বাংলায় নাম
মজবাসার
পরিচিতি
সদর দরজা
আল্লাহ/রাছুল বনাম বোখারীগং-৭
পর্ব-৬
আল্লাহ/রাছুল বলেন:
৭। ক. যারা ধর্ম সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে ও দলে দলে বিভক্ত হয়েছে; তাদের ওপরে আপনার কোনো দায়িত্ব নেই। তাদের বিষয় আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিন।আল্লাহ তাদের কৃতকর্মের জবাবদিহি করবেন। (৬: ১৫৯)
খ. এবং তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জু মজবুতভাবে আঁকড়ে ধর; তোমরা দল উপ-দলে বিভক্ত হইও না। (৩: ১০৩)
গ. যারা নিজেদের ধর্মে মতভেদ সৃষ্টি করেছে ও দল উপ-দলে বিভক্ত হয়েছে; তারা ব্যক্তি/নিজ নিজ মতবাদ নিয়েই মদমত্ত রয়েছে। (৩০: ৩২)
ঘ. তিনি তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করেছেন সেই ধর্ম যার নির্দেশ দিয়েছিলেন নুহকে––আর আমি অহি করেছি তোমাকে এবং যার নির্দেশ দিয়েছিলাম ইব্রাহিম, মুছা ও ঈছাকে; এই বলে যে, তোমরা ধর্ম প্রতিষ্ঠা কর এবং তাতে মতভেদ সৃষ্টি করবে না। । (৪২: ১৩)
ঙ. তারা বুদ্ধিমান হয়েও কেবলমাত্র পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষের কারণেই নিজেদের মধ্যে দলাদলি ও মতো ও মতভেদ সৃষ্টি করেছে। (৪২: ১৪)
চ. তোমরা তাদের মত হইও না; যারা তাদের নিকট স্পষ্ট নিদর্শন আসার পরেও নিজেদের মধ্যে মত- পার্থক্য করত: দল উপদলে বিভক্ত হয়েছে। তাদের জন্য রয়েছে কঠিন আজাব । (৩: ১০৫)
বোখারীগং বলেন:
৭। ক. রাছুল বলেন, “আমার উম্মতে ৭৩টি দল হবে, তার মাত্র একটি দল বেহেস্তে যাবে; বাকি সকলে দোযখে যাবে।”
খ. রাছুল (সা) বলেছেন, “আমার উম্মতে মোহাম্মদ এবনে ইদ্রিছ (শাফেঈ) নামে একটি লোক জন্মাবে। সে আমার উম্মতের পক্ষে ইবলিস অপেক্ষাও অধিক অনিষ্টকারী হবে; পক্ষান্তরে, আমার উম্মতে আর একজন লোক হবেন, তাকে আবু হানিফা বলে সম্বোধন করা হবে; তিনি হচ্ছেন আমার উম্মতের বাতি।” [হাদিছ সূত্র: ক ও খ): বোখারী, ‘মোস্তফা চরিত’; আকরাম খাঁ]
মন্তব্য:
১. আয়াতগুলি সহজ, সরল ও পূর্ণ ব্যাখ্যাসহ অবতীর্ণ।
২. উল্লিখিত কোরানের আলোকে প্রচলিত দল উপ-দলগুলোর ওপর মহানবির কোনো দায়-দায়িত্ব বা সমর্থন নেই।অর্থাত শিয়া, ছুন্নী, হানাফি, হাম্বলী, কাদিয়ানী, খারেজী, রাফেজী থেকে শুরু করে হালের ভান্ডারী, চিশতী, সাইদাবাদী যাবতীয় লিখিত/অলিখিত দল, উপদল বেদাত প্রযুক্ত মুসলমানগণ সরাসরি কোরান অস্বীকারকারী, নবিহীন,; অতএব, এই কোরান তাদের নয় বলেই কোরানের কথা বললেই সর্বশক্তি প্রয়োগে হাদিছ দিয়ে কোরানকে প্রতিহত করতে ব্যর্থ বদ্ধপরিকর!
৩.‘খ’ নং হাদিছটি ইমাম বোখারীর নিজ হাতেই ইমাম শাফেঈর বিরূদ্ধে ব্যক্তিগত এমন জঘন্য আক্রমণ যে, প্রচলিত রাজনীতিকদেরও হার মানায়; ঐ হাদিছদ্বয়ের দোহাই দিয়েই দল-উপদলগুলি স্ব স্ব দলীয় দাবি সত্য বলে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে; আর কাফের, মোরতাদ মোশরেক বলে পরস্পর রক্তের হুলি খেলায় মশগুল রয়েছে।
৪. সব দলেরই একক দাবি যে, তারা রাছুলের ছুন্নতের উপর প্রতিষ্ঠত; রাছুল ‘মুছলিম’ ব্যতীত অন্যকিছু ছিলেন না। সুতরাং তারা কার ছুন্নত অনুসরণ করে দল উপদলীয় ইমামদের উপর ঈমান ও বেদাতী নাম ধারণ করেছেন!
৫. হাদিছ বিষয় ধরা পড়লেই ‘এটা মওজু, ওটা হাসান, সেটা মাখরুহ, ঐটা সন্দেহজনক, কানা, দুর্বল, জ্বাল, নকল ইত্যাদি ফতোয়া দিয়ে সহজ সাধারণকে বিভ্রান্ত করে। অথচ বোখারী, মোসলেম প্রভৃতি ছেহাছেত্তার (৬খানি সত্য হাদিছ) কোন একটি হাদিছের উপর অনুরূপ মন্তব্য করার অধিকার শরিয়ত কাউকে দেয় নি। তবুও বিপদে পড়লেই স্ব-বিরোধীতা করছে।
৬. এর সমাধান কি?
বিনীত।
- ক্যাটেগরি:
- মজবাসার-এর ব্লগ
- মন্তব্য প্রদানের জন্য লগইন অথবা রেজিস্টার করুন
- ৩৩৪ বার পঠিত
Twitter-এ প্রকাশ করুন


মন্তব্য
বিশ্লেষণধর্মী পোস্ট পড়ে ভাল লাগলো।
ছালাম,
কৃতজ্ঞ ও
বিনীত।
রাছুলের কখা লিখুন।।।।।
'''''' Man is mortal.''''''''' so be all people careful.''''''''''''''''''''
ছালাম,
১। রাছুলেরে নিজস্ব কোন ধর্ম বা কথা নেই; ৩০ পারা কোরানের প্রতিটি শব্দ-বাক্য রাছুলের মূখ নি:সৃত আল্লাহর কথা।
বিনীত।
শুধু বোখারী লিখলে হবে ? কোন খন্ডের কত পৃষ্ঠা ?
ছালাম,
মোস্তফা চরিত এর সংশ্লিস্ট অধ্যায় দেখে নিন। অথবা যে কোন মুফতি বা শায়েখের কাছ থেকে নিশ্চিত হোন। পুরোপুরি দ্র: দিতে না পারায় দু:খিত; এজন্য সন্দেহ করার কোন কারণ নেই। 'মুছলিম' পর অসংখ্য দল, উপদল, মোজাহাব, তরিকায় কনভার্ট হওয়ার দ্রষ্টব্য খুজলেও পুন কোন দ্রষ্টব্য নিষ্প্রয়োজ হয়ে পড়বে। ভালো থাকুন।
বিনীত।
আরেক মাযহাব বিরোধী লেখক আকরাম খাঁ এর লিখিত মিথ্যা কথাই বোখারী ও প্রকারান্তরে রাসূল (স:) এর নামে চালিয়ে দিচ্ছেন কেন ?
মিথ্যা কথায় মুসলমানরা বিশ্বাস করে না, মুনাফিক ও ইহুদী-খৃষ্টানদের দালালরাই রেফারেন্স বিহীন মিথ্যা কথায় সন্দেহাতীত ভাবে বিশ্বাস করে, কারন তাদের যে অসত্যকেই সত্যের নামে চালিয়ে দিয়ে পেটের ধান্দা করতে হবে !
আপনি আগে এ হাদীসের পুরোপুরি রেফারেন্স দিবেন তার পরে অন্য কাজ করবেন। পুরোপুরি রেফারেন্স দিতে না পারলে আর কখনো ধর্মের নামে পোষ্ট দিবেন না।
ছালাম,
১। আকরাম খা নিজের তরফ থেকে হাদিছ লিখেন্নি। তিনি মাত্র ছেহাছেত্তার উদ্বৃতি দিয়ে মিথ্যা, ভুলগুলির প্রমান করেছেন মাত্র। ঐ বইটা সংগ্রহ করুণ উহাতেই উহার সুত্র, দ্রস্টব্য হাদিছ নাম ও পৃষ্ঠাসহই পাবেন; নার্ভাস হবেন্না। না পেলে ম জ বাসারকে পাকড়াও করুণ?
বিনীত।
এটা বোখারির কোথায় আছে?? আরবি টেক্সট দেন
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে
ছালাম,
দু:খিত পুরোপুরী দিতে না পারায়; দেখুন 'নাজিবুল্লাহ'র উত্তর। নিজেই খুজে নেয়ার যোগ্যতা আপনার আছে বলে দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় বিশ্বাস করি। সন্তুষ্ট না হলে সময় লাগবে কারণ প্রায় ৩ মাস অন্য কাজে ব্যস্ত থাকতে হবে।
বিনীত।
৩ মাসের মধ্যে অন্য কোন পোষ্ট দিবেন না যতদিন না পুরোপুরি রেফারেন্স দিতে না পারেন।
ছালাম,
এটা কি আল্লাহর তরফ থেকে অহি এলহাম প্রাপ্ত বাণী?
২। মাফ করবেন! আপনি তো 'মুছলিম' নন! বরং স্ব ঘোষীত ছুন্নী হানাফি মুছলিম; সুতরাং নিজকে 'মুছলিম' প্রমানের দলীল প্রমান, সুত্র, দ্রষ্ঠব্য না দেয়া পর্যন্ত 'মুছলিম বা ইছলাম' ধর্ম সম্বন্ধে আপনার মতেই না লিখা উচিত।
৩। আকরাম খা'র 'মোস্তফা চরিত' বইটিই পূর্ণ, পরিপূর্ণ রেফারেন্স; প্রয়োজন মত সংগ্রহ করুণ?
বিনীত।
ছালাম নাজিবুল্লাহ,
আমার উম্মতের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি হবে যার নাম হবে মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রীছ (ইমাম শাফেঈ) সে আমার উম্মতের পক্ষে ইব্লিছ অপেক্ষাও ক্ষতিকর হবে; আর এক ব্যক্তি হবে তার নাম আবু হানিফা, সে আমার উম্মতের জন্য প্রদ্বীপস্বরূপ হবে (দ্র; হাদিছ সংকলনের ইতিহাস, পৃ: ৪৩০; মু. আ. রহিম)
ইয়াদ করুণ মি: নাজিবুল্লাহ!
ক. হাদিছ লিখা হয় রাছুলের মৃত্যুর প্রায় ২৫০ থেকে ৩শ বছর পরে, ৭ হাজার থেকে প্রায় ৪০ লক্ষ। উহাতে মিথ্যা, ভুল, লজ্জ্যাস্কর, হাস্যকর, অসংলগ্ন, গাজাখোরী প্রভৃতি প্রমান হতে থাকলে পরে ১/দেড়’শ বছর পরে ইজ্জত ও অস্তিত্বের ভয়ে, বিবেকের তাড়নায় কতিপয় দলীয় কথিত ইমামগণ বাছনি করে কিছু হাদিছ যোগে ‘মৌজুয়াত’ নামে গ্রন্থ রচনা করেন; তাও আপন আপন আক্বল-জ্ঞান ও বিবেকের মাপকাঠিতে। কিন্তু এই সমূহ কাজ শরিয়তের আইনে অবৈধ অর্থাত ছেহাছেত্তার উপর কারো হস্তক্ষেপ করা শরিয়ত বরদাস্ত করে না; তবুও তারা তা করেছেন।
খ. বোখারী হোক কি মুসলিম নাছাই হোক! ছেহাছেত্তার (৬ খানি সত্য হাদিছ) ঐ গুলিকে মৌজু বলার ধৃষ্ঠতা তারা কোথায় পেয়েছেন?
গ. হাদিছ সংকলনের ইতিহাসে আ. রহিম সাহেব ঐ হাদিছগুলির পুরা দ্রষ্ঠব্য দেননি; কিসের ভয়, কার ভয় পুরা দ্রষ্ঠব্য দেননি? তাদের এই কৈফিয়ত আগে তলব করুণ অত:পর ম জ বাসারকে পাকড়াও করুণ?
ঘ. হাদিছটি মাত্র কতিপয় মুসলমান, ১টি মজহাবের উপর হুমকীস্বরূপ; পক্ষান্তরে দীর্ঘদিন যাবত ‘আল্লাহ/রাছুল বনাম বোখারীগং’ নামে সমগ্র মুছলিম জাতির উপর, কোরানের উপর হুমকীস্বরূপ মিথ্যা, গাজাখোরী হাদিছগুলির সুত্র, দ্রষ্টব্যসহ বয়ান করা হচ্ছে, ৭ম পর্ব চলছে; সেখানে আপনার অনুপস্তিতির রহস্যজনক কারন দ্রষ্টব্যসহ বয়ান করুণ?
ঙ. এরপরও অনুরোধ করি ‘মোস্তফা চরিত’ সংগ্রহ করে নিশ্চিত হোন! সেখানে পুরা দ্রষ্টব্য আছে; আমার বইটি কোন এক যবরদস্ত আলেম ঘর থেকে চুরী করে নিয়েছেন।
চ. আকরাম খা সাধারণ আলেম নন; তিনি আলীগড় মাদ্রাসা-ইউনিভারসিটির আরবি, ইংরাজী, বাংলায় ২/৫ শ বছরের তুলনায় অত্যন্ত পাকা পোক্ত সনদধারী আলেম; আজীজুল হক, দেলোয়ার হোসেন, নিজামী, আজম সাহেব, ইবনে কাছির, ফতহুলবারী, বোখারীগং, বাইহাকীসহ কয়েক হাজার মুফতি-আল্লামা-তফছিরকারগণ তার পকেটে থাকতো। আপনি ভয় না পেলে, তার চেয়ে জ্ঞানী হলে তার বইটি সংগ্রহ করে ক্ষমতা থাকে তো সমালোচনা করে তার গুরু হতে পারেন, এমন কি ম জ বাসারেরও। তবে ম জ বাসার তার শতভাগ/অর্ধভাগ দর্শনও সমর্থন করে না।
বিনীত।
মোস্তফা চরিত শেষ করেছি আরো প্রায় পাঁচ বছর আগে কিন্তু বইটি এখন হাতের কাছে নেই তাই রেফারেন্স ও দেখতে পারছিনা। আকরাম খাঁ ছিলেন আহলে হাদীস পন্থি তাই তিনি মাযহাব বিরোধী মত পোষণ করতেন। তিনি বোখারীর দশটি জাল হাদীসের রেফারেন্স দিয়েছেন। আমি তার এ মতের সাথে একমত যে সিহাহ সিত্তায় অসংখ্য জয়ীফ (দূর্বল) ও কিছু জাল হাদীস রয়েছে। এবং সকল ইসলামিক স্কলার্সগণ (মদীনা ইউনিভার্সিটি, আল-আজহার ইউনিভার্সিটি) এটা স্বীকার করেন। তবে আগে আপনাকে হাদীসের ক্লাসিফিকেশান জানতে হবে সকল হাদীসের মর্যাদা এক নয়। সিহাহ সিত্তায় যেমন দুর্বল ও মিথ্যা হাদীস রয়েছে ঠিক তদ্রুপ সিহাহ সিত্তার বাহিরেও আরো অনেক সহিহ হাদীস রয়েছে। মুতাওয়াতির, সহিহ. হাসান, গরীব, মুনকার, মত্তাসিল, মুরসাল, খবরে ওয়াহেদ, জয়ীফ ও জাল হাদীস এর সবগুলোই যেমন সিহাহ সিত্তায় রয়েছে ঠিক তদ্রুপ সিহাহ সিত্তার বাহিরেও রয়েছে। আর এ সকল ক্লাসিফিকেশানের কারনেই সকল হাদীসের মর্যাদাও এক নয়। মুতাওয়াতির হাদীসের মর্যাদা কুরআনের ন্যায় মুতাওয়াতির হাদীস কেহ অস্বিকার করলে সে কাফির হয়ে যাবে সকল ইমাম গণের ঐক্যমতে। আবার জ্বাল হাদীসও সর্বসম্মত ভাবেই পরিত্যাজ্য। দেশপ্রেম ইমানের অঙ্গ, জ্ঞানান্বেষণে সুদূর চীন দেশে যেতে হলেও যাও, নবীকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ কিছুই সৃষ্টি করতেন না, এমন অসংখ্য জ্বাল হাদীস আমাদের মুসলিম সমাজে প্রচলিত রয়েছে। তাই সকল হাদীসকে এক পাল্লায় মাপা হাদীস শাস্ত্রে নিরেট অজ্ঞেরই কাজ বটে। আর শরিয়ত এর মুজতাহিদ বা স্কলার্সগণ হাদীস শাস্ত্রের শ্রেনীবিণ্যাসের এ জ্ঞানে পূর্ণ জ্ঞানী ছিলেন বলেই শরিয়ত সকল প্রকার মিথ্যা অপবাদ মুক্ত সিরাতুল মুস্তাকীম বা সত্য পথ। হানাফী, শাফেয়ী, মালেকী বা হাম্বলী মাযহাব পন্থিগণ একে অন্যের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। কেই কাউকে ভ্রান্ত বলেন না, বরং সকলেই মনে করেন চার মাযহাবের সকল অনুসরনকারীগণই সত্য পথের পথিক। এমনকি ইমাম শাফেয়ী (র:) যখন ইমাম আবু হানীফা (র:) এর মাযার যিয়ারত করার জন্য ইরাকে যান তখন তিনি ইমাম আবু হানীফার সম্মানার্থে নিজ মত রফয়ে ইয়াদাইন না করে আবু হানীফার মত অনুযায়ী নামায পড়ে সবাইকে দেখিয়ে দেন যে, প্রতিটা মাযহাবই একে অন্যের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। আপনি লিখেছেন, " ছেহাছেত্তার উপর কারো হস্তক্ষেপ করা শরিয়ত বরদাস্ত করে না; তবুও তারা তা করেছেন।" এটা আপনার মূর্খতা বা অপপ্রচার। মাওলানা আকরাম খাঁ তো সেদিনের লোক তার বহু আগেই বিশ্ববিখ্যাত ইমাম ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী (র:) সহ অনেক মুহাদ্দীস ও ইমামগণই সিহাহ সিত্তাহর কোন হাদীস বর্জনীয় আর কোন হাদীস গ্রহণীয় তার উপর কিতাব লিখে গিয়েছেন। এবং ইসলামী ফিকাহ শাস্ত্র আপনি যাকে বারবার শরিয়ত বলতেছেন তা ইলমে কোরআন, ইলমে হাদীস, ইলমে উসূল, ইলমে তাদরীস, ইলমে রিজাল সহ অসংখ ইলম বা শাস্ত্র (যা সাহাবায় কেরামগণ থেকে আরো ৩০০/৪০০ বছর পর্যন্ত প্রচলিত) এর সমন্বয়ে প্রণিত ও নির্ভরযোগ্য ও সিরাতুল মুস্তাকীম। আপনি ইসলামী জ্ঞানের পরিপূর্ণ রূপ জানতে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাসের প্রফেসর মুসলিম ও অমুসলিম নিবিশেষে সকল প্রকার গবেষকদের ইর্ষণীয় ব্যাক্তিত্ব ড:আহমদ আমীনের দুহাল ইসলাম (৩ খন্ড) পড়তে পারেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন এ বইয়ের অনুবাদ প্রকাশ করেছে)। এ বইয়ে হাদীস ও ফিকাহ (মাযহাব) শাস্ত্রের আদি অন্ত পরিপূর্ন বৃত্তান্ত পাবেন আর তৃতীয় খন্ডে ইসলামের সকল প্রকার দলগুলো মত পথ ও দর্শন বিস্তারিত দলীল সহ জানতে পারবেন।
হযরত আবু বকর, হযরত আলী, হযরত মুয়াবিয়া, ইমাম আবু হানিফা, ইমাম শাফেয়ী, ইমাম মেহদী, উমাইয়া শাসন, আব্বাসিয় শাসন সহ আরো অনেক বিষয়ের প্রশংসায় যেমন কিছু মিথ্যা হাদীস রচিত হয়েছে ঠিক তদ্রুপ প্রত্যেকের কুৎসায়ও কিছু হাদীস রচিত হয়েছে। কিন্তু মোস্তফা চরিত বা হাদিছ সংকলনের ইতিহাস এ আপনার উল্লিখিত বোখারীর হাদীসটি মনে হয় না বুখারীতে রয়েছে। আপনি পারলে স্বয়ং বুখারীর খন্ড, পৃষ্ঠা সহ উদ্বৃতিটি দিয়েন। আর এ হাদীস বুখারীতে থাকলেও দোষের কিছুই নেই। কারন এ হাদীস যদি বুখারীতে থেকেও থাকে তবে তা হাদীসের শ্রেনী সমুহের সবচাইতে নীচের (জাল) ক্লাসের হাদীস ই হবে নিস:ন্দেহে। আর তা সকলের নিকটই বর্জনীয় হাদীস। বুখারীর হাদীস হলেই যে তা নিস:ন্দেহে গ্রহণীয় তা নয়। আমি আগেই বলেছি সিহাহ সিত্তায় যেমন লোয়েষ্ট লেভেলের হাদীস রয়েছে ঠিক তদ্রুপ সিহাহ সিত্তার বাহিরেও টপ লেভেলের হাদীস রয়েছে। আর এ সকল শ্রেনীবিণ্যাসের কারনেই সকল হাদীসের মর্যাদা এক নয়। এবং মাযহাবের ইমাম গণ এ ইলমে পরিপূর্ণ ভাবেই পারদর্শী ছিলেন। ইলমে শরীয়ত (ফিকাহ/মাযহাব) হল সকল ইলমের সার নির্যাস। এ জন্যেই যে কেহই মুজতাহীদ হবার যোগ্যতা রাখেন না। যে কেহই কোরআনের তাফসরীর করতে পারেন না। ফিকাহ বা মাযহাব তো দুরের কথা কেহ কোরআনের তাফসীর করতে হলেও তাকে নূন্যতম ১৫ টি বিশেষ শাস্ত্রে পারদর্শী হতে হয়।
আগে হাদীস শাস্ত্রের ক্লাসিফিকেশান জানুন তারপর হাদীসের সমালোচনা করুন।
"ইমাম বোখারী, ইমাম বায়হাকী, ইবনে কাছীর, ফাতহুল বারী" আকরাম খাঁর পকেটে থাকত !!! আপনার জ্ঞানের বহর দেখে টাস্কিত হলাম।
তাহলেতো আপনি আকরাম খা এর পকেটে ছটফট কারী ইমামগণ তথা "ইমাম বোখারী, ইমাম বায়হাকী, ইবনে কাছীর, ফাতহুল বারী" এর ও ওস্তাদ।
Imam A'zam Abu Hanifa (radi Allahu anhu's) full name was Numan bin Thaabit bin Zuta bin Mah. He was born in Kufa in Iraq in 80 A.H. He belonged to the pious period of the Taabi'ins (Successors of the Sahabas).
DIVINE MISSION
It is stated in a Hadith Shareef which Imam al-Harizmi reported from Sayyiduna Abu Hurayrah (radi Allahu anhumA) that Sayyiduna Rasulullah (sallal laahu alaihi wasallam) said: "Among my Ummah, there will come a man called Abu Hanifa. On the Day of Resurrection, he will be the light of my Ummah." Another Hadith Shareef states: "In every century, a number of my Ummah will attain to high grades. Abu Hanifa will be the highest of his time." These two Ahadith are recorded in "Durr al-Mukhtar."
http://www.trueislam.info/Bookslibrary/EnglishBooks/10ImamAbuHanifa/index.htm
বাশার ভাই,
ছালাম। আপনার দেয়া হাদীসের (আমার উম্মতে আর একজন লোক হবেন, তাকে আবু হানিফা বলে সম্বোধন করা হবে; তিনি হচ্ছেন আমার উম্মতের বাতি) অর্ধেক খুজে পেলাম। হুবহু মিল আছে। বাকি অর্ধেক (আমার উম্মতে মোহাম্মদ এবনে ইদ্রিছ (শাফেঈ) নামে একটি লোক জন্মাবে। সে আমার উম্মতের পক্ষে ইবলিস অপেক্ষাও অধিক অনিষ্টকারী হবে;) মনে হয় লুকিয়ে ফেলেছে।
-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
ইবলিস অপেক্ষাও অধিক অনিষ্টকারী হবে;) মনে হয় লুকিয়ে ফেলেছে। না পেয়ে এখন লুকিয়ে ফেলেছে !!!অর্ধেক তো পাওয়া গেছে , সেটাই বা কম কী? বাকি অর্ধেক খুজলে পাওয়া যাবে। ধৈর্য্য ধরুন।
সাবধান বাণী- আপনারা যারা হাদীস মানেন , তারা জেনেও যদি এই হাদীসের বাকি অর্ধেক লুকিয়ে রাখেন , তাহলে হাদীস মোতাবেক তার পরিনতি সম্বন্ধে নিশ্চয় জানেন। তাই আর দেরি না করে হাদীসটির বাকি অর্ধেক অনতিবিলম্বে প্রকাশ করুন।
-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
ফারুক ভাই ছালাম, ( সি সি টু নাজিবুল্লাহ)
১। সোয়া ৭ হাজার থেকে ৪০ লক্ষ হাদিছ 'রাছুলের হাদিছ' নামেই প্রতিষ্ঠিত; উহার অধিকাংশই ছেহাছেত্তার অন্তর্গত। শরিয়ত স্ব স্বীকৃত হাদিছসমূহের মধ্যে মিথ্যা, ভুল, গাজাখোরী স্বীকার করা হেতু নিজদের ঈমান-বিশ্বাস ও অস্তিত্ত্ব হুমকিস্বরূপ বিবেচনা করে কতিপয় হাদিছ বিশারদগণ কিছু কিছু অনুরূপ হাদিছ সনাক্ত করত: 'মৌউজু হাদিছ' নামে একটি দলীয় গ্রন্থ রচনা করে। বলাবাহুল্য ঐ গ্রন্থের লিখিত সকল হাদিছগুলিই ছেহাছেত্তাসহ (৬ খানি সত্য হাদিছ=বোখারী, মুসলিম, আবুদাউদ, তিরমিজী, নাছাই ও ইবনে মাজাহ) মেসকাত প্রভৃতি হাদিছগুলি অন্তর্গত।
উহা থেকে কিছু বাদ দেয়া, সংশোধন করা বা তিল পরিমাণো হস্তক্ষেপ করা শরিয়তের দৃষ্টিতে অবৈধ বা হারাম জেনেও লজ্জ্যা, শরম ও অস্তিত্ব্বের ভয়ে তারা তা করছেন।
২। ঐ দলীয় ঘোষিত কথিত 'মৌজু' হাদিছগুলি বাদ দিয়েই বর্তমানে আরবীসহ সকল ভাষার হাদিছগুলির সংকলন, পুন মুদ্রন, ইন্টারনেটে প্রকাশ প্রচার করা হয়; সুতরাং ঐ বাদ দেয়া হাদিছগুলি আজ আর কোন হাদিছেই খুজে পাওয়া সম্ভব নয় (সম্ভবত)।
আর একটি প্রমান দেখুন:
রাছুল বলেন: মোরগকে গালি দিও না; কারণ উহারা আমার বন্ধু (দ্র; হাদিছ সংকলনের ইতিহাস, পৃ; ৪৩১; মুহাম্মদ আ: রহিম; প্রকাশক ইসলামীক ফাউন্ডেসন)। কৌতুককর বিষয় যে, হাদিছটি জাল স্বীকার করেও ইহার ১ম অর্ধেক সত্য বলে স্বীকার ও বাকী অর্ধেক মিথ্যা বলে অস্বীকার করে।
ইহাও 'হাদিছ সংকলনের ইতিহাসে উদ্বৃত করেই 'মউজু' বলে ঘোষনা করেছে (অর্ধেক); অথচ আশ্চর্য্যের বিষয় যে, বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেসন কর্তৃক বইটি প্রকাশ করেও হাদিছটি কোন্ কেতাবের, কোথা থেকে তারা সংগ্রহ করেছে, রহস্যজনক কারনে তারা তার সৃত্র, দ্রষ্টব্য দেয়নি; তার কারণ নির্দিষ্ট ও সঠিক সুত্র, দ্র: দিলে ছেহাছেত্তার উপর জনসাধারণের বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়ে হাদিছ গ্রন্থের উপর অনাস্তা আসবে। সম্ভবত এই ভয়েই তারা সুত্র দেয়নি। (এজন্য নাজিবুল্লাহ সাহেব ম জ বাসারকে দায়ি করা কি অন্যায়, যুলুম নয়?)
৩। সুতরাং শরিয়ত স্ব বিরোধীতা করত: কিছু হাদিছ যা বাদ দিয়েছে সেগুলি বর্তমানে পাওয়া প্রায় অসম্ভব।
তবে ইহা শরিয়ত কর্তৃক স্বীকৃত ও প্রমানিত যে ঐ হাদিছগুলি তারা ছেহাছেত্তা থেকেই সংগ্রহ করেছে; নতুবা বাদ দেয়ার বা মৌজু ঘোষনার প্রয়োজন হতো না।
বিনীত।
ইমাম আবু হানিফা (র:) ছিলেন সাহাবীগণের ছাত্র ও তাবেয়ী (সাহাবী পরবর্তী জেনারেশান) আর ইমাম বুখারী (র:) ছিলেন তারও অনেক পরের ইমাম। ইমাম বুখারীর নিজস্ব মাযহাব ছিল এবং তা ছিল অনেকটা হানাফী মাযহাব বিরোধী। এই জন্যেই বর্তমান সৌদি আলেমগণ ও আমাদের দেশের আকরাম খা, আহলে হাদীস ও সালাফীগণ হানাফী মাযহাব বিরোধী ও চোখ বুঝে বুখারী শরীফ ফলো করেন। তাহলে ইমাম বুখারীর কিতাবে ইমাম আবু হানিফার প্রশাংসায় এমন হাদীস স্থান পেল কি করে? এ দ্বারই প্রমাণিত হয় যে, প্রত্যেক ইমাম গণই অপর ইমাম গণের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল ছিলেন, তারা কেউ কাউকেই ভ্রান্ত বলতেন না। মূলত মাযহাবের সৃষ্টি হয়েছে রাসূল (স:) এর হাদীস বুঝার তারতম্যের জন্যে। একেক জন একেক ভাবে বুঝেছেন তাই এ ভিন্নতা। কিন্তু সকলেই হেদায়েত প্রাপ্ত। এবং প্রত্যেকেই তার গবেষণার জন্যে পরকালে পুরুষ্কৃত হবেন।
ইহুদীদের চর রাশাদ খলীফা ব্যাতিত বিশ্বের সকল মুসলিমের ঐক্যমত হচ্ছে নবীর হাদীস অস্বীকার কারী কফের। আপনি (মজবাসার) যেই আকরাম খা, আব্দুর রহীমদের বই দিয়ে দলীল দিচ্ছেন তারা কি হাদীস অস্বীকার করত ? "এমন একদল পথভ্রষ্ট দলের আবির্ভাব হবে যারা আমার হাদীসকে অস্বীকার করবে" মর্মে সুস্পষ্ট হাদীসও বিদ্যমান রয়েছে।
কোরানিক সত্য হলো , আমাদের নবীর ভবিষ্যতের কোন জ্ঞান ছিলনা বা কেয়ামতের দিনক্ষন ও জানা ছিলনা। এমনকি তিনি জানতেন ও না , তার বা তার উম্মতের ভবিষ্যত কি? এ ব্যাপারে সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেছেন : "আপনি বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর ভান্ডার রয়েছে। তাছাড়া আমি অদৃশ্য বিষয় অবগতও নই। আমি এমন বলি না যে, আমি ফেরেশতা। আমি তো শুধু ঐ ওহীর অনুসরণ করি, যা আমার কাছে আসে।৬:৫০" এবং "বলুনঃ আমি জানি না তোমাদের প্রতিশ্রুত বিষয় আসন্ন না আমার পালনকর্তা এর জন্যে কোন মেয়াদ স্থির করে রেখেছেন। ৭২:২৫" এবং "অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলে দিনঃ আমি তোমাদেরকে পরিস্কার ভাবে সতর্ক করেছি এবং আমি জানি না, তোমাদেরকে যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তা নিকটবর্তী না দূরবর্তী। ২১:১০৯" এবং এর থেকেও আর কত পরিস্কার ভাবে আল্লাহ বলবেন : " বলুন, আমি তো কোন নতুন রসূল নই। আমি জানি না, আমার ও তোমাদের সাথে কি ব্যবহার করা হবে। আমি কেবল তারই অনুসরণ করি, যা আমার প্রতি ওহী করা হয়। আমি স্পষ্ট সতর্ক কারী বৈ নই। ৪৬:৯"
এখন ঠিক করুন কোরান মানবেন না হাদীস মানবেন। কোরান বলছে রসূল ভবিষ্যত জানতেন না। আর হাদীস দেখুন , রসূল গড়গড় করে ভবিষ্যতবাণী করছেন - এমন একদল পথভ্রষ্ট দলের আবির্ভাব হবে যারা আমার হাদীসকে অস্বীকার করবে"
-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
ছালাম নাজিবুল্লাহ,
১. আপনার বিশদ মাশালা-মাশায়েল ম জ বাসারের কাছে নতুন কিছু নয়, উহা হাজার লক্ষ্যবার শুনেছি, জবাবও দিয়েছি; এনিয়ে যাবর কেটে সময় ক্ষেপন আর নয়। শেষবারের মত বলি:
আপনার মাশালা-মাশায়েল, কাকে কে সন্মান করতো, কে কার ছাত্র, কে কার জামাই-শ্বশুর যাবতীয় কল্পনা, অসার যুক্তি-তর্কসহ শরিয়তের রচিত দুনিযার সকল কেতাবাদি কোরানের কাছে কানা কড়িও মুল্য নেই! বরং পচা, দুর্গন্ধস্তুপ আবর্জনারাশী মুছলিম ও কোরানের প্রতি শতভাগ হুমকীস্বরূপ (দ্র: ৪৫: ৬; ৭৭: ৫০; ৫: ৪৪-৪৮; ৭: ৩; ৬৯: ৪৪-৪৭)।
তাই বিতর্ক এই মূহুর্তে সংক্ষিপ্ত ও ইতিবাচক করার লক্ষ্যে শেষ প্রশ্ন:
২. আপনি কি:
ক. শিয়া মুছলিম? ৬ /৮/৯/১০/১২ ইমামী মুছলিম? ইসনে আসারীয়া/গুলাতী, খারেজী মুছলিম?
খ. ছুন্নীমুছলিম? হানাফি/হাম্বলী/শাফেঈ/মালেকী মুছলিম?
গ. ওহাবী/তাবলীগী মুছলিম?
ঘ. লা মজহাবী/ইসমাইলী/রাফেজী মুছলিম?
ঙ. ছুন্নীহানাফি ভান্ডারী/শুরেশ্বরী/চিশতী/সাইদাবাদী/আটরশী মুছলিম?
চ. মুছলিম?
৩. ক. বর্ণিত ক থেকে চ’র মধ্যে রাছুল কত নম্বরে ছিলেন?
খ. তার ঘনিষ্ঠ ছাহাবাগণ কত নম্বরে ছিলেন?
গ. ১ নং এ বর্ণিত কোরানের আয়াতগুলি মানেন কি? মানলে তার সাক্ষি-প্রমান কি?
ঘ। আকরাম খা মোজাহাব অস্বীকার করায় (আপনার মতে) তিনি ২ নং এর কোন্ ধারায় আছেন বলে আপনার ধারণা?
প্রশ্নগুলি অবজেক্টিভ; সহজ সরল, প্রাঞ্জল; উত্তর দিতে ১-২ মিনিটের বেশি সময় লাগার কথা নয়; জবাব দিলে পর পুন: আলোচনা বিবেচনা করা হবে। প্রশ্নোত্তর ব্যতীত অযথা ওয়াজ-নছিহত, মাশালা-মাশায়েল শতভাগ উপেক্ষনীয়।
বিনীত।
এই "কফের" ঘোষনা কুরানে নাই
ছালাম দ্বিতীয়নাম,
১। সত্যই বলেছেন; কিন্তু নিয়ত/ঈমান ভুল, অপবিত্র।
২। আল্লাহর হাদিছ কোরানই রাছুলের পবিত্র মূখ নি:সৃত হাদিছ; ইহাই তিনি লিখেছেন, লিখিয়েছেন, নিজে মেনেছেন এবং অন্যকে মানার আদেশ-উপদেশ দিয়েছেন।
৩। রাছুলের হাদিছ রাছুলের স্ব লিখিত হাদিছ কোরান। পক্ষান্তরে ২৫০/৩০০ বছর পরে বোখারীদের স্ব লিখিত হাদিছ বোখারীদেরই; উহা রাছুলের হতে যাবে কোন্ দু:খে? কোন্ যুক্তিতে? কার্ স্বার্থে?
৪। বোখারীগং রাছুলের বে-ইজ্জতী ও তার উম্মতদের পথ ভ্রস্ট, বিভ্রান্ত করার জন্য নিজেদের মিথ্যা, গাজাখোরী ধ্যান-ধারণা, কল্পনা, ভাবাবেগগুলি বিনা দ্বিধায় বাজারজাত করার জন্য রাছুলের পবিত্র নামটি ব্যবহার করেছে মাত্র। হাদিছ ও কোরান পাশাপাশি করে নিজেই ইহার সত্যাসত্য পরীক্ষা করে নিশ্চিত হোন!
৫। রাশাদ খলিফা ইহুদিদের চর নয় বরং কোরানের চর বলা যায়। ইব্লিছের চরদের বিরুদ্ধেই তার সংগ্রাম ছিল বলেই ইব্লিছের চরের গুপ্ত আক্রমণে শহিদ হন। অন্যথায় গুপ্ত হত্যা হতেন না। তবে তুলনায় তিনি অনেক অনেক জ্ঞানী ছিলেন; শরিয়ত তার সাথে পরাজিত হয়েই গুপ্ত হত্যা করতে বাধ্য হয়।
বিনীত।
@ ম জ বাসার ও ফারুক সাহেব,
আপনাদের এই আলোচনায় অপ্রত্যশিতভাবে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করলাম এই সাহসে যে, আপনারা কেউই হাদিসপন্থি বা শরিয়তিদের মতো মরার আগেই মানুষকে জাহান্নামের সার্টিফেকেট দেয়ার দাবী করতে কোনদিন দেখিনি। অবশ্য শরিয়তপন্থিরা দুনিয়াটাকেই দোজখ বানিয়ে দিতে আর তেমন বাকী কিছু রাখেন নাই। আপন পকেটে বেহেস্তের সার্টিফিকেট নিয়ে যারা ঘুরেন তারা তা করতেই পারেন।
এই যে মজহাবি দ্বন্দ, এর উৎস কোথায়? কোন সময় থেকে এবং কেন এর উৎপত্তি সেই ইতিহাস অনেক দীর্ঘ, সুদূর প্রসারিত। নৃতাত্বিক সমাজ বিশ্লেষন, ভৌগলিক ইতিহাস যারা বুঝেন তাদের জন্যে বিষয়টা অনুধাবন করা মোটেই কষ্টকর নয়। ইসলামের মূল নীতির সাথে রাজনৈ্তিক ইসলাম তথা ক্ষমতার দ্বন্দ এবং ভিন্ন ভিন্ন এলাকার ভৌগলিক অবস্থান তথা ভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্ঘর্ষের কারণে চার মাজহাবের জন্ম হয়েছিল। ক্ষমতার নোংরা লম্বা হাত সমাজের সর্বত্রই বিস্তৃত ছিল। ইসলামি চিন্তাবিদ বা স্কলারদের অনেকেই ক্ষমতার সাথে আপোসনীতি অবলম্বন করেছিলেন অথবা বাধ্য ছিলেন, আর অনেকেই আপোসহীন নীতি অবলম্বন করেছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষমতার নিকটবর্তিরাই টিকে থাকে, জয়ী হয়।
আপনি বাসার সাহেবকে বলেছেন-
না, ওটা সগর্বে প্রচার ও প্রসার হয়েছে যৌক্তিক কারণেই। ম জ বাসার সাহেব বলেছেন- হাদিসটি বোখারির স্বহস্তে রচিত। কথাটা ঠিক নয়। তর্কের খাতিরে যদি ধরেই নেই যে, ইমাম হানাফি, হাম্বলি, শাফেয়ি, মালেকি একে অন্যকে শ্রদ্ধা করতেন, কিন্তু তাদের অনুসারি খলিফা উম্মতগণ? সংশ্লিষ্ট হাদিসটি এই উম্মতগনের সংযোজন। ক্ষমতা বা শক্তি ছাড়া সঙ্ঘাত হয়না। উম্মতগণ তাদের ইমামের ক্ষমতা প্রদর্শণী বা সুপিরিওরিটি দেখাতে গিয়ে, তথা সদর্পে ঠিকে থাকার জন্যে এ রকম একটা নয়, হাজার হাজার হাদিস রচনা করেছেন, কখনো একটা হাদিসের ভিতরে কিছু সংযোজন করে, আবার কখনো কিছুটা বিলুপ্ত করে। এ রকম বহু হাদিসের উদাহরণ আপনি পাবেন আবু আল-মালি এবং তার অনুসারী আবু হামিদ মুহাম্মদ আল-তুসির লেখায়। হাদিসটি ছিল নিম্নরূপ- "There shall be a man in my Ummah called Muhammad ibn Idris, who will be more detrimental to my Ummah than Iblis. And there shall be among my Ummah a man called Abu Hanifah, who is verily the beacon for my Ummah." এর লেখক ছিলেন মামুন ইবনে আহমেদ আল সালামি এবং আহমেদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-খোনবারি।
উল্লেখিত হাদিসটির বিপরীতে ইমাম শাফীর সমর্থকরা লিখলেন- The Messenger of Allah (may God's peace and benediction be upon him and his Progeny) said: "Dignify Quraysh, as its 'alim will verily fill the whole earth with knowledge"!
অপরদিকে ঈমাম মালেকের সমর্থকরা লিখলেন- : The Messenger of Allah (may God's peace and benediction be upon him and his Progeny) said: "People will migrate from the East toward the West, where they will not find a man more knowledgeable than the 'alim of pepole of al-Madinah."
তথ্য সংগ্রহ-
আল- ইন্তিকা, ইবনে আব্দুল বারর।
কিতাবুল মুয়াম্মাল, আবু শামাহ।
এবং ইন্টারনেট থেকে-
http://www.coiradio.com/library/library/islamic_history/light_on_the_muhammadan_sunnah/05.htm
ছালাম আকাশ মালিক,
১। ধর্ম, রাজনীতি বা সামাজিক যেকোন বিষয় এবং মিডিয়ায় আসলে উহা আস্তিক/নাস্তিক, মুশরীক-মুনাফিক যারাই পড়ে, তাদের সকলের সমান অধিকার উহার আলোচনা-সমালোচনা করার।
২।আপনার বর্ণিত বিবরণগুলি সত্য এবং তাদের গুরু বোখারীগংগণো ঠিক এভাবেই এবং একই উদ্দেশ্যেই এক রাছুলের বেশি/কম পার্থক্যে একাধিক হাদিছ গ্রন্থ রচনা করেছেন। সুতরাং তাদের পরবর্তিগণ তাদেরই অনুসরণ করে পুন তাতে পূর্ববত কম/বেশী বিয়োজন/সংযোজন করেছেন এবং এখনো করছেন। সুতরাং উভয়ের মধ্যে উদ্দেশ্য, লক্ষ্য, ঈমান ও নীতিগতভাবে কোনই পার্থক্য নেই।
৩। বিশাল কথা হলো শরিয়তের সুত্র অনুযায়ী রাছুলের কোরান বহির্ভূত কথা-কাজ, ছাহাবাদের কোরান বহির্ভূত কথা-কাজ, তাবেঈনদের, তাবে-তাবেঈনদের কথা-কাজ; অত:পর ইমাম, মনীষীদের কথা-কাজকেও হাদিছ বলে ঘোষনা করা হয়। সুতরাং নির্দিষ্ট হাদিছটি কার, কোন্ কেতাবে লেখা ইত্যাদি মোটেও গুরুত্বপূর্ণ নয়। কে কোন লেখক! মিথ্যা হোক কি সত্য হোক হাদিছটিকে তারা হাদিছ হিসাবেই স্বীকার করেছেন, ইহাই গুরুত্বপূর্ণ।
৪। হতভম্বের বিষয় যে, ঐ হাদিছগুলিতেই লেখা আছে যে, রাছুলের জীবনী লিখতে স্বয়ং রাছুল নিশেধ করে গেছেন; কোরান ব্যতীত অন্য কিছু লিখলে যেন তা মুছে/বিলীণ করা হয়। এ কারণেই ৪ ছাহাবাগণ কোন হাদিছ লিখেন নি এবং লিখতেও দেন নি। কিন্তু পরবর্তিগণ না না ছল চাতুরী করে হাদিছটির অপব্যাখ্যা এমন কি ৪ খলীফার হাদিছ না লিখনে তাদের অভিযুক্ত করে ছেহাছেত্তাসহ সকল হাদিছ গ্রহন করেছে। এমন কি আবু বকরের স্ব হস্তে লিখিত মাত্র ৫শ হাদিছ স্বয়ং পুড়িয়ে ফেলার কারনে শরিয়ত তার মাথা খারাপ হয়েছিল বলে ইসলামীক ফাউন্ডেসনের প্রকাশিত বইতেই ঘোষনা করেছে।
৫। চুড়ান্ত কথা হলো: সত্য-মিথ্যা, ভালো-মন্দ সমূদয় হাদিছ সম্ভার কোরানের বিপরীতে অবৈধ, নিশিদ্ধ অতএব হারাম (দ্র; ৪৫: ৬; ৭৭: ৫০; ৫: ৪৪-৮; ৭: ৩; ৬৯: ৪৪-৪৭)।
৬। আপনার সংগৃহীত ইন্টার নেটের তথ্যগুলিও বোখারী/মোসলেম বা ছেহাছেত্তার নয়; নবি-রাছুলের নামেও লেখা নয়।
আপনার উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞ ও
বিনীত।
http://www.shodalap.org/bngsadat/4856
http://www.somewhereinblog.net/blog/taraki/29539397
http://www.somewhereinblog.net/blog/abdullah_muslim2010/29504928
ছালাম নাজিবুল্লাহ,
দু:খিত জনাব! ব্যাক ডোরে ঢোকার সময়-সুযোগ আপাতত নেই।
২। প্রশ্নগুলির জবাব দিন; না পারলে সত্ সাহস নিয়ে বলুন 'অসমর্থ।' বাস! সততার পুরস্কার অনিবার্য, হেলায়, অহংকারে হারাইয়েন্না।
বিনীত।
যারা মনে করে হাদীস বুখারী থেকেই চালু হয়েছে এর আগে হাদীসের কোন অস্তিত্ব ছিল না, "মুয়াত্তায় মালেক , সহীফায় আবু বকর নামে কোন হাদীসের কিতাব নেই, সাহাবা, তাবেয়ীন, তাবে-তাবেয়ীনগণের কেউ ই হাদীস লিখেন নি, একমাত্র রাশাদ খলীফাই মুসলিম আর সবাই কাফের" তাদের সাথে সময় নষ্ট করার মত কোন সময় নেই।
ছালাম নাজিবুল্লাহ,
প্রমান দিলেন, 'আপনি নিজে মুছলিম কি না' এর উত্তর দেয়ারো ক্ষমতা আপনার নেই। তবে আশ্চর্য হওযার কিছু নেই; কারণ ডা: জাকির নায়েকসহ বহু আলেম-আল্লামাগণ উত্তর দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
২। ১৫/২০ মিনিটের মধ্যেই আপনার নামে একটি মূল্যবান হাদিছ কোরবানী হতে যাচ্ছে; দয়া করে গ্রহন করুণ?
বিনীত।
উহু উল্টা হইয়া গেল না; একটু আগেই ত কইলেন
ভাইজানে কি দুই চোখ দিয়া ব্লগ পড়েন, নাকি সবকিছুতে দ্বিতীয় মাত্রা খুজেন!! - " যারা মনে করে
তাদের সাথে সময় নষ্ট করার মত কোন সময় নেই।"@ ফারুক,
সদালাপের লিঙ্কে গিয়ে তো আমার বহু দিনের বিশ্বাস বা ধারণা কর্পুর হয়ে হাওয়ায় মিশে গেল। মনে করতাম সাদাত সাহেবের ভান্ডারে সত্যি কিছু আছে। এ তো দেখি শুণ্য কলসীর হাট-বাজার বই কিছু নয়। মহাজন রায়হান সাহেব এসে যে প্রেসক্রিপশন দিয়ে গেলেন, সেই মহৌষধ একবার সেবন করলে কেয়ামত পর্যন্ত মুসলমান আর সন্ত্রাসীর খাতা থেকে নাম উঠাতে পারবেনা। কারণ তারা তেহাত্তর দলে বিভক্ত হয়ে নিজদের মধ্যেই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে যাবে শেষ প্রলয়ের দিন পর্যন্ত। অবাক বিষ্ময়ে সেখানে (সদালাপে) দেখলাম সাদাত সাহেব কী ভাবে বারবার পিচলালেন আর নিজের বক্তব্য এডিট করলেন।
আপনি সাদাত সাহেবকে বলেছেন-
আপনাকে জিজ্ঞেস করি, এই যোগাযোগ কৃত ব্যাক্তির মধ্যে কি দেশ, ভাষা, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে জগতের সকল মানুষ অন্তর্ভুক্ত? তাই যদি হয়, তাহলে এই তাত্ত্বিক কথাটা সবাই বুঝতে পারলে তো দুনিয়ার রূপটাই বদলে যেতো। হাদিস মানবে অথচ মানুষে মানুষে শ্রেষ্ট আর নিকৃষ্টের বিভাজন, ক্ষমতার সম্পূরক সন্ত্রাস আর সংঘাত সমর্থন করবেনা তা কি হয়?
@আকাশ মালিক, সালামুন আলাইকুম।
দেখুন , আমি যত দুর বুঝি , আল্লাহর ওহি শুধু মানুষ নয় , পশু পক্ষী সহ সকল প্রাণীর উপরে হয়ে থাকে।দেখুন আল্লাহ মৌমাছিকেও ওহি করেছেন-
১৬:৬৮ وَأَوْحَى رَبُّكَ إِلَى النَّحْلِ أَنِ اتَّخِذِي مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا وَمِنَ الشَّجَرِ وَمِمَّا يَعْرِشُونَ
আপনার পালনকর্তা মধু মক্ষিকাকে ওহি করলেন: পর্বতগাহ্রে, বৃক্ষ এবং উঁচু চালে গৃহ তৈরী কর,
সকল মানবজাতিকেই আল্লাহ ওহি পাঠিয়েছেন-
১৬:৪৩ وَمَا أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ إِلاَّ رِجَالاً نُّوحِي إِلَيْهِمْ فَاسْأَلُواْ أَهْلَ الذِّكْرِ إِن كُنتُمْ لاَ تَعْلَمُونَ
আপনার পূর্বেও আমি প্রত্যাদেশসহ (ওহি) মানবকেই তাদের প্রতি প্রেরণ করেছিলাম অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তোমাদের জানা না থাকে;
-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
অবোধ পশুপাখী কীট পতংগের কাছে ওহী নাজিলের কারন কি হতে পারে? তারা যাতে ভ্রান্ত পথে না গিয়ে লষ্ট সোলদের অন্তর্ভুক্ত না হয়?
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
আমি জানি না , আল্লাহ ভাল জানেন।
পশুপাখী কীট পতংগ যে অবোধ , এইডা আপনারে কে কইল?
-------------------------------------------------------------------------------------------------------
৫৪:১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
অবোধ নাকি সুবোধ কথাগুলা আপেক্ষিক।
অবোধ এইখানে এই অর্থে বলা যে পশুপাখী কীট পতংগ এদের বিবেচনা শক্তি দেওয়া হয় নাই তাই এদের পরকালের হিসাব কিতাবও নাই পরকালও নাই। যাদের বিচার বিবেচনা শক্তি নাই তাদের কাছে আল্লাহ আয়াত পাঠান কেন তাই বুঝতেছি না।
আয়াতে ওহী না বলে নির্দেশ বলা হলে প্যাঁচ খেতাম না।
আগে ধারনা ছিল কোরান কেবল মানুষ আর জ্বীনের জন্য, এখন বুঝলাম যে পশুপাখী কীট সবারই এর থেকে শিক্ষা নেবার আছে। অবশ্য একটা আয়াতে শুনেছি যে এমনকি জড় পদার্থগুলিও দিন রাতে আল্লাহর ইবাদতে মশগুল আছে।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই