বাংলায় নাম
বুড়ো শালিক
পরিচিতি
সদর দরজা
আ ট্রিবিউট টু সুবরামানিয়ান চন্দ্রশেখর
আমার প্রিয় বিজ্ঞানীদের মধ্যে অন্যতম একজন সুবরামানিয়ান চন্দ্রশেখর। তাঁকে ভালো লাগা ও তাঁর প্রতি আগ্রহের একটা বড় কারণ হলো চন্দ্রশেখর লিমিট, যার সম্পর্কে আমি এইচএসসিতে পড়েছিলাম। কী কারণে জানি না, ঐ সময়ে এটা আমার কাছে খুব বড় একটা আবিষ্কার মনে হয়েছিলো।
অবশ্য এটা আদতেই অনেক বড় একটা আবিষ্কার। বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখর ছিলেন আরেক কালজয়ী বিজ্ঞানী স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমনের (রমন এফেক্টের আবিষ্কারক, যিনি সি ভি রমন নামে বেশি পরিচিত) ভাতিজা। বলা হয়ে থাকে, ১৯৩০ সাল নাগাদ মাত্র দুজন ব্যক্তি আইনস্টাইনের জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটি (সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব) বুঝতেন। এঁরা হলেন আইনস্টাইন নিজে এবং চন্দ্রশেখর।
সংক্ষেপে চন্দ্রশেখরের জীবন
সুবরামানিয়ান চন্দ্রশেখর ছিলেন ভারতীয় বংশদ্ভুত আমেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তিনি ১৯১০ সালে ব্রিটিশ ভারতের লাহোরে (বর্তমান পাকিস্তানের পাঞ্জাবের অন্তর্গত) জন্ম নেন। তাঁর বাবার নাম চন্দ্রশেখরা সুবরামানিয়া লায়ার এবং মার নাম সীতালক্ষী। দশ ভাই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয় এবং চার ভাইয়ের মধ্যে সবার বড়। চন্দ্রশেখর হলো শিবের একটা উপাধি, সংস্কৃত ভাষায় যার অর্থ চাঁদের ধারক। চন্দ্রশেখরের বাবা লায়ার তাঁর জন্মের সময় উত্তর পশ্চিম রেলওয়ের ডেপুটি অডিটর জেনারেল হয়ে লাহোরে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু তাঁদের মাতৃভাষা ছিলো তামিল। তাঁর পুরো পরিবারই ছিলো প্রতিভাধর। লায়ার বেহালা বাজাতে পারদর্শী ছিলেন এবং সুরবিদ্যার উপর অনেক বইও লিখেছেন। সীতালক্ষী হেনরিক ইসবেনের আ ডলস হাউজ তামিল ভাষায় অনুবাদ করেন।
চন্দ্রশেখরের শিক্ষার হাতে খড়ি হয় বাড়িতেই। পরে তিনি মাদ্রাজের হিন্দু হাই স্কুলে তিন বছর (১৯২২ - ১৯২৫) পড়ালেখা করেন। পরের পাঁচ বছর তিনি মাদ্রাজের প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়েন এবং সেখান থেকেই ১৯৩০ সালের জুন মাসে ফিজিক্সে অনার্স সহ বিএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। একই বছর জুলাইয়ে তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সরকারের বৃত্তি পেয়ে ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটিতে পড়তে যান। তিনি সেখানকার ট্রিনিটি কলেজে স্যার রালফ হাওয়ার্ড ফোলারের অধীনে রিসার্চ স্টুডেন্ট হিসাবে ভর্তি হন। সেখানকার প্রফেসর পল ডাইরাকের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার অংশ হিসাবে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে অবস্থিত ইনস্টিটিউট অফ থিওরিটিকাল ফিজিক্সে (তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা) শেষ শিক্ষাবর্ষ কাটান। সেখানে তাঁর সৌভাগ্য হয় প্রফেসর নিলস বোরের সান্নিধ্যে আসার। ১৯৩৩ সালে তিনি ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। একই বছর অক্টোবরে তিনি ১৯৩৩ সাল থেকে ১৯৩৭ সালের জন্য ট্রিনিটি কলেজের ফেলোশিপ অর্জন করেন। এই চার বছরে তিনি স্যার আর্থার এডিংটন ও প্রফেসর এডওয়ার্ড মিলনের সান্নিধ্যে আসেন।
প্রেসিডেন্সি কলেজের শেষ দুই বছরে (১৯২৮ - ১৯৩০) তাঁর এক বছর জুনিয়র ললিতা ডোরাইস্বামীর সাথে তাঁর বন্ধুত্ব হয়। ১৯৩৬ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁরা বিয়ে করেন। চন্দ্রশেখর তাঁর নোবেল অটোবায়োগ্রাফিতে স্ত্রী সম্পর্কে লেখেন,
ললিতার ধৈর্য্যশীল বিবেচনাবোধ, সহায়তা আর অনুপ্রেরণা ছিলো আমার জীবনের মূল চালিকাশক্তি।
বিয়ের পরপরই (১৯৩৭ সালের জানুয়ারি মাসে) চন্দ্রশেখর ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগোতে এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসাবে যোগ দেন। সেখানে তাঁকে রিক্রুট করেন ড. অটো স্ট্রুভ এবং ইউনিভার্সিটির তত্কালীন ফ্যাকাল্টি প্রেসিডেন্ট প্রফেসর রবার্ট মেনার্ড হাচিন্স। তিনি তাঁর বাকি জীবন সেখানেই কাটিয়ে দেন। ১৯৮৫ সালে তিনি এমিরেটাস স্ট্যাটস অর্জন করেন। এই সময়ে তিনি অনেক ইউনিভার্সিটির অনেক লোভনীয় অফার ফিরিয়ে দেন। তার মধ্যে একটা ছিলো প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি মানমন্দিরের ডিরেক্টর হওয়ার অফার। তিনি উইস্কন্সিনের উইলিয়ামস বেতে অবস্থিত ও ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো দ্বারা পরিচালিত ইয়ের্কেস মানমন্দিরেও কাজ করেন।
নক্ষত্রের গঠন ও বিবর্তন তত্ত্ব আবিষ্কারের ফলে তিনি ১৯৮৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৫ সালের ২১ আগস্ট ৮৫ বছর বয়সে এই মহান বিজ্ঞানী মৃত্যুবরণ করেন।
চন্দ্রশেখরের গবেষণা
চন্দ্রশেখরের জীবনের গবেষণাগুলোকে বিষয়ের ভিত্তিতে মোটামুটি সাত ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১। নক্ষত্রের গঠন ও শ্বেতবামন তত্ত্ব (১৯২৯ - ১৯৩৯)
২। নক্ষত্রের গতিবিধি ও ব্রাউনীয় গতি তত্ত্ব (১৯৩৮ - ১৯৪৩)
৩। তেজস্ক্রিয় পরিবর্তন তত্ত্ব, নক্ষত্রের বায়ুমণ্ডল তত্ত্ব, ঋণাত্মক হাইড্রোজেন আয়নের কোয়ান্টাম তত্ত্ব, গ্রহের বায়ুমণ্ডল তত্ত্ব এবং দিনের আকাশের দীপ্তি ও মেরুকরণ সংক্রান্ত তত্ত্ব (১৯৪৩ - ১৯৫০)
৪। হাইড্রোডাইনামিক ও হাইড্রোম্যাগনেটিক ভারসাম্য, রালে-বেনার্ড তাপ সঞ্চালন তত্ত্ব (১৯৫২ - ১৯৬১)
৫। উপগোলকাকার কাঠামোর ভারসাম্য ও সাম্যাবস্থার তত্ত্ব (১৯৬১ - ১৯৬৮); এই গবেষণায় তাঁর সঙ্গী ছিলেন নরম্যান লেবোভিত্জ।
৬। সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব ও আপেক্ষিক জ্যোতির্বিজ্ঞান (১৯৬২ - ১৯৭১)
৭। ব্ল্যাক হোলের গাণিতিক তত্ত্ব (১৯৭৪ - ১৯৮৩)
এসব গবেষণার ফলাফল হিসাবে তিনি নিচের বইগুলো লেখেন:
১। নক্ষত্রের গঠনতত্ত্বের ভূমিকা (১৯৩৯) : An Introduction to the Study of Stellar Structure
২। নক্ষত্রের গতিবিধির তত্ত্ব (১৯৪২) : Principles of Stellar Dynamics
৩। তেজস্ক্রিয় পরিবর্তন (১৯৫০) : Radiative Transfer
৪। প্লাজমা পদার্থবিজ্ঞান (১৯৬০) : Plasma Physics
৫। হাইড্রোডাইনামিক ও হাইড্রোম্যাগনেটিক ভারসাম্য (১৯৬১) : Hydrodynamic and Hydromagnetic Stability
৬। সাম্যাবস্থার উপগোলকাকার তত্ত্ব (১৯৬৯) : Ellipsoidal Figures of Equilibrium
৭। ব্ল্যাক হোলের গাণিতিক তত্ত্ব (১৯৮৩) : The Mathematical Theory of Black Holes
৮। সত্য ও সুন্দর, বিজ্ঞানের সৌন্দর্য্য ও অনুপ্রেরণা (১৯৮৭) : Truth and Beauty. Aesthetics and Motivations in Science
৯। সাধারণ পাঠকের জন্য নিউটনের তত্ত্ব (১৯৯৫) : Newton's Principia for the Common Reader
চন্দ্রশেখর লিমিট
বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখরের সবচেয়ে বিখ্যাত আবিষ্কার চন্দ্রশেখর লিমিট। চন্দ্রশেখর লিমিট কী, তা বুঝতে হলে আমাদের আগে নক্ষত্রের জীবনচক্র সম্পর্কে জানতে হবে।
নক্ষত্রের জীবনচক্রের সময়কাল অনেক বড় বলে মনে করা হয়। এমনকি তা ক্ষেত্রবিশেষে লক্ষ বছর হতে কোটি বছরও হতে পারে। এই থিওরিগুলো অবশ্য কম্পিউটারের সিম্যুলেশনের মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জন্ম নিয়েছে। ভরের উপর ভিত্তি করে নক্ষত্রকে মোটামুটি তিন ভাগে ভাগ করা যায়: কম ভর সম্পন্ন, মাঝারি ভর সম্পন্ন ও বেশি ভর সম্পন্ন। যেসব নক্ষত্রের ভর অর্ধেক সৌরভরের কম, তাদের বলা হয় লোহিত বামন (red dwarf), যেমন প্রক্সিমা সেঞ্চুরি। এসব নক্ষত্রের আয়ুষ্কাল সবচেয়ে বেশি হয়। সাম্প্রতিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের মডেলে ধারণা করা হয় যে, যেসব নক্ষত্রের ভর সূর্যের ভরের দশ ভাগের এক ভাগ বা তার কম, সেসব নক্ষত্র লোহিত বামন হিসাবেই থাকে প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন বছর। আরো প্রায় কয়েকশো বিলিয়ন বছর পরে তা পরিণত হয় শ্বেত বামনে (white dwarf)। মধ্যম ভরের নক্ষত্রের ভর অনেক বেশি হওয়ায় তাদের অভ্যন্তরের মাধ্যাকর্ষণ আস্তে আস্তে কমে যায়। ফলে তাদের শক্তি উত্পাদনের হারের চেয়ে আকারে বড় হওয়ার হার বেশি হয়। কাজেই তারা ধীরে ধীরে ঠাণ্ডা হয়ে লাল রং ধারণ করে। এই অবস্থায় তাদের বলা হয় লোহিত দানব (red giant)। এসব নক্ষত্রের ভর যদি আরেকটু বেশি হয়, তাহলে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে তারা একসময় নেবুলায় পরিণত হয়, যার কেন্দ্রে থাকে আসলে ঘণ ও ছোট শ্বেত বামন। অনেক বেশি ভর সম্পন্ন নক্ষত্রগুলোর টিকে থাকার ক্ষমতা কমে যায়, তাদের বিশাল আকৃতি ও ভরের জন্য। ভর অনেক বেশি হওয়ায় তাদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তিও অনেক বেশি হয়। তারা লোহিত বামনের চেয়ে উজ্জ্বল হয়। এদের বলা হয় সুপারনোভা।
চন্দ্রশেখর লিমিট হচ্ছে কোনো স্ট্যাবল শ্বেত বামনের সর্বোচ্চ ভর। ১৯৩০ সালে মাত্র ২০ বছর বয়সে চন্দ্রশেখর এটা আবিষ্কার করেন। যেসব শ্বেত বামনের ভর এই লিমিটের নিচে, তারা অন্যান্য নক্ষত্রের মতো মাধ্যাকর্ষণজনিত বিলুপ্তির সম্মুখীন হয় না। আর যাদের ভর এর চেয়ে বেশি, তারা নিজেদের মাধ্যাকর্ষণের ফলে এক সময় সংকুচিত হতে থাকে। এই সংকোচনের ফলে তাদের আয়তন কমলেও ভর কমে না, ফলে এরা অনেক সময় নিউট্রন স্টার বা ব্ল্যাকহোলে পরিণত হয়। ব্ল্যাকহোল হলো একটা খুব ছোট বিন্দুতে জমা করা অসীম পরিমাণ ভর। এর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতই বেশি যে, আলোও এর থেকে বের হতে পারে না। চন্দ্রশেখর লিমিটের মান ক্যালকুলেট করা হয়েছে সৌর ভরের ১.৪ গুণ বা টু পয়েন্ট এইট ইন্টু টেন টু দ্য পাওয়ার থার্টি কেজি। চন্দ্রশেখর তাঁর এই তত্ত্ব প্রমাণের জন্য আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব ব্যবহার করেন।
লেখা শেষ করছি। চন্দ্রশেখরের তত্ত্বের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে অনেক সহজ করে লেখার চেষ্টা করেছি, যাতে তা সবাই বুঝতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু মানুষের পাঠ্য না হয়। কাজেই, হয়তো অনেক কিছুই এসব বিষয়ের বোদ্ধাদের কাছে বেশি সিমপ্লিফাইড মনে হতে পারে। তবে যদি খুব বড় কোনো ভুল বা গড়মিল না পান, তাহলে তা সাধারণ পাঠকদের বুঝার সুবিধার্থে লেখকের ক্ষুদ্র প্রয়াস হিসাবে ধরে নেয়ার আহ্বান জানাবো।
তথ্যসূত্র:
১। উইকিপিডিয়া
২। নোবেল বিজয়ী চন্দ্রশেখরের অটো বায়োগ্রাফি ।
- ক্যাটেগরি:
- বুড়ো শালিক-এর ব্লগ
- মন্তব্য প্রদানের জন্য লগইন অথবা রেজিস্টার করুন
- ৫৪৪ বার পঠিত
Twitter-এ প্রকাশ করুন


মন্তব্য
চমৎকার লেগেছে। প্রিয়তে।
..................................................................
মেরুদণ্ড-ব্যাক্তিত্ববোধ-মান সম্মান-সৃজনক্ষুধা সমস্ত কিছু জলাজ্ঞলি দিয়া গায়ে ‘তোষামোদী’র চাদর জড়াইয়্যা মিলিটারি স্টাইলে ‘ইয়েস স্যার’ বইল্যা- বিরাট “দায়িত্বশীল” আচরণের মধ্যে আছি।
ধন্যবাদ
ক্রলিং বিষয়ে কি কোন থিওরী আছে
গুগল মামারে জিগান
ভাল লেগেছে নতুন কিছু জানতে পেলাম। ধন্যবাদ।
============================================================================
জয় হোক সত্যের! জয় হোক মানবতার!!!
রামনা্রায়ণের রাম চিঠি http://www.amarblog.com/munim/posts/134846
সময় করে পড়া ও মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ
এম সারোয়ার হোসেন কলকাতার এক (হিন্দু) বিজ্ঞানীকে নিয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন, কীভাবে পাশ্চাত্যের বর্ণবাদীরা তাঁকে তাঁর আবিষ্কারের কৃতিত্ব দেয়নি, এবং তিনি (সারোয়ার) কীভাবে সেই বিজ্ঞানীর কাজের স্বীকৃতি আদায়ের জন্য চেষ্টা করেছেন ইত্যাদি। তাঁর উদ্যোগ অভিনন্দনযোগ্য, যদিও বর্ণবাদের ব্যাপারে আমি পুরো কনভিন্সড ছিলাম না। যা হোক, সে সময়ে ঐ পোস্টের ব্যাপারে আমার একটা সন্দেহ ছিল, যদিও নিছক সন্দেহ বলে প্রকাশ করিনি। কিছু দিনের মধ্যেই সন্দেহটা বাস্তবে রূপ নেয়। সারোয়ার সাহেবকে যখন অনেকে ছাগু সম্বোধনে বিব্রত করছে, তখন তিনি তাঁর সেই পোস্ট তাঁর অসাম্প্রদায়িক চরিত্রের সাক্ষ্য হিসাবে উল্লেখ করেন।
কিছু মনে করবেন না, আশা করি আপনার তেমন পরিকল্পনা নেই।
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
সব জায়গায় চুলকানি? আগ বাড়িয়ে আপনের গাত্রদাহের কারণ কি? হ্যাডম থাকলে বিজ্ঞান নিয়ে কিছু লেখা পোস্ট করে দেখান।
@লেখক, লেখাটি বেশ ভাল লাগলো। সেই সাথে চন্দ্রশেখর সম্পর্কে আরো কিছু জানা হলো।
গাত্রদাহ কোথায় দেখলেন বলেন দেখি?
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
@ -আদনান-:
ধন্যবাদ
হ্যাঁ দেখছি ও পড়েছি পোষ্টটা। ওর বেশীরভাগ অংশ জুড়ে ছিল সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যাক্তিদের ই-মেইল চালচালি। আপনার কী মেইলগলো পড়ে মনে হয়েছে উনি কোথাও আন্তরিক নন? নাকি দেখেছেন বিজ্ঞানী হিন্দু বলে উনার চেষ্টাতে কোনো কমতি? না থাকলে অভিযোগ কেন? নাকি নাম সরোয়ার বলে তার সব চিন্তাধারা আর কর্ম-পদ্ধতির পেছনে দুরভিসন্ধি থাকতে বাধ্য?
মোল্লা সাহেব, সাম্প্রদায়িক লোকজনের করা ভারতপ্রীতির অমূলক অভিযোগের জবাবে একজন হিন্দুকে যখন সাক্ষ্য দিতে হয় যে বাংলাদেশেই রয়েছে তার হাজার বছরের ইতিহাস, তখন সেই নিরুপায় হিন্দু বাংলাদেশীই কী সাফাই দেবার জন্যে দোষী? নাকি মূল সমস্যা সেখানে যেখানে কেবল হিন্দু হবার জন্যে তাকে দেশপ্রেমের প্রমাণ হাজির করতে বলা হচ্ছে?
--শাহবাজ
.
কী, উইকিলি দাদা, কিছু কইবেন???
না, তিনি আন্তরিক নন তা মনে করিনি। আপনি হয়ত উত্তেজনার বশে খেয়াল করেননি, আমি লিখেছি তিনি যা করেছেন তা অভিনন্দনযোগ্য। তবে পোস্টটি পরবর্তীতে কীভাবে ব্যবহৃত হতে পারে তা নিয়ে সন্দেহ বা আঁচ ছিল। ঐ দূরভিসন্ধি নিয়ে পোস্ট করা হয়েছিল, তা বলিনি।
__
দুই ধরন ধরণীর অধিবাসীর--
যাদের বুদ্ধি আছে, নাই ধর্ম,
আর যাদের ধর্ম আছে, অভাব বুদ্ধির।
--একাদশ শতকের অন্ধ আরব কবি আবুল 'আলা আল-মা'আররি।
@ জর্জ বুশ:
তাইলে এই বেলা অফ গেলে খুশি হইবাম!
@ কাঠ মোল্লা:
কমেন্টখান আপনের প্রোফাইল পিকের মতই হইছে!
বেশি চুলকাইতেছে, বুশ ভাইজান?!
সরোয়ার সাহেব কিভাবে আমেরিকাতে সিফিলিস জীবানু কালোদের উপর (তাসকিগিতে) পরীক্ষা করা হয়েছে তার উপর একটা লিখা লেখেন। এটাকে অনেকদিন পর্যন্ত্য কনস্পিরিসি থিয়োরী বলে চালানো হয়েছে বলে উনি লিখেছেন।।। মানলাম উনার কথা কিন্তু ৯/১১ এর দিন এই লেখা প্রকাশ করে উনি কি বুঝাতে চেয়েছিলেন তা জানতে ইচ্ছা করে।।।
আমার ঐ লেখাটি সেপ্টেম্বরের ৮ তারিখে সায়েন্টিফিক বাংলাদেশ-এ প্রকাশিত হয়েছে। এর সাথে ৯/১১ এর কোন সম্পর্ক নেই। আমু/সদালাপ বা অন্যকোন ব্লগে প্রকাশিত হয়নি। না জেনে এত বড় মিথ্যা কথা বলার দরকার ছিল?
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
সুন্দর প্রোফাইল লিখেছেন! ধন্যবাদ।
****************************
ধৈর্য্য ও নম্রতাই প্রকৃত মহত্ব।
এইটা কারে বলছেন? আমারে বললে ধইন্যা!
লেখা ভাল হয়েছে। "এডিংটন নাম্বার" খ্যাত ইংরেজ জ্যোতিপদার্থবিদ স্যার আর্থার এডিংটন ও এ বিষয়ে গবেষণা করেছিলেন। সে সময়ে থিওরি অফ রিলেটিভেটি তিনি নিজেও খুব ভাল বুঝতেন এবং এ নিয়ে কাজের জন্য বিখ্যাতও হয়েছিলেন।
----------------------------
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়
আর্থার সাহেবের কথা পোস্টে বলেছি।
আর রিলেটিভিটি নিয়ে যে কথাটা বলেছি, ওটা আসলে চন্দ্রশেখরের ঐ বিষয়ক জ্ঞানের গভীরতা বুঝাতে প্রচলিত ছিলো।
যেমন এরিস্টটল সম্পর্কেও তত্কালে বলা হতো,
পড়া ও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ
পড়লাম - ধন্যবাদ।
দুর্ভাগ্য - পোস্ট নয় পোস্টদাতাই অনেকের কাছে দ্রষ্টব্য। এই হলো আমার ব্লগের নিয়তি। আপাতত।
----------------------------------------------------------
"সওয়ারীদের দৌড়ানোর মাঝে কোন কল্যান নেই। "
ধন্যবাদ
দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য এটা কি ভুইলা গেলেন মাওলানা?
আপনেই তো ভুইলা গ্যাছেন মনে হইতেছে। বার বার খালি আমার (আপনের ভাষায় দুর্জুন!) পুস্টে আইসা লাফালাফি করেন!
ধরলে কি আবার এডমিন বরাবর কান্না দিবেন?
আমারে ধরবেন ক্যান্ শুধু শুধু? আমি তো ধরার মতো কোনো কাম করছি বইলা মনে হয় না। আর লিমিটের বাইরে কিছু করলে একটু-আধটু রিপোর্ট তো করতেই পারি!
শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ!
**********************************************
"Do not make any decisions when you are angry And never make any promises when you are happy."
পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ
একটি ভাল লেখা হচ্ছে আলোক বর্তিকা সম। যার আলোকে জ্ঞানের পথে চলা যায়।
ধন্যবাদ, বুড়ো শালিক।
এধরণের লেখা চলুক।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে
ধন্যবাদ, আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
হুম পড়লাম।
_____________________
ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।
হুম, ভালা করছেন!
ভারতীয় উপমহাদেশের পৃথিবীবিখ্যাত একজন পদার্থবিজ্ঞানীর কারনে ভারতীয় উপমহাদেশের একজন হিসাবে গর্ব বোধ করছি। লেখা সরাসরি প্রিয়তে। বুড়ো শালিক ভাইকে ধন্যবাদ।
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি কোনো পোষা পাখি নাকি? যেমন শেখাবে বুলি সেভাবেই ঠোঁট নেড়ে যাবো
আপনাকেও ধন্যবাদ।
তিনি আমাদের সবার গর্ব!
সাইন্স টা তেমন বুঝি না।
সময় নিয়ে পড়তে হবে তাই প্রিয়তে রাখলাম।
_________________________
উত্তাল ঢেউয়ের সামনে অসহায় দাঁড়িয়ে
সঠিক দিশার সন্ধানে ব্যপৃত থাকার প্রয়াস............
সহজ করে লেখার ট্রাই করেছি। পড়ে দেখতে পারেন। ভালো লাগবে হয়তো।
এরকম বিজ্ঞানীদের নিইয়ে একটা বড় সিরিজ প্লান করে বইয়ের কথা চিন্তা করতে পারেন। জাবির ইবনে হাইয়ান সম্পর্কে আমার আগ্রহ প্রচুর। আপনার কোন পরিকল্পনা আছে কি?
বইয়ের চিন্তা নাই, তবে জাবির ইবনে হাইয়ান সম্পর্কে লিখতে পারি।
ধন্যবাদ।
@বুড়ো শালিক,
ভালো উদ্যোগ।
তবে কষ্ট করে তৈরি করা একটা লেখা দেবার সাথে সাথে এত প্রতিক্রিয়া সহ্য করে ক'দিন এখানে লেখা চালাতে পারেন, সেটাই দেখার বিষয়।
-সাদাত
সেটাই!
পোষ্ট ভাল হয়েছে। বিজ্ঞান মনষ্ক মানসিকতা তৈরী করতে শুধু বিজ্ঞানের জ্ঞানই না, সব যুগের নমস্য বিজ্ঞানীদের জীবনী/ক্যারিয়ার জানাও খুবই প্রয়োযন।
মুক্তমনায় প্রদীপ দা এমন কিছু লেখা লিখেছিলেন। আগ্রহীরা দেখতে পারেন।
http://mukto-mona.com/bangla_blog/?author=20
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
ধন্যবাদ
চন্দ্রশেখর সম্পর্কে অনেক কিছু জানলাম।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
স্বপ্নগুলি খুঁজে বেড়াই
পথ হারানোর পথ ধরে...
পড়ার জন্য ধন্যবাদ
চমৎকার ব্যাখ্যায় অনেক তথ্য জানা হল।
~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!
ধন্যবাদ
।
ভাল পোস্ট। চন্দ্রশেখরকে নিয়ে অনেক কিছু জানা গেল।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ
পড়ার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা আপনাকেও।
সুব্রামানিয়াম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত অথচ চমৎকার একটি লেখার জন্য কৃতজ্ঞতা।
চন্দ্রশেখর লিমিট যে তাঁর আবিষ্কার, তা জানতাম। কিন্তু মাত্র ২০ বছর বয়সে!
তিনি আসলেই অনেক জ্ঞানী ব্যক্তি ছিলেন।
পোস্ট ভালো লাগলো।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বলো বীর! বলো উন্নত মম শির!
শির নেহারি আমারই-
নতশির ঐ শিখর হিমাদ্রির!
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।