এমন হচ্ছে কি কারণে?
লিখেছেন: মিজান
রাত সাড়ে ৯টায় মাঝিপাড়া সীমান্তের ৪৩৫ নং মেইন পিলার এলাকা দিয়ে ভারতের নয়াবাড়ি বিএসএফ ফাঁড়ির প্রায় ১০ সদস্য ময়নাগুড়ি গ্রামে অনুপ্রবেশ করে। তারা জিরো লাইন থেকে বাংলাদেশের প্রায় ৫০০ গজ অভ্যন্তরে চলে আসলে কয়েকজন গ্রামবাসী তাদের কাছে অনুপ্রবেশের কারণ জানতে চায়। এতে ÿিপ্ত বিএসএফ সদস্যরা তাদের গুলি করতে উদ্যত হলে তারা পালিয়ে যায়। পরে বিএসএফ সদস্যরা বাড়িতে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় শহীদুলের পরিবারের ওপর গুলিবর্ষণ করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মাজেদা বেগম ও তার শিশুপুত্র মামুন নিহত হয় এবং শহীদুল গুরুতর আহত হন। একই সময় কয়েক বিএসএফ সদস্য মোস্তফার বাড়িতে ঢুকে বেপরোয়া গুলিবর্ষণ করলে তিনিও গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ও শহীদুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে ভর্তি করা হলে কিছুÿণ পর মোস্তফা মারা যান।
‘কে আমাদের দেখবে কিভাবে চলব আমরা’
আমার বাবার কি অপরাধ ছিল? কেন আমার নিরপরাধ বাবাকে এভাবে প্রাণ দিতে হল? এখন আমাদের কি হবে? কে আমাদের ভরণপোষণ দেবে, কে আমাদের দেখবে, আমরা কিভাবে চলবÑ এভাবেই আহাজারি করে কথাগুলো বলছিলেন তেঁতুলিয়ার সীমান্তবর্তী ময়নাকুড়ি গ্রামে রোববার রাতে বিএসএফের গুলিতে নিহত কৃষক গোলাম মোস্তফার অনার্স পড়-য়া ছেলে সাইদুল ইসলাম এবং তার ছোট বোন। গোলাম মোস্তফার ৬ ছেলেমেয়ের মধ্যে সাইদুল সবচেয়ে বড়। পঞ্চগড়ে সে অনার্সে পড়ছে। তার ছোট শাকিল হোসেন এবার এসএসসি পরীক্ষা দেবে। আর মেয়ে নুরীজা বেগম (১৫) নবম শ্রেণীতে। লাবণী সবে স্কুলে যায়। লাভলী স্থানীয় ব্র্যাক স্কুলে যাতায়াত করে। আর মেজ মেয়ে নূরজাহান (২০) বিবাহিত, স্বামীর ঘর করছে। সংসারে রয়েছেন মোস্তফার ৯০ বছর বয়সী বৃদ্ধ মা জমিলা বেওয়া। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া প্রায় ১০ বিঘা জমি আবাদ করে মোটামুটি ভালোভাবেই তাদের সংসার চলছিল। রোববার রাতে আকস্মিকভাবে সবকিছু তছনছ করে দেয় বিএসএফ সদস্যরা। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি গোলাম মোস্তফাকে গুলি করে হত্যা করে। সাইদুলের ছোট বোন নুরীজা বেগম আক্ষেপ করে বলেন, বিএসএফ দুঃখ প্রকাশ করলেই তো সব শেষ, আমরা এখন কি খেয়ে বাঁচব। আমাদের পড়ালেখার অর্থ কে দেবে?
সোমবার দুপুরে তেঁতুলিয়ার সীমান্তবর্তী ময়নাকুড়ি গ্রামে নিহত গোলাম মোস্তফার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তার বৃদ্ধ মা জমিলা বেওয়া (৯০) পুত্রশোকে একরকম বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। পুত্রের ছবি হাতে অপলক চেয়ে আছেন। বিএসএফের গুলিতে ওইদিন রাতে নিহত হয়েছেন দুগ্ধপোষ্য ৮ মাস বয়সের শিশু সন্তান মামুন, তার মা মাজেদা বেগম (২৬) ও গোলাম মোস্তফা (৫৫)। সু্এ:
লস কাটাতে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে
ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। আর তেল আমদানিকারকরা বলছেন, দেশে তেলের চাহিদা অনুযায়ী তেল আমদানি করা সম্ভব হবে না। কিন্তু খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দফায় দফায় দাম কমে যাওয়ায় স্টক করে রাখা তেল কম দামে বাজারে ছাড়ায় যে লস হয়েছে, এটা পূরণ করতেই দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। এটা আমদানিকারকদের নতুন কারসাজি।….বিস্তারিত






ভাইজান, আমাদের জন্যে কোথাও কেউ নেই। নেতারা তুচ্ছ ব্যপার নিয়া নিজেদেরকে দেশ প্রেমের অনেক প্রমাণ দেখাতে পারেন। কিন্তু, রাস্ট্রীয় স্বাথে কেউ কোনদিন মূখ খোলেনি খুলবেওনা। এটাই ওদের দেশ প্রেম। ছিঃ ছিঃ ছিঃ
mizanjaan ১৮/১১/০৮ ৭:৪৬ অপরাহ্ন
এটাই ওদের দেশ প্রেম।
দৃস্টি আকশন!
আমাদের দেশে সবই সম্ভব। আমাদের দেশের TV বিজ্ঞাপনগুলো কিভাবে সমাজের বিরুপ প্রভাব ফেলছে তার ছোট্ট একটা নমুনা নিছের লিঙ্ক এ গিয়ে একবার দেখার জন্য সবাইকে বিশেষ অনুরোধ করছি।
http://omi.net.bd/304
মিজান ১৮/১১/০৮ ১১:২৩ অপরাহ্ন
এ থেকে পরিএানের উপায় নাই?
ট্র্যাকব্যাকঃ
আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে মন্তব্য করার জন্য!
আমার মেনু
মিজান
এই পর্যন্ত 14 টি ব্লগ লিখেছেন
প্রিয় পোস্ট
1 জন ব্যবহারকারি এই পেইজটি পড়ছেন!
1 জন অতিথি
সদস্যরা হলেনঃ