গত অক্টোবর মাসে প্রধানমন্ত্রী যখন দোয়েল ল্যাপটপ উদ্বোধন করেছিলেন তখন স্বভাবতই আমরা আমাদের দেশীয় ব্যাবস্হাপনায় প্রস্তুত প্রথম ল্যাপটপ নিয়ে বেশ উছ্বসিত ই ছিলাম। সেই সাথে আমার একটা লেখায় বলেছিলাম খুচরা বাজারে মানুষের হাতে না আসা পর্যন্ত এই উদ্বোধনের আসলে কোন বাস্তবিক ভিত্তি নেই। এই দীর্ঘসূত্রিতা দোয়েলের জন্য আত্মঘাতী হওয়ার আশংকা ছিলই। কিন্তু সেই আশংকা সত্যি হওয়া তো দূরে থাক, ঐ মার্কেটিং পর্যায় পর্যন্ত যাওয়ার আগেই প্রায় মুখ থুবড়ে পড়েছে দোয়েল। আজকের প্রথম আলোতে জানতে পারলাম আপাতত এর উৎপাদন ও বাজারজাত বন্ধ রাখা হয়েছে।
নি:সন্দেহে খুবই দু:খজনক খবর এটি।
মূলধন সংকট ই নাকি এর মূল কারন। মালয়েশিয়ার থিম ফিল্ম ট্রান্সমিশন নামক কোম্পানীর নাকি টাকা দেয়ার কথা থাকলেও তারা নাকি টাকা দেয়নি। আমার জানা নেই সরকারের এই বিষয়ে কোন আইনি ব্যাবস্হা গ্রহনের সুযোগ আছে কিনা, থাকলে সরকারের অবশ্যই তা নেয়া উচিত। এই টাকা নাকি অন্য কোন প্রতিষ্ঠান থেকে ম্যানেজ করার চেষ্টা চলছে। তবে বাংলাদেশে সরকারী কাজ একবার বন্ধ হলে সেই কাজ আবার দ্রুত শুরু হওয়াটা বিরল উদাহরন।
দোয়েলের যে অল্প কিছু ব্যাবহারকারী আছেন তারা নাকি ইতিমধ্যেই ব্যাটারী এবং মনিটর এর কোয়ালিটি নিয়ে অভিযোগ করছেন। প্রয়োজনীয় ফিল্ড টেস্টিং সম্পন্ন করা ছাড়া ইন্জিনিয়াররা এর উদ্বোদন কেমনে ঘোষনা করলেন সেটি বোধগম্য হচ্ছেনা। ল্যাপটপ তো আর বিল্ডিং না যে, একবার ভিত্তি প্রস্তর করলাম, একবা গেট উম্মোচন করলাম!!!
যত যাই হোক, সরকারী অর্থের এই অপচয় খুবই হতাশাজনক, যেখানে টাকাটা ইনভেস্ট হচ্ছিলো একটি সম্ভাবনাময় খাতে। এই ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নেবেন আশা করি সংশ্লিষ্টরা সেই সাথে এই ব্যার্থতার জন্য দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।
মন্তব্য
আমাদের প্রধানমন্ত্রীরা স্বর্ন ধরিলে উহা মাটি হয়ে যায়।
হাহা খারাপ বলেন নাই
.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও
এভাবে বল্লেন ভাই!
মাধুকরী
দোয়েল হলো জনগনের টাকা লুটপাট করার একটি নিপাট প্রজেক্ট। এই প্রজেক্ট নিয়ে যখন লাফালাফি চলছিলো তখনই এর যৌক্তিকতা ছিলো প্রশ্নবোধক। কিন্তু কাউকে তেমন একটি প্রশ্ন তুলতে দেখিনি। ডিজিটাল হাসিনা তো ২ দিন আগেও তার সাফল্যের নিয়মিত ফিরিস্তির মধ্যে দোয়েল এর কথা তুলেছে। তার সুপু্ত্র বিশিষ্ট কম্পিউটার বিজ্ঞানীর সরাসরি তত্বাবধায়নে বাংলাদেশ দোয়েল হয়ে উড়াল দিয়েছে।
আমারব্লগের বিশিষ্টজনদের মধ্যে কেউ দোয়েলের সাথে যুক্ত ছিল। তাদের কাছ থেকে একটা আপডেট অবশ্যই সবার প্রাপ্য।
দেখা যাক!!
.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও
পাখি উড়ে গেছে...
**********
স্বপ্নের কারিগর
আবার উড়বে পাখি, এই স্বপ্ন ই দেখি
.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও
পাখি ফাঁকি দিয়েছে .................................
আজ সকালে আলু পড়ে লিখেছেন!!
-----------------------------------------------------
আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...
আমাদের আর আচে কি? আলু কালু ই তো
.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও
*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।
মূল সমস্যাটা এখানে--
অধ্যাপক মোস্তফা আকবরের মন্তব্যটি এখানে গুরুত্বপূর্ণ। দেখা যাক, এই সুপারিশ কাজে লাগে কি না।
এই সিদ্বান্ত আরো বেশী আত্মঘাতী হবে।
.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও
আপনার কি মনে হয় দোয়েলকে ওড়ানোর জন্য এটা করা হয়েছে!!!আপনার ভুল হচছে, এ কাজ করা হয়েছে দোয়েলকে ডুবো তেলে কড়া ভাজি করে খাওয়ার জন্য।
দোয়েল যদি উরে গিয়ে সাগরে পড়ে এই প্রজেক্ট বাতিল হয়তো খুব ভাল।১০/১৩ হাজার টাকায় ল্যপটপ পাবার দরকারটা কি?ল্যপটপ কখনই ডেস্ক কম্পিয়টারের মত দীর্ঘজীবি যন্ত্র নয়। হাজার বারোশ ডলারের ল্যপটপও দেখা যায় দুই তিন বছরের বেশি যায় না।সেখানে বারো তের হাজার টাকার ল্যপটপের আয়ু আর কতদিনের হবে?
সরকারের ডিজিটাল ফানুস এইভাবে চুপসে গেলো!
ই-বুক :: রিপোর্টারের ডায়েরি: পাহাড়ের পথে পথে
আসলে সরকার নাকি ডিজিটাল, ডিজিটাল নয় তো ডিজি-মাতাল হয়ে গেছে///////////////
'''''' Man is mortal.''''''''' so be all people careful.''''''''''''''''''''
কিছু করতারলোনা।
তিন বছর শেষ।
_____________________
ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।