বাংলায় নাম
আমি বাঙ্গাল
পরিচিতি
সদর দরজা
ডিক্টেটরের অপেক্ষায়! ( কৃতজ্ঞতা টু সিসিফাস)
লিখেছেনঃ আমি বাঙ্গাল (তারিখঃ সোমবার, ২০/০২/২০১২ - ১৭:৫৭)
উপরের চিন্তা একটা প্যাটার্ন। এই ধারায় চিন্তায় সুখ পাওনের লোক ক্রমবর্ধমান। তাদের কথা হইল, গনতন্ত্রের নামে যাহা চলিতেছে উহা এক নিখাঁদ প্রতারনা। মূলত চলিতেছে পরিবারতন্ত্র। এই ব্যাবস্থা আমাদের সকল দুঃখের কারন। সুতরাং এই পরিবারতন্ত্র থেকে মুক্তি খুব দরকার। এই পর্যন্ত প্রায় ঠিকই আছে কিন্তু এর পরে লম্ফ দিয়া যে সমাধানটা টানা হয়, সেইটার আগা মাথা পাওয়া মুসকিল। তারা বলে একজন ভাল দেশ প্রেমিকটাইপ ডিক্টেটর দরকার।
কেনু দরকার, সেই কথা জিগাইলে তারা যা বলে, সেইটা গোঁ গোঁ টাইপের একটা গোংগানির মত শোনা যায়। কিছুই স্পষ্ট বোঝা যায় না, নাকি আমার কানের চিকিৎসা দরকার বুঝিনা। গান-টাইত ঠিকই শুনি, তাই ডাক্তরের কাছে যাইনাই অখনতরি। তয় আজকের আলোচনার ফলাফলের উপরে নির্ভর করতেছে ডাক্তারের কাছে যাওয়া না যাওয়া।
ঔপনিবেশিক শাসন থিকা মুক্তির পরে ডিক্টেটরত কম দেখলাম না। কিন্তু আমাগ ভাগ্য এক যায়গায় কেনু ঘুরপাক খাইতেছে? আইয়ুব, জিয়ার দেশ প্রেমের সমস্যা কুথায়? অবশ্য যারা জিয়ারে যথেষ্ট সময় দেয়া হয়নাই বইলা চুক চুক কইরা আফসোস করতেছে তাদের দুঃখ বুঝা যায়। তারা জিয়ার আরেকটা সংস্করন চাইতেই পারেন জিয়ার অসমাপ্ত কাম শ্যাষ দেয়ার জন্য।
কিন্তু যারা জিয়ার আমলের দূর্নিতী ও অর্থনৈতিক প্রবৃ্দ্ধিতে হ্যাপি না তারা যে কি চান এই দেশ প্রেমিক ডিক্টেটর থিকা- সেইটাত ঝাইরা না কাশলে বুঝা যাইতেছে না।
ধরেন কত গুলি গনতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাহীন জলপাই ক্ষমতায় গিয়া দেশরে সোনা দিয়া মুইরা দিতে চাইল। এর মধ্যে দেশ প্রেমিক কুনটা বুঝব কেমন? নাকি বোঝা বুঝি দিয়া কাম নাই, যদি এইটা ভাগ্যের ব্যাপার হয় তাইলে কিন্তু ইতিহাস মিথ্যা হইয়া যায়। ইতিহাস বলে সব চাইয়া ধূর্তটাই ক্ষমতায় যায়। যায় বন্দুকের নলের জোরে। এই কাজের মাধ্যমে সে তার কম্পিটিটিরদের জন্য বন্দুকের নলের ব্যাবহারের ব্যাপারে নৈতিক সমর্থন দিতে বাধ্য থাকে। এই জন্য তার শাসন আমলের সিংহভাগ সময় ব্যায় হয় অন্য সব সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দিদের ঠেকানোর চাল খেলতে। কাউরে মিথ্যা কূ এর ষড়যন্ত্রে ফাসাইয়া ফাঁসি দিতে, অনুগত গুলিতে প্রমোসন দিয়া, কোনটারে মন্ত্রী বানাইয়া, গৃহপালিত একটা রাজনৈতিক দলের ভরন পোষন, একটা অনুগত বিরোধী দলরে বখরার ভাগ দেওন ইত্যাদি ইত্যাদি।
এই ভাগ্যচক্ররে অস্বীকার করা কোন ডিকেক্টরের পক্ষে সম্ভব হয় নাই। প্রতিটা ডিক্টেটর চেষ্টা করে উত্তরসূরি নিজের পরিবার থেকে খাড়া করতে। মানে আবার পরিবারতন্ত্রে সেন্ড ব্যাক! তাইলে যেখান থেকে শুরু করছি ঐখানেই আইসা থামলাম দেখা যায়! অবশ্য ওনাদের দাবি অনুযায়ী দেশ প্রেমিক ডিক্টেটর বুড়া বয়সে কেমনে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে সেই গল্প শুনতে আমিও আর সবার মত অধীর।
আশাকরি @দাড়কাক আমাদেরকে হতাশ করবে না।
একজন ভাল ও দেশপ্রেমিক ডিক্টেটরই পারে আমাদের দেশের মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিতে। একদফা একদাবি, ডিক্টেটর(দেশ প্রেমিক!) তুই কবে আবি, কেমনে আবি ?
উপরের চিন্তা একটা প্যাটার্ন। এই ধারায় চিন্তায় সুখ পাওনের লোক ক্রমবর্ধমান। তাদের কথা হইল, গনতন্ত্রের নামে যাহা চলিতেছে উহা এক নিখাঁদ প্রতারনা। মূলত চলিতেছে পরিবারতন্ত্র। এই ব্যাবস্থা আমাদের সকল দুঃখের কারন। সুতরাং এই পরিবারতন্ত্র থেকে মুক্তি খুব দরকার। এই পর্যন্ত প্রায় ঠিকই আছে কিন্তু এর পরে লম্ফ দিয়া যে সমাধানটা টানা হয়, সেইটার আগা মাথা পাওয়া মুসকিল। তারা বলে একজন ভাল দেশ প্রেমিকটাইপ ডিক্টেটর দরকার।
কেনু দরকার, সেই কথা জিগাইলে তারা যা বলে, সেইটা গোঁ গোঁ টাইপের একটা গোংগানির মত শোনা যায়। কিছুই স্পষ্ট বোঝা যায় না, নাকি আমার কানের চিকিৎসা দরকার বুঝিনা। গান-টাইত ঠিকই শুনি, তাই ডাক্তরের কাছে যাইনাই অখনতরি। তয় আজকের আলোচনার ফলাফলের উপরে নির্ভর করতেছে ডাক্তারের কাছে যাওয়া না যাওয়া।
ঔপনিবেশিক শাসন থিকা মুক্তির পরে ডিক্টেটরত কম দেখলাম না। কিন্তু আমাগ ভাগ্য এক যায়গায় কেনু ঘুরপাক খাইতেছে? আইয়ুব, জিয়ার দেশ প্রেমের সমস্যা কুথায়? অবশ্য যারা জিয়ারে যথেষ্ট সময় দেয়া হয়নাই বইলা চুক চুক কইরা আফসোস করতেছে তাদের দুঃখ বুঝা যায়। তারা জিয়ার আরেকটা সংস্করন চাইতেই পারেন জিয়ার অসমাপ্ত কাম শ্যাষ দেয়ার জন্য।
কিন্তু যারা জিয়ার আমলের দূর্নিতী ও অর্থনৈতিক প্রবৃ্দ্ধিতে হ্যাপি না তারা যে কি চান এই দেশ প্রেমিক ডিক্টেটর থিকা- সেইটাত ঝাইরা না কাশলে বুঝা যাইতেছে না।
ধরেন কত গুলি গনতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাহীন জলপাই ক্ষমতায় গিয়া দেশরে সোনা দিয়া মুইরা দিতে চাইল। এর মধ্যে দেশ প্রেমিক কুনটা বুঝব কেমন? নাকি বোঝা বুঝি দিয়া কাম নাই, যদি এইটা ভাগ্যের ব্যাপার হয় তাইলে কিন্তু ইতিহাস মিথ্যা হইয়া যায়। ইতিহাস বলে সব চাইয়া ধূর্তটাই ক্ষমতায় যায়। যায় বন্দুকের নলের জোরে। এই কাজের মাধ্যমে সে তার কম্পিটিটিরদের জন্য বন্দুকের নলের ব্যাবহারের ব্যাপারে নৈতিক সমর্থন দিতে বাধ্য থাকে। এই জন্য তার শাসন আমলের সিংহভাগ সময় ব্যায় হয় অন্য সব সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দিদের ঠেকানোর চাল খেলতে। কাউরে মিথ্যা কূ এর ষড়যন্ত্রে ফাসাইয়া ফাঁসি দিতে, অনুগত গুলিতে প্রমোসন দিয়া, কোনটারে মন্ত্রী বানাইয়া, গৃহপালিত একটা রাজনৈতিক দলের ভরন পোষন, একটা অনুগত বিরোধী দলরে বখরার ভাগ দেওন ইত্যাদি ইত্যাদি।
এই ভাগ্যচক্ররে অস্বীকার করা কোন ডিকেক্টরের পক্ষে সম্ভব হয় নাই। প্রতিটা ডিক্টেটর চেষ্টা করে উত্তরসূরি নিজের পরিবার থেকে খাড়া করতে। মানে আবার পরিবারতন্ত্রে সেন্ড ব্যাক! তাইলে যেখান থেকে শুরু করছি ঐখানেই আইসা থামলাম দেখা যায়! অবশ্য ওনাদের দাবি অনুযায়ী দেশ প্রেমিক ডিক্টেটর বুড়া বয়সে কেমনে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে সেই গল্প শুনতে আমিও আর সবার মত অধীর।
আশাকরি @দাড়কাক আমাদেরকে হতাশ করবে না।
- ক্যাটেগরি:
- আমি বাঙ্গাল-এর ব্লগ
- মন্তব্য প্রদানের জন্য লগইন অথবা রেজিস্টার করুন
- ২১৫ বার পঠিত
Twitter-এ প্রকাশ করুন


মন্তব্য
ফারমার সাবরে ডিক্টেটর কইরা দেন
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
ঠিক ধরছেন, উনির মধ্যে সেই সুপ্ত গুনাবলি আছে।
তয় উনি মনেহয় রাজি না। নিচের মন্তব্য দেখেন-------------
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
যে কোন অর্থমৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যার অনেক সমাধান থাকে; কোনটা সবচেয়ে 'ইফেকটিভ'?
'ডিক্টেটরশীপ' অবশ্যই নয়।
বাংলাদেশের সমস্যা অর্থনৈতিক, এখানে দরকার লুলার মতো লোক: দক্ষতা, জাতির প্রতি ভালোবাসা, জাতিকে উজ্জীবিত করার ক্ষমতা সম্পন্ন মানুষ, সৎ ও পরিশ্রমী।
রাজনীতিবিদের জন্য প্রথম দরকার জনগনের আস্থা অর্জন তার পর আসে দক্ষতা দেখানোর সুযোগ।
অনেকের মধ্যে প্রথম কাজটায় উৎসাহ কম দেখা যায়।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
একজন মানুষ(রাজনীতিবিদ) কি কি গুনাবলীর কারণে অন্যের আস্হাভাজন হন?
সবাইকে সব সময়ের জন্য বোকা বানানো কার পক্ষে সম্ভব না। মানুষ বাঘ ও বাঘের ছাল চিনে ফেলে। মানুষ নেতার মধ্যে নিজের যে সব গুনের অভাব রয়েছে সে গুলি দেখতে চায়। মানুষ তার নিজের জীবন, জিবিকা, পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপৃত থাকে। তাই মানুষ চায় তাদের নেতা হবে ভয় শূন্য, জীবন, দারিদ্র, পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তাশূন্য। এক কথায় নির্ভিক।
জনগনের দাবি আদায়ের সংগ্রামে সামনে থাকবে। জুলুম, নির্জাতনের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়াবে। নেতার ডেডিকেসন জনগনকে স্পর্ষ করতে হবে। এরপরে জনগন নিজেদের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেবে তাদের নেতাকে রক্ষার জন্য। তাই হয়।
জনগনের মুক্তির প্রশ্নে আপোষহীন থাকলে বাকি সমস্য মোকাবেলা সহজ। তাকে ফাইন্যান্স বোঝার দরকার নেই। তবে একটা এডিশনাল গুন হিসাবে সেটা থাকলে ভাল। বিভিন্ন সেক্টরে দক্ষ লোকের অভাব নেই। নেতার কাজ সবাইকে সফল নেতৃত্ত্ব দেবার মাধ্যমে সবার কাছ থেকে সর্বোচ্চটা বের করে আনা।
সর্বাবস্থায় নিজের চাইতে, নিজের দলের চাইতে দেশের স্বার্থ বড় করে দেখার ধারাবাহিক ক্ষমতা।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
Deshpremik rajnItibid lagbe DikTetor na
১০০% হালাল কমেন্ট
( বিএসটিআই অনুমোদিত )
BSTI : BDS 0103:2010
জনগনের শিক্ষার সার্বিক মান উন্নয়ন ছাড়া সহজ কোন পথ নাই।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
"ডিক্টেটর" এর বৈশিষ্ঠ্য আর "দেশপ্রমিক" এর বৈশিষ্ঠ্য ঠিক কইরা একটা হাইব্রিড নেতা বানাইলে হয়।
এ পর্যন্ত ডিক্টেটর দেশে অনেক আইছিল কিন্তু দেশপ্রেমিক কেবল একজনই আইছিল। দেশপ্রেমিক যখন ডিক্টেটর হতে চাইলো তখনই তার গলাটা আমরা কাইটা দিলাম।
-------------------------------------------------------------------------------------------------
মানুষের দোষে ধর্ম দোষী
রাজা'র দোষে রাজ্য দোষী।
ডিক্টেটর মানে আমার কাছে স্বমেহনে লিপ্ত মানুষ। দেশ প্রেমিকের শর্ত হইল সবার আগে দেশ। দেশ প্রেমিক যখন নিজের চাওয়া পাওয়া মিলাইতে বসে তখন দেশ প্রেমিক হিসাবে তার মৃত্যু হয়।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
পড়লাম।
আগে কিছু নাম শুনা দরকার উদাহরন হিসাবে। যেমন ইতিহাসে সফল দেশ প্রেমিক (ডিক্টেটর) আছেন কে কে?
*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।
চীন দেশ। সেখগানে অবশ্য নির্দিষ্ট একজনের কথা বলা যায় না, তবে সামগ্রিকভাবে তাদের সিষ্টেম হল চরম ডিক্টেটরশিপ। তার মাঝেই তারা অর্থনীতির এক নম্বর শক্তিতে উঠছে, আমেরিকার মত সুপার পাওয়ারও তাদের কাছে হার মানছে।
যদিও কেবলমাত্র অর্থনৈতিক উন্নতিই সফলতার একমাত্র চাবিকাঠি নয় সে কথা পরে আসবে।
দক্ষিন কোরিয়ার কথাও বলা যায়।
হিটলার পাগলামি না করলে তার আমলে জার্মানীর যা উন্নয়ন তা কিন্তু বিস্ময়কর।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
সৌদির অর্থনীতিও ভাল। সেইখানে রাজতন্ত্র। আসলে অর্থনীতি নানান করনে ভাল হইতে পারে। কথা হইল আমাদের খারাপ অবস্থাথিকা মুক্তির জন্য একটা অপসন হিসাবে ডিকেক্টরশিপের ভবিষ্যৎ কি? চর্চাত কম হইল না।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
সৌদীর সাথে চীন কিংবা দক্ষিন কোরিয়ার তূলনা চলে না। সম্পদ থাকা আর অর্থনৈক উন্নয়ন এক নয়। সৌদী অর্থনৈতিক উন্নয়ন সূচকগুলির উন্নতি ওসব দেশের মত নয়।
সৌদীর অর্থনীতি ভাল কথাটা এবসলিউটলি ঠিক নয়। সে দেশের কিছু লোকে সোনার প্লেনে চলাচল করলেও বিপুল সংখ্যক লোক এখনো দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে। এই হার অফিশিয়ালি কত বলা মুশকিল হলেও কিছু সূত্র ১৭%, ১৯% এমন দেখায়।
বাস্তবতার চোখে আমারও মনে হয় যে গনতন্ত্রের ভাল দিকগুলি উপভোগ করার মত মানসিকতা আমরা এখনো অর্জন করতে পারিনি। তবে তার বিকল্প ঠিক কি হতে পারে জানি না। ডিক্টেটরশিপের মুশকিল হল যে একজন ভএল ডিক্টেটর পাওয়া গেলেও তার পরে যে আসবে সে হতে পারে ততটাই খারাপ। তাও এটাও কোন দীর্ঘমেয়াদী সমাধান না।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
এই অন্চলে সফলতম ডিক্টেটর শীপের উদাহরন দ: কোরিয়ার জেনারেল পার্ক চুন হি (১৯৬১-১৯৭৯) এবং সিংগাপুরের লী কুয়ান ইউ (১৯৫৯-১৯৯০)।
@আদিল মাহমুদ,
সৌদি, চীন, কোরিয়া কোনটার সাথেই কোনটার তুলনা চলে না। প্রত্যেকটা একেকটা বিশেষ অবস্থা। ডিক্টেটরশিপ থেকে সফলভাবে গনতন্ত্রে ফিরে আসাদের সামগ্রিক ভাবে ভালদের তালিকায় ফেলা হয়। উত্তর কোরিয়াতে যদি গনতন্ত্র আসে তখন বর্তমান ডিক্টেটরশিপ হয়ত মহিমান্নিত হবে। মায়ানমারের ক্ষেত্রেও তাই হবে।
কথা হচ্ছে আমরা আমাদের অর্জনের ব্যাপারে সচেতন না। আমাদের বাক স্বাধীনতা আছে। ভোটাধিকার আছে। দরকার আর উন্নত গনতন্ত্রের সেটার জন্য অবশ্যই সময় লাগবে। জনগন যদি টাকার বিনীময়ে ভোট বিক্রি করে তবে ক্রেতা অবশ্যই পাওয়া যাবে।
ফিউডাল কাঠামো রয়ে গেছে , চিন্তায় ও উৎপাদন স্তরে, ফলে নেতার পরিবারের মধ্যে আমরাই হবু নেতা খুঁজি।
আর বেশি ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেসন হলে। রাজনৈ্তিক দলের ডোনার লিস্টে পরিবর্তন আসবে। তখন একটা প্রতিযগিতায় সক্ষম পুঁজি গঠিত হবে। সেই পুঁজির দেখ ভাল করার জন্য যোগ্য নেতৃ্ত্ত্ব পুঁজিপতিরাই বেছে নেবে। যেটা ভারতে আছে।
এখন আমাদের দেশে দালাল পুঁজি, উৎপাদক পুঁজির চেয়ে স্টং, যদিও ধীরে হলেও পরিবর্তন আসছে।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
আজকাল মানুষের আয়ু বেড়েছে।আমাদের অর্থমন্ত্রীর বয়স আশি, প্রেসিডেন্ট জিল্লুরের বয়স তার চাইতেও বেশী।কাজেই সেই হিসেবে ডঃ ইউনুস এমন কিছু বৃ্দ্ধ না।আর ডঃ ইউনুসের মত ব্যক্তিরা উন্নত দেশের রাজনিতিবিদদের ন্যায় যোগ্য রাজনৈতিক উত্তরসরীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে, অসভ্য ,দুর্নীতিবাজ সন্তানের কাছে নয়।পরিবারের মাঝে ক্ষমতা কুক্ষীগত করে রাখা বর্তমান বিশ্বে মনে হয় কেবল শুধুই এখন বাংলাদেশে বিদ্যমান, আর কোথাও নয়।
পরিবারতন্ত্রের মৃত্যু এখন এ সময়ের দাবী।দুই অসৎ ,লোভী,রক্তকামী পিশাচ পরিবারের শুধু পতন নয়, কঠিন শাস্তি দেখতে চাই।
ইন্দিরা গান্ধি কার মেয়ে, রাজিব গান্ধি কার ছেলে, রাহুল গান্ধি কে?
নাওয়াজ শরিফ কার ছেলে? বেনজির কার মেয়ে? আসিফ জারদারি কার সোয়ামি?
ও ভাইডি, আলোচনা বৃথা গেল মনে হয়।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
দাড়কাকের হাগুচি নিয়া পোষ্ট দেওয়ায় আপ্নেরে মাইনাস।
--------------------------------------------------------------------------------------------
যেসকল বিএনপি সমর্থক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান, তারা একটু গু খাইয়া আসেন।
(লজ্জার ইমো হইবে) তার কিছু ফ্যানও হইছে দেখলাম, তাই ভাবলাম একটু পরিস্কার কইরা তাগ বক্তব্য শুনি------------কিন্তু আবার কি সব বলতেছে ইউনুস, টিউনুস, হে আবার কবে ডিক্টেটর আছিল, কবে দেশ প্রেমিক আছিল বুঝি নাই। আপনেরা বুঝলে হাত তুলেন না কেন?
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
একজন ভাল ও দেশপ্রেমিক ডিক্টেটরই পারে আমাদের দেশের মানুষের ভাগ্যার চাকা ঘুরিয়ে দিতে। একদফা একদাবি, ডিক্টেটর(দেশ প্রেমিক!) তুই কবে আবি, কেমনে আবি ?
টাইপো ঠিক করে দিন
--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........
ধন্যবাদ, ঠিক করে দিয়েছি।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
ডিক্টেটর হইতে হইলে কি কি গুণাবলী থাকতে হয় ? তালিকাটা একটু কষ্ট কইরা কেউ দেন ভাই, আম্মো ডিক্টেটর হইবার চাই
___________________
------------------------------
শ্লোগান আমার কন্ঠের গান, প্রতিবাদ মুখের বোল
বিদ্রোহ আজ ধমনীতে উষ্ণ রক্তের তান্ডব নৃত্য।।
দূর্জয় গেরিলার বাহুর প্রতাপে হবে অস্থির চঞ্চল প্রলয়
একজন সূর্যসেনের রক্তস্রোতে হবে সহস্র নবীন সূর্যোদয়।।
ডঃ ইউনুসের গুনাবলি রপ্ত করার চেষ্টা করেন। সে খালি রাজনীতিতে আসপে শুনছিলাম, এখন শুনি ডিক্টেটর আকারে আসপে এবং মেয়াদ শেষে যোগ্য কার কাছে সোনার বাংলা হস্তান্তর করবে।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....
হাসু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
আপনার এত রাগ! কান দিয়া ধুয়া বারায়!
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
আসবে আমাদেরও দিন....