ব্রিটিশদের কি সত্যিই কোন সংবিধান নাই।
লিখেছেন: পুরানপাপী
ব্রিটিশদের কি সত্যিই কোন সংবিধান নাই। তারা কি সত্যিই সংবিধান ছাড়া পরিচালিত হয় । আসলে সংবিধান কি ? এই সম্পর্কে আমাদের বেশির ভাগ ব্লগারের পরিস্কার ও স্বচ্ছ ধারনা নাই বলেই আমরা এসব বলে থাকি। তবে দোষ যে শুধু আমাদের ব্লগারদের না তারা পত্রিকার বুদ্ধিজীবীদের আলোচনায় উপর ভর করেই এসব বলে থাকে। তাই আজ সংবিধান নিয়ে একটা পোস্ট দিলাম।
সংবিধান হলো সেই সব নিয়ম কানুনের সমষ্টি যা দ্বারা সরকারের ক্ষমতা, শাসিতের অধিকার এবং শাসক ও শাসিতের মাঝে সম্পর্ক নির্ধারিত হয়। প্রখাত্য চিন্তাবিদ সি এফ স্ট্রং এটি বলেছেন।
লর্ড ব্রাইসের মতে – “শাসনতন্ত্র হলো এমন কতকগুলি আইন বা প্রথার সমষ্টি যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় জীবন পরিচালিত হয়।” ব্রাইসের সংজ্ঞা অনেকটা সংকীর্ণ। কারণ তিনি ইংল্যন্ডের আইন ব্যবস্থার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সংবিধানকে প্রথার সমষ্টি বলেছেন। অথচ ব্রিটেন এবং নিউজিল্যান্ড ছাড়া অন্যান্য দেশে সংবিধানকে কখনো প্রথার সমষ্টি হিসেবে দেখা যায় না।
আবার, কেউ সংবিধানকে ব্যপক অর্থে গ্রহন করেছেন । কে সি হুইয়ার, হুড ফিলিপস ইত্যাদি আইন বিজ্ঞানী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে কোন দেশের শাসন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রনকারী সমস্ত লিখিত ও অলিখিত নিয়ম-কানুনকে বোঝাবার জন্য ‘সংবিধান’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
অবার যারা সংবিধান কে সংকীর্ণ অর্থে গ্রহণ করেছেন (যেমন থমাস পেইন) তাদের মতে, সংবিধান বলতে শাসন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রনকারী কেবল মাত্র লিখিত নিয়মগুলোকে বোঝায়; যদি দলিল আকারে দেখানো না যায় তাহলে সেটাকে সংবিধান বলা যায় না।
প্রকৃত অর্থে সংবিধান বলতে শাসনব্যবস্থা নিয়ন্ত্রনকারী লিখিত ও অলিখিত উভয় নিয়ম কানুনকেই বোঝায়। কারণ ব্রিটেনে যেমন অলিখিত সংবিধান কিন্তুু সেখানে শাসনব্যবস্থা সংক্রান্ত অনেক বিধান লিখিত ( যেমন ম্যাগনা র্কাটা, বিল অফ রাইটস ইত্যাদি)। আবার মর্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান লিখিত হওয়া সত্ত্বেও তথায় সরকারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অংগ যেমন কেবিনেট, রাজনৈতিক দল, কংগ্রেসের কমিটি ইত্যাদি সংক্রান্ত বিধান অলিখিত।
উপরের এসব অলোচনার প্রেক্ষিতে সংবিধানের নিুলিখিত ধারণা দেয়া যায় –
সংবিধান হলো লিখিত বা অলিখিত কতগুলো আইনের সমষ্টি যা রাষ্ট্রের প্রকৃতি, সরকারের ধরণ নির্দেশ করে, সরকারের বিভিন্ন বিভাগের মাঝে ক্ষমতা নির্ধারণ করে এবং শাসক ও শাসিতের মাঝে সম্পর্ক নির্দেশ করে।
সংবিধানের প্রকারভেদ
সংবিধানকে প্রথমত (ক) লিখিত ও অলিখিত এবং দ্বিতীয়ত (খ) দুষ্পরিবর্তনীয় ও সুপরির্বতনীয়- এই দুই পদ্ধতিতে শ্রেনীবিভাগ করা হয়ে থাকে।
যে সংবিধানে শাসনব্যবস্থা সম্পর্কিত মৌলিক নীতিসমূহের অধিকাংশ লিখিত থাকে তাকে লিখিত সংবিধান বলে । ইহা বিশেষ দিনে বিশেষ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পাশ করা হয়ে থাকে। ইহাকে দলিল আকারে দেখানো যায়। যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান,বাংলাদেশের সংবিধান , ভারতের সংবিধান ইত্যাদি।
পক্ষান্তরে, যে সংবিধানে শাসনব্যবস্থা সম্পর্কিত মৌলিক নীতিগুলো এক বা একাধিক দলিলে লিখিত নেই বরং মৌলিক নীতিগুলি বিভিন্ন আচার, প্রথা, রীতি-নীতি এবং বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্তের মধ্যে বিরজমান থাকে তাকে অলিখিত সংবিধান বলে।ইহা কোন বিশেষ দিনে কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পাশ করা হয় না। যেমন, ব্রিটিশ সংবিধান। কিন্তুু শাসন তন্ত্রের এই শ্রেনীবিভাগ বিজ্ঞানসম্মত নয় কারণ প্রকৃত পক্ষে কোন সংবিধানই সম্পূর্ন লিখিত বা সম্পূর্ণ অলিখিত হতে পারে না। অলিখিত শাসনতন্ত্রেও কিছু কিছু বিধান লিখিত থাকে, আবার লিখিত সংবিধানেও কিছু কিছু বিধান অলিখিত থাকে। উদাহরণস্বরুপ, ব্রিটেনের সংবিধান মূলত অলিখিত হলেও উহা সম্পূর্ন অলিখিত নহে। ইহাতে বেশ কিছু লিখিত বিধান আছে। যেমন, THE MAGNA CARTA, THE BILL OF RIGHTS, PETITION OF RIGHTS, THE GREAT ACT OF SETTLEMENT.ইত্যাদি লিখিত দলিল শাসন তন্ত্রে স্থান লাভ করেছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের শাসন তন্ত্র লিখিত বটে কিন্তুু ইহাতে রাজনৈতিক দলের সংগঠন, ক্যবিনেট, কংগ্রেস কমিটি, কংগ্রেসের কর্মপদ্ধতি কোথাও লেখা নাই। অথচ এগুলো সংবিধান সংক্রান্ত ব্যপার এবং এগুলো অলিখিতভাবে প্রথা ও প্রচলিত রীতি-নীতির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সুতরাং প্রত্যেক শাসনতন্ত্রই লিখিত ও অলিখিত উপাদানের সংমিশ্রন। এজন্য বলা হয় “লিখিত ও অলিখিত সংবিধানের পার্থক্য কোন রকমারী পার্থক্য নহে; ইহা মাত্রাগত পার্থক্য মাত্র ।”
সুপরিবর্তনীয় ও দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান।
যে সংবিধানকে সাধারন আইন প্রনয়ন পদ্ধতির সাহায্যে পরির্বতন করা যায় তাকে সুপরিবর্তনীয় সংবিধান বলা হয়। সাধারন আইন প্রনয়ন পদ্ধতি বলতে বোঝায় পার্লামেন্টের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে আইন প্রনয়ন। অর্থাৎ পার্লামেন্টের উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্য সংখ্যার অর্ধেকের চেয়ে ১ বেশী সংখ্যক সমর্থনের মাধ্যমেই সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমানিত হয়। এই সাধারন সংখ্যাগরিষ্ঠাতার মাধ্যমেই দেশের সকল সাধারন আইন পাশ করা হয় থাকে।
উদাহারণ স্বরুপ, ব্রিটেনের সংবিধান সুপরিবর্তনীয় । কারণ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট যে প্রনালীতে সাধারন আইন পাশ করে সেই একই প্রনালীতে আবার শাসনতান্ত্রিক আইন প্রনয়ন করে থাকে। এজন্য ব্রিটেনে সাধারণ আইনও সাংবিধাক আইনের মাঝে কোন পার্থক্য দৃষ্ট হয় না।
অন্যদিকে , যে সংবিধানের পরির্বতন করা সাধারণ আইনের প্রনয়নের পদ্ধতিতে সম্ভবপর হয় না এবং পরিবর্তনের জন্য এক বিশেষ পদ্ধতির অবলম্বন করতে হয় তাকে দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান বলে। সেই সব সংবিধান পরিবর্তন করতে সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ সর্মথন দরকার কিংবা তিন-চতুর্থাংশ সমর্থন আবার কখনো পরির্বতনের জন্য গণভোটের প্রয়োজন হয় এ জাতীয় সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়। এ জাতীয় সংবিধানকে পার্লামেন্ট ইচ্ছা করলেই পরিবর্তন করতে পারে না। কারণ মোট সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ কিংবা তিন চতুর্থাংশ সর্মথন পাওয়অ কিংবা গণভোটে সমর্থন আদায় করা অনেক কষ্টসাধ্য ব্যপার। এজন্য দুষ্পরিবর্তনীয় শাসনতন্ত্রের বেলায় সাংবিধানিক আইন ও সাধারণ আইনের মাঝে পার্থক্য থাকে। সাংবিধানিক আইন সাধারণ আইনের তুলনায় অধিকতর মর্যাদাসম্পন্ন হয়ে থাকে।
উদাহরণস্বরুপ, আমাদের বাংলাদেশের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান। কারণ বাংলাদেশ পার্লামেন্টের মোট সদস্যা সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছাড়া সংবিধানের কোন বিধান পরির্বতন করা যায় না। তাছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, সরকার ব্যবস্থার ইত্যাদি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায়ও পরির্বতন করা যাবে না বরং উহা পরিবর্তনের জন্য গণভোট দিতে হবে। (উল্লেখ্য জিয়া এরশাদের বিসমিল্লা ও রাষ্ট্রধর্ম কোন ধরনের নিয়মের তোয়াক্কা না করেই এগুলো সংবিধানে জোর করে ঢুকানো হয়। হতে পারে এসব কর্মকান্ডে দেশের তথাকথিত অ¯প্রদায়িক মানুষের সর্মথন আছে। কিন্তুু এগুলো করার জন্য যে গনভোটের বিধান করা আছে তা উক্ত শাসক গন অনুসরন করেন নাই ইহা ছাড়াও গনভোটের মাধ্যমে মুলনীতি সংশোধনের কথা বলা আছে। প্রজাতন্ত্রের অনুচ্ছেদ গুলি সংশোধন করা যায় কিনা সেটা আমাদের সংবিধানে বলা নাই। এরুপ পরিবর্তন পৃথিবীর কোন দেশে হয় ও নাই।)
এখানে বলে রাখা ভাল যে , কোন সংবিধান লিখিত ও অলিখিত কিংবা সুপরিবর্তনীয় বা দুষ্পরিবর্তনীয় এ সমস্ত বৈশিষ্ট্য সংবিধানের গুনাগুণ বিচারের একমাত্র মাপকাঠি নয়। আসল কথা হলো , একটি সংবিধান সে টি যে কোন ধরণেরই হোক সেটা দেশের জন্য কতখানি গনতান্ত্রিক, কতখানি একটি গনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে নিশ্চিত করতে পারে, কতখানি আইনের শাসন নিশ্চিত করতে পারে, কতখানি বিচারবিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পারে, নাগরিকের মৌলিক অধিকার দিতে পারে তার উপরই উহার গুনাগুন ও সার্থকতা নির্ভর করে।
পৃথিবীর বর্তমানে সবচেয়ে ছোট এবং সবচেয়ে প্রাচীন সংবিধান হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান। ১৭৮৭ সালে উহা পাশ হয় এবং ১৭৮৯ সালে কার্যকর হয়। শুরুতে মূল সংবিধানে মাত্র ৭টি অনুচ্ছেদ ছিল। ২০৪ বছরের মধ্যে উক্ত সংবিধানে ২৭ টি সংশোধনী আনা হয় এবং ৬৬টি নূতন অনুচ্ছেদ যোগ করা হয়। বর্তমানে অনুচ্ছেদের সংখ্যা ৩৩ ।
পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় সংবিধান হলো ভারতের সংবিধান। ইহাতে ৩৯৫টি অনুচ্ছেদ ও ১২ টি শিডিউল আছে।






ভালো পোষ্ট!
ব্যাপারটা ক্লিয়ার হলো।
সোজা কথায় ব্রিটিশদের সংবিধানটা চলতি, সংরক্ষিত কিছু না। তাই হয়তো সংবিধানের প্রচলিত অর্থে ওটাকে ধরা হয় নি।
থ্যান্কস পাপীদা।
পুরানপাপী ১১/১০/০৮ ৮:৩৬ অপরাহ্ন
যাক অবশেষে আমি একজন কে যে ক্লিয়ার করতে পারছি। মলিকুল আপনার এখন থেকে দায়িত্ব হল । অন্য ব্লগারা যখন এ বিষয়ে প্রশ্ন উঠাবে তখন সংগে সংগে জবাব দিয়ে দিবেন। মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
পুরানপাপী ১১/১০/০৮ ৮:৩৮ অপরাহ্ন
THE MAGNA CARTA, THE BILL OF RIGHTS, PETITION OF RIGHTS, THE GREAT ACT OF SETTLEMENTএগুলি লিখিত ও সংরক্ষিত এটা মনে রাখবেন।
দারুন পোষ্ট! পাপীকে ধন্যবাদ!
পুরানপাপী ১১/১০/০৮ ৮:৩৯ অপরাহ্ন
ধন্যবাদ।
কি করতাম এত ঘ্যান দিয়া
পুরানপাপী ১১/১০/০৮ ৮:৩৪ অপরাহ্ন
আপনি তো বিয়া সাদী নিয়া ব্যস্ত।
স্পাইডার ১১/১০/০৮ ৯:৪৯ অপরাহ্ন
সংবিধানের সংগা থেকে সবই শিখলাম। আসোলে মানুষের প্রয়োজনে সংবিধান এবং মানুষের প্রয়োজনেই সংশোধন। তায় সব কিছু যত বেশী ঝালেলাহীন হয় ততই ভাল। ধন্যবাদ।
puranpapi ১১/১০/০৮ ৭:১০ পুর্বাহ্ন
মানুষের প্রয়োজনে তো সবকিছু। তো ভোট টানার প্রয়োজনে কি সংশোধন ঠিক?
বস কিছু কড়া কথা কইমু রাগ কইরেন না।
প্রথমত আপনি চানাচুর খাইতে ছান না ডাল ভাত খাইতে চান? যদি চানচুর খাইতে চান তবে সেটা মুখরুচক তবে পেট ভরবে না, আর যদি ডাল ভাত খাইতে চান তবে সেটা মুখরুচক হবে না কিন্তু পেট ভরবে।
আপনার পোস্টগুলো চানাচুরের মত নয় যে খাইলাম, কাগজের ঠুঙ্গাটা ছুড়ে ফেলে দিলাম।
আপনি একবার চিন্তা করুন আপনার আজকের পোস্ট টা কয় জনে পড়েছে? কয় জনে কমেন্ট করেছে? এর কারণ সেটা চানাচুর নয়। এটা পড়ে বুঝতে হবে আপনি কি বলেছেন, তার পর কমেন্ট করতে হবে। আবার অনেক পাঠক আছেন এজাতীয় পোস্টে আগ্রহী না, তিনি পেজটা ওপেন করেই কেটে পড়েন।
আপনার এজাতীয় পোস্টগুলো ব্লগের সম্পদ। এগুলোতে ইনস্ট্যান্ট কমেন্ট আপনি পাবেন না, কারণ আগ্রহী পাঠক সময় করে এই পোস্টগুলো পড়তে চায়, বুঝতে চায়। আপনার এই লেখাগুলো কখনো পুরান হবেনা। কিছুদিন আগে একজন একটা পুরা উপন্যাস পোস্ট দিয়েছেন। আজ দেখলাম পলাশ দত্ত একটা বড় পোস্ট দিয়েছেন। এগুলো আসলে সব সময়ের পাঠ্য পোস্ট। তাই আজ হাতেগুনা কয়টা কমেন্ট পেয়েছেন বলে আপনার পোস্ট টি ভালো হয় নি অথবা ব্লগের পাঠক ভালো পোস্ট পড়ে না, এমন ভাবার অবকাশ কম।
সময় মত দেখবেন ঠিকই পাঠক আপনার লেখাটা খুজে গিয়ে পড়বে। এটা লেখার পাঠকটানার ক্ষমতা।
আমি নিজেও আপনার পোস্ট টি বশ কয়েকবার পড়েছি। কিন্তু ইন্সট্যান্ট ঝাক্কাস হইছে, খুব সুন্দর হইছে ইত্যাদি বলতে চাইনি বলে কমেন্ট করিনি। সংবিধান বিষয়ে নিজেও কিছু পড়াশুনা করেছিলাম, এজন্যই সহজে কমেন্ট করতে চাইনি। ভাবছিলাম সুযোগ পেলে আবার পড়বো, বুঝতে চেস্টা করবো তার পর কমেন্ট করবো।
আপনার পোস্টের ব্যাপারে আমার আপাতত মন্তব্য হচ্ছে আপনা রলেখার বিষয়বস্তু ভালো, ভাবনার বিষয়, পড়াশুনার বিষয়। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
স্পাইডার ১১/১০/০৮ ৯:৫০ অপরাহ্ন
কমেন্টে +++
পুরানপাপীর কাছ থেকে “প্রথা এবং আইন” এই দুইটা বিষয় নিয়ে একটা পোস্ট চাচ্ছি। আমার একটা কমেন্ট আপনি পাবেন তবে তাৎক্ষণিক কিনা বলতে পারছি না, আর অন্যদের কমেন্টের ব্যাপারে তো না-ই।
puranpapi ১১/১০/০৮ ৭:০৬ পুর্বাহ্ন
অব্যশই পাবেন। ধৈয্য ধরেন। লেখার জন্য তো বই ও মাথা দুই খাটিয়ে লেখতে হয়। তাই একটু ধৈয্য ধরেন।
গেদু চাচা ১১/১০/০৮ ১২:৫১ অপরাহ্ন
ভালো লেখার ব্যাপারে আমি ধৈর্য্যহারা হইনা।
=))কি ভালো পোসট, বাংলা লিখটে পারছি না, আমাকে সাহাজো কোরুন, কি বোরড লেআুট টা কোটাএ পাবো?
পুরানপাপী ১১/১০/০৮ ১১:৪২ পুর্বাহ্ন
টিউটোরিয়াল দেখেন অথবা
নিচের লিংক ক্লিক করেন।
বিজয়ের লেখা উইনিকোডে রূপান্তর করে নিয়েন।
http://bnwebtools.sourceforge.net/
টিউটোরিয়াল দেখেন অথবা
নিচের লিংক ক্লিক করেন।
বিজয়ের লেখা উইনিকোডে রূপান্তর করে নিয়েন।
http://bnwebtools.sourceforge.net/
ট্র্যাকব্যাকঃ
আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে মন্তব্য করার জন্য!
আমার মেনু
পুরানপাপী
এই পর্যন্ত 164 টি ব্লগ লিখেছেন
প্রিয় পোস্ট
কোন পোস্ট প্রিয় তালিকায় যোগ করা হয়নি।
1 জন ব্যবহারকারি এই পেইজটি পড়ছেন!
1 জন অতিথি
সদস্যরা হলেনঃ