Skip to content

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শূন্যলোকের অনন্ত রথে শিল্পী সফিউদ্দীন আহমেদ

উৎসর্গ: শিল্পী সফিউদ্দীন আহমেদের পছন্দের ‘কালো রঙ’কে; যেখানে বিষন্নতা স্নিগ্ধ ব্যতিচারে ভাস্বর।



চলে যাবার জন্যে কোনো সমীকরণ লাগে না; কেউ কেউ চলে যান একেবারে নিভৃতে, কারও কাছে কোনো অভিযোগ পেশ না করেই। কেউ কেউ আছেন- চলে গেলে বৃষ্টি হয়, ঝুম বৃষ্টি- কারও কারও অন্তর্ধানে তৃষিত চোখে হাহাকার নামে; কেউ কেউ আছেন- যাবার আগে পিছন ফিরে তাকান না, আবার কেউ কেউ পিছনেই ফিরে থাকেন- যেনো যেতে হলেও পেছন ফিরেই চলে যাওয়া যায়। কেউ কেউ আছেন- চলে গেলে শিউলি ফুল ঝরে পড়ে; ভারী-ব্যাকুল বৃষ্টি নামে বুকের বারান্দায়, বৃষ্টির একটানা ভেতরে বাহিরে নিরন্তর অবগাহন চলে কান্নার, শতাব্দীর শরীর জুড়ে থাকে কান্নার নিটোল বিউগল।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

সুখ দীপ

এইচ এম শরীফ উল্লাহ
*******************

অনাবিল হৃদয়ে তীব্র অনুভূতির ছোঁয়ায়
তোমার কাছে এসেছি।
উপলব্ধির কুহেলিকায় আপ্লুত হয়ে
হাতে হাত রেখেছি।
আলুলিত কুন্তলরাশির মিষ্টি সৌরভে
মাতাল হতে চেয়েছি।
জীবন নদীর উত্তাল স্রোতে ভেসে ভেসে
এতোটুকু পথ এসেছি।
সকল সৃষ্টির মাঝে, সময়ের সাঁঝে
তোমাতেই সুখের দীপ জ্বেলেছি।
সুখের অনলে জ্বলে জ্বলে তোমাকে
দৃষ্টির সীমানায় রেখেছি।
এতকিছুর মাঝে বেঁচে থাকার অর্থটুকু
তোমাতেই পেয়েছি।
———–

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

নিঃসঙ্গ

নিঃসঙ্গ
আজিম হোসেন আকাশ
কাব্যগ্রন্থ-নিষ্ঠুর প্রেয়সী

উৎকন্ঠার এবরো থেবরো পথ
বৈচিত্রময় সবুজে ঘেরা বাংলা আর-
মানুষ্য সমাজের চরম অবনমে একাকিত্বে আমি।
হৃদয়ের তপ্ত মরু যখন কোলাহলের সন্ধিক্ষণে
হাজার

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বর্তমান বিশ্বসুন্দরী (পররাষ্ট্র মন্ত্রী বিভাগে) হিনা রব্বানি শিগগির ঢাকা সফর- দৈনিক আল-বাল২৪



খবর: পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খার খুব

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ধর্ম ও ঈশ্বর

ঈশ্বর আছেন হৃদয়ে, নেই তিনি পুস্তকে, কিতাবে, বইয়ে,
যে যাই বলুক, পাবেনা তাঁকে জোড়হাতে, মাথা ঠেকিয়ে,

ঈশ্বরলাভের মুলো ঝুলিয়ে মনুষ্যত্বের চোখে ঠুলি,
ইতিহাস বলে, ধর্ম শুধুই ক্ষমতার লোভে মিছে বুলি,

বস্তাপচা পুরনো বই আর অপার্থিবের মধুবাণী,
লোভ দেখিয়ে শুধুই কর রাজনীতি আর খুনোখুনি,

ঝাঁঝর, কাঁশর, মন্দিরা আর উচ্চস্বরে আজানের হাঁক,
হোকনা তা সে ঘন্টাধ্বনি, আগুন অথবা দাঁড়কাক,

সবই হলো ভড়ং, মাঝে উদ্দেশ্য তো পয়সা লোটা,
সবাই বাগাও তবু কেন অপরজনকে লাগাও খোঁটা,

ব্যাবসায়ীদের কথায় কি আর এই যুগেতে আমরা চলি,
প্রশ্ন করার সাহস আছে,
তারচে বড় বিবেক আছে,
আনন্দতেই ঈশ্বর পাই, তোমরা দেখাও কানাগলি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জীবনের অদ্ভুত সুন্দর কিছু সময়, যেখানে আবার ফিরে যেতে চাই আবার আবার আবার

কিছু কিছু দিন থাকে জীবনে যে দিন গুলার কথা বুকে নিয়ে স্মৃতির পাতায় জাবর কেটে অনেক কঠিন সময় পাড়ি দিতে হয়, আবার ঐ সময় ফিরে আসবে ভেবেই বেচে থাকি। ঐ দিনগুলো জীবনে না আসলে সুখ বলে যে আসলেই কিছু আছে তা আমি বিশ্বাসই করতামনা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যদি আবেগ থেকে তোমাকে চাইতাম তবে অন্য কাউকে তোমার আসন টি দিয়ে দিতাম অপেক্ষা করতাম না ।‘তিসপুর সাথে আর কার ও তুলনা করতে চাইনা

তিসপু

যেদিন থেকে তোমাকে হারানোর ভয় শুরু ঠিক সেদিন থেকেই বুঝেছি তুমি আমার কতখানি আপন কতখানি প্রিয় । ঠিক প্রথম যেদিন তোমাকে লিখেছিলাম সেদিন তোমাকে বলেছিলাম তোমাকে হারানোর ভয় আমার । আমার সে ভয় সত্যি হয়েছে! তোমাকে হারিয়েছি আমি?না না ‘তিসপু’ তোমাকে হারাইনি আমি । বরং নতুন করে পেয়েছি । প্রতি মূহুত্বে একটু একটু করে ভালবেসেছি তোমায় । আমি যে তোমাকে হারাতে চাইনা ‘তিসপু’ তোমাকে হারানোর শঙ্কা নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটলে ও এখনো জীবন শেষ হয়নি । এখনো মরিনি আমি ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উইলিয়াম এ এস আউডারল্যান্ড, বীর প্রতীক



১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি যে সাহসিকতা দেখিয়েছে তার কোন তুলনা কোথাও নাই। এ যুদ্ধ এমন একটি যুদ্ধ ছিল যেখানে সারা বিশ্বের শান্তিকামী মানুষ এক হয়ে লড়াই করেছিল বাঙালির জন্যে। আজ স্বাধীনতার চল্লিশ বছর পার হয়ে যাবার পর যদিও সেই মানুষদের আমরা ধরে রাখছি স্মৃতির মণিকোঠায় তারপরেও প্রশ্ন জাগে আমরা কি সত্যিই মনে রাখছি? নাকি ভুলে যাচ্ছি। আজকের এই পোস্টটি রেডি করলাম মূলত সেইসব মানুষদের মাঝের একজনকে নিয়ে যার নাম উইলিয়াম এ এস আউডারল্যান্ড, বীর প্রতীক। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্যে তাকে দেয়া হয় বীর প্রতীক উপাধি। তিনি সম্মুখ সমরে যুদ্ধও করেছেন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

দূর্নীতিগ্রস্থ বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, তোমার বিচার করবে আজ জেগেছে জনতা


গত কয়েকদিন পূর্বে আমি বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক স্যারকে নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম এই শিরোনামে বাংলাদেশের এক বিচারপতির কান্ডকীর্তি

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একটা পতকা এবং আমি

একটা সময় ছিল যখন স্কুল পালিয়ে ছবি দেখতাম । হলে ছবি শুরু হওয়ার আগে জাতীয় সংগীত বাজতো এবং বাংলাদেশের পতাকা দেখতে পেতাম। তখন দেখতাম সকলে চেয়ার ছেড়ে দাড়িয়ে পড়ত এবং জাতীয় সংগীত শেষ হলে বসে পড়ত । ব্যাপরটা তখনও আচঁ করতে পারিনি কেন এমন করে । পরে বুঝতে পারলাম দেশের পতাকাকে শ্রদ্ধা এবং দেশপ্রেমকে মাথায় রেখে এই কাজ করা হয় । পরে আস্তে আস্তে জানলাম পতকার সর্ম্পকে কিছু টুকটাক বিষয় ।পতাকা উড়ানোর নিয়মাবলী । যাক সেসব শিশুকালের কথা, আমাদের দেশে আইনের অভাব নেই প্রায়শই আইন পরির্বতিত হয় । হয়তবা পতাকার আইন পরির্বতন হয়েছে নতুবা আমরা পরির্বতিত হয়ে গেছি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডান্ডা মারলে সবই ঠান্ডা

ডান্ডা মারলে সবই ঠান্ডা
লোকের কথা ভাই
এ কথাটা মানতে নারাজ
চেলাচামুন্ডা সবাই

তাদের কথা আমরা এখন
মহা রাজার রাজা
দেশ যদিও ধংস হয়
মরবো সকল প্রজা

প্রজার কান্ধে বন্দুক থুইয়া
সবাই করে শিকার

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মানুষের অমানুষিকতার উদাহরণ এবং আমরা।

আজ আমি আপনাদেরকে একটা ছবি দেখাবো, যা দিয়ে আপনারা সহজেই মানুষের (পুরুষের) পৈশাচিকটার একটা জ্বলন্ত উদাহরণ নিজের ভিতর থেকে অনুভব করতে পারবেন। এটা এক্ টা মেয়ের ভালবেসে হেরে যাওয়ার কাহিনী। যাকে ভালবেসে পরিবারের সবাইকে কশ্ষ্ট দিয়ে তার হাত ধরে বের হয়েছিলো তার কাছ থেকেইএমন উপহার মানতে পারেনা মেয়েটা, কিন্তু পুরুষতান্ত্রিক ও পুরষশাসিত সমাজে তার সন্মান, অধিকার এবং অভিমান ও প্রতিষ্ঠা করতে পারেনা। একমাত্র বাচ্চাকে ঘিরে যে স্বপ্ন, তা পুরণে ও বিস্তর বাধা। গল্পটা না হয় আরেকদিন বলবো, আজ শুধু ছবিটাই দেখাই।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অতপরঃ শেখ হাসিনা আমিনীর হুংকারে ম্যাতকার !!!




এই হল শেখ হাসিনার ধর্ম নিরপেক্ষতা! দেশের প্রচলিত আইনে বিশেষ বিবাহ আইন – ১৮৭২ এর অধিনে একজন হিন্দু কিংবা মুসলমান কিংবা খ্রীষ্টান ধর্মালম্বী অথবা যে কোন ধর্মালম্বী যদি একে অপরকে বিয়ে করতে চায় তবে তাদের কে নিজ নিজ ধর্ম ত্যাগ করতে হবে । তার মানে দেশের প্রচলিত আইনে সরকার নাস্তিকতাকে সমর্থন করে অথচ ব্যাক্তি ধর্ম কে না।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ঃ নাকের বদলে নরুণ


কর্ণেল তাহেরের ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ১/১১ সময়ের ছাত্র আন্দোলনের নায়ক ডঃ আনোয়ার হোসেনকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে সম্প্রতি নিয়োগ দিয়েছেন আচার্য। ১৭ ই মে ডঃ শরীফ এনামুল কবীরের পদত্যাগের পর আচার্য এ নিয়োগ দিয়েছেন বলেই খবরে প্রকাশ। কিন্তু তারপর থেকেই নানা ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া চলছে এ নিয়ে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

‘নাটক নয় প্রহসন’ একটি অহিংস কর্মসূচী

সঙ্গে ছিল না বলে ফালু
শরবত খাইয়েছেন খালু
পাশে ছিল এক উদ্দিন
কী পাবে ভাবেন রাত-দিন।

তুমি বড় রোম্যান্টিক রফিক
হয়েছো রেহমান শফিক
কোর্ট কি ছিল তবে বন্ধ
তুমি যে হলে প্রেমে অন্ধ।


তোমারতো প্রিয় জানি টাকা
আওড়ানো বুলি সবই ফাকা
হতে চাও কোনো ভবনের পতি
বুড়ো বয়সে তোমার কী ভীমরতি।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

টি.এম.টি।


থার্টি মিটার দূরবীন (TMT) একটি পরিকল্পিত স্থল-ভিত্তিক বৃহৎ segmented মিরর থেকে তৈরী প্রতিফলক দূরবীন।এটি হাওয়াই দ্বীপের মাউনা কি পাহাড়ের উপর নির্মিত হবে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মির্জা ফখরুর বাল পুঁড়লে মোসাদ্দেক ফালুও এড়াতে পাবে না: ছামারূহ মির্জা



ছামারূহ মির্জা লিখেছেন:

১)
আমার পিতা মির্জা ফখা আলমগীর। আপাদমস্তক একজন পলটিশিয়ান। আমি এই শেয়ানা লোকটি এবং আরো কিছু প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলছি। নিজের পিতাকে নিয়ে লেখা বোধহয় খুব শোভন নয়! তবে তিনি আমার পিতা কিনা, তার ডিএনএ টেস্ট হয় নাই বলে এই অশোভন কাজটি আমাকে করতেই হবে। কেউ পারলে ঠেকান!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ক্ষুধাগ্নিতে ক্ষোভের উস্কানি

মিছেমিছি গুঁতো মারে বুনো শুয়োরের বাচ্চা
দিনকাল যা পড়েছে সেটা সবারই জানা
ও ব্যাটাই জানে না কেবল কি যে দুরাবস্থা
মাঠ ভরা খড় আর গোয়ালে ইঁদুরের ঠিকানা!
বাক্‌সো-পেটরা ঘেঁটে পাচ্ছি না কানা কড়িটি
লাল চায়ে চুবিয়ে খেতাম একখানা পাউরুটি
তা-ও জোটে না কপালে শুধু থুতু গিলি
মেজাজ বিগড়ে আছে, দেবো নাকি জারজ গালি?
হারামজাদা যা না বড়োলোকের ঘরে
কেউ একে দেখছে না, সরকারও যে কি করে!

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অতলান্ত হৃদয়

অসাধারন একজন মানুষের সাথে দেখা হলো মিশুক মুনিরের বাসায়। কথা চালচলন প্রথম দেখাতেই আকৃষ্ট করল। কথার গভীরতায় টেনে নিলেন হৃদয়ের অভ্যন্তরে প্রথম দেখাতেই। না আমাদের কথায় কোন শাড়ী, গহনা,রান্না বা মানুষের সমালোচনা উত্থাপন হলো না।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আপনি বাংলাদেশের গণতন্ত্র বলতে কি বুঝেন?

পাঁচ বছরান্তে ভোটের অধিকার
13% (মোট ১টি ভোট)
বেঁচে থাকার অধিকার
0% (মোট ০ টি ভোট)
এখনো গণতন্ত্র বুঝে উঠতে পারেন নি
50% (মোট ৪ টি ভোট)
উপরের কোনটি নয়
38% (মোট ৩ টি ভোট)
মোট ভোটঃ 8 টি
Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07