আমি লৌহ মানব ; আমার কোন দুষখ নাই
লিখেছেন: শারফুদ্দীন
মধ্যবিত্ত পরিবারের বইখা যাওয়া পোলা আমি (আপাতত নিজেরে ফেরেশতা মনে করি
)। সোনার চামুচ মুখে দেয়া আমার কোনদিনও হয়নাই। তারপরেও পিতৃদেবের বিশাল হৃদয়ের ছত্রছায়া কোনদিনও বুঝতে দে নাই সোনার চামুচ আর ইশটিলের চামুচের ডিফারেন্স। যেদিন তার হাতে হাত রাখছিলাম কেন জানি মনে হইছিল এই জীবন ত জীবন না। এই জীবনরে ত আরো অনেক কিছু দেওনের আছে। তাই স্বপ্ন দেখছিলাম এই ডার্ক লাইফটারে কালারফুল বানানির।
পাসপোর্ট টিকিট হাতে নিয়া বাপেরে কদমবুচি করার সময় বাবায় বলে, এই বয়েসেই ত পোলাপানে ভুল করে, তুই না হয় করচোস। সব ঠিক হইয়া যাইবো, আবার নতুন কইরা সব শুরু কর। এখনো সময় আছে বিদেশ যাইছ না। হাইসা বাপেরে বলছিলাম তা কি হয় ? আমার ফেরেশতার মতন বাপের চোখে পানি ঝরাইছিলাম আমি। আমার তখনো কোন দুঃখ লাগেনাই।
ঈদের দিন সকালে নামাজ পইরা আইসা একটানা ৩৫ টা টয়লেটের গু সাফ করছিলাম ; হাতে এখনো গুয়ের গন্ধ করে। ১২ ঘন্টা একটানা ভিনেগার মিশাইন্যা গরম পানিতে ডাষ্টার ভিজাইয়্যা গ্লাস ওয়াইপ করতে করতে হাতে ফোস্কা উঠাইছি। তখনো আমার কোন দুঃখ লাগেনাই। কাঁনধে ২০ লিটারের ক্যান আর হাতে আরো একটা ২০ লিটারের ক্যান নিয়া “মইয়্যা মইয়্যা” চিল্লাইয়্যা চিল্লাইয়্যা একটানা ৫৬ ঘন্টা পানি বেচছি ইয়া নফসীর মাঠে। আমার তখনো কোন দুঃখ লাগেনাই। জানতাম তারে পাইতে হৈলে আমারে আরো অনেকদুর পথ পাড়ি দিতে হবেক !!
সবকিছু গুছাইয়া নিছিলাম। মায়ে আশায় বুক বাঁনছে, মাঝরাতে আমাদের বাড়ীর সামনে ফকফকা আলোয় দমদমিয়ে আবারো চলবে রেকেট কর্ক এর তান্ডব, আমার মটরসাইকেলের ভটভট শব্দ আবারো দুঃশ্চন্তিতার ঢেউ তোলবে মায়ের মনে। খবরটা তারেই দিতে গেছিলাম। শুনি………… সে অন্যের ঘরের ঘরনী।
দেশে আর যাওয়া হয়নাই। মায়ের ছেলে দেখার আশা আর পূরন হয়নাই। যে মায়ে দুনিয়া দেখাইছে সে মায়েরে আবারো কান্দাইছি আমি। আমার তখনো কোন দুঃখ লাগেনাই। কি হারাইছি, কি হারাইছি শোক ভুলতে মাতাল হৈয়া গাড়ী চালাইতে গিয়া ২ ইঞ্চি নাকে ৫ টা সিলাই নিয়া হসপিটালের নার্সেরে ৭ দিনের সখী বানাইছি। আমার তখনো কোন দুঃখ লাগেনাই। আমার কোন ক্লেশ লাগেনাই তার বাপের সামনে বুক ফুলাইয়া হাঁটতে পারিনাই বইলা।
আমার তখনি দুঃখ লাগে যখন শুনি আমার এত কষ্টের বিনিময়েও সে নিজেরে সুখি বানাইতে পারেনাই।







কি আর বলবো। মন খারাপ হয়ে গেলো পড়ে।
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ৩:১৬ পুর্বাহ্ন
কোন ব্যাপারস নহে
খুবই কষ্ট পেলাম লেখাটা পড়ে ;-( ;-(
ভাই কেন যে এমন করে লেখেন
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ৩:১৭ পুর্বাহ্ন
মনে যখন যেমন আসে তেমন লেখি
নিজের ঘঠনা নাকি?
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ৩:১৭ পুর্বাহ্ন
পরের ঘটনা নিয়া টানাটানি দেওনের বেইল আচে নিকি
ওয়েবমাস্টার ১৫/০৬/০৮ ৪:০৯ পুর্বাহ্ন
আপনারে স্যালুট!
যে এমুন কষ্টের করাত দিয়া পাঠকেরে টুকরা করতে পারে তারে….
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ৮:৩৬ অপরাহ্ন
সে হালারে বয়কট করনের কাম (H)
পইড়া চুপ হয়া গেলাম।
কিছুই মুখ থেইকা বাহির হইতেছে না। ;-(
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ২:৪৬ পুর্বাহ্ন
কেন রে ভাই
হুমম…ভালো থাকো।
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ২:৪৮ পুর্বাহ্ন
আছি ত ভালা
আরে দুরে তুই অনেক দুরে যাবি আমি জানি
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ২:৫০ পুর্বাহ্ন
আর কত দূরে যাঈতাম ৭০০০ মাইল দূরে ত আছি
জনাব একমাত্র আপনার লেখা পড়রা জন্য আমারব্লগে সদস্য হলাম। তাই আপনারে একটা
একটা একটা করে দিলাম।
আপনি বলছেন আপনি লৌহ মানুষ কিন্তু পড়ে মনে হল মাটির। আপনে কিতা কইন আমি হাচা কইছিনানি?
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ২:৫১ পুর্বাহ্ন
আমি আসলে ইব্লিসের উস্তাদ
;-(
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ২:৫২ পুর্বাহ্ন
ল্যাকাটা খুবই ভালা হইসে
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ২:৫৩ পুর্বাহ্ন
আপনার ভালা লাগসে শুইনা খুশি হইসি
৫ তারা দিলাম
দিন দিন আমি তোমার পাঙ্খা হয়া যাইতেছি বলদ।
রাশেদ ১৫/০৬/০৮ ১০:২৪ পুর্বাহ্ন
পোলাডার মইদ্দে আগুন আছে।
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ২:৫৫ পুর্বাহ্ন
পানি ঢাইলা দ্যাও
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ২:৫৪ পুর্বাহ্ন
হে হে হে হে হে
সেই অচেনা বাংগালী নিকি ???
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ২:৫৬ পুর্বাহ্ন
কেউ গেলা!
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ২:৫৫ পুর্বাহ্ন
এইত আছি, এট্টু বিজি ছিলাম
নরাধম ১৫/০৬/০৮ ৩:১৬ পুর্বাহ্ন
শারফু, সামহয়ারের তোমার শারফুদ্দিন নিকটা কি ব্যান নাকি??
শারফুদ্দীন ১৫/০৬/০৮ ৩:২২ পুর্বাহ্ন
সে ত অনেক আগের কথা
ওমা এতোক্ষন পরে দেকলাম এটা নির্বাচিত কলামে আয়া পড়ছে
কি বোলবো? আমার জেনো এইরোকোম না হোৈ
ট্র্যাকব্যাকঃ
আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে মন্তব্য করার জন্য!
আমার মেনু
শারফুদ্দীন
বাংলাদেশ ভ্রমন করিয়া আসিয়া মনে হইতেছে : হায়রে শালার জিন্দেগী,, কার তরে হায় বন্দেগী,, কি দিলি আর কি বা পাইলি,, হাঁইটা হাঁইটা হোঁগা-ই দিলি,,
এই পর্যন্ত 73 টি ব্লগ লিখেছেন
প্রিয় পোস্ট
1 জন ব্যবহারকারি এই পেইজটি পড়ছেন!
1 জন অতিথি
সদস্যরা হলেনঃ