বাংলায় নাম
বনের সিংহ
পরিচিতি
সদর দরজা
২৫ মার্চের জেনোসাইড ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা ৩৫০০০-এর উপরে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সেই কালো রাত যদি আবার আমাদের জীবনে আসে বা আমরা যদি সেই সময় এখানে থাকতাম তাহলে কী পরণতি হতো আমাদের? এই প্রশ্নটা মনে হতেই সারা শরীর কাঁটা দিয়ে ওঠে। সেই রাতের জেনোসাইডের বর্ণনায় যাওয়ার আগে জেনোসাইড সম্পর্কে একটু জেনে নিই। জেনোসাইড শব্দটি উদ্ভাবন করেন মানবতাবাদী, যুদ্ধবিরোধী পোলিশ লেখক ও এটর্নি রাফায়েল লেমকিন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে নুরেমবার্গ ট্রায়ালের প্রধান বিচারক রবার্ট জ্যাকসনের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন রাফায়েল লেমকিন । ১৯৪১ সালে সৃষ্ট এই শব্দটি গ্রীক শব্দ দমবহড়ং' এবং দপরফব' থেকে এসেছে, মবহড়ং শব্দের অর্থ জাতি পরফব শব্দের অর্থ হত্যা। শব্দগত অর্থে জেনোসাইড দ্বারা জাতিগত নিধন বোঝায়। পরবর্তীতে এটর্নি রাফায়েল লেমকিনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ জেনোসাইড কনভেনশন চূড়ান্ত হয়। জেনোসাইড কনভেনশন অনুযায়ী নিন্মোক্ত বিষয়গুলো কোন জাতিগত গোষ্ঠী, ধর্মীয় গোষ্ঠী বা কোন নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংঘটিত হলে সেটি জেনোসাইড এর অপরাধ হিসেবে সংঙ্গায়িত হবে। বিষয়গুলো হলো:
১. কোন গোষ্ঠীর সদস্যদের হত্যা করা ।
২. কোন গোষ্ঠীর সদস্যদের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতিসাধন করা ।
৩. সামগ্রিক বা আংশিকভাবে কোন গোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য গোষ্ঠীর সদস্যদের জীবনধারনে সুপরিকল্পিতভাবে গুরুতর বিঘœ সৃষ্টি করা ।
৪. কোন বিশেষ জাতিগত গোষ্ঠীর শিশুজন্ম রোধে ব্যবস্থাগ্রহণ করা ।
৫. জোরপূর্বক কোন গোষ্ঠীভূক্ত শিশুদের অন্যত্র স্থানান্তরিত করা ।
একই সাথে এ কনভেনশনে উল্লেখ করা হয় নিন্মোক্ত অপরাধগুলো শাস্তিযোগ্য:
১. জেনোসাইড সংঘটিত করা ।
২. জেনোসাইড সংঘটনের জন্য ষড়যন্ত্র করা ।
৩. জেনোসাইড সংঘটনের জন্য সরাসরি অথবা প্রকাশ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করা ।
৪. জেনোসাইড সংঘটনের জন্য চেষ্টা করা ।
৫. জেনোসাইড সংঘটনে সহযোগিতা করা ।
উইকিতে জেনোসাইড সম্পর্কে বলা আছে:
any of the following acts committed with intent to destroy, in whole or in part, a national, ethnical, racial or religious group, as such:
(a) Killing members of the group;
(b) Causing serious bodily or mental harm to members of the group;
(c) Deliberately inflicting on the group conditions of life calculated to bring about its physical destruction in whole or in part;
(d) Imposing measures intended to prevent births within the group;
(e) Forcibly transferring children of the group to another group.
২৫ মার্চের ভয়াল কালো রাতের জেনোসাইডের কথা আমরা কম-বেশি সকলেই জানি। মূলত এই রাতের হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমেই বর্বর পাক বাহিনী এদেশের মাটিতে প্রকাশ্যে হত্যাকান্ড শুরু করে। কিন্তু আমাদের অনেকেরই হয়তো জানা নেই যে, বর্বর পাক বাহিনীর এই নৃশংস কর্মকান্ড শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এর মূল কারণ সম্ভবত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকের আন্দোলন ছিলো পাক জান্তার জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ। কারণ সেই সময়ের ছাত্র সমাজ ছিলো সমাজের বিবেক। আর এই বিবেককে হত্যা করা তাদের জন্য সবচেয়ে বেশি জরুরি ছিলো। আর বিভিন্ন দলিল থেকে আমরা দেখি যে ওই রাতে পাক বাহিনী প্রথম বাধার সম্মুখীন হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শহিদুল্লাহ্ হলের গেটে। আর মুনসাসির মামুনের ‘সেই রাতের কল্প কাহিনী’তে আমরা দেখেছি কী নির্মমভাবে ছাত্রদেরকে গুলি করে, বুটের আঘাতে মাটিতে, মেঝেতে ফেলে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে আর বন্দুক দিয়ে গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে। আনুমানিক রাত একটার সময় পাক বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। এ বাহিনীর নেতৃত্বে ছিল লেঃ কর্ণেল তাজ। আক্রমণকারী পাকিস্তানী বাহিনীতে ছিল ১৮ নং পাঞ্জাব, ২২ নং বেলুচ এবং ৩২ নং পাঞ্জাবের রেজিমেন্টের বিভিন্ন ব্যাটেলিয়ান। বিশেষ মোবাইল বাহিনী স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, এম- ২৪ ট্যাংক, রিকোয়েললস রাইফেল, মর্টার, রকেট লাঞ্চার, ভারী-হালকা মেশিনগানে সজ্জিত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে ফেলে। পাক বাহিনীর ওপর নির্দেশ ছিল কোথাও রোড ব্যারিকেড এর সম্মুখীন হলে তার আশেপাশের সমস্ত স্থাপনা ধ্বংস করে ফেলার। তারা তাদের প্রভুদের সেই নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছে। শহিদুল্লাহ্ হলের সামনে দেয়া ব্যারিকেটে প্রথম বাধার সম্মুখীণ হলে সেখানে পাক বাহিনী নির্বিচারে মেশিনগানের গুলিতে হত্যা করে গণিত বিভাগের অধ্যাপক শরাফৎ আলী এবং অধ্যাপক এ. আর. খান খাদেমকে। তাঁরা দুইজনই হলের আবাসিক শিক্ষক ছিলেন। এরপর সেদিনকার নিষ্ঠুর বুলেট একের পর এক কেড়ে নেয় আরও কিছু সাধারণ ছাত্রের তাজা প্রাণ। হানাদার বাহিনী একই সাথে হামলা চালায় জগন্নাথ হল এবং সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে (তৎকালীন ইকবাল হল)। রাত বারোটার সময় ইউটিসির দিকের দেয়াল ভেঙে ট্যাংক নিয়ে জগন্নাথ হলে প্রবেশ করে পাক বাহিনী এবং প্রথমেই মর্টার ছোড়ে উত্তর বাড়ির দিকে। এর পর উত্তর ও দক্ষিণ বাড়ীর প্রতিটি কক্ষ অনুসন্ধান করে নির্র্বিচারে হত্যা করে ৩৪ জন ছাত্র ও অতিথি । হামলার সময় আক্রান্ত হয় হলের প্রাক্তন প্রাধ্যক্ষ ড. গোবিন্দচন্দ্র দেবের বাসভবন। পাক বাহিনী হত্যা করে ড. গোবিন্দচন্দ্র দেবকে এবং তার পালিতা মুসলমান কন্যা রোকেয়ার স্বামীকে। হলের তৎকালীন প্রাধ্যক্ষ ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতাকে এবং পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মনিরুজ্জামানকে ও তাঁর পুত্র এবং আত্মীয়সহ হত্যা করা হয়। জগন্নাথ হলে আরও নিহত হন আবাসিক শিক্ষক অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য। পাক বাহিনী জগন্নাথ হলে সবচেয়ে বেশি বাধার সম্মুখীণ হয় সেই রাতে। আর পরের সকালের বর্ণনা দিয়েছেন বুয়েটের শিক্ষক ড. নূরুলউল্লা। তিনি সেই সকালের ঘটনা ক্যামেরা বন্দী করে রেখেছিলেন দূর থেকে, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত জেনোসাইডের সবচেয়ে বড়ো দলিলের অন্যতম। তিনি সকাল ৭-৮টার দিকে যে দৃশ্য ক্যামেরান্দী করেন তার বর্ণনা দেন এভাবে
‘...জানালা দিয়ে লক্ষ্য করলাম, জগন্নাথ হলের সামনের মাঠে কিছু ছেলেকে ধরে আনা হচ্ছে এবং লাইনে দাঁড় করানো হচ্ছে। তখনই আমার সন্দেহ হয় এবং আমি ক্যামেরা অন করি।.... কিছুক্ষণের মধ্যে দেখলাম, ছেলেগুলোকে একধারছে গুলি করা হচ্ছে এবং এক এক জন করে পড়ে যাচ্ছে। আবার কিছু সংখ্যক লোককে ধরে আনা হচ্ছে।...’
আর রুমে ঢুকে গুলি করার ঘটনা তো আছেই। সেই রাতে কেউ বন্ধুদের সাথে রুমে আড্ডা দিতে দিতে ক্ষুণ হয়েছে, কেউ পড়ছিলো কেউ বা রাতের খাবার খেয়ে আরাম করছিলো- সুন্দর ভবিষৎ-এর দিন গুনছিলো। কিন্তু এই তাজা প্রাণগুলোকে বিকশিত হতে দিলো না দুনিয়ার বর্বরতম সভ্যতার বর্বরতম সেনারা। সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে হত্যা করা হয় ২০০ এরও বেশি ছাত্রকে। সেখানেও রাতে রুমে রুমে ঢুকে একই পদ্ধতিতে হত্যা করা নিরীহ, নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদেরকে।

রোকেয়া হলেও পাক বাহিনী তান্ডব চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। রোকেয়া হলে মেশিনগানের গুলিতে নিহত হয় বেশ কয়েকজন কর্মচারী। এছাড়া উলে¬খযোগ্য সংখ্যক কমর্চারীদেরকে হত্যা করে পাকিস্তানী আর্মি। সেই রাতে হলের গেটে কর্মচারীদেরকে হত্যা করা করে পাক সেনারা হলের ভিতরে প্রবেশ করে ছাত্রীদেরকে নির্মমভাবে ধর্ষণ করে, এরপর হত্যা করে তাদেরকে। হত্যার পর আবার কোনো কোনো লাশকে তারা ঘরের ফ্যানে বা অন্য কোথাও ঝলিয়ে রাখে। রোকেয়া হলের জৈনক কর্মচারীর ভাষ্য থেকে সেই রাতে তার নিজের স্বজন হারানো এবং ছাত্রীদের উপর নির্যাতনের কাহিনী থেকে আমরা যা শুনি তা থেকে উপরের বর্ণানায় বেরিয়ে আসে।
এছাড়া ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গা থেকে কর্মচারীদেরকে হত্য করা হয়। এদের মধ্যে হল মধুর ক্যান্টিনের মধুদা , শিক্ষক ক্লাব লাউঞ্জের সিরাজুল হক, আব্দুল মজিদ, ব্রিটিশ কাউন্সিল প্রহরারত ই পি আর সদস্যগণ, টিএসসির আব্দুস সামাদ, আব্দুস শহীদ, ভীম রায়, মনিরাম, জহরলাল রাজভর, শংকর কুরী, বোধিরাম, লাড্ডু লাল প্রমুখের নাম আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে পাই। এছাড়া নীলক্ষেত আবাসিক এলাকায়ও তারা হত্যাকান্ড চালায়। ২৫ মার্চে পরিচালিত জেনোসাইডে নিহত হয় (আনুমানিক) ১০ জন শিক্ষক , ৩০০ এরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া আত্মীয় কিংবা বন্ধুর কাছে বেড়াতে এসে সেই রাতে প্রাণ দিতে হয়েছে অনেক অতিথিকে। ছাত্রদের মাঝে ভীতি সঞ্চারের জন্য সেনারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে লাশ ফেলে রেখে যায়। এর মধ্যে শহিদুল্লাহ্ হলের পুকুর পাড়েই তারা ১০টির মতো লাশ ফেলে রেখে যায়। ২৬ মার্চ সকালে কন্ট্রোল রুম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনোসাইডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মর্তার মধ্যে কথোপকথন নিম্নরূপ:
কন্ট্রোল: তিনশ’ই মারা গেছে, না কেউ বন্দী বা আহত হয়েছে?
উত্তর: আমি এটাই পছন্দ করি। তিনশ’ই মারা গেছে।
কন্ট্রোল: ৮৮। আমিও তোমার সাথে একমত। এই কাজটাই সহজ। ...
আর এই সময় কন্ট্রেঅ রুম থেকে ইতিহাসের এই বর্বরতম হত্যাকান্ডে নিয়োজিত সেনাদেরকে বার বার ‘দ্যাট ইজ গুড’, ‘দ্যাট ইজ এ্যাকসিলেন্ট’...ইত্যাদি বলে সাধুবাদ জানানো হচ্ছিল।
আর্চার কে ব্লাডের ‘দি ক্রুয়ের বার্থ অব বাংলাদেশ’ বইয়ে মার্চের সেই কালো রাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে লেখক লিখেছেন:
...What was generally believed was that the army plan of attack at the university was to take no prisoners and to kill all the students present in the dorms.....Rokeya Hall, a dormatory, for girl students, was set ablaze and girls were machine guned as they field the buildings...'
পৃথিবীর ইতিহাসের যে কোনো জেনোসাইডকেই হার মানায় এই হত্যাযজ্ঞ। ৪০ বছর পর এসেও আমরা মানতে পারি না আমাদের উপর সেই দিনের সেই বর্বরতম হত্যাকান্ডের ঘটনা। আসলে এই ঘটনা ভুলবার নয়, আমার ভুলবো না কখনো। আমাদের ইতিহাসই তার নিজের পথ পরিক্রমায় আমাদেরকে বয়ে নিয়ে যাবে বাঙালি জাতিকে। আর বাঙালি জাতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত মুক্তির ইতিহাস, একটি জাতির আত্মপ্রকাশের নির্মম কাব্যগাঁথা। আমাদের সমাজ যতোই ‘ইয়ো ইয়ো’ কিংবা ‘ডিজে কালচারে’র দিকে ঝুঁকুক না কেনো শিকড়ের টানে বার বার ফিরে আসতে হবে এই তিহাসের পদতলে। শিকড়কে অস্বীকার করে কোনো গাছ বাঁচতে পারে না। আর জন্ম ইতিহাসকে ভুলে কোনো জাতি টিকে থাকতে পারে না।
অফটপিক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং মুক্তির সংগ্রাম নিয়ে আমি সর্বমোট চার পর্বে লেখা প্রকাশ করবো আমা করি। আগামী পর্বে থাকবে মুক্তির প্রেরণায়, দেশ মাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করার প্রয়াসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকের প্রস্তুতি এবং ঝাঁপিয়ে পড়ার ঘটনা।
- ক্যাটেগরি:
- বনের সিংহ-এর ব্লগ
- মন্তব্য প্রদানের জন্য লগইন অথবা রেজিস্টার করুন
- ৩৫১ বার পঠিত
Twitter-এ প্রকাশ করুন

মন্তব্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোসাইড নিয়া অনেক কিছু ইতিহাসে নাই , সেটা তুইলা ধরার জন্য ধন্যবাদ। পরের পর্বের জন্য ওয়েট করতাসি
ডাক্তর সাব, ধন্যবাদ।
অসাধারন লেখা @বনের সিংহ । পরের পর্বের আশায় থাকলাম ।
__________________________________________________________
“কোনো কিছু বেছে নেওয়ার অর্থ হলো অনেক কিছু ত্যাগ করা”।............স্যামুয়েলসন
ধন্যবাদ
এইটা কি ড. মোজাম্মেল হোসেন নাকি অধ্যাপক নূরুল উলা। তথ্যসূত্রটা দিয়েন...
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
ধন্যবাদ, এটা ড।নূরুলউল্লা।
আর উনার ইন্টারভউ করেন ড। মোজাম্মেল হোসেন।
ধন্যবাদ। সংশোধন করে দিচ্ছি।
তথ্য সূত্র: ‘স্বাধীনতা সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ পৃষ্ঠা: ১৩৩, লেখক: রফিকুল ইসলাম।
অট: এই না হলে বড়ো ভাই। অনেক দিন পর আবার একখান বড়োভাই পেলুম।
হা হা হা হা....
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
দুইজন দুই লোক। নুরুলউল্লাহ জগন্নাথ হলের হত্যাকান্ড ভিডিও করেন। মোজাম্মেল হোসেইন সেরাতে পাকিস্তানী ইউনিটগুলোর রেডিও ম্যাসেজ ইন্টারসেপ্ট করে তা রেকর্ড করেন। পাক সেনাবাহিনীর গণহত্যার দুটো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ দাখিলের জন্য বাঙালী জাতি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে এদের কাছে। দুজনের সাক্ষাতকারই আমি পোস্ট করেছি, এর মধ্যে মোজাম্মেল হোসেইনেরটি আমার নেওয়া। তার রেডিও বার্তার সেই টেপও আপলোড করেছি ইন্টারনেটে।
অধ্যাপক ডক্টর নুরুলউল্লাহর সাক্ষাতকার
ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইনের সাক্ষাতকার
...................................................................................
অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...
পিয়াল ভাইয়ের বিকল্প নিতি নিজেই। অনেক ধন্যবাদ পিয়াল ভাই আপনাকে।
কিন্তু পোস্ট সংশোধন করেন। নুরুলউল্লাহর সাক্ষাতকার মোজাম্মেল হোসেইন নেননি। তিনি অন্য একটি কাজ করেছেন যা সমান প্রশংসনীয়
...................................................................................
অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...
পিয়াল ভাই, আমি উপরে যে বইয়ের বর্ণনা দিয়েছি সেখান থেকে আমার কাছে করা নোট থেকে পোস্টের এই অংশটা নেয়া। সেখানে এটি লেখা আছে। দেখতে হবে। কাছে ডকু নেই। রমে ফিরে দেখবো। ধন্যবাদ
...................................................................................
অতীত খুঁড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি...
ঢাকা ইউনিভার্সিটি পাকি সৈন্যদের জন্য স হজ টার্গেট ছিল।
৭ই মার্চের পর কি করে ছাত্ররা হলে ছিল এটা চিন্তার বিষয়। জীবিত ৩ খলিফার সাক্ষাতকার নেয়ার দরকার আছে এ ব্যাপারে। সিরাজুল আলাম খানের সাক্ষাতকারও দরকার।
ধন্যবাদ, ফারমার সাহেব।
কথা সত্য।
আপনাকে খুশি দেখলে মনটা কেমন জানি ভরে ওঠে আমার।
:D
:D
এইটা কি ফারমার আঙ্কেলকে বলছেন??
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
আপনাকে বললে কি কোনো ক্ষতি ছিলো?
না।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
আর ফারমার আঙ্কেলকে বললে?
সেইটা আপনে আর উনি বুঝেন। আমি না-বুঝদার লোক, তার উপরে হাইয়েস্ট ওর্ডারের ফোর-টুয়েন্টি; বাই দ্যা ওয়ে আপনে বানানের ব্যাপারে একটু সচেতন হইয়েন। পোস্ট ভালো লাগছে।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
কি কন না কন!!! বি ইয়োর ন্যাচারাল।
ধইন্যা। চেষ্টাইতাছি। হয় না। (চ্ষ্টোয় মনে লয় খারাপি আছে
আজ, বহু দিন পর একটা পত্রিকা, ছোটো পত্রিকা বের করার স্বপ্ন মনের মধ্যে বার বার উঁকি দিচ্ছিল।
আমাদের গেছে যে দিন- বোধ হয় একেবারেই গেছে; আমরা রবীন্দ্রনাথ নই তো, তাই।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
হা হা হা হা
চমৎকার একটা পোষ্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ!
~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!
ধন্যবাদ
ধন্যবাদ
পড়লাম!! লিখে যান।
সাথে আছি; পড়লাম।
_____________________
ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।
পড়লাম একটানে। পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায়।
--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........
ধন্যবাদ
ড.নুরুল উল্লাহর ধারণ করা ক্লিপটি এখানে
রোকেয়া হলে নৃশংসতার খানিকটা বর্ণনা দিচ্ছি,
পোস্টে হাজার তারা।পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।
*****************************
তোমার দগ্ধ দেহ
এইবার ঢেকে যাক নবজাত রোদে।
তোমার রক্তে ভিজে পোড়ামাটি ফিরে পাক প্রাণ।
তুমি সেই আগামীর মাঠে
ফলাও দু'হাত ভরে দগদগে আগুনের ধান।
ধন্যবাদ।
পরবর্তি পর্বের অপেক্ষায় রৈলাম ..................
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!
ধন্যবাদ
ধন্যবাদ, হাদা দাদা
পরের কিস্তির অপেক্ষায়
***********************************************************************
"এহনবি জিন্দা আছি, মৌতের হোগায় লাথথি দিয়া
মৌত তক সহি সালামত জিন্দা থাকবার চাই"
গ্রেট পোস্ট। পিয়াল ভাইয়ের কথাটা খেয়াল কইরা কারেকশন করেন। পরে পোস্টটা সব জায়গায় শেয়ার দিব।
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
দিলাম। ধন্যবাদ।
ভাল পোস্ট দিছিলা তো...আগে খেয়াল করিনাই ।
লেখার ধরণেও অনেক উন্নতি ।
বুঝা যাচ্ছে একটা সেই রকম কিছুর আশায় আছো।
পরের কিস্তির জন্য ২৫ মার্চ পর্যন্ত ওয়েট কইরোনা।