উৎসর্গঃ যেসকল ব্লগার ব্লগের বিভিন্ন পোস্ট পড়েন না,নিক এপ্রুভ হইলেই কবিতা নামক ল্যাদানো শুরু করেন (কবতে হোক না হোক,তাদের কিছুই আসে যায় না)এবং যারা পোস্ট দিয়েই হাওয়া হয়ে যান,অন্য কোন পোস্টে কমেন্টতো করেনই ,নিজ পোস্টের কমেন্টের উত্তর দেন না তাদেরকে।
আমি কবিতা লিখি
ব্লগ লিখে ভাসিয়ে ফেলি
সকাল-দুপুর-বিকেল-রাতে
যখন যা মনে আসে
ঠিক যেমন,
পেটের বর্জ্য নিক্ষেপের মত
যখন যেমন চাপ দেয়
হয়ত কখনও কষা অনুভুতিতে
একবার হাগি দুইদিনের বিরতিতে
আমি কবিতা লিখি
ব্লগ লিখে ভাসিয়ে ফেলি
সকাল-দুপুর-বিকেল-রাতে
যখন যা মনে আসে
ঠিক যেমন,
পেটে মোচড় দিলে
যখন তখন বাথ্রুমে দৌড়াই
দরজা বন্ধ করার সময় থাকে না
উম্মুক্ত পশ্চাতদেশ কেউ দেখলেই বা কি
মন্তব্য
পুরাই ক্লাসিক হইছে।
চরম।
*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।
বাহ ব্যাপক
======================
শিশু অপরাধ করে না ভুল করে
ভাই
তুই আজ রাতে ভাত খাসনাই
এই টাইপের কবিতার প্রতি ধিক্কার
_________________________
আমি একটা টাকাও কবরে নিবনা
গর্ধব কোথা হইতে হইল উদয়!
সাধে কি বেকা ভাই কবি হয়!!
চুতরায় পাতায় নাকি তার চুলকায় না
ফাল পাড়ে শুধু শুধু মোজেজা বুঝে না
======================
শিশু অপরাধ করে না ভুল করে
এইটাই
***********************************************************************
"এহনবি জিন্দা আছি, মৌতের হোগায় লাথথি দিয়া
মৌত তক সহি সালামত জিন্দা থাকবার চাই"
_____________________
ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।
জ্বালাময়ি কবিতা! প্রতিভা কখনো চাপা থাকে না-------
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
অনেক দিন ধরে আমার 'কবি কুদসকে' অফ রেখেছি। তাকে আবার নিয়ে আসতে হবে দেখছি।
কবি কুদসের কাব্যের নমুনা দেখাইঃ
কালো বলদের কালো লেজের মত আকাশটা ঢেকে গেছে মেঘে-
বৃষ্টির ফোটা পড়ে, ছাগলেরা দৌঁড়ে দৌঁড়ে গৃহে ফিরে যায়;
আমের বাগানে জামের বাগানে দপদপ শব্দ হয়,
কেউ ফিরে না চায়, ঝড় এসে যায়।
গোয়ালে অভিমান করে বসে থাকে গোমাতা-বাছুর
গত কালকের দেখা তাজা ঘাস গুলো
কাদায় মাখামাখি হয়ে গেল বলে,
কালো ষাঁড় শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলে- লাল ‘ডেকি’ তার
হয়তো আজ আসবে না মাঠে।
-----
বয়সটা বেড়ে গেছে! চাঁদকে দেখে নির্জীব পাথরই মনে হয়। ফুলকে দেখে মনে হয় মৃত কাগুজে শরীরে লেখা শেষ কিছু কথা। কারও কোমল হাত, কারও অধর, এগিয়ে এলে মনে হয় কোষ বিভাজনের কথা। অথচ কতবার ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে আমার ধূপ হয়ে জ্বলার গল্প। ...
-----
@শর্মা-ই-আযমঃ
আপনার কবিতা সুখপাঠ্য হৈছে। অবিলম্বে কবি কুদস'কে অন করার আবেন জানাই।
***********************************************************************
"এহনবি জিন্দা আছি, মৌতের হোগায় লাথথি দিয়া
মৌত তক সহি সালামত জিন্দা থাকবার চাই"
আমার কবিতা নয়, বলতে হবে কবি কুদসের।
আপনার ভাল লেগেছে তাই কবি কুদসের কাব্যগ্রন্থ থেকে আরেকখানা নিয়ে আসলাম।
খন্তিনী কালো ছায়া
টমেটো-আকাশে উঠে দিনের বাত্তি,
ঘুম ভেঙ্গে যায় শামুক বিছানায়,
তেলচুরা চোখে নামে চিন্তার ঢহর।
লাউ গাছের ডালে কাউয়া মাসি ডেকে যায়-
ওরে উঠে আয়,
কই যাবি বল।
বাঁশের পাতা তখন মূলার স্বপ্নে বিভোর!
বেগুণের বনে ফাগুন এসেছে সে বহুদিন,
কঁচুপাতা-দুপুর জানে না খবর তার-
বরই-বিকেল শুধু বলেছে তাকে।
সেদিন বাতাসে বিঁধেছিল ঢোড়া-সাপ মায়া-
আর মাছির পাখায় লেখেছিল ঢেঁড়শ-কলমে চিঠি।
-----------------------------
সাহিত্য পাঠ
এসো শিখি
টমেটো-আকাশ - টমেটোর মত আকাশ। কিন্তু দেশী টমেটোর মত টক খাবার জন্য নয়।
শামুক-বিছানা - যে বিছানা ধীরে ধীরে হাঁটে; খুব শক্ত বিছানা অথচ মসৃণ শামুকের পিঠের মত। তবে বিছানা পানি দিয়ে ভিজানো থাকে।
তেলচুরা চোখ - নর্দমা থেকে তেলচুরা ধরে এনে তার দিকে তাকালে যে বড় বড় চোখ দেখা যায়। যে চোখের পলক পড়ে না। 'পড়ে না চোখের পলক' গান গাওয়া যায় না। তেলচুরারা বড় রম্যহীন।
কঁচুপাতা দুপুর - কঁচুপাতার মত দুপুর। কিভাবে কঁচুপাতা দুপুরের মাঝে লীন হলো তা কেউ আবিষ্কার করতে পারেনি। কঁচু পাতায় ফাঁস লাগার পরে মরা কঁচুপাতার মত হলেও হতে পারে।
বরই-বিকেল - অর্ধ পাকা হলদে বরই বা পাকা লাল বরইইয়ের মত। অথবা শুকনো কালো খয়েরি বরইয়ের মত। অথবা সবুজ বরইইয়ের মত বিকেল- শেষ বিকেলে সূর্য যখন সবুজ আলো দিতে থাকে।
ঢোড়া-সাপ মায়া - যে মায়া ছড়-লাত্তি খাবার পরেও ঠিকে থাকে। সব সাপ বিলুপ্ত হলেও ঢোড়া সাপ বিলুপ্ত নয়। অথচ এরাই সবচেয়ে বেশি মরে। কিন্তু এরা বিলুপ্ত হয় না।
ঢেঁড়শ-কলম - ঢেঁড়শের মত কলম, যার গায়ে সূক্ষ্ম-স্থূল কাঁটা কাঁটা থাকে।
-----
বয়সটা বেড়ে গেছে! চাঁদকে দেখে নির্জীব পাথরই মনে হয়। ফুলকে দেখে মনে হয় মৃত কাগুজে শরীরে লেখা শেষ কিছু কথা। কারও কোমল হাত, কারও অধর, এগিয়ে এলে মনে হয় কোষ বিভাজনের কথা। অথচ কতবার ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে আমার ধূপ হয়ে জ্বলার গল্প। ...
-----
হা হা হা হা হা হা
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
কবিতা লেখেন ভাই , আমি কাব্য প্রতিবন্ধী , কিন্তু আপনার বই পইড়া ভালা পাইসি ম্যালা ।
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
" যারা পাকিস্তানের সাথে রিকন্সিলিয়েশন এর ধুয়া তোলে , থুথু ছিটাই সেসব বেজন্মাদের মুখে "
-----আর কবতে পড়ে
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
" যারা পাকিস্তানের সাথে রিকন্সিলিয়েশন এর ধুয়া তোলে , থুথু ছিটাই সেসব বেজন্মাদের মুখে "
----------------------------------------------------------------
ইচ্ছে আছে উড়ব সোজা, কিম্বা বেঁকে ...
কাবিরা আবার মাইন্ড খাইতে পারে। তাদের আবার অনুভুতি খুবই সক্রিয়।
...................................................
**************************************
বরং দ্বিমত হও আস্থা রাখ দ্বিতীয় বিদ্যায়।
বরং বিক্ষত হও প্রশ্নের পাথরে।
আবাল কবিদের মাইণ্ডে ঢুকানোর জন্যই তো
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
উৎসর্গ অংশটুকু পড়ে পুরো আমার সাথে মিল পেলাম । অনেকদিন পর পর ব্লগে আসি । কবিতার নামে এলোমেলো লাইন লিখি । এবং পোস্ট দিয়েই হাওয়া হয়ে যাই,অন্য কোন পোস্টে কমেন্টতো করিইনা ! বেলের কাটা ভাই, আমাকেও উদ্দেশ্য করে বলেছেন কি না জানিনা, তবে কথা সত্য বলেছেন ।
(
(
(
(
( নিজেকে খুব স্বার্থপর স্বার্থপর লাগিতেছে ।
◄ রুমার @ আমার☼ব্লগ ►
রুমার ঐরকম সবাইকেই উদ্দেশ্য করে বলেছি। আঘাত পাইলে সরি আছি
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
মেখরী চোখের মায়ায় উঁনগরম ভালবাসা
লেমটন জ্বলা রাত নিভে গেলে-
চুত্রাছুঁয়া পাখির ডাকে ভেঙে যায় ঘুম,
কাকতাড়ুয়া আইলে দাঁড়িয়ে ডাকে ডাকে- আয় আয়।
আসমানে বাত্তি জ্বলে- সূর্য যার নাম, রোদ উঠে-
খরখরা মাড়ানো পথে উড়ে যায় বগুলার ছায়া,
চিনা-জোঁক মন লকলকি করে হেঁটে যায়-
পুকুরের পানিতে খেলে যায় হাগাডালু, মনটাও
চেয়ে থাকে হাগাডালু চোখে, যেন বরশীতে ঝির গেঁথে
কেউ লুবাইছে জলে।
ছাগলের দল বেঁড়ার ফাঁক দিয়ে ঢুকে খেয়ে যায়
কচি দেশী আলুর পাতা, তেড়ে আসে কালু-
কুত্তা যার নাম, আইল ধরে দৌঁড়ায়- কাকলাশ মনও ছোটে তাদের সাথে, মাঠের মাঝে, যেখানে ল্যাংরা জেগে থাকে কাপড় জড়াবে বলে;
দাড়কিন্দা মনও চায় জড়াতে তার সাথে।
তার সাথে- যার সাথে নেউল-দুপুরে বরই-চুর
বাতাসে খেলে যায় ঢেউ খেলানো পাটগোছা চুল,
তার মেখরী-চোখের মায়ায় সাজ ধরে শেয়ালমুত্রা ফুল, তেল মারা বেতুয়া বাঁশের কঞ্চির মত বুকে জ্বলে উঠে নাগা-মরিচের ঝাল;
বিছার গায়ে গায়ে যেন হেঁটে হেঁটে যায়-
মাইল্লোনাওরা সময়ের পাল।
ফাঁটা বাঁশ কন্ঠের গান ধরে, দূরে সরে সরে যায়
গরু-ভইসের পাল, তবু না থামে গান,
উন্মাদ ষাঁড়ের চোখে লাল-শাড়ী রক্ত-ক্রোধ জাগে,
দৌঁড়ানি খায়, গাড়ুব্যঙের মত লাফিয়ে লাফিয়ে চলে,
মেখরী চোখের মায়ায় ভুলে।
বগুলারা ফিরে আসে বাঁশ ঝাড়ের মাথায়,
চিমনি-কালা লেমটন বাতির রাত নামে,
ঊনগরম পানিতে শরীর ধুয়ে এসে
মনে পড়ে যায় তার চড়াই-ঠ্যাঙ হাতের পরশ,
ল্যাংরা লেগে থাকে কাপড়ের ভাঁজে ভাঁজে।
-কবি কুদ্স
কাব্যগ্রন্থঃ ঊনগরম ভালবাসা
*লেমটন- লন্ঠন। *ছুত্রাছুঁয়া পাখি- এ পাখি আমি জীবনেও দেখিনি, হয়তো ঘুম থেকে উঠে ছুতা গাছের পাশে কোন পাখি দেখেছিলেন কবি কুদ্দুস।
*বগুলা- বক। *ল্যাংরা- প্রেমকাঁটা।*চিনা-জোঁক- এক ধরণের ছোট জোঁক, ঘাসের মধ্যে থাকে, মানুষের গন্ধ পেলেই বেরিয়ে আসে। হাগাডালু- পুকুরের পানি ভেসে থাকে এক প্রজাতির ছোট মাছ, ছোট মাথায় সাদা টিপের মত থাকে যাতে অনেকটা ট্যারা চোখের মানুষের মত দেখায়।*ঝির- ছোট প্রজাতির আর্থ-ওয়ার্ম, কেঁচো মতই তবে বড় নয়, মাছ ধরার জন্য অতি উত্তম টোপ।*দাড়কিন্দা- এক ধরণের ছোট মাছ, আকারে মলা থেকে ছোট।*নেউল- বেজি। *মেখরী- মেয়ে বিড়াল।*শেয়ালমুত্রা- শেয়ালকাঁটা। *মাইল্লোনাওরা- জ্বালাতন করে এমন।*ভইস- মহিষ।*গাড়ুব্যাঙ- পানির বড় ব্যাঙ, পারে বসে প্রজনন কালে ঘ্যাঁতঘুঁত ডাকে রাতে, বর্ষার রাতে এদের শব্দে রাতের মাধকতাই বেড়ে যায়।*বিছা- বৃশ্চিক।
শ্রেণীঃ রসরচনা
-----
বয়সটা বেড়ে গেছে! চাঁদকে দেখে নির্জীব পাথরই মনে হয়। ফুলকে দেখে মনে হয় মৃত কাগুজে শরীরে লেখা শেষ কিছু কথা। কারও কোমল হাত, কারও অধর, এগিয়ে এলে মনে হয় কোষ বিভাজনের কথা। অথচ কতবার ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে আমার ধূপ হয়ে জ্বলার গল্প। ...
-----
কবি কুদ্দুসরে মাঝে মাঝে হাওয়া খাইতে নিয়া আইসেন
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
নিয়ে আসব। বেশ কিছুদিন বিশ্রাম করেছেন তিনি।
-----
বয়সটা বেড়ে গেছে! চাঁদকে দেখে নির্জীব পাথরই মনে হয়। ফুলকে দেখে মনে হয় মৃত কাগুজে শরীরে লেখা শেষ কিছু কথা। কারও কোমল হাত, কারও অধর, এগিয়ে এলে মনে হয় কোষ বিভাজনের কথা। অথচ কতবার ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে আমার ধূপ হয়ে জ্বলার গল্প। ...
-----
কুদসের ছড়া
আবেগের ভরা নদী চলে বেঁকে বেঁকে,
আবেগ না থাকিলে তায় হাঁটু জল থাকে।
পার হয় ভাব-ছাগু, পার হয় গরু,
আজ যদি বান ডাকে কাল হয় মরু।
রাতে উঠে চাঁদ মামা আয় আয় ডাকে
শৃগাল চাচারা সুখে হুক্কা হুয়া হাঁকে।
ভাবের ডিব্বা খুলি জানালার ধারে,
কাতুকুত দেই মন, হাসিতে না পারে।
কাউয়ার স্মৃতি ভাসে বেলের ডালে,
কা কা রবে বিটেছিল সেই কোন কালে।
ফেছকুন্দার ঠুকরগুলো আজও মনে আছে
খরখরার বাড়িগুলো দাগ হয়ে নাচে।
হুজুরের মরিচ পুড়া, হুরইনের বাড়ি,
সরিষার তেল পড়া, উল্টেছিল নাড়ি।
বেলতলে বেলমাথা অমাবস্যা রাতে,
ডাকিনী-সাকিনী মন্ত্র ছিল তার সাথে।
তারপর মাধানি কালে প্রখর রোদে
ছাই মাখা বেল-ছান্দি উঠে কেঁদে কেঁদে।
*ফেছকুন্দা- ফিঙে, মাধানি কাল- দুপুর বেলা, খরখরা- শলার শক্ত সম্মার্জনী, হুরইন- সম্মার্জনী
শ্রেণীঃ রসরচনা
-----
বয়সটা বেড়ে গেছে! চাঁদকে দেখে নির্জীব পাথরই মনে হয়। ফুলকে দেখে মনে হয় মৃত কাগুজে শরীরে লেখা শেষ কিছু কথা। কারও কোমল হাত, কারও অধর, এগিয়ে এলে মনে হয় কোষ বিভাজনের কথা। অথচ কতবার ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে আমার ধূপ হয়ে জ্বলার গল্প। ...
-----
চামে দিয়া শর্মার কাছ থেকে ভাল কিছু জ্ঞানগর্ভ কমেন্ট পাওয়া গেল
___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।
-----
বয়সটা বেড়ে গেছে! চাঁদকে দেখে নির্জীব পাথরই মনে হয়। ফুলকে দেখে মনে হয় মৃত কাগুজে শরীরে লেখা শেষ কিছু কথা। কারও কোমল হাত, কারও অধর, এগিয়ে এলে মনে হয় কোষ বিভাজনের কথা। অথচ কতবার ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে আমার ধূপ হয়ে জ্বলার গল্প। ...
-----
"পেটের বর্জ্য নিক্ষেপের মত"
যা কইলেন... কবিতা লেখার ইচ্ছাটার মৃত্যু ঘটায় দিলেন......
উৎসর্গটা খেয়াল কইরা
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
উৎসর্গ পত্র তো আসেই, আর ব্লগ-এর অনেক কিছুই এখনো বুইঝা সারতে পারি নাই। হাদারাম ভাই-এর মতো কইতে হয় ‘নয়া মুরগা’। তয় শিখা নিমু, আশা করি। আর আমার ১ম পোস্টে আপনি যেই কমেন্ট দিসিলেন, হাই প্রেসারের রোগী হইলে, নিশ্চিত হাসপাতাল যাইতে হইত।
কাব্যগ্রন্থঃ কাকতাড়ুয়া পাখি ডাকে বলদ গাছের ছায়
ঘাসের মাথায় উঠে আকাশের চাঁদ,
বলদ গাছের ঢেউ ভেঙে ভেঙে যায়-
চুত্রা পাতায় বুনা কাকতাড়ুয়া ঘর।
কাকতাড়ুয়া পাখির ঠোঁটে শরবতী বহর।
ঘরের চালে মেঘ জমে সূর্য উঠে,
গাছের গুড়িতে হাসে চাঁদ।
কাতুকুতু গান গায় ঢেঁড়শের আবাদ।
তারপর কদুরঙ বৈকালে পানিকদু মুড়িঘন্টে বসে
কুমড়ো-পাতা শুটকির আসর,
পাটকাঠির বনে ভাদোমাইয়া ভোদড়-
গুণে যায় হুরইনের প্রহর।
ফেছকুন্দা রাতে হাতে পায় কৈ মাছের মোহর।
দম লয় দম লয়, কেটে কেটে যায় হাগাডালু সময়।
________কবি কুদস
কাব্যগ্রন্থঃ কাকতাড়ুয়া পাখি ডাকে বলদ গাছের ছায়
কবিতাটি লেখেছেন কবি কুদ্স।মাঝে মাঝে কবিতা লেখে তিনি আমার কাছে পেশ করেন। তাঁর আল্ট্রাধুনিক কবিতা পাঠ করে আমি কাব্যপ্রতিভায় বিস্মিত হই। আসুন- আপনারাও পাঠ করে, আইস এইজের কবি কবি কুদ্সকে আগামীর কবি রূপে আবির্ভূত করেন।
শ্রেণীঃ রসরচনা
---------------------------------------------
কবি কুদসের কিছু কাব্য দিলাম। পাঠে আশাকরি আনন্দ পাবেন।
-----
বয়সটা বেড়ে গেছে! চাঁদকে দেখে নির্জীব পাথরই মনে হয়। ফুলকে দেখে মনে হয় মৃত কাগুজে শরীরে লেখা শেষ কিছু কথা। কারও কোমল হাত, কারও অধর, এগিয়ে এলে মনে হয় কোষ বিভাজনের কথা। অথচ কতবার ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে আমার ধূপ হয়ে জ্বলার গল্প। ...
-----
কবি কুদুস-কে পসন্দ হইসে ভাই, উনারে উৎসাহ দেন...
কবি কুদসকে সংবাদ পাঠিয়ে দেব। অনুপ্রেরণার অভাবে কবি কুদ্দুস নাম পরিবর্তন করে কবি কুদস হয়েছেন।
তার হ্যাভি প্রেম কাহিনী একখানও আছে। আলো পত্রিকায়ও এসেছিল। দেবদাসের মত। আশাকরি তাকে আবার মঞ্চে নিয়ে আসা যাবে। কবি কুদ্দুস ও কালনাগিনীর প্রেম গল্প পড়েও আশাকরি মজা পাবেন।
-----
বয়সটা বেড়ে গেছে! চাঁদকে দেখে নির্জীব পাথরই মনে হয়। ফুলকে দেখে মনে হয় মৃত কাগুজে শরীরে লেখা শেষ কিছু কথা। কারও কোমল হাত, কারও অধর, এগিয়ে এলে মনে হয় কোষ বিভাজনের কথা। অথচ কতবার ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে আমার ধূপ হয়ে জ্বলার গল্প। ...
-----
তবে আজকে মনটা খারাপ
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........
কিতা হইছে ভাই?
_____________________
ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।
দ্রোহে কবিতার পোষ্ট ড্রাফট করছে
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........
দ্রোহের কবিতা ?
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
না না
সরি
ㄱউদভ্রান্তㄴ ভাই এর কবিতা
বুকের ভেতরে।
যে রাগচটা মানুষটি তার শখের ফুলখেত
পাড়ার ছেলেদের হাতে তছনছ হতে দেখেও
নিয়ম ভেঙ্গে গোপনে, ঠোঁটে ঝুলিয়েছে প্রশ্রয়ের হাসি
আমি তার ক্ষমা করেছি আজন্ম অপরাধ।
কারন, সেটা ছিল বিশে ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত।
যে ভ্রাম্যমান পতিতাটি খেয়ালের বশে
খদ্দেরের মন ভোলানোর নিমিত্তে রাখা একটি গোলাপ
খোঁপা থেকে খুলে ছুঁড়ে দিয়েছে শহীদমিনারে,
আমি তাকে সহোদরা বোন বলে ডেকেছি।
যে নিতান্ত অ-কবিটি হৃদয়ের সবটুকু আবেগকে
ছন্দবদ্ধ করে সাজাতে চেয়েছিল একছত্র শ্রদ্ধাঞ্জলি,
আমি তাকে কবি খেতাব দেবার জন্য সুপারিশ করতে চাই
বাংলা একাডেমী, এবং সমস্ত বাংলাভাষীর কাছে।
যে মামুলি রিকশাওয়ালা কিশোর নিতান্ত বেসুরো গলায়
অথচ অনুভবের সবটুকু একাগ্র করে গভীর বেদনায়
গেয়েছিল প্রভাতফেরীর গান, আমি চাই তার কণ্ঠ
ভেসে উঠুক উচ্চকিত বাতাসের প্রতিটি কম্পনে।
আমি চাই, সেই মুদী দোকানি কথক কবি শামসুদ্দিন
অথবা আলতাফ মাহমুদ, রথীন্দ্রনাথেরা
আবারো জন্ম নিক কোন এক একুশের ভোরে।
আমার সমস্ত অনুভব, চেতন ও অ-চেতন আত্মারা , আমি চাই
ধারন করুক একুশের সবটুকু অহংকার,
বুকের ভেতরে।
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........
কি হয়েছে? খোলে বলেন। দেখবেন মন ভাল হয়ে গেছে।
-----
বয়সটা বেড়ে গেছে! চাঁদকে দেখে নির্জীব পাথরই মনে হয়। ফুলকে দেখে মনে হয় মৃত কাগুজে শরীরে লেখা শেষ কিছু কথা। কারও কোমল হাত, কারও অধর, এগিয়ে এলে মনে হয় কোষ বিভাজনের কথা। অথচ কতবার ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে আমার ধূপ হয়ে জ্বলার গল্প। ...
-----
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমি ঘরে ফিরবো, কিন্তু ফিরতে গিয়ে দেখলাম আমি বাড়ি ফিরেছি। আমার ঘরে ফেরা আর হল না...(সংগৃহীত)
ভালাই খেইল দেখাইলেন।
*********************************
আমি তাদের দলে যারা নিকৃষ্টকে ভালবাসে
নিকৃষ্ট থেকেই উৎকৃষ্টের সৃষ্টি....
তাই চেয়ে থাকে অবিরত অপলক দৃষ্টি......।।
আপনি তো পুরো বিদ্রোহী কবি হইয়া যাইতাছেন
ব্যাকা ভাই ইন ফায়ার!!!
আপাতত কবিতা লেখা বন করলাম!!
-----------------------------------------------------
আমি পথ চেয়ে আছি মুক্তির আশায়...
কবিতা একটা লিখে নিজেই পড়তেছি
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........
হা হা হা! বেপুক হইছে!
--------------------------------------------------------------------------------------------
যেসকল বিএনপি সমর্থক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান, তারা একটু গু খাইয়া আসেন।
খুব জোরে পায়খানা চাপা আর আবাল কবিদের মাথায় কবিতা আসার মধ্যে মিল হলো দুজনেই পোস্ট করার জন্য ব্যাকুল হয়ে যায়।
বেকা ভাইয়ের কবিতায়
-------------------------------------
রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি
বাংলাদেশের নাম
মুক্তি ছাড়া তুচ্ছ মোদের
এই জীবনের দাম।।
দারুন।।।।।। <:-P <:-P <:-P
(
(
কবিদের জন্য
হাহাহা। ব্যাপক হইছে গো।
=============================
যা বিশ্বাস করি, অকপটে বলতে দ্বিধা করি না।
কবিতা একটি মরনব্যধি। এর কোন চিকিৎসা নেই। কাজেই আসুন আমরা কবিদের কবিতা পড়ে পুলকিত হই, কবিদের ধন্য করি..... helping hand to poetery person....
______________________________________
নিজেকে কখনও একা ভাবতে নেই......
হা হা হা
আবালিয় কবিদের হাত থেকে উদ্ধারের চেষ্টার জন্য এই নতুন কবিকে ধন্যবাদ।
______________________________________
'বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই মুজিব'