Skip to content

ডাক্তার বললেন, " অনুমতি দিলে আপনার বাবাকে এবার মেরে ফেলতে পারি। "

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডাক্তার বললেন, " অনুমতি দিলে আপনার বাবাকে এবার মেরে ফেলতে পারি। "

আমি ডাক্তার সাহেবের দিকে তাকালাম। আমার দষ্টিতে হয়ত অদ্ভুত কিছু ছিল, তাঁকে দেখলাম একটু থতমত খেয়ে গেছেন। তিনি আমার দিকে ভালো ভাবে তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করছেন তাঁর কথাটা আমার কানে গিয়েছে কিনা।

আমি নিজেও বুঝতে পারছিনা তাঁর কথা আমার কানে গিয়েছে কিনা ! তিনি কি সত্যিই বাবাকে মেরে ফেলার অনুমতি চাইছেন আমার কাছে ? এটা কি করে হয় ! এত বড় একজন ডাক্তার এমন নির্লিপ্ত মুখে কাউকে মেরে ফেলার অনুমতি চাইতে পারেন ! তিনি কি ডাক্তার না খুনি ? না, তিনি তো আমার অনুমতি চাইছেন। আমি অনুমতি দিলেই তিনি বাবাকে মারতে পারবেন। খুনি তো আমি !

আইসিইঊ'র ঝাপসা কাচের ভেতর দিয়ে বাবাকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছেনা। আরেকটা কাচের ক্যাপসুলের মত ছোট্ট একটা খুপড়ির মত বাক্সের ভেতর বাবাকে রাখা হয়েছে। তাঁর সারা শরীরে অসংখ্য নলের ছড়াছড়ি। মুখের উপর বড় একটা মাস্ক। ওটাই কি লাইফ সাপোর্ট ? ডাক্তারি এত ভাষা আমি বুঝি না। গতকালও কি আমি দেখলাম না বাবার বুকটা সামান্য উঠানামা করছিল? নাকি ভুল দেখেছিলাম ? আজ অনেকবার চেষ্টা করে দেখেছি কিন্তু কোনো নিঃশ্বাস নিতে দেখলাম না বাবাকে। এজন্যই কি ডাক্তারটা বাবাকে খুন করতে চাইছে ?

স্ট্রোকের আগে শেষ দিকে বাবার সাথে তেমন একটা কথাই হত না। নাহ, তার সাথে আমার কোনো ঝগড়া ঝাটি, মনোমালিন্য ছিল না। ঝগড়া করার, অভিযোগ করার হয়ত অনেক কিছুই ছিল। আক্ষেপ করে বলতে পারতাম, পরিসংখ্যানে সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে জীবনে কি এমন করতে পারলে তুমি ? আর তোমার ছেলেমেয়েদের বলো এখনো আমরা পড়ালেখার মূল্য বুঝি না ! অথর্ব শিক্ষাব্যবস্থার চরকি তে পড়ে চব্বিশ বছর চলে গেলেও এখনো একটা দু'পয়সার চাকরি জোটাবার মত সার্টিফিকেট জোগাঢ় করতে পারলাম না ! এত শিক্ষা কি দিল তোমাকে ? আমি বলতাম মামা-চাচা ছাড়া আজকাল কোথাও কিছু হয় না। বাবা বলত, নিজের যোগ্যতায় সবকিছু পাবে, যোগ্য হও। তখন আমি ঝগড়া করে বলতে পারতাম, হেহ্‌, অনেক যোগ্য তো তুমিও হয়েছিলে, পেরেছো নিজের স্ত্রী-সন্তানের জন্য কিছু করে রেখে যেতে ? কিন্তু কখনো বলিনি তো ! আমি হয়ত ঝগড়া করে বলতে পারতাম, তোমার মেয়েকে কলেজে যাবার সময় বাসে-ক্যাম্পাসে ভদ্দরলোকেরা গায়ের ধাক্কা লাগায়, স্মার্ট ছেলেরা ওড়না ধরে টান দেয়। তোমার আদর্শের বুলি আওড়াতে গিয়ে সারাজীবন তো রাজনীতিকে ঘৃণা করতেই শিখেছি, তাই সভ্য প্রতিবাদের ভাষা আমার জানা নেই। হয় তুমি কিছু কর না হয় আমার হাতে একটা অস্ত্র দাও ! ওদের কন্ঠনালীতে গিয়ে একটা গুলি করে আসি।...এসবওতো কখনো বলিনি ! তোমাদের শেখানো মত তোমার মেয়ে সবসময় মাথা নিচু করেই চলাফেরা করেছে, আর আমিও তোমার কথা মত চুপ থেকেছি। কারণ আমরা তো নিতান্তই মধ্যবিত্ত কুকুর ! লাথি খেয়ে, হজম করি।

আমিতো ঝগড়া করে বলতে পারতাম, বাবা ! আমার বন্ধুদের তাদের বাবারা সবাইকে কোনো না কোনো ভাবে প্রতিষ্ঠিত করে দিচ্ছে। কেউ বাবার জোরে চাকরি পাচ্ছে, কাউকে ব্যবসায় ধরিয়ে দিচ্ছে। আমি এখনো দিন গুনছি একটা সার্টিফিকেটের। কই কখনো বলিনি তো ! কারণ আমি জানি, মা বরাবরি তোমার বেতনের টাকা গুলোর দিকে করুণ চোখে তাকিয়ে ভাবে, "এতে কি সারা মাস চলবে !"

তারপরও কেন যেন বাবার সাথে কোনো কথা খুঁজে পেতাম না। ভাবতাম কি কথা বলব? আমি কি অনেক বড় হয়ে গিয়েছিলাম ! নাকি অন্যরাও আমার মত, বড় হয়ে গেলে ভাবে বাবাদের সাথে আর কি কথা বলবে ? আচ্ছা কত বড় হলে বাবার সাথে কথা বলার কিছু খুঁজে পাওয়া যায় না ? বাবার ইনসমনিয়া রোগ ছিল। রাতে সারা ঘরে হাঁটাহাঁটি করত। প্রায়ই ফ্রিজ থেকে আপেল বের করে কেটে এনে অর্ধেকটা আমায় দিত বাকিটা বাবা খেতো। মাঝেমাঝে হেসে তাকাতাম, মাঝে মাঝে বিরক্তও হতাম, "উফ এত রাতে কেন এত হাঁটাহাঁটি কর !" আমাকে না দিয়ে রাতের বেলা কখনোতো আপেল খাওনি বাবা ! আমি কি একবারো তোমার জন্য কেটে নিয়েছি ? মনে পড়েনা।

বাবার দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে চারপাশে তাকালাম। প্রতিদিনের মত অবিচল ছায়া নিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে আছেন ছোটমামা। বাবার বড় ভাইটাকে দেখতে পাচ্ছিনা। জ্যাঠু বলতে যাকে গলায় আটকায়। নিশ্চয় দলিল-দস্তাবেজ নিয়ে এরমধ্যে হিসেব শুরু করে দিয়েছেন। ভিটেমাটির কে কোনদিকে পাবে ! মাকেও দেখছিনা। অপলক ভেজা চোখে আর কত তাকিয়ে থাকবে ওই নিথর দেহটার দিকে ?

ডাক্তার এবার একটু স্পষ্ট করে বললেন, " আপনি অনুমতি দিলে, পেশেন্টের লাইফ সাপোর্টা এবার সরিয়ে নিয়ে পারি। সবার সাথে তো ইতিমধ্যে কথা হয়েছে। তবুও আপনি যেহেতু একমাত্র ছেলে....." তিনি কথাটা শেষ করলেন না। ছোটমামা মাথা নিচু করে আমার কাঁধে হাত রাখলেন। এবার তার কথা ঠিকই শুনতে পেলাম। প্রথমে আমিই ভুল শুনেছিলাম । আমাদের ডাক্তাররা অনেক ভদ্র সুশীল। "আপনার বাবাকে মেরে ফেলার অনুমতি দিন" টাইপের কথাবার্তা তাঁরা বলেন না।

মামার চোখের দিকে তাকালাম। অসহায় ছলছলে দৃষ্টি ! কি অদ্ভুত এক পরিবেশ ! সবাই গত দুই দিন ধরে বাবাকে ঘিরে অপেক্ষা করছে তার মৃত্যুর জন্য। গত একসপ্তাহ ধরে তাকে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে। ডাক্তাররাও এখন নিশ্চিত এই লাইফ সাপোর্টের প্রয়োজনীয়তাও এখন ফুরিয়েছে। সবাই তাদের মত দিয়ে দিয়েছেন। মা অবশ্য কিছু বলেননি। অপলক চোখে শুধু চোখের পানি ঝরিয়েছে। তাই ডাক্তার সাহেব এখন আমার কাছে এসেছেন আমার অনুমতি নেয়ার জন্য। আমিইতো একমাত্র ছেলে ! আমার কথাই শেষ কথা ! এটা কি অনুমতি নাকি স্রেফ আনুষ্ঠানিকতা যে, আপনার অনুমতিতেই আপনার বাবাকে মেরে ফেলা হচ্ছে, এ সম্পর্কে আপনারা সজ্ঞানে সকলে অবগত !!!

বাবার দিকে আরেকবার তাকালাম। বাবা ! কখনো তোমার কথার সাথে দ্বিমত করিনি তো ! হাজার আক্ষেপ থাকলেও সবাইকে তো বুক ফুলিয়ে সমসময় বলেছি, "আমার বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা "
বন্ধুর শুনে খুব অবাক হত যে, আমার বাবা আমাদের ভাই বোনের সাথে বসে একসাথে নাটক সিনেমা দেখত ! ওরা খুব হিংসে করত যে আমাদের কোনো কাজে তুমি কখনো বাঁধা দাওনি। কোনটা ভুল শুধু সেটা বুঝিয়ে দিয়েছ। ওরা বিশ্বাসই করতে চাইনি যে, আমি তোমাকেই সবার আগে বলেছি আমাদের ক্লাসের নীল টিপ পড়া মেয়েটিকে আমার খুব পছন্দ। ওরা ভাবতো এটা কি হয় নাকি ! বাবা বুঝি এমন হয় ? আমি তো জানি, আমার বাবাই প্রতি রাতে আপেল কেটে অর্ধেকটা আমার জন্য নিয়ে আসতো !

তাহলে কেন আমাকে এতো বড় শাস্তি দিচ্ছ বাবা ?? আমি এখন ডাক্তারকে কি বলব ? হ্যাঁ, সরিয়ে ফেলুন ওই যন্ত্র। মেরে ফেলুন বাবাকে। আমি তার খুনি ছেলে বলছি, মেরে ফেলুন বাবাকে !!

এও কি হয় বাবা ?? বল, এটাও কি সম্ভব ???



( পাদদীকাঃ আমার পরিবারের খুব কাছের কিছু মানুষ এখন এরকমই একটা অবস্থার ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন। সবাই রোগীকে ঘিরে অপেক্ষা করছেন কখন তার মৃত্যু হবে। কি অদ্ভুত ভয়ংকর এক পরিস্থিতি, তাই না ? হাসপাতাল থেকে তাঁকে দেখে এসে এই লিখাটা মাথায় ঘুরছিল। বছর চারেক আগে এধরনের আরেকটা ভয়াবহ সময় পার করলেও আমার এখন বাবা সুস্থই আছেন। তবে এই বাবার প্রায় প্রতিটি বৈশিস্ট্যই আমার বাবার আছে। আমরাও নিতান্তই মধ্যবিত্ত একটি পরিবার। যে পরিবারে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবাটি থাকেন, যিনি প্রতি রাতে আপেল কেটে নিজে অর্ধেক খান, বাকিটা আমার জন্য নিয়ে আসেন ! )

মন্তব্য


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ফ্র্যাঙ্কলি বলি,আপনার প্রথম লেখাটা পড়ে বেশ আক্রমণাত্মক একটা মন্তব্য করবো ভেবেছিলাম,পরে আর হয়ে ওঠেনি।কী প্রসঙ্গে মন্তব্য - সেটা না হয় উহ্য থাক।কিন্তু এই লেখাটা সেইসব কিছু একেবারে ধুয়ে মুছে দিয়ে গেছে।এই ক্ষমতা সবার থাকেনা,বুকে আসেন ভাই ( আপনি ভাই তো?? Puzzled ) ।

পৃথিবীর সব বাবার জন্য ভাষাহীন ভালোবাসা।

*****************************
তোমার দগ্ধ দেহ
এইবার ঢেকে যাক নবজাত রোদে।
তোমার রক্তে ভিজে পোড়ামাটি ফিরে পাক প্রাণ।
তুমি সেই আগামীর মাঠে
ফলাও দু'হাত ভরে দগদগে আগুনের ধান।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জ্বি ভাই, আমি ভাই-ই। Laughing out loud আসেন বুকেই আসেন। ভাইয়ের স্থান তো বুকেই !
যে কোনো প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করতে দ্বিধা করবেন না, প্লিজ। আপনাদের সমালোচনা, উৎসাহ পেলেই আঙুলে জোর আসবে। আর প্রথম লেখাটা তাৎক্ষণিক যেটুকু মাথায় এসেছে সেটাই উগড়ে দিয়েছি। তাই হয়ত ভুল ভ্রান্তি কিছুটা হয়ে গেছে !

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মন্তব্য ভাল লেগেছে। আপনারা দুভাই আমার বুকে আসেন।

^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
দালাল দেখলেই পিডা! ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানি অ পশ্চিমা কইয়্যা কতা নাইক্যা।
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চাটগাইয়া, তোর না এখন জেলখানায় সার্ভিস দেওনের কথা ? এইখানে কি করস ? ব্লগে বেশীক্ষণ থাকিস না, তাইলে পেমেন্ট পাবি না কিন্তু

___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অ-সাধারণ।।।

.
.
.
~ ~ ~ * * * মানবতাই হোক মানুষের ধর্ম * * * ~ ~ ~


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। smile :) :-)

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার বাকি জীবন সুখের হোক। তবে পোষ্টে কিছু কনফিউজিং ব্যাপার আছে। একবার বললেন ওড়না ধরে টান দেয়, আবার বললেন একমাত্র ছেলে। নাকি আমি ভাল করে পোষ্ট পড়িনি? পুরাই কনফিউজ!!!

______________________________________
নিজেকে কখনও একা ভাবতে নেই......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একমাত্র ছেলে মানে কি আর সন্তান নাই! মেয়ে থাকতেই পারে।

- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -
"ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে,
মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে।

তাথৈ তাথৈ থৈ দ্রিমী দ্রিমী দং দং
ভূত পিশাচ নাচে যোগিনী সঙ্গে।

দানব দলনী হয়ে উন্মাদিনী,
আর কি দানব থাকিবে বঙ্গে।।"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জ্বি আপু, আমি আসলে এটাই বোঝাতে চেয়েছি।

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সরি, বুঝতে পারিনি। এখন বুঝতে পেরেছি।

______________________________________
নিজেকে কখনও একা ভাবতে নেই......


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারণ। Star Star Star Star Star

- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -
"ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে,
মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে।

তাথৈ তাথৈ থৈ দ্রিমী দ্রিমী দং দং
ভূত পিশাচ নাচে যোগিনী সঙ্গে।

দানব দলনী হয়ে উন্মাদিনী,
আর কি দানব থাকিবে বঙ্গে।।"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ছেলে একটাই। মেয়েটা ছেলেটারই বোন। আপনাকে ক্লিয়ার করতে পারিনি তাই দুঃখিত। তবে লিখাটা সময় নষ্ট করে পড়েছেন এতেই কৃতজ্ঞ। আপনাকে ধন্যবাদ।

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারণ।
অসাধারণ।
অসাধারণ।

*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনাকে ধন্যবাদ। Laughing out loud

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার লিখেছেন। পাদটীকাটা অপ্রয়োজনীয়।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে ধন্যবাদ।

অসম্ভব এক চাপা অনুভূতি থেকে লিখাটা লিখেছিলাম। সেটাই সবার সাথে শেয়ার করেছি। smile :) :-)

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাল লেগেছে, কেদে ফেলেছি,,,,,,,,,,।
বাবাকে কত দিন দেখিনা, আমার বাবাও শ্রেষ্ঠ বাবাদের একজন। যার অনেক কিছু না থেকেও আছে আবার অনেক কিছু থেকেও নেই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার বাবা কি মুক্তিযোদ্ধা?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সেই গরুর রচনা,,,,,,,,,,যে রচনাই লিখতে বলুক, গরুর রচনাই লিখবেন!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

না তো ! কেন ?

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

না তো !

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে ধন্যবাদ। তবে আপনাদের কষ্ট দেয়ার কোন ইচ্ছায় এই লিখা লিখিনি। আপনাদের চোখের পানিই আমার উৎসাহ।
হুমায়ুন আহমেদ এর ওই কথাটা পড়েছেন না ! "পৃথিবীতে অনেক খারাপ মানুষ আছে। কিন্তু একটাও খারাপ বাবা নেই !"

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে ধন্যবাদ। তবে আপনাদের কষ্ট দেয়ার কোন ইচ্ছায় এই লিখা লিখিনি। আপনাদের চোখের পানিই আমার উৎসাহ।
হুমায়ুন আহমেদ এর ওই কথাটা পড়েছেন না ! "পৃথিবীতে অনেক খারাপ মানুষ আছে। কিন্তু একটাও খারাপ বাবা নেই !"

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিন্তু এই লেখাটা সেইসব কিছু একেবারে ধুয়ে মুছে দিয়ে গেছে।

Sad Sad Sad

____________________
ঘর ছেড়ে ধন খুঁজিস কেন বনে বনে?


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে ধন্যবাদ। কিন্তু কোন সব কিছু ?? বুঝতে পারলাম না ! Sad

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো লিখেছেন--চালিয়ে যান -লেখার সময় আরো সচেতন হতে হবে

mehedi


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া। আপনাদের পরামর্শ, উৎসাহই কাম্য । smile :) :-)

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কিছু কিছু জবাব উলটাপালটা হয়ে যাচ্ছে ! কেন বুঝতে পারছিনা। এহেন অজ্ঞতাজনিত ভুলগুলোর প্রতি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি প্রত্যাশা করছি। Laughing out loud

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার লেখার হাত বেশ পক্ক

---------------------------------------------------------------
আমি বিক্রমে কাটিয়া শামস-রাজাকার-বদরের মুন্ডুটা
উড্ডীন করিব ফের বাংলার লাল সবুজ পতাকাটা।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই। smile :) :-)

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভালো হয়েছে । চালিয়ে যান ।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই। সাথে থাকুন।

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পড়লাম। কেন যেন উদাস হয়ে গেলাম।
বাবা শব্দটা সব সময় আমাকে নস্টালজিক করে দেয় এবং করবে।
ভাল লিখেছেন।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমি ঘরে ফিরবো, কিন্তু ফিরতে গিয়ে দেখলাম আমি বাড়ি ফিরেছি। আমার ঘরে ফেরা আর হল না...(সংগৃহীত)


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বর্তমান সময়ের মৃত্যুর এই হল পরিচিত প্যাটার্ন। আমার পাসের সিটের কলিগকে দেখেছি ১৫ দিন যাবৎ বাবাকে লাইফ সার্পোর্ট লাগিয়ে পালিয়ে বেড়াতে। ধার করা টাকাও যখন ফুরিয়ে যাচ্ছিল তখনো ডিসিসন দেবার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন উনি, যেহেতু উনি বড় ছেলে, উনাকেই সেই খুনের হুকুম দিত হবে বলে। উনি বেঁচে গেছেন। শেষ পর্যন্ত উনাকে আর হুকুম দিতে হয়নি, উনাকে খুনি হবার হাত থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন উনার বাবা।

ভাল লিখেছেন। লেখা চলুক।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ। খোদা যেন কোনো সন্তান কে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি না করেন।

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

এককথায় অসাধারণ।

______
একদিন তো মরেই যাব,
ভালোবেসে মরি।।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ। smile :) :-)

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একদিন তো মরেই যাবেন,
তাই ভালবেসে মরেন,
সাথে সবটুকু ভালবাসা পেয়েই মরেন।

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি সেই সব খুনি সন্তানদের একজন, আমার বাবা এই তো ৭মাস আগেই ছিলেন লাইফ সাপোর্ট নিয়ে, বাবার গেস্পিং হচ্ছিল, আমি বুঝতে পারছিলাম ওনার বলার ক্ষমতা হারিয়েছেন, কিন্তু প্রতিটি কোষ থেকে একটু একটু করে অক্সিজেন বেড়িয়ে কোষ গুলি মরে যাওয়া কষ্টেরই হয়।

আমি ৩ দিনের মাথায় সিদ্ধান্তে আসাতে চেষ্টা করি, কি করব, রেনেসা হাস্পাতালে বাবা শুয়ে, লাইফ সাপোর্টের ধাক্কায় বুকটা উঠানামা করছিল, আমি দায়িত্ব শীল ডাঃ কে বলি, লাইফ সাপোর্ট সরানোর কথা, ডা" বলে হ্যা, আসলে লাইফ সাপোর্ট তো অনেক কস্টলি! আমি হতবাগ হয়ে যাই তার কথায়, আমি আসলে বাবার কষ্টের কথা ভাবছিলাম, সে বলল খরচের কথা। আমি নিতান্তই মিডেল ক্লাস। কিন্তু সাধ্যের সব টুকু দিয়ে বাবাকে আগলে রাখতে চাইছিলাম, কিন্তু ডা" এর এই কথা আমাকে কেমন যেন পঙ্গু করে দিল চিন্তা চেতনা। ডা'' সাহেব জানিয়ে গেলেন, আজ রাত পরে কালকে দিনে সব ব্যবস্তা করে দিবেন।

আমি তারপর থেকেই ভাবছিলাম এইও ছিল আমার করার জন্য, নিজ সিদ্ধান্তে বাবার মৃত্যু নিশ্চিত করা।

আমি শুধু ভাবছিলাম, আসলে কি আর কখনো দেখা হবে এর পর বাবার সাথে, পরকালে?? নাকি""""""""""""""

অবশ্য এখানেও আমার বাবা আমাকে বাচিয়ে দিয়েছিলেন, জানিনা অভিমান করে, নাকি আমাকে বাচাতেই তিনি সেই রাতেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন এই পৃথিবী থেকে।

যন্ত্রণার কতর বাবার মুখটা, ইসিইউ তে গিয়ে দেখি আবার সুন্দর হয়েছে, যেন এত দিনের যন্ত্রণা মুক্তির পর একটু আরামে ঘুমাচ্ছেন।

*
অ,টঃ "ডানোর পট" মানে বেকুব, ভোদাই, তেল চুকচুক, হোঁতকা, ফার্মের মুরগী, নিজের ঘড় ছাড়া বাহিরের কিছু জানে না, আশৈশব বাবা মার আদরে কোলে কোলে পালিত, সকল বিপদ আপদে সুট করে পালিয়ে যাওয়া, মায়ের দুধের বদলে ডানোর দুধের পটের দুধ খেয়ে রিষ্ট পুষ্ট এক আধা মানব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একসময় ছিল, যখন প্রিয়জনের জন্য একজন ডাক্তার ডেকে আনতে না পারার আক্ষেপ আজীবন বহন করতে হোত। আধুনিকায়নের অনেক বিরম্বনা, পাশ্চাত্য অনেক আগেই মুখোমুখি হয়েছে বলেই, তাদের কাছে কিছু সমাধান আছে। যেমন, লাইফসাপোর্ট নিয়ে এই ডাইলেমা অনেক আগেই পাশ্চাত্যের পরিচিত। তাই, সেখানে, ছেলেময়ে পরিজনকে এইরকম অবস্থা থেকে মুক্তি দেবার জন্য, পিতামাতার অনেকেই সুস্থ থাকার সময় লিভিং উইল করে যান। নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই দিয়ে যান। লাইফ সাপোর্ট প্রয়োজন হলে, তা কতদিন পরে তা সরিয়ে নিতে হবে।
আমি সেরকম একটা উইল করে রাখব অনেক দিন ধরেই ভবছি। আমার দুমেয়ের যেন, এইরকম কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে না হয়।
যাদের এইরকম এক কঠিন সিদ্ধান্ত দিতে হয়েছে, তারা সঠিক কাজ করেছেন।
আমাদের নিজেদের সামান্য স্বস্তির জন্য, যাকে যেতে দিতেই হবে, তাকে কষ্টকরভাবে যেতে না দেয়ার চেষ্টায় কোন মহত্ব নেই। আমি নিশ্চিত, তার জন্য ছেড়ে যাওয়া স্বজনের আশির্বাদ এতে বেড়েছে, কমে নাই।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার মনে হচ্ছে আমার গল্পের ছেলেটি গল্প থেকে বেরিয়ে এসে এখানে কমেন্ট দিয়েছে ! আমার কল্পনার একটা চরিত্র এভাবে বাস্তবে আমার সামনে এসে আমাকে হতবাক করে দিবে এটা আমার ধারনার বাইরে ছিল ! এখন আমার মনে হচ্ছে আমি কি সত্যিই একজন ছেলেকে তার বাবার খুনি বানালাম ??

কিন্তু মানব, আমি সত্যিই অনেক অনেক দুঃখিত। এই সামান্য ভদ্রতার বাক্যটুকু বলা ছাড়া আমার আর কিইবা করার আছে ! নিজের বাবার অসুস্থতার সময়কার দুঃসহ দিনগুলো মনে করে, এই ধরনের পরিস্থিতিতে যদি আমি পড়তাম তাহলে কি হত আমার সেটা ভাবতেই আমার শরীর শিউরে উঠতো, চোখ দিয়ে আপনাআপনি পানি বেরিয়ে আসতো। আর আপনাকে সমস্ত স্বত্ত্বা দিয়ে পুরো সময়টার ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে ! ভাই আমার অনেক খারাপ লাগছে, কি বলব আমি ? আমি সত্যিই অনেক দুঃখিত।

আর আফসোস হচ্ছে "যন্ত্রণার কতর বাবার মুখটা, ইসিইউ তে গিয়ে দেখি আবার সুন্দর হয়েছে, যেন এত দিনের যন্ত্রণা মুক্তির পর একটু আরামে ঘুমাচ্ছেন। " আপনার মত এত সুন্দর করে লিখতে পারিনি বলে।

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অামার গরীব স্কুল শিক্ষক বাবার কথা মনে পড়ে গেল। যিনি স্ট্রোক করে হাসপাতালে যাবার সময় বার বার অামার সাথে অার দেখা হবে না, এই ভেবে অাপসোস করছিলেন। তাঁর স্ট্রোকের যন্ত্রনা, অামার সাথে দেখা না হওয়ার যন্ত্রনার কাছে তুচ্ছ হয়ে গিয়েছিলো তখন!!!!!!!!!!!!!!



বাবা তোমায় অনেক ভালবাসি।

**************************************************
"মারা গুয়া does not come back from high court"


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শিক্ষক কথাটির আগে প্লিজ গরীব কথাটি ব্যবহার করবেননা। এটা অবশ্য আমার মত। আর বাবারা হয়ত অর্থের দিক থেকে অথর্ব সমাজ ব্যবস্থায় গরীব হন, কিন্তু আমাদের কাছে কি তাঁরা কখনো গরীব হতে পারেন ??
********

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চমৎকার লেখা। হৃদয়গ্রাহী। অসংখ্য ধন্যবাদ।।।

-----------------------
মনের শুদ্ধতাই পবিত্রতা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকেও ধন্যবাদ।

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

চোর’দার সাথে একমত, পাদটীকা প্রয়োজনহীন।

টাইপো

বন্ধুর শুনে খুব অবাক হত যে, আমার বাবা

বন্ধুরা শুনে খুব অবাক হত যে, আমার বাবা


হৃদয়গ্রাহী লেখা

======================
শিশু অপরাধ করে না ভুল করে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে ধন্যবাদ।

অসম্ভব এক চাপা অনুভূতি থেকে লিখাটা লিখেছিলাম। সেটাই সবার সাথে শেয়ার করেছি। smile :) :-)
*******

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বহুকাল হল, বিদেশে আছি।আজকাল পরিচিত অনেকের কাছেই শুনতে পাই দেশের এই লাইফ সাপোর্টের কাহিনী।প্রায় সবার মুখেই একই কাহিনী। ব্যপারটাকে কেমন যেন হাস্পাতালগুলোর ইমোশনালি ব্ল্যাকমেল করার একটা ধান্দার বিজনেস বলে মনে হল।কারন বিদেশে কস্মিনকালেও এই ধরনের কাহিনী শুনি নাই।মৃত্যুর হুকুম কখনও রোগীর আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে চাওয়া হয় না। যখন কোন রোগী চিকিৎসার বাইরে চলে যায়, তখন সেই রোগীকে বাসায় নিয়ে যেতে বলা হয়।অকারনে আর হাসপাতালে ফেলে রাখার অনুমতি দেয়া হয় না।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আহা ! কখন যে আমাদের দেশটাও ওই ধরনের একটা বিদেশ হবে ! যখন অন্যদেশের মানুষেরা এই বিদেশের চিকিৎসার খবর শুনে আফসোস করবে ! Stare
*******

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Sad Sad

''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Puzzled Puzzled

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ভাই, কিছু কিছু কথা.. আবেগ ধরে রাখা যায়না!! ইমোশন বা লেখাতেও বলতে পারছিনা ! Stare

______
"আমরা সবাই নিজেকে নিয়েই ভাবি। কিন্তু এই এক একটি জীবন নিয়েই আমাদের এই গোটা পৃথিবী। যেমন কিনা, ছোট ছোট বালি কণা বিন্দু বিন্দু জ্বল, গড়ে তোলে মহাদেশ.. সাগর অতল।
তাই.. অপরের জন্যও ভাবুন। ভালোবাসতে শিখুন শুধু নিজের জন্য নয়, সবার জন্য।" ... দ্যা


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Puzzled Puzzled

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জীবন মুখি লেখা। ভাল লাগলো।

প্রতিটি মানুষকেই জীবনে কখনো না কখনো কঠিন বাস্তবতার মুখমুখি দাড়াতে হয়, যে বাস্তবতা মেনে নেওয়া বড় কঠিন।

~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে ধন্যবাদ।

বাস্তব সবসময় কঠিন। মাটির মানুষ তাই এই কঠিন জিনিস কে সবসময় এড়িয়ে চলতে চায়। Sad
******

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারণ, খুব ভালো লেগেছে। যদিও একটু আবেগী হয়ে পডলাম।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার আবেগকে আমার প্রতি ভালবাসা ধরে নিলাম। smile :) :-)

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার বাবার কথা কি বলবো জানি না।ক্লাশ ৫ এ থাকতে একদিন সকালে প্রাইভেট পরতে যাওয়ার সময় শেষবার দেখেছিলাম বাবাকে।ঘুমাচ্ছিলেন।ফিরে এসে শুনি বাবা অফিসে।বিকেলে জানলাম উনি এ্যাক্সিডেন্ট করেছেন।পরেরদিন সকাল ৯ টা ৪০এ বাবাকে হারিয়েছিলাম।যখন এই কমেন্টস টা লিখছি চোখ দিয়ে অববরত পানি পরছে। Star Star Star Star Star অসাধারন

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
পাকিস্তান আমাদের ভাই হইতে পারে না, বড়জোর চুদির ভাই - ডক্টর আইজু


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে সমবেদনা জানানোর ভাষা আমার নেই। এধরনের অপ্রত্যাশিত মৃত্যুর অসহ্য যন্ত্রণা আপনার মত বয়ে বেড়াচ্ছে এদেশের অসংখ্য সাধারন মানুষ। প্রতিটি মানুষের মৃত্যু হবে স্বাভাবিক --- এই নিশ্চয়তা কি দেশের সরকারগুলো কখনো দিতে পারবে ?? Stare
*****

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার চোখের পানিকে ভালবাসা ধরে নিলাম। আমার প্রতিও এবং অবশ্যই আপনার বাবার প্রতি। আপনার বাবার জন্য রইল শ্রদ্ধা।

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Star Star Star Star Star

....................................................................................


আমরা ছুডলোক, গালিবাজ। জামাত শিবির ছাগুর বিরুদ্ধে গালাগালি করেই যাব, প্রতিরোধ করেই যাব। সুশীলতার মায়েরে বাপ। আমরা ছাগু ও সুশীলদের উত্তমরূপে গদাম দিয়ে থাকি


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

Laughing out loud Laughing out loud
*****

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অনুভূতির চমৎকার প্রকাশ

------------------------------------
ছোট বেলায় গাধার দুধ খেয়ে বড় হয়েছি বলে এখন মনে হয় সবাই আমার মত গাধার দুধ খেয়েই বড় হয়- আফসান চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কি বলবো । বাবা থাকতে বাবার অভাবটা অনুভব করা যায় না।

অসাধারণ লিখেছেন। Star Star Star Star Star

--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে ধন্যবাদ।

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কি বলব বুঝতে পারছিনা.....শুধু কান্না পাচ্ছে.. Sad

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ন্যায়ের কথা বলতে আমায় কহ যে
যায় না বলা এমন কথা সহজে


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কাঁদুন। আপনার কান্না উৎসর্গ করবো পৃথিবীর সকল বাবার জন্য।

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার বাবা ক্যান্সারের রোগী ছিলেন । ২০০৮ এর রমজান মাসে ভোরে হাসপাতাল থেকে ফোন আসলো বাবার অবস্থা খারাপ । আমি দৌড়ে গেলাম । গিয়ে দেখলাম বাবার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে । ডাক্তাররা ইনজেকশন এবং মাস্ক লাগিয়ে আমাকে বলছেন, উনাকে বাঁচাতে হলে লাইফ সাপোর্ট এ নিয়ে যেতে হবে । আমি কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারছিলাম না । বাবার দিকে তাকালাম । বাবা হাত দিয়ে আমাকে মানা করে দিলেন । ধীরে ধীরে বাবার শ্বাস ঠিক হয়ে গেল । কিন্তু তিনি প্রচুর ঘামছিলেন । আমি এসি হাই করে দেবার পরও একই অবস্থা । সকাল ছয়টা থেকে দশটা পর্যন্ত আমি পেপার দিয়ে বাবাকে বাতাস করলাম । আমি বুঝতেই পারিনি ৪ঘন্টা এতো তাড়াতাড়ি চলে গেল । বাবা শান্তি পাচ্ছিলেন এটাই আমার শান্তি । আর একটু পর পর আমার দিকে করুণ দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিলেন । না, বাবা বাঁচেননি । পাঁচ ঘন্টা পর মারা যান । সেসময় বাবার হাতটা আমার হাতে ছিল । আমি কাঁদিনি । শুধু বলেছিলাম, "বাবা কফি খাইতায় নি?"

-----------------------
The road to success is always under construction....


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনার বাবার জন্য রইল অজস্র শ্রদ্ধা। কফি কি তাঁর অনেক প্রিয় ছিল ?

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রুবেল ভাই জানেন আমিও কাদিনি। বা বলি কাঁদতে পারিনি, প্রচন্ড কষ্ট, ৮ মাস বাবাকে বুকে করে রেখেছি, তার পর শেষ। তারো ক্যান্সার ছিল।

আমি কাদিনি কারন আমার মনে হচ্ছিল, কাঁদলেই বুঝি বুকের ভিতর থেকে বাবা বেড়িয়ে যাবে, আজ প্রায় ৯মাস হতে চলল, আমার বুকের ভিতর বাবা আছে, মাঝে মাঝে গভীর রাতে আমি একটু একটু কাঁদি, একটু একটু গোপনে বাবা বাবা বলে ডাকি।

আচ্ছা ভাই, আমরা কি কেন্সারের জন্য মানুষ কে সচেতন করতে পারি না।

*
অ,টঃ "ডানোর পট" মানে বেকুব, ভোদাই, তেল চুকচুক, হোঁতকা, ফার্মের মুরগী, নিজের ঘড় ছাড়া বাহিরের কিছু জানে না, আশৈশব বাবা মার আদরে কোলে কোলে পালিত, সকল বিপদ আপদে সুট করে পালিয়ে যাওয়া, মায়ের দুধের বদলে ডানোর দুধের পটের দুধ খেয়ে রিষ্ট পুষ্ট এক আধা মানব।


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

লেখাটা মন খারাপ করে দিল। আপনার লেখার হাত দারুন। লেখায় পাচ তারা

_________________________________________________________________________________

ঢিল মারি তোর টিনের চালে...


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনাকে ধন্যবাদ।

জনৈক বাক্‌ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী


ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অসাধারন লেখা। স্টিকির দাবি জানাইয়া গেলাম

----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে

glqxz9283 sfy39587p07