Home » ইতিহাস, দেশ, বিতর্ক, ব্লগরব্লগর

তরবারির ইসলাম ও ভারতবর্ষের ইসলাম।

লিখেছেন: পুরানপাপী

সোম, ১৩/১০/০৮ – ১০:৫৭ পুর্বাহ্ন43 টি মন্তব্য

পাকিস্তানের প্রয়াত প্রধান মন্ত্রীকে হত্যা করা হল গুলি করে। নির্বাচনী প্রচার সমাপ্ত করে উনি যখন গাড়িতে উঠেন। তখন গাড়ির উপরের অংশের ঢাকনা খুলে জনগণের অভিনন্দের জবাব তিনি দিচ্ছিলেন হাত নেড়ে । তখন সমাবেশের মাঝ হতে এক তরুন যুবক তাকে রিভালভার দিয়ে পর পর কয়েকটি গুলি ছোড়ে একদম নিকট দূরুত্ব থেকে। প্রথম প্রকাশিত ভিডিও থেকে হত্যাকারীর শুধু হাত ও গুলি চালনার দৃশ্যটিই দেখা যাচ্ছিল। পরবর্তীতে বিদেশী এমেচ্যার ভিডিও ম্যান রা আরো কিছু ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করলো। এতে হত্যাকারীকে ছবি সহ গুলি করতে দেখা যায়। এত কিছূ প্রমান থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তান সরকার একে র্দুঘটনা বলে চালিয়ে দেয়। তারা বলে গাড়ির ঢাকানার আঘাতে বেনজিরের মৃত্যু হয়েছে। আবার আরেক দল বিশেষজ্ঞ বলেন তাকে লেজার নিয়ন্ত্রিত অস্ত্রদিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এত কিছু প্রমান থাকা সত্ত্বেও বির্তক এখনো চলছে।

আমার এতকিছু বলার কারণ। অনেক যুক্তি প্রমান থাকা সত্ত্বেও আমরা অনেক কিছু সহজে মেনে নিতে চাই না। আর হাজার বছরের ইতিহাস ও তার চরিত্র গুলি নিয়ে ব্লগে বির্তক করা কি বুদ্বিমানের কাজ? আধুনিক বিজ্ঞানের ছোয়ায় এখন অনেক ইতিহাস নূতন নূতন করে লেখা হচ্ছে। তাই বস্তাপচা একতরফা ইতিহাস এখন আর কেহই পড়ে না। যেমন চৌদ্দ জন ইসলামিক সেনা নিয়ে ইখতিয়ার উদ্দিন মহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজির বঙ্গ বিজয়ের ইতিহাসকে এখন অনেকে ভুয়া মনে করে । তেমনি জিযার ডাকে সবাই মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ল এ ইতিহাসও একটা ভুয়া বলে আজ প্রমানিত। খোদ বিএনপির অনেক সর্মথন কারীদের কাছেও। তারা জানে জিয়াকে জাতে উঠানো জন্য এসব প্রচার করা হয়।

অনেকে বলেন তরবারি দিয়ে ইসলাম প্রচার হয়েছে। তার প্রতিত্তুরে কট্টর পন্থিরা বলেন তাহলে ভরত বর্ষে হিন্দুরা কিভাবে টিকে থাকলো? দুই পক্ষের লোক এটা নিয়ে বির্তক করতে থাকে। তারা কিন্তুু এই বির্তকের সময়কালের কথা ভুলে যান। তারা আরবের ইসলাম প্রচারের কাহিনী আর ভারতের ইসলাম প্রচারের কাহিনী এক করে ফেলেন । আরবে ইসলাম প্রচার হয়েছে বলতে গেলে তরবারির জোড়ে । আর ভরতে ইসলাম প্রচার কিন্তুু হয়েছে অন্যভাবে । এখানে বলে রাখতে হবে যে মুহম্মদের মৃত্যুর পর আরব জাহান সেই আগের গোত্র দন্দে জড়িয়ে পড়ে। কালক্্রমে তারা বিভিন্ন ভাগে ভাগ হয়ে যায়। এরপরে কালান্তরে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ হয়ে পড়ে। যা বর্তমানে আমরা দেখি। বর্তমানের ইযামেন, কাতার, বাহারাইন, আরব-আমিরাত,ওমান,ব্র“নাই, কুয়েত এগুলো সহ অরো অনেক দেশ আগে সৌদি আরবের অন্তভুক্ত ছিল। বিভিন্ন সময়ে এসব দেশ সৌদিদের থেকে বিছিন্ন হয়ে যায়।

অনেকেই মনে করেন ভারতে যে মুসলমানরা আক্রমন করে হিন্দুদের পরাজিত করে ইসলামের বিজয় পতাকা উঠিয়েছে তারা আরব মুসলমান। একতরফা মুসলমানের ভারত বিজয়ের ইতিহাস যারা লিখে তারা এ ধরনের বক্তব্য দিয়েই লেখা শুরু করে। যার ফলে বর্তমানে এ ধরনের বির্তক শুরু হয় যে মুসলমানরা তরবারির জোড়ে সবাইকে কেন ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করল না? কেন ভারত বর্ষের অধিকাংশ মানুষ অমুসলিম থেকে গেল?
এর উত্তরে বলতে হয় ভারত বর্ষে যে মুসলমান রা আক্রমনকারী হিসেবে অথবা যাদের কে আমরা দেশ দখল কারী হিসেবে দেখি তারা আরব মুসলমান না। এমনকি তারা আরবদের থেকে কম শিক্ষিত পারস্য দেশের মুসলমানও না । তারা অশিক্ষিত,বর্বর, রুক্ষ ক্ষমতা লোভি বর্তমান আফগানিস্থানের মুসলমান। তারা ইসলাম প্রচারের জন্য ভারতে আসে নাই। তারা এসেছিল দেশ শাসন করতে। কোথা থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসল গজনির মাহামুদ ভারতের উত্তর প্রদেশে তারপর শুরু ভারতের মন্দির ভাংগার ইতিহাস। এভাবে সে নিজেকে হিন্দু বিরোধী হিসেবে পরিচিত করল ভারত বাসীর কাছে। কিন্তু কত দিন পরই তার আসল উদ্দেশ ধরা পড়ে যখন সে হিন্দু রাজা তিলক কে তার সেনাপতি বানিয়ে আফগানিস্থানে তার বিদ্রোহীদের দমন করে। বহু মুসলিম এই তিলকের হাতে মারা যায় এভাবে সে ভারতে মুসলমান দিয়ে হিন্দু নিধন আর হিন্দু দিয়ে পাক-আফগানের মুসলমান নিধন করে ভারতবর্ষ শাসন করেন। এরপর ভারত বর্ষে যে সব মুসলমান শাসকেরা এসেছে তারা হিন্দু রাজাদের সাথে তাদের রাজত্ব মেনে নিয়ে দেশ শাসন করেছে। হিন্দু রাজা রা শাসকের পক্ষে কর উঠিয়ে বিভিন্ন সময়ে তুর্কি, আফগান ও মুঘোল শাসকদের গোলামী করতো যা ব্রিটিশদের আমল পযর্ন্ত চলেছিল । এখানে উল্লেখ্য যে, ভারতের মারাঠা ও দক্ষিন ভারতের আরেকটি রাজ্য কখনোই মুসলমান ও ব্রিটিশদের পদানত হয় নাই।

এখানে উল্লেখ্য যে এসব মুসলমান শাসকদের আগে আরব বনিকেরা ভারতে এসেছিল । তাদের সাথে ভারতীয়দের সুন্দর সম্পর্ক ছিল। তারা এখানকার আর্যুবেদ চিকিৎসা ব্যবস্থা শেখার জন্যও আসত। তারা এখানে ধর্মান্তর কাউকে করাতো না। ভারতে ইসলাম প্রচার হয়েছে অনেক পরে । বিশেষ করে যখন ভারতে বর্ণপ্রথা চরমে তখন দলে দলে বাংলাদেশের নিুবর্ণের লোকেরা মুসলমান হয়ে গেছে। এখানে আরও উল্লেখ্য যে এরা আগে অনেকে বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিল। এছাড়া অরেকটি কারণ যেটি ছিল সেটি হচ্ছে জিজিয়া করের ব্যবস্থা । অমুসলিমদের জিজিয়া কর দিতে হত। মুসলমানদের কোন জিজিয়া কর দিতে হত না। এমতা অবস্থায় অনেক গরীব হিন্দু জিজিয়া কর ও হিন্দু জমিদারের পাওনার যৌথ চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে। অনেক হিন্দু জমিদার তাদের এলাকার হিন্দুদের অনেক পাওনা মাফ করে দেয় যাতে তারা মুসলমান শাসকদের জিজিয়া কর দিতে পারে ফলে সেসব এলাকার হিন্দুরা মুসলমান হয় নাই। মুঘল সম্রাট আওরংজেবের সময় এই জিজিয়া করের বাড়াবাড়িটা ছিল মাত্রারিক্ত বেশি। সেই সময় কেই জিজিয়া কর দিতে না পারলে তাদের কে মুসলমান শাসকরা চবুক দিয়ে পেটাতেন। এই সময়টাতেই বাংলাদেশের হিন্দুরা ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে বেশি। আজ বিভিন্ন গবেষনায় ইহা প্রমানিত হয়েছে যে , অর্থনৈতিক কারণেই মানুষ তার স্বকীয় ধর্ম পরিবর্তন করেছিল অতীতে। সুতরাং কোন ধর্মে আর্দশ ও ভ্রাত্ব দেখে লাফ দিয়া সে ধর্মে ঢুকা একটা ভুয়া কথা ভুয়া ইতিহাস বলে আজবের জমানায় বিবেচিত।

VN:F [1.5.0_759]
Rating: 2.3/5 (2 votes cast)
শেয়ার করুনঃ
  • Facebook
  • Google Bookmarks
  • Digg
  • Technorati
  • del.icio.us
  • Live
43 টি মন্তব্য | 230 বার পঠিত | |

  • চেরমেনসাব ১৩/১০/০৮ ১১:১১ পুর্বাহ্ন 1

    What about Malaysia and Indonesia? Did Islam use sword upon them? Hope you will give answer.

  • সুমিত ১৩/১০/০৮ ১১:২২ পুর্বাহ্ন 2

    তরবারির জোর এ ইসলাম প্রতিষ্ঠা হয়েছে অর্থ এই নয় যে দুনিয়ার যত জায়গায় মুসলিম কনভার্ট আছে সবাই ই তরবারির জোর এ হয়েছে।

    বরং এই কথার অর্থ হল মুহাম্মদ এর যুগে ও তার পর এর সময়ে ইসলাম কে একটি ম্যেজর ধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে তরবারি ই ব্যভার করে হয়েছে। এবং সেটাই আসলে ইসলাম এ মূল প্রতিষ্ঠা।

    Islamic Empire

    এই প্রতিষ্ঠা তরবারি দিয়েই হয়েছে।

    আমি

    আমি ১৩/১০/০৮ ১২:১৩ অপরাহ্ন

    ঠিক। (Y)

  • আশিক ১৩/১০/০৮ ১১:৩৫ পুর্বাহ্ন 3

    জিজিয়া করের বিষয়টি আমি কোন কোন স্থানে পড়েছি এবং এ বিষয়ে আমি দ্বিমত পোষন ও করছিনা তবে বিষয়টি রেফারেন্স সহ দিলে তথ্যের গ্রহনযোগ্যতা আরো বৃদ্ধি পেত ।

    আর শেষের লাইনটি
    “কোন ধর্মে আর্দশ ও ভ্রাত্ব দেখে লাফ দিয়া সে ধর্মে ঢুকা একটা ভুয়া কথা ভুয়া ইতিহাস বলে আজবের জমানায় বিবেচিত।”

    কোন ধর্ম বলতে হয়ত লেখক এখানে ইসলাম ধর্মকেই বলে থাকতে পারেন সেক্ষেত্রে আমার মনে হয় কথাটি পুরোপুরি ঠিক না কারন লেখক পোস্টের একাংশে নিজেই বর্ননা করেছেন এভাবে
    “বিশেষ করে যখন ভারতে বর্ণপ্রথা চরমে তখন দলে দলে বাংলাদেশের নিচুবর্ণের লোকেরা মুসলমান হয়ে গেছে। ”
    আর এটা সম্ভব হয়েছিল ইসলাম ধর্মের সাম্য এবং ভাতৃত্ব বোধের কারন থেকে।

    আরেকটি কারন যেটা হতে পারে জিজিয়া করের কারনে সেটা আমি শুরুতেই উল্লেখ্য করেছি।

    পোস্টের জন্য (Y)

    পুরানপাপী

    puranpapi ১৩/১০/০৮ ১:৩৯ অপরাহ্ন

    “বিশেষ করে যখন ভারতে বর্ণপ্রথা চরমে তখন দলে দলে বাংলাদেশের নিচুবর্ণের লোকেরা মুসলমান হয়ে গেছে। ”
    বিশেষ করে যখন ভারতে বর্ণপ্রথা চরমে তখন দলে দলে বাংলাদেশের নিুবর্ণের লোকেরা মুসলমান হয়ে গেছে। এখানে আরও উল্লেখ্য যে এরা আগে অনেকে বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিল।

    আশিক মনে হয় আপনার পড়ার সময় এই লাইনের সাথে পড়ের লাইনের কথা বাদ গিয়েছে। আমি এখানে বৌদ্ধ ধর্ম থেকে ইসলাম হওয়ার কথা বলেছি। এবং সেটা হয়েছে জিজিয়া কররে কারণে ।
    আর শেষের লাইনটি

    “কোন ধর্মে আর্দশ ও ভ্রাত্ব দেখে লাফ দিয়া সে ধর্মে ঢুকা একটা ভুয়া কথা ভুয়া ইতিহাস বলে আজবের জমানায় বিবেচিত।”

    এটা বর্তমান সময়ের গবেষকদের উপলব্দি ও বিশ্লেষন যা আমি এখানে উল্লেখ করেছি মাত্র। ভারতে এখন অনেক মুসলমান হিন্দু হচ্ছে গুজরাটে। অবাার দলে দলে দলিত বৌদ্ধ হচ্ছে । এতে আশ্চর্য এর কিছু নাই। সবই অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তার কাণে ঘটে থাকে।

  • চেরমেনসাব ১৩/১০/০৮ ১১:৫০ পুর্বাহ্ন 4

    সুমিত give some example.

    সুমিত ১৩/১০/০৮ ১২:০৬ অপরাহ্ন

    একটু পড়াশোনা করলেই পাবেন। চার খলিফা, উম্মায়াদ আর আব্বাসিদ দের যুদ্ধ গুলি পরেন।

    চেরমেনসাব ১৩/১০/০৮ ১২:২৬ অপরাহ্ন

    I know. But there is no example in there, where Muslims use their power(sword) to convert people by force. Rather you should study more to broad your mind.

    সুমিত ১৩/১০/০৮ ১২:৩৭ অপরাহ্ন

    how funny!!

    The conquest of Syria, 637
    The conquest of Armenia, 639
    The conquest of Egypt, 639
    The conquest of North Africa, 652
    The conquest of North Africa, 665
    The second Arab siege of Constantinople 717-718
    The conquest of Tbilisi, 736
    The conquest of southern Italy, 827
    Conquest of Persia: 633-651
    Conquest of Transoxiana, 662-709
    Conquest of Sindh: 664-712
    Conquest of Hispania: 711-718
    Conquest of the Caucasus: 711-750
    Conquest of Nubia: 700-1606

    need more?

    do you even know the meaning of the word “conquest”?

    চেরমেনসাব ১৩/১০/০৮ ১২:৪৪ অপরাহ্ন

    I know what Crusades means. Christians used the word conquest here.

    Muslims ruled Spain for about 800 years. The Muslims in Spain never used the
    sword to force the people to convert. Later the Christian Crusaders came to
    Spain and wiped out the Muslims. There was not a single Muslim in Spain who
    could openly give the adhan, that is the call for prayers.

    Now give a close look, don’t act like fool

    The First Crusade : 1096 to 1099

    The Second Crusade : 1147 to 1149

    The Third Crusade : 1189 to 1192

    The Fourth Crusade : 1201 to 1204

    The Fifth Crusade : 1218 to 1221

    The Sixth Crusade : 1228 to 1229

    The Seventh Crusade : 1248 to 1254

    The Eighth Crusade : 1270

    সুমিত ১৩/১০/০৮ ১:০২ অপরাহ্ন

    did i ever say that christians never used force?

    how did the muslim get the rule of spain? through conquest. ie. attacking and killing the non-muslim visigoth ruler.

    :D

    চেরমেনসাব ১৩/১০/০৮ ১:১৭ অপরাহ্ন

    :D :D Do you know what happened after that?

    The Muslim period in Spain is often described as a ‘golden age’ of learning where libraries, colleges, public baths were established and literature, poetry and architecture flourished. Both Muslims and non-Muslims made major contributions to this flowering of culture.

    A life for some one that was Christian or Jewish in Islamic Spain was not as tough as you think they were treated better than most people would treat a defeated group of people (at least until 1050 when their present leader changed the rule)because of the following reasons .”They weren’t forced to live in any certain spots that were in bad condition” .They were not enslaved and forced to serve high noble people in the era .They were not forced to leave their religion and have it replaced with Islam so they could still worship their own religions .They were not ever forced to die under Muslim rule for no reason .They were not stopped from taking any jobs different than Muslims (they actually took on more jobs than the Muslims because some jobs were shunned by religion for Muslims to do so they do them).They were allowed to work in the Islamic civil service.They were also allowed to contribute to the Islamic society with stuff such as art and culture, but obviously they were only tolerated for special reasons only they had to do the following:.If they acknowledged the Islamic superiority .If they accepted the Islamic power .

    I KNOW SOME PEOPLE NEVER LEARN ;) ;)

    সুমিত ১৩/১০/০৮ ১:৫৪ অপরাহ্ন

    ইসলাম স্পেন এ ভালো এফেক্ট ফেলেছে না খারাপ এফেক্ট ফেলেছে তা নিয়ে এখানে কথা হচ্ছে না। ইসলাম স্পেন এ গিয়েছে তরবারি তে ভর করে। উপরে আমার দেয়া ম্যাপ এর বাকি সব স্হান এও তাই ই সত্য।

    চেরমেনসাব ১৩/১০/০৮ ২:৪৫ অপরাহ্ন

    conquest a land and convert other religious people in Islam is completely different issue. Which one r u focusing?

    notun notun bal jalaile aina diea dekha; shumit tomar hoise shei obostha.

    porashuna koro

    সুমিত ১৩/১০/০৮ ৩:৩৭ অপরাহ্ন

    ইসলাম প্রতিস্ঠা নিয়ে কথা হচ্ছিল। Convert করে নিয়ে না। স্পেইন এর “golden age” এর কথা ও বাড়িয়ে বলা হয়। আ্যরাবিয়েন পেনিনসুলা ও আসে পাশের এরিয়া তে মানুষ কে তরবারি দিয়েই convert করে হয়… একই বিষয় নিয়া আর প্যাচাল পাড়তে পারব না।

    মানুষ কে respect করে শিখে আসবেন।

  • মলিকিউল ১৩/১০/০৮ ১১:৫৪ পুর্বাহ্ন 5
    মলিকিউল

    লেখে যান। আপনার পোষ্টে অনেক কিছু জানা যায়। তয় রেফারেন্স দেন। নাইলে এটাও বিশ্বাসযোগ্য মনে হইবো না।
    (Y) (Y)

  • গেদু চাচা ১৩/১০/০৮ ১২:০৬ অপরাহ্ন 6

    পড়লাম তবে সব কিছু কেমন যেনো কনফিউজিং লাগলো। মুলত ইতিহাস জানিনা বলে।

    কিছু রেফারেন্স দিলে বোধহয় আরো ভালো হত লেখাটা।

    পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

    পুরানপাপী

    puranpapi ১৩/১০/০৮ ১:৪৪ অপরাহ্ন

    বহু বই পড়ে সংক্ষেপে বর্ণনা দিলাম তাই আপনার কাছে ভাল লাগলো । কনফিউজড তো আপনি আগে হয়ে আছেন । তাই বিভিন্ন লেখকের ইতিহাসের বই পড়েন দেখবেন সব কনফিউশন দূর হয়ে যাবে।

  • আমি ১৩/১০/০৮ ১২:১২ অপরাহ্ন 7
    আমি

    মারহাবা! জনাব। (Y)

  • চেরমেনসাব ১৩/১০/০৮ ১২:১৩ অপরাহ্ন 8

    If you read the history properly with broad mind you will see most religion used sword upon Muslims (For political reason or personal gain) . Christian were the first who start religious killing with the name of religion via Crusades.

    Here is the time line of Crusades
    * the first, 1095-1101;
    * the second, headed by Louis VII, 1145-47;
    * the third, conducted by Philip Augustus and Richard Coeur-de-Lion, 1188-92;
    * the fourth, during which Constantinople was taken, 1204;
    * the fifth, which included the conquest of Damietta, 1217;
    * the sixth, in which Frederick II took part (1228-29); also Thibaud de Champagne and Richard of Cornwall (1239);
    * the seventh, led by St. Louis, 1249-52;
    * the eighth, also under St. Louis, 1270.

    Even that, we Muslims are terrorist. Guys how many people died for idiocy of Adolf Hitler. Hitler was Christian. So do we call Christian terrorist?

  • স্বাধীনতা তুমি ১৩/১০/০৮ ২:০৩ অপরাহ্ন 9

    ভারত বর্ষে মুসলিম শাসকরা কখনই ইসলাম প্রচার করেনি বা করার জন্যে তারা আসেনি। ইম্পেরিয়ালিজমের সময় রাজা বাদশাদের রাজ্য জয় করে মানুষকে শাসন এবং শোসন করার তাদের নেশা ছিল। সেই সুত্র ধরেই গজনীর সুলতান মাহমুদ থেকে শুরু করে পরবর্তীতে পাঠান এবং মোঘলরা এই দেশ শাসন করতে আসে। এদেশে এসে তারা যখন বিশাল সম্পদ ভাণ্ডার দেখতে পায় তখন তারা কৌশল অবলম্বম করে হিন্দু রাজাদের সাথে যুক্ত হয়ে দেশ পরিচালনা করতে থাকে, কারণ এতে তারা দীর্ঘকাল ধরে এখানে রাজত্ব করতে পারবে এই বিষয় মাথায় রেখে। মুল শাসন ব্যবস্থাকে তারা হতে রেখে ঐ হিন্দু রাজাদেরকে দিয়েই দেশ পরিচালনা করতো। এর কারণ হিন্দুদের মধ্যে যেন কোন বিদ্রোহ সৃষ্টি না হয়। অত্যন্ত কৌশলী ছিল এরা দেশ শাসনের ক্ষেত্রে।

    মুলত ভারত বর্ষে ইসলাম ধর্ম প্রচার হয় সুফীবাদের মাধ্যমে। বিভিন্ন পীর, আউলিয়া, ফকির এই এলাকায় বিভিন্ন সময় এসে ইসলাম ধর্ম প্রচার করে। এরা ছিল আবার অত্যন্ত সুক্ষ বুদ্ধি সম্পন্ন কৌশলী। এরা বিশেষত আধ্যাত্মিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ ছিল। ফলে সাধারণ নিম্ন বর্ণের হিন্দুদের উপর যে অন্যায় অত্যাচার হতো, তাকে পুজিকরে তারা ধর্মের কিছু ক্যারেশমাতি দেখিয়েই মুলত এখানে ধর্ম প্রচার করতো। এইভাবে যখন তারা ধীরে ধীরে প্রভাবশালী হতে থাকলো জনে এবং ধনে, তখন তারা এই অঞ্চলের হিন্দু রাজাদের উপর প্রভাব বিস্তার করতে চেষ্টা করে। পরবর্তিতে এদের প্রভাব এবং জন সংখ্যা বৃদ্ধি হওয়া হার দেখে হিন্দু রাজারাও তাদের সাথে আপোষ করেই চলতে থাকে। শুধু হিন্দুরা না, পরবর্তিতে মুসলিম শাসকরাও এদের সাথে আপোষ করেই চলে।

    অতএব মুসলিম শাসকরা সুফিবাদের অনেক পরে আসে। ভারত বর্ষে ইসলাম ধর্ম প্রচার গজনীর সুলতান মাহমুদেরও অনেক আগের কাহিনী।

    পুরানপাপী

    puranpapi ১৩/১০/০৮ ৯:০৫ অপরাহ্ন

    সুফিবাদের মাধ্যমে ভারতে ইসলাম প্রচার যদিও আমি পোস্টে লিখি নাই । কিন্তুু আপনার কথা সত্যি যে সুফি আলারা অনেক কে নানা রকম ক্যরিশমা দেখিয়ে অনেক নিম্ন বর্ণের হিন্দু কে মুসলমান বানিয়েছে। কিন্তুু সেটা হয়েছে সুলতান মামমুদ গজনির ভারত আক্রমন করার পর। কারণ গজনির মাহামুদের অাক্রমনে ভারতে সাম্প্রদায়িক বিভাজন ঘটে। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগায় পূর্ব থেকে উপস্থিত সুফিবাদি রা। আপনি বলেছেন সুফিবাদিরা আধ্যত্বিক জ্ঞ্যান সম্পন্ন। কিন্তুু সেটা বেদান্ত ও হিন্দু পুরান থেকেই ধার করা অধ্যাত্ববাদ। এতে নূতন কিছুই নাই। সুফিবাদ প্রসার ঘটেছে পার‌স্যে। এর জন্ম যদিও আরবে কিন্তুু এর প্রসার ঘটেছে পারস্যে। তাই সুফিবাদের সকল বই ফারসিতে লেখা । আরবের ইমাম গজ্জালীর ধর্মতত্ত্বই সুফিবাদের ভিত্তি। অারবের ওহাবীরা তাকে কাফের ,মুরতাদ ঘোষনা করে তাকে সমাজ থেকে বহিস্কার করে। তারপর এই সুফিবাদ ইরান-ইরাকে এসি নিও-পেল্টইজম,গ্রীক দর্শন, রোমান দর্শন ইত্যাদির ছোয়ায় আরও উন্নত হয়। জল্লুলদ্দিন রুমি,ওমর খৈয়াম, শেখ সাদী এরা সুফিবাদের প্রসার ঘটান সেখানে । ভারত বর্ষে এটি খাজা মইন্নুদ্দিন চিশতী,অরাও অনেক পীর আউলিয়া এরা বৈদিক দর্শনের মসলা লাগান। কারণ মুসলমানের একাশ্বর বাদ এখানে পুরান তত্ত্ব বলে বিবেচিত হয়। তাই এই ধর্ম ভারতে গৃহিত হয় নাই সেই সময়ে মানে গজনির মাহামুদ আক্রমনের আগে। কিন্তুু আক্রমনের পরে যে ময়দান তৈরী হয়ে গেল তখনই সুফিবাদের মাধ্যমে এখানে ইসলাম প্রচার হয়। কিন্তুু সেটা অতন্ত্য ধীর গতিতেই ছিল ।এটা বেগ পায় জিজিয়া কররে চাপাচাপিতে।

    স্বাধীনতা তুমি ১৩/১০/০৮ ৪:০৪ পুর্বাহ্ন

    “কিন্তুু সেটা হয়েছে সুলতান মামমুদ গজনির ভারত আক্রমন করার পর।”

    -সুফিবাদ প্রচার গজনীর সুলতান মাহমুদের পরে নয় আগে থেকে। কারণ মাহমুদের কাল আমার স্মরণ শক্তি যদি দুর্বল না হয় তাহলে দশম দশকের দিকে। কিন্তু আউলিয়া, সুফিদের আগমন তারও আগে। যেমন বায়েজিদ বোস্তামীর কাল নবম দশকের দিকে। তবে ইতিহাসবিদদের কথা, বায়েজিদ বোস্তামীর পূর্বেও আরও অনেক আওলীয়া এসেছিলেন এই উপমহাদেশে, যাদের ইতিহাস হয়তো তেমন ভাবে এখন পাওয়া যায় না।

    “কিন্তুু সেটা বেদান্ত ও হিন্দু পুরান থেকেই ধার করা অধ্যাত্ববাদ। এতে নূতন কিছুই নাই।”

    -এখানে আপনি আবার ভুল করেছেন। সুফিবাদের আধ্যাত্মবাদ বেদ বা পুরান থেকে ধার করা নয়। এটার মধ্যে গ্রীক এবং পারসিয়ান মাইথোলজির প্রভাব ছিল। যেটাকে ইসলামো-মেটাফিজিক্স নামে পরিচিত। এরা পরবর্তিতে ইসলাম ধর্ম প্রচারের সাথে রাজনীতিকে সম্পৃক্ত করে ফেলে। এই সুফিরা মুসলিম সুলতানদের দক্ষিন হস্তে পরিনত হয়ে যান। সুলতানদের শক্তি আর সুফিদের সরিয়া, ফিকাহ আর ফতোয়া কাজে লাগিয়ে একের পর এক রাজ্য দখল এবং শাসন করতে থাকে। তবে মুলত ইসলাম প্রচারের কাজটা আউলিয়ারাই করতো।

    “ভারত বর্ষে এটি খাজা মইন্নুদ্দিন চিশতী,অরাও অনেক পীর আউলিয়া এরা বৈদিক দর্শনের মসলা লাগান। কারণ মুসলমানের একাশ্বর বাদ এখানে পুরান তত্ত্ব বলে বিবেচিত হয়। তাই এই ধর্ম ভারতে গৃহিত হয় নাই সেই সময়ে মানে গজনির মাহামুদ আক্রমনের আগে।”

    -দুই এক শতাব্দি আগেও যদি লক্ষ্য করা যায় তাহলে সনাতন ধর্মের হিন্দু ব্রাহ্মনরা নিম্ন বর্ণের হিন্দুদেরকে তাদের ধর্মগ্রন্থ বলে উল্লেখিত গ্রন্থ বেদ, পুরাণ, মহাভারত এবং রামায়ণ স্পর্শ করতে দিত না। কারণ এতে শুধু মাত্র উচ্চ বর্ণ ব্রাহ্মনদেরই একছত্র অধিকার বলে মনে করতো, তাই নিম্ন বর্ণের হিন্দুরা যদি তা স্পর্শ করতো তাহলে তা অধর্ম বলে তাকে সাস্তি দেয়া হতো। ফলে নিম্নবর্ণের হিন্দুরা ব্রাহ্মনের মুখে শোনা কথাটুকুকেই ধর্ম বলে জানতো। তারা কখনই না জানতে পারতো বা পড়তে পারতো ঐ সব গ্রন্থে ধর্ম সম্পর্কে কি লিখা আছে। সেই নিম্ন বর্ণের হিন্দু যারা প্রথম দিকে মুসলমান হতে শুরু করে সেই আধ্যাত্মিক জ্ঞান সম্পন্ন আউলিয়াদের দ্বারা, তারা কিভাবে বুঝবে এটা বেদ বা পুরাণের রূপান্তর? এটা আসলে ঠিক নয়। আসলে এই নিম্ন বর্ণের হিন্দুরা উচ্চ বর্ণের হিন্দুদের দ্বারা ভীষন ভাবে অত্যাচারিত হবার কারণে পুঞ্জিভুত ক্ষোভের প্রকাশ ঘটিয়ে ছিল মুসলমান হয়ে। কারণ আউলিয়াদের মুখে বেলালের পুথি, দাস মুক্তির পুথি ইত্যাদি তাদেরকে আকৃষ্ট করে তুলে ধর্মান্তর হবার জন্যে। এই ভাবেই ইসলাম প্রচার হতে থাকে এই উপমহাদেশে। পরবর্তিতে মাহমুদ দশম শতাব্দি এবং মোহাম্মদ গৌরী একাদশ শতাব্দিতে ইসলামিক রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে এই উপমহাদেশে।

    পুরানপাপী

    পুরানপাপী ১৩/১০/০৮ ১১:২৩ অপরাহ্ন

    ভারতে এখনো হিন্দুদের মধ্যে নিম্ন বর্ণের হিন্দুই বেশি। শতকরা ৬০%। তাহলে তারা কেন ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে নাই। এটা ঠিক তাদেরকে বেদ পড়তে দিত না কিন্তু তারা লোকমুখে বেদের ও পুরানের সবকিছুই শুনতো। আসলে সুফিবাদের মাধ্যমে ইসলাম প্রচার শুরুতে হয় নাই এমন কি গজনীর সুলতান মাহামুদ ভারত আক্রমনের প্রায় ৩০০ বছর পরও। সুফিবাদ এখানে এসে পরিবর্তিত হয়ে গেছে। যাহা সনাতন বৈদিক ধর্মের দর্শন দ্বারা প্রভাবিত। বাংলাদেশে এর দ্বারা বেশি মুসলমান হয়েছে কারণ এখানে জিজিয়া কররে পাশাপাশি চলত নিম্ন বর্ণে হিন্দুদের উপর নির্যাতন। এখানে বৌদ্ধ রা দলে দলে মুসলমান হয়েছে বেশি। হিন্দুরা হয় নাই। এখানে পাল ও সেন রাজারা রাজত্ব করেছে এর মধ্যে পাল রা ছিল বৌদ্ধ। আর বুড়া লক্ষন সেনের কোন প্রভাব এখানে ছিল না। এছাড়া অনেক রাজা মুসলমান হয়েছে তার ভাইকে পরাজিত করার জন্য এমন ইতিহাসও আছে।

    পুরানপাপী

    পুরানপাপী ১৩/১০/০৮ ১১:২৮ অপরাহ্ন

    কিন্তুু সেটা হয়েছে সুলতান মামমুদ গজনির ভারত আক্রমন করার পর। কারণ গজনির মাহামুদের অাক্রমনে ভারতে সাম্প্রদায়িক বিভাজন ঘটে। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগায় পূর্ব থেকে উপস্থিত সুফিবাদি রা।

    আমি অস্বীকার করলাম কই। এত দ্রুত কমন্টে পড়লে তো অনেক কিছু বাদ যাবে।

    রেলগাড়ী ১৩/১০/০৮ ১২:১১ পুর্বাহ্ন

    তাদেরকে বেদ পড়তে দিত না বলেই তো তারা জানতে পারেনি যে ধর্মগ্রন্থ সমূহেও মূর্তিপূজা নিষেধ আছে। পুরোহিতরা বুঝিয়েছে আর তারা পূজা করেছে।
    পুরোহিতরা এটা করেছে নিজেদের স্বার্থে, অর্ঘ্য , সম্মান আর সোমনাথ মন্দিরের মতো নারী পাওয়ার জন্য। সে জন্য হাজার বছর ধরে পূজার প্রচলন আজো তারা ছাড়তে পারে নি।

    পুরানপাপী

    পুরানপাপী ১৩/১০/০৮ ১২:৩৩ পুর্বাহ্ন

    হিন্দুদের বেদ আপনি খুব ভালই জানেন দেখি। ভাই বেদ বিশষেজ্ঞ বলেন তো হিন্দুদের এই বেদ আসল কিভাবে। তারপর বলেন পূজা কাকে বলে। আর হিন্দুরা বেডির লোভে সব কিছু করে না। দেখেন না বেশির ভাগ হিন্দু বিয়া করলে একটাই করে। সোমনাথ মন্দিরে পুরোহিত রা কি করত সেটা আপনে যে দেখছেন খুব ভাল কথা কিন্তু সবাই তো সোমনাথ মন্দিরে পুরোহিত দেখতে যায় না। এমনকি সেখানে কেই ভায়াগ্রা ট্যবলেট নিয়াও কেহ যায় না যেমন বাংলাদেশের হাজিরা হজ্বে যাওয়ার সময় ভাযাগ্রা নিয়া যায় হাজার হাজার প্যকেটে।

  • হাসান রায়হান ১৩/১০/০৮ ৩:৩৫ অপরাহ্ন 10
    হাসান রায়হান

    গজনির মাহামুদ ভারতের উত্তর প্রদেশে তারপর শুরু ভারতের মন্দির ভাংগার ইতিহাস। এভাবে সে নিজেকে হিন্দু বিরোধী হিসেবে পরিচিত করল ভারত বাসীর কাছে। কিন্তু কত দিন পরই তার আসল উদ্দেশ ধরা পড়ে যখন সে হিন্দু রাজা তিলক কে তার সেনাপতি বানিয়ে আফগানিস্থানে তার বিদ্রোহীদের দমন করে। বহু মুসলিম এই তিলকের হাতে মারা যায় এভাবে সে ভারতে মুসলমান দিয়ে হিন্দু নিধন আর হিন্দু দিয়ে পাক-আফগানের মুসলমান নিধন করে ভারতবর্ষ শাসন করেন।

    ————————————————————————————
    সুলতান মাহমুদ কি ভারত শাসন করেছে? আমি যতদূর জান্তাম বছরের পর বছর ভারতে এসে লুটপাট করে গজনি ফিরে যেত।

    পুরানপাপী

    puranpapi ১৩/১০/০৮ ৯:০৭ অপরাহ্ন

    হা-হা-হা । আপনার কমেন্ট পড়ে হাসি থামাইতে পারছি না। :] :] :] (Y)

  • নেতা ১৩/১০/০৮ ৩:৩৯ অপরাহ্ন 11
    নেতা

    লেখা ভাল হইছে কিন্তু ব্রুনাই তো সৌদি আরবের কাছা-কাছি কোন দেশ না।সৌদি থেকে দশ হাজার মাইল দূরে মানে ইন্দুনেশিয়ার পাশে ছোট একটি দেশ ;;)

    পুরানপাপী

    puranpapi ১৩/১০/০৮ ৯:১০ অপরাহ্ন

    ব্রনাইটা মনে হয় ভুলে এসে গেছে। অসালে অনেকদিন আগের পড়া তো সবকিছূ মনে রাখতে পারি না।

  • বাঙালি ১৩/১০/০৮ ৪:০৭ অপরাহ্ন 12

    ইংরেজি বাক্যগুলোকে বাংলায় লিখলে আমরা অনেক কিছু জানতে পারলাম।
    যেভাবে সবাই রেফারেন্স চাচ্ছে, তাতে মনে হল একটা লাইব্রেরির খোঁজ দিতে হবে। আরে বাবা, এত কথার দরকার কি? যে কোন বিষয়ে জানার জন্য পক্ষে বিপক্ষের বই পড়লেই জানা যায়। রেফারেন্স কি প্রত্যেক বৎসরেই দিতে হবে? সামহোয়ারে একবার দিতে হয়, আমার ব্লগে দিতে হয়, আগামীতে আরও অন্য কোন ব্লগে দিতে হবে। এভাবেই রেফারেন্স দিতেই থাকবে দিতেই থাকবে। আর শেষে কি হবে? মানুষ কি মানবিক হবে? মানুষের মধ্যে কি পরিবর্তন আসবে? পরিবর্তন আসতে হলে মানুষকে স্বশিক্ষিত হতে হবে। যে মুর্খ থাকতে চায়, তাকে পেটালেও সে পড়াশোনা করবে না। গাধা পিটিয়ে কি মানুষ বানানো যায়? না যায় না।

    ইসলাম প্রসঙ্গে আসি। একটা সহজ প্রশ্ন। ইসলাম কি কাউকে শান্তি দিতে পেরেছে? কোন দেশ কি শান্তিমতো পরিচালনা করতে পেরেছে? ৫১টার মধ্যে( ইসলামি দেশ) এমন কোন দেশ কি আছে যে দেশ জ্ঞানে-বিজ্ঞানে, সাহিত্যে সংস্কৃতিতে বিজ্ঞানে বিশ্বের নেতৃত্বের আসনে আছে? না নেই। অর্থনৈতিক স্বচ্ছন্দ আছে। কিন্তু বুদ্ধিবৃত্তিক সাফল্য নেই। কেন? কারণ একটাই। আর সেটা হল ইসলাম। ইসলামই সমস্ত অনর্থের মূল। আমি মানুষকে দোষ দেইনা। মানুষ যে দর্শন দ্বারা পরিচালিত হয় আসলে দোষ তার। মনে রাখতে হবে, ইসলামের মূল কথাই হলো Nothing personal। আপনারা যাকে সূফীজম বলছেন, তা মূল ইসলাম বিরোধী (আরবে একটাও পীরের মাজার নেই)। এই ইসলামবিরোধীদের ইসলাম প্রচারণাকে যারা গ্রহণযোগ্য মনে করেন, তাদের জন্য করুনা ছাড়া আমার হাতে কিছুই নেই। যারা ইসলামের হাত থেকে তরবারি কেড়ে নিতে চান, তারা ইসলামকেই আসলে নপুংসক করতে চান। তারাই ইসলামের প্রধান শত্রু। কারণ তরবারি ছাড়া ইসলাম আর ভাঁড়ামো সমার্থক হয়ে যাবে। আসলে ইসলাম কোন ধর্মই নয়। এটা একটা মতবাদ, ডগমা জাতীয় কিছু। হিন্দুদের বা বৌদ্ধদের মধ্যে যেরকম গ্রুপিং (গুরু) আছে অনেকটা সেরকম। রেফারেন্স দিতে হবে না। দর্শন নিয়ে পড়াশোনা করুন। নিজেই বুঝতে পারবেন। আর কাজের চাপে পড়াশোনার সময় না থাকলে, এসব জটিল বিষয় বোঝার চেষ্টা বাদ দিন। ব্যাঙ/ছ্যাঙ যা বিশ্বাস করেন, তাকে নিয়েই থাকুন। কাজে মনোযোগ দিন। দেশে আরও বেশি টাকা পাঠান। আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, লাইব্রেরি গড়ে তুলুন। এসব কাজে দেবে অনেক বেশি।

    সুমিত ১৩/১০/০৮ ৪:১২ অপরাহ্ন

    (Y)

    স্বাধীনতা তুমি ১৩/১০/০৮ ৬:২৯ অপরাহ্ন

    বাঙালী এই মন্তব্যটা পোস্ট আকারে দিয়া দেন। দেখা যাক মানুষে কি কয়। এই পোস্টের গুণে যদি দেশে বেশী বেশী ইউরো আর ডলার আসে তাতে ক্ষতি কি?

  • নরাধম ১৩/১০/০৮ ৫:২০ অপরাহ্ন 13

    (N) (N) (N) (N) (N) (N)

    লেখা পড়ে হাসতে হাসতে পেদে দিলাম। কোন রেফারেন্স নেই, শুধু বিবৃতি।

    ইসলাম প্রসঙ্গে আসি। একটা সহজ প্রশ্ন। ইসলাম কি কাউকে শান্তি দিতে পেরেছে? কোন দেশ কি শান্তিমতো পরিচালনা করতে পেরেছে? ৫১টার মধ্যে( ইসলামি দেশ) এমন কোন দেশ কি আছে যে দেশ জ্ঞানে-বিজ্ঞানে, সাহিত্যে সংস্কৃতিতে বিজ্ঞানে বিশ্বের নেতৃত্বের আসনে আছে? না নেই। অর্থনৈতিক স্বচ্ছন্দ আছে। কিন্তু বুদ্ধিবৃত্তিক সাফল্য নেই। কেন? কারণ একটাই। আর সেটা হল ইসলাম। ইসলামই সমস্ত অনর্থের মূল।

    আনসারিং-ইসলাম.কমে বেশি যাওয়া হচ্ছে ইদানিং আপনার সেটা বুঝাই যাচ্ছে। ১৯৫০ সাল পর্যন্ত বেশিরভাগ মুসলিম দেশ ব্রিটিশ, ফ্রেন্চদের ওপনিবেশ ছিল। গত ৫০ বছরের মধ্যে ইসলামিক দেশগুলো যদ্দুর এগিয়েছে সেটাকে আমি রিমার্কেবল বলব। “ইসলাম সমস্ত অনর্থের মূল” সেটা ছাগলামি কমেন্ট। ইসলাম সকল অনর্থের মূল হলে ৬০০/৭০০ বছর ইসলামী সভ্যতা এত গ্রেট হতনা।

    যতই আবালের মত ইসলামের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা করুন ইসলামের ততই লাভ। আগামী ৫০ বছরের মধ্যে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ মুসলিম-মেজরিটি হবে। যুক্টরাষ্ট্রে কনভার্ট-রিভার্টের দিক দিয়ে সবচেয়ে দ্রুত-গতিতে বৃদ্ধ পাচ্ছে ইসলাম। জ্ঞানে-শিক্ষায় উন্নত হয়েও তারা ইসলামের ছায়াতলে কেন আসতেছে?

    রেফারেন্স ছাড়া জামাতি ছাগুদের মত পোস্টে মাইনাস।

    বাঙালি ১৩/১০/০৮ ৫:৫২ অপরাহ্ন

    কত সাল থেকে ইসলামি দেশগুলো ব্রিটিশ, ফ্রান্সের উপনিবেশ? তার আগে তারা কি করেছে?
    একই বৎসরে সৃষ্টি হয়েও ইহুদী ইসরাইল ও ইসলামি পাকিস্তানের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের সংখ্যা কত তা বলবেন কি?
    অন্যের রেফারেন্স কেন, নিজে কি বুঝেছেন, তাই বলুন। আপনি নিজে কতটুকু ইসলামিক জীবন যাপন করেন? সেটা কতটুকু ইসলাম সম্মত? জামাত বাদ দিন। আপনি কি অন্য কোন অজামাতি ইসলামি দলকে রাষ্ট্র চালানোর ভার দেবেন? সেটা বলুন।

    স্বাধীনতা তুমি ১৩/১০/০৮ ৬:৩৫ অপরাহ্ন

    ইহুদী ধর্ম ইসলামের অনেক পূর্বের, তাহলে ইহুদীর সংখ্যা খৃষ্টান বা মুসলিমের চেয়ে কম কেন?

    নেতা

    নেতা ১৩/১০/০৮ ৭:৩৭ অপরাহ্ন

    স্বাধীনতা তুমি @ ইহুদী হতে হলে ইহুদী ঘরে জন্ম নিতে হয় তারপরও বাবা মা দু’জন কেই ইহুদী হতে হবে এক জন হলে হবে না ;;) আর অন্য কোন উপায়ে ইহুদী হওয়ার ব্যবস্থা নেই :(

  • নীড় সন্ধানী ১৩/১০/০৮ ৫:৩০ অপরাহ্ন 14
    নীড় সন্ধানী

    পুরানপাপীর ইতিহাস সামারিটা আমার কাছে আংশিক গ্রহনযোগ্য মনে হয়েছে। বিস্তারিত পরে লিখবো। এখন পড়েই গেলাম। আপনার লেখা আমাকে সত্য জানতে উৎসাহিত করে। যদিও অনেক ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। তবে বেশীরভাগ ভেদই দৃষ্টিভঙ্গিগত।

    লেখাটার জন্য ধন্যবাদ। (F) (F)

  • প্রশ্নোত্তর ১৩/১০/০৮ ৯:৪১ অপরাহ্ন 15

    সুন্দর আলোচনা, ভালো লাগলো। স্বা.তু’র কথা ফেলে দেয়া যায় না। ইসলাম প্রচারে তথা যেকোন ধর্ম প্রচারেই যারা শুধু একটাই কারণ দেখতে পান, তারা আসলে ইতিহাসকে এড়িয়ে আবেগ নিয়ে থাকতে চান। ধন্যবাদ।

  • রেলগাড়ী ১৩/১০/০৮ ১১:৫০ অপরাহ্ন 16

    গজনির মাহামুদ এসেছিলো সোমনাথ মন্দির-কে গূড়িয়ে দিতে, সোমনাথ মন্দির বদমায়েশীর আখড়া ছিলো সে সময়।

    পুরানপাপী

    পুরানপাপী ১৩/১০/০৮ ১২:৪১ পুর্বাহ্ন

    খুব ভাল কথা । গজনীর মাহামুদ ভেংগে দিছে। তো জনাব অনেক মাদ্রাসার টিচার মাদ্রাসাতে কচি কচি মাগী + মর্দ র সাথে বদমায়েশী করে বেড়ায়। এখন কি সেগুলো দমন করার জন্য মাদ্রাসাগুলি গুড়িয়ে দেওন যায় না।

  • মাভেরিক ১৩/১০/০৮ ৩:১৯ অপরাহ্ন 17
    মাভেরিক

    এর উত্তরে বলতে হয় ভারত বর্ষে যে মুসলমান রা আক্রমনকারী হিসেবে অথবা যাদের কে আমরা দেশ দখল কারী হিসেবে দেখি তারা আরব মুসলমান না। এমনকি তারা আরবদের থেকে কম শিক্ষিত পারস্য দেশের মুসলমানও না

    বেশি কিছু বলার নাই। ধর্ম আলোচনার দিকে যাচ্ছি না। আপনি শুধু এইটুকু ব্যাখ্যা করেন, আরবদের থেকে কম শিক্ষিত পারস্য দেশের মুসলমান। মধ্যযুগের ইতিহাসের আলোকে এটা নিয়ে আলোচনা করলে একটু ভাল হয়।

ট্র্যাকব্যাকঃ

আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে মন্তব্য করার জন্য!