৮৬’র নির্বাচন ও একজন নেত্রী আপোষহীন হয়ে উঠা
লিখেছেন: আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
আজকের আমাদের সময়ের মোজাম্মেল বাবুর একটা ছোট্ট লেখা পড়ে ১৯৮৬ সালের নির্বাচনের সময়কার কিছু স্মৃতি মনে পড়ে গেল। খুব কাছের থেকে দেখা কিছু ঘটনা আর কিছু অজানা ঘটনার সন্মিলনে সেই স্মৃতির সাথে বেগম খালেদা জিয়ার “আপোষহীন নেত্রী” হয়ে উঠার কিছু সমসাময়িক ঘটনা জড়িত।
এরশাদ ক্ষমতার কলকাঠি দখল করে জিয়া হত্যার পরপরই। তারই ইশারায় তখন চলতো দেশ। একপর্যায়ে রাষ্ট্রপতির শুন্য আসনে নির্বাচনের জন্যে সংবিধান সংশোধন করে বিএনপি সংখ্যা গরিষ্ঠ সংসদ। সেই সংসদটিও গঠিত হয় জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনের কঠিন বেড়াজালের মধ্য দিয়ে। মুলত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একক ক্ষমতায় দেশ চালানোর আদেশ নির্দেশকে স্টাম্পিং করাই ছিলো সংসদের কাজ।
সংবিধান সংশোধনের পর বয়োবৃদ্ধ ও অসুস্থ ছাত্তারকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনিত করে নির্বাচন করানো পিছনে এরশাদের যে অবদান ছিলো – তা বলাই বাহুল্য। এরশাদ কিছুদিন পর নানান নাটকের পর সামরিক শাসন জারি করে।
এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্ররা প্রথম আন্দোলন শুরু করে। ছাত্রদল তখনও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শক্তিশালী না। তখন জাসদ-বাসদের যুগ। এরশাদের শিক্ষমন্ত্রী মজিদ খানের শিক্ষানীতির প্রতিবাদে ১৪ই ফেব্রুয়ারী ১৯৮৩ সালে কঠোর সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে মিছিলে গুলি চলে। মারা যায় কাঞ্চন আর দিপালী সাহাসহ কয়েকজন টোকাই। সেই আন্দোলনের রেশ ধরে রাজনৈতিক দলগুলো সংঘঠিত হতে থাকে। কিন্তু বিএনপির বড়্বড় নেতারা শুরুতেই এরশাদের ক্যাম্পে যোগ দেয়। পরে আওয়ামীলীগের অনেক নেতা সেই পথ অনুসরন করে। সবচেয়ে চমক দেয় বাসদের ডাকসু ভিপি জিয়াউদ্দিন বাবলু আর ছাত্রদলের গোলাম সারোয়ার মিলন।
সেই ভঙ্গুর বিএনপির নেত্রীত্ব নিয়ে খালেদা জিয়া কঠোর পরিশ্রম করে শুধু মাত্র জিয়াউর রহমানের সৎ ইমেজকে কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে বিএনপিকে দাড় করান। আজকের যারা বিএনপির বড় নেতা তাদের বেশীর ভাগই তখন এরশাদের সেবায় ব্যস্ত ছিলেন।
এক পর্যায়ে এরশাদ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করে। সেই নির্বাচন সকল রাজনৈতিক দল বর্জন করলেও বঙ্গবন্ধুর খুনী ফারুককে এরশাদ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাড় করিয়ে ২য় স্থানে উঠায়। আর নির্বাচন করেন হাফেজ্জী হুজুর। রাজনৈতিক দলগুলো তখন দু্ইটি শিবিরে বিভক্ত ছিলো্। আওয়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন ১৫ দল ( যা মুলত বামপন্থীদের নিয়ে গঠিত) আর বিএনপির নেতৃত্বাধীন ৭ দল ( যেখানে বিএনপি ছাড়া অন্যদলগুলো মধ্যে উল্লেখ্য ছিলো কাজী জাফরের নেতৃত্বে ইউপিপি – পরে অবশ্য কাজী জাফর দলবল নিয়ে এরশাদের দলে যোগ দিয়ে চিনি চোর হিসাবে কুখ্যাত হন)
নির্বাচন বর্জন ও প্রতিরোধের পক্ষে কাজ করলেও এরশাদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসাবে ঘোষনা করে। রাজনৈতিক দলগুলো কাছে পরিষ্কার হয়ে যে প্রেসিডেন্টশিয়াল পদ্ধতিতে এরশাদকে বিদায় করা কঠিন হবে। আর মুজিব আর জিয়ার মৃত্যুও তাদের সংসদীয় গনতন্ত্রের দাবীতে নিয়ে যায়। প্রথম দিকে খালেদা জিয়া সংসদীয় পদ্ধতির পক্ষে না থাকলেও পরবর্তীতে একমত হন। শুরু হয় সংসদ নির্বাচনের দাবীতে আন্দোলন।
সেই আন্দোলন কোন কোন সময় চরম ভাবে বেগবান হয় আর মুক থুবড়ে পড়ে। বিম্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে – সংবাদপত্রের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রন আরোপ আর শ্রমিকদের মধ্যে দালাল তৈরী করে এরশাদ আন্দোলনকে নিয়ন্ত্রনের কৌশল প্রয়োগ করে আর সফলও হয়। সেই আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য যারা শহীদ হয়েছিলেন তারা হলে কালিগঞ্জের আওয়ামীলীগ নেতা ময়েজউদ্দিন, আদমজী জুট মিলের শ্রমিক নেতা কমিউনিস্ট পার্টির তাজুল ইসলাম আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বাকশালের ছাত্রগ্রুপ জাতীয় ছাত্রলীগের নেতা বসুনিয়া।
এরশাদ যখন সংসদ নির্বাচন দিতে বাধ্য হলো – তখন শুরু হলো নানান ঝামেলা। এরশাদকে ক্ষমতায় রেখে নির্বাচনে যাওয়া হবে – নাকি এরশাদকে বিদায় করে যাওয়া হবে। সেই সময়কালে বাংলাদেশের রাজনীতি সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টির কমরেড ফরহাদ। কমরেড ফরহাদ দুই নেত্রীকে ১৫০ করে আসনে দাড়িয়ে নির্বাচন করে এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন বেগবান করার প্রস্তাব দিলে নেই প্রস্তাবে ব্যাপক জনসমর্থন লাভ করে। কিন্তু এরশাদ নির্বাচনী আইন পরিবর্তন করে ৫ টি আসনে নির্বাচন করার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারন করে।
এক পর্যায়ে আন্দোলন চরম ভাবে এগিয়ে যায় – আর এরশাদও অস্থির হয়ে উঠে। জাতির উদ্দেশ্য এক ভাষনে এরশাদ ৪৮ ঘন্টা সময় বেঁধে দেয় নির্বাচনে যাওয়া বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে। পরিস্থিতি বিবেচনার জন্যে শুরু হয় ১৫ দল আর ৭ দলের মিটিং। ম্যারাথন মিটিং এর বিষয়ে পরষ্পরের মধ্যে যোগাযোগ করার জন্যে লিয়াঁজো কমিটি সাটলের মতো দৌড়াতে থাকে।
প্রথম দিন পার হয় – ১৫ দল নীতিগতভাবে নির্বাচন করার পক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়। তবে বিস্তারিত পরিকল্পনার তৈরী জন্যে আরো মিটিং চলতে থাকে। ২য় দিনের সন্ধ্যায় শুনা যায় ৭ দলও আন্দোলনের অংশ হিসাবে নির্বাচনে যাবার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
সর্বশেষ মিটিং শুরু হলো জাসদের কার্যালয়ে। জিপিও উল্টদিকের রাস্তায় বসে আছে উদ্বিগ্ন জনতা। তারমধ্যে ঢাকসুর নির্বাচিত নেতাদেরও দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে পরিচিত একটা মুখ – ঝাকড়া চুলের লম্বা মতো একজন অন্যান্যদের সাথে ভিতরের খবরের জন্যে বসে আছে। উনি হলেন মোজাম্মেল বাবু। সদস্য পাশ করা প্রকৌশলী – যদিও সাংবাদিকতাকেই পেশা হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন।
ভিতরে মিটিং করছে লিয়াঁজো কমিটি। তাতে বিএনপির ক্যাপ্টেন আব্দুল হালিম, নুরুল ইসলাম আর আব্দুল মতিন চৌধুরী উপস্থিত।
রাত তখন প্রায় ২ টা বাজে। বেড়িয়ে এলেন নেতারা। হাসি মুখে লিয়াঁজো কমিটির সদস্যরা জানালো – ৭ দল ও ১৫ দল সন্মিলিত ভাবে নির্বাচনের আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়বে।
সবাই সারাদিনের হরতালের পিকেটিং করার পর অনেকটা স্বস্থি নিয়ে চলে গেল।
কিন্তু সকালে খবরের কাগজে দেখা গেল – বিএনপিসহ ৭ দল নির্বাচনে যাবে না। পরদিন রাশেদ খান মেনন সহ আরো কয়েকটা দল ১৫ দল থেকে বেড়িয়ে গেল। এরাও নির্বাচনের বিপক্ষে।
পরদিন থেকে বামপন্থী আর বিএনপি মিলে প্রচার শুরু করলো – যারা নির্বাচনে যাবে তারা “জাতীয় বেঈমান।” বিষয়টাকে আরো দারুনভাবে উপস্থাপন করতে সাহায্য করলো বামপন্থী ওয়ার্কাস পার্টি, বাসদ আর জাসদের অংশ বিশেষ।
এদিকে দুইদিন পর লিয়াঁজো কমিটির ৭ দলের দুই সদস্য আবদুল হালিম আর নুরুল ইসলাম চলে গেল এরশাদের মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতে – পিছনে রেখে গেলো খালেদা জিয়াকে – যিনি ইতোমধ্যে নিজেকে আপোষহীন হিসাবে পরিচিত করে ফেলেছেন।
পুরো আন্দোলনে জামায়াতের ভুমিকা নিয়ে কিছু বলা দরকার। পুরো সময়ে জামায়াত শুধু বাইতুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে মগবাজার পর্যন্ত মিছিল করলেও গিয়াস কামাল চৌধুরীর বদৌলতে ১৫ দল আর ৭ দলের পাশাপাশি সমানভাবে ভোয়ায় প্রচার পেতে থাকলো।
এখানে উল্লেখ করা দরকার যে – দেশের একমাত্র রেডিও টিভি সরকারের দখলে আর পত্রিকাগুলো উপর কঠোর নিয়ন্ত্রনের করানে এরা ‘হারতাল”কে লিখতো “কর্মসূচী”। এই কাজটি করতে এরশাদকে সহাযতা করেন আনোয়ার জাহিদ নামের একজন দালাল – যিনি পরে খারেদা জিয়ার উপদেষ্টাও হয়েছিলেন।
ছাত্ররা দেশে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ব্যষ্ত থাকার সুযোগে শিবির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্টানে এদের শক্তি বৃদ্ধি করতে লাগলো – কিন্তু কোন দিন হরতালে বা পিকটিং এ শিবিরের কোন কর্মী আহত পর্যণ্ত হয়নি।
ধারনা করা হয় লিয়াঁজো কমিটির আবুদলু মতিন চৌধুরী – যিনি মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় রাজাকার ছিলো – জামায়াতের এজেন্ট হিসাবে কাজ করেছে। যোগাযোগে অভাবেই হোক বা অন্য কোন কারনেই হোক – ৮৬ নির্বাচনে জামায়াত অংশ নিলো। মজার কথা হলো ৮৬ এর নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের কর্মীদেরও দেখি জাতীয় বেঈমান হিসাবে আওয়মীলীগকে নিয়ে কথা বলতে।
যাই হোক – নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনা আর মিডিয়া ক্যু করে এরশাদ প্রকৃত ফলাফল বদলে দেয়। এখনও অনেকের হয়তো মনে আছে নির্বঅচনের ফলাফলে এরশাদ বিরোধীরা এগিয়ে যাচ্ছিলো – একসময় টানা তিনটা বাংলা সিনেমা দেখানো হয় টিভিতে – পরে ফলাফল ঘোষনা করা হয় যাতে এরশাদের দল বিজয়ী হয়। এখন মনে হয় – যদি সেইদিন সব দল মিলে নির্বাচনে যেত তবে হয়তো নির্বাচনের দিনেই এরশাদের শেষ দিন হতো। কারন নির্বঅচন নিয়ে এতো বড় জোচ্চুরী সহ্য করা কটিন ছিলো। পরে আওয়ামীলীগসহ সবাই ৮৭ সালে সংসদ থেকে পদত্যাগ করলে আবারো আন্দোলন বেগবান হয় – সেই সময় আওয়ামীলীগের নুর হোসেন শহীদ হন।
অবশ্য এরশাদ আরেকটা নির্বাচন করে ৮৮ সালে – তাতে শুধু আসম আবদুর রবের নেতৃত্বে জাসদ আর কর্নেল ফারুকের ফ্রিডম পার্টি যোগ দেয় এবং একসময়ের বিপ্লবী ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রী এরশাদের গৃহপালিত বিরোধী দলের নেতা হন।
(২)
আন্দোলনের সফলতা আসে ১৯৯০ সালে – যখন মওদুদ আহমেদ উপরাষ্ট্রপতি আর কাজী জাফর প্রধানমন্ত্রী। গনতান্ত্রিক আন্দোলনের সময় ছাত্ররা ১০ দফা দাবী সহ আগামী রাজনীতির বিষয়ে কিছু সুপারিশ শেখ হাসিনা আর খালেদা জিয়ার কাছে উপস্থাপন করে। যার মধ্যে শিক্ষা বিষয়ক দাবী দাওয়া সহ রাজনীতিকে বেশ কিছু লোককে নিষিদ্ধ ঘোষনার দাবী ছিলো। দুই নেত্রীই সেই দাবী মানার অঙ্গীকার করেন।
১৯৯১ এর নির্বাচনের মনোনয়ন দেবার সময় প্রথম দেখা গেল আপোষহীন নেত্রী প্রথম আপোষ করলেন – এম কে আনোয়ার নামের একজন চাকুরী হারানো সচিবকে মনোনয়ন দিয়ে। এম কে আনোয়ার এরশাদের শাসনামলে মন্ত্রীপরিষদের সচিব হিসাবে এরশাদের স্বৈরশাসনকে সহায়তা করেছে – যার ফলে শাহাবুদ্দিন এর সরকার তাকে চাকুরী থেকে অবসরে পাঠায়। এই ভদ্রলোক আর কেরামত আলী (আরেক সচিব) প্রথমে আওয়অমীলীগের নমিনেশেনর জন্যে ধর্না দিলে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের চাপে তাকে নমিনেশন দেওয়অ হয়নি। পরদিনই খালেদা জিয়া এই দুই ভদ্রলোককে নমিনেশন দিয়ে স্বৈরশাসকের পতিতদের সাথে আপোষ করে সবাইকে অবাক করে দেন – বিশেষ করে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের প্রতি ছিলো সেইটা একটা বজ্রপাত।
তারপর জামায়াতের সাথে আপোষ, দূর্নীতির সাথে আপোষসহ সব রকম আপোষই করেছেন খালেদা জিয়া।
তারপরও কর্মী সমর্থকদের কাছে উনি আপোষহীন নেত্রী।
এখন ২০০৮ সাল। নির্বাচন হচ্ছে একটা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে যাদের নিজেদের কোন প্রার্থী নেই – নেই তাদের দল। এই নির্বাচনে না গিয়েও কি উনি উনার আপোষহীন ভুমিকা বজায় রাখবেন?






লাভ নাই ভাই
বান্গালী ইমোশনাল
এ চুরের মার যে বড় গলা
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন ১৮/১১/০৮ ১২:১৩ অপরাহ্ন
সমস্যা হলো এরা সহজে কোন বিশ্বাসের বাইরে যায় না। নেতারা যা বলে তাকে অন্ধের মতোই বিশ্বাস করে।
বিএনপি বা ৭ দল ৮৬ তে নির্বাচনে না গেলেও একটা যুক্তি ছিলো। এরশাদের অধীনে নির্বাচন, দুই বৃহৎ জোট নির্বাচনে গেলেও এরশাদ তো নিজের সেফ এক্সিট রাখতোই। আর ভোটের হিসাব ৩ ঘন্টার মধ্যে চেন্জ করে দিয়ে কিন্তু এরশাদ নিজের াসল চেহারা দেখিয়েছিলো।
দলগত ভাবে দুর্বল বিএনপি বা জোটগত ভাবে দুর্বল ৭ দলের জন্য সেটা ছিলো নিজেদের তুলে ধরার একটা সুযোগ। নির্বাচন করলেও এমন আহামরি কিছু হতো না, বরং এরশাদের জন্য আরো ভালো হত সাংবাধানিক ভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার। সে জন্য ৮৬ এর নির্বাচন বর্জনটা ঠিক ছিলো।
কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটটা ভিন্ন। এখন ঘরে-বাইরে পর্যদুস্ত বিএনপি স্রেফ পলিটিক্যালা কিছু ফায়দা নেয়ার জন্যই এসব করছে। সময় ক্ষেপন–পাবলিকের মাঝে নিজেদের আপোশহীন ভাবমুর্তি–ক্ষমতাসীনদের কাছ থেকে কিছু প্যাকেজ গিফটের জন্য এ নাটক চলছে। মিলে গেলেই নির্বাচন করবে। এটা পুরোটাই পলিটিক্যাল বারগেইনিং…..।
আমার ধারনা হাজী ইস্যুটাকে সামনে এনে নির্বাচন পেছানো হবে। ধর্মভিত্তিক ইস্যু কিন্তু!
শেয়ার করার জন্য ধন্য
বাদ।
BNP should avoid election this year. this election will not be fair. it is not possible under this CEC.
ইফ্তেখার মোহাম্মদ ১৮/১১/০৮ ২:০২ অপরাহ্ন
চামচামি বাদ দেন। আর কি করলে ফেয়ার হবে? আগে জয়ের নিশ্চয়তা চাই না? ভন্ডামী না করে জনগনের কাছে যান।
bengal_gypsi ১৮/১১/০৮ ৩:৫২ অপরাহ্ন
apni jei doler chamchami koren, sei dol keu notun kore kore. awami league keu kore, awame league hoiya jonnmay– eta-ke ami tader jonmo-goun hishabe dekhi
apni jei doler chamchami koren, sei dol keu notun kore kore na. awami league keu kore na , awame league hoiya jonnmay– eta-ke ami tader jonmo-goun hishabe dekhi
CEC to 1970′er moto election korte chai. in 1970, awami league won all the seat in east pakisthan (now bangladesh). BNP election-e aisa jodi ekta seat-o jite jai, taile to 1970-er moto election hobe na. So ei election-a BNP’r na join korai valo- — this is my personal opinion, everybody else is also entitled to have their own opinions
শ্রদ্ধেয় জিয়া ভাই, খালেদা জিয়া যেমন আপোষহীন নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন তেমনি হাসিনাও জাতীয় বেঈমানের পরিচয় লাভ করেছিলেন, তাই না?
ট্র্যাকব্যাকঃ
আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে মন্তব্য করার জন্য!
আমার মেনু
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
এই পর্যন্ত 153 টি ব্লগ লিখেছেন
প্রিয় পোস্ট
1 জন ব্যবহারকারি এই পেইজটি পড়ছেন!
1 জন অতিথি
সদস্যরা হলেনঃ