Skip to content

আমার ব্লগ গবেষণা ফাউন্ডেশন-এর ব্লগ

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

গোলাম নামা: আত্মপক্ষ সমর্থনের নামে ব্যাপক মিথ্যাচার-৩


[ এই পর্বে যাওয়ার আগে পাঠকদের একটা বিষয়ে না জানালেই নয়। ১৩ ডিসেম্বর রাতে গোলাম যে সাফাইটি দিলো এখন মোটামুটি পরিষ্কার তা কাদের জন্য। সম্প্রতি ব্যর্থ হওয়া যে সেনা অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা জামাত নিয়েছিলো হিজবুত তাহরীরকে ঢাল বানিয়ে, তা থেকে লাভবান হতো একটি দলই, জামাতে ইসলামী। এবং বুক ফুলিয়ে বেরিয়ে যেতো যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত দলটির নেতৃবৃন্দ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

ই-বুক: মুক্তিযুদ্ধ ’৭১ : দালাল আইনে সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী


আজ ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস। চল্লিশ বছর আগে জামাতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের (এখন ইসলামী ছাত্রশিবির)সদস্যদের নিয়ে তৈরি কুখ্যাত ঘাতক দল আল-বদরদের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন বাংলার সেরা মেধাবীরা। শোকের এই দিনটি উপলক্ষ্যে আমার ব্লগ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে আমার ব্লগের ব্লগার ও পাঠকদের জন্য উপহার হিসেবে আপলোড করা হলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সংক্রান্ত একটি সংকলন মুক্তিযুদ্ধ ’৭১: দালাল আইনে সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী। এ এস এম সামছুল আরেফিন সম্পাদিত ও সংকলিত এই ই-বুক সংস্করণটি সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে নিঃসন্দেহে সংগ্রহে রাখার মতো একটি উপাত্ত। দলিলও বলতে পারেন।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রক্তাক্ত '৭৫ : একটা দিনের হেরফের যেভাবে বদলে দিলো বাঙালীর ইতিহাস


ভূমিকা:

১৫ আগস্ট জাতির পিতার নির্মম হত্যাকাণ্ডেই শেষ হয়ে যায়নি সব। যার মুক্তির ডাকে সাড়া দিয়ে যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছিলো বাঙালী, তাদের সবার কণ্ঠ তখনও রোধ করা যায়নি। তবে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চলছিলো। খুনীরা মুক্তিযোদ্ধা এবং নিহত মুজিব স্বৈরাচার। অস্থির সে সময়টায় ষড়যন্ত্রের একটা জাল বোনা হচ্ছিলো আসলে। সব মাথাগুলোকে সে জালে আটকে একসঙ্গে নিকেশ করার ষড়যন্ত্র। দক্ষ গ্র্যান্ডমাস্টারের মতো দেওয়া সে চালে খন্দকার মোশতাক আহমদ কিংবা স্বঘোষিত খুনীরা সাময়িক রাজত্ব ও রাজ্যশাসনে মশগুল। জালটা গুটিয়ে আনা হলো নভেম্বরে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

পাঠকদের জন্য উপহার : মুক্তিযুদ্ধের তথ্যচিত্র- 'মেজর খালেদস ওয়ার'


গত প্রায় দু সপ্তাহ ধরে আমার ব্লগ রিসার্চ ব্যস্ত রয়েছে রক্তাক্ত '৭৫ সিরিজ নিয়ে, অধ্যায়টি হচ্ছে ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফের অভ্যুথান। প্রসঙ্গতই এসে পড়ে একাত্তরে খালেদ মোশাররফের ভূমিকা নিয়ে। বলতেই হয় মুক্তিযুদ্ধে সকল সেক্টর কমান্ডার ও ফোর্স প্রধানদের মধ্যে সবচেয়ে সেলিব্রিটি ছিলেন খালেদ। বয়সে মেজর শফিউল্লাহ এবং জিয়ার ছোট হলেও গেরিলা যুদ্ধে তার বুৎপত্তির কারণেই তিনি ছিলেন আলাদা।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রক্তাক্ত '৭৫: দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব পাকিস্তান-২

আগের পর্বের পর



প্রশ্নগুলোর উত্তর খোজার আগে এটা বোঝা জরুরী, ভুট্টো মুজিব হত্যার ষড়যন্ত্রে কতখানি জড়িত। তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সমর্থন কি ছিলো এতে, নাকি স্রেফ পরিস্থিতির ফায়দা ওঠাতে চাইছিলেন তিনি। বাংলাদেশে তার মিত্র ছিলো কারা, কারা তার মতো ভারত বিদ্বেষী মতবাদটা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি যুদ্ধাঞ্চল বানাতে চাইছিলো?

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রক্তাক্ত ’৭৫ : দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব পাকিস্তান-১


১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ছিলো ইয়াহিয়া খানের জন্য একটি বিশেষ দিন। এদিন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দু’বছর পুরো হয় তার। সেদিনের রাতটা তিনি উদযাপন করেছিলেন বাঙালীদের উপর তার খুনে বাহিনী লেলিয়ে দিয়ে।১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্ট ছিলো ভুট্টোর জন্য তেমনি এক বিশেষ দিন, পাকিস্তানের সংবিধান সংশোধন করার পর সেদিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার দুবছর পূর্তি। সে রাতটা কিভাবে উদযাপন করেছেন তার বর্ণনা আমরা পাবো পাকিস্তানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হেনরি বাইরোডের তারবার্তায়।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুক্তিযুদ্ধের ছবি সংকলন, কিশোর পারেখের: "বাংলাদেশ : আ ব্রুটাল বার্থ "



আমার ব্লগের জন্ম হয়েছে শুধু মাত্র ১৯৭১ এর চেতনাকে আন্তর্জালে তুলে ধরার জন্য, তা অক্ষুন্ন রাখার জন্য।স্বাধীনতার চেতনার ব্যাপারে আমার ব্লগের কোন আপোষ নেই। আমরা চাই ১৯৭১ এর ইতিহাস আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম জানুক-জানুক পাক বাহিনীর অত্যাচারের কাহিনী, জানুক আমাদের সুর্য সন্তানদের রুখে দাড়াবার কাহিনী- জানুক আমাদের স্বাধীনতার জন্য কি ধরনের মূল্য চুকোতে হয়েছে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

রক্তাক্ত ’৭৫: ইসলামিক রিপাবলিক অব বাংলাদেশ!


'সেদিনের কথা স্পষ্ট মনে আছে আমার। খুব ভোরে আমাদের ঘুমে থেকে ডেকে তুললেন বাবা। তাকে খুব ব্যথিত দেখাচ্ছিলো। কান্নাভেজা গলায় বললেন -ওরা শেখ মুজিবকে মেরে ফেলেছে'। মুনতাসীর মামুনকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে অনেকটা এরকমই ছিলো বেনজীর ভুট্টোর স্মৃতিচারণ।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুক্তিযুদ্ধে গোপন তৎপরতা : বুদ্ধিজীবি হত্যায় মার্কিন দায় ৫

তৃতীয় পর্ব

তার আগে দেখা যাক পূর্ব পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে পাবলিক সেফটি অ্যাডভাইজর বা জননিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে কারা কারা কাজ করেছেন। অফিস অব পাবলিক সেফটির (ওপিএস)সাবেক কিছু কর্মকর্তা একটা স্মৃতিচারণমূলক প্রকাশনা বের করেছিলেন।মুখবন্ধতেই তারা বলে নিয়েছেন যে এটা সরকারী কোনো প্রকাশনা নয় এবং ৩০-৩৫ বছর আগের এই স্মৃতিরোমন্থনে সবার নাম কিংবা সব ঘটনা মনে না থাকাটাই স্বাভাবিক।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুক্তিযুদ্ধে গোপন তৎপরতা : বুদ্ধিজীবি হত্যায় মার্কিন দায় ৪

দ্বিতীয় পর্ব
তৃতীয় পর্ব : রহস্যময় রবার্ট জ্যাকসন

একটা প্রশ্ন সবার মনে জাগতেই পারে। মুক্তিযুদ্ধের সময় সিআইএ-র কেউ নিজের হাতে কোনো বাঙালীকে খুন করেনি। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সহযোগিতার। স্বাধীনতাকামী বাঙালীদের নামের তালিকা সরবরাহের।এখন একটা দেশের জন্য কারা বিপজ্জনক সেটা সেই দেশের গোয়েন্দাদের চেয়ে সিআইএ বেশী জানবে!উত্তর হ্যাঁ, জানবে।কারণ তারা প্রতিটা দেশের গুরুত্বপূর্ণ লোকজনের (তাদের জন্য উপকারী এবং বিপজ্জনক)ওপর ফাইল সংরক্ষণ করে যাকে বলা হয় বায়োগ্রাফিকাল রিপোর্টিং। নানা গোয়েন্দাসূত্র থেকে তথ্য দিয়ে সাজানো হয় প্রতিটি ফাইল। তাই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জন্য সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য তাদের সরবরাহ করা তালিকা মানা। এটাও চুক্তিরই অংশ। ব্যাপারটা এবং বায়োগ্রাফিকাল রিপোর্টিংয়ের পদ্ধতি দলিলসহ বোঝানো হবে সামনের পর্বগুলোতে।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুক্তিযুদ্ধে গোপন তৎপরতা : বুদ্ধিজীবি হত্যায় মার্কিন দায় ৩

প্রথম পর্ব
দ্বিতীয় পর্ব : জহির রায়হানের তদন্ত কমিটি ও প্রাথমিক ইঙ্গিত
বুদ্ধিজীবি হত্যাকাণ্ডে বিদেশী পরাশক্তি জড়িত থাকার ইঙ্গিতটা প্রথম এসেছিল জহির রায়হানের তরফে।২৯ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে দৈনিক অবজার্ভারের প্রতিবেদনে তিনি বুদ্ধিজীবি হত্যাকাণ্ড তদন্তের জন্য একটি কমিশন গঠনের জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানান।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুক্তিযুদ্ধে গোপন তৎপরতা : বুদ্ধিজীবি হত্যায় মার্কিন দায় ৩

প্রথম পর্ব
দ্বিতীয় পর্ব : জহির রায়হানের তদন্ত কমিটি ও প্রাথমিক ইঙ্গিত

বুদ্ধিজীবি হত্যাকাণ্ডে বিদেশী পরাশক্তি জড়িত থাকার ইঙ্গিতটা প্রথম এসেছিল জহির রায়হানের তরফে। '৭১ এর ২৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত দৈনিক অবজার্ভারের প্রতিবেদনে তিনি বুদ্ধিজীবি হত্যাকাণ্ড তদন্তের জন্য একটি কমিশন গঠনের জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানান। বুদ্ধিজীবি হত্যায় অনেক পাকিস্তানী অফিসার জড়িত এবং তাদের যুদ্ধবন্দী হওয়ার বদলে যুদ্ধাপরাধের দায়ে বিচার দাবি করেন জহির রায়হান। কিছু বিদেশী পরাশক্তিও এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ তার।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুক্তিযুদ্ধে গোপন তৎপরতা : বুদ্ধিজীবি হত্যায় মার্কিন দায় ২

ভূমিকা
প্রথম অধ্যায় : বুদ্ধিজীবি হত্যার সময়কাল ও যে হত্যাকাণ্ডটি অল্পের জন্য ঘটেনি

প্রথমেই একটি ব্যাপার পরিষ্কার করে নেওয়া দরকার।জাতীয়ভাবে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস আমরা পালন করি সত্যি, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের গোটা সময়কাল জুড়েই হত্যার শিকার হতে হয়েছে তাদের। ডিসেম্বরের প্রথম দুই সপ্তাহ জুড়ে যা ঘটেছে, তা ছিলো এক ধরণের ফিনিশিংটাচের মতো।

ব্লগারের প্রোফাইল ছবি

মুক্তিযুদ্ধে গোপন তৎপরতা : বুদ্ধিজীবি হত্যায় মার্কিন দায়- ১

ভূমিকা :


গোপন তৎপরতার আদ্যোপান্তই ‘গোপনীয়’ সিলগালায় মোড়কবন্দী থাকে। এটাই নিয়ম। মাঝেমাঝে ফিসফাস কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছ থেকে কিছু তথ্য বেরোয় বটে, কিন্তু তা দিয়ে এসব তৎপরতায় কাউকে দায়ী করা ভীষণ মুশকিল।আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা ভীষণরকম সত্যি। এখানে যুযুধান দুই পক্ষ পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর এবং স্বাধীনতাকামী মুক্তিবাহিনী।

Syndicate content
glqxz9283 sfy39587p07