আমরা ও পারি – ১
লিখেছেন: আশিক
আমরা কথা বলতে ভালবাসি । আর তার চেয়ে বেশী ভালবাসি উপদেশ বিলি বন্টনে । আমরা ভালবাসি নতুন নতুন নীতি আর পদ্ধতি পরিকল্পনা প্রনয়নে কিন্ত বাস্তবায়নে আমরা নই । আমরা পারি সরকারের চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করতে ।কিন্ত নিজে কতটুকু দিচ্ছি দেশকে সেটা না হয় থাকুক উহ্য ।
আমরা ভালবাসি খুঁত ধরতে কিন্ত পারিনা প্রশংসা করতে । আমরা পছন্দ করি প্রতিবেশী দেশের দেশপ্রেমের কথা সগৌরবে বলত।কিন্ত পছন্দ করিনা নিজের দেশপ্রেমকে কাজে প্রমান করতে ।আমাদের ভাল লাগে কারও তোষামদির জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতে । কিন্ত বিরক্ত লাগে জাতীয় পতাকাকে দাঁড়িয়ে সম্মান করতে । আমাদের ভাল লাগে যে কোন কাজের নেতিবাচক দিক নিয়ে আলোচনা করতে ।কিন্ত প্রচন্ড বিরক্তি ধরে কেউ যদি বিষয়টির ইতিবাচক দিক নিয়ে কথা বললে।
বেশ কিছুদিন আগে দেশে ঘটে গেল এক নিরব বিপ্লব । যদিও বিষয়টি আমাদের সবার জানা তবু অনেক ঘটনা, অনেক ত্যাগ ,অনেক কাহিনী রয়ে যাবে অজানা । কারন সেই একই , আমরা আলোচনা করি নেতিবাচকে। তাই অন্যান্য ঘটনার মত এই বিশেষ ঘটনাটির অনেক ইতিবাচক দিক রয়ে যাবে আমাদের কাছে অজানা ।
দেশে এই প্রথমবারের মত সম্পূর্ন ইলেকট্রনিক রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে সারাদেশে ৮ কোটি ৫০ লক্ষ ৮ হাজার ৩ শত ১১ জনের তালিকা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে । যে বিষয়টি ছিল এক অসাধ্য সাধনের মত । কিন্ত বাংলাদেশ আবার প্রমান করল বিশ্ব দরবারে যে এই দেশ চাইলে যে কোন অসাধ্য সাধন করে দেখাতে সক্ষম । যদিও প্রথম দিকে এই কাজটি কোন সংস্হাই সরকারের বেঁধে দেয়া সময়ে করতে প্রস্তত ছিলনা এমনকি বিদেশি সংস্হাও কোনভাবেই এই অল্প সময়ে এই কাজ সমাধা করতে রাজী ছিলনা ।এমনকি এই কাজে তাদের বাজেট ছিলো আকাশচুম্বী । এই সময় অন্যান্য সংস্হার মত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার নিজস্ব পরিকল্পনা এবং সবচেয়ে কম বাজেটের একটি পরিকল্পনা সরকারের কাছে পেশ করে । এ সময় বরাবরের মত সেই জ্ঞানপাপীর দল এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগে । আসলে পরিকল্পনা টি নয় বরং একটি বিশেষ বাহিনীর কাছ থেকে বিষয়টি প্রস্তাব আকারে আসায় ।তারা বরাবরের মত বিরুদ্ধাচারন করা শুরু করে দেয় ।
কিন্ত নানা ঝক্কি ঝামেলা পাড়ি দিয়ে অবশেষে সেনাবাহিনীকেই এই দায়িত্ব অর্পণ করা হয় । এখানে একটি বিষয় উল্লেখ্যযোগ্য যে কাজটি সেনাবাহিনীকে দেয়ার পিছনে সরকারের ভূমিকার চেয়ে সাহায্যকারী সংস্হা বা দেশগুলোর কাছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রহনযোগ্যতা ছিল প্রশ্নাতীত । তাই তারা তাদের সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দেন সেনাবাহিনীর পরিকল্পনা মাফিক এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়নে ।
প্রায় উনত্রিশ মিলিয়ন ডলার অর্থ সাহায্য আসে সরকারের তহবিল হতে এবং বাকী পন্চাশ মিলিয়ন ডলারের অর্থ সাহায্য আসে বিদেশি সাহায্য সংস্হা যেমন ইউ এন ডিপি, যুক্তরাজ্যর ডিএফআইডি , নেদারল্যান্ড, কানাডা, সুইজারল্যান্ড,ডেনমার্ক এবং গনপ্রজাত্ন্ত্রী কোরিয়া এবং নরওয়ে সরকার কাছ থেকে । এই অর্থ সাহায্য যোগানে ইউএনডিপি এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে ।
এই কাজে সেনাবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসে এশিয়া ফাউন্ডেশন । ৩৪টি স্হানীয় এনজিওকে সংঘটিত করে তারা জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহন করে। সারা দেশব্যাপী তারা ছড়িয়ে পড়ে জনগনকে ভোটার তালিকায় নাম লিপিবদ্ধ করতে ।
![]()
![]()
একইসাথে দেশব্যাপী মসজিদের ইমামদের ও অন্যান্য ধর্মাবলাম্বীদের কে তাদের নিজ নিজ ধর্মপালন স্হলে উৎসাহিত করা হয় এই কার্যক্রমে অংশগ্রহনের জন্য ।
![]()
চলবে …..।
পরের পর্বঃ আমরা ও পারি – ২







গুড গুড। পরের পর্বের অপেক্ষায়।
পড়লাম। যেহেতু বিষয়টির অবতারণা করলেন, সেহেতু কিছু প্রশ্ন না করে পারছিনা।
এই সময় অন্যান্য সংস্হার মত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার নিজস্ব পরিকল্পনা এবং সবচেয়ে কম বাজেটের একটি পরিকল্পনা সরকারের কাছে পেশ করে ।
>>>প্রতিযোগিতামূলক বিডিং এবং বাংলাদেশের সিলেকশন পদ্ধতি নিয়ে কিছু ধারণা আছে। একটু বলবেন কি:
–সেনাবাহিনী যে সবচেয়ে কম বাজেটের প্রস্তাব পেশ করেছে - এই তথ্যের সূত্র কি? প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে কাদের প্রস্তাব ছিল বলতে পারেন? ঠিক্ কোন বিচারে তারা প্রতিযোগিতায় হেরেছে?
–সিলেকশন কারা করেছে? কমিটিতে কারা কারা ছিল? তারা সিদ্ধান্তগ্রহণে কতটা স্বাধীন ছিল বলবেন কি তথ্যসহ? কোন আন্তর্জাতিক মানের independent evaluator নিয়োগ করা হয়েছিল কি?
–সিলেকশন এর criteria কি ছিল আমাদের জানাবেন কি?
এ সময় বরাবরের মত সেই জ্ঞানপাপীর দল এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগে । আসলে পরিকল্পনা টি নয় বরং একটি বিশেষ বাহিনীর কাছ থেকে বিষয়টি প্রস্তাব আকারে আসায় ।তারা বরাবরের মত বিরুদ্ধাচারন করা শুরু করে দেয় ।
>>>জ্ঞানপাপীদের আমরা কেউই চাইনা। কিন্তু যেভাবে মিথ্যাচার এবং অনিয়ম চলছে গত দেড় বছর ধরে, ভিত্তিহীন প্রোপাগান্ডাও চাইনা আমরা। সুতরাং, উদাহরণসহ একটু খুলে বলবেন কি কারা আপনার ভাষায় জ্ঞানপাপী? কি তাদের জ্ঞান আর কোথায় তাদের পাপ? আমাদের সবারই জানা দরকার কিনা, তাই জিজ্ঞেস করলাম।
প্রায় উনত্রিশ মিলিয়ন ডলার অর্থ সাহায্য আসে সরকারের তহবিল হতে এবং বাকী পন্চাশ মিলিয়ন ডলারের অর্থ সাহায্য আসে বিদেশি সাহায্য সংস্হা যেমন ইউ এন ডিপি, যুক্তরাজ্যর ডিএফআইডি , নেদারল্যান্ড, কানাডা, সুইজারল্যান্ড,ডেনমার্ক এবং গনপ্রজাত্ন্ত্রী কোরিয়া এবং নরওয়ে সরকার কাছ থেকে।
>>>দারুণ তো! ভোটার আইডি হবে আমাদের আর তা নিয়ে আমাদের চেয়েও বিদেশী সংস্থাদের আগ্রহ বেশী। এতই বেশী যে প্রয়োজনে তারা পকেটের পয়সাও খরচ করতে প্রস্তুত! আপনি তো দেখি উন্নত দুনিয়ার বিশ্বব্যবস্থার উপর আমাদের সবার আস্থা ফিরিয়ে আনবেন ভাই! সত্যি আমাদের বিশ্বাস করতে বলছেন এই সাহায্যের পেছনে তাদের কোন স্বার্থ বা দুরভিসন্ধি নেই? নিজেকে জিজ্ঞেস করেছেন এই প্রশ্ন কখনো আসলে তারা কি চায়?
যে কাজটি সেনাবাহিনীকে দেয়ার পিছনে সরকারের ভূমিকার চেয়ে সাহায্যকারী সংস্হা বা দেশগুলোর কাছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রহনযোগ্যতা ছিল প্রশ্নাতীত ।
>>>এই তথ্যটির কোন সূত্র দিতে পারেন? দেড় বছর বাংলাদেশের মিডিয়া স্বাধীন ছিলনা বলে অনেক কিছুই জানতে পারিনি ভাই। কিন্তু বেশ বুঝতে পারছি আপনার অন্য সোর্সও আছে। দয়া করে যদি সে সব একটু শেয়ার করেন তাহলে সবাই উপকৃত হই।
সবশেষে একটি বিষয়ে না বললেই নয়। পুরো পশ্চিমা বিশ্বেই আইডি কার্ডের এই বিষয়টি এখন একটি নাজুক রাজনৈতিক ইস্যু। আপনিও নিশ্চয়ই জানেন সেকথা। নাজুক, কারণ, আইডি কার্ডের এই পুরো ব্যবস্থার সাথে ব্যক্তিস্বাধীনতা, প্রাইভেসী ইত্যাদি ইস্যুগুলো জড়িত। যে কারণে পশ্চিমের বেশীর ভাগ দেশেই এই প্রজেক্টগুলো এখনো পাইলট স্টেজই পার হতে পারছেনা, সরকার এবং নিরাপত্তাবাহিনীর হাজার হম্বিতম্বীর পরও। বাংলাদেশে পুরো ব্যপারটাই একটু বেশী conveniently easy হয়ে গেলনা? তাও হল এমন এক সময় যখন দেশে কোন রাজনৈতিক সরকার নেই। হলফ করে বলতে পারেন এ তথ্য পশ্চিমের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সাথে শেয়ার করা হবেনা? পশ্চিমে তাও আইনের শাসন এবং গণতন্ত্রের অবস্থা কিছুটা ভালো হওয়াতে তারা এধরণের কার্ডের কথা চিন্তা করতে পারে, অথচ তাতেও সেখানকার জনগণ রাজী না। আর বাংলাদেশের মত দেশ, যেখানে ক্রসফায়ারের নামে ইউনিফর্মধারীদের বিচারহীন খুন খারাবী হল আইন প্রয়োগের নতুন পদ্ধতি (CPC, CrPC, আদালতের আর প্রয়োজন নেই), সেখানে আপনি বিশ্বাস করতে বলেন আইডি কার্ডের এসব তথ্য জনগণের মানবাধিকার/প্রাইভেসী হরণে ব্যবহৃত হবেনা?
ভাই আপনি সত্যিই আশাবাদী মানুষ দেখছি!
বি দ্র: ভাই, একটু খুলে বলুন – আপনি কি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য? যদি হয়ে থাকেন, তাহলে এটা খুবই সম্ভব যে চাকুরীর কারণে আপনার পক্ষে অনেক কিছুই বলা সম্ভব হবেনা এখানে। সেক্ষেত্রে দুইবার খুক খুক করে কাশি দিয়েন ভাই, আমরা বুঝে নেব যা বোঝার।
এই একটা কাজ বোধহয় গনতান্ত্রিক সরকার করতে পারতো না। উপরের কমেন্টে যেগুলো জানতে চাওয়া হয়েছে, তার মোটামুটি উত্তর লেখক প্রথমে ভুমিকাতেই দিয়ে রেখেছেন। আমি বর্তমান সরকারের এই কাজটাকে সাধুবাদ জানাই। বাকোয়াজদের কথায় কান দিলে কোন দিনই এটা করা সম্ভব হতো না। কারন তত্ব-মত্ব করে এরা জীবন কাটিয়ে দেবে, মাগার কাজে কিছু হোক বা না হোক। বাংলাদেশের মতো অনিয়ন্ত্রিত ক্রিমিনাল সমৃদ্ধ দেশে অবশ্যই একটা নাগরিক ডাটাবেজ থাকা উচিত। অনেকে বলবেন সরকার এটাকে খারাপ উদ্দেশে ব্যাবহার করতে পারে। তাদেরকে আমি বলি, সরকারতো চাইলে যে কোন কিছুকেই খারাপ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারে – বন্দুক, লাটি, পুলিশ, টাকা, মিলিটারী, সংসদ, মানুষ, কুকুর, হেন কিছু নাই যা দিয়ে খারাপ করা যায় না। তাই বলে ওগুলো সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকতে হবে?
ইনসিডেন্টাল ব্লগার ৩১/০৮/০৮ ৩:১৯ অপরাহ্ন
নীড় সন্ধানী
উপরের কমেন্টে যেগুলো জানতে চাওয়া হয়েছে, তার মোটামুটি উত্তর লেখক প্রথমে ভুমিকাতেই দিয়ে রেখেছেন।
আমার এতগুলো সুনির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর লেখক কোথায় দিয়ে রেখেছেন তার ভূমিকায়, স্পষ্ট হলোনা। এও স্পষ্ট না আপনিই বা কেন যেখানে কোন উত্তর নেই সেখানে “উত্তর আছে” বলে সবাইকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন লেখকের পক্ষ নিয়ে?
বিষয়টা গণতান্ত্রিক সরকার ডাটাবেজ তৈরী করতে পারতো কি পারতোনা তার না। বিষয় হল এমন একটা মৌলিক এবং রাষ্ট্রীয় নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আদৌ রয়েছে কিনা তার। আর সে সিদ্ধান্ত যখন খুব conveniently সেনাবাহিনী কর্তৃক বাস্তবায়িত হতে দেখি, তখন সন্দেহ দানা বাঁধে বৈকি। সন্দেহ আরো দানা বাঁধে যখন “জাগো বাংলাদেশ”, “এসো বাংলাদেশ গড়ি”র পর এখন আমার ব্লগ পড়তে এসে কোন কোন ব্লগপোস্টেও তেমন প্রোপাগান্ডার গন্ধ পাই তখন। পোস্টটিকে আমার একটা (সেনাবাহিনীর গুণকীর্তণমূলক) প্রোপাগান্ডাধর্মী লেখা মনে হয়েছে।
আপনার যুক্তিটি যদি বুঝে থাকি তাহলে সেটা অনেকটা এরকম। গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে বিচার ব্যবস্থা ideally function করছিল না। সুতরাং, আপনার সমাধান অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য সেনা জেনারেলদের হাই কোর্টের বেঞ্চে বসিয়ে দেয়া উচিত ; কিংবা মেজরদের বসিয়ে দেয়া উচিত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপনার তথাকথিত এফিশিয়েন্সীর নামে। বিচারকার্যের এফিশিয়েন্সীর নামে ‘ক্রসফায়ার’ তো দেখেছিই, এখন না হয় আরো কিছু দেখবো!
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পথ ধরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও যে কর্পোরেট শক্তি (রাজনীতিতে নাক অবশ্য আরো আগেই গলিয়ে রেখেছিল) হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে, সে বিষয়ে তো কিছুই বললেন না দেখি; কেবল কিছু ভাসা ভাসা কথাবার্তা ছাড়া। বলুন, এটা কি কোন পেশাদারী সেনাবাহিনীর নমুনা? দিন তো দেখি এমন আরো কয়েকটা নমুনা উন্নত গণতন্ত্রের দেশগুলো থেকে?
নীড় সন্ধানী ৩১/০৮/০৮ ৩:৫৯ অপরাহ্ন
‘উত্তর’ বলতে বুঝিয়েছি “ভাব উত্তর”। মানে ভাব দেখে বুঝে নিতে হবে। আশিক বলেছে “আমরা ভালবাসি খুঁত ধরতে কিন্ত পারিনা প্রশংসা করতে”
আপনার কমেন্টটা ছিল খুঁত বিষয়ক। আপনার কমেন্ট পড়ে মনে হয়েছে গোটা ব্যাপারটার মধ্যে বিরাট এক ষড়যন্ত্র আছে। পুরো কাজটাই অসাংবিধানিক। কাজে ভুল থাকতেই পারে। হোক পদ্ধতিগত কিংবা সংবিধানগত। সেটার সমালোচনা আমরা করতে পারি। কিন্ত যতটুকু ভালো তাকে ততটুকু ভালো বলতে অসুবিধা কোথায়। আশিক সেটাকেই বোঝাতে চেয়েছেন বলে মনে হয়েছে।
আর সবকিছু সংবিধান সম্মত কিংবা গনতন্ত্র সম্মত করতে গিয়ে আমরা কম খেসারত দেইনি অতীতে। একুশে টিভির মতো যুগান্তকারী প্রতিষ্টানকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছিল এইসব আইন মানতে গিয়ে। ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারীর মতো নির্বাচন করেছিল খালেদা জিয়া ওই সংবিধান রক্ষা করতে গিয়া। আজিজউদ্দিন, ইয়াজউদ্দিন সব এইসব অথর্ব লোকের সৃষ্টি হয়েছিল বালের সংবিধান/গনতন্ত্র রক্ষা করতে গিয়া।
আর্মির লোক মানেই তাদের সবকিছু অসাংবিধানিক, অগনতান্ত্রিক এসব ফালতু বাকোয়াজ। ভালোমন্দ সব ঘরেই আছে। কিন্ত তুলনামুলক ভাবে, অন্যান্য সরকারী প্রতিষ্টানের চেয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখনো অনেক বেশী বিশ্বাসযোগ্য। তাই দরকার হলেই সব সরকার তাদের কাছে ছুটে যায়। বলতে পারেন এসব সেনাবাহিনীর কাজ নয়, তারা থাকবে ব্যারাকে। তাদের কাজ প্রতিরক্ষা,যুদ্ধ। তো দেশে ৭১ এর পর যুদ্ধ বিগ্রহ আর লাগে নাই, তাই তাদেরকে সারাজীবন রিজার্ভ জীবন যাপন করতে হবে? বরং এ কাজটা করে জাতির যে উপকার করেছে, তাদের কাছে কৃতগগতা প্রকাশ করা উচিত সবার। আরেকটা কথা, যারা সেনাবাহিনীতে কাজ করছে তারা তো আপনার আমার ভাই বন্ধু, বিজাতীয় কেউ তো নয়। তাদের সব কাজের ব্যাপারে খামাকা সিনিক হবার কোন দরকার নাই।
যেহেতু লেখাটি শেষ করতে পারিনি তাই একবারে বিষয়টি শেষ করে আমি উত্তরগুলো দেয়ার চেষ্টা করব ।
ইনসিডেন্টাল ব্লগার ৩১/০৮/০৮ ৩:২০ অপরাহ্ন
আপনার পরবর্তী পোস্টগুলোর অপেক্ষায় থাকলাম।
আশিক ৩১/০৮/০৮ ৪:৫৭ অপরাহ্ন
কোন কাজে যখন আত্মবিশ্বাসের অভাব ঘটে তখন আমরা গুনকীর্তন করা শুরু করে দেই সেই আত্মবিশ্বাসের অভাব কাটিয়ে উঠবার জন্য। প্রশংসা এবং গুনকীর্তন এর মাঝে কিন্ত একটা সুক্ষ পার্থক্য আছে ।
দারুণ শুরু হয়েছে ভাই। জলপাই পার্টি তাহলে ভালো কাজও করতে পারে? জেনে খুশী হলাম। ধন্যবাদ।
আশিক ৩১/০৮/০৮ ৪:৫৬ অপরাহ্ন
বোকা মাস্টার এবং ইনসিডেন্টাল ব্লগার এই পোস্ট টি কোন বিশেষ বাহিনীর গুনকীর্তনের জন্য লেখা হয়নি । পোস্টের শেষ পর্যন্ত পড়ে গেলে ধীরে ধীরে বিষয়টি পরিষ্কার হবে ।;-)
এছাড়া জলপাই পার্টি বলে কোন পার্টি কি বাংলাদেশে আছে ?
নীড় সন্ধানী
আপনি কি বলতে চাচ্ছেন তাও বুঝি। জাতিগতভাবে আমাদের সেলিব্রেট করার মত ঘটনা প্রতিদিন ঘটেনা, নিজেদের দেশের কোন achievement নিয়ে গর্বিত হবার মত ঘটনা প্রতিদিন ঘটেনা। সুতরাং, আপনার কি মনে হয়, আপনার ভাষায় যেটা এমন “পজিটিভ” জিনিস, তা নিয়ে কেন শুধু শুধু critical প্রশ্ন করি? কেন শুধু শুধু কঠিন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চাই? প্রশ্ন করি কারণ, আজ আমরা সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পাই। স্পষ্টতই, আপনি সেটা পাননা!
আপনার আর আমার মধ্যে অবস্থানের দু’টো মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। আপনি আইডি কার্ডের পুরো বিষয়টাকে একটা পজিটিভ ব্যপার মনে করেন বাংলাদেশের জন্য; আমি করিনা। আমি একে বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদী বিগ ব্রাদার রাষ্ট্রে পরিণত করার পথে প্রথম ধাপ বলে মনে করি। এখন সেটা সেনাবাহিনীর হাত দিয়েই হল, না অন্য কারো হাত দিয়ে হল, তা গৌণ! দ্বিতীয়ত, সংবিধানের মত একটা পবিত্র বিষয়ের ব্যপারে আপনার যেমন ড্যামকেয়ার আচরণ (আর সবকিছু সংবিধান সম্মত কিংবা গনতন্ত্র সম্মত করতে গিয়ে আমরা কম খেসারত দেইনি অতীতে) দেখলাম, তারপর তো কিছু লেখারই আর প্রয়োজন বোধ করছিনা। ভাই, আমার কাছে সংবিধান যে কোন বিধানের চেয়ে বেশী গুরুত্বের এবং জীবন দিয়ে হলেও তাকে রক্ষা করা প্রয়োজন মনে করি।
আপনি বলেছেন: “আর্মির লোক মানেই তাদের সবকিছু অসাংবিধানিক, অগনতান্ত্রিক এসব ফালতু বাকোয়াজ। ভালোমন্দ সব ঘরেই আছে”।
ঐ যে সিঁদুরে মেঘের কথাই বলতে হচ্ছে আবার। ইতিহাসটা যদি কিছুক্ষণের জন্য ভুলে থাকা যেত, তাহলে মন্দ হোতোনা। অনেকের এই দুর্লভ গুন আছে ভুলে থাকার, আমাদের কারো কারো নেই। ১৯৭১ থেকে ২০০৮ সর্বমোট ৩৭ বছর। তার মধ্যে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত ১৬ বছর দেশ চালিয়েছে সামরিক সরকার (এমনকি মুখোশ পরে হলেও)। তারপর ১৯৯১ থেকে ২০০৬ এই ১৭ বছরের মধ্যে বিএনপি (যে দলের আঁতুড়ঘর হল সেনানিবাস) ক্ষমতায় ছিল সর্বমোট ৯ বছর (দুই দফায় মিলে)। ১/১১ এর পর থেকে দেশ আবার সামরিক সরকারের কবলে রয়েছে ২ বছর ধরে। সুতরাং ৩৭ বছরের স্বাধীন বাংলার ইতিহাসে দেশ সমরজান্তার কবলে ছিল ২৭ বছর (১৬+৯+২; বিএনপির শাসনামল ধরলে) অথবা ১৮ বছর (১৬+২; বিএনপিকে না ধরলে)। সে অর্থে প্রকৃত রাজনৈতিক সরকারের হাতে বাংলাদেশ ছিল মাত্র ১০ (৩৭-২৭=১০) অথবা ১৯ বছর (৩৭-১৮=১৯)। অর্থাৎ, বেশীর ভাগ সময়েই দেশটা আসলে সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রনেই ছিল। এখানে একটা বিষয় উল্লেখযোগ্য; ‘৭৫-’৯১ এই ১৬ বছর ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ছিল হতভাগা এদেশটির formative years। সুতরাং, আজ আমরা দেশের যে অবস্থা দেখছি, তার প্রধান দায় সাধারণ অংকের হিসেবে সেনাবাহিনী আর সামরিক জান্তাদের নিতে হবে বৈকি! তাদের ব্যপারে আপনার এই uncritical positiveness কোথা থেকে আসে বুঝলাম না। দায় কিছুটা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দেরও নিতে হবে; তবে তাদের দায় secondary, অংকের সাধারণ হিসেব অনুযায়ীই।
আশিক
এই পোস্ট টি কোন বিশেষ বাহিনীর গুনকীর্তনের জন্য লেখা হয়নি ।
>>>যদি বিশেষ বাহিনীর গুনকীর্তণের জন্যও লিখে থাকেন, তাতে দোষের কি আছে? আপনি আপনার অবস্থান থেকে লিখেছেন। আপনার অন্য অনেক লেখার (যেমন আফ্রিকা নিয়ে) আমিও একজন ভক্ত। তবে এখানে আমাদের অবস্থান এবং দৃষ্টিভঙ্গী সম্ভবত আলাদা। মানতে না পারি সেটা ভিন্ন কথা, তবে আপনার অবস্থান এবং দৃষ্টিভঙ্গী প্রচারের অধিকারকে মন থেকে শ্রদ্ধা করি। আলোচনা এবং বিতর্কের সুযোগ তো সবসময়ই থাকা উচিত।
ইনসিডেন্টাল ব্লগার ৩১/০৮/০৮ ৬:৫০ অপরাহ্ন
তারপর ১৯৯১ থেকে ২০০৬ এই ১৭ বছরের মধ্যে . . .
>>ভুল হয়েছে; এটা পড়তে হবে “১৯৯১ থেকে ২০০৮ এই ১৭ বছরের মধ্যে”।
মলিকিউল ৩১/০৮/০৮ ৭:০০ অপরাহ্ন
বিএনপরি ২য় ও ৩য় শাসনামল কি সামরিক শাসনের মধ্যে পড়ে? বিশ্লেষনটা একপেশে হয়ে গেলো না?
জনগনের ভোটেই তো তারা নির্বাচিত হয়েছিলো বলে জানি, সো সংগামতে ঐ দুই আমল গনতান্ত্রিক সরকারের শাসনামল।
নাকি মত না মিললে জনগনের ভোটাধিকার আর মতামত অস্বীকার করতে হবে?
ইনসিডেন্টাল ব্লগার ৩১/০৮/০৮ ৭:৩৫ অপরাহ্ন
মলিকিউল ভাই, কিছুটা একপেশে হয়তো হয়েছে। সেজন্যই বিএনপিকে ধরে এবং না ধরে দু’ধরণের হিসেবই দিতে চেয়েছিলাম আর কি। আবার এটাও তো ঠিক, সামরিক উচ্চাভিলাষী একজন অফিসারের (জেনারেল জিয়া) গড়া রাজনৈতিক দলকে আপনি কোন্ কাতারে ফেলবেন? থিওরেটিকেলি নির্বাচনকে জনগণের রায়ের মাপকাঠি হিসেবে মানতে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু নির্বাচন তো এরশাদের আমলেও হয়েছে, জেনারেল জিয়ার আমলেও হয়েছে, জেনারেল মোশাররফ এর আমলেও হয়েছে। সুতরাং নির্বাচনের রায়ই কি সামরিক লেবাস ধুয়ে ফেলার জন্য যথেষ্ট। আমার কিন্তু মনে হয়না নির্বাচনের সেই ডিটারজেন্ট ক্ষমতা রয়েছে!
মলিকিউল ৩১/০৮/০৮ ৭:৫১ অপরাহ্ন
৯১, ৯৬(সবার অংশগ্রহনে) আর ২০০১ এর নির্বাচনগিলো তো একই মনে হয়। নিরপেখ্খ অথরিটির আওতায়। আপনি কিন্তু ৯৬ এ্যাভয়েড করে গেছেন। একপেশের প্রশ্নটা তাই আবার ঝুলছে। জিয়ার হ্যা/না আর এরশাদের নির্বাচন এক। কিন্ত জন্মস্থানই কি বিএনপির আজীবন কলংক হয়ে রইবে? পরবর্তিতে দু’বার জনগনের সমর্থন পাওয়াটাও সেই কলংককে ধুয়ে ফেলতে পারে না!! ছোটবেলায় শিখেছিলাম “জন্ম হোক যথা তথা, কর্ম হোক ভালো”।
শাসনামলের কোয়ালিটির কথা বল্লেও আমি বিএনপি-আওয়ামী লীগের পার্থক্য দেখি না।
নাসরিন সুলতানা ৩১/০৮/০৮ ৮:০০ অপরাহ্ন
ইনসিডেন্তাল ব্লগার, ভাই আমি রজনিতী ভাল বুঝি না। তবে আপনার হিসেবটা বুঝলাম। আপনি কি ১৯৯১ এর বি এন পি সরকাকের সাথে ১৯৯৬ এর আওয়ামীলিগ সরকারের তুলনা করবেন? আবার ৯৬ এর আওয়ামীলিগের সাথে ২০০১ এর বি এন পির এর? আসোলে আমি সাদা চোখে দেখি ক্রমাবনতি। এর জন্য দায়ী আমাদের নৈতিক চরিত্র। ধন্যবাদ।
ইনসিডেন্টাল ব্লগার ৩১/০৮/০৮ ৯:২২ অপরাহ্ন
মলিকিউল / নাসরিন সুলতানা
আপনাদের মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। খুব যে দ্বিমত পোষণ করি আপনাদের সাথে, তা কিন্তু নয়। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির শাসনামলের মধ্যে কতটা মিল আর কতটা অমিল ছিল, তা নিয়ে অত্যন্ত প্রাঞ্জল আলোচনা হতে পারে। তবে, এখানকার আলোচনার মধ্যে মনে হয় সে সব টেনে না আনাটাই ভালো। কারণ, তাতে এই আলোচনাটা বিপথগামী হতে পারে। আশা করি, আপনারাও নিশ্চয়ই একমত হবেন তাতে।
গুণগত এবং চরিত্রগতভাবে এই দু’টি প্রধান দলের মধ্যে অমিলের চেয়ে মাঝে মাঝে মিলই মনে হয় বেশী দেখতে পাই। আবার দু’র্নীতিতে অংশগ্রহণ কিংবা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করার ব্যপারে দল দু’টির মধ্যে যে পার্থক্য, তা-ও হয়তো নিতান্তই পরিমাণগত। আর সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী শক্তির সাথে ঘসটাঘসটির ইতিহাস দু’টি দলেরই রয়েছে, তফাৎ শুধু পরিমাণের আর ঘনিষ্টতার। কিন্তু একথা তো সত্যি যে – দল দু’টির নেতা কর্মীদের এদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বিরাট অবদান রয়েছে; রয়েছে আন্দোলন, সংগ্রাম ও ত্যাগের ইতিহাস। আর তার সবটাই ছিল সবসময় সামরিক জান্তার বিপরীতে, নীপিড়ন অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে। সুতরাং, কিছু ক্রেডিট কি তাদের প্রাপ্য নয়?
আর এ আলোচনাটিকেও যদি এখন আমরা “আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি” আলোচনায় পরিণত করি, তাতে সামরিক জান্তাই কি লাভবান হয়না? গৃহবিবাদ ভুলে আসুন না একটু অন্য ধরণের বিতর্কে অংশ নিই আজ?
মলিকিউল ৩১/০৮/০৮ ৭:১৯ পুর্বাহ্ন
@ইনসিডেন্টাল ব্লগার
আপনার এই বক্তব্যের সাথে আমি একমত। দেশের গনতন্ত্রায়নের সংগ্রামে এই দুই দল গুলোর অবদানকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। তবুও যে সুযোগ তারা পেয়েছিলো, তার অপব্যবহার করেই তারা জলপইদের আসার সুযোগ করে দেয়। জলপইদের আগমনী মটো একটাই “দুর্নীতির বিরুদ্ধ জেহাদ”। এর মানে নিজেরা এবার কিছু খাই। রাজনঐতিক দলগুলো আর জলপইদের মধ্যে হালুয়া-রুটি ভাগাভাগির এই ধারাবাহিকতার ইতিহাস এদের মধ্যে একটা অদৃশ্য বোঝাপড়ার কথাই ইংগিত করে। আসলে কি তাই? আমরা আমজনতা ব্যাডমিন্টনের ফেদারের মতো। একবার এদিকে, একবার ওদিকে।
ইফ্তেখার মোহাম্মদ ৩১/০৮/০৮ ৭:০৬ অপরাহ্ন
ইনসিডেন্টাল ব্লগাকে ধন্যবাদ
। জলপই নিপাত যাক, গনতন্ত্র মুক্তি পাক।
ইনসিডেন্টাল ব্লগার ৩১/০৮/০৮ ৭:৪৮ অপরাহ্ন
‘জলপাই’ বা সামরিক বাহিনীর বিরোধীতা তো আমরা কেউই করিনা। আধুনিক রাষ্ট্রের এ এক অপরিহার্য অঙ্গ; কারো কারো মতে সার্বভৌমত্বের প্রতীক। সমস্যা হল জলপাইয়ের “শাসন” এবং “আধিপত্য” নিয়ে। তাদের থাকা উচিত ক্যান্টনমেন্টে। জেনারেল মঈনদের আমরা দেখতে চাইনা বাকী দেশকে ‘গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র পরিচালনা বিষয়ে’ সবক দিতে বা নাক গলাতে। ‘লাইনচ্যুত ট্রেনটির’ কি হবে তা ভাবা জেনারেল মঈনের কাজ নয়। সরকারী চাকুরীর বিধি অনুযায়ী তিনি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন এসব নিয়ে কথা বলে এবং উপদেশ বিলি করে। দেশে আইনের শাসন যদি সত্যিই থাকতো তাহলে আজ তাঁর বিচার হোতো, কোর্ট মার্শাল হোতো; নিজেকে দেয়া তার ‘জেনারেল’ Rank ফিরিয়ে নেয়া হোতো।
বোধ করি, ছেলেবেলায় শেখা সেই প্রবাদবাক্যের মর্মকথাটি অনুধাবনের সময় এসেছে আজ: “বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে”।
বোকামাষ্টার ৩১/০৮/০৮ ৮:৪৬ অপরাহ্ন
“বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে”। -একমত । আর জলপাইরা ক্যান্টনমেন্টে।
আশিক আপনার এই লেখা থেকে ভোটার আইডি তৈরীর না জানা ঘটনাগুলো জানছি। ভাল লাগলো। ধন্যবাদ।
ইনসিডেন্টাল ব্লগারের মন্তব্যগুলোর জন্য দাঁড়িয়ে স্যালুট।
আমি অবশ্য একটা জিনিস বুঝি না, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাজ আসলে কি? তারা যদি পাবলিক সেক্টরের টেন্ডার নিয়ে দৌঁড়ঝাঁপ করে, তাইলে তাদেরকে বেতন দিয়ে ক্যান্টনমেন্টে পোষার দরকার কি?
ইনসিডেন্টাল ব্লগার ৩১/০৮/০৮ ১০:২২ অপরাহ্ন
@চোর ভাই
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আসলেই, আইডি কার্ডের দেশের ভিতরে ও বাইরে কি কি ব্যবহার সেটি একটি জরুরী প্রশ্ন।
@আশিক
আপনার সুনির্দিষ্ট উত্তরগুলোকে কাট-পেস্ট করে (যদি সে সব আপনার পরবর্তী পোস্টে থেকে থাকে) এখানে এনে দিলে মনে হয় ভালো হয়। আলোচনাটা যেহেতু এখানেই চলছে, প্রশ্নগুলোর নিচে নিচে উত্তরগুলো থাকলে মনে হয় বুঝতে সুবিধা হবে সবার।
আশিক ৩১/০৮/০৮ ১২:৫৭ অপরাহ্ন
“আমি অবশ্য একটা জিনিস বুঝি না, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাজ আসলে কি? তারা যদি পাবলিক সেক্টরের টেন্ডার নিয়ে দৌঁড়ঝাঁপ করে, তাইলে তাদেরকে বেতন দিয়ে ক্যান্টনমেন্টে পোষার দরকার কি?”
যখন গনতান্ত্রিক সরকার তার পাবলিক সেক্টরের মাথাভারী সরকারী কর্মকর্তাদের বসিয়ে রেখে বেতন দেয় এবং সেই ব্যর্থতার দায়ভার পুষিয়ে নেয়ার জন্য ইন এইড অব সিভিল পাওয়ার এ্যাক্ট এর দোহাই দিয়ে বারবার পানি বিতরন , বিদুৎ বিতরন নিশ্চয়তা এবং কোন কোন সরকারের আমলে ট্রাফিক পুলিশিং এর কাজে মিলিটারী পুলিশ নামায় তখন জনগনের বিবেক কেন নিশ্চুপ থাকে ।
বোকা মাস্টার বলেছেন
“বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে”। -একমত । আর জলপাইরা ক্যান্টনমেন্টে।
মানলাম তাহলে এর ব্যতিক্রম কারা করছে বারবার ।
লাল চশমা ছেড়ে সাদা চোখে দেখুন সব কিছু পরিষ্কার দেখা যাবে ।
ছোট্ট একটা উদাহারন দেই
আপনার অফিসে যদি আপনাকে বস বলেন আপনার কলিগের কাজ করতে , সেক্ষেত্রে দোষের কিছু নেই কারন কাজটি সঠিকভাবে করার মাঝে অফিসের স্বার্থ নিহিত আছে । কিন্ত বিষয়টি যদি ধারাবাহিক ভাবে চলতে থাকে এবং আপনার কলিগ ব্যর্থতার দায়ভার নিয়ে হাসিমুখে অফিসে আসবে যাবে আর বেতন নিবে আর আপনি নিজের কাজতো আছে সেই সাথে কলিগের কাজ করে যাবেন ।তাহলে অনেকগুলো ঘটনা ঘটার সম্ভবনা আছে এখানে।
১। আপনার কলিগ আরো আরাম করে ঘুম দিবে । ব্যর্থতার সংখ্যা আরো বাড়বে।
২। আপনার নিজের কাজের সফলতা কমতে থাকবে । বসের প্রতি হতাশা বাড়বে এবং কলিগের প্রতি ক্ষোভ ।
৩। একসময় আপনার মধ্যে দেখা দিতে পারে অন্যর কাজে বিশেষ করে কলিগের উপর খবরদারি করা ।
বিষয়টি এবার আরো বড় পরিসরে দেখুন অনেককিছু পরিষ্কার হবে ।
তাই আংগুল অন্যর দিকে ইশারা করার আগে আমাদের প্রত্যকের উচিত নিজের দিকে ফিরিয়ে প্রশ্ন করা আমি কি করছি ।
ধন্যবাদ।
১।
বাউল ৩১/০৮/০৮ ১:১০ অপরাহ্ন
কলিগের উপর খবরদারী করা এবং বসকে সরিয়ে দিয়ে নিজেই বসের সীটে বসা! আশিক ভাই, পানি বিতরন, বিদ্যুৎ বিতরন, ট্রাফিক পুলিশিং এর কথা কইলেন, প্রাকৃ্তিক দুর্যোগের কথা কইলেন না? আর এইগুলা দেইখ্যা জনগনের বিবেক নিশ্চুপ থাকে,কারন এইগুলা দেইখ্যা তারা ভাবে, যাউক আর্মী তাইলে কিছু করতাছে।
চোর ৩১/০৮/০৮ ১:৩৪ অপরাহ্ন
আশিক ভাই,
আমাদের একটা টেন্ডেন্সি আছে, অমুক এই অবৈধ কাজটা করেছে, সুতরাং তমুক এই অবৈধ কাজটা করতে পারে। কিন্তু সত্য হলো, দুইজনের কাজই খারাপ। পাবলিক সেক্টরে সেনা নামানোর কাজটা সরকার করলে, সেটা সরকারের দোষ। পুলিশের কাজ যাতে পুলিশ করতে পারে, সেজন্য সেনাবাহিনী নয়; বরং পুলিশ বাহিনীকেই সরকারের উচিত উন্নত করা। কিন্তু সরকার সেটা না করার সেই অজুহাত ধরে সেনাবাহিনীর খবরদারীকে হালাল ভাবার কোনো কারণ নেই।
বাকিটা বাউল বলেছেন। বাংলাদেশ আর্মির যে কাজ, তাতে আর্মির পিছনে টাকা ঢালা একটা বিরাট অপচয়। পুলিশ ডিপার্টমেন্ট উন্নত হোক, দুর্যোগ মোকাবেলা উন্নত হোক, আর্মি থাকুক ক্যান্টনমেন্ট। বাইরের শত্রু আক্রমণ করলেই তারা সক্রিয় হোক।
আশিক ৩১/০৮/০৮ ১২:৫৫ পুর্বাহ্ন
বাউল ভাই
আপনি আমার কথাটার মানে বুঝতে পারেন নি অথবা আমি বুঝাতে পারিনি । দেশের কাজ করাতে কোন ক্ষতি নেই এবং সেটা সেনাবাহিনী সবসময় করে এসেছে । তবে ক্ষতির কারন তখন দাড়াঁয় যখন মাথাভারী প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিজ কাজে ফাঁকি দেয় জনগনের দূর্ভোগ বাড়ায় । আর সেই ক্ষতি পোষানোর জন্য সরকার অবশেষে সেনাবাহিনী নামায় । কিন্ত সেই বেসামরিক প্রসাশন এর মাথাভারী কর্মকর্তারা দিব্যি বসে বসে বেতন খায় । সেনাবাহিনী কে দিয়ে যদি বেসামরিক প্রসাশান চালাতে হয় সরকারকে অহরহ তাহলে দেশের ভার চালানোর ব্যর্থতা মাথায় নিয়ে সে সরকারের ক্ষমতা থেকে সড়ে দাড়ানো দরকার নয় কি ।
আর প্রাকৃতিক দূর্যোগের কথাটা ইচ্ছে করে এড়িয়ে গেছি এই জন্যে যে সেটা দেশে বারেবার আসেনা আর যখন সেটা আসে সেই দূর্যোগে সেনাবাহিনীর অংশগ্রহন প্রায় ফরযের পর্যায়ে পড়ে , সেটা আলাদাভাবে হাইলাইটের দরকার আছে বলে আমি মনে করিনা । আপনাকে ধন্যবাদ ।
চোর
আপনি যা বলেছেন সেটাতে আমি একটু দ্বিমত পোষন করছি , প্রথমত আমি এটা বলিনি যে একজন অবৈধ কাজ করলে আরেকজনের সেটা করা হালাল হয়ে যায় । বরং আমার বলার উদ্দেশ্য ছিলো একজন অবৈধ কাজ করলে সেটা আরেকজনের পক্ষে করার সুযোগ এনে দেয় ।
আর সেনাবাহিনী পেছনে কতটুকু টাকা ঢালা উচিত সেটা নির্ভর করে অনেকগুলো ফ্যাক্টরের উপর । তবে এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র মতবিরোধ আমার নেই যে বাংলাদেশের মত দেশে সেনাবাহিনীর তুলনায় অনেক বেশী অর্থ ঢালা উচিত আমাদের কৃষি এবং শিক্ষাখাতে ।
এবং সেনাবাহিনীকে অবশ্যই রাখা উছিত ক্যান্টনমেন্টে এটা যেমন দেশের জন্য ভাল তেমনি সেনাবাহিনীর জন্য ভাল।আর এই সত্য সবচেয়ে বেশী উপলদ্ধি করা উচিত আমাদের রাজনইতিক দলগুলোর । ভারতের কাছ থেকে এ বিষয়ে শিক্ষা নেয়া উচিত সেনাবাহিনী এবং রাজনইতিক দল উভয়ের । তারা সেনাবাহিনীকে যেমন রেখেছে রাজনীতি থেকে দুরে একইভাবে সেনাবাহিনী সুযোগ পেয়েছে নিজেদের কে আরো পেশাদারিত্বে উন্নত করতে । এই বিষয়টি যত দ্রুত আমরা আত্মস্থ করতে পারবো ততই আমাদের জন্য সেটা মংগল বয়ে আনবে ।
আপনাদের ধন্যবাদ ।
ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে আমার নিজস্ব মতামত বলি:
আমাদের স্কুলের হেডস্যার একটা ডায়লগ প্রায়ই দিতেন, “খাইতে পায় না, পান পান করে।” অর্থাৎ নর্মাল রুটিরুজির বন্দোবস্ত নেই, তারমধ্যে বিলাসিতা। ভোটার আইডি কার্ডটা আমার কাছে এরকম একটা বিলাসিতা মনে হয়। এর চেয়ে হাজার গুণে বেশি প্রায়োরিটি সম্পন্ন খাতে পর্যাপ্ত বাজেট নেই, অর্থ বিনিয়োগ নেই, অথচ এরকম একটা অলাভজনক খাতকে মাথায় তুলে প্রচারণা চালানো হয়েছে।
আমাদের কোন কোন কাজে ভোটার আইডি কার্ড লাগে?
১। জালভোট রোধে: জালভোট কে দেয় এটা যে কোনো নির্বাচনী কেন্দ্রের লোকজনই জানে। প্রায় প্রত্যেকটা এলাকায়ই হু ইজ হু এটা পোলিং এজেন্টরা জানে। জালভোট হয় নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা লোকজনের মাধ্যমে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে। ভোটার আইডি কার্ড থাকা সলিমুদ্দিনের ভোট যে সে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগেই কাউন্ট হয়ে যাবে না, তার নিশ্চয়তা কি ভোটার আইডি কার্ড দেয়?
২। ইউরোপের মধ্য পারসোনাল আইডি কার্ড ব্যবহার করে একদেশ থেকে অন্যদেশে ট্রাভেল করা যায়, পাসপোর্ট লাগে না। বাংলাদেশের ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে কি এরকম কিছু করা সম্ভব? না।
৩। দেশের মধ্যে ঠিক কোন কোন কাজে এটা ব্যবহৃত হবে? এ সম্পর্কে আমার তেমন ধারণা নেই। কেউ ধারণা দিলে কৃতার্থ হতাম।
এক একটা নির্বাচন অনুষ্ঠান বাংলাদেশের জন্য যথেষ্ট ব্যয়বহুল কাজ। ভোটার আইডি কার্ড তৈরিও একটি ব্যয়বহুল খাত। দেশের প্রয়োজনে এর প্রায়োরিটি বিবেচনা করা দরকার সবার প্রথমে। যেখানে দ্রব্যমূল্য বাড়ছে হু হু করে, বিকল্প কর্মসংস্থান না করেই কর্মহীন করা হচ্ছে স্বল্প আয়ের মানুষকে, দেশে মানসম্মত শিক্ষার উপকরণ একেবারেই অপ্রতুল, বিশেষ করে গ্রামের স্কুলগুলোতে শিক্ষক, শিক্ষার পরিবেশ এবং শিক্ষার উপকরণের অবস্থা যেরকম বেড়াছেড়া, তাতে সেসব দিকে আগে নজর দেয়া দরকার।
একটু ভিন্ন আঙ্গিকের একটা প্রশ্ন তুলে ধরি, সেনাবাহিনী ভোটার আইডি তৈরির কাজটা করতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের অন্য কোনো সংস্থা বা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কাজটা করতে পারে না – এ থেকে কি বুঝা যায়? সেনাবাহিনীর উন্নতিই দেশের উন্নতি – এটা যদি কোনো দেশের মূলমন্ত্র হয়ে যায়, তাহলে ব্যাপারটা ভয়ের।
নাসরিন সুলতানা ৩১/০৮/০৮ ১১:৪১ অপরাহ্ন
দেশে তাহলে ১/১১ এর মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হল কেন? এর জন্যও কি সেনাবাহিনীকেই আপনারা দায়ী করবেন? আমাদের রাজনৈতিক বিদদের দুরদর্শিতা বা প্রজ্ঞার অভাব কি ছিল না? এখান থেকে মনে করার কোন কারণ নেই আমি দেশে সেনা শাসনের পক্ষে। তবে কারো অবদানকেই বোধ হয় ছোট করে দেখা উচিৎ নয়।
ইনসিডেন্টাল ব্লগার ৩১/০৮/০৮ ১২:০৯ পুর্বাহ্ন
রাজনীতিবিদদের প্রজ্ঞার অভাব ছিল, আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। কিন্তু দেশজুড়ে যখন এক বিরাজনীতিকরণের ষড়যন্ত্র চলছে, রাজনীতির বংশ নির্মূল করার পাঁয়তারা চলছে, তখন আপনার এ মন্তব্য পড়ে সত্যিই হতাশ হতে হল। এখানে কিছু প্রশ্ন উঠেছিল সেনাবাহিনীর ভূমিকা ইত্যাদি নিয়ে, আর সে আলোচনায় আপনি লেগে গেলেন অপ্রাসঙ্গিকভাবে রাজনীতিবিদদের crucify করতে। কেন বলুন তো? রাজনীতিবিদদের দোষ বের করতে পারলে সেনাবাহিনীর অবস্থানকে ডিফেন্ড করা যায় এ ধারণা আপনাকে কে দিল? এ ধরণের সন্দেহ সংশয়মূলক প্রোপাগান্ডা তো ডিজিএফআই এর লোকজন ছড়াতো বলে জানতাম এতদিন!
ঠিক হোক বেঠিক হোক, বিচক্ষণ হোক, অর্বাচীন হোক – রাজনীতি ও দেশ পরিচালনার কাজ রাজনীতিবিদদের। যদি তারা ভুল করে দেশ পরিচালনায়, সে আমাদের ভুল লোককে নির্বাচনের মাশুল বলে জানবেন। we deserve the leaders we get ! কিন্তু কোনো অবস্থাতেই কি তা কোন জেনারেল, মেজর বা ব্যাংকারকে রাজনৈতিক বিষয়ে হস্তক্ষেপের এখতিয়ার দেয়? আমার তো মনে হয়না।
আর “আপনারা” (এর জন্যও কি সেনাবাহিনীকেই আপনারা দায়ী করবেন) বলতে কি বুঝিয়েছেন আপনি? আপনিও কি আমাদের, মানে জনগণের অংশ নন? আমাদের যে সব গণতান্ত্রিক চেতনা, তা কি আপনিও অন্তরে ধারণ করেন না? “আমরা” আর “আপনি” কবে থেকে এতো আলাদা হয়ে গেলাম বলতে পারেন?
চোর ৩১/০৮/০৮ ১:১৩ পুর্বাহ্ন
নাসরিন আপু,
দেশ শাসনের জন্য আমরা যেহেতু সামরিক বাহিনী পুষি না, সেহেতু রাজনীতিবিদরা ভালো না মন্দ – সে বিষয়ে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের অধিকার আমরা দেই না।
রাজনীতিবিদরা শয়তানের খালাতো ভাই হইলে তাই। কিন্তু এতে সেনাবাহিনীর ক্ষমতাদখল, রাষ্ট্রশাসনে আসা কোনোভাবেই হালাল হয় না।
আমাদের পলিটিশিয়ানরা পুরোপুরি গর্দভ। তাদের বোকামির জন্য পাবলিক মহাবিরক্ত। এজন্য আমরা তাদের খপ্পর থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য খড়কুটোকেও আঁকড়ে ধরতে চাই। সেনাবাহিনীও এরকম একটা খড়কুটো। ভাবি, সেনাশাসন হলেই দেশ সুশৃঙ্খল হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। কোনো সভ্য দেশের জন্যই সেনাশাসন কখনো জনমানুষের জন্য কাজ করে না। আমাদের মাথা ঠান্ডা রেখে ঝাঁপ দেয়ার আগে চিন্তা করতে হবে কুকুরের খপ্পর থেকে বাঁচার জন্য বাঘের খাঁচায় ঢুকবো, নাকি পিটায়া কুকুরটাকে সিধা করবো।
নাসরিন সুলতানা ৩১/০৮/০৮ ৩:১৪ পুর্বাহ্ন
হ্যা আমিও আপনাদের মতই। তবে আমার জানার বিষয় ছিল সেনা বাহিনীকে আসার পথটা আমরা কেন করে দিলাম?১/১১ তে সেনা বাহিনী না এলে কি হত?
তাহলে কি ধরে নেবো ১/১১ এর জন্য সেনা বাহিনীই আমাদের রাজনিতীবিদদের উস্কানী দিয়েছে। এবং আমাদের রাজনিতীবিদরা সেই টোপ গিলেছে?
চোর আপনাকে ধন্যবাদ।
আমি আবারো বলছি আমি দেশে সেনা শাসনের পক্ষে নই। তবে এখানে আশিক যা লিখছেন তা ছিল কি ভাবে সেনা বাহিনী ভোটার আই ডি করল।
আশিক ৩১/০৮/০৮ ১:১৯ অপরাহ্ন
চোর বলেছেন
সেনাবাহিনী ভোটার আইডি তৈরির কাজটা করতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের অন্য কোনো সংস্থা বা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কাজটা করতে পারে না – এ থেকে কি বুঝা যায়? সেনাবাহিনীর উন্নতিই দেশের উন্নতি – এটা যদি কোনো দেশের মূলমন্ত্র হয়ে যায়, তাহলে ব্যাপারটা ভয়ের।
সেনাবাহিনী কাজটা করতে পারে কিন্ত কিন্তু বাংলাদেশের অন্য কোনো সংস্থা বা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কাজটা করতে পারে না – একথাটি কোথাও আলোচিত হয়েছে বলে আমার মনে হয়না । তবে এখানে একটি বিষয় আপনার জেনে রাখা ভাল যে কোন টেকনিক্যাল কাজ আমার জানামতে সেনাবাহিনী একা করতে পারেনা এবং এই বিষয়ে তারা প্রায়শই বুয়েটে এবং অন্যান্য সংস্হার বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিয়ে থাকে।
এবার আসা যাক ফিল্ড ওয়ার্কের বিষয়টি ।
এব্যাপারে সেনাবাহিনী অন্যান্য সংস্হা থেকে ভালভাবে কাজটি সমাধা করতে পারে । কারন সেনাবাহিনীর যে সংঘটিত শক্তি আছে তা আপনি স্বীকার করুন বা না করুন বাংলাদেশে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের মাঝে নেই । সারা দেশ জুড়ে অল্প সময়ে এই বৃহৎ কাজ সেনাবাহিনীর সাহায্য ছাড়া করা দূরুহ ছিলো । তার মানে এই নয় অন্য কোন সংস্হা সেটা করতে পারবেনা ।
সেনাবাহিনী এই ভোটার আইডির কাজ একা করেনি । সেটা পোস্টেও উল্লেখ্য আছে এবং দেশের বিভিন্ন বিশ্ব বিদ্যালয় এবং কলেজের ছাত্রদের এক বিরাট অংশ এই কাজে সেনাবাহিনীকে সাহায্য করেছে । এছাড়া ছিলো অন্যান্য পেশার আরো অনেকে । তাই সেনাবাহিনী যদি এই ক্রেডিট একা নিতো তাহলে গায়ের জোড়ে বার্মার সামরিক জান্তার মত শুধু নিজেরা কাজ করতো দায়সারা গোছের এবং মিডিয়ায় সেটা একতরফাভাবে নিজেদের নাম জাহির করতো ।
এই পোস্টএ যে সমস্ত তথ্য সন্নিবেশিত করা হয়েছে সেটা একটি নির্বাচন কমিশনের লিফলেট থেকে নেয়া হয়েছে । সেখানে সাধারন মানুষের কথা বা তাদের ছবি প্রকাশ করা হতোনা।
জানিনা আপনে দেশে কি বিদেশে অবস্হান করছেন । দয়া করে জিজ্ঞেস করুন আপনার পরিচিত কাউকে যে তারা ভোটার লিস্টের কাজে কি শুধু সেনাবাহিনীর সদ্যসদের দেখেছেন না সাধারন লোকের অংশগ্রহন এতে ছিলো।
চোর ৩১/০৮/০৮ ১:৪৪ অপরাহ্ন
“এব্যাপারে সেনাবাহিনী অন্যান্য সংস্হা থেকে ভালভাবে কাজটি সমাধা করতে পারে । কারন সেনাবাহিনীর যে সংঘটিত শক্তি আছে তা আপনি স্বীকার করুন বা না করুন বাংলাদেশে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের মাঝে নেই । সারা দেশ জুড়ে অল্প সময়ে এই বৃহৎ কাজ সেনাবাহিনীর সাহায্য ছাড়া করা দূরুহ ছিলো । তার মানে এই নয় অন্য কোন সংস্হা সেটা করতে পারবেনা ।”
আমি যে পয়েন্টগুলো চাচ্ছিলাম, আপনার বক্তব্যের এই অংশে সেই পয়েন্টগুলো এসেছে। সেনাবাহিনীর শক্তি বাংলাদেশের অন্য যে কোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বেশি, আমিও এটাই বলতে চাই। তাদের শক্তি এত বেশি যে, তারা পাবলিকের কাজ পাবলিককে না করতে দিয়ে নিজেরাই ভার নেয়, জনপ্রতিনিধিদেরকে খুন করে দেশশাসনে চলে আসে। প্রশ্ন হলো, তাদের এই ‘অতিরিক্ত’ শক্তির দরকার আছে কি না। দরকার নেই। তাদের কাজ যুদ্ধ করা। বাংলাদেশে যুদ্ধাবস্থা নেই। অলস মস্তিষ্ক পাওয়ার পেলে যা হয়, জনগণের ওপরই পাওয়ারটা খাটায়। আমার চুল বড় না ছোট, আমি মোটর সাইকেল হেলমেট পরে চালাই কিনা, তা দেখার দায়িত্ব সেনাবাহিনীর নয়।
একইভাবে, ভোটার আইডিকার্ড তৈরির জন্যও আমরা সেনাবাহিনী পুষি না। ‘সেনাবাহিনীকে কলেজ-ইউনির ছেলেরা সাহায্য করেছে’ – এই কথাটা পাবলিকের জন্য অবমাননাকর, সাহায্যের ডিরেকশনটা ঠিক উলটা হওয়া উচিত। বাংলাদেশ আর্মি ইজ নট ফ’ লিডিং দ্য পাবলিক ইন সিভিল অ্যাফেয়ার্স।
ব্যারিস্টার রফিকুল হক বলেছেন, এটা আমার জন্য Unfortunate যে বাবর, ও তারেককে আমার ডিফেন্ড করতে হচ্ছে। যা হোক সময়ই মানুষের বোধ উদয় হয়, আশা করি বেগম নাসরিন সুলতানারও কোনদিন বোধোদয় হবে যে, সিগারেট এর উপকারিতা বলে কিছু নাই।
নাসরিন সুলতানা ৩১/০৮/০৮ ৩:২১ পুর্বাহ্ন
ধন্যবাদ ইফতেখার আপনাকে। আমার মনে হয় আপনি আমার কমেন্টটা ভালভাবে পরেন নি। আমি কখনোই সেনাবাহিনীর দেশ শাসনের পক্ষে কথা বলিনি। আমার জানার বিষয় ছিল ১/১১ তে সেনা বাহিনী আসার নেপথ্যে কোন ফ্যাক্টরগুলো কাজ করেছে? আর্থাৎ তারা মাঠে এলো কি করে? এটা ছিল একান্তই আমার জানার কৌতুহল আপনাদের কাছে। অন্য কিছু নয়। (I)
নীড় সন্ধানী ৩১/০৮/০৮ ২:৫১ অপরাহ্ন
@ ইনসিডেন্টাল ব্লগার:
আমাদের দৃষ্টিভংগীর পার্থক্য আছে, সন্দেহ নেই। সংবিধান এবং গনতন্ত্রের প্রতি আপনার যেরকম ভক্তি আছে আমার তা নেই।
আমার কারনটা বলি। ৯০-র ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে যখন আমরা রাস্তায় ছিলাম, তখন এ শব্দদুটো আমারও খুব প্রিয় ছিল। কথায় কথায় বলতাম এরশাদ হারামজাদার জন্য আমরা সংবিধানিক গনতন্ত্রের সুবাস থেকে বন্চিত হচ্ছি। আমরা তখন সপ্ন দেখতাম দুই নেত্রীকে ঘিরে। এরশাদ পতনের পর আমরা সবগুলো দল একসাথে রাস্তায় নামলাম, নাচলাম, গাইলাম। আমাদের দুই মহান নেত্রীর জন্য আমরা আমাদের সব ভালোবাসা উজাড় করে দিলাম। কিন্ত পরের ১৫ বছরে কী দেখলাম? এরশাদ গিয়েছে, কিন্ত তার ভুতটাকে কী নিয়ে যায়নি?
গনত্তন্ত্র এবং সংবিধান, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সর্বাধিক ব্যবহৃত শব্দ। প্রত্যেকটা সরকারই ধর্ষন করেছে এই দুই বেচারাকে। কিন্ত সবচেয়ে কষ্ট পেয়েছি গত ১৫ বছরের গনতান্ত্রিক ধর্ষনে। আপনারা কোন গনতন্ত্রের জন্য কাদেঁন জানিনা। তবে আমি নিশ্চিত সেটা বাংলাদেশী গনতন্ত্র না। হয়তো আমেরিকার, ইংল্যান্ডের অথবা ফ্রান্সের। আপনি যদি বাংলাদেশী গনতন্ত্রের জন্য কাদেঁন তাহলে আপনি হাজারী, সেলিম, মকবুল, তাহের, সাকা, হারিস, ফালু, পিন্টু, সেন্টু, লাল্টু, বল্টুদের ভালবাসেন। তাদের আধিপত্যকে উপভোগ করেন।
কিন্ত আমি তাদের চাইনা বলেই গনতন্ত্রের জন্য কাদিঁনা। আমি বিশ্বাস করি গনতন্ত্র দিয়ে এদেশের আর যাই হোক অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। আমার বোঝা হয়ে গেছে ৩৫ বছরের সিস্টেমে। বাংলাদেশের বর্তমান গনতন্ত্রের সিস্টেম হলো, কিছু লোক ঘুরে ফিরে বারবার ক্ষমতায় আসবে, লুটপাট করে খাবে আর গনতন্ত্রের বুলি শোনাবে। এটা চক্রটা বন্ধ করা দরকার। গনতন্ত্রের চেয়ে অর্থনৈতিক উন্নতি বেশী প্রয়োজন। চার দশক আগে দক্ষিন কোরিয়া আমাদের চেয়ে খারাপ অবস্থায় ছিল। সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে ওখানেও দারুন বিক্ষোভ-আন্দোলন হয়েছিল। কিন্ত পার্ক সাহেব কারো কথায় কান দেননি সেদিন। পুরো জাতিকে কাজ করিয়ে ছেড়েছেন। দিনরাত, বিরামহীন। আজকে আপনি সিউলের নামসান টাওয়ারে যান, দেখবেন পরিবর্তনকে কিভাবে ছবিতে বাধিঁয়ে রেখেছে ওরা। ৫০ বছর আগের ৫০ বছরের পরের ছবি পাশাপাশি রেখে বুঝিয়ে দিতে চায় এ পরিবর্তন তাদের জন্য কত প্রয়োজন ছিল। আমাদের সেরকম একজন শাসক পাবার জন্য কত বছর অপেক্ষা করতে হবে?
সীমিত সম্পদের এই দেশের জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হতে পারতো একটা সমাজতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থয় উত্তরন। কিন্ত সেরকম নেতাও আমাদের এখনও জন্মায়নি, জন্মালে তাকেও শেখ মুজিব বা তাজউদ্দিনের ভাগ্য বরন করতে হবে। পশ্চিমা শক্তি আর তাদের দেশীয় এজেন্ট ডান ধারার দলগুলো ধর্ম গেলো,ধর্ম গেলো রব তুলে আরেকটা ১৯৭৫ করে ফেলবে। তাই সমাজতন্ত্রও অসম্ভব এখানে। একমাত্র উপায় বা খড়কুটো যাই বলেন, সেটা হলো একনায়কতন্ত্র। একজন সৎ একনায়কের জন্য আমরা অপেক্ষা করবো।
চোর ৩১/০৮/০৮ ৪:১৬ অপরাহ্ন
নীড়সন্ধানী ভাই,
আপনার মন্তব্যটা চমৎকার। কিন্তু মন্তব্যের উপসংহারে অনেকক্ষণ হাসলাম।
ভোটের প্রেশার থাকার পরেও খালেদা, ফালুরা দেশটারে লুটেপুটে খায়, আর আপনি মনে করেন আমরা এমন একনায়ক (জবাবদিহিতাবিহীন) পাবো, যে দেশটারে লুটেপুটে না খেয়ে সততার পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে বাংলাদেশকে স্বর্গরাজ্য বানাতে জানপ্রাণ দিয়ে কাজ করবে?
গণতন্ত্রকে দুষে লাভ নেই, জনগণকে বোকা ভেবেও লাভ নেই। জনগণ হাসিনা-খালেদা নির্ভর না। স্বাধীন বাংলাদেশে বারবার সামরিক বাহিনী হস্তক্ষেপ করেছে। ৫০% এরও অধিক সময় স্বৈরতন্ত্র চলেছে। বাকি সময়টায় জনগণ থিতু হওয়ার সময় পায় নি। তারপরেও খালেদা-হাসিনার অত্যাচারকে ব্যালটের মাধ্যমে পাবলিক প্রত্যাখ্যান করেছে। জনগণ আর গণতন্ত্র এরপরেও খারাপ হলে কেমনে কি?
আশিক ৩১/০৮/০৮ ২:২০ অপরাহ্ন
আলোচনা ভাল হচ্ছে । ইফ্তেখার মোহাম্মদ সেনাশাসন কোন দেশের জন্য যে ভাল নয় এই যুগে সেটা সবাই জানে কিন্ত এর পরও তার জলজ্যান্ত উদাহারন আপনার দেখতে পাচ্ছেন । নাসরিন সুলতানার মত আসলে অনকেই এখন এর পেছনের ফ্যাক্টর খোঁজাতে ব্যস্ত । কিন্ত এরই মধ্যে নাসরিন আপু নিজেই একটা বড় ফ্যাক্টরের কথা বলেছেন সেটা হল আমাদের সবার মাঝে নৈতিক চরিত্রের বিরাট ধ্বস ।
কেউ কি বলতে পারেন এই সরকার এখন কি করলে ভাল হয় । কোন দায়সাড়া গোছের উত্তর নয় বরং যুক্তি সংগত উত্তর আশা করছি ।
চোর ৩১/০৮/০৮ ২:৪৭ অপরাহ্ন
এই সরকারের উচিত যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। (কাজটা অনেক আগেই করা উচিত ছিলো)
বাউল ৩১/০৮/০৮ ২:৫০ অপরাহ্ন
সেনা শাসন আর এই সরকারের মধ্যে সম্পর্ক্যটা বুঝলাম না! জাতীয় নির্বাচন দিয়ে, মানে মানে বিদায় হওয়া, এই সরকারের জন্য সবচেয়ে ভালো।
একটি প্রাত্যহিক আড্ডার বিবরণ
রহিম, করিম, যদু, বিবেক, কুদ্দুস বসে চায়ের দোকানে কথা বলছে।
রহিম (সহজ সরল প্রশ্ন): ভাই করিম, বল্ না তোর বাপের এত টাকা আর ক্ষমতা কি বৈধ না অবৈধ? এই টাকা আর এই ক্ষমতা দিয়া তোর বাপে আসলে কি করতে চায়? শুনলাম তোর বাপের কথায় নাকি চেয়ারম্যান ডিসিও উঠে আর বসে?
যদু (করিমের বন্ধু): তার আগে আয় কথা কই ঐ পাড়ার ফালুর বাপ যে টাকা আর ক্ষমতা বানাইছে এত হেইডা নিয়া। হেয় যদি বানাইতে পারে, তাইলে করিমের বাপের আর দোষ কি?
বিবেক (করিমের আরেক বন্ধু): করিমের বাপ যে টাকা বানাইতে পারছে তার কারণ আমরা, আমাদের কোন বিবেক নাই। কারণ, অতীতে মধু আর রাম শ্যামের বাপেরাও যাচ্ছেতাই কান্ডকারখানা করছে, তাই তো এখন করিমের বাপের মত লোকেরা পকেট ভরতে পারছে। তাই আগে মধুর বাপ, রামের বাপ আর শ্যামের বাপ নিয়া কথাবার্তা শেষ হওয়া দরকার। জিগানো দরকার, করিমের বাপেরা সামনে আসার পরিস্থিতি কেমনে তৈরী হইল।
কুদ্দুস (করিমের বন্ধু): দেখেন ভাই আমি বৈধ অবৈধ বুঝিনা। বাংলাদেশে এসব তুইল্যা লাভ কি? অন্যান্য পাড়ার মানুষেরা এগুলা কইরাই লাটসাহেব হইছে। আমাদের ভাই লাটসাহেব হওয়া দরকার আগে। ভালোমানুষ হইয়া কি লাভ? নীতি দিয়া তো পেট ভরবো না।
(পুরো সময়টা করিম নিরবে মুচকি মুচকি হাসছে; তার আর মূল প্রশ্নের উত্তর দিতে হচ্ছেনা বলে। কারণ, তার হয়ে কথা বলার বা আলোচনার পানি ঘোলা করার লোকের অভাব নেই। করিম মনে মনে এও ভাবছে বোকা পাবলিকের মধ্যে আলোচনাটা যত বেশী চলতে থাকবে ততই তার বাপের অপরাধ হালকা হয়ে যাবে; এমনকি কিছু সমর্থকও জুটে যেতে পারে। রহিম বেচারা সেই তখন থেকে বসে আছে উত্তরের অপেক্ষায়! হায়রে দেশ!)
মলিকিউল ৩১/০৮/০৮ ৪:৫৭ অপরাহ্ন
হা হা..সুন্দর তুলে ধরেছেন। আমরা কেউ কেউ রহিম। তবে যদু, বিবেক আর কুদ্দুসের সংখ্যাই বেশী।
ইফ্তেখার মোহাম্মদ ৩১/০৮/০৮ ৫:১৯ অপরাহ্ন
বোকা বলেন আর, পানি ঘোলা করান জন্য দুষেন, জবাবটা আপনার অসাধারণ হয়েছে।
আশা করি এইবার জনাব আশিক জবাব এড়িয়ে যাবেন না।
–সেনাবাহিনী যে সবচেয়ে কম বাজেটের প্রস্তাব পেশ করেছে - এই তথ্যের সূত্র কি?
-প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে কাদের প্রস্তাব ছিল বলতে পারেন?
-ঠিক্ কোন বিচারে তারা প্রতিযোগিতায় হেরেছে?
–সিলেকশন কারা করেছে? কমিটিতে কারা কারা ছিল?
-তারা সিদ্ধান্তগ্রহণে কতটা স্বাধীন ছিল বলবেন কি তথ্যসহ? কোন আন্তর্জাতিক মানের independent evaluator নিয়োগ করা হয়েছিল কি?
–সিলেকশন এর criteria কি ছিল আমাদের জানাবেন কি?
আর জদি আম জনতার কাছে জবাব দিতে না চান তবে, সত্য ও জবাবদিহিতা কমিশন তো আপনাদের সেবায় খোলাই আছে, কি বলেন?
বোকামাষ্টার বলেছেন:
অগাষ্ট 27th, 2008 at 11:52 pm
আশিক আপনাকে ধন্যবাদ। আমি কিন্তু আপনার প্রচেষ্টাটাকে রীতিমতো সম্মানের চোখেই দেখছি (যদিও অজ্ঞতাহেতু সেনাবাহিনীর নীতিনির্ধারকদের কিছুটা সমালোচনা করার চেষ্টা করেছি, বাস্তবিকপক্ষে নীতিনির্ধারকরা ছাড়া অবশিষ্ট সশস্ত্রবাহিনী সদস্যদের প্রতি আমার অকুন্ঠ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে)। এই বিশাল কর্মযজ্ঞে ক্ষুদ্র হলেও আমারও কিছু অবদান আছে, তাই যেসব প্রশ্নের জবাব আমরা ভোটার তালিকা তৈরী করার সময় পাইনি আশা করছি আপনার লেখা থেকে সেগুলো সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যাবো।
আমার জিজ্ঞাসাগুলো হলো :
১। ফিংগারপ্রিন্ট স্ক্যান করিয়ে যে আইডি কার্ড আমরা তৈরী করলাম, শুনতে খুব হাই সাউন্ডিং হলেও এই ফিঙ্গারপ্রিন্টের ব্যবহারটা কোথায় বা কিভাবে হবে?আপনি অবশ্যই অবগত আছেন যে, যে সফটওয়্যারটা ব্যবহার করা হয়েছে তাতে এই ফিংগারপ্রিন্টটা কেবল একটা ইমেজ হিসেবে রাখা হয়েছে যা কম্পেয়ার করার কোন ব্যবস্থা সেখানে নেই)।
২। অত্যন্ত দ্রুতগতিতে একটা নির্ভুল ভোটার তালিকা আমরা পেয়েছি বলে দাবী করা হচ্ছে, এটা কতটা বাস্তবসম্মত? (তথ্য আদায়কারীদের সাথে কোন সেনা সদস্য ছিলেননা, আদায়ের পর থেকে সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্টতা শুরু। তাই ভোটার আইডি তৈরীর মূল কারণটাই কিন্তু চাপা পড়ে গেলো, তাই নয় কি?)
৩। আইডি তৈরীর কাজে ব্যবহৃত ল্যাপটপগুলোর ভবিষ্যত কী হবে?
চোর ৩১/০৮/০৮ ৬:১০ অপরাহ্ন
১। পোলিং এজেন্টরা খালিচোখে ফিঙ্গারপ্রিন্টের ইমেজ কম্পেয়ার করবেন।
২। সেনাবাহিনীর ডরে তথ্য আদায়কারীরা সঠিক তথ্য সংগ্রহ করেছেন।
৩। জাদুঘরে সংরক্ষিত হবে। বাংলাদেশের প্রথম ভোটার আইডিকার্ড তৈরির স্বারক হিসেবে ব্যবহৃত ল্যাপটপগুলো আমাদের জাতীয় সম্পদ। সেগুলো অন্যকাজে ব্যবহার করে নষ্ট করার মানে হয় না।
মাহবুব সুমন ৩১/০৮/০৮ ৭:০৩ অপরাহ্ন
নীড় সন্ধানী ৩১/০৮/০৮ ৪:১৪ অপরাহ্ন
এই কাজের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন যেটা তা হলো একটা খসড়া ডাটাবেজ তৈরী হলো। লোকসংখ্যার হিসেবে এটা পৃথিবীর বৃহত্তম ডাটাবেজ। ইউএনডিপি এটাকে পরীক্ষামূলক হিসেবে নিয়েছে। যে সংস্থাগুলো এই প্রজেক্টে সাহায্য করেছে তার মধ্যে ইউএনডিপি অন্যতম। প্রচুর ভুলত্রুটি রয়ে গেছে সন্দেহ নেই। সেগুলো ঠিক করা লাগবে। কিন্ত সবকিছুতে খালি ষড়যন্ত্র আর সংবিধান খুঁজলে সারাজীবন কুয়োর ব্যাঙ হয়েই থাকতে হবে আমাদের। কাজটা যতটুকু করা গেছে তার জন্য অসাংবিধানিক ধন্যবাদ হলেও দেন সেনাবাহিনীরে।
আর একটা কথা, আপনারা যদি বর্তমান সেনা বাহিনীকে এরশাদ বা জিয়ার বাহিনীর সাথে তুলনা করেন ভুল হবে। এখানে ব্লাডি সিভিলিয়ান বলা আর্মি যেমন আছে অনেক মানবতাবাদী প্রগতিশীল আর্মিও আছে। যে কারনে আপনারা ১/১১ পরবর্তী সময়ে এত আরামের জরুরী অবস্থা পেয়েছেন।
আশিক ৩১/০৮/০৮ ৩:১৮ অপরাহ্ন
ইফ্তেখার মোহাম্মদ
বিডিং এর বিষয়টি সম্পূর্ন তথ্য হাতে না পাওয়া পর্যন্ত আমি কোন উত্তর দিতে পারছিনা ।তবে উত্তর পাওয়া মাত্র সেটা জানাবো । আর আপনি যেভাবে একটির একটি প্রশ্ন করছেন তাতে আবার ও সন্দেহ পোষন করছি আপনার মনোভাব সম্পর্কে । কারন আপনি যদি অর্ধেক পানি ভরা গ্লাস কে অর্ধেক খালি হিসাবে দেখে থাকবেন বলে ঠিক করেন সেক্ষেত্রে আপনাকে ঐ গ্লাসটির বাকী আর্ধেক যে পানিতে পূর্ন সেটা বোঝানো আমার জন্য সময়ের অপচয় ছাড়া কিছুই নয় ।
২। ফিংগার প্রিন্ট বিষয়ক প্রশ্নটির উত্তর নিচে দিয়েছি কষ্ট করে পড়ে নিবেন এটার কার্যকারিতা পুরোপুরি ভাবে পেতে হলে আরো সময়ের দরকার যেটা এই সরকারের হাতে নেই । এখন যে তথ্যগুলো সংরক্ষণ করা হচ্ছে সেটা ভবিষৎ এ কাজে লাগানোর জন্যই করা হচ্ছে ।
৩। দ্রুতগতির ভোটার তালিকা বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছেন আমি জানি না তবে কিছুদিন আগে টিভিতে দেয়া সাক্ষাৎকারে নির্বাচন কমিশনার ডঃ এ টি এম শামসুল হুদা বলেছেন তারা ইতিমধ্যে সম্পূর্ন ভোটার তালিকা ডাটাবেস চেক করছেন এবং রিপিটেশন ধরা পড়েছে প্রায় দেড় হাজারের মত সংখ্যাটা আমার কম বেশী হতে পারে । এবং এ ধরনের আরো ভুল আছে কিনা তা পূনঃ পরীক্ষা করা হচ্ছে ।
৪। নির্বাচনে ব্যবহৃত সব ল্যাপটপ নিরবাচন কমিশনের সম্পত্তি এটা তারা নির্বাচনের কাজ শেষে জমা নিবে ,এটা তারা কি করবে পরবর্তীতে সেটা আমাকে জিজ্ঞেস না করে নির্বাচন কমিশন কে জিজ্ঞেস করলে ভাল হয় ।
বাংলাদেশ আর্মি বা জলপাইঅলাদের নিয়ে আলাপ চলছে
একটু ব্যস্ত বলে চোখ বুলিয়েই ক্ষান্ত দিতে হচ্ছে। তবে এখন একটু ফ্রি বলে শুরু করলাম।
আলোচনায় যোগ করার ইচ্ছে আছে।
আর্মি দ্বারা যদি দেশের এতোই উন্নতি হয় তবে পাশের বার্মা বা বাংলাদেশ আর্মির বন্ধু পাকিস্তান আর্মির দ্বারা শাষিত হয়ে পাকিস্তান উন্নতির চরম শিখরে পৌছে যেতো, আদতে কি তা হয়েছে ? দূরের আফ্রিকান দেশগুলোর কথা নাইবা আনলাম।
এত দূরে যাবারই কি দরকার। বাংলাদেশেই অতীতে যে সব সামরিক সরকার এসেছে তাদের কর্মাকান্ড ও পারফরমেন্স দেখলেই বোঝা যায় বাংলাদেশ আর্মির সক্ষমতা। দেশ এক পা এগিয়েছে তো দশ পা পিছিয়েছে, মাঝ খানে কিছু অবঃদের ডিওএইচএস এ বাড়ী, প্রাণ জাতীয় ব্যবসা, সেনা কল্যানের নামে ব্যবসার প্রসার ।
বলদ দ্বারা প্রজনন হয় না, ছাগল দ্বারা হাল চাষ যেমন হয় না তেমনি আর্মি দ্বারা দেশ শাষন হয় না।
গ্রাম পাহাড়া ডেবার জন্য যেমন চৌকিদার তেমনি দেশের স্বাধীনতা রক্ষ্যা করার জন্য আর্মি। দুটোরই বেতন হয় জনগনের ট্যাক্সের টাকায়। জলমাই ওলারা সেটা ভুলে যায়, হাঁটুতে বুদ্ধি থাকলে যা হয় আর কি। আর্মি আর্মির কাজ করবে। বেসামরিক প্রশাষন করবে তাদের কাজ। নিজের কাজ বাদ দিয়ে অন্যের কাজ করলেই শুরু হয় ঝামেলা।
আশিক ৩১/০৮/০৮ ১:১২ পুর্বাহ্ন
হাটু বুদ্ধি দের কে একটু সরিয়ে দিয়ে আসেন না আপনাদের মধ্যে বুদ্ধির পাহাড় নিয়ে ঘুমাছ্চেন যারা ।
সেনাবাহিনীর কিছু সদ্যস আছে যারা ব্লাডি সিভিলিয়ান গালি দিয়ে খুব আত্মতৃপ্তি পায় । ঠিক তেমনি আপনাদের মত কিছু ব্যক্তি ও মজা পায় এই হাঁটু বুদ্ধি কথা বলে । যাক মজা পান ভাল কথা ।তবে থুতু দু পক্ষই উপরেই ছিটাচ্ছেন সেটা মনে রেখে থুতু ছিটাতেই থাকুন ।দেশের মানুষ যারা গ্রামে বাস করে তারা আপনাদের থেকে ভাল করে জানে এবং চিনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কি ? কারন তারা সবসময় তাদের দূর্যোগের সময় এই বাহিনীর সদ্যসদের সবসময় কাছে পেয়েছে বন্ধু হিসেবে ।।
” আর্মি আর্মির কাজ করবে। বেসামরিক প্রশাষন করবে তাদের কাজ। নিজের কাজ বাদ দিয়ে অন্যের কাজ করলেই শুরু হয় ঝামেলা।”
এই কথাটা যদি পরবর্তী গনতান্ত্রিক সরকারের আমলে মনে রাখেন তাহলে হাটু বুদ্ধি আলাদের খুব উপকার হত ।আশা করি সেসময় যারা আপনার মত মাথায় ঘিলু রাখে তাদের এ বিষয়ে সোচ্চার হতে দেখবো ।
চোর ৩১/০৮/০৮ ২:১৭ অপরাহ্ন
আপনি বেসিক জিনিসটা ইগনোর করে যাচ্ছেন: আর্মির যা কাজ, আর্মি তাই করুক। সিভিল প্রশাসনে সমস্যা থাকলে সেটা সিভিল প্রশাসনকে উন্নত করে সমাধান করতে হবে। আর্মির খবরদারি কোনোমতেই কাম্য নয়।
একটা বাজে এক্সাম্পল দেই। মনে করেন, আপনার ভাইয়ের শারিরীক সমস্যার কারণে আপনার ভাবীকে সন্তুষ্ট করতে পারছে না। তখন সেই সন্তুষ্টির ভার আপনার ওপর এসে পড়ে না। আপনার ভাইয়ের শারিরীক সমস্যা সারানোটাই প্রয়োজন।
সোচ্চার হওয়ার কথা বলছেন। এখন আর্মির দায়িত্ব ও অধিকারের সীমা বিষয়ক সোজাসাপটা কথাটাই আপনি সরাসরি অ্যাক্সেপ্ট করতে পারছেন না। আর্মির অহেতুক নাকগলানোর অনেক সমর্থকও জুটে যায়- কেউ আর্মি থাকলে লাভবান হয়, কেউ হাসিনা খালেদাদের ওপর বিরক্তি থেকে খড়কুটো আঁকড়ে ধরার মত চোখ বুজে ভাবে আর্মি ভালো করে দিয়ে যাবে, আবার কেউ স্রেফ নির্বুদ্ধিতা থেকেই সেনাশাসক সমর্থক বনে যায়। গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ে কে কি বললো না বললো, সেটা ভিন্ন বিষয়। এই মুহূর্তে আপনি উচিত-অনুচিত বিষয়ে কি বলছেন, তা-ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অন্য কেউ কি বললো না বললো, আপনি সরাসরি বলুন, আর্মির কাজ সিভিল বিষয়ে নাক গলানো কিনা।
নীড় সন্ধানী ৩১/০৮/০৮ ৭:৫৭ পুর্বাহ্ন
হাটুঁ বুদ্ধির কথাটা আংশিক সত্য। নাহলে ১/১১-র পরে এত বিচার-ফিচার-ট্রাইবুনাল এর তামাশার কী দরকার ছিল? ৫০ জন ক্রিমিনাল রাজনীতিবিদকে ক্রসফায়ারে দিলেই তো ল্যাটা চুইকা যাইতো। ওই বানচোতগুলাতো এখন জামিনে বাইর হইয়া আসতাছে আরো বেশী খিদা নিয়া।
আশিক ৩১/০৮/০৮ ১১:৪৪ পুর্বাহ্ন
আমি আপনার সাথে এই বিষয়ে একমত নীড় সন্ধানী আসলে এই দেশে সোজা আংগুলে কখনো ঘি উঠেনা সেটা আবার ও প্রমানিত হল । এই একটি জায়গায় আমার মনে হয় একটা বিশাল ভুল হয়েছে । উচিত ছিলো বার্মার সামরিক জান্তার মত এই ক্রিমিনাল গুলোকে ক্রসফায়ারে নেয়ার ।
অসাধারণ!
“যদি আম জনতার কাছে জবাব দিতে না চান তবে, সত্য ও জবাবদিহিতা কমিশন তো আপনাদের সেবায় খোলাই আছে, কি বলেন?”
- ইফতেখার মোহাম্মদ
“বলদ দ্বারা প্রজনন হয় না, ছাগল দ্বারা হাল চাষ যেমন হয় না তেমনি আর্মি দ্বারা দেশ শাষন হয় না।”
-মাহবুব সুমন
ব্যস্ততার কারণে পুরো লেখা পড়ার সময় পেলাম না, তবে যতটুকু পড়লাম, তাতে মনে হল, ভোটার আই ডি র প্রজেক্টের ভালো দিকগুলো দেখানো হচ্ছে।
ভালো না মন্দ সে তর্কে আমি যাবো না, আমি শুধু জানতে চাই, এই প্রকল্পের টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞ হিসেবে কারা কাজ করেছেন ? বুয়েটের কোন শিক্ষক যে এই প্রকল্পে নেই তা নিশ্চিত। অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক কি আছেন ?
যেই থাকুন, তার যে ওয়েব ক্যাম দিয়ে কিভাবে ছবি তোলে এবং সেটাকে কিভাবে প্রসেসিং করলে নিজের চেহারা দেখে নিজেকেই চমকাতে হয় না, সে জ্ঞান নেই। সেই সাথে এত জঘন্য নিম্নমানের ফিঙ্গারপ্রিন্ট বায়োমেট্রিক ডিভাইসগুলি কার পরামর্শে কেনা হয়েছে সেটাও জানতে চাই।
আমার দেখা শতকরা ৯০ ভাগ পরিচয় পত্রের পেছনে লেখা কোন আঙ্গুলের ছাপ নেই ( এর কারণ সেই যন্ত্রে হতভাগ্য ব্যক্তি ছাপ পড়ে নি )।
গাদা-গুচ্ছের টাকা খরচ করে এরকম টেকনিক্যালি দুর্বল প্রজেক্টের কি মানে সেইটা উনারাই বলতে পারবেন, যারা শাহবাগে বিগ স্ক্রীন বসিয়ে নিজেদের প্রজেক্টের গুনকীর্তন করছেন।
নীড় সন্ধানী ৩১/০৮/০৮ ৮:৩৩ পুর্বাহ্ন
ভাই আপনি ৯০ ভাগের মধ্যে আংগুলের ছাপ দেখেননি। মানে ১০ভাগে দেখেছেন!! কিন্ত আমি তো একটার মধ্যেও আংগুলের ছাপ দেখিনি। ঘটনা কি? আমার ধারনা ছিল এটা যেহেতু বায়োমেট্রিক্স আই.ডি. কার্ড না, সেহেতু এখানে আংগুলের ছাপ থাকার কথা না। বায়োমেট্রিক্স আই.ডি. অনেক ব্যয়বহুল। তাই এখন বিনামূল্যে সাধারন কার্ডই দেয়া হচ্ছে। আপনার কাছে যদি অন্যরকম তথ্য থাকে, এখানে জানাতে পারেন। আমার একটা বায়োমেট্রিক্স আই.ডি দরকার।
আশিক ৩১/০৮/০৮ ১১:১৯ পুর্বাহ্ন
ইচ্ছে ছিলো এই ভোটার আইডির কার্যক্রম কে নিয়ে আলাদা ভাবে পোস্ট দেয়ার তবে বিষয়টি যেভাবে অনেক ভিন্ন ভাবে বা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে তাতে আর আলাদা ভাবে দেয়ার প্রয়োজনীতা আর অনুভব করছিনা ।তাই চেষটা করছি আপনাদের কে তথ্যগুলো রেফারেন্স সহকারে দেয়ার জন্য । অবশ্য আমি একটি বিষয়ে আগের থেকে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি এই জন্য যে আমার উত্তরগুলো দিতে একটু দেরী হচ্ছে । কারন ১মত আমি ব্লগে ২৪ ঘন্টা সময় দিতে অক্ষম এবং ২য়ত আমি উত্তরগুলো দেয়ার আগে আমাকে সেগুলো সম্পর্কে পড়াশোনা করতে হয়।
যেমন নীড় সন্ধানী একটি কথা বলেছেন যে তার জানা মতে এই আইডি কার্ড বায়োমেট্রিক আইডি কার্ড না ।সেক্ষেত্রে আমাকে এই তথ্য যাচাই করতে গিয়ে কিছু সময় ব্যয় করতে হয়েছে।
এখানে আমি নীড় সন্ধানীর প্রশ্নের উত্তরে নিচে আমাদের ভোটার আইডি কার্ডের একটি উল্লেখ্যোগ্য অংশ তুলে ধরলাম ।আমাদের এন আইডি (জাতীয় পরিচয় পত্র) তে কোন আংগুলের ছাপ থাকারই কথা না কারন এই আংগুলের ছাপ কার্ডের পেছনে বারকোডের মধ্যে এমবেড করা আছে । এবং সেটা পরবর্তীতে বারকোড স্কান্যার দিয়ে সহজেই সনাক্ত করা সম্ভব ।
এখন যদি আপনারা কেউ আংগুলের ছাপ দেখে থাকেন যেমন সবজান্তার কথায় মনে হচ্ছে তিনি ৯০ ভাগ দেখেননি অর্থাৎ ১০ ভাগ দেখেছেন (নীড় সন্ধানীকে ধন্যবাদ এই তথ্যটি দিয়ে সাহায্য করার জন্য)।সেক্ষেত্রে আমি বলবনা সবজান্তা মিথ্যা বলছেন তবে আমার মনে হয় কোন অতি উৎসাহী কম্পিউটার অপারেটর সেটা করেছেন না জেন বা না বুঝে । এক্ষেত্রে সবজান্তা আপনি সেই ১০ ভাগকে বিনীত অনুরোধ জানাবেন তারা যেন তাদের কার্ডটি সংশোধন করে নেন । এবং এই ১০ ভাগের বিষয়টি তুলে ধরার জন্য আমার পক্ষ থেকে সবজান্তা ভাইকে প্রানঢালা অভিনন্দন ।
আপাতত একটি বিষয় জানিয়ে রাখি এখানে সব প্রশ্নের উত্তর দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয় কারন আমি যে উত্তরগুলো আপনাদের জানাবো তা একজন সাধারন পাঠক হিসেবে আমি সংগ্রহ করব । এতে একটি বিষয় সবার কাছে পরিষ্কার হবে যে , আমরা একটু কষ্ট করলে আমাদের অনেক অজানা বিষয় আমরা সহজেই নেট থেকে জেনে নিতে পারি।
এই আলোচনায় অনেক প্রশ্নর উত্তর আমার জানা নাও থাকতে পারে সেক্ষেত্রে আমি অবশ্যই সেটা সৎ সাহস নিয়ে স্বীকার করব । আমাদের মনে অনেক প্রশ্ন আসতে পারে সেটা কে আমি দোষ দেইনা তবে যারা কম্পিউটার ব্যবহার করেন ।তারা চাইলে অনেক কিছু অতি সহজেই জানতে পারেন ।
তবে পোস্টের বিষয় ভোটার আইডি কার্ড এর কার্যক্রম তাই আলোচনা এটাকে ঘিরে হলে সেটা যেমন একদিক থেকে প্রাসংগিক অন্যদিকে আরো প্রানবন্ত হবে ।
আমি আবার ও একটি বিষয় বিনীত ভাবে মনে করিয়ে দিতে চাই । এখানে কারও দোষ ত্রুটি বা প্রসংশা নিয়ে পোস্ট করা হয়নি । আলোচনা টি সেদিক টি মনে করে চালিয়ে নিলে ভাল হয় ।
আলোচনায় যারা এ পর্যন্ত অংশ নিয়েছেন এবং পড়েছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ সময় দেয়ার জন্য ।
Card Management Server & Card issuance
All completed data are exported to the card management servers from the enrollment stations for proof checking.
Once the above is completed then the voter roll, card distribution list and ID cards are issued.
ID card is printed using a laser printer and then sealed using a transparent laminating pouch. ISO
fingerprint template is embedded into a 2D barcode printed on the ID card that can be read later using a 2D
barcode scanner and compared against live scan fingerprint templates captured at time of verification.
In addition to that PKI hash can be added in the barcode as an additional measure to ensure data integrity.
Link:
http://www.tigeritbd.com/clients-mainmenu-48/projects-mainmenu-56/20-projects/25-identity-management-system
আশিক ৩১/০৮/০৮ ৩:০৪ অপরাহ্ন
সবজান্তা কোন বিষয় কে না জেনে যেমন ঢালাওভাবে ভাল বলা ঠিক না ঠিক তেমনি সব কিছু খারাপ বলাও ঠিক না ।
এই পোস্টে আমি ভূমিকার অবতারনা করতে গিয়ে যে কয়েক লাইন লিখেছিলাম তা ভুল প্রমানিত হলে আমি বেশি খুশি হতাম । কিন্ত আমরা যে আসলেই প্রশংসা করতে পারিনা তার জলজ্যান্ত প্রমান এই পোস্ট ।
পদ্ধতির মাঝে কিছু ভুল অবশ্যই আছে এবং সেটা ক্রমান্বয়ে সংশোধন করা হচ্ছে এবং হবে । একটি সিষ্টেম এতদিন ছিলোনা যেটা সেটা এখন দাঁড়িয়েছে । এবং এই সিস্টেম কে কিভাবে আরো ভালভাবে এগিয়ে নেয়া যায় সেটাই আমাদের লক্ষ্য থাকা উচিত । এবং এ বিষয়ে কার্যকরী প্রস্তাব আনাটাই ইতিবাচক মনোভাবের পরিচয় বহন করে ।
“যার দেখতে না পাই তার চলন বাঁকা” এই বাগধারাটি একমাত্র মনে হয় বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয় কেন, এখন বুঝতে পারছি । আমাদের এই নেতিবাচক মনোভাব যতদিন মনে পুষে রাখবো ততদিন আরো পেছাবো ।
চোর ৩১/০৮/০৮ ৩:৩৯ অপরাহ্ন
আশিক ভাই, ভোটার আইডি কার্ডের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একটু বিস্তারিত বলবেন?
অফটপিক, বিডিমিলিটারিডটকম কি আপনার ওয়েবসাইট?
আশিক ৩১/০৮/০৮ ১:৫৮ অপরাহ্ন
চোর ভাই
ভোটার আইডি কার্ডের প্রয়ওজনীতা নতুন করে এখানে তো বলার কিছু দেখছিনা ।আর জানার আগ্রহ থাকলে আপনি একটু কষ্ট করে নির্বাচন কমিশনের ওয়েব সাইটে যেতে পারেন অথবা Bio Key and Tiger IT এই দুই প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইটে যেয়ে আরো ভাল ভাবে বিস্তারিত জানতে পারবেন
আশিক ৩১/০৮/০৮ ১২:২৩ অপরাহ্ন
যে দুটো ওয়েব সাইটের কথা বললেন তার একটা ভিজিট করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে তবে অফটপিক এর বিষয় আমি জানিনা ।
জ্বী না আমার কোন নিজস্ব ওয়েবসাইট নেই ।
ধন্যবাদ
চোর ৩১/০৮/০৮ ৩:৪৪ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দেখতে পারার পিছনে আসলে কারণ খুব কম। হত্যা, ক্ষমতাদখলের কাজগুলোর তারাই জনক।
আর অধিকারের বাইরে গিয়ে ভোটার তালিকা করতে গেলে চলন মূলেই বাঁকা হয়ে যায়। তার সমালোচনা করা কখনোই নেতিবাচক মনোভাব না, সম্পূর্ণ ইতিবাচক মনোভাব। জনগণকে বাঁশ দেয়ার জন্য রাজাকার আর সেনাবাহিনীর যে রেকর্ড, তাতে তাদের মিঠাকথা আর ‘জনগণের পাশে এসে দাঁড়ানো’র পিছনেও কোনো অসৎ উদ্দেশ্য থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।
আশিক ৩১/০৮/০৮ ২:১৩ অপরাহ্ন
চোর ভাই
সেনাবাহিনীকে দেখতে না পারার পিছনে যে কারন গুলো বললেন সেগুলোর পেছনের কারন খোঁজার চেষ্টা করলে দেখবেন তালি এ পর্যন্ত যতবার বেজেছে এই বাংলাদেশে সেগুলো এক হাতে বাজেনি । সেনাবাহিনীর সাথে রাজনইতিক দল বা তাদের নেতানেত্রীরা জড়িত ছিলো প্রতিটি ঘটনার সাথে। আর এপর্যন্ত যত হত্যাকান্ড হয়েছে হিসাব নিলে দেখা যাবে ভুক্তভোগী এই স্বশস্ত্র বাহিনীর সদ্যসরাই বেশী ।
এই ঘটনাগুলো সেনাবাহিনীর জন্য উদাহারন স্বরুপ হয়ে রয়েছে বলেই ১/১১ এর পূর্বে দেখে থাকবেন এই বাহিনীর সদ্যসরা কোন বিশেষ দলের হয়ে কাজ করেনি চাপ থাকা স্বত্তেও।
আর বারবার আপনি একই কথা বলে চলেছেন যে অধিকারের বাইরে যেয়ে সেনাবাহিনী ভোটার আইডি কার্যক্রম হাতে নিয়েছে । আমাকে আপনি বলতে পারবেন সংবিধানের কোন ধারায় বলা আছে যে সেনাবাহিনী এই কাজ করতে পারবেনা । আর পোস্টে পরিষ্কার বলা আছে এবং এটা সবাই জানে যে এই ভোটার আইডি কাজটি সেনাবাহিনী এবং নির্বাচন কমিশনের সম্মিলিত উদ্যোগ । সেখানে আপনি বিষয়টি বারবার ঘোলা করার চেষ্টা করছেন ।
আর সেনাবাহিনী তত্তাবধায়ক সরকারের আদেশে এই কাজ কমিশনের সাথে মিলে করছে। এখানে কোন বিষয়টি আপনার কাছে অবইধ এবং কোন আইনে সেটা বললে আমার ও জানা থাকলো । কারন সব বিষয় যে আমার ও জানা থাকবে সেটাও আমি বলিনা।
পরিষ্কার করে বললে কৃতার্থ থাকবো।
আর আপনার কাছে কোন কোন বিষয় স্বাভাবিক মনে হতে পারে । তবে সেটা আপনার একান্ত নিজ মন্তব্য বলে এতে আমি কোন দোষের কিছু দেখিনা । ধন্যবাদ ।
চোর ৩১/০৮/০৮ ১:২২ অপরাহ্ন
ভাই, দেশের সাথে ন্যাশনাল আইডিকার্ড নিয়ে বিজনেস করার কথা যেমন নাই, সংবিধানের কোনো ধারায় এটাও বলা নাই যে, সেনাবাহিনী দেশের ক্ষমতা দখল করতে পারবে না। কারণ, এই জিনিসগুলা সেনাবাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। জাতীয় বিশেষ প্রয়োজনে, যেমন দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে সরকার সেনাবাহিনীর সাহায্য চাইতে পারে, তার জন্য খরচাপাতিও সরকার বহন করতে পারে; কিন্তু ২ টাকা খরচ হলে ৫ টাকার বিল করতে পারে না। ন্যাশনাল আইডিকার্ড প্রজেক্ট নির্বাচন কমিশনের কাজ, নির্বাচন কমিশন সেনাবাহিনীর সহায়তা চাইলে তারা সহায়তা করুক, কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু সেটাকে বিজনেসে পরিণত করলে সমস্যা।
আর বাংলাদেশের মত করাপ্টেড দেশের সংবিধান কোরান শরীফ না। বাংলাদেশ সংবিধান কাঁটাছিঁড়া করে এখন রাজাকারদের রাজনীতিও হালাল করা হইছে। সেনাশাসন আসলে তা ও হালাল করা হয়। পাবলিকের টাকা নিয়ে সেই টাকা দিয়েই পাবলিকের সাথে বিজনেস করা যদি আপনার কাছে হালাল মনে হয়, তাইলে কি করা।
বেশ উপভৌগ্য আলোচলা দেখা গেলো…
এই পোস্টটি দেরীতে চোখে পড়লো।
পোস্টের জবাবে ইনসিডেন্টাল ব্লগার, চোর, ইফতেখার মোহাম্মাদ চমৎকার আলোচনা করেছেন। তাদের ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: “কিন্ত নিজে কতটুকু দিচ্ছি দেশকে সেটা না হয় থাকুক উহ্য।”
লেখক বোধ হয় জানেন না ট্যাক্সটা কিভাবে সরকারী ট্রেজারীতে গিয়ে পৌঁছে। একটা ছোট্ট উদাহরণ দিয়ে বলি; ধরুন চিনি, উঁচু তলার লোক থেকে শুরু করে পথের ভিখারীও চিনি গ্রহন করে। চিনি আমদানীর সময় সরকারকে ট্যাক্স প্রদান করতে হয়। আপাত দৃষ্টিতে এই ট্যাক্সটা প্রদান করে আমদানীকারক। কিন্তু প্রকৃত অর্থে কি এই ট্যাক্সটা সরকারকে ঐ আমদানীকারক প্রদান করলো? না, কারণ আমদানীকারক চিনির আমদানী মূল্যের সাথে এই ট্যাক্সের টাকা, পরিবহন ভাড়া, তার লাভ এবং ওভারহেড যুক্ত করেই ঐ আমদানীকারক চিনির মূল্য ধারণ করে। অর্থাৎ যে যে ব্যক্তি ঐ আমদানীকারকের চিনি গ্রহন করবে তারাই এই ট্যাক্স প্রদানকারী। ঠিক অন্যান্য পণ্যের ক্ষত্রেও তাই। অতএব আমাদের দেশের নিম্নবিত্ত এবং নিম্নমধ্যবিত্তের সংখ্যা বিবেচনা করা যায় তাহলে মোট জনসংখ্যার ৮০% লোকই এরা। অর্থাৎ মোট আদায়কৃত ট্যাক্সের টাকা আসে এদেরই কাছ থেকে। যে ট্যাক্সের টাকা দিয়ে সরকার পরিকল্পনা করে এবং দেশের উন্নয়ন করে।
আমাদের সেনাবাহিনীও ঐ ট্যাক্সের টাকায় বেতন গ্রহন করে, যদিও আমাদের সেনাবাহিনী সারাবছর ব্যারাকে বসে শারীরিক কসরত ছাড়া কিছুই করে না, যদি না দেশে বন্যা বা প্রকৃতিক কোন দূর্যোগ হয়। আর সেই সেনাবাহিনী ৩৭ বছর বসে বসে খেয়ে এসেছে এবং গত ছয় মাসে কিছু একটা করলো বলে তাদেরকে মাথায় নিয়ে নাচতে হবে এমন কিছু ঘটনা ঘটেনি। আর তাদের গুণকির্তন করতে গিয়ে দেশের ৮০% নিম্নবিত্ত এবং নিম্নমধ্যবিত্তের যারা প্রতি মুহুর্তে ট্যাক্সের টাকা প্রদান করে দেশটা চালাচ্ছে তাদেরকে লেখক এক বাক্যে বলে দিলেন “কিন্ত নিজে কতটুকু দিচ্ছি দেশকে সেটা না হয় থাকুক উহ্য ।” লেখক আপনার এই উক্তিটি পড়ে সত্যিই না হেসে পারলাম না। আপনি কি করে চাকরের গুণকির্তন করতে গিয়ে মলিককে অপমান করলেন? এই স্পর্ধাটুকু আপনি কোথায় পেলেন?
আবার, পুকুর চুররি কারার মত দুর্নীতি করার সুযোগ থাক তাহলে রাতদিন একাকার করা কোন ব্যাপারই না। যেমন একটি উদাহরণ দেই, ন্যাশনাল আইডি কার্ড বানাতে খরচ ধরা হয়েছে ৩৫/= প্রতিটি। কিন্তু যে আইডি কার্ড প্রদান করা হয়েছে তা কোনক্রমেই ২/=টাকা থেকে ৩/=টাকার অতিরিক্ত খরচ হয়নি। কারণ ল্যাপটপ থেকে সব আনুসাঙ্গিক অন্যান্য খরচ ভোটার লিস্টের সাথে সংশ্লিষ্ট কার্ডের সাথে নয়। তাহলে এখন দেখুন যদি সাড়ে আট কোটি ন্যাশনাল আইডি কার্ড হয় তাহলে প্রতি আইডি কার্ডে ৩০/-টাকা করে দুর্নীতি করে থাকে তাহলে মোট ২৫৫ কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে এই ন্যাশনাল আইডি কার্ড তৈরীতে। আপনার এক এবং দুই পোস্ট দুটি সম্পূর্ণ এইরূপ ভুলে ভরা। এখন আপনি বাকী ভুলগুলো নিজেই সংশোধন করে নিন।
কতৃপক্ষকে আবারও অনুরোধ করবো, একটি পোস্টকে স্টিকি করার আগে অবশ্যই সব দিক বিবেচনা করা উচিৎ, পোস্টটির গুণগত মান কতটুকু। নচেৎ সকলের মনে প্রশ্ন হতে পারে, কতৃপক্ষ কি পক্ষপাতিত্ব করছেন কিনা।
চোর ৩১/০৮/০৮ ৪:০৬ অপরাহ্ন
আপনি কি করে চাকরের গুণকির্তন করতে গিয়ে মলিককে অপমান করলেন? এই স্পর্ধাটুকু আপনি কোথায় পেলেন?
ইফ্তেখার মোহাম্মদ ৩১/০৮/০৮ ১২:১৮ পুর্বাহ্ন
অসাধারণ, সাবলীল। অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
আশিক ৩১/০৮/০৮ ১২:১৩ অপরাহ্ন
প্রথমে ধন্যবাদ দেই নিজ নামের সার্থকতা বহন করার জন্য ।
তা সমালোচক ভাই আপনি যে ট্যাক্সের গল্প বললেন এবার আমি তার মোড়টা একটু ঘুড়িয়ে দেই । ধরেন আমি মেনে নিলাম আপনি যা বললেন সব সত্য ,একবিন্দু মিথ্যা নয় । তাহলে আপনার কথায় ধরে নিচ্ছি যেমন আপনি বলেছেন
“অতএব আমাদের দেশের নিম্নবিত্ত এবং নিম্নমধ্যবিত্তের সংখ্যা বিবেচনা করা যায় তাহলে মোট জনসংখ্যার ৮০% লোকই এরা। অর্থাৎ মোট আদায়কৃত ট্যাক্সের টাকা আসে এদেরই কাছ থেকে। যে ট্যাক্সের টাকা দিয়ে সরকার পরিকল্পনা করে এবং দেশের উন্নয়ন করে। ”
শেষের বাক্যে আপনি একটা খুব মুল্যবান কথা বলেছেন যে ট্যাক্সের এই টাকা দিয়ে সরকার পরিকল্পনা করে দেশের উন্নয়ন করেন । অর্থাৎ সরকার এই টাকা দিয়ে বাজেট করেন যার মধ্যে আছে আপনার বসে বসে খাওয়া পার্টি মানে সেনাবাহিনী, আছে আমাদের মেহনতি কৃষক ভাই এবং সেইসাথে আমাদের শিক্ষা খাত ও অর্থাৎ আমাদের ছাত্র সমাজ , আছে আমাদের আরো বিভিন্ন খাতে বেতনভুক্ত সরকারী কর্মচারী এবং কর্মকর্তা ।
আসেন একটু এবার ছাত্রসমাজ কে নিয়ে আলোচনা করি । তারা বর্তমানে দেশের জন্য কি দিচ্ছে এবং তাদের প্রতি দেশবাসীর কতটুকু প্রত্যাশা তারা পূরন করছে । বর্তমান এবং গত কয়েকদশক ধরে আমরা কি দেখছি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে । হয়ত এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে নানা সীমাবদ্ধতার এবং স্বল্প বাজেট বরাদ্দের । আমি সেটাও মেনে নিলাম যে সরকারে যে রকম সাহায্য করার দরকার ছিলো সরকার সেটা দেয়নি ।
এখন যতটুকু দিয়েছে তার প্রতিদানে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে কি পাচ্ছি ?
১। বিশ্ববিদ্যালয় গুলো বেশীরভাগ সময় থাকে বন্ধ । সংঘর্ষ এবং রাজনৈতিক রেষারেষির কারনে ।
২। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের প্রধান কর্তব্য শিক্ষকতাকে বাদ দিয়ে রাজনীতি নিয়ে মেতে আছে ।
৩। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটে বরাদ্দ অর্থ নিয়ে অনেক শিক্ষক বিদেশে পড়ার নামে আর ফিরে আসেনি । অর্থ ফেরতের কথা নাই বা তুললাম ।
৪। বিশ্ববিদ্যালয়ের যারা মেধাবী ছাত্র তারা ব্রেইন ড্রেনেইজের মাধ্যমে এদেশ থেকে চলে গিয়েছে এবং এর অধিকাংশ আর ফেরত আসেনি ।
প্রবাদ বাক্য একটা শুনেছিলাম ভাসা ভাসা মনে আসছে “সূচ বলে আলুনি তোর কেন এত ছিদ্র”
এরকম কিছু একটা ।আজ সেটা আবার মনে পড়ল ।
এবার আসুন সেনাবাহিনী প্রসংগে
সেনাবাহিনীর প্রায় ৯০ ভাগ অংশ হচ্ছে সৈনিক এবং যারা এসেছে এই বাংলাদেশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে যাদের পরিবারের ৪ থেকে ৫ টি সন্তানের মধ্যে একজন হচ্ছে সেই সৈনিক । এবং এরা ৯৯ ভাগ এসেছে কৃষক পরিবার থেকে । একজন সৈনিক তার কর্তব্য নিজেকে যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত করা এবং তাকে সেভাবেই তৈরী করা হয় । এর বাইরে তার অতিরিক্ত কাজ করার ক্ষমতা দেয়া হয়নি । তাকে দেশ যা দিচ্ছে সেটা তাকে বিভিন্ন পরিশ্রমের মাধ্যমে তার কষ্টর মাধ্যমে আদায় করা হয় কড়ায় গন্ডায় এতটুকু ছাড় তাকে দেয়া হয়না । তার সকাল থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তার নিজের সময় নিতান্তই অল্প ।
তার প্রশিক্ষন পুলিসের মত না যে সে কিছু টাকা তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ঘুষ দিলে তাকে তার প্রশিক্ষনের পরিশ্রম থেকে ছাড় দেয়া হবে । তাকে যেটা দেয়া হয় তার থেকে সমান এবং কখনও বা বেশী সরকার বা দেশ তার কাছ থেকে আদায় করে নেয় ।
খাজনার গল্প বেশ পুরোনো এবং এই খাজনার বাজনা বাজিয়ে যত দোষ নন্দ ঘোষ বলার দিন এখন ফুরিয়েছে বা ফুরাচ্ছে ।
এখন আসুন সেনাবাহিনীর বাজেট নিয়ে এই বাহিনী একমাত্র বাহিনী যে তার বাজেটের বরাদ্দকৃত অর্থর বেচে যাওয়া যার পরিমান প্রায় ৩০০ কোটি টাকা সাবেক সেনাপ্রধান এর আমলে সরকারের ফান্ডে ফেরত দিয়েছে ।
সেনাবাহিনী বসে বসে খেলে (আপনার ভাষায়)আপনার পিত্তি জ্বলে আর যখন সেনাবাহিনী সরকারের বাজেটে উপর চাপ কমাবার জন্য নিজ ফান্ডের জমানো অর্থ থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বানায় তখন কথা উঠে সেনাবাহিনী করপোরেট হয়ে উঠছে । ধিক আপনার এই হীন মানসিকতা ।
সেনাবাহিনীর গড়া আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ ,এমআইএসটি তে এখন অধিক সংখ্যক বেসমারিক ব্যক্তির ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করছে ।যারা এটা নিশ্চিত জানে তাদের বাবা মার আয় করা কষ্টে টাকায় তাদের এই পড়াশোনা কখনও বন্ধ হবেনা কোন রাজনৈতিক দল বা রাজনৈতিক দলের পা চাটা শিক্ষকের কলুষিত রাজনীতির কারনে ।
“আমাদের সেনাবাহিনীও ঐ ট্যাক্সের টাকায় বেতন গ্রহন করে, যদিও আমাদের সেনাবাহিনী সারাবছর ব্যারাকে বসে শারীরিক কসরত ছাড়া কিছুই করে না, যদি না দেশে বন্যা বা প্রকৃতিক কোন দূর্যোগ হয়। আর সেই সেনাবাহিনী ৩৭ বছর বসে বসে খেয়ে এসেছে ”
নাম দিয়েছেন নিজের সমালোচক কিন্ত মনে হচ্ছে এখন আপনি সবজ্যান্তা ।জানেন তো বিশেষন টি আমরা বাংলা ভাষায় কোন অর্থে ব্যবহার করি । যে ব্যক্তি মনে করে নিজে সব জানে আসলে যার ভেতরে মস্ত বড় ফাঁকা তাকে আমরা উপহাস করে বলি সবজ্যান্তা ।
এখন মনে হচ্ছে আপনি সে রকমই এক ব্যক্তি তার উৎকৃষ্ট উদাহারন আপনার নিজ উপরোক্ত মন্তব্যটি ।
সেনাবাহিনী সারা বছর বসে বসে শারিরীক কসরত করে ভালই বলছেন তা দেশ থাকা হয় না বিদেশে ? যেখানেই থাকুন গত ১ বছর না হয় বাদই দিলাম তার ও আগের বছরগুলো সেনাবাহিনী কি কি করেছে নিজ প্রশিক্ষন বাদে ভাল করে পড়ে এসে তারপর মন্তব্য করুন।
এবার আসুন শান্তিরক্ষী বাহিনীতে সেনাবাহিনী কি করেছে এবং করছে । প্রথমত বিশ্বের এখন অধিকাংশ দেশ বাংলাদেশ কে চিনে যে ভাল এবং ইতিবাচক দিক থেকে তার মধ্যে আসে যে কয়টি কারন তার মধ্যে একটি হচ্ছে জাতিসংঘে সেনাবাহিনীর চমৎকার পেশাদারিত্ব এবং প্রতিটি মিশনে সফলতা । আপনার কথামত সারাদিন বসে বসে শারিরীক কসরত করলে সেটা অর্জন সম্ভব নয় । আফ্রিকার দেশগুলো যদি কখনো সুযোগ হয় যাওয়ার তবে নিজেকে শুধু বলবেন আমি বাংলাদেশী দেখবেন আপনার সাথে তাদের ব্যবহার কেমন । এই অর্জন, আপনার চোখে এই বাহিনীর যারা অশিক্ষিত এবং সারাদিন বসে বসে খায় তাদের পরিশ্রমের ফল ।
দেশের খেয়ে দেশের সুনাম অর্জন করেছে এই সেনাবাহিনী বিদেশের মাটিতে । সিয়েরালিওনে তাই বাংলাভাষা হয় ২য় সরকারী ভাষা। আর ফরেন কারেন্সী বা রেমিটেন্স বিষয়টি আপনি নিজে একটু কষ্ট করে বের করে নেবেন ।বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কি পরিমান অর্থ বাইরে থেকে এদেশে এনেছে বিগত বছরগুলোতে । পড়াশোনা করেন তারপর মন্তব্য করেন আপনার নিশ্চয় সারাদিন বসে বসে শারিরীক কসরত করতে হয়না ।
আপনি ভোটার আইডি কার্ডের ব্যয়ের একটা হিসাব দিয়ে বলেছেন আমার হিসাবে অনেক গড়মিল আছে ।এবং ১ম পোস্টের সাথে ২য় পোস্টের তথ্যে গড়মিল আছে । আমার জানামতে আমি শুধু এই খাতে মোট বরাদ্দের কতটুকু দেশের সরকার এবং বিদেশের ফান্ড থেকে এসেছে সেটা উল্লেখ্য করেছি ।
আপনি নিজে মনগড়া তথ্য দিলেন আবার আপনার প্রদেয় তথ্য মোতাবেক আপনিই বললেন আমার পোস্ট ভুলে ভরা বিষয়টি একটু পরিষ্কার এবং তথ্যপ্রমান সহ দিলে আলোচনা টা ভাল হত ।
আপনার সবজ্যান্তা জ্ঞানে আপনি বলে দিলেন পোস্ট স্টিকি না করলে ভাল হত । আপনি বিষয়টি বুঝলেন জ্ঞানী মডারেটর বুঝলোন না । এটাই আমার দুঃখ ।
ভাল থাকবেন ,ধন্যবাদ ।
চোর ৩১/০৮/০৮ ১:০২ অপরাহ্ন
সর্বোনাশ। ছাত্রদেরকে পড়িয়ে দেশের টাকা গচ্ছা দেয়ার কোনো মানে নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অবিলম্বে বন্ধ করে দেয়া হোক। বিকল্প হিসেবে উঠতি যুবকেরা সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে দেশ ও দশের সেবার আত্মনিয়োগ করুন। আমিন।
আশিক ৩১/০৮/০৮ ৯:৫৭ পুর্বাহ্ন
চোর ভাই
যে কথাগুলো বললেন একবার চিন্ত করে বলবেন । যে ভংগীতে কথাগুলো বললেন তা হচ্ছে মূল আলোচনার ধারা থেকে সরে এসে একটা উটকো মন্তব্য করা । যে প্রসংগে আলোচনা এবং তার সূত্র ধরে কথাগুলো বলা সেটার প্রসংগে না এসে আপনার কথাটা হয়ে গেল অনেকটা , মাথা ব্যাথা তাই মাথা কাটো ।এবং একই ধরনের মনোভংগী আপনার আগের মন্তব্য দেখলে পাওয়া যায় । আগে ভালভাবে পড়ুন তারপর বোঝার চেষ্টা করুন আমি কি বোঝাতে চাইছি । এরকম হাস্যকর মন্তব্য আপনার কাছ থেকে আশা করিনি ।
ধন্যবাদ ।
চোর, সমালোচনাকারী
চোর ৩১/০৮/০৮ ১:০৩ অপরাহ্ন
যাক, আংকেলের লগে এই বিষয়ে অন্তত ঐক্যমত্যে আসা গেলো।
@ আশিক: পড়বেন কিনা জানি না, পড়লে জবাব দিবেন আশা করি, ## ব্যবহৃত সব ল্যাপটপ নির্বাচন কমিশনের সম্পত্তি এটা তারা নির্বাচনের কাজ শেষে জমা নিবে ## আমার প্রশ্ন মোবাইল ফোন কোম্পানি গুলো এর আগে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে এত বিপুল পরিমাণ অর্থের উপঢৌকন দিয়েছিলেন কিনা? আর সেই ল্যাপটপ গুলো যদি নির্বাচন কমিশনের সম্পত্তি হয়ে থাকে তবে নির্বাচন কমিশন দ্বারা তা গ্রহন করাই কি সমচিন ছিলো না? বিষয়গুলা পরিষ্কার না। ধরুন আমার এইচ.এস.সি পরীক্ষা চলছে, তো আমার শিক্ষক যত ভালোই পারুক না কেন, আমার পরীক্ষাটি তিনি দিয়ে দিলে তা বৈধ হবে কি?
আশিক ৩১/০৮/০৮ ৯:৫৪ পুর্বাহ্ন
ইফ্তেখার মোহাম্মদ
গিফট এবং ডোনেশন যে এক জিনিস নয় এটা নিশ্চয় বুঝেন ।আর বুঝে থাকলে সেই সময়ে দেশে থাকলে নিশ্চয় দেখে থাকবেন প্রতিদিন টিভিতে বিভিন্ন সংস্হা বন্যার জন্য ত্রান হিসাবে অর্থ সেনাবাহিনী প্রধানের মারফত যখন সেনাবাহিনীর ত্রান তহবিলে জমা করতেন সেখানে কোন কোন সংস্হা বন্যার সাহায্যর পাশাপাশি ল্যাপটপ দিয়েছিলেন এবং সেটা ভোটার আইডি কর্যক্রমকে আরো গতিশীল করার জন্য ।
আপনার প্রথম প্রশ্নর উত্তর নিশ্চয় পেয়ে গেছেন যে এগুলো উপটৌকন নয় বরং সাহায্য ছিলো ।
২য় প্রশ্ন কেন এগুলো নিরবাচন কমিশন কে না দিয়ে সেনাবাহিনীকে দিলো ,প্রশ্নটা আপনার করার আগে একটু ভেবে তারপর করলে মনে হয় ভাল ছিলো। কারন মাঝে মাঝে আমরা এমন প্রশ্ন করি সেটা আমাদের বালখিল্যতা কে প্রকাশ করে ।
যেই কাজ এর দায়িত্ব খোদ নির্বাচন কমিশন সেনাবাহিনীকে দিয়েছে সেখানে নিরবাচন কমিশন কে না দিয়ে ল্যাপটপগুলো কেন সেনাবাহিনীকে দেয়া হল সেটা এখন আপনার প্রশ্ন হয়ে দাড়িয়েছে । অহেতুক প্রশ্ন করে যেমন আপনি নিজের সময় নষ্ট করছেন সেইসাথে আমারও । আর যারা পড়ছেন তাদের কথা নাহয় বাদই দিলাম । এরপর ও আপনার বালখিল্যতাকে শুধরাবার জন্য নিচের সংবাদটি লিংক সহ দিলাম । এখানে দেখে থাকবেন আপনার ই দেয়া তথ্য মতে বহুজাতিক মোবাইল কোম্পানীগুলো যে ল্যাপটপ গুলো দিয়েছে সেটা প্রথমত উপটৌকন হিসেবে নয় এবং ২য় ত তারা কোথাও ল্যাপটপ গুলো সেনাবাহিনীকে দিচ্ছে এটাতো বলেনি বরং পরিষ্কারভাবে তারা উল্লেখ্য করেছে যে ল্যাপটপগুলো কাকে দিচ্ছে এবং কোন কাজে ।
তাছাড়া ও আপনার আরো বোঝার সুবিধার্থে আপনি প্রাইভেট চ্যানেলগুলোর আর্কাইভে সন্চিত সে সময়কার খবরগুলো ভালভাবে পড়ুন এবং দেখুন । সেখানে প্রতিদিন পরিষ্কার ভাবে বলা হয়েছে কতটি ল্যাপটপ কে কাকে এবং কোন কারনে দিচ্ছে ।
Published On: 2007-08-23
Metropolitan
Warid donates 500 laptops to EC
Warid Telecom donated 500 laptop computers with scanners and printers to the Voter List and National ID Card Project undertaken by the Election Commission yesterday, says a press release.
http://www.thedailystar.net/story.php?nid=1184
আমার এখন আসলেই সন্দেহ হচ্ছে আপনার এইচ এস সি পরীক্ষাটা আসলেই আপনি দিয়েছেলেন না অন্য কেউ ?
ধন্যবাদ ভাল থাকবেন
[...] bloggers had intensely debated the pros and cons of national ID cards four weeks earlier (see http://amarblog.com/ashique-hasan/6501#comments). The discussion in amarblog.com had been generated by Ashiq’s Amra O Pari post, eulogising the [...]
[...] bloggers had intensely debated the pros and cons of national ID cards four weeks earlier (see http://amarblog.com/ashique-hasan/6501#comments). The discussion in amarblog.com had been generated by Ashiq’s Amra O Pari post, eulogising the [...]
[...] did I know when I wrote it that Bangladeshi bloggers had intensely debated the pros and cons of national ID cards four weeks earlier. The discussion in [...]
ট্র্যাকব্যাকঃ
আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে মন্তব্য করার জন্য!
আমার মেনু
আশিক
এই পর্যন্ত 43 টি ব্লগ লিখেছেন
প্রিয় পোস্ট
1 জন ব্যবহারকারি এই পেইজটি পড়ছেন!
1 জন অতিথি
সদস্যরা হলেনঃ