বাংলায় নাম
বাঁশ দেব
পরিচিতি
সদর দরজা
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন-এর ৪০ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে জানাই গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা। উৎসর্গ: ব্লগার ভুমিহীন জমিদার, ফারমার, চারবাক ।
লিখেছেনঃ বাঁশ দেব (তারিখঃ শনিবার, ১০/১২/২০১১ - ১১:১৭)
১৯৩৪ সালের জুন মাসে নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বাগপাদুরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন । মোঃ আজহার পাটোয়ারী এবং মোছাঃ জুলেখা খাতুন এর বড় সন্তান তিনি। পড়ালেখার শুরু নিজ গ্রামের প্রাইমারি স্কুলে এবং পাশের আমষাপাশার হাইস্কুলে। অনটনের সংসারের হাল ধরতে তিনি হাইস্কুল পাস করার পরই রুহুল আমিনকে জীবিকার সন্ধানে বের হতে হয়৷
পাকিস্তান নৌ-বাহিনীতে যোগদান করেন ১৯৫৩-তে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে । প্রশিক্ষণ নেন আরব সাগরে অবস্থিত মানোরা দ্বীপে পি.এন.এস বাহাদুর-এ প্রাথমিক । প্রাথমিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর পি.এন.এস. কারসাজে যোগদান করেন। ১৯৫৮-তে পেশাগত প্রশিক্ষণ শেষ এবং ১৯৬৫ -তে মেকানিসিয়ান কোর্সের জন্য নির্বাচিত হন। পি.এন.এস. কারসাজে কোর্স সমাপ্ত করার পর আর্টিফিসার পদে নিযুক্ত হন। ১৯৬৮ -তে চট্টগ্রাম পি.এন.এস. বখতিয়ার নৌ-ঘাটিঁতে বদলি হয়ে যান।
মার্চ, ১৯৭১ সালে যখন এদেশে তান্ডব চালাচ্ছে হায়েনার তখন তিনি ছিলেন চট্টগ্রামে। সারাদিন নজরদারীর মধ্যে বাঙালি সৈনিকরা তখন পাকিস্তানি সেনাদের ৷ এখান থেকে বের হওয়াও ছিল চুড়ান্ত এক যুদ্ধ। কিন্তু কিছু একটা করতে হবে এভাবে বসে থাকলে চলবে কেমনে ? নৌঘাটিতে বসেই শোনা যাচ্ছে এলাকার খবর। চরম হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়েছে সেখানে। সুতরাং সবার আগে এখান থেকে বের হতে হবে। মনে প্রস্তুত হন তিনি। এপ্রিল মাসের দিকে পেয়ে গেলেন এক মোক্ষম সুযোগ। কাজে লাগালেন সময়টাকে। নৌঘাটি থেকে পালিয়ে সোজা চলে আসেন ত্রিপুরা। এখানে ২ নং সেক্টরের মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে সেপ্টেম্বর পযর্ন্ত যুদ্ধ করেন সক্রিয় ভাবে।
সেপ্টেম্বর মাসে যুদ্ধরত নৌবাহিনীর সদস্যদের আগরতলায় একত্রিত করা হয় নৌবাহিনী গঠনের জন্য। ভারত সরকার বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী কে দুটি গানবোট উপহার দেয়। গানবোটের নামকরণ করা হয় 'পদ্মা' ও 'পলাশ'। রুহুল আমিন পলাশ গানবোটের প্রধান ইঞ্জিনরুমে আর্টিফিসার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং যোগ দেন ১০ নং নৌ সেক্টরে৷
৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী যশোর সেনানিবাস দখল করে। এরপর 'পদ্মা', 'পলাশ' এবং ভারতীয় মিত্রবাহিনীর একটি গানবোট 'পানভেল' খুলনার মংলা বন্দরে পাকিস্তানি নৌ-ঘাটিঁ পি.এন.এস. তিতুমীর দখলের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ১০ ডিসেম্বর দুপুর ১২ টার দিকে গানবোটগুলো খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছে এলে অনেক উচুঁতে তিনটি জঙ্গি বিমানকে উড়তে দেখা যায়। শত্রুর বিমান অনুধাবন করে পদ্মা ও পলাশ থেকে গুলি করার অনুমতি চাওয়া হয়। কিন্তু অভিযানের সর্বাধিনায়ক ক্যাপ্টেন মনেন্দ্রনাথ ভারতীয় বিমান মনে করে গুলিবর্ষণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। এর কিছুক্ষণ পরে বিমানগুলো অপ্রত্যাশিত ভাবে নিচে নেমে আসে এবং আচমকা গুলিবর্ষণ শুরু করে। গোলা সরাসরি 'পদ্মা' এর ইঞ্জিন রুমে আঘাত করে ইঞ্জিন বিধ্বস্ত করে। হতাহত হয় অনেক নাবিক। 'পদ্মা'-র পরিণতিতে পলাশের অধিনায়ক লে. কমান্ডার রায় চৌধুরী নাবিকদের জাহাজ ত্যাগের নির্দেশ দেন। রুহুল আমিন এই আদেশে ক্ষিপ্ত হন। তিনি উপস্থিত সবাইকে যুদ্ধ বন্ধ না করার আহ্বান করেন। কামানের ক্রুদের বিমানের দিকে গুলি ছুড়ঁতে বলে ইঞ্জিন রুমে ফিরে আসেন। কিন্তু অধিনায়কের আদেশ অমান্য করে বিমানগুলোকে চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। বিমানগুলো উপূর্যপুরি বোমাবর্ষণ করে পলাশের ইঞ্জিনরুম ধ্বংস করে দেয়। শহীদ হন একজন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন।
আজকের দিনে এই মহান বীরশ্রেষ্ঠের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
লেখাটা আমার নেট থেকে সংগ্রহ করা লেখা গুলোর মধ্যে একটি। অনেক আগের বলে সোর্স দিতে পারলাম না এবং কিছুটা কপি পেষ্ট হওয়ায় আন্তরিক ভাবে দু:খিত।

ছবি:- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন (১৯৩৪-১৯৭১)
নাম: রুহুল আমিন
জন্ম : জুন, ১৯৩৪ সাল।
পিতা : মোঃ আজহার পাটোয়ারী৷
মা : মোছাঃ জুলেখা খাতুন৷
জন্মস্থান : নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার বর্তমানে সোনাইমুড়ী উপজেলার বাগপাদুরা গ্রামে৷
কর্মস্থল : নৌবাহিনী (স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার)৷
সেক্টর : ১০নং সেক্টর৷
মৃত্যু : ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সাল৷
চিরশায়িত : রূপসা ফেরিঘাটের লুকপুরে৷
১৯৩৪ সালের জুন মাসে নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বাগপাদুরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন । মোঃ আজহার পাটোয়ারী এবং মোছাঃ জুলেখা খাতুন এর বড় সন্তান তিনি। পড়ালেখার শুরু নিজ গ্রামের প্রাইমারি স্কুলে এবং পাশের আমষাপাশার হাইস্কুলে। অনটনের সংসারের হাল ধরতে তিনি হাইস্কুল পাস করার পরই রুহুল আমিনকে জীবিকার সন্ধানে বের হতে হয়৷
পাকিস্তান নৌ-বাহিনীতে যোগদান করেন ১৯৫৩-তে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে । প্রশিক্ষণ নেন আরব সাগরে অবস্থিত মানোরা দ্বীপে পি.এন.এস বাহাদুর-এ প্রাথমিক । প্রাথমিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর পি.এন.এস. কারসাজে যোগদান করেন। ১৯৫৮-তে পেশাগত প্রশিক্ষণ শেষ এবং ১৯৬৫ -তে মেকানিসিয়ান কোর্সের জন্য নির্বাচিত হন। পি.এন.এস. কারসাজে কোর্স সমাপ্ত করার পর আর্টিফিসার পদে নিযুক্ত হন। ১৯৬৮ -তে চট্টগ্রাম পি.এন.এস. বখতিয়ার নৌ-ঘাটিঁতে বদলি হয়ে যান।
মার্চ, ১৯৭১ সালে যখন এদেশে তান্ডব চালাচ্ছে হায়েনার তখন তিনি ছিলেন চট্টগ্রামে। সারাদিন নজরদারীর মধ্যে বাঙালি সৈনিকরা তখন পাকিস্তানি সেনাদের ৷ এখান থেকে বের হওয়াও ছিল চুড়ান্ত এক যুদ্ধ। কিন্তু কিছু একটা করতে হবে এভাবে বসে থাকলে চলবে কেমনে ? নৌঘাটিতে বসেই শোনা যাচ্ছে এলাকার খবর। চরম হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়েছে সেখানে। সুতরাং সবার আগে এখান থেকে বের হতে হবে। মনে প্রস্তুত হন তিনি। এপ্রিল মাসের দিকে পেয়ে গেলেন এক মোক্ষম সুযোগ। কাজে লাগালেন সময়টাকে। নৌঘাটি থেকে পালিয়ে সোজা চলে আসেন ত্রিপুরা। এখানে ২ নং সেক্টরের মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে সেপ্টেম্বর পযর্ন্ত যুদ্ধ করেন সক্রিয় ভাবে।
সেপ্টেম্বর মাসে যুদ্ধরত নৌবাহিনীর সদস্যদের আগরতলায় একত্রিত করা হয় নৌবাহিনী গঠনের জন্য। ভারত সরকার বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী কে দুটি গানবোট উপহার দেয়। গানবোটের নামকরণ করা হয় 'পদ্মা' ও 'পলাশ'। রুহুল আমিন পলাশ গানবোটের প্রধান ইঞ্জিনরুমে আর্টিফিসার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং যোগ দেন ১০ নং নৌ সেক্টরে৷
৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী যশোর সেনানিবাস দখল করে। এরপর 'পদ্মা', 'পলাশ' এবং ভারতীয় মিত্রবাহিনীর একটি গানবোট 'পানভেল' খুলনার মংলা বন্দরে পাকিস্তানি নৌ-ঘাটিঁ পি.এন.এস. তিতুমীর দখলের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ১০ ডিসেম্বর দুপুর ১২ টার দিকে গানবোটগুলো খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছে এলে অনেক উচুঁতে তিনটি জঙ্গি বিমানকে উড়তে দেখা যায়। শত্রুর বিমান অনুধাবন করে পদ্মা ও পলাশ থেকে গুলি করার অনুমতি চাওয়া হয়। কিন্তু অভিযানের সর্বাধিনায়ক ক্যাপ্টেন মনেন্দ্রনাথ ভারতীয় বিমান মনে করে গুলিবর্ষণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। এর কিছুক্ষণ পরে বিমানগুলো অপ্রত্যাশিত ভাবে নিচে নেমে আসে এবং আচমকা গুলিবর্ষণ শুরু করে। গোলা সরাসরি 'পদ্মা' এর ইঞ্জিন রুমে আঘাত করে ইঞ্জিন বিধ্বস্ত করে। হতাহত হয় অনেক নাবিক। 'পদ্মা'-র পরিণতিতে পলাশের অধিনায়ক লে. কমান্ডার রায় চৌধুরী নাবিকদের জাহাজ ত্যাগের নির্দেশ দেন। রুহুল আমিন এই আদেশে ক্ষিপ্ত হন। তিনি উপস্থিত সবাইকে যুদ্ধ বন্ধ না করার আহ্বান করেন। কামানের ক্রুদের বিমানের দিকে গুলি ছুড়ঁতে বলে ইঞ্জিন রুমে ফিরে আসেন। কিন্তু অধিনায়কের আদেশ অমান্য করে বিমানগুলোকে চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। বিমানগুলো উপূর্যপুরি বোমাবর্ষণ করে পলাশের ইঞ্জিনরুম ধ্বংস করে দেয়। শহীদ হন একজন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন।
আজকের দিনে এই মহান বীরশ্রেষ্ঠের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
লেখাটা আমার নেট থেকে সংগ্রহ করা লেখা গুলোর মধ্যে একটি। অনেক আগের বলে সোর্স দিতে পারলাম না এবং কিছুটা কপি পেষ্ট হওয়ায় আন্তরিক ভাবে দু:খিত।
- ক্যাটেগরি:
- বাঁশ দেব-এর ব্লগ
- মন্তব্য প্রদানের জন্য লগইন অথবা রেজিস্টার করুন
- ২৫৫ বার পঠিত
Twitter-এ প্রকাশ করুন

মন্তব্য
জানি না, আজ কোন বিশেষ ক্রোড় পত্র বের হয়েছে কিনা।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আপনার জন্য শুভকামনা থাকলো, ভাল থাকবেন।
অনেক শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করি এই মহান বীর কে। ওই দিনের ঘটনা ছিল সেমসাইড। ভারতিয় বিমান ভুলক্রমে পাকিস্থানি জাহাজ মনে করে মুক্তিবাহিনীর উপর হামলা চালয়।
এবং, সম্ভবত উনার মরদেহ রূপসা ঘাটের পাশেই সমাহিত করা হয়।
~-^
উদ্ভ্রান্ত বসে থাকি হাজারদুয়ারে!
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা ।
__________________________________________________________
“কোনো কিছু বেছে নেওয়ার অর্থ হলো অনেক কিছু ত্যাগ করা”।............স্যামুয়েলসন
জয় বাংলা।
____________________
ঘর ছেড়ে ধন খুঁজিস কেন বনে বনে?
গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি....
.
__________________
অপণা মাংশেঁ হরিণা বৈরী।
@বাঁশদেব,
কপি-পেস্ট হলে অসুবিধা নেই, বিজয় এনেছেন এসব মহান বাংগালীরা, এঁরা মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা। স্মরণ করার জন্য ও অন্যদের জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
আপ্নে দেখি বাংলায় কমেন্টান!!
ই-বুক :: রিপোর্টারের ডায়েরি: পাহাড়ের পথে পথে
শহীদ রুহুল আমিনের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
ই-বুক :: রিপোর্টারের ডায়েরি: পাহাড়ের পথে পথে
যাদের রক্তে মুক্ত আমার স্বদেশ।
বীর শ্রেশ্ঠ রুহুল আমিন "আঙ্গো নোয়াখইল্যা গো গর্ব"।
--------------------------------------------------------------------------------
ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস। বিশ্বাসে কোন যুক্তি প্রমাণের প্রয়োজন পড়েনা।
জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের কাছে আমরা চিরঋণী
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
আমরা ছোট বেলার বাংলা পাঠ্য পুস্তকে সাত জন বীর শ্রেষ্ঠের জীবনী পড়েছি। কিন্তু বর্তমানে তো সবার কাহিনী নাই।১ম থেকে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত পাচজনের কাহিনী পেলাম। বাকী দুজনের টা কৈ? দুঃখজনক যে বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন এর কাহিনীটা নাই .....
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!
কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা এই মহান বীর এর প্রতি।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
হৃদয় নিংড়ানো শ্রদ্ধা।হে আমার মহান পুর্বপুরুষ,তোমার জন্য সঞ্চয় আজ দু'বিন্দু বিশুদ্ধ অশ্রু।
এই পোস্টটা স্টিকি করা হলো না কেন ?
*****************************
তোমার দগ্ধ দেহ
এইবার ঢেকে যাক নবজাত রোদে।
তোমার রক্তে ভিজে পোড়ামাটি ফিরে পাক প্রাণ।
তুমি সেই আগামীর মাঠে
ফলাও দু'হাত ভরে দগদগে আগুনের ধান।
শ্রদ্ধা জাতির এই সোনার ছেলের প্রতি
.....................................
মায়ের লাঞ্ছিত বুকে শকুন নখের দাগ... কে পেরেছে ভুলে যেতে কবে? ধর্ষিতা বোনটির বিভীষিকা মাখা চোখ আমায় জাগিয়ে রাখে, ডেকে বলে,
মনে রেখো এদিনের শোধ নিতে হবে!! , যদি বল ঘৃনাবাদী, দ্বিধাহীন মেনে নেব তাও
শ্রদ্ধা জানাচ্ছি!
**********************************************
"Do not make any decisions when you are angry And never make any promises when you are happy."
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। শ্রদ্ধা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য।
..................................................................
তোমার আমার ঠোঁটের মাঝখানে কয়েক ফোঁটা স্কচের বিস্বাদ আর অর্থহীন চুম্বনের ওড়াওড়ি
আমি আর তুমি-
পৃথিবীর আদিম মানব-মানবী
শ্রদ্ধাঞ্জলি।
_____________________
ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।
অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানাই।
এদেশের প্রতিটি মানুষ ভাল থাকুক, সব দুঃখ শেষ হোক।
মুক্তি পাক এদেশের মানুষ সকল অন্ধকার জগতের মানুষের হাত থেকে।
তবেই আমার দেশের বীর যোদ্ধাদের আত্মা শান্তি পাবে।
হাজার সালাম আপনাদের সবাইকে।
........................................................................
"আমি সব দেবতারে ছেড়ে
আমার প্রাণের কাছে চলে আসি
বলি আমি এই হৃদয়েরে
সে কেন জলের মত ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!"
অল গেভ সাম বাট সাম গেভ অল ।
জাতীর সুর্য সন্তানদের কাছে আমরা চিরঋণী ।
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ আকাশ ।
গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি...
দুঃখিত বিগত কিছুদিন ধরে ব্লগে একটু অনিয়মিত তাই পোস্টটা বেশ দেরীতে পড়লাম। বাঁশ দেব আপনাকে ধন্যবাদ।
এই পোস্ট স্টিকি হওয়ার দাবী রাখে।
*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।