হেইনরিচ রুডলফ হার্টজ (Heinrich Rudolf Hertz) ১৮৫৭ সালে এই দিনে অর্থাৎ ২২ ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির হামবার্গে হ্যানসিয়েটিক পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখার শুরুতে বিজ্ঞান বিষয়ে তাঁর ব্যাপক আগ্রহ ছিল এবং এর জন্য তিনি আরবি ও সংস্কৃত ভাষাও শিখেছিলেন। তাঁর মূল আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল পদার্থবিজ্ঞান। ১৮৮০ সালে বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন আরেক বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী হারমেন হেলমহল্ট এর অধীনে। ১৮৬৫ সালে তড়িৎচুম্বক নিয়ে লেখা "মেক্সওয়েল তত্ত্ব" তাঁর অন্যতম, যেখানে তিনি সূর্যের আলো এবং তড়িৎ চুম্বকিয় তরঙ্গ প্রবাহকে দৃশ্যগোচর এবং এর গতি নির্ণয় করার মতো উপায় আবিষ্কারের মত বিষয় তুলে ধরেন।
১৮৮৩ সালে কিইল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং তার তিন বছরের মাথায় তিনি আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণ বা তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ বা তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ শক্তির একটি রূপ যা শূণ্যস্থানের মধ্য দিয়ে স্বচালিত তরঙ্গের রূপে সঞ্চালিত হতে সক্ষম।। এই আবিষ্কারের পূর্বের বছর তিনি পুরোপুরি অধ্যাপক হিসেব নিয়োগ প্রাপ্ত হোন কার্লস্রুহি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গকে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বা আড়-তরঙ্গের রূপে কল্পনা করা যায় যার একটি তড়িৎ ও একটি চুম্বকীয় উপাংশ আছে। এই উপাংশদুটি পরস্পরের সাথে লম্বভাবে অবস্থান করে এবং উভয়ই মূল তরঙ্গের সঞ্চরণ পথের সাথে লম্বভাবে কম্পিত হয় বা কাঁপে। তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণকে কম্পাংকের পার্থক্যের ভিত্তিতে নানা ভাগে ভাগ করা যায় যেমন: বেতার তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ, অবলোহিত রশ্মি, দৃশ্যমান আলো, অতিবেগুনী রশ্মি, রঞ্জন রশ্মি (এক্স রে), এবং গামা রশ্মি।
তাঁর এই আবিষ্কারের ফলে তারবিহীন টেলিগ্রাফ, রেডিও এবং পরবর্তিতে টেলিভিশন আবিষ্কারের পথ খুলে দেয়। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে ১৮৯৪ সালের ১লা জানুয়ারি এই বিজ্ঞানীর মৃত্যু হয় একটি রোগ সংক্রামকের কারণে। গুগল তাঁর ১৫৫মত জন্মবার্ষিকীতে লোগো পরির্বতন করেছে।
বুধবার, ২২/০২/২০১২ - ১২:২৫ তারিখে উদাসী পথিক বলেছেন
ভালো লাগলো।
*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।
মন্তব্য
ভালো লাগলো।
*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।
ফিরিয়ে আনা হোক।
____________________
ঘর ছেড়ে ধন খুঁজিস কেন বনে বনে?
এত ছোট করে লেখলেন কেন?
______________________________________
নিজেকে কখনও একা ভাবতে নেই......
কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি এই মহান ব্যক্তিত্বকে।
**********
স্বপ্নের কারিগর
হেইনরিচ না হেনরিখ ?
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
অনুবাদ করে লিখেছি, তাই আসল জার্মান উচ্চারণ জানি না
____________________________________________
- ১৭:৭