Skip to content

কাকঁড়া প্রবৃত্তিঃ একটি সামাজিক সমস্যা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার এই লেখাটি একটু ব্যাতিক্রম। কারণ, অন্যান্য লেখকরা সামাজিক সমস্যা হিসেবে এই সমস্যা নিয়ে বিশেষ কিছু বলেন না। যাই হোক, আমাদের সমাজ ব্যবস্থা কাকঁড়া প্রবৃত্তির কবলে পড়ে কোণঠাসা হয়ে আছে। যার কারণে, আমাদের সমাজ আস্তে আস্তে কুঁজো হয়ে যাচ্ছে এবং মেরুদন্ড সোজা করে উপরে উঠতে পারছে না। আজ আমরা ভালোকে স্বাগত জানাতে নিজের মনের দরজা খুলে দিতে পারছি না। বিষয়টি আরো পরিষ্কার করার জন্য ভারতে কিভাবে কাকঁড়া ধরে সেটা বরং আগে বলি।

কাকঁড়া ধরার জন্য চারদিক বেষ্টিত একটি বাক্স নেয়া হয় যার উপর এবং নিচের দিক খোলা। সেই বাক্সটি কাকঁড়াদের উপরে রাখা হয়। কাকঁড়ারা ইচ্ছা করলে বের হয়ে আসতে পারে কারণ বাক্সটির উপরের দিক খোলা। কিন্তু তারা পারে না। কারণ, যখন একটি কাকঁড়া উপরে উঠতে যায়, তখন অন্য কাঁকড়া তাকে নিচের দিকে নামিয়ে নিয়ে আসে।

আমাদের সমাজ ব্যবস্থা তদ্রুপ সেই কাঁকড়া ব্যবস্থাকে অনুসরণ করে চলছে। সমাজে যখন কেউ নানাবিধ সমস্যা জর্জরিত, দেয়ালে পিঠ ঠেকা মানুষগুলোকে মুক্তির স্বাদ দেয়ার জন্য বাক্সের সেই উপরের খোলা দিক যখনই অতিক্রম করতে যায়, তখনই সমাজ কাঁকড়ার ন্যায় তাকে নিচের দিকে টানতে থাকে।

বিবেকবান শিক্ষিত ভাই ও বোনেরা, আপনারা কি এই সমস্যা নিয়ে একটু ভাববেন?


-------------------------------
জুনিয়র সক্রেটিসের চিঠি

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমরা সক্রেটিস না

----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সবার উদ্দেশ্যে,

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালে একসময় নিয়মিত লিখতাম। তারপর সেই লেখাগুলো বিভিন্ন হলে, রেলওয়ে ষ্টেশনে টানিয়ে দিতাম। কেউ জানত না, কে এই লেখা গুলো লিখছে। শুধু বন্ধুরা জানত। সক্রেটিস এইভাবে রাস্তায় রাস্তায় শিক্ষা দিত। বন্ধুরা মিল খুঁজে পেয়ে আমাকে জুনিয়র সক্রেটিস ডাকা শুরু করলো। সেই থেকে জুনিয়র সক্রেটিসের জন্ম। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে আসার পর আর লেখা হয়ে উঠেনি। দীর্ঘ চার বছর পর আবার কলম তুলে ধরলাম।

আশাকরি সবাইকে সাথে পাবো। প্রতি শনিবার একটি করে চিঠি লিখবো। পড়ার আমন্ত্রণ রইলো smile :) :-)

নিজেকে জানো

glqxz9283 sfy39587p07