ষেও তীব্র মতবাদপ্রচার করতে পারেন।

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বিজয়ের কিবোর্ড মুখস্ত করে টাইপ করার অভিজ্ঞতা আমার জন্য সুখকর ছিলো না, তার চেয়ে ফোনেটিকে রোমান হরফে বাংলা লেখা আমার জন্য সস্তিদায়ক ছিলো, অভ্র আসবার পর সেসব জটিলতা কমেছে।


অভ্র রে মাইনাস। Sad

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মেহেদীর সাথে পরিচয় নাই?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়লাম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাষাটাকে যতটা সম্ভব সংক্ষিপ্ত করে অনুভব প্রকাশ করতে পারার ভেতরে এক ধরণের সম্পাদকীয় মুন্সিয়ানা আছে।


বোঝাই যাচ্ছে এখনও মুন্সিয়ানা অর্জন করতে পারেন নি

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এখানে প্রয়োজন হয় না, যদি ৩০০ শব্দ সীমা বেধে দেওয়া হয় তাহলে হয়তো অন্য রকম বিবেচনা কাজ করতো।

লেখার দৈর্ঘ্য প্রস্ত নির্ধারণ করে পাঠকের মাণ-পাঠকের মাণ ভালো হলে ছোটো লেখা লিখে আরাম, নইলে বড় লেখাই ভালো, মন্তব্যে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ দিতে হয় না।

প্রাপ্তঃমনস্ক পাঠকদের জন্য ১০ বাক্যের লেখাই যথেষ্ট ছিলো, সেটা তো সব সময় পাওয়া যায় না,কিশোর-কিশোরীদের জন্য বিস্তারিত লেখাটাই দস্তুর।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

প্রাপ্তঃমনস্ক পাঠকদের জন্য ১০ বাক্যের লেখাই যথেষ্ট ছিলো, সেটা তো সব সময় পাওয়া যায় না,কিশোর-কিশোরীদের জন্য বিস্তারিত লেখাটাই দস্তুর।


হে হে হে, স্বমেহনে যে সুখ ... ...

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এই জন্য কি অভ্যাসটা ছাড়তে পারতেছেন না?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আবারও আমার কথার সারমর্ম বুঝতে আপনি ব্যার্থ। বেপার না, সবার সবকিছু বোঝার মতন আইকিউ থাকে না Laughing out loud

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার পরিতৃপ্তির হাসি দেইখ্যা বুঝলাম আইজক্যা ডলাডলি কইরা মজা পাইছেন বিস্তর। পরবর্তী সময়ের জন্য হ্যাপি হস্তমৈথুন।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

হে হে হে, এতক্ষণ ভেবেও মূল কমেন্টের মর্ম বুঝতে ব্যার্থ হইছেন ?

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।

glqxz9283 sfy39587p07