পঞ্চগড়ের গ্রামে ঢুকে তিন বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে বিএসএফ, সীমান্ত এলাকায় রেড এলাকর্ট
লিখেছেন: আসাদ
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মাঝিপাড়া সীমান্তের ময়নাগুড়ি গ্রামে ঢুকে রোববার রাতে তিন বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা।
নিহতরা হলেন- ময়নাগুড়ি গ্রামের গোলাম মোস্তফা (৩৫), তার প্রতিবেশী মাজেদা (২৫) ও মাজেদার ছেলে মামুন (১)। মাজেদার স্বামী শহীদুলকে (৩০) আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পঞ্চগড় ২৫ রাইফেল ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর শেখ ফরিদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, গ্রামবাসী ও বিডিআর সদস্যরা এক বিএসএফ সদস্যকে আটক করেছে।
তিনি বলেন, বিএসএফ সদস্যরা রাত সোয়া ১০টার দিকে গ্রামে প্রবেশ করে। গ্রামের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে বেরিয়ে আসলে বিএসএফ সদস্যরা নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে। এতে পাশাপাশি বাড়ির ওই তিন জন ঘুমন্ত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
বিএসএফ সদস্যরা চলে যাওয়ার সময় গ্রামবাসী ও বিডিআর তাদের একজনকে আটক করে।
রোববার মধ্যরাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখা যায়, গ্রামের অধিকাংশ মানুষ বাড়ি ছেড়ে কালান্দিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে। নিহত মোস্তফা ও শহীদুলের বাড়িসহ আশেপাশের বাড়িতে গুলির চিহ্ন রয়েছে।
শহীদুলের প্রতিবেশী আলমগীর হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, রাতে হঠাৎ গুলির শব্দে তার ঘুম ভাঙে। বিএসএফ এর হামলার বিষয়টি বুঝতে পেরে সাইকেল নিয়ে তিন কিলোমিটার দূরে মাটির পাড়া বিডিআর ক্যাম্পে খবর দেন তিনি।
গ্রামবাসী জানায়, ঘটনার আধঘণ্টা আগে থেকেই সীমান্তের বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ রেখেছিল বিএসএফ। অনুপ্রবেশের বিষয়টি পূর্ব পরিকল্পিত বলে ধারণা করছেন তারা।
-অনলাইন







আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। সরকারের উচিত এসব হত্যাকাণ্ডের একটা জোরালো প্রতিবিধান করা। ভারত তার দাদাগিরি ফলানোর জন্য এসব করে যাচ্ছে তা সবার কাছে স্পষ্ট। কিন্তু তাদেরকে বুঝিয়ে দেয়া উচিত যে, “দাদা” তো দূরের কথা, আমরা তাদেরকে আমাদের চেয়েও অধম ও সংকটাপন্ন মনে করি। (এ লাইটি শুধু যুলুমবাজ ভারত সরকারের জন্য প্রযোজ্য, যারা পাখির মত প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের মানুষদেরকে হত্যা করে যাচ্ছে।)
ট্র্যাকব্যাকঃ
আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে মন্তব্য করার জন্য!