বাংলায় নাম
আলোআঁধার
পরিচিতি
সদর দরজা
সুন্দরবনকে রক্ষার আয়োজনে আপনি আমন্ত্রিত!!!!

প্রকৃতিতে টিকে থাকা বাঘের সংখ্যা এখন মাত্র ৩ হাজার ২০০টির মতো। অথচ ১০০ বছর আগেও এ সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লক্ষের মতন। আশার কথা, আমাদের সুন্দরবন পৃথিবীতে টিকে থাকা বাঘগুলোর সবচেয়ে বড় আবাসস্থল। আর কোন বনে একসাথে এত বাঘ খুঁজে পাওয়া যায় না। কিছু প্রাকৃতিক আর অনেকাংশে মানুষের সৃষ্ট কারণে বাংলাদেশের এই বাঘগুলো খুব ভালো অবস্থায় নেই। বাসস্থান ধ্বংস ও ক্রমাগত বাঘের খাবারের (হরিণ) শিকার, বাঘকে বিপন্ন করে তুলেছে। এ অবস্থা আরো খারাপ রূপ ধারণ করছে লোকালয়ে ঢুকে পড়া বাঘ হত্যায়। তাই বাঘকে বাচানোর তাগিদে রক্ষা করা প্রয়োজন সুন্দরবনকে।
গবেষণা থেকে দেখা গেছে জঙ্গলের আশেপাশে মূলত তিনটি অভ্যাস হুমকি স্বরূপ- হরিণ শিকার, হরিণের মাংসের ব্যবহার ও লোকালয়ে ঢুকে পড়া বাঘ হত্যা। বছরের পর বছর ধরে চলে আসা এই অভ্যাস একদিন বা একমাসে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। একারণে একটি সুরক্ষা জাল তৈরি করা প্রয়োজন এই এলাকা ঘিরে, যা কেবল তৈরি হতে পারে জনসচেতনতার মাধ্যমে। আর ঠিক এই কাজটি করার উদ্যোগ নিয়েছে সুন্দরবন টাইগার প্রজেক্ট।
আগামী পাঁচ বছর চলবে এই প্রচারণা সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার ২৬টি ইউনিয়নে। এই প্রচারণার মূল বক্তব্য- সুন্দরবন মায়ের মতন। এই প্রচারণা সুন্দরবনকে কেবলমাত্র মানুষের জীবিকা হিসেবে নয়, বরং এর চেয়ে আরো বেশি কিছু হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবে। মানুষ তার মাকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে ও শ্রদ্ধা করে এবং অন্যান্য যে কোন বন্ধন থেকে মা ও শিশুর সম্পর্ককে সবচেয়ে বেশি মূল্য দেয়। এই প্রচারণা সুন্দরবন কীভাবে লোকালয়ের মানুষগুলোর খাবার জোগায়, আশ্রয় দেয় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে, ঠিক মায়ের মতো করে, প্রচারণার মূল বক্তব্য- ‘সুন্দরবন মায়ের মতন’ সে আবেগেরই প্রতিফলন।
বাংলাদেশের সবচেয়ে দুর্গম এলাকা এই প্রচারণার স্থান, যেখানে গণযোগাযোগের মাধ্যম নেই বললেই চলে। এখানে তাদের কাছে এই বক্তব্য পৌঁছনোর উপায় হলো প্রত্যেকের সাথে কথা বলা। এই প্রচারণা বিভিন্ন এলাকা ও উপলক্ষ্যগুলোকে কেন্দ্র করে হবে, যার ফলে প্রচুর মানুষকে আকর্ষণ করা যাবে (যেমন: সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, হাট-বাজার)। ১০০টিরও বেশি হাট-বাজার কেন্দ্রিক কমিউনিটি ক্যাম্প আয়োজন করা হবে প্রচারণা এলাকায়। গ্রামীণ সংস্কৃতির সাথে যায় এমন কিছু কার্যক্রমের (যেমন: নৌকা বাইচ) আয়োজন করা হবে যাতে প্রচারণার মূল বক্তব্য গ্রামের সাধারণ মানুষগুলো আনন্দময় পরিবেশে শুনতে পারে। স্কুলের বাচ্চাদের জন্য ও গ্রামের মহিলাদের জন্য ‘বনবিবির মেলা’ আয়োজন করা হবে। প্রতি বছরের শেষদিকে সাতক্ষীরা জেলার মুন্সীগঞ্জে ৩ দিনব্যাপী ‘বাঘ মেলা’ আয়োজন করা হবে। প্রথম বছরে এ সমস্ত শিক্ষামূলক ও গঠনমূলক কার্যাবলির মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে সুন্দরবন ও তার জীববৈচিত্র্যকে ভালবাসার কথা প্রচার করা হবে। এছাড়াও এই ক্যাম্পেইনের জন্য আলাদা করে একটি গান ও তার মিউজিক ভিডিও
স্থানীয় মানুষ এই প্রচারণার পরবর্তী ধাপগুলোতে সরাসরি অংশগ্রহণ করবে। প্রচারণার দ্বিতীয় বছরকে আমরা বলছি প্রতিশ্রুতির ধাপ, যা এলাকার মানুষকে বাঘ ও হরিণ হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি দিতে সাহস যোগাবে ও অন্যদেরও এই চর্চা করতে প্রভাবিত করবে। তৃতীয় বছরে, স্থানীয় মানুষেরা এই প্রচারণায় সক্রিয় অংশ নেবে সংরক্ষণমূলক চেতনায়। এই আদর্শিক পর্যায়ে গ্রামের লোকগুলোকে জঙ্গল নিরাপত্তা দক্ষতা,লোকালয়ে বাঘ ঢুকে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও বন্যপ্রাণী অপরাধ আইন নিয়ে তথ্য দেয়া হবে। প্রচারণার তিন বছর পর, মানুষগুলো নিজেদের মধ্যে সংরক্ষণের স্পৃহা খুঁজে পাবে ও সুন্দরবনের রক্ষক হিসেবে নিজেদেরকে নিয়োজিত করবে।

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ শুক্রবার এই প্রচারণার উদ্বোধন হবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। দিনব্যাপী কর্মসূচীতে থাকছে বর্ণাঢ্য রেলি, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং শিরোনামহীন, জলের গান ও দাউদ বয়াতীর অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক আআমস আরেফিন সিদ্দিক এই অনুষ্ঠানে প্রচারণার উদ্বোধন করবেন। খুলনা ও তার আশেপাশের প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবে। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সুন্দরবন ও বাঘকে ভালবাসার জন্য সব বয়সের, শ্রেণী ও পেশার মানুষের জন্য একটি যৌথ মঞ্চ হিসেবে কাজ করবে। তাই খুলনার আশেপাশে যদি থাকেন, একটু ঢুঁ মারতে পারেন এই সুন্দরবন ও তার বাঘ রক্ষার এই যজ্ঞে।
- ক্যাটেগরি:
- আলোআঁধার-এর ব্লগ
- মন্তব্য প্রদানের জন্য লগইন অথবা রেজিস্টার করুন
- ১৯৬ বার পঠিত
Twitter-এ প্রকাশ করুন

মন্তব্য
ভালো উদ্যোগ তো
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
চলেন বেড়ায়্যা আসি!!!!
____________________
কসাই গজরাতে গজরাতে বলল- তুই!
এত বার কোরবানি করার পর ও উঠে এসেছিস?
বললাম-
কোরবানি করেছিস ঠিকই -
কিন্তু ছাগলরা কোন দিন মরেনা!
আমি ফিনিক্স ছাগল!
- কবিরত্ন ডাক্তার আইজুদ্দিন
আইতেও পারি
----------------------------------------------------------
ছাগু আর ছাগু নাই। বিবর্তনের ধারায় এরা শুয়োর হয়ে গেছে
বৃহস্পতিবার সকালে যাবো, শুক্রবার রাতে ঢাকার দিকে ব্যাক। চলেন চলেন।
____________________
কসাই গজরাতে গজরাতে বলল- তুই!
এত বার কোরবানি করার পর ও উঠে এসেছিস?
বললাম-
কোরবানি করেছিস ঠিকই -
কিন্তু ছাগলরা কোন দিন মরেনা!
আমি ফিনিক্স ছাগল!
- কবিরত্ন ডাক্তার আইজুদ্দিন
চলেন বেড়্যাইয়া আসি
চলেন!!
____________________
কসাই গজরাতে গজরাতে বলল- তুই!
এত বার কোরবানি করার পর ও উঠে এসেছিস?
বললাম-
কোরবানি করেছিস ঠিকই -
কিন্তু ছাগলরা কোন দিন মরেনা!
আমি ফিনিক্স ছাগল!
- কবিরত্ন ডাক্তার আইজুদ্দিন
খুবই ভাল উদ্যোগ দেরীতে হলেও। কত চমতকার সব প্রানী আমাদের প্রকৃতি থেকে হারিয়ে গেছে চিরতরে। বাংলার প্রতীক এই বাঘও যদি একদিন হারিয়ে যায় তবে এর চেয়ে দূঃখের আর কি হতে পারে।
ছোটবেলায় ধনাশালিকের দেশে একবার পড়েছিলাম যে এ দেশে ইংরেজের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ করেছিল সুন্দরবনের এক বাঘ। এক ইংরেজ শিকারীকে মেরে খেয়েছিল। ইংরেজরা দেশ দখল করার পর সেটাই ছিল প্রথম ইংরেজ নিহত হবার ঘটনা।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
আদিল ভাই, বাঘ নিয়ে আরো ডিটেল লেখালেখির ইচ্ছে আছে। এখন কাজ করছি ওয়াইল্ড লাইফ ট্রাস্ট অব বাংলাদেশে। তাই হাতের কাছে অঢেল রেফারেন্স
। ইচ্ছে আছে এবার এই প্রচারণায় সুন্দরবন সংলগ্ন গ্রামে গিয়ে মানুষগুলোর সাথে মিশবার। বাঘ ও সুন্দরবন কীভাবে তাদের জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে, তা নিয়ে কাজ করবার। দোয়া রাইখেন।
____________________
কসাই গজরাতে গজরাতে বলল- তুই!
এত বার কোরবানি করার পর ও উঠে এসেছিস?
বললাম-
কোরবানি করেছিস ঠিকই -
কিন্তু ছাগলরা কোন দিন মরেনা!
আমি ফিনিক্স ছাগল!
- কবিরত্ন ডাক্তার আইজুদ্দিন
আপনাকে খুব ভাগ্যবান বলে মনে হচ্ছে।
এমন একটা কিছু সারা জীবন করতে পারলে আর কিছু চাইতাম না।
শুভকামনা রইল।
ভারতীয়দের সাহায্য নেবেন নাকি? ওদের এই জাতীয় বেশ কিছু প্রোগ্রাম আছে, টাইগার প্রজেক্ট গোছের।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
জঙ্গলে অবাধে বাঘ হরিণ হত্যা রোধে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ টহল দিলে খারাপ হয় না। এগুলো সরকারি ব্যাপার। নীতিনির্ধারকরা যা ভাল মনে করেন। তবে দুই দেশের মধ্যে সুন্দরবন নিয়ে কিছু কমন প্রজেক্ট হওয়া উচিত। তবে সরকারের সদিচ্ছার উপর নির্ভর করে সব।
____________________
কসাই গজরাতে গজরাতে বলল- তুই!
এত বার কোরবানি করার পর ও উঠে এসেছিস?
বললাম-
কোরবানি করেছিস ঠিকই -
কিন্তু ছাগলরা কোন দিন মরেনা!
আমি ফিনিক্স ছাগল!
- কবিরত্ন ডাক্তার আইজুদ্দিন
একই বন যখন শেয়ার্ড, তখন যৌথ উদ্যোগ নেওয়াই উচিত। অবস্থা যতদুর মনে হয় আমাদের এদিকেই বেশী খারাপ। আর আমাদের অভিজ্ঞতাও অনেক কম, ওদের এই জাতীয় প্রজেক্ট অনেকদিন ধরেই বেশ কিছু আছে, সফলভাবেই চলছে। ওদের অভিজ্ঞতা খুবই মূল্যবান হবে।
------------------------------------------------
স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও কি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করার কেউ আছে?..আমার তো মনে হয় না কোন পাগল ছাড়া কেউ এখন স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধাচারণ করতে পারে! - ফারুক ভাই
সহমৎ।
____________________
কসাই গজরাতে গজরাতে বলল- তুই!
এত বার কোরবানি করার পর ও উঠে এসেছিস?
বললাম-
কোরবানি করেছিস ঠিকই -
কিন্তু ছাগলরা কোন দিন মরেনা!
আমি ফিনিক্স ছাগল!
- কবিরত্ন ডাক্তার আইজুদ্দিন
ভালো লাগলো। উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।
--------------------------------------------------------
সোনালী স্বপ্ন বুনেছি
পথ দিয়েছি আধারী রাত ........
ধন্যবাদ
____________________
কসাই গজরাতে গজরাতে বলল- তুই!
এত বার কোরবানি করার পর ও উঠে এসেছিস?
বললাম-
কোরবানি করেছিস ঠিকই -
কিন্তু ছাগলরা কোন দিন মরেনা!
আমি ফিনিক্স ছাগল!
- কবিরত্ন ডাক্তার আইজুদ্দিন
ভালো কাজ , ভালো চেষ্টা , সুন্দরবনকে বাঁচানোর প্রয়াসকে সাধুবাদ।
হিজিবিজি
শেয়ার করুন আমাদের তথ্য। জনসচেতনতার কাজ করতে আপনিও একজন যোদ্ধা হয়ে যান।
____________________
কসাই গজরাতে গজরাতে বলল- তুই!
এত বার কোরবানি করার পর ও উঠে এসেছিস?
বললাম-
কোরবানি করেছিস ঠিকই -
কিন্তু ছাগলরা কোন দিন মরেনা!
আমি ফিনিক্স ছাগল!
- কবিরত্ন ডাক্তার আইজুদ্দিন
সুন্দরবন দেখার শখ বহুতদিনের
১০০% হালাল কমেন্ট
( বিএসটিআই অনুমোদিত )
BSTI : BDS 0103:2010
হুম। দেখা ভাল, তবে দেখতে গিয়ে চিপসের খোসা, চকলেটের প্যাকেট না ফেলে আসাই ভাল। শেষবার আমার অসাধারণ এক ছবি চিপসের প্যাকেটের জন্য নষ্ট হয়েছে। আর নষ্ট করছে পুরো সুন্দরবনের পরিবেশ। ইকো টু্রিজম এখনো হলনা আমাদের দেশে।
____________________
কসাই গজরাতে গজরাতে বলল- তুই!
এত বার কোরবানি করার পর ও উঠে এসেছিস?
বললাম-
কোরবানি করেছিস ঠিকই -
কিন্তু ছাগলরা কোন দিন মরেনা!
আমি ফিনিক্স ছাগল!
- কবিরত্ন ডাক্তার আইজুদ্দিন
ভালো লাগলো।
*************************************************************************************
আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।
আজ থেকে বাঘের জন্য, সুন্দরবনের দিন বদল হতে শুরু করেছে। আর এই দিন বদলের যোদ্ধা আমরা সবাই।
____________________
কসাই গজরাতে গজরাতে বলল- তুই!
এত বার কোরবানি করার পর ও উঠে এসেছিস?
বললাম-
কোরবানি করেছিস ঠিকই -
কিন্তু ছাগলরা কোন দিন মরেনা!
আমি ফিনিক্স ছাগল!
- কবিরত্ন ডাক্তার আইজুদ্দিন
দারুন উদ্যোগ। উদ্দেশ্য সফল হলে অসাধারণ। আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগের পাশে জনসচেতনতা জরুরী। মুশকিল এইযে ঐ আইনবিদ আর প্রয়োগকারীদের পাশাপাশি আমাদের মত সাধারণেরাও অনেক সময় হরিণের মাংস চেখে দেখার খায়েশ প্রকাশ করি।
aparajita
ফোটা দেয়া খাসি নিয়েও এসটিপি (সুন্দরবন টাইগার প্রজেক্ট) একটি জরিপ করেছি। দেখা গেছে প্রতি বছর সুন্দরবনের আশেপাশে প্রায় ১০,০০০ হরিণ মারা পড়ছে মানুষের হাতে। একদিকে সরকার বলছে, যথেষ্ট হরিণ রয়েছে, তাই হরিণের ফার্ম করা যেতেই পারে। আর অন্যদিকে খাবারের অভাবে বাঘ চলে আসছে লোকালয়ে।সব সাধ পূরণের নয়- তা মেনে নিয়ে একটু কষ্ট করলে ক্ষতি কী? আর হরিণের মাংস যে স্বাদু নয়, তা অনেকেই বলেছেন।
____________________
কসাই গজরাতে গজরাতে বলল- তুই!
এত বার কোরবানি করার পর ও উঠে এসেছিস?
বললাম-
কোরবানি করেছিস ঠিকই -
কিন্তু ছাগলরা কোন দিন মরেনা!
আমি ফিনিক্স ছাগল!
- কবিরত্ন ডাক্তার আইজুদ্দিন
হরিণের মাংস ততটা স্বাদু নয় ঠিকই তারপরও নিষিদ্ধ বস্তুর প্রতি মানুষের স্বভাবতঃ আকর্ষণ থেকে মানুষ হরিণের মাংস চেখে দেখার বাসনা রাখে। তো এক্ষেত্রে সরকার যদি বেসরকারী উদ্যোগে হরিণ প্রজনন ও পালনের সুযোগ দিত তাহলে কেমন হত?
aparajita
বেসরকারি ভাবে হরিণ পালনের জন্য সরকার গত বছর উদ্যোগ নিযৈছিল কিন্তু পরিবেশবাদী অর্থাৎ আমাদের মত সচেতন মানুষদের জন্য সেটা বাস্তবায়িত হয়নি আর। লক্ষ্য করে দেখুন হরিণ বনের প্রাণী বনের প্রাণীকে গৃহপালিত প্রাণীতে রূপান্তরের ব্যাপারটা পরিবেশের সাথে যায় না। বিরূপ একখানা প্রভাব ফেলে। বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক আচার আচরণ বদলে যায় ফলে বন্য রূপটা আর থাকেনা তার প্রমাণ মিলেছে আরও বিভিন্ন গবেষণায়। আর প্রকৃতিতেই যেখানে হরিণের সংখ্যা কম সেখানে ঘরে পালনের মত ব্যাপারটা ঋণাত্মক বৈ কি! আপনি কি জানেন যখন বেসরকারিভাবে খামারে ও গৃহস্থঘরে হরিণ পালনের বিলটি সংসদে পাস হয় এরপর প্রায় ১ লাখ বনেদি বড়লোক হরিণ পোষার আবদার জানিয়েছিলেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে। একটু গুণে দেখুন- প্রত্যেকে ২ টি হরিণ নিলে প্রকৃতি থেকে ২ লক্ষ হরিণ নেই হয়ে যাবে। আর কতজন পুষবেন আর কতজন স্বাদ নেবেন- বুঝে দেখুন।
____________________
কসাই গজরাতে গজরাতে বলল- তুই!
এত বার কোরবানি করার পর ও উঠে এসেছিস?
বললাম-
কোরবানি করেছিস ঠিকই -
কিন্তু ছাগলরা কোন দিন মরেনা!
আমি ফিনিক্স ছাগল!
- কবিরত্ন ডাক্তার আইজুদ্দিন
ভালো উদ্যোগ
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
" যারা পাকিস্তানের সাথে রিকন্সিলিয়েশন এর ধুয়া তোলে , থুথু ছিটাই সেসব বেজন্মাদের মুখে "
আরো জানতে চাইলে ঢু মারুন www.sundarbanstigerproject.info তে। আর রয়েছে www.wildlifetrustbd.org
সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে ঢাকায় থাকা মানুষ থেকে শুরু করে, ঐ এলাকার মানুষজনেরও। সুন্দরবন আর বাঘ ছাড়া আমাদের গর্ব করার আর কী আছে?
____________________
কসাই গজরাতে গজরাতে বলল- তুই!
এত বার কোরবানি করার পর ও উঠে এসেছিস?
বললাম-
কোরবানি করেছিস ঠিকই -
কিন্তু ছাগলরা কোন দিন মরেনা!
আমি ফিনিক্স ছাগল!
- কবিরত্ন ডাক্তার আইজুদ্দিন
ভালো উদ্যোগ
****************
????????????
--------------------
ভালো উদ্যোগ
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি........