Skip to content

মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডেভিড ম্যাকাচ্চন: আমার একাত্তরের নির্জন সুহৃদ




কিছুদিন ধরে একজন মানুষ আমায় খুব ভাবিয়ে তুলেছেন। আমার চিন্তার ফ্রেমে বারবার একটি প্রশ্ন রেখে গেছেন- ‘আমি কী বলি নাই?’ তিনি বলেছিলেন, বহুদূরের কণ্ঠস্বরের ক্ষীণ সুরের পালে হাওয়া লাগিয়ে তিনি সত্যিই বলেছিলেন; বলেছিলেন:

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ডাক্তার ডেভিসের ডায়েরি : দ্য চেঞ্জিঙ ফেস অব জেনোসাইড


আমার কথা: আর্কাইভ খুড়ে এই লেখাটা তুলে আনার পেছনে অনেকগুলো কারণ আছে। প্রথম কথা মুক্তিযুদ্ধের উপর আমার প্রথমদিকের কাজগুলো নতুন নতুন লেখার ভিড়ে আড়ালে চলে গেছে। যখন এসব লেখা তখন ব্লগার বলতে জনাপঞ্চাশেক, পাঠকও। তারপর এই দীর্ঘ ছয়বছরে এসব প্রসঙ্গে আরো লেখালেখি হয়েছে, সেখানে হয়তো সম্পূরক লিংক হিসেবে যোগ করেছি, সেগুলো কেউ ক্লিক করেছেন, কেউবা এড়িয়ে গেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশের একজন মনোবিদের একটা সাক্ষাতকার নিয়ে কাজ করছিলাম, যিনি বীরাঙ্গনাদের চিকিৎসা দিয়েছেন। সেই লেখাটা ব্লগে দেওয়ার আগে সেই সময়কালটা বুঝতেও এই লেখাগুলোর গুরুত্ব আছে। এগুলো মূলত বিশাল একটা সিরিজের অংশ হিসেবে ছিলো, এখানে একত্রিত করে দেওয়া হয়েছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গণহত্যা ১৯৭১ : বাঙালির রক্তের দাগ আছে উত্তর কোরিয়ার হাতেও

১.
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে ঘটেছিল একটি বৈশ্বিক মেরুকরণ।ক্ষমতাধর এবং সম্পদশালী রাষ্ট্রগুলো সুস্পষ্ট ভাবে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে অথবা বিপক্ষে।সুপার পাওয়ার যুক্তরাষ্ট্র এবং চিন,তেল সমৃদ্ধ ধনী রাষ্ট্র সৌদি আরব,লিবিয়া সহ প্রায় সকল ইসলামী এবং আরব রাষ্ট্র ( মিশর ছাড়া ) সরাসরি পক্ষ নিয়েছিল পাকিস্তানের এবং সেই সূত্রেই সমর্থন করেছিল পাকিস্তান কর্তৃক বাঙালির উপর চাপিয়ে দেয়া ইতিহাসের অন্যতম বীভৎস গণহত্যা।অন্যদিকে ভারত,তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন,ইংল্যান্ড বাংলাদেশকে সক্রিয় সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়েছে,বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোও সমর্থন করেনি এই গণহত্যা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একাত্তরের গণহত্যা এবং কয়েকটি জনপ্রিয় প্রোপাগান্ডা

যেসব পাগলাটে মানুষগুলো প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির তোয়াক্কা না করে দিন-রাত্রির বালাই না রেখে আন্তর্জালে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির অপপ্রচারের জবাব দিয়ে যাচ্ছেন অক্লান্তভাবে - এই সামান্য পোস্টটি তাদের উৎসর্গ করছি

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শোনো হে বাঙালি, মার্চ- উনিশশো একাত্তর বলছি

দৃষ্টিজুড়ে আলো থাকলেই অন্ধকার ঘুচায় না। আঁধারেরও একটা রঙ আছে, তারও একটা সত্তা আছে। ওইটুকু বাদ দিলে যে নিকষ কালো রাত্রির পর্দা নামে, তাতে ভয় ধরে; ভয়ার্ত মনের মধ্যে বাসা বাঁধে শব্দেরা; শব্দগুলোর কান্না পায়, চিৎকার করে কাঁদে, কেবল কাঁদে আর কাঁদে; ইতিহাসের পনেরো খণ্ডে শব্দগুলো আমার বুলেট হয়ে যায়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

'৭১ সালে ৬টি মহাদেশের মিডিয়ায় ২৬শে মার্চের বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষনার খবর

১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চের প্রথম প্রহরে পাকিস্তানীদের হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা দেন। সে সময় এই খবরটি গুরুত্ব সহকারে পৃথিবীর একাধিক দেশের মিডিয়ায় স্থান পায়। এই পোষ্টে ৬ টি মহাদেশের ২৫ টি দেশের অসংখ্য পত্রিকার ১৯৭১ সালের মার্চ-এপ্রিলের রিলেটেড সংখ্যাগুলো যুক্ত করে দেয়া হল। দেশগুলো হল অষ্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কানাডা, কোষ্টারিকা, সাউথ আফ্রিকা, পোলান্ড, আয়ারল্যান্ড, সিংগাপুর, ইটালী, থাইল্যান্ড, পর্তুগাল, জাপান, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, অষ্ট্রিয়া, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, টার্কি, গ্রেট ব্রিটেন, নরওয়ে, আমেরিকা, এবং ইন্ডিয়া। সেই সাথে বাংলাদেশেরও একাধিক আর্টিকেল দেখা যাবে। ছবির লেখাগুলো দেখতে যদি কোন সমস্যা হয় তবে ফেইসবুকের এই এলবামে যাবার অনুরোধ জানাই যেখানে ১২৬ টি বেটার কোয়ালিটির ইমেজ রাখা আছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার্থে মার্কিন-বিএনপি-জামাত ত্রয়ী আতাঁত!!

জামায়াত ইসলামী তার দলের স্বাধীনতা বিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী নেতাদের বাঁচাতে ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী লবিস্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ১৮২ কোটি টাকার চুক্তি করেছে এবং গতবছর সে অর্থ প্রেরণও করেছে। জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলী এবং যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান ও বর্তমান ওবামা সরকারের ঘনিষ্ঠ মিত্র জেরাল্ড এস জে কেসিডি’র লবিং প্রতিষ্ঠান CASSIDY & ASSOCIATES, INC -এর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমার অনুভব করা মুক্তিযুদ্ধ'৭১

আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখি নি।মহান মুক্তিযুদ্ধের ২০ বছর পর জন্ম নিয়ে আসলে জানার অনেক কিছু বাকি থেকে যায়।মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জানার এ ক্ষুধা আমার কোনদিন শেষ হয়নি।হবে না।

আমার বাবা যুদ্ধের সময় ক্লাস এইটে পড়তো।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

অগ্নিঝরা মার্চ: ৩ মার্চ, ১৯৭১



মৌচাক মোড়ের ঠিক উল্টোদিকেই একটা স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। শহীদ ফারুক-তসলিম স্মৃতিস্তম্ভ। ১৯৭১ সালের এদিন ঢাকাসহ সারাদেশে গুলিতে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়। শহীদ ফারুক ইকবাল তাদের একজন। আবুজরগিফারী কলেজের এই ছাত্রলীগ নেতা (তখন এজিএস) বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় গুলিতে শহীদ হন। এনিয়ে আমাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের এক বড় বোন ডাঃ শিমুল কলি হোসেইনের স্মৃতিচারণটা হুবহু তুলে দিলাম:

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রোশেনারা : বোন আমার বাংলাদেশের পতাকা…




মুক্তিযুদ্ধে ধর্ষিতাদের সাক্ষ্য শুনেছেন কেউ! শুনলে জানতেন আমাদের মেয়েদের নিয়ে কিরকম খেলতো পাকিস্তানী পিশাচরা। না, সে খেলাতেও রাজনীতি ছিলো না। খেলার সঙ্গে রাজনীতি থাকে না। সে খেলায় ছিলো শুধুই হিংস্রতা, নির্মমতা, ক্রুঢ়তা এবং পাশবিকতা। হাসতে হাসতে কারো বুকের মাংস কেটে নেয়া কিংবা তলপেটের নীচে বেয়নেটের মোচড়। যাদের সঙ্গে এমন হতো, তারা আসলে ভাগ্যবতী। মরে বেঁচে যেতেন। আর বাকিরা বাঙালী নারী হওয়ার প্রায়শ্চিত্য করে যেতেন দিনের পর দিন, রাতের পর রাত, সেপাই থেকে জেনারেলে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

আমি, আমার আত্মার আত্মীয়দের কথা বলছি



লেখাটি উৎসর্গ করলাম দ্যা অ্যা টিম এর সকল যোদ্ধাদের প্রতি। যাঁদের চেতনার প্রখর রোদ্দুরে পুড়ে ছারখার হয়ে যায় হায়না-শকুনের দল। তাঁদের সকলের প্রতি এক অসংজ্ঞায়িত শ্রদ্ধা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

উইলিয়াম এ এস আউডারল্যান্ড, বীর প্রতীক



১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি যে সাহসিকতা দেখিয়েছে তার কোন তুলনা কোথাও নাই। এ যুদ্ধ এমন একটি যুদ্ধ ছিল যেখানে সারা বিশ্বের শান্তিকামী মানুষ এক হয়ে লড়াই করেছিল বাঙালির জন্যে। আজ স্বাধীনতার চল্লিশ বছর পার হয়ে যাবার পর যদিও সেই মানুষদের আমরা ধরে রাখছি স্মৃতির মণিকোঠায় তারপরেও প্রশ্ন জাগে আমরা কি সত্যিই মনে রাখছি? নাকি ভুলে যাচ্ছি। আজকের এই পোস্টটি রেডি করলাম মূলত সেইসব মানুষদের মাঝের একজনকে নিয়ে যার নাম উইলিয়াম এ এস আউডারল্যান্ড, বীর প্রতীক। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্যে তাকে দেয়া হয় বীর প্রতীক উপাধি। তিনি সম্মুখ সমরে যুদ্ধও করেছেন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শহীদ বুদ্ধিজীবী মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী স্যারের ডায়রি - ১


আমি তেমন কিছু লিখতে পারি না। লোকে বলে লিখলেই বানান ভুল হয়। কিন্তু কিছু কিছু বিষয় আছে যা আমাকে প্রতিনিয়ত নাড়া দেয়, আমাকে প্রশ্ন করে। আমি কোন উত্তর দিতে পারি না। মুক্তিযুদ্ধ অনেক বড় বিষয় বাংলাদেশের মানুষের শুধু না সারা পৃথিবীতে মুক্তিযুদ্ধের চেয়ে মহান আত্মত্যাগের ইতিহাস খুব কমই আছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আমাদের উপর চালায় বর্বর নির্যাতন আর বাংগালীও তার প্রতিরোধ করে সাহসের সাথে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

একাত্তরের মা

সত্যের সাথে এই সাহিত্যের পার্থক্য বড়ো অল্প। ভেবেছিলাম সাহিত্যের সকল উপকরণ দিয়ে একে সাজিয়ে দেবো নতুন কনের মত করে, উপমায়, অলঙকারে; হল না, বড্ড মোটা দাগের হয়ে গেলো গল্পটা, তবুও একে ছুঁয়ে আছে শুধু অশ্রু শুধু কান্না, সেখানেই এর গ্লানি গেলো মুছে। পরিশেষের এই চাওয়া; সকল একাত্তরের মায়ের দুঃখ মুছুক, দুঃখ ঘুচুক, আমার লজ্জায়, আমার গৌরবে, আমার বুক ভাসানো কান্নার জলে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

বঙ্গবীর থেকে রঙ্গ/ব্যাঙ্গ বীর


কথায় আছেনা,প্রগতশীল আর কমিউনিস্টরা পঁচলে ‘চরম প্রতিক্রিয়াশীল এবং ধর্ম ব্যবসায়ী মোল্লা’ হয়। যেমন আমাদের দেশেও হয়েছেন অনেকেই (নাম বলার দরকার নাই)।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

স্বাধীনতা

লোকমানের ঘুম ভাংগলো, পুরোপুরি ভোর হয়নি, কিছুটা আবছা অন্ধকার এখনো। লোকমান দেখলো শাহজাহান কাছারীর ভেতরে নাই, কমান্ডার আউয়াল ও লোকমানের ৪ জন লোক ঘুমাচ্ছে। লোকমান পাশের দরজা হয়ে বের হয়ে নীচু গলায় ডা

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শহীদ বুদ্ধিজীবী গোবিন্দচন্দ্র দেব: শ্রদ্ধার পরমার্ঘ্য



আমাদের বংলাদেশ একদিনে স্বাধীন হয়নি। দীর্ঘ এক ইতিহাসের পথ পেরিয়ে এ দেশ লাভ করে তার স্বাধীনতা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ তাই যে কোন সময়ের ইতিহাসের চেয়ে আলোকবর্তিকাময়। এ যুদ্ধ ছিল ন্যায়ের জন্য বাঙালির যুদ্ধ, এ যুদ্ধ ছিল অধিকার আদায়ের যুদ্ধ। তেইশ বছরের পাকিস্তানি অপশাসনের বিরুদ্ধে বাঙালি ন্যায়ের যুদ্ধে নেমেছিল। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ তারিখে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী বাংলাদেশে চালায় পৃথিবীর নৃশংসতম গণহত্যা। তাদের মূল টার্গেট হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্র আর বাংলাদেশের নিরীহ জনগণ, সেইসাথে আওয়ামী লীগ ও স্বাধীনতাকামী নেতাকর্মীরা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

শহীদ আশুরঞ্জন দে : আমার বাবার স্মৃতিতে



[ মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার বাবা ডা. শফিকুর রহমানের পোস্টিং ছিলো ব্রাক্ষণবাড়িয়া। সদর হাসপাতালের দায়িত্বে ছিলেন তিনি সেসময়। আহত মুক্তিযোদ্ধা আশুরঞ্জনের এই অংশটুকু আমি প্রথম পাই তার ডায়েরিতে। প্রথম আলোতে কর্মরত থাকা অবস্থায় এই অমূল্য ডায়েরিটি আমি হারিয়ে ফেলেছি। তবে এটি বাবা তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পান্ডুলিপি ‘যাদের রক্তে মুক্ত এদেশ’-এ যোগ করেছিলেন। সেখান থেকেই তুলে দিলাম। আশু হত্যাকাণ্ডের ঠিক একমাস পর একই নিয়তি বরাদ্দ হয়েছিলো আমার বাবার জন্যও। পবিত্র শবেবরাতে ইফতারির দাওয়াত দিয়ে শহরের সব বুদ্ধিজীবিদের সেদিন আটক করা হয় এবং কুরুলিয়া খালের পাশে দাড় করিয়ে হত্যা করা হয়। স্রেফ দৈবে রক্ষা পান বাবা, কোনো কারণে তার যেতে দেরি হয়েছিলো সেখানে। কুখ্যাত আল-বদর আমিনুল হকের (আমি আলবদর বলছি বইয়ের লেখক) হিটলিস্টেও নাম ছিলো বাবার। সরাইলে সপরিবারে আশ্রয় নিয়ে সেবার রক্ষা পাই আমরা। আরেক শহীদ মুক্তিযোদ্ধা নুরুকে নিয়েও একটি স্মৃতিকথা আছে বাবার, খুজে পাচ্ছি না। ডায়েরির সঙ্গেই হারিয়ে গেছে হয়তো ]

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

কখনোই দেখতে পারবে না

কখনো কি দেখেছো একটি মায়ের চোখ দিয়ে বেয়ে পড়া ফোঁটা ফোঁটা রক্ত,

না,আমি জানি,তুমি দেখনি ,

তুমি তা কখনোই দেখতে পারবে না ।

আমি দেখেছি,আমি দেখেছি ওই বিধবা মায়ের বোবা কান্না।

কখনো কি দেখেছো

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07